Bangla Govt introduces GEM portal for more transparency

To make buying by Government departments more transparent, the Bangla Government has introduced a model called Government e-Marketplace (GEM).

GEM is in the form of a portal. Details regarding the purchase of any stationery item by a department costing more than Rs 10,000 would have to be put up on the portal. All vendors of the Government would also have to be registered on the portal.

After the details are put up, online tenders would be issued. As happens with any tender, the vendor bidding the lowest amount would get the tender. About 4 lakh items would be available through this portal.

A special training was organised at Nabanna for officials of all the departments in batches, from August 6 to 10. Officials of the Finance Department provided the training. For each department, a nodal officer and two master trainers have been identified, who were provided the training. They, in turn, would train the colleagues of their departments who deal with procurement.

This is another fruitful step by the Trinamool Congress Government in making e-governance an integral part of the governmental system. Systems like e-tender, Integrated Financial Management System (IFMS), Government Receipt Portal System (GRIPS) and Human Research Management System (HRMS) by the Finance Department are up and running for quite some time.

From January this year, the process was started to make all Government offices into e-offices, whereby all paper documents of all departments are being scanned in a step-by-step manner and stored online, and easy retrieval systems being put in place.

Source: Bartaman

Bengal bags first prize for e-tendering

Bengal government has bagged the first prize from the Centre for implementing the e-tendering process.

Chief Minister Mamata Banerjee made the announcement on Friday. She said: “Yesterday the Bengal government was awarded with the first prize for ensuring e-tendering. The state government has become the best in the country by ensuring e-tendering of 53,000 projects worth Rs 36,000 crore and the Ministry of Finance has given the award.”

The Chief Minister congratulated the state Finance department and the state Information Technology department for their efforts, which made it possible for the state government to bag the award.

Soon after coming to power, the Mamata Banerjee government has started taking all necessary steps to ensure e-governance and at the same time, the e-tendering process and the e-Integrated Finance Management System (eIFMS) were introduced. Before the e-tendering process had started, the entire process of tendering used to take place manually that had left many options for lack of transparency.

Besides making the process to participate in the tendering process easier, the Mamata Banerjee government has also ensured transparency by introducing e-tendering.


টেন্ডারে স্বচ্ছতা এনে সেরা বাংলা

দেশের মধ্যে ই-টেন্ডারিংয়ে সেরা হয়েছে রাজ্য। ৫৩ হাজারের বেশি ই-টেন্ডারিং করে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকার কাজ হয়েছে। তা যে স্বচ্ছ প্রশাসন চালানোর স্বীকৃতি সেটাও স্পষ্ট।

ই-গভর্ন্যান্স ও ই-ট্যাক্সেশন-এর ক্ষেত্রেও রাজ্য সেরা হয়েছিল। অর্থ দপ্তর ও তথ্য প্রযুক্তি দপ্তর যৌথ ভাবে কাজ করেছে। এজন্য ওই দুই দপ্তরকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ই-গভর্ন্যান্সের ওপর জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অর্থ দপ্তরে চালু হয়েছে e-Integrated Finance Management System (eIFMS)।

Bengal’s economy is growing at the rate of 10.49%: Dr Amit Mitra

Bengal is now on an overdrive to register a sturdy growth in terms of turnover. The state has registered a turnover of Rs 53,649 crore during 2016-17 from Rs 47,857 crore during 2015-16. Therefore, the state’s economy is growing at the rate of 10.49 per cent and, by the 2019-20 fiscal, will soon touch the 40 per cent.

These facts were stated by the state’s Finance Minister, Dr Amit Mitra at a recent function organised by the Federations of Indian Export Organisations (FIEO) in Kolkata.

He also said that the state’s exports would touch Rs 75,000 to 80,000 crore during that period.

Close on the heels of the ever-increasing growth rate, the minister said, employment generation too saw a sharp rise as MSME sectors alone generated 1,40,000 jobs in textiles only. Gems and jewellery generated 1 lakh, leather, 15 lakh and foundry, 30,000 jobs. Therefore, the total volume of job opportunities created in the state taking into account all the above four sectors, which comprise micro, small and medium enterprises (MSME), is 17,70,000.

