Latest News

November 8, 2017

#Nov8BlackDay 10 things Mamata Banerjee said about demonetisation

#Nov8BlackDay 10 things Mamata Banerjee said about demonetisation

The disastrous measure of demonetisation that the Central Government promulgated on November 8, 2016 knocked the Indian economy unconscious. Getting back on its feet has been a herculean task. Many people lost their lives, and lakhs lost their jobs. Businesses in both the formal and informal sectors have been devastated.

Chief Minister and Trinamool Congress Chairperson Mamata Banerjee conducted protests against demonetisation across the country. Through her speeches and social media posts, she has proved that demonetisation was a huge scam by the BJP to hoodwink the people of the country, and serve its own interests. In fact, in a sign of her far-sightedness, she was the first political leader to speak out publicly against demonetisation, within an hour of the Prime Minister’s November 8 speech declaring the Centre’s decision.

The purported aim of demonetisation, of recovering black money, has been proved to be an empty boast. The Reserved Bank of India (RBI) has stated that 99 per cent of the demonetised Rs 500 and Rs 1,000 currency notes, which formed an overwhelming 86 per cent of the paper currency on circulation, has come back into the economy, yet no black money has been traced.

Here are 10 major points that Mamata Banerjee has made against demonetisation:

1. While we are strongly against black money and corruption, we are deeply concerned about the common people, the small traders. How will they buy essentials tomorrow? This is financial chaos, disaster let loose on the common people of India. He (the Prime Minister) could not get back the promised black money from abroad, hence so much drama.

2. We want to know from the Prime Minister how our poorest brothers and sisters, who’ve received their week’s hard-earned wages in one Rs 500 notes, will buy atta, rice, etc. tomorrow. This is a heartless and ill-conceived blow to the common people, middle class, agricultural cooperatives, tea garden workers, unorganised labour sector, shopkeepers, farmers and small businesses. All will suffer. There will be deaths due to starvation.

3. Trinamool means ‘grassroots’. Trinamool Congress is the voice of the people. More than 150 people have died. Lives have been ruined irrespective of caste, community and creed. This is not merely an inconvenience, this is the killing of the economy.

4. During a year, the three months from December to February are the most productive time for construction and development projects. Now everything is shut, progress is halted. The tea garden and jute mill workers are not receiving their salaries and are in distress. The transport sector has been hit.

5. The Centre has given exemption from demonetisation to all its sectors – railways, transport, petroleum – but the State Government-controlled agricultural cooperatives have not been permitted to exchange currency. This is not federalism; states have shut down.

6. Trinamool Congress raised the issue of black money in Parliament in 1998. Trinamool MPs staged a demonstration against black money both inside and outside Parliament in 2014. What is the Government doing about electoral reforms? We have been raising the issue of electoral reforms for two decades. Eighty per cent of donations received by parties are from ‘unknown sources’.

7. Demonetisation is a big black scandal. People are suffering. This is a grim situation. We have offered concrete suggestions. One of the suggestions offered is to allow old and new Rs 500 currency notes to function parallelly. If you had to keep demonetisation a secret, what prevented you from printing more Rs 100 notes and other smaller denominations?

8. Four out of five villages in India do not have a bank. We all want to have a cashless society. But 95 per cent of debit cards in India are not used to buy anything, only to withdraw cash. One minister may want to buy his vegetables and do his laundry with plastic, but not everybody can.

9. It is not that everyone who is opposing the government’s policy is supporting black money, is corrupt or anti-national. The Prime Minister thinks that he alone is the messiah and all of us are devils. We strongly oppose the Central Government because the poor are suffering and the economy is being killed off.

10. Try as you may, through your agencies, to hassle and harass us, it will embolden only our conviction to fight. You may even try to jail us, but that will only make our movement stronger because we are fighting for the people. This is not a political movement. This is a people’s movement.


এক বছর আগে নোট বাতিল সম্বন্ধে কি বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী – জেনে নিনঃ

কেন্দ্রীয় সরকারের স্বৈরাচারী, অমানবিক, অপরিকল্পিত নোটবাতিলের সিদ্ধান্তের বর্ষপূর্তি আজ। এর ফলে বিধ্বস্ত হয়েছে দেশের অর্থনীতি, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাধারন মানুষ। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে প্রাণ হারিয়েছেন শতাধিক দেশবাসী। কেন্দ্রের দাবি ছিল, কালো টাকা উদ্ধারের জন্যই এই সিদ্ধান্ত, কিন্তু, দেশের অর্থনীতিতে ফিরে এসেছে বাতিল হওয়া নোটের ৯৯ শতাংশ, হদিস মেলেনি কালো টাকার।

২০১৬–র ৮ নভেম্বর নোটবাতিলের এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে প্রথম প্রতিক্রিয়া দিয়ে দেশের মধ্যে প্রথম এর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নোট বাতিল নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১০টি প্রতিক্রিয়াঃ-

