State Govt wants to acquire Tagore’s home in London

Chief Minister Mamata Banerjee has expressed the desire of the Bengal Government to acquire the house in London where Nobel laureate Rabindranath Tagore had lived, and convert it into a museum-cum-memorial to the world-famous poet and writer.

Mamata Banerjee expressed the State Government’s desire during a meeting with the Indian High Commissioner in London.

Tagore had lived at No. 3, Heath Villas in Hampstead Heath, north London, for a few months in 1912 while he translated his collection of poems, Gitanjali, for which he went on to win the Nobel Prize in Literature in 1913.

The Chief Minister is in London for a week-long tour of the United Kingdom (UK). She unveiled the Blue Plaque at the house in London where Sister Nivedita lived for some time, which is awarded by British Heritage to places in need of conservation. She is next scheduled to hold a series of meetings in London and then in Scotland with potential investors, with an eye on the Bengal Global Business Summit 2018, to be held next January.

Incidentally, Tagore’s home has already been awarded the Blue Plaque, the inscription on which reads: Rabindranath Tagore (1861-1941) Indian poet stayed here in 1912.

রবীন্দ্রনাথের লন্ডনের বাড়িকে রবীন্দ্র সংগ্রহশালা করতে চান মুখ্যমন্ত্রী

লন্ডনের রবীন্দ্রস্মৃতিধন্য বাড়ির দায়িত্ব নিতে চায় রাজ্য সরকার। উত্তর লন্ডনের যে বাড়িতে বসে গীতাঞ্জলীর ইংরেজি তর্জমা করা হয়েছিল, সেই বাড়িটিকে রবীন্দ্র স্মারক সংগ্রহশালায় রূপান্তরিত করতে চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুখ্যমন্ত্রীর বর্তমান ব্রিটেন সফরেই ব্রিটেনে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেখা করে এই ইচ্ছা প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হ্যামস্টেট হিথের ৩নং বাড়িটিতে ১৯১২ সালে কয়েক মাস কাটিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। গীতাঞ্জলীর ১০৩ টি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ করে তা পাঠানো হয়েছিল নোবেল কমিটির কাছে। ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার পান। এরপর ১৯৩১ সাল পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথ বেশ কয়েকবার কাটিয়েছেন তাঁর প্রিয় লন্ডন হাউসে। সেই হিসেবে এই বাড়িটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।

রাজ্য সরকার এই বাড়িটিকে কিনে রবীন্দ্র সংগ্রহশালা করতে চায়। এই সম্পত্তির মূল্য ২.৭ মিলিয়ন পাউন্ড। উল্লেখ্য, বাড়িটি ইতিমধ্যেই ‘ব্লু প্লাক’ মর্যাদা পেয়েছে।

Source: Millennium Post

Biswa Bangla outlet in China by July this year

The state government is going to set up a Biswa Bangla outlet at Kunming Changshui International Airport in China this July. A Memorandum of Understanding (MoU) in this regard was signed recently in the state administrative headquarters at Nabanna.

A Chinese delegation had attended the Bengal Global Business Summit (BGBS) held in January and expressed its willingness to invest in Bengal. After BGBS, a Chinese had come to the city and held talks with businessmen and senior officials of the Industry department. Senior state government officials felt that opening of the stall would start a new chapter and would showcase some of the typical products from Bengal.

It may be recalled that after coming to power in 2011, Chief Minister Mamata Banerjee took special measures to revive the nearly-forgotten products like Muslim and sital pati along with utensils made of bell-metal. The mask industry of Purulia and South Dinajpur also witnessed a revival. The artisans were looked after. The weavers who produced Muslins for generations were not only taken care of but also given elaborate training by reputed fashion designers.

Now, along with Muslin sarees, kurtas, pyjamas, tops for women, pillow covers and bed linens have become immensely popular.


বিদেশের মাটিতে এই প্রথম বিশ্ববাংলা বিপণি

এই প্রথম দেশের বাইরে চালু হতে চলেছে বিশ্ববাংলা স্টল। এবার বিশ্ববাংলা স্টল জায়গা পাচ্ছে কমিউনিস্ট চিনে।ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের সঙ্গে চিনের একটি মউ চুক্তি স্বাক্ষরও হয়েছে।

আগামী জুলাই মাসের মধ্যেই চিনের মাটিতে বিশ্ববাংলার স্টল তৈরির কাজ শেষ হবে।  চিনের কানমিং চাংশুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৈরি হচ্ছে বিশ্ববাংলা স্টল।

