Latest News

March 16, 2016

Mamata Banerjee speaks on the conspiracies hatched by the Opposition against Trinamool Congress – FULL TRANSCRIPT

Mamata Banerjee speaks on the conspiracies hatched by the Opposition against Trinamool Congress – FULL TRANSCRIPT

Whenever it is election season in Bengal, the Opposition engages in falsehoods, conspiracies, slander and misinformation; canards are spread against us. In other states political battles are fought only at the time of polls; there is no politics over developmental works. However, in Bengal a section of the media and the Opposition only believes in smear campaign.

A section of the media has already started its smear campaign but, according to me, this is a manufactured conspiracy; it is concocted and there is involvement of foreign money in this case.

So many political parties have joined hands to take on Mamata Banerjee and Trinamool Congress in the polls. Even then, they need black money from foreign soils to blackmail us. They do not have any ethical right to continue in politics.

Why are they so afraid?What are they afraid of? I have always maintained that our political opponents should fight us politically. Let them challenge us on development; let them compete with us on the plank of development and progress.Judge us on the parameter of work done;judge us on the basis of our performance. But the Opposition is afraid to do that.

In the last five years we have transformed Bengal. People now are proud to say that they belong to Bengal.But CPI(M), Congress and BJP, with the help of some agencies with vested interests, want to paint a negative picture of the State through continuous conspiracies. Sometimes they stage riots to sow seeds of division between people.

This operation has all the signs of a conspiracy, hatched with the help of foreign funds. I have my doubts on the authenticity of the incident. I think they are concocted. I have doubts over the involvement of the Trinamool Congress with this case.

This person had conducted a similar affair earlier, but couldn’t prove the allegations. There was a lot of illegality involved. What credibility does that person have to question Trinamool Congress, just before the elections?

If the operation was conducted in 2014, what stopped the agency from broadcasting the tapes for two years? Why were they sleeping on it? Was it because they wanted to malign us just before the Assembly polls as they know that they will not be able to defeat us in any other way?

If you cannot defeat her, beat her up and murder her – this is always their plan. Since they cannot defeat me politically, they are maligning my party. I have reached the position I am in now after years of struggle; 99 per cent of my party workers are hard-working.They are trying to malign all these people. It is not always possible to control the rest one per cent; that is also the case for any family. If we come to know of any such malicious activities we always take action. We never authorise anyone to collect money on behalf of party like this.

The BJP, the Congress and the CPI(M) have enough party funds to run an election campaign; they have a lot of moveable and immoveable assets. Trinamool Congress, on the other hand, is a political party which is not-so-well-off financially. We just about manage to fulfil our election expenses with whatever little we have. We depend on membership fees and whatever else people give us. I think our budget is the smallest among the political parties in India.

People of Bengal can see through the intentions of the Opposition; they cannot tackle us politically; so they are up to dirty tricks. Money power, muscle power, mafia power, and media (some sections not all) power have ganged up along with central agencies to malign the character of Mamata Banerjee.

We want an investigation into the whole incident; let there be an investigation about the people who are using foreign money and black money to try and blackmail Trinamool leaders.

The main target of these vested interests is not the 2016 Assembly but the 2019 general election. They are afraid that Mamata Banerjee might have a say in the power centres in Delhi too. Mamata Banerjee does not seek power. I was born in Bengal, have lived in Bengal and would die in Bengal too. I love Bengal and I love to work for its people. If they, who have no hold over their tongues, can question the integrity of a person like me, one can only imagine what they would say about others.

They cannot counter us in any way – be it on principles, on philosophy, on culture or on purity of thought. So they have only one job now – to malign us, to spread canards. They should reflect on their actions. No matter how hard they try they will get a big ZERO.

CPI(M), Congress and BJP have already created a rainbow alliance against me. What else do they want? Even a section of the media is supporting them. Why do they still need to create a scam? I challenge them to prove all the allegations. If they cannot, they must leave politics.

I demand that the authenticity of this video be investigated. Where did the money come from? Was foreign money involved? Have they become so ideologically bankrupt that they need foreign black money to malign me?

Was there a deal? Who struck the deal, if there was one? Which political party is behind the conspiracy? People of Bengal will give a fitting reply to all the conspiracies during the elections.


বিরোধীদের কুৎসার জবাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

পশ্চিমবাংলায় যখন নির্বাচন আসে তখনই বিরোধীরা এইসব চক্রান্ত, ছলনা, কুৎসা, অপপ্রচার শুরু করে। অন্যান্য রাজ্যে রাজনৈতিক লড়াই শুধু নির্বাচনের সময় হয়, উন্নয়নের কাজে কেউ বাধা দেয় না। শুধুমাত্র বাংলাতেই বিরোধীদের সঙ্গে কিছু মিডিয়া মিলে একসাথে এই কুৎসা ও অপপ্রচার চালায়।

মিডিয়ার একাংশ ইতিমধ্যেই অপপ্রচার শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু আমি মনে করি পুরো ঘটনাটাই সাজানো। পুরো ঘটনাটাই ম্যানুফ্যাকচারড। এর মধ্যে বিদেশি টাকা রয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করার জন্য অনেকে হাত মিলিয়েছেন। তারপরও আমাদের ব্ল্যাকমেল করার জন্য তারা বিদেশ থেকে কালো টাকা আমদানি করছে। ওদের কোন নৈতিক যোগ্যতা নেই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার।

ওরা কেন এত ভয় পায়? বিরোধীদের উচিত আমাদের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে লড়াই করা। তারা আমাদের সঙ্গে উন্নয়ন, প্রগতি, কাজের মাপকাঠি নিয়ে প্রতিযোগিতা করুক।

