Latest News

January 5, 2017

Web-based technology to be introduced for Bengal unorganised sector workers

Web-based technology to be introduced for Bengal unorganised sector workers

The Bengal Government’s Labour department is all set to introduce a web-based technology to help unorganised sector workers in availing benefits for their social security, given by the state government, without facing any inconvenience.

With introduction of the technology, the workers of the unorganised sector do not have to walk to the labour offices to get themselves to apply for the benefits including the State Assisted Scheme of Provident Fund for Unorganised Workers. They can do the same using the web-based technology for which they just need an internet connection.

At present there are 1.5 crore workers in the unorganised sector in Bengal. The huge numbers of workers are engaged in 80 to 85 different fields of work including building constructions, van rickshaw pullers, bidi workers, truck and auto-rickshaw drivers.

In the past five years, initiatives were taken to provide benefits of the state government to the maximum number of the workers. Chief Minister Mamata Banerjee had introduced Samajik Mukti Card. Using the same card, a worker of unorganised sector can avail all the benefits including medical, children’s education, allowances and compensations.

Till 2011, only 26 lakh workers from the unorganised sector had gotten enrolled by the erstwhile Left Front government to help them get the benefits. With efforts and several initiatives taken by the state government after the change of guard in the state, around 85 lakh workers have been enrolled and they have got Samajik Mukti Card. The process is on to provide the card to more number of workers so that they can avail all sorts of benefits.

Now with the initiative of the State Labour department to introduce the web-based technology, the workers will no more have to incur loss of even an hour’s earning in order to visit the nearest labour offices to get their work done. In case of any mistakes done while filling up the form, the person had to visit the office again. But with the introduction of the new system, they can fill up the forms online, can check the status of their application and at the same time and also track whether the amount that a beneficiary is supposed to get has been deposited in his or her account. The entire process will be a hassle free and fast. A worker will no more have to visit the concerned offices many times to get their work done. Moreover, the worker contractors can also avail the facility to apply for licence.

At present there are around 480 labour welfare facilitation centres and 68 regional offices of the state Labour department. With the introduction of the new system, the work of the respective zones under each offices will get expedited, the official said adding that soon all the 1.5 crore workers of the unorganised sectors will start deriving the benefits given by the state government.


অসংগঠিত ক্ষেত্রে শ্রমিকদের জন্য নতুন প্রযুক্তি রাজ্যের

অসংগঠিত ক্ষেত্রে শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা দিতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাবহার করতে চলেছে রাজ্য সরকারের শ্রমিক দপ্তর।

এই তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকরা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বা বিভিন্ন সরকারি অনুদানের জন্য তাদের শ্রমিক দপ্তরে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। ঘরে বসে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে করতে পারবে।

বর্তমানে রাজ্যে ৮০ থেকে ৮৫ টি অসংগঠিত ক্ষেত্রে প্রায় দেড় কোটি মানুষ নিযুক্ত আছেন।

অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের উন্নয়নের জন্য গত ৫ বছরে অসংখ্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকার সামাজিক মুক্তি কার্ড চালু করেছে। এই কার্ড ব্যবহার করে অসংগঠিত ক্ষেত্রের যে কোন শ্রমিক চিকিৎসা, শিশুদের শিক্ষা, বিভিন্ন ভাতা ও ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন।

বিগত বাম আমলে মাত্র ২৬ লক্ষ শ্রমিকের নাম নথিভুক্ত ছিল এইসকল সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে। সরকার পরিবর্তনের পর নতুন সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও উদ্যোগে এই সংখ্যা আজ ৮৫ লক্ষ।

এবার রাজ্য সরকার তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর পরিষেবা চালু করলে শ্রমিকদের আর দৈনিক মজুরি নষ্ট হবে না। সাধারনত কোনও ফর্মে ভুল হলে শ্রমিককে আবারও শ্রমিক দপ্তরে যেতে হত ভুল সংশোধনের জন্য, কিন্তু, তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর সুবিধা পাওয়া গেলে শ্রমিকরা তাদের নিজের কর্মস্থল থেকেই সব কিছু জেনে নিতে পারবে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি বিনামুল্যে ও তাড়াতাড়ি হবে।  এই প্রযুক্তির মাধ্যমে শ্রমিক কন্ট্রাক্টররা তাদের লাইসেন্সও পাবে।

বর্তমানে রাজ্য শ্রমিক দপ্তরের ৪৮০টি শ্রমিক কল্যাণ কেন্দ্র ও ৬৮টি রিজিওনাল অফিস আছে।