পুরুলিয়ার মুখোশ কোচবিহারে শীতলপাটি ,ডোকরা, বাংলার মসলিন শাড়ি, কাঁসার বাসন থেকে বর্ধমানের মিহিদানা, সীতাভোগ এবার জায়গা পাবে সুদূর চিনে।  মুখ্যমন্ত্রীর বিশ্ববাংলা ব্র্যান্ড এবার সত্যিই পৌঁছচ্ছে বিশ্বের দরবারে।  বাংলার শিল্প সংস্কৃতি থেকে খাদ্য সম্ভার এবার জায়গা করে নেবে কমিউনিস্ট চিনে।

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্য ছিল বিশ্ববাংলা ব্র্যান্ডের মধ্যে দিয়ে রাজ্যের হারিয়ে যেতে বসা হস্তশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করা ও এই পণ্যগুলোকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা। পাশাপাশি এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত শিল্পীরাও যাতে উপকৃত হয় সেইদিকেও নজর রাখা।

কলকাতায় দমদম  বিমানবন্দর ,ঢাকুরিয়া ,দক্ষিণাপণে এবং বাগডোগরায় রয়েছে বিশ্ববাংলা স্টল।


Kolkata joins C-40 group of megacities

Kolkata is the first city in South Asia to be included in the list of prestigious C-40 group of megacities, which is committed to creating environment-friendly cities.

An agreement in this regard was signed between state urban development and municipal affairs minister Firhad Hakim and Kevin Austin, deputy executive director of C-40 Cities Climate Leadership Group at Nabanna on Friday.

Hakim said that apart from Kolkata three other Indian cities namely Jaipur, Delhi and Mumbai were eager to join the C40 group. Finally, Kolkata was selected.

The group will offer help to the state government on a host of areas for addressing climate change by reducing greenhouse gas emissions. The major areas are solid waste management and air pollution. The group will come up with a blueprint including suggestions and ways by which they can be implemented so as to help Kolkata to become an environment-friendly city. The blueprint will be given to both KMDA and KMC for implementation.

C-40 Group helps in achieving the common goal of all the cities in saving the climate. The group offers cities a forum where they can share knowledge to take meaningful, measurable and sustainable action on climate change, said Hakim.

Bengal’s joining the group was conceived by Chief Minister Mamata Banerjee during her London visit.


Image via

Replica of Eiffel Tower coming up at Eco Park, Rajarhat

West Bengal government is now constructing a scale model of the Eiffel Tower at Eco Park in Rajarhat.

Though at 55-metres, the replica will be about six times smaller than the iconic 324-metre structure in Paris, it will still be about as tall as an 18-storey building. The foundation stone for the project, to be built by the Housing Infrastructure Development Corporation (HIDCO), was laid by West Bengal Chief Minister at Eco Park today.

The Eiffel Tower replica is going to be a part of the “Seven Wonders of the World” theme-park at the Eco Park in Rajarhat.

Like the original monument, the replica tower will also have two tiers where tourists can climb up to the observation room, at a height of 25 meters from the ground, and get a panoramic view of the city. Apart from two elevators, the building plan also includes a coffee shop and a souvenir shop.

Kolkata already boasts of a Big Ben, a scaled down version of the clock tower by the same name at London’s Westminster.

বাংলাই ডেস্টিনি এই সত্য আজ আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

এবারে পশ্চিমবাংলার একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক প্রতিনিধি দলকে নিয়ে আমরা ব্রিটিশ সরকারের আমন্ত্রণে ইউকে-তে বাংলার কোন ব্যবসায় কীভাবে বিনিয়োগ হতে পারে তার জন্য তিনদিনের সফরে লন্ডন গিয়েছিলাম। আমাদের প্রতিনিধি দলে সরকারী অফিসাররাও ছিলেন। অনেক চেম্বার্সের খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন অনেক গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিকও।

আমরা সবাই একটাই পরিবার, মানে পশ্চিমবাংলার এক একান্নবর্তী পরিবার হিসেবে সেখানে গিয়েছিলাম। আর সেখানে গিয়েও সবার সঙ্গে সবার যোগাযোগ এমন একটা আন্তরিক সম্পর্ক তইরি করেছিল যে নিজেরা সবাই তার জন্য গর্ববোধ করতাম।

রবিবার সকালে কলকাতা থেকে ফ্লাইট ধরে দিল্লি, ওখান থেকে লন্ডন, আমাদের ভারতীয় ঘড়ি অনুযায়ী যখন হোটেলে পৌঁছালাম তখন প্রায় রাত ১২-৩০, যার যার লাগেজ নিয়ে ঘরে। পরের দিন সকাল থেকে সব মিটিং শুরু, অনেকগুলো মিটিং ছিল আবার সরকারী আধিকারিকদের ও বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদের।

