Latest News

July 12, 2016

Centre of excellence for sal products to come up in Jangalmahal

Centre of excellence for sal products to come up in Jangalmahal
West Bengal Chief Mamata Banerjee wants to make use of traditional handicrafts to conserve the forests of Jangalmahal. In an effort towards that, the West Bengal Khadi and Village Industries Board (WBKVIB), under the Department of Micro, Small and Medium Enterprises (MSME), is setting up a centre of excellence for manufacturing, providing training for making, and researching on, products from sal leaves, including cups and plates.
 The Jangalmahal region has huge forests of sal trees, and this centre would help in the protecting of these forests by making the earning of a sustainable livelihood from them a viable option. The centre is to be located in Jhargram. The decision was taken by the Chief Minister at the first administrative review meeting, held in Jhargram, post her massive victory in the Assembly election.
 A lot of individuals and self-help groups in Jhargram, Nayagram, Gopiballavpur, Sankrail, Binpur, Lalgarh and other places are already engaged in making things out of sal leaves for a living. Just in Jhargram, 8,000 self-help groups (SHG) and 39 units under WBKVIB, all manned by Adivasi and other disadvantaged groups, produce sal produts.
 The idea behind this centre is to encourage more people to engage in this eco-friendly activity, through training and through finding out more innovative uses through research for the leaves. The products being made from sal leaves now include plates, cups and bowls, and a type of raincoat, called ‘pekho’ locally. Earlier such products were made by attaching the leaves with small sticks. Now the leaves are stitched (in the case of plates) and moulded (in the cases of bowls and glasses) in machines.

জঙ্গলমহলে শালপাতার উ९কর্ষ কেন্দ্র তৈরি করতে উদ্যোগী রাজ্য

জঙ্গলমহলে বনানী রক্ষায় ঐতিহ্যপূর্ণ কারুশিল্পকে হাতিয়ার করতে চান মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লক্ষ্যে ঝাড়গ্রামে শালপাতার উ९কর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলার অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ খাদি উন্নয়ন পর্ষদ এই উ९কর্ষ কেন্দ্রটি গড়ে তুলবে।  থালা-বাটি তৈরি ছাড়াও শালের বহুমুখী ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ ও গবেষণার কাজ হবে এই উ९কর্ষ কেন্দ্রে।

জঙ্গলমহলে নিত্যদিনই শাল গাছের সংখ্যা কমছে। শাল গাছ নিধন থামাতে ঝাড়গ্রাম শহরে প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকেই এই উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ঝাড়গ্রাম, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, সাঁকরাইল, বিনপুর, লালগড়ের বহু মানুষ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর লোকেরা জীবনধারণের জন্য শালপাতা নিয়ে কাজ করছে।এই মুহূর্তে ঝাড়গ্রাম জুড়ে ৮০০০ স্বনির্ভর গোষ্ঠী শাল্পাতা নিয়ে কাজ করছে। খাদি গ্রামোদ্যোগের সাহাজ্যেও আদিবাসী পরিচালিত ৩৯টি গোষ্ঠী এখানে শালপাতা নিয়ে কাজ করছে।

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব এই শিল্পকে এক নতুন মাত্রা দেওয়া এবং এই ব্যাপারে মানুষকে আরও উ९সাহ দেওয়া এই কেন্দ্রের লক্ষ্য। থালাবাটি তৈরি ছাড়াও শালের বহুমুখী ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ, গবেষণার কাজ হবে এই উ९কর্ষ কেন্দ্রে। বাটি-গ্লাস তৈরির জন্য মোল্ডিং মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্ষায় পরিবেশ বান্ধব রেইনকোট, গ্রাম্য ভাষায় ‘পেখো’-ও তৈরি হচ্ছে।  আগে কাঠি দিয়ে পাতা জুড়ে থালা তৈরি হত। এখন পাতা সেলাই করে ও মেশিনে মোল্ড করে তৈরি হয়।