Bengal Govt repairing canals in Howrah dist to prevent flooding

To prevent the kind of floods that caused huge damage to farmlands, houses and people in Howrah district last year due the DVC’s unannounced release of water, the State Government has started the repair and renovation of canals in the district.

The regions of Udaynarayanpur and Amta were specially affected. Hence, the blocks of Amta-1, Amta-2 and Udaynarayanpur are being given stress on. The renovation and repair of canals would cost an estimated Rs 30 crore.

The idea is to enable the flow of water from the Damodar to the Rupnarayan via these canals – about 30 to 35 thousand cusecs of water. Hence, water would not overflow the banks of the Damodar and life and property would be saved.

The filling up of the canals will serve another purpose too – vast areas of croplands would get water throughout the year.


No central funds for Ghatal Master Plan, Bengal Govt livid

After coming to power, Mamata Banerjee had instructed the Irrigation Department to draw up a plan to provide relief to the people of Ghatal from recurrent floods every year. This ‘master plan’ was drawn up by the department and sent to the Centre for clearance in 2014. Although the Centre has finally given its nod to Ghatal Master Plan, but they have not allocated any fund for the Rs 1238 crore project.

The Chief Secretary of the Union Minister of Water Resources communicated the same to state government officials last week. The Bengal Government is livid as the Centre has refused to bear the cost of the project. The officials have decided to write to the Centre seeking funds for Ghatal Master Plan.

As per the officials, this is yet another example of the neglect shown by Centre towards the State. In the past, for irrigation projects, the Centre and State used to share the cost at a ratio of 75-25. After Narendra Modi led government came to power, the share of Centre was reduced to 50 per cent. But in case of Ghatal Master Plan, the Centre has not even allocated funds for its share of 50 per cent.

What is Ghatal Master Plan?

As per the irrigation department officials, during monsoon, areas of Ghatal get inundated by the waters of Shilabati river. This causes a lot of trouble to the people of the region. Even areas like Chetua, Daspur 1 and 2 blocks are affected. The master plan was drawn up to provide relief to the people. The plan includes construction of a 6 meter dam over Shilabati river and installation of a pump (with 5000 cusec capacity) in Ghatal. This apart, desiltation work will be carried out at Old Kosi, New Kosi, Durgachoti and other rivers to increase navigability. Repair work would be carried out for several canals.

By not allotting funds for Ghatal Master Plan, the Centre has yet again dealt a several blow to the federal structure of the country.

Master plans to control floods in north Bengal

The state Irrigation department is preparing two master plans to give respite to the people of North Bengal from the devastating floods.

While replying to a question in the state Assembly on Thursday, state irrigation minister said: “Chief Minister Mamata Banerjee directed us to prepare the master plan and we have taken steps to develop the same to check floods or flood-like situation in North Bengal. The work for that has already begun.”

One master plan is for Cooch Behar, Jalpaiguri, Alipurduar and Darjeeling districts while the other is for Malda, North and South Dinajpur. The Chief Minister mentioned that a consultant is being engaged to conduct a survey and prepare necessary assessment for the master plan for Malda, North and South Dinajpur.

The detailed project report (DPR) will be prepared after the assessment report is ready. The process to engage a consultant for the survey to prepare the master plan for the four other North Bengal districts has also already begun.

Execution of the master plan will ensure strengthening of the existing embankments where necessary, including building proper drainage channels t and other infrastructural enhancements for better irrigation. At the same time, all the 32 sluice gates in north Bengal will be upgraded.

The funding pattern has not been finalised yet, according to the minister: either the State Government will fully fund the master plans or it might approach the World Bank for part of the funding.


