Deaths due to road accidents – Kolkata the safest metro city

The latest data shows that Kolkata is the safest metro city in terms of occurrence of deaths due to road accidents. Kolkata Police officials say that the ‘Safe Drive Save Life’ (SDSL) campaign is primarily responsible for the success. This campaign is a brainchild of Chief Minister Mamata Banerjee.

In 2017, 318 fatal road accidents (that is, where there was loss of life) occurred in Kolkata, which caused the deaths of 329 people.

For Delhi the numbers for fatal road accidents and deaths were 1,565 and 1,584, respectively. For Mumbai, they were 467 and 490 respectively. For Chennai, 1,312 and 1,347, respectively, and for Bengaluru, 609 and 642, respectively.

Even in a small metro city like Pune, 360 fatal road accidents took place in 2017, which caused the deaths of 373 people.

Hence, Kolkata is head and shoulders above the rest of the cities, and SDSL campaign has had a major role to play in making roads safer and driving home awareness among the people.

Source: Bartaman


Swarojgar Corporation will develop 76 villages as model villages

To make people of rural regions self-sufficient, West Bengal Swarojgar Corporation Limited (WBSCL) has decided to develop 76 villages across the State as model villages. The villages have been selected in such a way that two each have been chosen from 38 subdivisions, across 11 districts.

In collaboration with various departments, Swarojgar Corporation will undertake various developmental projects in these villages like cultivation of fish, digging of ponds, animal husbandry, and others.

As it is, unemployed youths across the State are given loans under Swami Vivekananda Swanirbhar Karmasuchi Prakalpa. Under this new project, rural youth would be given a certain preference. They would be given, free of cost, fish, chicken and duck hatchlings, and cows, buffaloes and goats. Taking up animal husbandry would enable rural youths to earn Rs 8,000 to Rs 10,000 per month, according to Government officials.

Based on the results from these 76 villages, such coordinated inter-departmental activities would be undertaken across many more villages.

According to WBSCL officials, as a result of this project, thousands of youth will find self-employment. The 11 districts to be covered in the first phase are North 24 Parganas, South 24 Parganas, Purba Bardhaman, Paschim Bardhaman, Howrah, Hooghly, Nadia, Murshidabad, Jhargram, Purulia and Paschim Medinipur. Nine more districts have been planned to be covered next year.

Soon after coming to power in 2011, Chief Minister Mamata Banerjee had made self-employment for the jobless one of her priorities, and the State Government’s efforts have been bearing positive results.

From giving stipends to the jobless to set up business to setting an Employment Bank to giving loans under Swami Vivekananda Swanirbhar Karmasuchi Prakalpa to various other projects, the developments have been numerous and far-reaching.


Source: Bartaman

Bengal Govt to convert 2,600 cooperatives to banks

The Bengal Government has decided to give cooperative societies in villages where there are no banks all the facilities of banks. Through this move, 2,600 societies would be turned into banks.

Chief Minister Mamata Banerjee gave instructions in this regard on March 30. The State Cooperation Department has allotted Rs 396 crore for this purpose.

The cooperative society-turned-banks would have all the facilities of regular banks, including those related to loans and money transfer. For example, money can be transferred through NEFT and RTGS. The banks would have their own ATMs too. These banks would start operating from the next financial year.

According to the Cooperation Minister, who gave these details while announcing the formation of the banks, the 2,600 cooperative societies have been selected on the basis of better track records from among the approximately 6,000 cooperative societies in Bengal.


২৬০০ ঋণদানকারী সমবায় সমিতিকে ব্যাঙ্কের মর্যাদা দিচ্ছে রাজ্য সরকার

রাজ্যের যে সমস্ত গ্রামে কোনও ব্যাঙ্কের শাখা নেই, সেখানে ঋণদানকারী সমবায় সমিতিগুলিকে ব্যাঙ্কের মর্যাদা দিচ্ছে রাজ্য সমবায় দপ্তর। মোট ২৬০০টি সমিতি ব্যাঙ্কের মর্যাদা পাবে। ওই সমিতিগুলি থেকে ঋণের পাশাপাশি ব্যাঙ্কের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা মিলবে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ৩০শে মার্চেই এই নির্দেশিকা জারি হয়েছে। এজন্য রাজ্য সমবায় দপ্তর ৩৯৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। সমবায় দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্কের মতো এখানেও এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে আরটিজিএস বা এনইএফটি করা যাবে। সমিতিগুলির নিজস্ব এটিএমও চালু হবে। আগামী আর্থিক বছরের প্রথম থেকেই এই ব্যবস্থা চালু হবে।