বাংলার অর্থনৈতিক উন্নয়নের হার ১০.৪৯%ঃ অমিত মিত্র


অর্থনৈতিক উন্নয়নের নিরিখে বাংলা খুব দ্রুত উন্নতি করছে। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে বাংলার অর্থনৈতিক টার্নওভার হয়েছে ৫৩৬৪৯ কোটি টাকা যা ২০১৫-১৬ সালে ছিল ৪৭৮৫৭ কোটি টাকা। মানে এরাজ্যের অর্থনীতি ১০.৪৯% হারে উন্নতি করেছে। অনুমান করা হচ্ছে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের শেষে এই হার ৪০% হয়ে যাবে।

ফেডারেশন্স অফ ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অরগানাইজেশন্স আয়োজিত এক সম্মেলনে এই তথ্যগুলি দেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। পাশাপাশি তিনি এও বলেন, ততদিনে বাংলার রপ্তানির পরিমাণ ৭৫০০০ থেকে ৮০০০০ কোটি টাকা ছুয়ে যাবে।

এর পাশাপাশি তিনি বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে কর্মসংস্থান বেড়েছে উল্লেখযোগ্য ভাবে। শুধুমাত্র বস্ত্রশিল্পে ১৪০০০০ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। জেমস ও জুয়েলারির ক্ষেত্রে হয়েছে ১ লক্ষ, ঢালাই শিল্পে ৩০০০০ কর্মসংস্থান হয়েছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সমস্ত শিল্পগুলিতে মোট কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ১৭৭০০০০।

Source: The Statesman

GST revenue gap may widen to Rs 85,000 crore for FY18: Amit Mitra

Expressing concern over declining goods and services tax (GST) revenue, West Bengal’s finance minister Amit Mitra on Thursday said that states are facing a revenue shortfall of Rs 39,111 crore in the four months after the July 1 roll-out.

The government had anticipated a revenue shortfall of Rs 55,000 crore, which was expected to be recovered through the compensation cess levied on luxury and sin goods, but now the revenue gap is expected to widen to Rs 80-85,000 crore for the whole financial year, Dr Mitra said.

“Revenue of Rs 43,013 crore per month was to be protected for states. For all states for four months, we needed Rs 1.72 lakh crore for revenue protection. What have we got? Rs 1.33 lakh crore. That means there is a revenue protection shortfall of Rs 39,111 crore in the (first) four months,” Dr Mitra said at the annual general meeting of FICCI.

Dr Amit Mitra was participating in a session on GST with the finance ministers of Jammu & Kashmir and Bihar.

জিএসটিতে বিদ্ধ ছোট শিল্প: অমিত মিত্র

সেপ্টেম্বরে জিএসটি থেকে আয় হয়েছিল ৯৫,১৩১ কোটি টাকা। অক্টোবরে তা নেমেছে ৮৩,৩৪৬ কোটিতে। ছোট ও মাঝারি শিল্পগুলি সমস্যায় পড়েছে বলেই এই ছবি ফুটে উঠছে বলে অভিযোগ তুললেন অমিত মিত্র।

বৃহস্পতিবার ফিকি-র বার্ষিক সাধারণ সভায় পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রীর দাবি, ‘‘জিএসটি-র রাজস্ব আয়ের পরিসংখ্যান নিয়ে স্বচ্ছতা নেই। কিন্তু বাস্তব হল, এক মাসে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা আয় কমেছে। প্রক্রিয়াগত জটিলতায় ছোট-মাঝারি সংস্থাগুলি রিটার্ন ফাইল করতে পারছে না। উৎপাদনও ৪০% মার খেয়েছে।’’

অমিতবাবুর হিসেব, জিএসটি-তে রাজ্যগুলির প্রথম চার মাসে রাজস্ব আয়ে ঘাটতির পরিমাণ প্রায় ৩৯,১১১ কোটি টাকা। রাজ্যগুলি কেন্দ্রের থেকে ক্ষতিপূরণ পেয়ে যাবে। কিন্তু এর ফলে কেন্দ্রের আয় নিয়েও চিন্তার কারণ রয়েছে। তাঁর দাবি, ধরা হয়েছিল, চলতি অর্থবর্ষে ৫৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দরকার হবে। তা প্রায় ৯০ হাজার কোটিতে পৌঁছবে।

অমিতবাবুর যুক্তি, জিএসটি-র বাইরে থেকেই রাজ্যগুলির গড়ে ৪০% আয় হয়। জিএসটি-ব্যবস্থা স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত পেট্রোল-ডিজেলকে এর আওতায় আনা উচিত নয়।

Bengal FM hits out at Centre for not releasing any funds for flood relief

State Finance and Industry Minister Amit Mitra on Tuesday alleged that the Centre has not released any fund for the flood-like situation in the state.