উত্তরবঙ্গে বন্যা নিয়ন্ত্রণে মাস্টার প্ল্যান রাজ্যের

উত্তরবঙ্গের বন্যা নিয়ন্ত্রণে দুটি বড় মাস্টার প্ল্যান হাতে নিয়েছে রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্রুত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সেচমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন।

সেচমন্ত্রী বিধানসভায় বলেন, “১৯টি জেলার ১৪১১টি জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হিসাব, ৪১৩.১০ কোটি টাকার নদীবাঁধের ক্ষতি হয়েছে। মালদহে জল দেরিতে নামায় ক্ষতির পরিমাণ আরও কিছুটা বাড়বে। রাজ্য নিজেই টাকা দিয়ে কাজ শুরু করেছে।”

উত্তরবঙ্গের যে দুই মাস্টার প্ল্যান হাতে নেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে একটি কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং ও জলপাইগুড়িকে নিয়ে। এই ক্ষেত্রে পরামর্শদাতা নিয়োগ করা হচ্ছে।

অন্যটি দুই দিনাজপুর ও মালদহকে নিয়ে। এক্ষেত্রে কন্সাল্ট্যান্ট বা পরামর্শদাতা সংস্থাকে দিয়ে কাজ করানো শুরু হয়েছে। পুর্নাঙ্গ প্রকল্প রিপোর্ট জমা দিলেই কাজ শুরু হবে।

ফুলহার, টাঙন, আত্রেয়ী-সহ এলাকার সব নদীকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। মুখ্যন্ত্রী নিজেই উত্তবঙ্গের বন্যা নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী পরিকল্পনা নিতে বলেছেন। এক্ষেত্রে বিশ্ব ব্যাঙ্ক বা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক-এর থেকে টাকা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, রাজ্য নিজেই কান্দি মাস্টার প্ল্যানের ৭০ শতাংশ কাজ করে ফেলেছে। নিম্ন দামোদরের কাজ হলে বর্ধমান, হুগলী ও হাওড়ার বড় অংশের মানুষ উপকৃত হবেন। কাজ চলছে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরের কংসাবতী প্রকল্পের।

Bengal FM hits out at Centre for not releasing any funds for flood relief

State Finance and Industry Minister Amit Mitra on Tuesday alleged that the Centre has not released any fund for the flood-like situation in the state.

“The state had demanded Rs 6,068 crore but the Centre has not made any financial assistance for undertaking flood relief work. The state alone had spent Rs 772.6 crore from the State Disaster Relief Fund but the National Disaster Relief Fund has not allocated a penny,” Dr Mitra said.

The state Finance minister also hit out at the centre alleging that sending a team from Delhi to the districts having flood-like situation was a mere eyewash.

Dr Mitra reiterated that a total of 254 blocks, 51 municipalities, 1,691 gram panchayats and 15,702 villagers received the state’s aid. “This is testimony to the fact that there has been no discrimination was made on political grounds,” he added.

Two other ministers also raised their voices against the Centre for ignoring the state by not responding to the demands of their respective departments at the state Assembly’s question answer session.

State Law Minister was vocal against stoppage of matching grants for the Centre in the last few years that has posed a hindrance in the setting up of court buildings. State Consumer Affairs and Self Help Group Minister was vocal against the non co-operation of the banks in providing loans to the SHGs.


বন্যাত্রাণে এক টাকাও দেয়নি কেন্দ্র, বিধানসভায় সরব অমিত মিত্র 

বন্যাত্রাণে ৬০৬৮ কোটি টাকা কেন্দ্রের কাছে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু ‘ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফান্ড’ থেকে এক টাকাও মেলেনি। কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল রাজ্যে এসেছে। চারদিন ধরে ঘুরে বেড়িয়েছে। ওই পর্যন্তই। পুরোটাই ভেল্কি! কোনও উত্তর কেন্দ্রের তরফে রাজ্যকে দেওয়া হয়েনি। মঙ্গলবার বিধানসভায় ফের কেন্দ্রের বঞ্চনা নিয়ে সরব হলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

তিনি জানিয়ে দিলেন, “কেন্দ্র না দিলেও, ওই খাতে রাজ্য ইতিমধ্যিই ৭৮২ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে।”