রাজ্যের সমবায়মন্ত্রী বলেন, রাজ্যের ২৫০টি গ্রাম পঞ্চায়েতে কোনও ব্যাঙ্কেরই শাখা নেই। তাই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই ব্যবস্থা। রাজ্যে প্রায় ৬০০০ সমবায় সমিতি আছে। তার মধ্যে থেকে আমরা ট্র্যাক রেকর্ড ভালো থাকা ২৬০০টি সমবায় সমিতি বাছাই করেছি। আমরা ২৫০টি জেলা সমবায় ব্যাঙ্কের শাখা করব বলে আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। তার কাজও চলছে।

দ্রুত বাছাই করা সমবায় সমিতিগুলিকে ব্যাঙ্কের পরিকাঠামো তৈরী করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমবায় দপ্তর সূত্রের খবর, প্রতিটি গ্রামে এটিএম কাউন্টার তৈরির পাশাপাশি এনইএফটি বা আরটিজিএস করার জন্য অনলাইন লিঙ্ক চালু করা থেকে শুরু করে প্রযুক্তিগত সমস্ত ব্যবস্থা দ্রুত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনও শহরের সমবায় সমিতিকে ব্যাঙ্কের মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে না।

Investment Bengal

Ease of doing business: Bengal now leader among peers

The third edition of the Central Government’s annual Ease of Doing Business ranking for states, modelled on the international one conducted by the World Bank, has seen West Bengal jumping 15 places to top of the list. West Bengal was in the 16th position last year.

Data collected till March 28 on an online dashboard maintained by the Department of Industrial Policy and Promotion, which conducts the ranking, suggests so. Last year, DIPP had finalised a total list of 372 reforms in regulatory processes, policies, practices or procedures as part of the Business Reforms Action Plan 2017. This is spread across 12 key reform areas. Reforms successfully undertaken by each state are updated on the dashboard, with the result that states with the highest implementation of reforms securing the highest ranks.

The rankings only reflect the changing face of Bengal over the last seven years, under Chief Minister Mamata Banerjee. Through a series of administrative reforms, e-governance measures, and three successful editions of Bengal Global Business Summit, she has turned the state into ‘Best Bengal’.



শিল্পের পথ সহজ করার মার্কশিটে বাংলাকে ১০০-তে ১০০ দিল কেন্দ্র

শিল্পের গা থেকে লালফিতের ফাঁস আলগা করার বিশ্বব্যাঙ্কের দেওয়া ৩৬৯টি নির্দেশিকার সবকটি সঠিকভাবে লাগু করে কেন্দ্রীয় সরকারের মার্কশিটে ১০০-তে ১০০ পেল পশ্চিমবঙ্গ। তাই সঙ্গত কারণেই বাংলার স্থান প্রথমে। হিসেব মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতেই ওই নম্বর পেয়েছে রাজ্য সরকার।

শিল্প গড়তে কোন রাজ্য কতটা আগ্রহী, তা জানতে প্রতিবারই সমীক্ষা করে কেন্দ্রীয় সরকার। ব্যবসা করার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জট কাটাতে রাজ্যগুলি কী কী পদক্ষেপ করল, তার জন্য র্যা ঙ্কিং হয় প্রতি বছর। এবার রাজ্যগুলির মূল্যায়ন চলাকালীন বাংলা ছিল একেবারে প্রথম সারিতে।

