Latest News

April 6, 2016

Health Department: Path-breaking achievements

Health Department: Path-breaking achievements

Under Mamata Banerjee, the Health Department has been one of the best-performing departments over the last five years in West Bengal. Concepts like special care units for babies, fair-price medicine shops, fair-price diagnostic centres and multi super-speciality hospitals have brought about a huge change in the health scenario in the State.

Recently, the Government has taken the path-breaking decision of withdrawing all user charges from all Government hospitals, including medical college hospitals. These user charges include those of drugs, surgical implants and of usage of costly devices.

Mother and child care: The number of sick newborn care units (SNCU) is up from six to 49 and sick newborn stabilisation units (SNSU) are up from zero to 302. There has been a significant improvement in institutional delivery, from 68% in 2011 to 87% in November 2015; all 671 functional delivery points now have newborn care corners (NBCC). Two Mother and Child Care Hubs (MCHs) have been built in Kolkata and Howrah; seven more are coming up by the end of 2016. Thirty-five Nutritional Rehabilitation Centres (NRCs) centres have been set up for the management of severely malnourished children, and for counselling their mothers.

Fair-price medicine shop (FPMS): The 109 FPMSs achieved a gross sale of Rs 940 crore, with discount of Rs 585 crore availed by 2013 lakh patients between December 2012 and December 2015.

Fair-price diagnostic centre (FPDC): FPDCs are meant to provide medical diagnostic facilities at an affordable rate. There is also provision for free services to the poor and vulnerable sections of society. So far, 82 FPDCs have been set up in government hospitals.

Multi super-speciality hospitals: These hospitals with advanced healthcare facilities are coming up in all the districts. Thirty-two have been opened, out of the scheduled 41.

Emergency care: West Bengal is the only State to set up modern critical care and emergency management facilities in districts and sub-divisions. Fifty-five such CCUs and HDUs (high-dependency units) are functional, and 17 more are to open soon.

Hospital beds: The bed strength has been increased by 27,000. A hundred eighty non-bedded primary healthcare centres (PHCs) were upgraded to 10-bedded PHCs and 144 block primary healthcare centres (BPHCs) were upgraded to rural hospitals.

Madhur Sneha and Cord Blood Bank: Eastern India’s first human milk bank, named Madhur Sneha, and a cord blood bank have been set up at SSKM Hospital.

Sishu Sathi: This scheme is meant to enable free surgical treatment for children with cardiac diseases at State Government-run hospitals; more than 7,400 children have been treated till now.

Rashtriya Swasthya Bima Yojana (RSBY): The West Bengal Government has ensured extension of RSBY services to all hospitals up to blocks. The State tops in India with 61 lakh families covered, extending benefits of free cashless treatment for surgical and medical management to 12 lakh patients, amounting to Rs 700 crore in the last four years. This has been appreciated by the World Bank and the German Society for International Cooperation (GIZ in German).

Under the rule of the Trinamool Congress, the health scenario in West Bengal is better than ever. There has been a significant increase in the allocation for the Health & Family Welfare Department over the last five years; it is Rs 2999.22 crore for 2016-17. The people all over the State are highly impressed by the all-round change.


স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বাংলায়  অভূতপূর্ব উন্নয়ন  

মমতা বন্দোপাধ্যায়-এর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দপ্তর বিগত পাঁচ বছরে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। নায্যমূল্যের ওষুধের দোকান, নায্যমূল্যের ডায়াগনস্টিক কেন্দ্র এবং মাল্টি -সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে অসাধারণ পরিবর্তন এনেছে।

রাজ্য সরকারের এক অভূতপূর্ব সিদ্ধান্তের ফলে এখন রাজ্যের সকল হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে। এর পাশাপাশি, রাজ্যে সরকারি হাসপাতালগুলিতে ভর্তি সকল রোগীদের বিনমূল্যে ওষুধপত্র ও অনান্য  সুযোগ সুবিধে দেওয়া হচ্ছে।