“The state had demanded Rs 6,068 crore but the Centre has not made any financial assistance for undertaking flood relief work. The state alone had spent Rs 772.6 crore from the State Disaster Relief Fund but the National Disaster Relief Fund has not allocated a penny,” Dr Mitra said.

The state Finance minister also hit out at the centre alleging that sending a team from Delhi to the districts having flood-like situation was a mere eyewash.

Dr Mitra reiterated that a total of 254 blocks, 51 municipalities, 1,691 gram panchayats and 15,702 villagers received the state’s aid. “This is testimony to the fact that there has been no discrimination was made on political grounds,” he added.

Two other ministers also raised their voices against the Centre for ignoring the state by not responding to the demands of their respective departments at the state Assembly’s question answer session.

State Law Minister was vocal against stoppage of matching grants for the Centre in the last few years that has posed a hindrance in the setting up of court buildings. State Consumer Affairs and Self Help Group Minister was vocal against the non co-operation of the banks in providing loans to the SHGs.


বন্যাত্রাণে এক টাকাও দেয়নি কেন্দ্র, বিধানসভায় সরব অমিত মিত্র 

বন্যাত্রাণে ৬০৬৮ কোটি টাকা কেন্দ্রের কাছে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু ‘ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফান্ড’ থেকে এক টাকাও মেলেনি। কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল রাজ্যে এসেছে। চারদিন ধরে ঘুরে বেড়িয়েছে। ওই পর্যন্তই। পুরোটাই ভেল্কি! কোনও উত্তর কেন্দ্রের তরফে রাজ্যকে দেওয়া হয়েনি। মঙ্গলবার বিধানসভায় ফের কেন্দ্রের বঞ্চনা নিয়ে সরব হলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

তিনি জানিয়ে দিলেন, “কেন্দ্র না দিলেও, ওই খাতে রাজ্য ইতিমধ্যিই ৭৮২ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে।”

এদিন অমিতবাবু ব্লক, পুরসভা ও পঞ্চায়েত ধরে অর্থ খরচের ব্যাখ্যা দেন।বলেন “২৪৫ টি ব্লক, ৫১ টি পুরসভা, ১৬৯৮ টি গ্রাম পঞ্চায়েতকে এই ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১৬ হাজার গ্রামের ৮৪ লক্ষ মানুষ উপকৃত হয়েছেন। বন্যায় অনেক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। আমরা ৪ লক্ষ ৯৭ হাজার ৩৬২ টি বাড়ি সংস্কারের জন্য অর্থ দিয়েছি। ৭ লক্ষ ১৯ হাজার ৫২৪ টি ত্রাণশিবির করা হয়েছে।”

তৃণমূলের বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার প্রশ্নের উত্তরে অমিতবাবু এদিন এই তথ্য তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট বলেন, “রাজ্যের সঙ্গে প্রতারণা করেছে কেন্দ্র।”

Bengal Finance Dept going fully digital

A welcome change is soon to happen in the working of the State Finance Department.
According to a recent instruction issued by the finance secretary, all paper files would soon have to be done away with in favour of digital storage.

Digitisation with respect to government activities has been gradually coming since the introduction of the Integrated Financial Management System (IFMS) in 2014. The system was introduced to enable a proper accounting of the money allotted and spent by the department for its various activities, including the payment of salaries.

This change to a paperless democracy in the working of the State Government has in fact caught the attention of the entire country.

Digitisation has some distinct advantages:

File tracking: IFMS has made the tracking of all files much easier. Whenever a file is received by a person or sent to another person after due processing, everyone with access to the system gets to know about the acknowledgement or signing off, respectively.

Accuracy of data: There is much less chance of making mistakes with respect to the input of any data.

Cost effectiveness: Change to digitisation saves a lot of money, which was spent in buying registers.

Space optimisation: Along with cost, a lot space occupied by the stored registers is also saved on.

Effective archiving: Once paper gets old, it gets damaged, either due to the ageing itself or due to being eaten up by insects or maybe by dampness. Digitisation of files removes the chances of all of these happening.

Source: Ei Samay

অর্থ দপ্তর এবার পুরোপুরি ডিজিটাল

পেপারলেস ব্যুরোক্র্যাসি-ই মন্ত্র করল নবান্ন। অর্থ দপ্তরের তরফে অর্থসচিব একটি নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছেন দপ্তর ও বিভাগগুলির দৈনন্দিন কাজকর্মে বিভিন্ন স্তরে প্রমাণ সাইজের রেজিস্টার সমেত নানা কাগুজে খতিয়ানের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। কর্মী ও অফিসারদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাবতীয় তথ্য সুরক্ষিত রাখতে হবে ডিজিটাল তথ্য ভাণ্ডারেই।

এই ক্ষেত্রে ইন্টিগ্রেটেড ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যে অনুঘটকের কাজ করেছে, তাও নির্দেশিকায় উল্লেখ আছে। ২০১৪ সালে অর্থ দপ্তর বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তর ও বিভাগের আর্থিক বরাদ্দ ও লেনদেনের হিসেবের বিলি বন্দোবস্ত, নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের জন্যই এই ডিজিটাল মাধ্যমের সূচনা করে। এমনকি, কর্মীদের বেতন সহ নানা পাওনার হিসেব নিকেশের কাজে এই ডিজিটাল মাধ্যমের ব্যবহার শুরু হয়। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির এই প্রয়োগ সারা দেশেরই নজর কেড়েছে।

আইএফএমএস-এর মতো অত্যাধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু হওয়ার পর আর্থিক ও প্রশাসনিক পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে কাগজের ব্যবহার বহুলাংশেই অর্থহীন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি, অনেক ক্ষেত্রে এমন প্রবণতাও লক্ষ্য করা যায়, কাগজেকলমে তথ্য-পরিসংখ্যান নথিভুক্ত করার সময় ভুলভ্রান্তি হয়। জাবেদা খাতা সহ কাগজের ব্যবহার কমলে কিছুটা ব্যয় সঙ্কোচও হবে। কাগুজে রেজিস্টার-খতিয়ান-নোটবুক প্রভৃতি সংরক্ষণের জন্য প্রচুর জায়গার দরকার হয়। তা ছাড়া পুরনো নথিগুলি সময়ের সঙ্গে নষ্ট হয়ে যায়। হারিয়েও যায়। কাগজের ব্যবহার কমলে নানা ক্ষেত্রে লাভই হবে বলে আশা করা যায়।

From farmer suicides to medical negligence, Trinamool MPs raise matters of public importance in Parliament

Today, Trinamool Congress MPs raised a variety of issues of public importance in Parliament ranging from medical negligence in private hospitals to the issue of farmer suicides, from manual scavenging to the Union Budget.

In the Rajya Sabha, Md Nadimul Haque raised the issue of medical negligence in private hospitals. He pointed out to the fact that the West Bengal Government has passed an Act which seeks to bring more transparency in healthcare, and urged the Central Government and other States to pass a similar law.

In the same House, Vivek Gupta raised the issue of alleged reports of the shifting of the headquarters of Hindustan Paper Corporation from Kolkata to Guwahati. Later, Vivek Gupta raised another important issue – that of compensation for manual scavengers.

In the Lok Sabha, Ratna De Nag spoke on the Demands for Grants for the Agriculture Ministry, raising the issue of the increase in the number of suicides by farmers in the last three years, and urging the Ministry for adequate financial assistance for farmers under various heads.

Cooch Behar MP Partha Pratim Roy asked a Supplementary Question on the electrification of villages during Question Hour.

Sugata Bose, in his erudition, took the government to task for not allocating enough funds for defence modernisation. He also rued the lack of initiatives on part of the government for defence manufacturing. He called for a strategic vision rather than jingoism in defence sector.

Later in the Rajya Sabha, during a discussion of the Union Budget, Vivek Gupta spoke on some important issues related to the Finance Ministry, like bringing the illegal black money stashed abroad back to the country and depriving States of revenue collected from various cess and surcharge.

Bengal offers huge investment prospects in mining: Amit Mitra

Bengal today invited companies to invest in coal mining and exploration activities in the state as it highlighted huge opportunities in the sector.