সেইসব মিটিং করবার আগে সকালবেলায় পথ পরিক্রমা করতে শুরু করলাম অনেকে মিলে। প্রায় ১ ঘণ্টা পথ চলে সবাই মিলে গেলাম একটা কাফে শপ-এ। বাইরে দোকানে বসে একসঙ্গে চা-কফি, বিস্কুট বা অন্যান্য টুকিটাকি খেতে কিন্তু বেশ মজাই লাগছিল। তখন কিন্তু আর কোনটায় কত ক্যালোরি সেটা প্রায় কেউই আর ভাবছিল না। তবে একজনকে লক্ষ করেছি তিনি কফি খেলেও অত মোটা কুকিগুলো থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন। তিনি একজন বিজনেসম্যান। বাদবাকি আমি সঙ্গে অমিতদা, অনির্বাণ, কিংশুক, বিশ্ব, সাহেব সেজে দেবাশিস ভট্ট ও পার্থ, উ९সব, রুদ্র অশোক, মায়াঙ্করা। মন দিয়েই আমরা রাস্তার ধারে দোকানে আড্ডা মারতে মারতে কফি খাচ্ছিলাম। আর দোকানটা ছিল একবারে আমাদের উল্টোদিকে। তাই একসঙ্গে বসে রাস্তার ধারের দোকানে কখন যে সময় অত দ্রুত কেটে গেছিল, তা প্রায় বুঝে উঠতেই পারিনি। যদিও সময় আমাদের তাড়া করে যাচ্ছিল যে আমাদের মিটিং আছে।

তাই ইচ্ছে না থাকলেও তখনকার মতো আড্ডা ভেঙ্গে চলে গেলাম স্নান করতে।

চটপট স্নান সেরেই আবার পরের মিটিংয়ে বসে পড়লাম। লাঞ্চ? না, ওটা আমার জীবন থেকে অনেকদিন আগেই বিদায় নিয়েছে। তাই দিনের ভেতর ২/৩ বার চা, বিস্কুট খেলেই লাঞ্চ-এর কাজ চলে যায়।

আর লন্দনে যে আড়াই দিন এযাত্রায় ছিলাম, তাতে দিন/রাত মিলিয়ে আহার বলতে স্যান্ডউইচ জুটেছে, খুব খিদে পেলে রাতে চিকেন স্যান্ডউইচ।

যাইহোক, প্রথম দিনের সভা মানে অফিসিয়াল সভা শেষ করতে করতেই আমাদের বাকিংহাম প্যালেসে যাবার জন্য আমন্ত্রণ এসে গেল। ছোটবেলা থেকেই এই রাজপ্রাসাদের কাহিনি বারবার শুনতে শুনতে আর ঐতিহাসিক একটা হেরিটেজের সাক্ষী হয়ে থাকার জন্য ভেতরে যাওয়ার ইচ্ছা তো একটাই ছিলই, তারপরে আবার যুবরাজ অ্যান্ডরুর আমন্ত্রণ। আমি আমার চিফ সেক্রেটারি, দেব আর সঙ্গে গৌতমদা ও উজ্জ্বলও ছিল। যুবরাজ আমাদের আভ্যর্থনা জানালেন। আমি তো প্রথমে যুবরাজকে বুঝতেই পারিনি, কারণ এত সহজভাবে একেবারে সাধারণভাবে তিনি দরজার সামনে থেকে আমাদের ভেতরে ডেকে নিয়ে গেলেন যে প্রথমে হয়তো রাজবাড়ির কোনও অফিসার ভেবে ভুল করেই ফেলেছিলাম। পড়ে যখন আমাদের বসতে বলা হল, তখন বসা দেখে বুঝলাম তিনিই যুবরাজ। এরপর শুরু হল আলাপচারিতা। যুবরাজ আমাদের কাছ থেকে বাংলায় ইনভেস্টমেন্ট করার কোথায় কোথায় সুযোগ আছে তার সবটাই জেনে নিলেন। তাঁদের অনেক প্রশ্ন, প্রশ্নের মধ্যেও আবার অনেক বাস্তব প্রশ্নও, যে আপনাদের যে এত সামাজিক স্কিম চলে সাধারণ মানুষের জন্য ‘কন্যাশ্রী’ থেকে ‘শিক্ষাশ্রী’, ‘যুবশ্রী’ থেকে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য যে কাজ সে কাজগুলোর জন্য অর্থ আসে কোথা থেকে? এসব কাজের টাকা তো রাজকোষ থেকেই আসে। তবে তাতে তো আপনাদের ব্যবসার ক্ষেত্রে, শিল্পের ক্ষেত্রে টাকা আসবে কোথা থেকে, এর জন্য কি আলাদা কোন তহবিল জনগণের থেকে বর্ধিত কর নিয়ে করেন কিনা? এসব নানারকম প্রশ্নের উত্তর যেমন তিনি জানতে চেয়েছিলেন, তেমনি কী করে জনগণের স্কিম-এর টাকা আর ইনভেস্ট দুটো একসঙ্গে করা যায়।