এদিকে, বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে মুকেশ আম্বানি ঘোষণা করেছিলেন, ব্যবসা বা শিল্পের পথ সহজ করার কাজে দেশের মধ্যে এক নম্বরে পশ্চিমবঙ্গ। অর্থ ও শিল্পমন্ত্রী অমিত মিত্র থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, দেশের সেরা স্থানে রয়েছে রাজ্য। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে এ রাজ্যে বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট হয়েছিল। সেই সময় রাজ্য ছিল এক নম্বরে। বাংলা এক নম্বর স্থান ধরে রাখায়, দিন কয়েক আগে ফের তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পশ্চিবঙ্গকে যে প্রথম স্থান থেকে সরানো কার্যত সম্ভব নয়, তা মনে করছেন শিল্প দপ্তরের কর্তারা।

Bengal Govt slashes rates for cancer patients at tourist lodges

At the initiative of Chief Minister Mamata Banerjee, the State Tourism Department has been providing rooms at hotels and lodges owned by the Department at half the price to cancer patients. They only have to furnish a few documents regarding the treatment he or she is undergoing.

The Tourism Department controls almost 40 hotels and lodges across Bengal. The Department also provides a discount of 20 per cent for the elderly.

It may be mentioned that when Mamata Banerjee was the Rail Minister, she had launched the facility of rebates in rail fare for cancer patients travelling for treatment. She had been applauded from all quarters at that time for such an initiative.

Bengal is the only State in India to offer such special prices at tourist lodges for cancer patients.



লজের ভাড়া অর্ধেক কমিয়ে হাজারেরও বেশী ক্যান্সার রোগীকে মমতার স্পর্শ রাজ্যের

উদ্যোগ শুরু হয়েছিল বছর দেড়েক আগে। ক্যান্সার রোগীদের জন্য সরকারি হোটেলের ঘরভাড়া অর্ধেক করে দিয়েছিল রাজ্য সরকার। হাজারেরও বেশি রোগীকে এই ছাড় দিয়ে আশীর্বাদ কুড়িয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। আর্থিক ছাড়কে সেবা হিসেবেই দেখছেন পর্যটন দপ্তরের কর্তারা।

পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন নিগমের আওতায় রাজ্যে প্রায় ৪০টি সরকারি লজ বা হোটেল আছে। পাহাড় থেকে সাগর— পর্যটনকেন্দ্রগুলির ‘প্রাইম’ বা সেরা জায়গাতেই রয়েছে লজগুলি। কিছুটা সেই কারণেই তার ঘরভাড়াও নেহাত কম নয়। সেখানেই রাজ্য সরকার ক্যান্সার রোগীদের জন্য এই ছাড় দিচ্ছে।

দপ্তরের কর্তারা বলছেন, এমনিতে তাঁরা প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ২০ শতাংশ ছাড় দিয়ে থাকেন। যদি কোনও প্রবীণ নাগরিক ঘর বুকিং করেন, তাহলে শুধু তাঁর ঘরটির ক্ষেত্রে দামের ২০ শতাংশ ছাড় পান। ক্যান্সার রোগী যদি এই লজগুলিতে থাকেন, তাহলে তাঁর ঘরটির ভাড়াতেও ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়। এর জন্য চিকিৎসা সংক্রান্ত ন্যূনতম কিছু কাগজপত্র লজ কর্তৃপক্ষকে দেখাতে হয়।

রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসার জন্য রেল ভ্রমণে আর্থিক ছাড়ের ব্যবস্থা করেছিলেন। দেশজুড়ে সমাদর পেয়েছিল রেলমন্ত্রী মমতার সেই উদ্যোগ। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর পর্যটন দপ্তরকে ক্যান্সার রোগীদের জন্য কিছু করার সুযোগ করে দেওয়ায় খুশি দপ্তরের কর্তারাও।

অন্যান্য রাজ্যগুলির মধ্যে কয়েকটিতে পর্যটন দপ্তরের আওতায় থাকা হোটেল বা গেস্ট হাউসগুলিতে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য আর্থিক ছাড় বা সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। কিন্তু ক্যান্সার রোগীর জন্য এত বড় ছাড় ঘোষণা আর কোথাও নেই। এমনকী পর্যটনকে কেন্দ্র করে আলাদা কোনও ছাড়ের কথাও কোনও রাজ্যে শোনা যায়নি।

