Latest News

March 13, 2016

West Bengal has had unparalleled success in agriculture under the Trinamool Congress

West Bengal has had unparalleled success in agriculture under the Trinamool Congress

In the last five years, West Bengal has had unparalleled success in agriculture: The State has received the Krishi Karman Award for three years consecutively, which is a record yet to be broken.

West Bengal’s agriculture and rural development expenditure has become five-and-a-half times of that previously. As a result, the agriculture sector in the State has grown tremendously: The 2015-16 value for growth of agriculture, forestry and fishery in West Bengal was 5.55%, as against 1.1% for India.

The production of foodgrains has increased to 17.4 million tonnes (2014) from 14.8 million tonnes (2011). West Bengal is contributing more than 8% of the countrie’s food production from only 2.7% of the land. During 2013-14, the State produced 153.14 lakh MT rice and thus retained the leadership in rice production in the country, notwithstanding aggressive crop diversification. 300,000 landless individuals have received pattas.

The amount of affordable credit the State extends to the farmers, through the distribution of Kisan Credit Cards (KCCs) has gone up almost two-and-a-half times, from 26.57 lakh KCCs, as in March 2011 to Rs 69 lakh in December 2015. West Bengal is the first State where subsidy/grant is directly paid into the KCC/bank account of the farmers.

The increased production levels have ensured the prosperity of the farmers. The per farmer household annual income has increased remarkably, to Rs 1,60,000, as on March 31, 2014.

The area, production and productivity of pulses and oilseeds have increased tremendously too.

To improve the knowledge base of farmers, several initiatives have been taken, like

  • transfer of technology by demonstrations through training more than 10 lakh farmers
  • creating awareness through regular television and radio programmes, and other extension tools like literature, advertisement, etc.
  • launching a tab-based service titled ‘Matir Katha’ in 2013 – a first in India
  • organising of yearly fairs like Krishi Mela (in each block), Mati Utsab and Krishi Katha, and meetings with farmers, etc. wherein farmers interact with experts and with each other.


To cater to the needs of improved weather advisory to the farmers, 145 automated weather stations have been established throughout the State.

Last but not the least, the better production and hence income of farmers has also been due to the convergence of the Agriculture Department with Irrigation, Power, Marketing, Co-operative, Disaster Management, Horticulture, Animal Resources Development and others.

Chief Minister Mamata Banerjee has always given special emphasis to farmers. As a result of that, their condition and that of the agricultural sector have improved tremendously. Increased production has led to improved incomes, suitably aided by technology.

কৃষিতে অভূতপূর্ব সাফল্য পশ্চিমবঙ্গের

গত পাঁচ বছরে কৃষিতে অভূতপূর্ব সাফল্য লাভ করেছে পশ্চিমবঙ্গ। কৃষি ক্ষেত্রে উন্নয়ন আগের সমস্ত রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ধারাবাহিক ভাবে ২০১১-১২ থেকে ২০১৪-১৫ অবধি টানা চার বার ভারত সরকারের ‘কৃষি কর্মণ’ পুরস্কার পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।

২০০৬-১১ সালে কৃষিক্ষেত্রে পরিকল্পিত ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ১,০৩১.৩৯ কোটি টাকা যা ২০১১-১৬ সালে তিন গুন বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৩,৭৪৮.০৪ কোটি টাকা।

কৃষি ও কৃষি সহযোগী ক্ষেত্রে ২০১১-১৬ সালে বরাদ্দের পরিমাণ তিন গুন বেশি বাড়িয়ে ৪,২৩০.৪১ কোটি টাকা করা হয়েছে। ২০০৬-১১ সালে এই বরাদ্দ ছিল মাত্র ১,৩২৭.৯২ কোটি টাকা। কৃষকদের পারিবারিক আয় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

যেখানে ২০১১-র মার্চ অবধি মাত্র ২৬.৫৭ লক্ষ কিষাণ ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হয়েছিল, সেখানে আড়াই গুন (২.৫) বৃদ্ধি করে আজ অবধি ৬৯ লক্ষ কার্ড দেওয়া হয়েছে।

১২৮টি নতুন কৃষক বাজার তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। কৃষক বাজারের পরিকাঠামোর জন্য ২০০৭-২০১১ সালে ব্যয় হয়েছিল মাত্র ৭৭.২৬ কোটি টাকা। ২০১১-১৫ সালে তা  তিন গুন বৃদ্ধি পেয়ে ২৪০.১৪ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

বিভিন্ন খাদ্যশস্য যেমন ডাল, তৈলবীজ ইত্যাদির উ९পাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় ৮ লক্ষ মেট্রিক টন (৭.৭) খাদ্যশস্য সংরক্ষণ করার জন্য ৬৪টি নতুন হিমঘর তৈরি হয়েছে। ‘আমার ফসল আমার গোলা’ এবং আমার ধান আমার চাতাল’ প্রকল্প চালু করেছে রাজ্য সরকার। এর মাধ্যমে প্রায় ৩৭,৯০১ জন মানুষ উপকৃত হয়েছেন।

কৃষি, ম९স্যচাষ, পশুপালন ও সহযোগী ক্ষেত্রগুলির জন্য মত বিনিময় ও আদানপ্রদানের স্থায়ী পরিকাঠামো হিসেবে আমরা বর্ধমান জেলায় গড়ে তুলেছি ‘মাটি তীর্থ’। বর্ধমান জেলায় স্থাপিত – ‘মাটি তীর্থ’ ও ‘কৃষি কথা’ ইতিমধ্যেই যথেষ্ট প্রশংসা পেয়েছে।

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আধুনিক কৃষিশিক্ষা প্রচারের জন্য বর্ধমান জেলায় একটি নতুন কৃষি মহাবিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। কৃষকদের আবহাওয়া উপদেষ্টা সংক্রান্ত চাহিদা পূরণ করার জন্য রাজ্য জুড়ে ১৪৫টি স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে।