Latest News

April 23, 2016

Hooghly: A model of development

Hooghly: A model of development

The district of Hooghly has kept pace with the rest of West Bengal in developing on all aspects. The Trinamool Congress Government ensured that 88% of the people have access to government services.




Health and Family Welfare

  • 6 fair-price medicine shops – Hooghly District Hospital, Chandannagar, Arambagh and Serampore Sub-divisional Hospitals, Uttarpara State General Hospital and Jangipara Rural Hospital; as a result, 7.5 lakh people have got discounts to the tune of Rs 10.49 crore
    Dialysis, CT Scan, digital X-ray facilities at Hooghly District Hospital and dialysis unit at Arambagh Sub-divisional Hospital
  • Sick newborn care units (SNCU) at Hooghly District Hospital and Arambagh Sub-divisional Hospital
  • Sick newborn sensitisation units (SNSU) at 16 block-level hospitals, Serampore Sub-divisional Hospital and Uttarpara State General Hospital
  • Work going on for Arambagh and Sreerampur Multi Super-Speciality Hospitals
  • Critical care unit (CCU) and high-dependency unit (HDU) at Hooghly District Hospital and Arambagh Sub-divisional Hospital
  • 10-bedded primary healthcare centres in Malaypur, Tarahat, Rajyadharpur and Ramchandrapur



  • New building of Singur Government College, Hooghly Institute of Technology
  • Industrial training institute (ITI) built in Purshura, polytechnic college in Arambagh
  • Women’s hostel of West Bengal Survey College
  • New library building of Netaji Mahavidyalaya
  • 1.85 lakh bicycles given to students under Sabuj Sathi Scheme
  • 17 primary schools and 282 upper primary schools built
  • 34 primary schools upgraded to upper primary, 103 secondary schools to higher secondary
  • Mid-day meals served in all government schools
  • Separate toilets for boys and girls built in all government schools


Agriculture, Land Reforms

  • Kisan Credit Cards given to 5.1 lakh families (almost 100%) dependent on agriculture
  • 25,000 farmers have hired, at fair prices, farming equipment from 20 Custom Hiring Centres
  • 5 1000 MT-warehouses built in Sheoraphuli
  • 7 Krishak Bazaars – Singur, Dhonekhali, Arambagh, Balagarh, Jangipara, Parshura, Chinsura-Mogra block
  • 6,000 farming families given patta under Nijo Griha Nijo Bhumi Scheme
  • Model village created in Balagarh block


Panchayat and Rural Development

  • 100 Days’ Work Scheme: Rs 1,486 crore spent to create 7.33 crore man-days
  • 3 lakh toilets built under Mission Nirmal Bangla
  • State Government facilitated the construction of 404 km under Grameen Sadak Yojana
  • State Government facilitated the construction of 61,000 houses under Indira Awaas Yojana


Minorities’ Development

  • 3.02 lakh students given scholarships worth Rs 49 crore
  • Loans worth Rs 14 crore given to youths for starting self-employment sctivities


Backward Classes and Adivasi Development

  • Almost 1 lakh students getting financial aid under Shikshashree Scheme
  • 1.9 lakh SC/ST/OBC certificates given out


Women and Child Welfare

  • More than 1.92 lakh girl students getting financial aid under Kanyashree Scheme
  • Under the Integrated Child Development Scheme (ICDS), 14,000 children from 0 to 6 years of age and 68,000 pregnant and lactating women getting nutritious diet


Food security

  • 36 lakh people in the district getting foodgrains at Rs 2 per kg



  • 14 micro, small and medium enterprise (MSME) clusters
  • Loans worth Rs 5,000 crore given for small-scale industries


PWD and Transport

  • Roads, bridges, etc. numbering 290 built in the last four-and-a-half years
  • Dankuni road overbridge and Kamarkundu overbridge over Howrah-Bardhaman cord line



  • 100% rural electrification
  • Modernisation of unit number 5 of Bandel Thermal Power Station



  • 50 km of irrigation dams renovated
  • Concrete bridges built over Kunti River in Polba-Dadpur and Balagarh blocks


Public Health Engineering

  • 33 drinking water projects completed at a cost of Rs 81 crore



  • Work for Sabuj Dweep Eco-Tourism Project in Balagarh block going on
  • First phase of renovation work of Hanseswari Temple and Gazi Zafar Khan Dargah under Bansberia Municipality completed



  • A total of 4.08 lakh people brought under State-Assisted Scheme of Provident Fund for Unorganised Workers (SASPFUW), Building and Other Construction Workers Welfare Act (BOCWA) and West Bengal Transport Workers’ Social Security Scheme (WBTWSSS)
  • More than 6,500 youth getting monetary benefits under Yuvashree Scheme


Self-Help Groups

  • 7,500 self-help groups set up under Anandadhara Scheme
  • 6,000 projects sanctioned and Rs 47,000 crore given as grants under Swami Vivekananda Swanirbhar Karmasuchi Prakalpa
    11 Karma Tirtha set up


Urban Development

  • Furfurasharif Development Authority set up
  • Rs 400 crore worth developmental projects completed in the 13 municipalities in the district
  • 24,000 dwellings constructed for the urban poor


Information and Broadcasting

  • 2,500 folk artistes getting retainer fees and pensions



  • 7,000 dwellings for economically disadvantaged built under Gitanjali and other schemes


Youth Affairs and Sports

  • Rs 1.1 crore granted for the construction of 55 multi-gym centres



  • Arambagh Chinsurah and Serampore Women Police Stations set up


Thus we see how, over the years of Trinamool Congress rule, Hooghly has progressed like never before. A lot of projects have been accomplished, and a lot more have been sanctioned.


হুগলী জেলায় উন্নয়ন- এক নজরে


রাজ্য ও অন্যান্য জেলার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিগত সাড়ে চার বছর সময়কালে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে এই হুগলী জেলায়। এই জেলায় বিগত সাড়ে চার বছরে ৮৮ শতাংশ মানুষের কাছে বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের সুুবিধা পৌঁছে দেওয়া গেছে।


স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান

  • জেলায় ৬টি ন্যায্যমূল্যের ঔষধের দোকান (ঊতভক্ষ ঙক্ষভদন খনধভদভশন জবষস) চালু হয়ে গেছে। এগুলি চালু হয়েছে – হুগলী জেলা সদর হাসপাতাল, চন্দননগর মহকুমা হাসপাতাল, আরামবাগ মহকুমা হাসপাতাল, শ্রীরামপুর মহকুমা হাসপাতাল, উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতাল ও জাঙ্গিপাড়া গ্রামীন হাসপাতালেজেলার এই সকল ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ কেনার ফলে প্রায় সাড়ে ৭ লক্ষ মানুষ ১০ কোটি ৪৯ লক্ষ টাকার ছাড় পেয়েছেন।
  • হুগলী জেলা সদর হাসপাতালে ডায়ালিসিস ইউনিট, সি.টি. স্ক্যান, ডিজিটাল এক্স-রে ও আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ডায়ালিসিস ইউনিট চালু হয়ে গেছে।
  • হুগলী জেলার জেলা সদর হাসপাতাল ও আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে জগইঞ চালু হয়ে গেছে। এছাড়া চন্দননগর মহকুমা হাসপাতালে জগইঞ নির্মাণের কাজ চলছে।
  • শ্রীরামপুর মহকুমা হাসপাতালে জগইঞ মালটিস্পেশালিটি হাসপাতালের অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে।
  • জেলার মোট ১৮টি হাসপাতালে – ১৬টি ব্লক হাসপাতাল ও শ্রীরামপুর মহকুমা হাসপাতাল ও উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে জগজঞ বর্তমানে চালু হয়ে গেছে।
  • আরামবাগ ও শ্রীরামপুরে মালটি সুুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। প্রকল্প গুলির ব্যায় বরাদ্দ ৫২ কোটি টাকা হারে মোট ১০৪ কোটি টাকা।
  • বর্তমানে হুগলী জেলা সদর হাসপাতাল ও আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ইইঞ ও এঈঞ চালু হয়ে গেছে।
  • প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১০ শয্যা বিশিষ্ট মলয়পুর, তারাহাট, রাজ্যধরপুর ও রামচন্দ্রপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে।



  • সিঙ্গুরের সরকারি ডিগ্রী কলেজে পঠন পাঠন শুরু হয়েছে ও প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এর নতুন ভবনের স্থাপন করা হয়েছে।
  • প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে হুগলী কারিগরী প্রতিষ্ঠান (এ.ঐ.ঝ.)-এর শিক্ষায়তনের নতুন ভবনের স্থাপন করা হয়েছে।
  • পুরশুড়াতে আইটি আই তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। পান্ডুয়া ও জাঙ্গীপাড়ায় আইটি আই তৈরীর কাজ চলছে, নির্মাণের কাজ আগামী মে মাসের মধ্যে সমাপ্ত হবে।
  • আরামবাগে পলিটেকনিক তৈরির কাজ চলছে, নির্মাণের কাজ আগামী মে মাসের মধ্যে সমাপ্ত হবে।
  • ব্যান্ডেলে ১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পশ্চিমবঙ্গ সার্ভে কলেজর ৬০ শয্যা বিশিষ্ট ছাত্রী নিবাসের স্থাপন করা হয়েছে।
  • আরামবাগে ৫১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত নেতাজী মহাবিদ্যালয়ের নুতন লাইব্রেরী বিল্ডিং স্থাপন করা হয়েছে।
  • এই জেলায় প্রায় ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে সবুজসাথী প্রকল্পে সাইকেল প্রদান করা হচ্ছে।
  • বিগত সাড়ে ৪ বছরে জেলায় নতুন ১৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২৪১টি উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলা হয়েছে।
  • পাশাপাশি ৩৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় স্তরে এবং ১০৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্তরে উন্নীত করা হয়েছে।
  • সব স্কুলে মিড-ডে মিল চলছে যার ফলে পুষ্টি এবং উপস্থিতির হার বেড়েছে এবং স্কুল ছুট ছাত্রের সংখ্যা কমেছে।
  • প্রতিটি বিদ্যালয়ে ছেলে ও মেয়েদের জন্যে পৃথক শৌচাগার নির্মিত হয়েছে।


কৃষি, ভূমি সংস্কার, মৎস্য ও পশুপালন

  • জেলার প্রায় ৫ লক্ষ ১০ হাজার (প্রায় ১০০%) কৃষক পরিবারকে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড প্রদান করা হয়েছে।
  • সুুলভমূেল্েয কৃষি যন্ত্রপাতি ভাড়া নেওয়ার প্রকল্প জ্ঞকাষ্টম হায়ারিং েেসন্টারঞ্চ এর মাধ্যমে ২০টি সেন্টার থেকে ১৫ হাজার কৃষক উপকৃত হেেয়ছেন।
  • প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে শেওড়াফুলি নিয়ন্ত্রিত বাজার চত্বরে নির্মিত ৫টি ১০০০ মেট্রিক টন ক্ষমতা সম্পন্ন গুদামঘরের উদ্বোধন করা হেেয়ছে।
  • ৭টি কৃষক বাজার নির্মান করা হয়েছে।
  • এই জেলার ৬ হাজারেরও বেশি পরিবারকে জ্ঞনিজ গৃহ নিজ ভূমিঞ্চ পা-া দেওয়া হয়েছে।
  • সম্প্রতি বলাগড় ব্লকের ওলাঞ্চ মৌজায় নিজগৃহ নিজভূমি প্রকল্পে পা-া প্রাপ্ত ২৪টি উপভোক্তা পরিবারকে ১.১৮ একর জমিতে সরকারী উদ্যোগে গৃহ নির্মাণ করে দিয়ে ও বিভিন্ন সুুবিধা প্রদানকে একত্রীকরণ করে একটি আদর্শ গ্রাম হিসাবে গড়ে তোলা হয়েছে।
  • এই জেলায় মাছ চাষ ও মৎস্য বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যসম্মত তাপনিরোধক বাক্স ইত্যাদি বিতরণ প্রকল্প গ্রহণের ফলে প্রচুর মৎস্যজীবি এবং তাঁদের পরিবার উপকৃত হয়েছেন।
  • জেলায় প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর বিগত সাড়ে চার বছরে প্রায় ১১ লক্ষ হাঁস ও মুরগীর বাচ্চা, বিভিন্ন স্বনির্ভর দলের মধ্যে বিতরণ করেছে।


পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন

  • বিগত সাড়ে চার বছরে ১০০ দিনের কাজে প্রায় ১৪৮৬ কোটি টাকা ব্যয় করে ৭ কোটি ৩৩ লক্ষ শ্রম দিবস সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৬ সালের মে মাসের মধ্যে বিভিন্ন চালু প্রকল্প রূপায়ণের মাধ্যমে আরও অতিরিক্ত প্রায় ৪৩২ কোটি টাকা খরচ হবে।
  • গ্রামীণ সড়ক যোজনায় ৪০৪ কিমি রাস্তা নির্মিত হয়ে গেছে। আরও প্রায় ৫২ কিমি রাস্তা আগামী মে মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।
  • গত সাড়ে ৪ বছরে জেলায় প্রায় ৬১ হাজার ইন্দিরা আবাসন ঘর করা হয়েছে। আগামী মে মাসের মধ্যে আরও ৪ হাজারেরও বেশি ঘর নির্মিত হয়ে যাবে।
  • জেলায় মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পে প্রায় ৩ লক্ষ শৌচালয় নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়েছে। সারা দেশের পারিবারিক শৌচাগার নির্মাণের ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য প্রথম চারটি জেলার মধ্যে অন্যতম হল হুগলী জেলা। ২০১২ সালের বেসলাইন সার্ভে অনুযায়ী পারিবারিক শৌচাগার নির্মাণের ক্ষেত্রে এই জেলা লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সাফল্য লাভ করেছে। এছাড়াও সম্পূর্ণ ভাবে জেলাকে নির্মল জেলা হিসাবে ঘোষনা করার লক্ষ্যে বাড়ি বাড়ি সার্ভে করে শৌচাগার বিহীন বাড়ির সংখ্যা নিরূপনের কাজ চলছে।


সংখ্যালঘু উন্নয়ন

  • বিগত সাড়ে ৪ বছরে, প্রায় ৩ লক্ষ ২ হাজার সংখ্যালঘু ছাত্র-ছাত্রীকে প্রায় ৪৯ কোটি টাকা স্কলারশিপ প্রদান করা হয়েছে। আরও প্রায় ৭৫ হাজার ছাত্রছাত্রী আগামী মে মাসের মধ্যে স্কলারশিপ পেতে চলেছে।
  • এছাড়া স্বনির্ভরতার জন্য সংখ্যালঘু যুবক-যুবতীদের প্রায় ১৪ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে। আরও প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করা হবে আগামী মে মাসের মধ্যে।
  • জাঙ্গীপাড়া ব্লকের জাঙ্গীপাড়া, রাধানগর ও ফুরফুরা গ্রাম পঞ্চায়েত এবং চন্ডীতলা-১ ব্লকের শিয়াখালা গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত হয়েছে জ্ঞফুরফুরা শরিফ উন্নয়ণ সংস্থাঞ্চ, সংস্থার প্রথম মিটিংএ ১৭টি প্রকল্প রূপায়ণের জন্যে সাড়ে ১০ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই আমরা অনুমোদন করেছি এবং ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি।


অনগ্রসর কল্যান ও আদিবাসী উন্নয়ন

  • প্রায় ১ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী জ্ঞশিক্ষাশ্রীঞ্চ প্রকল্পে সহায়তা পাচ্ছে। আরও প্রায় ৫৯ হাজার ছাত্র-ছাত্রী আগামী মে মাসের মধ্যে প্রকল্পের আওতাভূক্ত হতে চলেছে।
    বিগত সাড়ে ৪ বছরে প্রায় ১ লক্ষ ৯০ হাজার জই/জঝ/ঘআই ইনক্ষঢ়ভপভদতঢ়ন প্রদান করা হয়েছে।


নারী ও শিশু উন্নয়ন

  • জেলায় ১ লক্ষ ৯২ হাজারেরও বেশি ছাত্রী কন্যাশ্রীর আওতায় এসেছে।
  • আই.সি.ডি.এস.-এর মাধ্যমে এই জেলায় ২০১৪-১৫ আর্থিক বছরে ৩ লক্ষ ১৪ হাজার জন ০-৬ বছরের শিশু, ৬৮ হাজার জন গর্ভবতী ও প্রসুুতি মাকে পরিপুরক পুষ্টি প্রদান করা হয়েছে এবং ১ লক্ষ ৪৭ হাজার জন শিশুকে প্রাক প্রাথমিক শিক্ষার আঙিনায় আনা হয়েছে। অপুষ্টি রুখতে তারকেশ্বর আই.সি.ডি.এস. প্রোজেক্টে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং অন্যান্য প্রকল্পগুলিতে তা রূপায়ন করা হচ্ছে।


খাদ্য সুুরক্ষা কর্মসূচী- খাদ্য সাথী

  • আমরা রাজ্যের মানুষের জন্যে খাদ্যের যোগান সুুনিশ্চিত করেছি। রাজ্যের ৮ কোটিরও বেশি মানুষ ২ টাকা কেজি দরে খাদ্যশস্য পাচ্ছেন। এবং আরও ৫০ লক্ষ মানুষ বাজার দরের অর্দ্ধেক দামে খাদ্যশস্য পাচ্ছেন ।
  • খাদ্য শস্যের যোগান সুুনিশ্চিত করতে আমরা কৃষকদের থেকে খভশভলয়ল জয়সসষক্ষঢ় ঙক্ষভদন (খজঙ) এর চেয়ে বেশি দামে খাদ্য শস্য ক্রয় করছি। এতে আমাদের কৃষকরাও বিশেষভাবে উপকৃত হচ্ছেন,তাঁরা ফসলের উপযুক্ত দাম পাচ্ছেন। রাজ্যের ব্লকে ব্লকে কৃষকদের থেকে ধান্য ক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে সরাসরি ধান কেনা ও চেকের মাধ্যমে দাম মেটানোর কাজ চলছে।
  • জেলায় প্রায় ৩৬ লক্ষ মানুষ ২/- টাকা কেজি দরে খাদ্যশস্য পাচ্ছেন।



  • জেলায় ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগের ১৪টি ক্লাস্টার গড়ে তোলা হয়েছে। এর ফলে প্রচুর মানুষের কর্মসংস্থান সুুনিশ্চিত করা গেছে।
  • ক্ষুদ্র শিল্পের ক্ষেত্রে বিগত সাড়ে চার বছরে এই জেলায় ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যাঙ্ক ঋণ প্রদান করা হয়েছে, আগামী বছর মে মাসের মধ্যে আরও অতিরিক্ত ১৪০ কোটি ব্যাঙ্ক ঋণ দেওয়া হবে।


পূর্ত ও পরিবহন

  • বিগত সাড়ে চার বছরে এই জেলায় পূর্ত দপ্তর ২৯০টি রাস্তাঘাট, ব্রীজ ইত্যাদি প্রকল্প রূপায়ণের কাজ হাতে নিয়েছে, যার মধ্যে ২৩৮টি প্রকল্পের কাজ প্রায় ৫২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ইতিমধ্যেই সমাপ্ত হয়েছে। এর ফলে প্রায় ২৫ লক্ষ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। বাকি প্রকল্পের কাজ আগামী মে মাসের মধ্যে সমাপ্ত হবে।
  • জেলার সড়ক ব্যবস্থা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জেলায় বিগত সাড়ে চার বছরে ৮৭০ কিমি রাস্তা নির্মান/পুর্ননির্মান/সম্প্রসারণ ও উন্নীতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল আরামবাগ-গৌড়হাটি বন্দর রাস্তা প্রভৃতি।
  • প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ডানকুনি ছঘআ-এর কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
  • প্রায় ১৭ কোটি টাকা ব্যয় করে দ্বারবাসিনি সানিহাটি রাস্তা, পোলবা কেশোয়ারা রাস্তা,বাঁধপুর ইছাপাসারা রাস্তা ও জনাই -বাকসা -কৃষ্ণরামপুর রাস্তার প্রশস্তিকরণ ও দৃঢ়ীকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
  • জি.টি. রোডের এবং রাজ্য সড়ক নং-১৩ এর উন্নতিকরন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
  • বৈদ্যবাটী তারকেশ্বর চাঁপাডাঙা রাস্তার দৃঢ়ীকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
    হাওড়া বর্ধমান কর্ড রেললাইনের উপর কামারকুন্ডু উড়ালপুল নির্মান প্রকল্পের কাজ চলছে।
    গোঘাট-২ নং ব্লকে দ্বারকেশ্বর নদীর উপরে আর.আই.ডি.এফ (ছ.ঐ.ঈ.ঊ-ডট) প্রকল্পে হুগলী জেলাপরিষদ কতৃক নির্মিত হয়েছে পুন্ডহিত সেতু। প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ৩৫০ মিটার। হুগলী জেলার পুন্ডহিত এবং বর্ধমান জেলার উচালনের মধ্যে নির্মিত সেতুটি ছিল উভয় জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবী। সেতুটি নির্মানের ফলে একইসঙ্গে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া,বর্ধমান ও হুগলী জেলার বিস্তীর্ন অঞ্চলের প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হয়েছেন। এই সেতু বরাবর বর্ধমানের দূরত্ব ২৫ কি.মি. কমে গেছে।


বিদ্যৎ ও অচিরাচরিত শক্তি

  • সমগ্র হুগলী জেলায় জ্ঞসবার ঘরে আলোঞ্চ প্রকল্পে ১০০% গ্রামীণ বৈদ্যুতিকরণের কাজ ২০১৬, মার্চ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
  • ব্যান্ডেল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫ নং ইউনিট এর পুর্ননবীকরণ ও আধুনিকীকরণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে প্লান্টের বর্তমানের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১২০ মেগওয়াট থেকে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ২১৫ মেগওয়াট। উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগে কর্মক্ষমতার মেয়াদ বৃদ্ধি পেয়েছে ২৫ বছর। ভারতে এই প্রথম তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পুরনো প্লান্ট ইউনিট বজায় রেখে, ইউনিট এর পুর্ননবীকরণ ও আধুনিকীকরণের কাজ সম্পন্ন হল।



  • প্রায় ৫০ কিমি দৈর্ঘ্যের বাঁধ সংরক্ষণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
  • এই জেলায় প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে পোলবা-দাদপুর ব্লকে কুন্তী নদীর উপর ধূমায় কংক্রীট ব্রীজ, বলাগড় ব্লকের দক্ষিণ গোপালপুর মৌজায় কুন্তী নদীর উপর কংক্রীট ব্রীজ নির্মাণের কাজ সুুসম্পন্ন হয়েছে।
  • তারকেশ্বর ব্লকের নছিপুরে দামোদর নদের ১ কিমি দৈর্ঘ্যের ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু করা হয়েছে।


জনস্বাস্থ্য কারিগরী

  • বিগত সাড়ে চার বছরে ৬৮টি জলপ্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে, এর মধ্যে ৮১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৩টির কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এর ফলে জেলার প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। আরও ১৫টি জলপ্রকল্পের কাজ আগামী মে মাসের মধ্যে সমাপ্ত হবে।



  • বলাগড়ে সবুজদ্বীপ ইকো টুরিজম প্রকল্পে রাজ্যসরকার পি. পি. পি. মডেলে কাজ করছে। রাজ্য পর্যটন দপ্তরের অর্থানুকূল্যে এরমধ্যেই ঠআঝঈই দুটি কাঠের জেটি, হুগলি জেলা পরিষদ এর রাস্তা সংস্কার, ঙএউ র পানীয় জলের ব্যবস্থা এবং ঠআজউঈইক দ্বীপে বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ দ্রুত রূপায়িত হচ্ছে।
  • এছাড়া চন্দননগর স্ট্যান্ডের সৌন্দর্যায়নের জন্য পর্যটন দপ্তর থেকে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। ফুটপাত সংস্কারের কাজ বাদ দিয়ে বাকী সব কাজ এরমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।
  • বাঁশবেড়িয়া পৌরসভার হংসেশ্বরী মন্দির এবং গাজীজাফর খান দরগা সংস্কারের জন্য প্রথম দফার সব কাজ এরমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।
  • জাঙ্গীপাড়া ব্লকের আঁটপুরে মৎস্য বিভাগের একটি জলাশয়কে ঘিরে ছয়টি কটেজ, তৎসহ ডাইনিং হল এবং অন্যান্য পরিকাঠামো নির্মান কাজ এরমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।