গত ৫ বছরে আমরা বাংলাকে বদলে দিয়েছি। এখন মানুষ গর্ব করে বলে যে তারা বাংলায় বাস করছে। বাংলার উন্নয়নের জোয়ার থমকে দিতে সিপিএম-কংগ্রেস-বিজেপি ক্রমাগত চক্রান্ত করে চলেছে। তারা কখনো দাঙ্গা করার চেষ্টা করছে, কখনো মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছে।

বিদেশি টাকায় ষড়যন্ত্র করে তৈরি করা হয়েছে এই ‘অপারেশন’। এই ঘটনার সত্যতা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। এই ঘটনায় আদৌ তৃণমূল নেতারা যুক্ত কিনা সে ব্যাপারেও আমার সন্দেহ আছে।

শোনা যাচ্ছে যে এই ধরনের কাজ ভদ্রলোক আগেও করেছেন, কিন্তু অভিযোগগুলো প্রমানিত নয়। নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে এরূপ প্রশ্ন করার বিশ্বাসযোগ্যতা কি এই ভদ্রলোকের আদৌ আছে?

যদি ২০১৪ সালে এই ‘অপারেশনটি’ করা হয়ে থাকে তাহলে ২ বছর আগে সংস্থাটি ভিডিওগুলো কেন প্রকাশ করল না? নির্বাচনে আমাদের হারাতে পারবে না, এটা জেনে আমাদের কালিমালিপ্ত করার জন্যই কি?

যদি আমাকে পরাজিত করা না যায় তাহলে মার, না হলে খুন করে দাও এটাই সবসময় ওদের মতলব। রাজনৈতিকভাবে আমাদের হারাতে পারবে না তাই সর্বদা আমাদের দলের চরিত্র হননের চেষ্টা। আমি এখন যে জায়গায় পৌঁছেছি তা বহু বছরের সংগ্রামের ফল। আমার দলের ৯৯% কর্মী সৎ, সর্বদা এদের চরিত্র হননের চেষ্টা চলছে। যেকোন পরিবারের এক শতাংশ সদস্যকে যেমন কখনো কখনো নিয়ন্ত্রণ করা যায় না এখানেও তাই। যদি কখনো কোনরকম অবাঞ্ছিত কোন ঘটনার কথা আমাদের কানে আসে আমরা সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিই। এরকমভাবে দলের জন্য টাকা জোগাড়ের দায়িত্ব কখনোই কাউকে দেওয়া হয়নি।

বিজেপি-সিপিআইএম-কংগ্রেসের দলীয় তহবিলে প্রচুর টাকা আছে যা দিয়ে তারা নির্বাচনী প্রচার চালায়। ওদের প্রচুর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি আছে। তৃণমূল কংগ্রেস গরীব দল। আমাদের যেটুকু আছে তা দিয়েই আমরা নির্বাচনী প্রচারের খরচা চালাই। সদস্যপদের টাকা ও জনগনের অনুদানই আমাদের একমাত্র সম্বল। অন্য সকল রাজনৈতিক দলের থেকে আমাদের তহবিল সর্বাপেক্ষা কম।

বাংলার মানুষ বিরোধীদের আসল রূপ দেখছে। তারা রাজনৈতিকভাবে আমাদের মোকাবিলা করতে পারেনা বলেই অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চরিত্র হনন করার জন্য মানি পাওয়ার, মাসল পাওয়ার, মিডিয়া পাওয়ার ও কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি একজোট হয়েছে।

আমরা পুরো ঘটনার তদন্ত চাই।  বিদেশ থেকে আসা কালো টাকা ব্যবহার করে যারা তৃণমূল নেতাদের ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া উচিত।

এদের মূল লক্ষ্য ২০১৬-র বিধানসভা ভোট নয়, ২০১৯ এর সাধারণ নির্বাচন। আমার ক্ষমতার ওপর কোন লোভ নেই। আমি বাংলায় জন্মগ্রহণ করেছি এবং বাংলাতেই মৃত্যুবরণ করব। আমি বাংলাকে ভালোবাসি এবং বাংলার মানুষের জন্য কাজ করতে ভালোবাসি। ওদের জিভে কোন লাগাম নেই, আমার সম্বন্ধে যদি এই প্রশ্ন করে,জানিনা অন্যদের সম্বন্ধে কি বলবে।

আমাদের কালিমালিপ্ত করা, আমাদের কুৎসা করা ছাড়া তাদের আর কোন কাজ নেই। তারা আয়নায় নিজেদের দেখুক, কি করছে তারা ভাবুক। ওরা যতই চেষ্টা করুক, পাবে তারা লাড্ডু।

সিপিএম-কংগ্রেস-বিজেপি ইতিমধ্যেই রামধনু জোট করেছে আমার বিরুদ্ধে। আর কি করতে চায় তারা? মিডিয়ার একাংশ এব্যাপারে তাদের সাহায্য করছে। আমি এই সব অভিযোগ প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ জানালাম। যদি তারা প্রমান করতে না পারেন তাহলে তাদের রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া উচিত।

আমি চাই এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই হোক। কোথা থেকে এত টাকা এল? বিদেশি টাকা এর মধ্যে আছে কিনা? তারা কি আদর্শগতভাবে এতটাই দেউলিয়া হয়ে গেছে যে বিদেশ থেকে কালো টাকা এনে আমার চরিত্র হননের চেষ্টা করছে?

লেনদেন কি সত্যিই হয়েছিল? হলে কাদের মধ্যে হয়েছিল? কোন রাজনৈতিক দল এই চক্রান্তের পেছনে আছে? আগামী নির্বাচনে এইসব প্রশ্নের যোগ্য উত্তর দেবে বাংলার মানুষ।