Source: Bartaman


Bengal bags e-governance award for Sabuj Sathi, excise

Another feather has been added to Mamata Banerjee’s hat. Bengal’s Sabuj Sathi scheme and e-excise project have received the national award in e-governance. These projects were adjudged the best among 950 projects from 28 States. Union Department of Personnel Training wrote to the Bengal Government about these awards.
In 2013-14, Bengal had won the national award in e-governance for e-taxation. The State had also been honoured for the Kanyashree scheme. Now, the scheme of free cycle distribution has received national acknowledgement. 70 lakh cycles have been distributed so far, all through e-governance. The whole process, starting from procurement to the distribution of cycles, is done online. Sabuj Sathi scheme has brought about a social revolution in the State.
On the other hand, the state government started the e-excise project for regulating the sale of alcohol. Procurement and sale of alcohol is completely online. Bar coding system has been introduced. How much alcohol has been sold, what is the stock left with the retailer, all details are stored online. Revenue collection from excise has also increased as a result (from Rs 3,000 crore in 2013-14 to Rs 5,226 crore in 2016-17. The figure will reach Rs 8,700 crore in 2017-18).
Representatives from States like Haryana, Uttar Pradesh, Tripura and Assam have come to Bengal to study the e-excise project, so that it can be implemented in their States also.
After assuming power, Mamata Banerjee had laid a lot of stress on e-governance. E-tendering system was launched in 2012; the finance ministry follows the Integrated Financial Management System. Recently, files have been done away with and e-office system was launched by the government.


সবুজ সাথী, ই-আবগারি পেল জাতীয় ই-গভর্ন্যান্স পুরস্কার

অন্য সব রাজ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় রাজ্য সরকারের সবুজ সাথী প্রকল্প এবং ই-আবগারি প্রজেক্ট জাতীয় ই-গভর্ন্যান্স পুরস্কার ছিনিয়ে নিল। ২৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের ৯৫০টি প্রকল্পের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের এই পুরস্কার প্রাপ্তির কথা চিঠি দিয়ে নবান্নকে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় সরকারের ডিপার্টমেন্ট অব পার্সোনেল ট্রেনিং (ডিওপিটি)। এই পুরস্কারই যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফল্যের মুকুটে আরও একটি পালক, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
২০১৩-১৪ সালে রাজ্য সরকার ই-ট্যাক্সেশনের জন্য জাতীয় ই-গভর্ন্যান্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিল। সেই বছর কন্যাশ্রী প্রকল্পের জন্য সামাজিক ক্ষেত্রে ওই পুরস্কার দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার ছাত্রছাত্রীদের সাইকেল প্রদান অর্থাৎ সবুজ সাথী প্রকল্প সেই সম্মান পেল। এই প্রকল্পের ৭০ লক্ষ ছাত্রছাত্রীকে সাইকেল দেওয়া হয়েছে। সবটাই হয়েছে ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে। সেখানে সাইকেল কেনা থেকে সাইকেল বিলি সবটাই হয় অনলাইনে। সমস্ত হিসেব রাখা হয় কম্পিউটারে। এই সাইকেল বিলি আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে বিপুল পরিবর্তন এনে দিয়েছে। পুরোটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কপ্রসূত।
অন্যদিকে দেশি ও বিদেশি মদ বিক্রির প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ই-আবগারি প্রজেক্ট নেয় অর্থদপ্তর। মদ উৎপাদন বা আমদানি থেকে দোকানের বিক্রি, সবটাই হয় অনলাইনে। চালু হয়েছে বার কোডিং সিস্টেম। এর ফলে ভেজাল মদ নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছে। কোথায় কত মদ বিক্রি হচ্ছে, পাইকারি বিক্রেতার কাছে কত স্টক আছে, তার হিসেব থাকছে কম্পিউটারে। ই-আবগারি প্রজেক্টের অধীনে এক্সাইজ থেকে রাজস্ব আদায়ও অনেটা বেড়ে গিয়েছে। ২০১৩-১৪ আর্থিক বছরে যেখানে এই আদায় ছিল তিন হাজার কোটি টাকা, সেখানে ২০১৬-১৭ আর্থিক বছরে তা বেড়ে হয়েছে ৫২২৬ কোটি টাকা। বর্তমান আর্থিক বছর ২০১৭-১৮ তে তা বেড়ে কমপক্ষে ৮৭০০ কোটি টাকা দাঁড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, ত্রিপুরা ও অসম থেকে অফিসাররা ই-আবগারি সিস্টেম দেখতে এসেছিলেন। তাঁরা এখানকার সিস্টেম তাঁদের রাজ্যে লাগু হবে বলে রাজ্য সরকারের কর্তাব্যক্তিদের জানিয়েছেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ক্ষমতায় আসার পর ই-গভর্ন্যান্সের উপরে জোর দেওয়া হয়। ২০১২ সালে চালু হয় ই-টেন্ডার সিস্টেম। অর্থদপ্তরে চালু হয়েছে ইন্টিগ্রেটেড ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইএফএমএস)।বর্তমানে ফাইল প্রথা তুলে দিয়ে চালু হয়েছে ই-অফিস।

Bengal Govt to distribute e-rickshaws to unemployed rural youths

Bengal Government has taken up a project to distribute e-rickshaws to unemployed youths in rural areas. The State Self Help Groups and Self Employment department has taken up this initiative and will provide assistance through the SVSKP (Swami Vivekananda Swanirbhar Karmasansthan Prakalpa) scheme. The scheme is already used to provide help to unemployed youths. In the first phase, 500 such eco-friendly e-rickshaws will be distributed.
The Government is already in talks with companies that manufacture e-rickshaws. They run on batteries and are eco-friendly. The SHG department is coordinating with the Panchayat department regarding the implementation of this project.
The Minister of the SHG Department said that distribution of e-rickshaws will help boost transport infrastructure in rural areas.


স্বনিযুক্তি প্রকল্পে গ্রামের বেকার যুবকদের ই-রিকশ দেবে রাজ্য

গ্রামের বেকার যুবকদের এবার ই-রিকশ দেবে রাজ্য সরকার। স্বনিযুক্তি প্রকল্প দপ্তরের পক্ষ থেকে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দ স্বনির্ভর কর্মসংস্থান প্রকল্পের অধীনেই এই সহায়তা দেওয়া হবে। এই প্রকল্পে বেকার যুবকদের নানাভাবে সহায়তা দেওয়া হয়। এবার পরিবেশবান্ধব ই-রিকশ দিয়ে তাদের কাজের সুযোগ বাড়াতে চায় রাজ্য সরকার। প্রাথমিকভাবে শুরুতে ৫০০ জনকে ই-রিকশ দেওয়া হবে।
গ্রামীণ এলাকার পুরুষ ও মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তুলতে নানা ধরনের কর্মসূচি বা প্রকল্প নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। স্কুল পড়ুয়াদের সাইকেল প্রদান পুরোমাত্রায় সফল। এর আগে স্বনিযুক্তি প্রকল্পে যুক্ত মহিলাদের ধান সংগ্রহের কাজে নামানো হয়েছে। তাদের জন্য উল্টোডাঙায় শপিং মলও করে দেওয়া হচ্ছে। যার জন্য কেআইটি’র থেকে ১০ কাঠা জায়গা পাওয়া গিয়েছে। সেই জমি কিনে নিয়েছে স্বনিযুক্তি প্রকল্প দপ্তর। এবার ই-রিকশ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তার জন্য যেসব কোম্পানি ই-রিকশ বানায়, তাদের সঙ্গে কথা চলছে। টেন্ডার করেই সেই অর্ডার দেওয়া হবে। তবে ই-রিকশ’র পুরো টাকা রাজ্য সরকার দেবে না। মোট দামের ৩০ শতাংশ দেবে স্বনিযুক্তি প্রকল্প দপ্তর।
ওই দপ্তরের মন্ত্রী বলেন, আমরা স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে নানাভাবে সাহায্য করছি। কারিগরি শিক্ষা দপ্তরের সহযোগিতায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর আড়াই লক্ষ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণের পর তাঁদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। কেউ যদি প্রশিক্ষণ শেষে ব্যবসা করেন, তাহলে তাঁকে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। ছাগল, গোরু, মুরগি পালন করলেও আর্থিকভাবে সাহায্য করা হয়। এবার গ্রামের বেকার যুবকদের ই-রিকশ দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আমাদের দপ্তর ভর্তুকি দেবে। গ্রামীণ এলাকায় রাস্তার হাল এখন অনেক ভালো। ফলে ই-রিকশ যাত্রী পরিবহণে কার্যকর হবে। চালকও লাভবান হবেন।
ই-রিকশ অনেকটা ব্যাটারি চালিত অটো বা টোটোর মতো হবে। পঞ্চায়েত দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই ই-রিকশ দেওয়া হবে। স্বনিযুক্তি প্রকল্প দপ্তরের প্রধান সচিব একইসঙ্গে পঞ্চায়েত দপ্তরেরও প্রধান সচিবের দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে পঞ্চায়েতের নানা কাজে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের এবং গ্রামের যুবদের যুক্ত করা হচ্ছে। সেই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে এবার ই-রিকশ প্রদান করা হচ্ছে। তার পরিকল্পনাও তৈরি হয়ে গিয়েছে।