  • জঅজঙঊঞঠ (জঢ়তঢ়ন-অড়ড়ভড়ঢ়নধ জদবনলন ষপ ঙক্ষষৎভধনশঢ় ঊয়শধ পষক্ষ ঞশষক্ষফতশভড়নধ ঠষক্ষযনক্ষড়) প্রকল্পে অদ্যাবধি প্রায় ৩ লক্ষ ৩৭ হাজার অসংগঠিত কর্মী নথিভুক্ত হয়েছেন।
  • আঘইঠঅ প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬৪ হাজার নির্মান কর্মী নথিভুক্ত হয়েছেন।
  • অনুরূপভাবে, ঠআঝঠজজজ (ঠনড়ঢ় আনশফতর ঝক্ষতশড়সষক্ষঢ় ঠষক্ষযনক্ষড়ঞ্চ জষদভতর জনদয়ক্ষভঢ়ঁ জদবনলন) প্রকল্পে সাড়ে ৭ হাজারেরও বেশি পরিবহন কর্মী নথিভুক্ত হয়েছেন।
  • জ্ঞযুবশ্রীঞ্চ প্রকল্পে সাড়ে ৬ হাজারেরও বেশি যুবক-যুবতী উৎসাহ ভাতা পাচ্ছেন।


স্বনির্ভর দল ও স্বনিযুক্তি কর্মসূচী

  • আনন্দধারা প্রকল্পে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার স্বনির্ভর দল গঠিত হয়েছে, আগামী মে মাসের মধ্যে আরও প্রায় ৪ হাজার স্বনির্ভর দল গঠিত হতে চলেছে।
  • বিগত সাড়ে চার বছরে স্বামী বিবেকান্দ স্বনির্ভর কর্মসূচী প্রকল্পে সাড়ে ৬ হাজারেরও বেশি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং ৪৭ কোটির বেশি টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
  • জেলায় বিভিন্ন দপ্তরের মোট ১১টি কর্মতীর্থ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল, যার মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩টির কাজ সমাপ্ত হয়েছে, বাকী গুলির কাজ চলছে।


পুর ও নগরোন্নয়ন

  • এই সময়কালের মধ্যে ফুরফুরাশরিফ ঈনৎনরষসলনশঢ় অয়ঢ়বষক্ষভঢ়ঁ (২০১৫) গড়ে উঠেছে।
  • হুগলী জেলায় ১৩টি মিউনিসিপ্যালিটি বিগত সাড়ে চার বছরে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার ও বেশি পরিকল্পনা খাতে ব্যয় করেছে। শহরাঞ্চলে গরীবদের জন্যে প্রায় ২৪ হাজার বাসস্থান নির্মিত হয়েছে।


তথ্য ও সংস্কৃতি

  • বর্তমানে হুগলী জেলায় প্রায় আড়াই হাজার লোকশিল্পী রিটেনার ফি ও পেনশন পাচ্ছেন। আরও প্রায় ৪৫০ লোকশিল্পী রিটেনার ফি ও পেনশন পেতে চলেছেন।



  • জেলায় আর্থিক ভাবে দুর্বল মানুষদের জন্যে গীতাঞ্জলী ও অন্যান্য প্রকল্পে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার বাসস্থান নির্মিত হচ্ছে, এর মধ্যে সাড়ে ৪ হাজার বাসস্থান নির্মিত হয়ে গেছে। বাকী বাসস্থান আগামী মে মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে।


ক্রীড়া ও যুব কল্যান

  • হুগলী জেলায় চুঁচুড়া উতড়ঢ়নক্ষশ ঋক্ষষয়শধ-এর সংস্কার, উদয়নী ব্যায়াম সমিতিতে সুুইমিং পুল নির্মাণের কাজ সমাপ্ত হয়েছে।
  • ক্রীড়ার মান উন্নয়নে বিগত দু বছরে ক্রীড়া দপ্তর জেলায় মোট ৮২২টি ক্লাবকে অর্থ সাহায্য কেেরেেছ।
  • জেলায় ৫৫টি মাল্টি জিম সেন্টার গড়ে তুলতে ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে।



  • জেলায় নতুন নতুন থানা হিসাবে আরামবাগ মহিলা থানা, চুঁচুড়া মহিলা থানা ও শ্রীরামপুর মহিলা থানা স্থাপন করা হয়েছে।