১. আমরা কালো টাকার বিরুদ্ধে, কিন্তু সাধারণ মানুষ, ছোট ব্যবসায়ীদের ব্যাপারেও চিন্তিত। কাল মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্র কিনবে কি করে? এটা অর্থনৈতিক অরাজকতা। বিদেশ থেকে কালো টাকা ফেরত আনতে না পেরে এখন প্রধানমন্ত্রী প্রহসন করছেন।

২. আমাদের দরিদ্র, খেটে খাওয়া ভাই ও বোনেরা, যারা ৫০০ টাকার নোটে মাইনে পান, তারা কাল বাজারহাট কিভাবে করবেন? এই নিষ্ঠুর সিদ্ধান্তের কারণে সাধারণ মানুষ, মধ্যবিত্ত, কৃষি–সমবায়, চা বাগান কর্মী, জুট মিল কর্মী, অসংগঠিত শ্রমিক, দোকানের মালিক, ছোট ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। অনাহারে মৃত্যু হবে।

৩. তৃণমূল মানে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর। ৭০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের জীবন জর্জরিত। এটা শুধুমাত্র সাময়িক অসুবিধা নয়, অর্থনীতিকে শেষ করে দিচ্ছে এই সিদ্ধান্ত।

৪. সারা বছরের মধ্যে এই তিন মাস (ডিসেম্বর – ফেব্রুয়ারী) সব থেকে উত্পাদন ভালো হয় সে নির্মাণ কাজ হোক বা উন্নয়নমূলক কাজ। কোনো কাজ হচ্ছে না, সব বন্ধ হয়ে গেছে। চা বাগান কর্মী, জুট মিল কর্মীরা বেতন পাচ্ছেন না, তারা খুবই কষ্টে আছেন।

৫. রেল, পরিবহণ, পেট্রোলিয়াম সব ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু রাজ্যের কৃষি সমবায়কে কোন ছাড় দেওয়া হয়নি। এটা যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর পরিপন্থী। রাজ্যগুলি ভুক্তভোগি।

৬. ১৯৯৮ সালে সংসদে তৃণমূল কংগ্রেস কালো টাকার বিষয়টি উত্থাপন করেছিল। ২০১৪ সালে আবারও সংসদের উভয়কক্ষে কালোটাকার বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদরা। নির্বাচনী সংস্কার নিয়ে কি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার? তৃণমূল দুই দশক ধরে এই নির্বাচনী সংস্কারের বিষয়টি উত্থাপন করে আসছে। দলগুলি দ্বারা গৃহীত অনুদানের ৮০ শতাংশ টাকার উৎস ‘অজানা’।

৭. বিমুদ্রাকরণ এখন এখন একটি (বিগ ব্ল্যাক স্ক্যান্ডাল) বড় কেলেঙ্কারি। এর ফলে দেশে জরুরী অবস্থা তৈরি হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত চরম আঘাত হিসেবে নেমে এসেছে সাধারণ মানুষের ওপর। আমাদের কিছু কংক্রিট পরামর্শ আছে। প্রথমত, পুরনো ও নতুন ৫০০ টাকার নোট সমানভাবে চালু রাখা উচিত। আপনাদের যদি এই নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত গোপন রাখার ছিল তাহলে সরকার কেন প্রচুর পরিমাণে ১০০ টাকার নোট ছাপায়নি?

৮. ভারতবর্ষের প্রত্যেক পাঁচটি গ্রামের মধ্যে চারটিতে ব্যাঙ্ক নেই। আমরা সকলে cashless সমাজ চাই। কিন্তু ভারতে ৯৫ শতাংশ ডেবিট কার্ড কিছু কিনতে ব্যবহার করা হয় না, শুধুমাত্র টাকা তুলতে ব্যবহার করা হয়। একজন মন্ত্রী চাইলে কার্ড ব্যবহার করে তাঁর প্রয়োজনীয় জিনিস (যেমন–সবজি, ফল) কিনতে পারেন কিন্তু সকলের পক্ষে তা সম্ভব নয়।

৯. যিনি প্রধানমন্ত্রীর নীতির বিরোধিতা করবে, তিনিই কালো টাকার সমর্থক বা দেশদ্রোহী নন। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন ‘তিনি একাই মসিহা আর আমরা সবাই খারাপ লোক?’ আমরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছি কারণ সাধারণ মানুষ চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

১০. যতইচ্ছে চেষ্টা করুন, যত খুশি এজেন্সিগুলি দিয়ে হয়রান করুন আমরা পিছু হঠব না। এমনকি আপনারা চাইলে মমতা দি কে জেলেও পাঠাতে পারেন কিন্তু তাতে আমাদের প্রতিবাদ থেমে যাবে না। কারণ আমরা সাধারণ মানুষের জন্য লড়াই করি। এটা কোন রাজনৈতিক লড়াই নয়, এটা মানুষের লড়াই।