Bengal is no. 1 in housing scheme: CM Mamata Banerjee

Chief Minister Mamata Banerjee handed over houses constructed as part of the Banglar Bari Scheme to occupants at Netaji Indoor Stadium today. These houses are meant to house the urban poor.

Five lakh people spread over 21 districts are going to be handed over certificates of occupancy.

Mamata Banerjee wants that every citizen of Bengal should have a roof over their heads, and Banglar Bari is a continuation towards that end.

Highlights of her speech:

5 lakh families who do not have pucca houses, have received money for building houses. They will receive Rs 1.2 lakh.

We are aware of the practical problems faced by people in receiving money in instalments. I will request my officials to clear the amount in two instalments only.

Prices of essentials are on the rise. Fuel prices are rising. People are facing a lot of hardship.

We are committed to the welfare of the downtrodden. We are committed to provide a ‘ceiling’ (chhad) on every head.

We have distributed 25 lakh houses under different schemes. We are No. 1 in housing scheme in the country.

Bengal is No. 1 among States in creating rural employment. This is a huge achievement.

We have created 23,000 km rural roads already. 8,000 km roads will be inaugurated on February 13 from Nadia.

Significance of grassroots workers in development work is paramount. Panchayats are our direct link to people.

We have abolished khajna tax on agricultural land. We have given compensation worth Rs 1,200 crore to 30 lakh families who suffered due to floods.

বাড়ি নির্মাণে এক নম্বরে বাংলাঃ মুখ্যমন্ত্রী

আজ রাজ্যজুড়ে গরিব মানুষের বাড়ি তৈরির সার্টিফিকেট তুলে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কর্মসূচীর পোশাকি নাম ‘বাংলার বাড়ি’। রাজ্যের ২১টি জেলার প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষকে বাংলার আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হল।

জঙ্গলমহলের পিছিয়ে পড়া মানুষ বাড়ি বানাতে পাবেন ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। রাজ্যের অন্য অংশের মানুষ পাবেন ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। কী ধরনের বাড়ি হবে, তার নকশা করে দেওয়া হচ্ছে সরকারের তরফে।

পঞ্চায়েত দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমান আর্থিক বছরে ৩ লক্ষ বাড়ি তৈরির লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু তাকে ছাপিয়ে ৫ লক্ষ ৬৮ হাজার মানুষকে বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি চান, সবার মাথায় যেন ছাদ থাকে। গরিব মানুষের আস্তানার অভাব না হয়।

মুখ্যমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে কয়েক জনের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়ার পর জেলায় জেলায় তা দেওয়া হবে। ৩১ মার্চের মধ্যে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করতে চায় রাজ্য সরকার।

তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশঃ

আজ বাংলা আবাস যোজনা অনুষ্ঠানে ৫ লক্ষ পরিবারকে – যাদের মাটির বাড়ি অথবা বাড়ি নেই – বাড়ি দেওয়া হল। পাকা বাড়ি তৈরী করতে ১.২ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে।

