Latest News

November 24, 2017

Bengal Govt setting up system for alerts before lightning strikes

Bengal Govt setting up system for alerts before lightning strikes

The State Government has decided to develop a state-of-the-art technology to predict lightning and to alert people at least one-and-a-half-hours ahead of its striking time at a particular location.

Bengal sees around 100 deaths per year due to lightning, and five to six people die on days when there is heavy lightning, according to a senior official at the state secretariat, Nabanna.

As per the planning, a network of eight gadgets will be installed in different parts of the state to collect information. Immediately after the prediction of lightning, the information will reach the central control room of the State Disaster Management Department at Nabanna.

The information will then be relayed to the concerned officials, starting from those in the districts to the top brass at the state secretariat and to the people’s representatives at the grassroots level.

The official gave an example: say, information is received about lightning occurring at a particular place; school children can then be asked to leave a bit early or to stay back to avoid accidents, and farmers can be asked to take shelter.

The entire project is expected to be completed before the monsoon sets in next year. The cost of running the system will be around Rs 45 lakh every year.

It may be mentioned that the State Government has taken several measures to ensure the safety of people during any natural calamity. Moreover, it is ensured that an affected person gets compensation within just seven days.

Source: Millennium Post

বাজ পড়ার আগেই সতর্কতা জারির ব্যবস্থা করছে রাজ্য সরকার

বাজ পড়ার আগেই সতর্কবার্তা জারি করার ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বাজ পড়ার অন্তত এক থেকে দেড় ঘণ্টা আগে নির্দিষ্ট জায়গায় সতর্কতা জারি করতে পারবে সরকার।

এই প্রযুক্তিতে রাজ্যের আটটি জায়গায় গেজেট বসিয়ে তৈরী হবে একটি নেটওয়ার্ক, যা তথ্য সংগ্রহ করবে। বাজ পড়ার পূর্বাভাষের পরেই এই তথ্য পৌঁছবে রাজ্য বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা দপ্তরের সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমে। এরপর এই তথ্য বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

এই পদ্ধতিতে বাজ পড়ার পূর্বাভাষ পাওয়া গেলে নানা রকম সুবিধে হতে পারে। যেমন, স্কুলপড়ুয়াদের নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ছুটি দিয়ে দেওয়া হবে কিংবা ছুটির পরও সুরক্ষার খাতিরে স্কুলে থাকতে বলা হতে পারে। পাশাপাশি, যে কৃষকরা খোলা আকাশের নীচে কাজ করেন, তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে যাওয়া হতে পারে।

পুরো প্রকল্পটি আগামী বছর বর্ষার আগেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। এই প্রকল্পটির রূপায়ণ করতে খরচ হবে আনুমানিক ৪৫ লক্ষ টাকা।