এদিন অমিতবাবু ব্লক, পুরসভা ও পঞ্চায়েত ধরে অর্থ খরচের ব্যাখ্যা দেন।বলেন “২৪৫ টি ব্লক, ৫১ টি পুরসভা, ১৬৯৮ টি গ্রাম পঞ্চায়েতকে এই ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১৬ হাজার গ্রামের ৮৪ লক্ষ মানুষ উপকৃত হয়েছেন। বন্যায় অনেক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। আমরা ৪ লক্ষ ৯৭ হাজার ৩৬২ টি বাড়ি সংস্কারের জন্য অর্থ দিয়েছি। ৭ লক্ষ ১৯ হাজার ৫২৪ টি ত্রাণশিবির করা হয়েছে।”

তৃণমূলের বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার প্রশ্নের উত্তরে অমিতবাবু এদিন এই তথ্য তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট বলেন, “রাজ্যের সঙ্গে প্রতারণা করেছে কেন্দ্র।”

Dos and don’ts during floods

The Bengal Government has issued a set of rules for people who have been affected by spate of floods across the state. Listed below are the rules:


Take shelter on elevated land, safe from the water.

Keep batter-run radios at hand to get information on flood-related issues, conveyed regularly by the State Government.

In case of warning of adverse circumstances, keep aside dry food, water and fuel.

Wrap medicines, water-purifying tablets, torch, safety matches, hurricane lamps and important documents in plastic wrapping and keep handy.


Don’t eat stale food.

Don’t drink water from wells and ponds without boiling.

Don’t pay heed to, or spread, rumours.

Don’t use any electrical equipment.

Don’t keep doors and windows open.


বন্যায় কি করণীয় ও কি করণীয় নয় নির্দেশিকা

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কিছু নির্দেশিকা চালু করেছে রাজ্য সরকার।

কি করবেনঃ

সুরক্ষিত উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিন।
ব্যাটারিচালিত রেডিও ব্যবহার করুন।
দুর্যোগবার্তা শুনলে শুকনো খাবার, জল ও জ্বালানির আয়োজন করে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে রাখুন।
ওষুধপত্র, জল পরিশোধনকারী ট্যাবলেট, টর্চ, দেশলাই, হ্যারিকেন, মূল্যবান কাগজপত্র প্লাস্টিকে মুড়ে হাতের কাছে রাখুন।

কি করবেন নাঃ

বাসি খাবার খাবেন না।
কুয়ো বা পুকুরের জল না ফুটিয়ে খাবেন না।
গুজবে কান দেবেন না ও গুজব ছড়াবেন না।
কোন বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার করবেন না।
জানালা দরজা খোলা রাখবেন না।

Bengal Govt to provide ration in flood-affected areas even without cards

The Maa, Mati, Manush Government led by Mamata Banerjee yet again stands by the people at an hour of crisis. The State Food and Supplies Department has decided to distribute ration at flood-affected areas even without cards, the minister has said. Dealers who do not follow this decision will be penalised.

The State Government is also taking initiatives to open temporary ration shops in the flood-affected areas. Consumers unable to produce their cards are being allowed to collect ration by registering their names in the books.

The Food and Supplies Department will also ensure seamless supply of rice and wheat to the relief camps.


কার্ড না আনলেও মিলবে রেশন, বন্যাদুর্গতদের পাশে খাদ্য দপ্তর

বন্যার জন্য কোনও রেশন গ্রাহক কার্ড আনতে না পারলেও তাঁকে খাদ্যশস্য দিতে বলা হয়েছে। এই সব সিদ্ধান্ত রেশন ডিলাররা না মানলে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী।

এর পাশাপাশি বন্যা কবলিত এলাকায় অস্থায়ী রেশন দোকান খোলার জন্য নির্দেশ দিল খাদ্য দপ্তর। দুর্গত মানুষজন রেশন কার্ড দেখাতে না পারলেও খাতায় রেজিস্ট্রি করে তাঁদের চাল-গম দিচ্ছে খাদ্য দপ্তর।

ত্রাণ শিবিরে চাল-গম জোগান অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর খাদ্য দপ্তর।