আমাদের বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়, বাস্তব কিছু সমস্যা আছে। আমি অফিসারদের অনুরোধ করব মানুষের সুবিধার জন্য এই টাকাটা ২ কিস্তিতে দেওয়ার জন্য।

প্রতিদিন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ছে। রান্নার গ্যাস, পেট্রোল-ডিজেল সব কিছুর দাম বাড়ছে।

অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং তার মাথার ওপর একটা ছাদ অর্থাৎ একটা আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে সে সভ্য সমাজে মানবিকভাবে বাঁচতে পারে।

আমরা ৬ বছরে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ২৫ লক্ষ বাড়ি নির্মাণ করেছি গরীব মানুষদের দেওয়ার জন্য। বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে সারা ভারতের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ প্রথম স্থানে।

১০০ দিনের কাজে সারা ভারতবর্ষের মধ্যে বাংলা ১ নম্বরে। এটা একটা বড় কাজ।

ইতিমধ্যেই গ্রামাঞ্চলে ২৩ হাজার কিমি রাস্তা করে দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৩ তারিখ নদিয়া থেকে আরও ৮ হাজার কিমি রাস্তা-র উদ্বোধন করা হবে।

নিচু তলার মানুষের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। গ্রামাঞ্চলে পঞ্চায়েতই হল জনসংযোগের সবচেয়ে বড় জায়গা।

আমরা কৃষিজমির খাজনা মুকুব করে দিয়েছি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ লক্ষ পরিবারকে ১২০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে রাজ্য সরকার।


Bengal’s Khadya Sathi scheme earns high praise from the Centre

The Centre has appreciated the fact that the Bengal Government provides fortified atta, or dough (by adding vitamins) to its populace at no extra cost to them, under the Khadya Sathi Scheme.

This was recently stated by the Union Health Minister at a recent meeting with the health minister and the health secretaries of the states and union territories in New Delhi.

For enriching the atta with vitamins, the State Government undertakes an additional expenditure of Rs 1.5 per kg. Yet it provides this enriched atta to the people at the same Rs 2 per kg, the subsidised price for just plain wheat.

Thus, by not charging any additional amount, the State Government provides its citizens an annual subsidy of Rs 65 crore for this vitamin-enriched atta.

It must be mentioned here that the state converts the wheat it gets under the Central Food Security Act into atta at its own cost too.


ভর্তুকি দিয়ে রাজ্যে ২ টাকা কেজি আটা, মুখ্যমন্ত্রীকে বাহবা দিল কেন্দ্র

গণবণ্টন ব্যবস্থায় ‘ভিটামিনযুক্ত আটা’ দেওয়ার জন্য রাজ্যবাসীর কাছ থেকে কোনও বাড়তি পয়সা নেয় না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। উলটে প্রায় ৬৫ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষার অধীনে কেন্দ্র দু’টাকা কিলো দরে গম দেয়। কিন্তু সেই গম থেকে আটা তৈরি এবং তার পুষ্টিগুণ বাড়াতে ভিটামিন যুক্ত করার জন্য প্রতি কেজিতে দেড় টাকা অতিরিক্ত খরচ হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও রাজ্য গ্রাহকের কাছ থেকে কোনও বাড়তি পয়সা নেয় না। কেন্দ্রের থেকেও অতিরিক্ত সহায়তা চায় না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করল কেন্দ্র।

রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং সচিবদের নিয়ে এক বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানালেন, খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। অন্য রাজ্যগুলিও যাতে এরকম উদ্যোগ নেয়, তার জন্য বলব।

জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন মোতাবেক ২ টাকা কেজি দরে গম এবং ৩ টাকা কেজি দরে চাল দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এরপরেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যবাসীকে সস্তায় চাল, আটা দিতে ভর্তুকি দেন। প্রতি কিলো চালে এক টাকা করে ভরতুকি দেয় রাজ্য। তাই চালও মেলে দু’ টাকা দরে।