“Deaocha Pachami coal block is the world’s second largest reserves with two billion tonnes and shared by six entities including Bengal. Along with that, Bengal has tied up with Kudurmukh for iron ore deposit exploration in the state,” state Finance Minister Dr Amit Mitra said.

Bengal has identified six granite prospective blocks and exploration has begun in three through competitive bidding, Dr Mitra said while addressing the IMME and Global Mining Summit 2016. He informed that mining would be carried out shortly in four blocks held by West Bengal Power Development Corporation. All these will offer huge investment opportunities and urged companies to take advantage of the same, he said.

At the same time, the minister said, mining activity should be socially responsible and done in dialogue with people where the projects would take off.


খনি-শিল্পে বাংলার লগ্নি সম্ভাবনা বিপুল: অমিত মিত্র

বুধবার কলকাতায় সিআইআইয়ের আইএমএমই অ্যান্ড গ্লোবাল মাইনিং সামিট ২০১৬-র অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

এ দিন পশ্চিমবঙ্গে খনি শিল্পে লগ্নি করতে বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানান রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

তিনি জানান, রাজ্যে শিল্পের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি আছে। শিল্পপতিরা চাইলেই বিনিয়োগ করতে পারেন। বীরভূমে দেউচা-পাচামি কয়লা ব্লক দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লা খনি। এখানে প্রায় ২ বিলিয়ন টন মজুত করা যায়। পশ্চিমবঙ্গ-সহ ছ’টি রাজ্য কয়লা পাবে এই খনি থেকে।

তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যেই বাংলা ছয়টি গ্রানাইট ব্লক চিহ্নিত করেছে এবং তিনটিতে খনন কাজ শুরু হয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম খুব শীঘ্রই চারটি ব্লকের খনন কাজ সম্পন্ন করবে। এর ফলে বিনিয়োগের অনেক সুযোগ তৈরি হবে।




খনি-শিল্পে বাংলার লগ্নি সম্ভাবনা বিপুল: অমিত মিত্র

বুধবার কলকাতায় সিআইআইয়ের আইএমএমই অ্যান্ড গ্লোবাল মাইনিং সামিট ২০১৬-র অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

এ দিন পশ্চিমবঙ্গে খনি শিল্পে লগ্নি করতে বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানান রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

তিনি জানান, রাজ্যে শিল্পের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি আছে। শিল্পপতিরা চাইলেই বিনিয়োগ করতে পারেন। বীরভূমে দেউচা-পাচামি কয়লা ব্লক দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লা খনি। এখানে প্রায় ২ বিলিয়ন টন মজুত করা যায়। পশ্চিমবঙ্গ-সহ ছ’টি রাজ্য কয়লা পাবে এই খনি থেকে।

তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যেই বাংলা ছয়টি গ্রানাইট ব্লক চিহ্নিত করেছে এবং তিনটিতে খনন কাজ শুরু হয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম খুব শীঘ্রই চারটি ব্লকের খনন কাজ সম্পন্ন করবে। এর ফলে বিনিয়োগের অনেক সুযোগ তৈরি হবে।



GST rates a victory for Bengal, states: Amit Mitra

The chairman of the empowered committee of state finance ministers, Dr Amit Mitra, said GST rates fixed on Thursday were a great victory for Bengal and other states. He also pointed out that the rates -0%, 5%, 12%, 18% and 28% -would not have any inflationary impact on the common man.

Bengal is likely to gain from the GST regime as the cess on coal will continue for now, along with the ones on primary education and rural development. Both education and rural development cess are linked with petroleum products, which is not under GST now.

Bengal earns a revenue of Rs 700 crore from coal cess and Rs 500 crore from the two others. The state now has a combination of ad valorem cess of 25% on the value of coal production and a royalty of Rs 5.50-7 per tonne, depending on the grade of coal.

Dr Mitra said that all states fought for 0% GST on grain, though a 6% rate was initially proposed on this. “There would have been inflationary pressure due to this. In a state like West Bengal, there is no VAT on foodgrain, so we all fought for 0% rate on it,“ he said.

The minister also argued that minimum rate of 5% -down from the original 6% -was fixed on the insistence of states. “We protested against 6% minimum rate and brought it down to 5%. For industry , even 1% is huge and can have inflationary impact.The highest slab is also kept at 28% as we were against any slab beyond 30%, which Value Added Tax has,“ Dr Mitra added.