খাদ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুর্গত এলাকার মানুষজন যাতে খাদ্যের সংকটে না পড়ে, তার জন্য অস্থায়ী রেশন দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বন্যায় জল জমায় অনেক জায়গাতেই রেশন দোকান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এতে বন্যাদুর্গতদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোনও রাস্তার উপর বা উঁচু জায়গায় অস্থায়ী শিবির খুলে রেশন দোকান চালাতে বলা হয়েছে।

Centre must not discriminate between states in providing relief funds: Mamata Banerjee

Chief Minister Mamata Banerjee today surveyed the flood-affected districts of North Bengal, even wading through some of the submerged areas in a bid to feel the suffering of the people. She spoke to some affected villagers and prioritised relief measures. Later, she spoke to the media at the Malda Municipality headquarters.

Excerpts from the media interface



The floods have taken place due to the release of water by the DVC and Farakka Barrage. The state of the reservoirs and river beds has become such that people are getting hit more by the release of water rather than by rains.

Necessary steps

I have discussed the situation with the district officials. They as well as the State Government are monitoring the situation. These measures have to be followed:

  • It is necessary to stand by the people in their hour of need – to shelter them, to look after their needs.
  • After the flood waters recede, primary healthcare centres, hospitals, tube-wells and schools need to be cleaned on a priority basis.
  • Authorities have to be alert to combat water-borne diseases.
  • The State Government will reconstruct affected schools, colleges, bridges, agricultural land and betel leaf plantations.


The floods have occurred due to the abnormal rise in water levels. The Centre should see to it that dredging is done properly. Bengal has become like a boat. Neither the Farakka Barrage nor the reservoirs under the DVC are dredged.

There is no water during the summer and during the monsoon it is the opposite – an excess of water. I am not in favour of submerging people by building dams and releasing water when they cannot hold it. But then everyone should be careful. We want to maintain good relations with everyone. Let everyone be happy. It is everyone’s duty to stand by the affected people.

About the destruction due to floods

Till date, 152 people have died due to floods in the State this year. This is not a small number; it is a very unfortunate situation. Almost 1.5 crore people have been affected all across the State. The State Government does not delay in conveying aid, it is trying its best. About four lakh tents have been distributed; more are being provisioned for distribution. There is enough aid material. We are not stingy about distributing them. Many speed boats are also operating in the flooded areas for distributing relief. The floods have caused losses totalling almost Rs 14,000 crore in 11 districts of the State.

On Central Government aid

The Central Government has provided aid packages worth Rs 2,000 crore each to Gujarat and Assam. All states must get Central aid. Bengal has been less affected by floods than Gujarat and Assam. We would send a detailed report and expect the help which is needed. I have also written to the Prime Minister a few times regarding the erosion of the Ganga’s banks but no actions have been taken.



বন্যায় প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


আজ উত্তরবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন জলে নেমে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। দুর্গতদের সঙ্গে কথাও বলেন। এরপর মালদার পৌরভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কিছু অংশ:

বন্যা হচ্ছে নদীর জল ছাড়ার কারণে। দক্ষিণবঙ্গে যখন বর্ষা হয়েছিল তখন ডিভিসির ছাড়া জলে অধিকাংশ লোক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ভারতের নদীর গতিপথ এমন হয়েছে যে এখানেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের জলের থেকেও নদীর জল বেড়ে গিয়ে বন্যা হয়েছে। কারণ নদীর নীচ থেকে জল ওঠে।

এই অবস্থায় আমাদের করনীয়ঃ

এই সব জেলার আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ওনারাও মনিটারিং করছেন।  ওখান থেকেও আমরা অনবরত মনিটারিং করছি।

  • মানুষের বিপদে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। মানুষকে আশ্রয় দেওয়া, তাদের সুবিধা-অসুবিধা দেখা
  • বন্যার পর প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র, হাসপাতাল, নলকূপ, স্কুল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হবে।
  • বন্যার পর জল বাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। সেসব দিকে নজর রাখতে হবে।
  • বাড়িঘর, স্কুল-কলেজ, রাস্তা, সেতু, চাষের জমি, পানের বরজ নষ্ট হয়েছে সেগুলো সরকার দায়িত্ব নিয়ে করে দেবে।


নদীর জল বেড়ে গিয়ে বন্যা হয়েছে, এগুলি প্রাকৃতিক ব্যাপার। কেন্দ্রের দেখা উচিত, ভালো করে ড্রেজিং করা উচিত। বাংলা একটা নৌকার মত। ফরাক্কা, DVC কিছুরই ড্রেজিং হয় না।

গরমকালে জল পাওয়া যায় না আর বর্ষাকালে বাঁধ ভেঙে দিয়ে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। বাঁধ কেটে অন্য কাউকে ডুবিয়ে দেওয়ার পক্ষে নই আমি। তেমন বাকিদেরও খেয়াল রাখতে হবে তাদের সবার একটা সীমানা আছে। আমরা সকলের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক maintain করে চলি। সবাই ভালো থাকুক। সকলেরই কর্তব্য মানুষের পাশে থাকা।

বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি প্রসঙ্গেঃ

বন্যায় এখনও পর্যন্ত ১৫২ জন মারা গেছেন। সংখ্যাটা কম নয় – এটা খুবই দুঃখজনক। সব জেলা মিলিয়ে প্রায় দেড় কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। সরকার ত্রাণ নিয়ে অবহেলা করে না, সরকার তাদের সাধ্যমতো সাহায্য করছে। প্রায় ৪ লক্ষ ত্রিপল দেওয়া হয়েছে। আরও মজুত করা আছে। ত্রাণ পর্যাপ্ত আছে। ত্রাণ দিতে আমরা কার্পণ্য করি না। বন্যায় প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে, প্রায় ১১ টি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত। অনেকগুলি স্পিড বোট দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রের সাহায্য প্রসঙ্গেঃ

কেন্দ্রীয় সরকার আসাম, গুজরাতকে ২০০০ কোটি টাকা করে প্যাকেজ দিয়েছে, আমি চাই সব রাজ্যই পাক। গুজরাট, আসামের চেয়ে বাংলা বন্যায় কম ক্ষতিগ্রস্ত নয়। আমরা আমাদের সম্পূর্ণ রিপোর্ট পাঠাবো এবং আশা করব আমরা আমাদের ন্যায্য পাওনা পাব। গঙ্গার ভাঙন নিয়েও কয়েকবার প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি, কিন্তু এখনও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।



Bengal Irrigation Dept takes numerous steps to avoid flood-like situations 

The state Irrigation and Waterways department has taken a slew of measures to avoid even flood-like situations during the forthcoming monsoon. Rajib Banerjee, the state Irrigation minister, has decided to hold meetings separately with district magistrates of each of the flood-prone districts to take stock of the situation and to know whether any further work needs to be done to ensure that not a single person gets affected if any flood-like situation arises.

On Monday, the State Irrigation Minister held a meeting with District Magistrates of Howrah, Hooghly, North and South 24 Parganas. Soon, he will be going to other districts including Burdwan to assess the situation.

This is the first time when the state Irrigation department is planning to install big screens at five different places on which live video footages of water level in different reservoirs will be shown. At the same time, different data related to those reservoirs will also be made available on the screens. Plans have been made so that the screens could be at places including Nabanna, Jalosampad Bhavan and Malda. CCTV cameras will be installed at all the reservoirs in the state from where live footages will be made available on the screens so that people can easily realise the situation at a particular time.

One round-the-clock control room each in North and South Bengal has already started functioning. There are toll free numbers in which people can contact for any queries. Separate groups comprising officials of the department have been formed and they are keeping watch on the dams. Moreover, a system has been developed using which 333 officials of the department including junior level engineers will keep getting updates on the situation at different reservoirs through SMSs in every 15 minutes. The step has been taken to ensure better communication among the officials and fast execution of the needed task at a moment of emergency.