সব প্রশ্ন শুনে আমি ‘যুবরাজ’কে বললাম যে, দেখুন ৩৪ বছর একটানা বাম সরকার থাকার ফলে আর অর্থনৈতিক একটা দেনাগ্রস্ত, অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে যাওয়া প্রায় একটা সরকারের দায়িত্ব নিয়ে অতি দ্রুততার সঙ্গে, কাজের গতি এনে ও বিভিন্নভাবে অর্থনৈতিক সংস্কার করে আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টার মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন থেকে শুরু করে বাংলার একটা উন্নয়ন প্রক্রিয়া চালাতে শুরু করেছি, এক রাজ্য যা অর্থ পায় সরকার চালানোর জন্য, তা যদি আমাদের সরকারের রাজকোষে থাকত, তবে তো অনেক ভাল কাজ আমরা আরও, আরও করতে পারতাম।

কিন্তু অর্থভাণ্ডার শূন্য থাকায় এবং দেনার টাকা শোধ করতে করতে আমাদের প্রায় প্রতিনিয়ত সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হয়, কিন্তু তা সত্ত্বেও কোনও কাজ বন্ধ তো হয়নি, উপরন্তু, এই চার বছরে অনেক পরিকাঠামো আমাদের সরকার তৈরি করেছে। যার ফলে প্রচুর কর্মসংস্থান হয়েছে ও হচ্ছে। এই চার বছরে শুধু উচ্চশিক্ষায় তিন লক্ষ আসন বেড়েছে, ১৩ টা নতুন বিশ্ববিদ্যালয়, ৪৫ টা কলেজ, ৪১টা মাল্টিসুপার হসপিটাল, ৩০০টা এস এন এস ইউ ইউনিট, শিশু চিকি९সায় এক বহুমুখী চিকি९সার ব্যবস্থা, বিনা পয়সায় গ্রামে, জেলাতে চিকি९সার ব্যবস্থা, ন্যায্যমূল্যের ডায়াগনস্টিক সেন্টার-সহ ৩০০০ জন ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত বিনা পয়সায় হার্ট-এর বিভিন্ন অপারেশন করা-সহ, কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী, যুবশ্রী, বিশ্ববাংলা-সহ অনেক অনেক কর্মসূচি আমরা গ্রহণ করেছি। অনেক পরিকাঠামো, হাসপাতাল থেকে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেডিক্যাল কলেজ প্রায় ২০০-র মতো কিষান বাজার, পলিটেকনিক কলেজ থেকে আই টি আই সর্বস্তরে তৈরি করার প্রচেষ্টায় অনেক নতুন পরিকাঠামো যেমন বেড়েছে, তেমনই কর্মসংস্থানের সুযোগ এসেছে।

ইন্ডাস্ট্রিও নতুন করে অনেক হচ্ছে ও হবে। আর রেলমন্ত্রী থাকাকালে প্রায় ১০/১২ টা বড় রেল-এর কোম্পানি আমি বাংলায় আগেও করেছি। সুতরাং এগুলো তো হচ্ছে- পরিকল্পনা করেই। কারণ গণতান্ত্রিক সরকারের জনগণের প্রতি অনেকগুলো দায়বদ্ধতা থাকে। যে দায়বদ্ধতা শুধুমাত্র ব্যবসায়িক নয় টা সামাজিকও। সামাজিক কর্তব্য পালন করতে না জানলে, ‘গণজন’ যারা অর্থা९ ‘জনগণ’ যারা, তাদের হয়ে কাজ কে করবে।

আর ‘উন্নয়ন’ তখনই হয় প্রকৃত অর্থে, যখন উন্নয়নটা সত্যি-সত্যিই জনগণের নিকট পৌঁছতে পারে। যারা অনেক বড় বড় রাষ্ট্র তাদের তো সোশ্যাল সিকিউরিটি আছে। তারা পৃথিবীকে নেতৃত্ব দিয়েছে নিজেদেরও তৈরি করে নিয়েছে। আর আমাদের দেশে ‘সোশ্যাল সিকিউরিটি স্কিম’ না থাকার ফলে, সামাজিক দায়বদ্ধতা আমাদের অনেক বেশি। আর গরিব মানুষ যতক্ষণ নিজে নিজ পায়ে দাঁড়াতে না পারবে ততদিন এ কাজ আমাদের করে যেতেই হবে। তবে এর জন্য শিল্প কেন থেমে থাকবে? আর ইনভেস্টমেন্ট কেন থেমে থাকবে?

