Sabuj Sathi – Symbol of empowerment of students in Bengal

During one of her district tours in 2015, a young boy had asked West Bengal Chief Mamata Banerjee: “I study in school; you have started the Kanyashree scholarship for girls, why is there no scheme for boys?”

This had planted a seed in her head. The thought has at last led to a happy conclusion: ‘Sabuj Sathi’ – a project wherein students of classes IX to XII are given bicycles by the State Government.

This beautiful name for the project came to the Chief Minister’s mind while on her way from Darjeeling to Bagdogra Airport. The rain-drenched sylvan mountains piqued her creativity; she began penning poems for children. Thus was born the name ‘Sabuj Sathi’ – ‘Sabuj’, the word for ‘green’ or environment-friendly and ‘Sathi’ means ‘companion’, hence ‘Sabuj Sathi’ or ‘environemnt-friendly companion.’

The Chief Minister has created the logo for the project as well. It consists of a young boy running, with two spinning bicycle wheels alongside his legs. 70 lakh cycles have been distributed so far. The scheme also bagged an award for e-governance from the Centre.

For more details, visit the website for the scheme.

World Bicycle Day being observed in Kolkata

Housing Infrastructure Development Corporation (HIDCO) is observing the first-ever World Bicycle Day in Newtown today. The United Nations has declared June 3 as World Bicycle Day this year and it will be celebrated globally.

In Newtown, the celebration is more significant as it is the only place in India where the Cycle Sharing Scheme has been introduced and it has become extremely popular.

Housing and Urban Development Corporation (HUDCO) under the ministry of Housing and Urban Affairs had awarded the scheme introduced by New Town Kolkata Development Authority (NKDA) in the Urban Transport category at a function in New Delhi in April.

To mark today’s occasion, cycles have been kept in front of the golf course off Eco Park to be used by the enthusiasts. The ride is free and cycle lovers can take a ride to popularise cycling. Eco Park has a special zone where people come and do cycling and duo cycling as well and it is extremely popular among visitors.

New Town has graded cycle paths and the Cycle Sharing Scheme is becoming popular.


Image source: Twitter

Their target is Bengal, our target is Red Fort: Mamata Banerjee in Purulia

Chief Minister Mamata Banerjee today inaugurated a slew of projects for Purulia district during a public programme. She also laid the foundation stones of several projects.

Among the projects inaugurated were renovation of health centres, anganwadi centres, new roads, tube wells, irrigation projects, Resham Bhavan among others.

Foundation stones were laid for godowns, Karma Tirtha, administrative buildings, high mast lamps etc.
Besides these, Mamata Banerjee distributed the benefits of schemes like Kanyashree, Sabuj Sathi, Samaj Sathi, Gatidhara etc. She also distributed soil health cards, land pattas, power tillers and other equipment.

Highlights of her speech:

This is my second meeting in Purulia district in three months. Earlier, the ministers hardly visited these districts. Today, I conducted my 396th administrative review meeting at block level.

We have given recognition to many languages including Kurmali, Kuruk, Ol Chiki.

Those who have no work are spreading baseless rumours. Our work is to serve the people.

45 lakh Kanyashree girls are our pride. They will make Bengal proud in future. University students will receive Kanyashree scholarships from now on (Rs 2,000 for arts and Rs 2,500 for science).

We have distributed 70 lakh cycles to students. 57 lakh SC/ST students and 1.71 crore minority students have received scholarships. Nearly 2 lakh folk artistes receive monthly stipend.

We have waived off khajna tax on agricultural land. We have done away with mutation fees on agricultural land.

We provide rice at Rs 2/kg to people. For this we give subsidy worth crores.

Healthcare is free in Bengal. Medicines, blood tests are free here.

Bengal never bowed her head before anyone. Bengal always leads the way. Let them catch up with us and then talk.

It is a crime to pit people against each other. Inciting religious riots, creating divisions is unacceptable.

Bengal never allows the politics of riots. We want people to prosper.

Some people say their target is Bangla (Bengal). We say our target is ‘Lal Kella’ (Red Fort). Chalo Dilli Chalo.

Bengal will lead the way, taking everyone along.

We have started a new scheme called ‘Ruposhree’. We will provide financial aid to families with income less than Rs 1.5 lakh to assist them in their daughter’s wedding.

There was a time when one could see only tears in the eyes of the people in Purulia. Now, people are smiling.


ওদের টার্গেট বাংলা, আমাদের টার্গেট লাল কেল্লা: পুরুলিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ পুরুলিয়া জেলার শিমুলিয়াতে পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাসও করেন।

মুখ্যমন্ত্রী যে সকল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন, তার কয়েকটি হল, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সংস্কার, আঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, নতুন রাস্তা, নলকূপ প্রকল্প, নদী সেচ প্রকল্প, রেশম ভবন ইত্যাদি।

তিনি যে সকল প্রকল্পের শিলান্যাস করেন, তার কয়েকটি হল, গুদাম ঘর, কর্মতীর্থ, প্রশাসনিক ভবন, আলোক স্তম্ভ ইত্যাদি।

এছাড়াও তিনি কন্যাশ্রী, সবুজশ্রী, শিক্ষাশ্রী, সবুজসাথী, সমাজসাথী, গতিধারা, পাট্টা, সয়েল হেলথ কার্ড, পাওয়ার টিলারইত্যাদি পরিষেবা প্রদান করেন।

তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশঃ-

তিন মাসে পুরুলিয়ায় এটা আমার দ্বিতীয় বৈঠক। আগে কোন মন্ত্রীকে এখানে দেখা যেত না। আজকের এই প্রশাসনিক বৈঠক নিয়ে সব মিলিয়ে আমি ৩৫৬ টি বৈঠক করলাম।

কুর্মালি, কুরুক, অল চিকি সহ অনেক ভাষাকে আমরা স্বীকৃতি দিয়েছি।

যারা কোন কাজ করে না তারা শুধু রটিয়ে বেড়ায় আর টাকা তুলে বিবৃতি দেয়। আর আমাদের কাজ মানুষের সেবা করা।

আমাদের ৪৫ লক্ষ কন্যাশ্রীর মেয়েদের জন্য আমরা গর্বিত। তারা এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার জন্যও স্কলারশিপ পাবে।

আমরা ৭০ লক্ষ সবুজ সাথী সাইকেল দিয়েছি। ৫৭ লক্ষ SC/ST ছাত্রছাত্রী ও ১.৭১ কোটি সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ২ লক্ষ লোকশিল্পীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

আমরা কৃষিজমির খাজনা মুকুব করে দিয়েছি। কৃষকদের কৃষিজমির জন্য আর মিউটেশন ফি দিতে হয় না।

শুধুমাত্র বাংলায় আমাদের সরকার ২ টাকা কেজি দরে চাল দিচ্ছে। আমরা কয়েক হাজার কোটি টাকা সাবসিডি দিচ্ছি।

একমাত্র বাংলায় বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ওষুধপত্র, রক্ত পরীক্ষা বিনামূল্যে হয়।

বাংলা কখনো কারো কাছে মাথা নত করেনি। বাংলা মানুষকে পথ দেখায়। আগে করে দেখাও তারপর বাংলার দিকে তাকাও।

মানুষকে গড়ে তোলা আমাদের কাজ, দাঙ্গা লাগানো আমাদের কাজ নয়। কেউ তা করার চেষ্টা করলে তা অপরাধ।

বাংলা কখনো দাঙ্গার রাজনীতি বরদাস্ত করে না। আমরা চাই মানুষ ভালো থাকুক।

কেউ কেউ বলে ওদের টার্গেট বাংলা। আমরা বলি, আমাদের টার্গেট দিল্লির ‘লাল কেল্লা’। চলো দিল্লি চলো।

আগামীদিনে বাংলাই সবাইকে পথ দেখাবে। আগামীদিনে বাংলা বিশ্ব জয় করবে, বাংলা যা পারে আর কেউ তা পারে না।

মেয়েদের জন্য আমরা একটি নতুন প্রকল্প চালু করেছি যার নাম ‘রূপশ্রী’। যাদের পরিবারের আয় দেড় লক্ষ টাকা তাদের মেয়েদের বিয়ের জন্য ২৫ হাজার টাকা দেবে সরকার।

আগে একটা সময় ছিল যখন পুরুলিয়ায় এসে আমি মানুষের চোখে শুধু জল দেখতে পেতাম, আর এখন এখানকার মানুষ হাসছে, এতেই আমি খুশি।