The state Irrigation department has also developed a cell phone app to help people get related information. Since some parts of North Bengal get more affected due to floods, the state Irrigation department has taken all necessary steps. During Monday’s meeting, the Irrigation minister has also taken stock of the present preparation to check flood-like situations from the respective District Magistrates.


বন্যার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিল সেচ দপ্তর

আগামী বর্ষায় যাতে রাজ্যের কোথাও বন্যার পরিস্থিতি না হয়, সেজন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য সেচ দপ্তর।

তার জন্য নিয়েছে প্রচুর পদক্ষেপ। রাজ্যের যে সমস্ত অঞ্চলে বন্যার পরিস্থিতি সাধারণত হয়, সেসব অঞ্চলের জেলা শাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন সেচ মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার হাওড়া, হুগলী ও দক্ষিণ ২৪ পরগণার জেলাশাসকদের সঙ্গে মন্ত্রী বৈঠক করেন। পরিস্থতির সরেজমিনে তদন্ত করতে শীঘ্রই তিনি বর্ধমান সহ অন্যান্য জেলায় যাবেন।

এই প্রথম পাঁচটি জায়গায় পাঁচটি বড় স্ক্রিন লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছে সেচ দপ্তর। যেখানে বিভিন্ন রিজার্ভারের জলের স্তরের ভিডিও ফুটেজ দেখানো হবে। এ ছাড়া ওই রিজার্ভার সংক্রান্ত আর যাবতীয় তথ্যও দেখানো হবে ওই স্ক্রিনে। ওই স্ক্রিনগুলি লাগানো হবে নবান্ন, জলসম্পদ ভবন ও মালদায়। প্রতিটি রিজার্ভারে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হবে।

ইতিমধ্যেই ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গে। জনসাধারণের সুবিধার্থে রয়েছে টোল ফ্রি নম্বর, যেখানে তাঁরা যাবতীয় তথ্য পেতে পারবেন। দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে আলাদা টীম তৈরি হয়েছে যারা বাঁধের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবেন। একটি সিস্টেমও তৈরি হয়েছে যেখানে আধিকারিক ও নতুন ইঞ্জিনিয়র নিয়ে ৩৩৩ জনের একটি দল প্রতি ১৫ মিনিটে এসএমএসের মাধ্যমে পরিস্থিতির খবর পাবেন। বিপদের সময় যাতে সব আধিকারিকরা নিজেদের মধ্যে খুব সহজে যোগাযোগ রাখতে পারেন ও খুব শীঘ্রই সব প্রতিকূল অবস্থার সমাধান করতে পারেন, তাঁর জন্যও নেওয়া হয়েছে প্রচুর পদক্ষেপ।

একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরী করা হয়েছে যাতে সাধারন মানুষ সব ধরনের তথ্য পেতে পারেন। যেহেতু উত্তরবঙ্গের কিছু অঞ্চল অতিরিক্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তার জন্যও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


Even in Germany, Bengal CM keeps close watch on State weather situation

She may be away but her heart is in Bengal. In the midst of her busy schedule at Munich in Germany to showcase Bengal as an investment destination, Chief Minister Mamata Banerjee did not forget her responsibility in managing coordination with her cabinet colleagues in Kolkata in view of the flood threat in the state in the backdrop of heavy rain in the last 24 hours.

The Chief Minister called up State irrigation minister Rajib Banerjee on Tuesday morning from Munich and instructed him to interact with Damodar Valley Corporation (DVC) authorities to prevent excessive water release from DVC dams in the state that might worsen the situation.

Within minutes of the Chief Minister’s call from Munich the entire state secretariat of Nabanna got transformed into a virtual war room. The Minister instructed officials of his department to ensure constant watch on the river embankments round the clock till the time the flood threat is completely averted.

“The situation is not that alarming yet. But we are maintaining constant vigil. Now, everything will depend on how far DVC cooperates by showing restraint about water release,” the Minister said.