কৃষি চলবে, শিল্পও চলবে। শিল্প মানে তো শুধু ইট-সিমেন্ট আর লোহার কংক্রিটের জঙ্গল নয়, শিল্পে মানে বহুমুখী শিল্পও জগতের চাহিদা ও প্রয়োজনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে হবে। বড় শিল্পও বলতে আগে শুধু বড় বড় প্ল্যান্ট বোঝাত, এখন তো ক্ষুদ্র শিল্পের বাজার বিশ্ব অর্থনীতির দখল করে নিয়েছে। সুতরাং আইটি থেকে ম্যানুফ্যাকচারিং প্রয়োজনের প্রয়োজনীয় ইনভেস্টমেন্ট করতে হবে। আর বাংলাই এর জন্য উপযুক্ত জায়গা কারণ বাংলার মেধা সারা বিশ্বের বিশ্বসেরা মেধা, বাংলার স্ট্যান্ডার্ড অফ লিভিং অন্য জায়গার তুলনায় অনেকটাই সস্তা। বাংলার ট্যুরিজম শিল্পও পাহার-নদী-সমুদ্র-জঙ্গল দিয়ে ঘেরা পৃথিবীর এক অনন্য-অনন্যা যা সারা বিশ্বকে আকর্ষণ করে।

বাংলার শিক্ষা ও সংস্কৃতি সারা বিশ্বকে পথ দেখায় এবং বাংলা হচ্ছে লুক ইস্ট পলিসির বড় গেটওয়ে। বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান-সহ নর্থ-ইস্ট ও ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার গেটওয়ে। এছাড়া অনেক এশিয়ান কান্ট্রিরও গেটওয়ে।

পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশ? একেবারে প্রতিবেশী। বিমানে আধঘণ্টা, রেল-বাসেও যুক্ত।

নেপাল ঠিক তাই।

ভুটান একেবারে পাশে। কলকাতা থেকে সিঙ্গাপুর দু-আড়াই ঘণ্টা বিমানে। ব্যাংকক- দু’ঘণ্টা। মায়ানমার সড়কপথে খুব শীঘ্রই যাওয়া যাবে।

ব্যাংকক থেকে বাংলাদেশ-নেপাল-ভুটান সড়কপথে যাতায়াত করবার জন্য এডিবির সাহায্যে অনেক রাস্তার কাজ আমরা উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে দিয়েছি।

বাস শুরু হয়েছে বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটানও একই পথের পথিক।

মাত্র ২ ঘণ্টায় চিন দেশের অনেকাংশে পৌঁছানো যায়।

সুতরাং বাংলাতেও ইনভেস্ট করলে এশিয়ার অনেক কান্ট্রিতে সে বিজনেসের সুফল ওঠানো জেতে পারে। আর এসব প্লাস পয়েন্ট আছে বলেই ব্রিটিশ সরকারের আমন্ত্রণে আমাদের লন্ডনে আসা। আমাদের আবেদন আগেও আমরা সিঙ্গাপুরে পৌঁছেছিলাম। আর এবারে লন্ডনে।

আপনাদের সঙ্গে তো কলকাতার একটা সম্পর্ক আগে থেকেই আছে। ব্রিটেন তো একসময় ভারতবর্ষে রাজ করতে গিয়ে অনেক ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করেছিল আর বিখ্যাত কবিতার লাইন যা আজ মনে করিয়ে দেয়, যে “বণিকের মানদণ্ড, দেখা দিল রাজদণ্ড রুপে” তা তো সবার জানা।

যদি বিজনেসে পোটেনশিয়ালিটি না থাকে, তবে কেন কল্কাতাকে সেদিন আপনারা অবিভক্ত ভারতবর্ষের রাজধানী হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন? সুতরাং আপনাদের বাংলায় আস্তে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে আপনাদের হাতে তৈরি করা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল অথবা হাওড়া ব্রিজ।

আপনারা আসুন গঙ্গার তীর ধরে সৌন্দর্যকে উপলব্ধি করুন আর এডুকেশন, রিয়্যালিটি, ট্যুরিজম হেরিটেজ ইত্যাদি ব্যাপারে আপনারা নজর দিয়ে ও আমাদের সঙ্গে ব্যবসা করলে আমরা খুশিই হব। প্রায় ঘণ্টাখানেক আলোচনার মধ্যে দিয়ে খুব ভালো কথাবার্তা হল। আলোচনায় রাজপরিবার খুব খুশি।

