Latest News

March 8, 2016

Kanyashree: A beacon of hope for girl children

Kanyashree: A beacon of hope for girl children

Kanyashree Scheme is a peerless initiative by the West Bengal Government. It is the State’s flagship project for the girl child. More than 30 lakh girls have been brought under this scheme. The scheme was introduced to arrest the drop-out rate in schools and prevent early marriage among girl students.

The scheme is end-to-end IT-enabled and completely transparent, and hence easily accessible to beneficiaries. The popularity of the scheme has grown manifold since its inception due to this ease of access and focus on empowering young girl and building their confidence and self-esteem.

Among Kanyashree beneficiaries, 37.65% belongs to general category, 23.97% are scheduled castes (SC), 5.86% are scheduled tribes (ST), 8.8% are other backward classes (OBC) and 23.72% are minorities.

The scheme has garnered recognitions at major international and national forums. The scheme was represented as one of the ‘best practices’ at the Girl Summit 2014, organised by Department for International Development, UK and UNICEF in London in July 2014. It has also received the Manthan Award 2014 for e-governance in the category of ‘Women and Empowerment’ covering South Asia and Asia Pacific region. At the national level, it won a silver in the National Award for e-Governance 2014-15 under the category of ‘Outstanding Performance in Citizen-Centric Service.’

August 14 is celebrated as Kanyashree Divas throughout the State through grand ceremonies.


নারী উন্নয়নে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুগান্তকারী প্রকল্প ‘কন্যাশ্রী’ 

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি যুগান্তকারী প্রকল্প হল ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্প। প্রায় ৩০ লক্ষ মেয়েদের এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে কমেছে স্কুলছুটের সংখ্যা, কমানো গেছে অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার প্রবণতাও।

শুধু স্বনির্ভর করাই লক্ষ্য নয়। সবদিক থেকেই পারদর্শী হবে কন্যাশ্রীর কন্যারা। পিছিয়ে থাকবে না খেলাধূলা থেকেও।

কন্যাশ্রীর আওতায় লাভবান হয়েছে সাধারণ সম্প্রদায়ের ৩৭.৬৫ শতাংশ, তফসিলি সম্প্রদায়ের ২৩.৯৭ শতাংশ, উপজাতি সম্প্রদায়ের ৫.৮৬ শতাংশ, ওবিসি ৮.৮ শতাংশ এবং সংখ্যালঘুদের ২৩.৭২ শতাংশ।

কন্যাশ্রীর সাফল্যের জন্য ইউকে এবং ইউনিসেফের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন দফতর আয়োজিত ‘গার্ল সামিট’-এ সেরা নির্বাচিত হয়েছে কন্যাশ্রী। মন্থন পুরস্কারও পেয়েছে এই প্রকল্প।

১৪ই আগস্ট রাজ্য সরকার কন্যাশ্রী দিবস হিসেবে পালন করে। প্রতি বছর এই দিনটি পালন করে রাজ্য সরকার।