Besides the state irrigation department, the state disaster management department was also kept on high alert. Department officials were instructed to ensure that different rescue teams be ready for emergency. Relief items like tarpaulin, dry food and medicines have been kept ready in adequate amount, confirmed an officer of the state disaster management department. Leave for the staff and officers of both the state irrigation and disaster management departments have been cancelled till further orders.


জার্মানিতে বসেও বাংলার বন্যার খবর নিলেন মুখ্যমন্ত্রী

সশরীরে উপস্থিত না থাকলেও তাঁর মন সারাক্ষণ বাংলাতেই পড়ে থাকে, তিনি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জার্মানির মিউনিখে শিল্প সম্মেলনে ব্যস্ত কর্মসূচীর মধ্যেও তিনি তাঁর দাওিত্ব ভুলে যাননি। প্রতিনিয়ত তিনি গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি ও বন্যা সংক্রান্ত সব রকম পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেছেন এবং কলকাতার মন্ত্রীসভার সব মন্ত্রীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে সব খোঁজ-খবর নিচ্ছেন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দিচ্ছেন।

মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী মিউনিখ থেকে রাজ্যের সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেন এবং দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন (ডিভিসির) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার নির্দেশ দেন।

মিউনিখ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর ফোন আসার কিছু সময়ের মধ্যেই জেলা শাসক ও বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের বন্যা সংক্রান্ত সবরকম ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

মন্ত্রী বলেন, “পরিস্থিতি এখনোও তেমন ভয়ংকর নয়। কিন্তু আমরা প্রতিনিয়ত সতর্ক থাকছি।  ডিভিসি কতটা জল ছাড়ছে তাঁর ওপর পরিস্থিতি নির্ভর করছে”।

রাজ্যের সেচ বিভাগের পাশাপাশি, রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগও উচ্চ সতর্ক ব্যবস্থায় বজায় রাখছে। বিভাগের কর্মকর্তারা বিভিন্ন উদ্ধারকারী দলগুলিকে সবরকম জরুরী অবস্থার জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমানে ত্রিপল, শুকনো খাবার ও ওষুধ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।


State to launch app to give prompt flood updates

An app, which will promptly give the flood updates of the state, is set to take the state’s flood management system to a new high. The state irrigation and waterways department has developed the smart phone application and it is all set to be inaugurated.

Earlier, the department had developed a system – Soft Requirement Specification (SRS) which enables the administration to instantly take a stock of flood situations in districts on a real time basis. The system, which has been incorporated in the department’s website, is now transferred to a mobile app.

With the use of new app, the dissemination of flood related information will be easier. It will just take some minutes of update the flood information from the spot.


বন্যা সম্পর্কিত সবরকম আপডেট পেতে অ্যাপ চালু করল রাজ্য সরকার

উচ্চ পর্যায়ের বন্যা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরি করার জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশন চালু করছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার, যা অবিলম্বে রাজ্যের সব জায়গার বন্যা সংক্রান্ত সব আপডেট দেবে। রাজ্য সেচ ও জলপথ বিভাগ এই স্মার্ট ফোন অ্যাপ্লিকেশন চালু করতে চলেছে এবং এটি শীঘ্রই উদ্বোধন করা হবে।

আগেও এই দপ্তর একটি প্রক্রিয়া তৈরি করেছিল – সেটি হল SRS (Soft Requirement Specification)। এর মাধ্যমে অবিলম্বে বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কিত সব তথ্য পাওয়া যেত। এই প্রক্রিয়াটি দপ্তরের ওয়েবসাইটে আগেই সংযোজিত ছিল, বর্তমানে সেটিকেই অ্যাপে পরিবর্তন করা হল।

এই অ্যাপের মাধ্যমে এখন বন্যা সংক্রান্ত সব রকম তথ্য খুব সহজেই পাওয়া যাবে। নির্দিষ্ট এলাকা থেকে খুব সহজেই কিছু মিনিটের মধ্যেই মানুষের কাছে আপডেট পৌঁছে যাবে।