Bengal bags e-governance award for Sabuj Sathi, excise

Another feather has been added to Mamata Banerjee’s hat. Bengal’s Sabuj Sathi scheme and e-excise project have received the national award in e-governance. These projects were adjudged the best among 950 projects from 28 States. Union Department of Personnel Training wrote to the Bengal Government about these awards.
In 2013-14, Bengal had won the national award in e-governance for e-taxation. The State had also been honoured for the Kanyashree scheme. Now, the scheme of free cycle distribution has received national acknowledgement. 70 lakh cycles have been distributed so far, all through e-governance. The whole process, starting from procurement to the distribution of cycles, is done online. Sabuj Sathi scheme has brought about a social revolution in the State.
On the other hand, the state government started the e-excise project for regulating the sale of alcohol. Procurement and sale of alcohol is completely online. Bar coding system has been introduced. How much alcohol has been sold, what is the stock left with the retailer, all details are stored online. Revenue collection from excise has also increased as a result (from Rs 3,000 crore in 2013-14 to Rs 5,226 crore in 2016-17. The figure will reach Rs 8,700 crore in 2017-18).
Representatives from States like Haryana, Uttar Pradesh, Tripura and Assam have come to Bengal to study the e-excise project, so that it can be implemented in their States also.
After assuming power, Mamata Banerjee had laid a lot of stress on e-governance. E-tendering system was launched in 2012; the finance ministry follows the Integrated Financial Management System. Recently, files have been done away with and e-office system was launched by the government.


সবুজ সাথী, ই-আবগারি পেল জাতীয় ই-গভর্ন্যান্স পুরস্কার

অন্য সব রাজ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় রাজ্য সরকারের সবুজ সাথী প্রকল্প এবং ই-আবগারি প্রজেক্ট জাতীয় ই-গভর্ন্যান্স পুরস্কার ছিনিয়ে নিল। ২৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের ৯৫০টি প্রকল্পের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের এই পুরস্কার প্রাপ্তির কথা চিঠি দিয়ে নবান্নকে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় সরকারের ডিপার্টমেন্ট অব পার্সোনেল ট্রেনিং (ডিওপিটি)। এই পুরস্কারই যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফল্যের মুকুটে আরও একটি পালক, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
২০১৩-১৪ সালে রাজ্য সরকার ই-ট্যাক্সেশনের জন্য জাতীয় ই-গভর্ন্যান্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিল। সেই বছর কন্যাশ্রী প্রকল্পের জন্য সামাজিক ক্ষেত্রে ওই পুরস্কার দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার ছাত্রছাত্রীদের সাইকেল প্রদান অর্থাৎ সবুজ সাথী প্রকল্প সেই সম্মান পেল। এই প্রকল্পের ৭০ লক্ষ ছাত্রছাত্রীকে সাইকেল দেওয়া হয়েছে। সবটাই হয়েছে ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে। সেখানে সাইকেল কেনা থেকে সাইকেল বিলি সবটাই হয় অনলাইনে। সমস্ত হিসেব রাখা হয় কম্পিউটারে। এই সাইকেল বিলি আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে বিপুল পরিবর্তন এনে দিয়েছে। পুরোটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কপ্রসূত।
অন্যদিকে দেশি ও বিদেশি মদ বিক্রির প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ই-আবগারি প্রজেক্ট নেয় অর্থদপ্তর। মদ উৎপাদন বা আমদানি থেকে দোকানের বিক্রি, সবটাই হয় অনলাইনে। চালু হয়েছে বার কোডিং সিস্টেম। এর ফলে ভেজাল মদ নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছে। কোথায় কত মদ বিক্রি হচ্ছে, পাইকারি বিক্রেতার কাছে কত স্টক আছে, তার হিসেব থাকছে কম্পিউটারে। ই-আবগারি প্রজেক্টের অধীনে এক্সাইজ থেকে রাজস্ব আদায়ও অনেটা বেড়ে গিয়েছে। ২০১৩-১৪ আর্থিক বছরে যেখানে এই আদায় ছিল তিন হাজার কোটি টাকা, সেখানে ২০১৬-১৭ আর্থিক বছরে তা বেড়ে হয়েছে ৫২২৬ কোটি টাকা। বর্তমান আর্থিক বছর ২০১৭-১৮ তে তা বেড়ে কমপক্ষে ৮৭০০ কোটি টাকা দাঁড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, ত্রিপুরা ও অসম থেকে অফিসাররা ই-আবগারি সিস্টেম দেখতে এসেছিলেন। তাঁরা এখানকার সিস্টেম তাঁদের রাজ্যে লাগু হবে বলে রাজ্য সরকারের কর্তাব্যক্তিদের জানিয়েছেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ক্ষমতায় আসার পর ই-গভর্ন্যান্সের উপরে জোর দেওয়া হয়। ২০১২ সালে চালু হয় ই-টেন্ডার সিস্টেম। অর্থদপ্তরে চালু হয়েছে ইন্টিগ্রেটেড ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইএফএমএস)।বর্তমানে ফাইল প্রথা তুলে দিয়ে চালু হয়েছে ই-অফিস।