এরপর যুবরাজের স্ত্রী স্যারা এলেন। ১৯১২ সালে মধ্যমগ্রামের অলকাদিদের একটা এনজিও প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণে তাঁরা এসেছিলেন। তাই আলোচনার পর চা-তে মিলিত হলাম আরও কিছু বিশিষ্ট মানুষজনের সঙ্গে। লর্ডসের স্পিকার ‘স্যারা’ থেকে আরও অনেক ব্রিটিশ গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুদের সঙ্গে। থ্যাঙ্কস গিভিং অনুষ্ঠানও হল।

চা খেয়ে এবার ফিরে আসার পালা।

ফিরে আসার সময়ও ব্রিটেন যুবরাজের সৌজন্য বিশেষভাবে লক্ষ করলাম। একেবারে শেষপ্রান্তে রাজবাড়ির প্রবেশদ্বার পর্যন্ত তিনি আমাদের এগিয়ে দিলেন।

আমরা যে দুদিন অখানে ছিলাম, তখন লক্ষ করতাম ওই ‘বাকিংহাম প্যালেস’-এর বাইরেটা দেখবার জন্য বিরাট এক জনসংখ্যা অপেক্ষা করেন। সর্বদা তাঁরা ওই বাইরের প্রবেশদ্বারের থেকেও যে রাস্তার ধারে প্রধান সড়ক আছে সেই সড়ক ধরে কোলাপসিবল বৃহ९ গেটের পাশে ফুটপাত সংলগ্ন অঞ্চল দেখেই রাজকথায় কথিত একেবারে বাকিংহাম প্যালেস দেখবার আনন্দে মাতোয়ারা থাকেন। আমরা যখন রাজপ্রাসাদের বাইরে বেরিয়েছিলাম তখন লক্ষ করছিলাম জনগণের অর্থা९ বিভিন্ন দেশের ভ্রমনার্থীদের কৌতূহল জাগছিল হয়তো আমাদের দেখে, কারণ তখন তাঁরা বাইরে আর আমরা ভেতরে।

ওখান থেকে বেরিয়ে আমরা চলে এলাম ব্রিটিশ সরকারের, সরকারী দফতর, সরকারী আমন্ত্রণে লোকার্নো সুইট-এ সেখানে ইন্ডিয়ার দায়িত্বে থাকা ব্রিটিশ মন্ত্রী ম্যাডাম প্যাটেল-এর সঙ্গে দেখা হল। তার পর আমরা এলাম সরকারী সৌজন্যে লোকার্নো সুইটের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সভায়। সেখানে আমাদের শিল্প প্রতিনিধি দল ও ব্রিটিশ প্রতিনিধিদলের উপস্থিতিতে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষে তাঁদের মন্ত্রী মহোদয়া ম্যাডাম প্যাটেল ও ইন্দো–ইউকে রিলেশন নিয়ে অনেকক্ষণ আলোচনাসভা ও বক্তৃতা শুনতে হয়েছিল।

এ সভা আয়োজন করেছিলেন ইউকেবিসি।

সভা খুব সাফল্যের সঙ্গে হওয়ার পর আমাদের কয়েকজন এবং ব্রিটিশ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কয়েকজনকে ডিনারে আমন্ত্রণ করেছিলেন ম্যাডাম প্যাস্ট্রিসিয়া। সেটাও প্রায় আলোচনার মধ্যে দিয়ে ঘণ্টা দুয়েক চলল। শেষ হল তাঁদের ঘড়ির ১১টায় অর্থা९ আমাদের ঘড়ির সময় তখন ৪/৪.৩০ বাজে।

ফিরে আসার পড়ে স্নান করে রেদি হতে হতে আমাদের ঘড়ির সময়ে ঘুম? না তার দেখাই মেলে না, একেবারে নৈব নৈব চ ।

সকাল হতেই হুজুগ সবার, টেমস নদীর পাড় ধরে লন্ডন কেমন সেজেছে চলুন দেখে আসি। ব্যস শুরু হল হাঁটা। চলতে চলতে শুরু হয়েছিল ৪০ জনকে নিয়ে আর শেষ যখন হল তখন ওই পাঁচ-সাতজন। ১০/১২ কিমি হেঁটে হোটেল থেকে একেবারে লন্ডন ব্রিজ, ওখান থেকে আবার হেঁটে পায়ে পায়ে হোটেল। প্রায় দুঘণ্টা হনটনের পর হোটেলে ফেরা। তার পরেই বেরোলাম কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও গান্ধী মূর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে।