জননী ও শিশু কল্যাণ: Sick Newborn Care Unit (SNCU)-এর সংখ্যা ৬ থেকে বেড়ে এখন ৪৯ হয়েছে এবং Sick Newborn Stabilisation Units (SNSU)-এর সংখ্যা শূন্য থেকে বেড়ে এখন হয়েছে ৩০২। হাসপাতালে প্রসবের উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটেছে – ২০১১ সালে ৬৮ শতাংশ থেকে ২০১৫ সালে ৮৭ শতাংশ। সকল ৬৭১ পরিসেবা কেন্দ্রে এখন রয়েছে Newborn Care Corners (NBCC)। ২টি Mother and Child Care Hub (MCH) তৈরী হয়েছে কলকাতা এবং হাওড়ায়। অপুষ্ট শিশুদের জন্য ৩৫ Nutritional Rehabilitation Centre (NRC) খোলা হয়েছে।

নায্যমূল্যের ওষুধের দোকান: ১০৯টি নায্যমূল্যের ওষুধের দোকান থেকে ডিসেম্বর ২০১২- ডিসেম্বর ২০১৫ সময়কালে মোট ৯৪০ কোটি টাকার ওষুধ কেনা হয়েছে, যার মধ্যে ৫৮৫ কোটি টাকার ছাড় দেওয়া হয়।

নায্যমূল্যের ডায়াগনস্টিক কেন্দ্র: রাজ্যের মানুষরা এখন ন্যায্য মূল্যে ডায়াগনস্টিকের সুবিধা লাভ করছেন। সমাজের দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের বিনামূল্যে এই পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। এখন অবধি এই ডায়াগনস্টিকগুলির সংখ্যা ৮২।

মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল: সকল আধুনিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাসম্পন্ন ৩২টি মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ইতিমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়ে।

জরুরি পরিষেবা: পশ্চিমবঙ্গ ভারতবর্ষের একমাত্র রাজ্য যেখানে সবকটি জেলা এবং মহকুমায় রয়েছে critical care ও জরুরি পরিষেবার ব্যবস্থা। ৫৫টি Critical Care Unit (CCU) এবং High Dependency Unit (HDU) ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গেছে।

হাসপাতালের শয্যা: হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা এখন আরো ২৭,০০০ বেড়ে গিয়েছে। ১৮০টি Primary Healthcare Centre (PHC)-এর সবকটিতে এখন ১০টি করে শয্যা রাখা হয়েছে। ১৪৪টি Block Primary Healthcare Centre (BPHC) এখন গ্রামীন হাসপাতালে পরিনত হয়েছে।

মধুর স্নেহ ও কর্ড ব্লাড ব্যাঙ্ক: এস এস কে এম হাসপাতালে পূর্ব ভারতের প্রথম Milk Bank ও কর্ড ব্লাড ব্যাঙ্ক গড়ে তোলা হয়েছে।

শিশু সাথী: এই প্রকল্পে রাজ্যের সরকারী হাসপাতালগুলিতে হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার ব্যবস্থা শুরু করা হয়েছে, যার অধীনে এখন অবধি ৭,৪০০-র বেশি শিশুরা উপকৃত হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বীমা যোজনা: পশ্চিমবঙ্গ সরকার ব্লক স্তর পর্যন্ত সকল হাসপাতালে রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বীমা যোজনার সুবিধা শুরু করেছে। এর আওতায় এখন অবধি ৬১ লক্ষ পরিবার উপকৃত হয়েছেন, যা সারা দেশে সর্বোচ্চ। এই সুবিধার অন্তর্গত ১২ লক্ষ রোগীদের মোট ৭০০ কোটি টাকার cashless পরিষেবা প্রদান করা হয়েছে গত চার বছরে, যার বাহবা মিলেছে বিশ্ববাঙ্কের তরফ থেকেও।

স্বাস্থের জন্য বরাদ্দ অর্থ ২০১৬-১৭ সালে বেড়ে হয়েছে ২,৯৯৯.২ কোটি টাকা। তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকালে পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিস্থিতি আগের তুলনায়ে দুর্দান্ত। রাজ্যের মানুষ এই উন্নতি দেখে রীতিমত সন্তুষ্ট।