একইসঙ্গে কেন্দ্র গম দিলেও গ্রামীণ এলাকায় তা ভিটামিন যুক্ত আটায় পরিণত করে রাজ্য। একাজে সরকারের ৬৪ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা খরচ হয়। অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনার গ্রাহকরা এই আটা পান। মমতার সরকারের এই উদ্যোগই দিল্লিতে প্রশংসিত হয়েছে। পাশাপাশি ‘প্রায়োরিটি হাউসহোল্ডে’র ক্ষেত্রে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা যোজনায় সাড়ে তিন টাকা কেজি দরে আটা দেওয়া হয়।

Source: Bartaman

Bengal Govt redeveloping Milan Mela to make it of international standards

The State Government has taken up a project for the redevelopment of the Milan Mela fairground at a cost of Rs 200 crore. Milan Mela is Bengal’s premier spot for holding all types of fairs.

The work would be done by the West Bengal Industrial Development Corporation, which is responsible for the upkeep of the space. It would take around 18 months for the work to complete.

According to the new design conceived, Milan Mela would have six auditoriums, of which two would be very large, being able to hold 2,000 to 2,500 people. There will be four conference halls, an open-air auditorium, two indoor exhibition halls, one open-space exhibition hall, an administrative building, a food park and cafeteria.

Currently the Milan Mela campus is spread over 25 acres. There is a further 5-acre space outside it. These two are going to be combined to redevelop Milan Mela.

After the highly successful hosting of the FIFA Under-17 World Cup, Kolkata is increasingly being seen as a capable and attractive venue for hosting national-level and international meetings and conferences, and major sporting tournaments. The redeveloped Milan Mela is going to be a major addition to that capability.

মিলনমেলার চেহারা বদলে ফেলা হবে ২০০ কোটিতে

সব ধরনের মেলার জন্য নির্ধারিত ই এম বাইপাসের ধারে মিলনমেলা প্রাঙ্গণের চেহারা বদলে ফেলার পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। এ জন্য খরচ ধরা হয়েছে ২০০ কোটি টাকা।
রাজ্য শিল্পোন্নয়ন নিগম ওই টাকা খরচ করে মেলাপ্রাঙ্গণের আমূল পরিবর্তন করতে চলেছে। এই কাজের জন্য সময় নেওয়া হয়েছে ১৮ মাস। তার জন্য হাতে কিছুটা সময় রেখে আগামী দু’বছর মিলনমেলা প্রাঙ্গণে কোনও অনুষ্ঠান করা যাবে না বলে নিগমের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান, মেলা করার আদর্শ জায়গা হিসাবে মিলনমেলা প্রাঙ্গণেও থাকুক আধুনিকতার ছোঁয়া। সেখানে সবরকমের মেলা করার জন্য সমস্ত রকম আধুনিক পরিকাঠামো যেন থাকে। বর্তমানে সেখানে যে হ্যাঙ্গারগুলি রয়েছে, সেগুলিতে ৫০০-৭০০ মানুষ বসতে পারে। এর বেশি সংখ্যক মানুষ বসার জন্য অস্থায়ী অডিটোরিয়াম তৈরি করতে হয়। এবার স্থায়ী কাঠামো তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জেএলএল নামে বিশেষজ্ঞ সংস্থা মিলনমেলা প্রাঙ্গণের ডিজাইন করেছে।
নিগম সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই ডিজাইন অনুযায়ী, ছ’টি অডিটোরিয়াম থাকবে। তার মধ্যে দু’টিতে দু’থেকে আড়াই হাজার মানুষ একসঙ্গে বসতে পারবেন। এছাড়াও থাকবে চারটি কনফারেন্স হল। থাকবে ওপেন স্পেস অডিটোডিয়াম। দু’টি এগজিবিশন হল। একটি ওপেন স্পেস এগজিবিশন তৈরি হবে। সেখানে নানা ধরনের প্রদর্শনীর সুযোগ থাকবে। হবে ফুডপার্ক ও কাফেটোরিয়া। এছাড়াও থাকবে একটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বিল্ডিং। বর্তমানে একটি আছে। সেটিকে বদলে দেওয়া হবে।
যেভাবে নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টার তৈরি হয়েছে, ঠিক সেই রকম বিশ্বমানের মেলাপ্রাঙ্গণ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এককথায় তা হবে দর্শনীয়।

Source: Bartaman