একসঙ্গে বাসে উঠে এই দুটো কাজ করে আবার পায়ে হেঁটে হোটেলে ফেরা, তার পরই ওখানে থাকাকালীন যে দুঃসংবাদ আমাদের ভীষণভাবে মর্মাহত করেছিল, যে এ পি জে আবদুল কালাম আর নেই। সেই মানুষটির স্মৃতিতে শ্রদ্ধা প্রদর্শন, তারপর আবার রাত ৮ টায় সবার এক জায়গায় মিট টুগেদার ছিল, সেখানে যাওয়া।

পরের দিন যেদিন আমরা সকালে উঠেই পেলাম প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংবাদ, আর সঙ্গে সঙ্গে ফিরে আসার ব্যবস্থা করতে ওই রাস্তাতেই হাঁটতে হাঁটতে হাইড পার্কের পাশ ধরে প্রায় ওই দেড়-দুঘণ্টা ভাবনা-চিন্তা করে কিছু প্রোগ্রাম কাটছাঁট করার ব্যবস্থা করলাম।

আগের দিন দুপুরে হোটেলে এসেছিলেন স্বরাজ পোল। তিনি তাঁর বাড়িতে যেতে আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।

তাই হাইড পার্ক থেকে ফিরে আমরা স্বরাজ পল-এর বাড়িতে গেলাম। তাঁর অসুস্থ স্ত্রী আমাকে একবার দেখতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন শুনেছিলাম তাই তাঁকে দেখতে গেলাম আর এই সুযোগে ওখানকার কয়েকজন লর্ড ও শিল্পপতিদের সঙ্গে আমাদের আর একটা ইনভেস্টমেন্টের ব্যাপারে সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনেক সাংবাদিক বন্ধুরাও আমন্ত্রিত ছিলেন সেখানে। অখানে মিটিং শেষ করেই এয়ারপোর্টের পথে ফিরে আসার জন্য।

এমনিতেই বাইরে আসা-যাওয়া হয় না। তাঁর ওপর যদি পাঁচদিনের প্রোগ্রাম দুদিনে করতে হয়, তবে তাতে কাজের চাপ অনেক বেশি পড়ে যায় তা বলাইবাহুল্য। ঘুম আর খাওয়া? ও দুটো প্রায় চা-কফি-স্যান্ডউইচ আর নিদ্রাহীন কাজের মধ্যেই কেটে গিয়েছে বলতে পারেন।

তবে সব ভাল যার শেষ ভাল। আমাদের সবাই পশ্চিমবঙ্গ পরিবারের হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবেই সব কাজটা আমরা ওই দুদিনেই লন্ডনে করতে পেরেছি এত আন্তরিকতার সঙ্গে যে প্রতিটা মুহূর্তই কিন্তু আশার আলো মুখে হাসি ও ভবিষ্যতের ডেস্টিনি বাংলাই এটা প্রমাণ করতে আমরা ১০০/১০০ সফল হয়েছি। থ্যাঙ্ক টু আওয়ার ফুল টিম। কৃতজ্ঞতা বাংলার মা-মাটি মানুষকে।


Festive edition of Jago Bangla published

Trinamool Chairperson Ms Mamata Banerjee today released the Jago Bangla Festive Edition today at 5 PM at a colourful ceremony at Nazrul Mancha.

Like every year, the cover of the Utsav edition has been designed by Mamata Banerjee. The backs cover feature photographs taken by the Chairperson.

This year’s edition has articles by the party general Secretary Subrata Bakshi, Secretary General Partha Chatterjee, TMYC president Abhishek Banerjee, MP Suvendu Adhikari, senior leaders and state ministers, Firhad Hakim, Aroop Biswas among others.

The Trinamool Chairperson has detailed her visit to London in her article, in this year’s edition. A photo gallery, detailing the visit is also present in the edition.

Mamata Banerjee said, “We are proud of the team that puts together Jago Bangla. There is huge demand for ‪‎Jago Bangla‬ because it is soothing, even as it is our mouthpiece it is not used to attack others.”

“The aim of Jago Bangla is to spread our movement to the grassroots, to build awareness in Bengal. Hence the name,” she added.


Click here to read the Jago Bangla Festive Edition online

New Town set to be a ‘Smarter’ City, thanks to WB CM

New Town is all set to be a ‘Smarter’ City, thanks to the initiative taken up by West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee.