Elaborating on the nittygritty of the new regime, Dr Mitra said revenue officials of different states would together decide on items for the standard category of 12% and 18%, keeping in mind that inflation had to be kept in check.


জিএসটি হার বাংলা ও রাজ্যগুলির জন্য লাভজনক হবে: অমিত মিত্র

বিভিন্ন রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত জিএসটি কমিটির চেয়ারম্যান তথা বাংলার অর্থমন্ত্রী মাননীয় ডঃ অমিত মিত্র বলেন, জিএসটির যে হার নির্ধারিত হয়েছে সেটি বাংলা ও অন্যান্য রাজ্যের জন্য একটি বড় জয়। ০, ৫, ১২, ১৮, ২৮ শতাংশ হার সাধারণ মানুষের জন্য কোনও সমস্যা সৃষ্টি করবে না।

প্রাথমিকভাবে খাদ্যশস্যের ওপর ৬ শতাংশ কর বসানোর প্রস্তাব থাকলো সব রাজ্যই ০ শতাংশ করের দাবি তোলে। ডঃ অমিত মিত্র বলেন, “খাদ্য শস্যের ওপর ৬ শতাংশ সেস বসলে মূল্যবৃদ্ধির পরিস্থিতি সৃষ্টি হাত, তাই আমরা সকলেই ০ শতাংশের দাবি তুলি। বাংলার মত রাজ্যে খাদ্যশস্যের ওপর কোনো ভ্যাট বসানো হয়নি।”

তিনি আরও বলেন যে সর্বনিম্ন জিএসটি হার ৬ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার পেছনেও রাজ্যদের ভূমিকা ছিল। শিল্পের জন্য ১ শতাংশ করও মূল্যবৃদ্ধি সৃষ্টি করতে পারে। সর্বোচ্চ হার ২৮ শতাংশ রাখা হয় কারণ আমরা ৩০ শতাংশের চেয়ে বেশি করের বিরোধী; ভ্যাটের ক্ষেত্রেও তাই ছিল।

জিএসটির যে চারটি কর শ্রেণী বা স্ল্যাব ধার্য করা হয়েছে, তার কোনটাতে কোন দ্রব্য থাকবে এবার বিভিন্ন রাজ্যের সচিবরা আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করবেন বলেও জানান ডঃ অমিত মিত্র।

Amit Mitra asks Centre to come clean on GST

In a letter to Arun Jaitley, West Bengal finance minister Amit Mitra says Centre concealed crucial information on service taxpayer base from states.

While the states had so far been led to believe that the service taxpayer base was 1.1 million, new data supplied to the state finance ministers reveal that it is actually 3.05 million—almost thrice of what was assumed so far. This, Dr Mitra argues, has unfairly influenced the discussions, especially on the sharing of administrative powers between the Centre and states.

The sharing of administrative powers between the Centre and the states for controlling traders and service taxpayers in a GST regime has been a point of contention.

After the first meeting of the GST council, it was concluded that the Centre will control all the existing 1.1 million service tax dealers. In the case of goods, it was agreed that goods traders with an annual revenue threshold of less than Rs 1.5 crore would be administered by states and anything above jointly by the Centre and states.

However, in the second meeting of the GST council, the states demurred, claiming the minutes of the meeting did not adequately reflect what was discussed; this forced the council to go back to the drawing board on the administrative control of both goods and services.

“The minutes of the 1st and the 2nd GST council meeting clearly records a tax base of around 1.1 million for service taxpayers,” Dr Mitra wrote in a letter dated 28 October, before adding, “Suddenly, we find that the service taxpayers number has escalated to 3.05 million out of which 2.64 million are shown as active taxpayers.”

“This implies that the service tax base has grown 3 times over 2 years. What is even more surprising is that even a month ago this fact was not told to the states,” he wrote, adding that the figures seem an afterthought, surfacing only after the issue of dual control was discussed in the last GST council meeting held on 18-19 October.

In his letter, Dr Mitra also pointed out that the disaggregated data of value-added tax (VAT), excise and service tax base based on thresholds of Rs 1.5 crore and Rs 20 lakh had not been shared with the states so far. He also added that the states were likely to get the updated data on the taxpayer base only by 1 November, which left them only a day to deliberate before the GST council meeting. The data shared with states by the GST council secretariat was updated as of 19 January 2016.