The West Bengal Chief Minister had paved the way behind this initiative during her recent visit to London. The Future City Catapult, an UK-based group had signed MoU with the West Bengal Government. The representatives of the British firm are already in the city.

Water supply, solid waste management, environment, IT aided services and other such amenities are the basics of the Smart City concept. The State wants to make New Town an educational hub besides the destination for health services, IT services and financial services. This is the primary reason for which the assistance of the UK-based organization is being taken.

The State Government now desires to build a Futurist City at New Town and is making all efforts to make this possible.

Girls are our pride, they are our asset: WB CM on Kanyashree Dibas

West Bengal Chief Minister Ms Mamata Banerjee today transferred financial assistance to 27 lakh girls enrolled under Kanyashree scheme at the click of a button, during the third anniversary celebrations of the historic scheme at Nazrul Manch, Kolkata.

“Girls are our pride. They are our asset. They are our future,” she said while adding that all those who are enrolled under Kanyashree scheme will get a certificate at the age of 18 years.

WB CM was accompanied by UNICEF’s representative to India Louis-Georges Arsenault and a galaxy of stars from the cultural world, including filmmakers, actors and singers. The ceremony began with the cutting of a ‘cake sondesh’ followed by cultural performances by students.

Coochbehar, Murshidabad and Birbhum were declared as the Best Performing Districts in implementing Kanyashree scheme while Purulia and South Dinajpur received Special Awards.

Mr Louis-Georges Arsenault lauded the efforts of the West Bengal Government and said this scheme could become a model for India.

“Isn’t it incredible that 27 lakh girls have been enrolled today under this scheme at the pressing of a button?,” said WB CM while speaking at the ceremony.

“I am proud to say Kanyashree scheme was highlighted at World Girls’ Summit, 2014 in London. We are still fighting for 33% reservation for women in Parliament. Proud to say TMC has 35% women MPs in Lok Sabha,” WB CM added.

She announced that 40 lakh girls and boys, studying in Class VIII-X will receive bicycles in the next few years.


Bengal planning to set up a Legal Hub in New Town

The West Bengal Government may soon work on the idea of bringing the West Bengal Human Rights Commission (WBHRC), consumer court, land reforms tribunal and other similar forums under one roof.

The building, which is to house these forums, would likely come up at New Town and would be designed on the lines of the Rolls Building in London.

The Rolls Building houses England’s Royal Court of Justice. The building was commissioned in 2011 to decongest the High Court of London. Bengal officials carried out an extensive tour of the premises and visited the offices of law firms, commercial courts, consultation rooms, court staff office and court rooms.

There’s provision for inter room video conferences and remote videos for witnesses as well. All court proceedings are audio recorded and archived with real-time annotations (on those who spoke or deposed). The proposed building would be located in the central business district of New Town and would have the same facilities as the Rolls Building.

Forums like the human rights commission, consumer court and land reforms tribunal, among others, are currently housed at different places. It is being planned to bring all these forums under one roof.

The security system of the new building would also be on the lines of the Rolls Building.

The new building would be equipped with security screening facility, including X-rays, DFMDs and counters to file documents and pay fees. The New Town Financial and Legal Hub will be fashioned on the London model.

London-style transport coming to Kolkata soon

The London trip has inspired the Mamata Banerjee government to revolutionize public transport in Kolkata, starting with an Oyster-card type multi-access system.

The planned ‘Kolkata Transport Card’ (KTC) will be valid on all modes of mass transport in the city — private and state bus, tram, ferry and the Metro.

The transport department has already started working on the ‘integrated fare management and ticketing system’ that will champion public transport and ease congestion.

Chief minister Mamata Banerjee has put this on her priority list and the first technology exploration meeting will be held at Netaji Indoor Stadium at 5 pm on Friday.

The transport department is exploring the PPP mode with a revenue sharing model, say sources.

What is KTC?

  • The KTC would be a credit-card-sized stored value smartcard that can hold single tickets or period tickets.
  • Unlike London, where you have to buy separate Oyster cards for river transport and land transport, KTC will be valid for all modes of travel, said an official.
  • Like the Metro smartcard, passengers will have to touch it on an electronic reader while entering and leaving a bus, tram or ferry in order to validate a journey.
  • Cards can be topped-up by cash payment or online. The transport department aims to encourage its use by offering some free rides.
  • It will reduce the number of transactions at ticket counters and do away with paper tickets.
  • Since people won’t have to queue up for tickets, the card will lead to faster dispersal of commuters.
  • It will also improve revenue transparency as the fare automatically goes through a payment gateway and gets credited in the bus/tram/ferry-operator’s account.
  • It will also help you track bus arrival times through the same technology used by app-cabs now.