Rabindranath Tagore is timeless: Mamata Banerjee

Today is 25se Boishakh – the 157th birth anniversary of Rabindranath Tagore. The day is being observed across the State with full fervour.

A cultural programme was organised by the State Information and Culture Department today at Rabindra Sadan. Titled ‘Kobi Pronam’, the function was inaugurated by the Chief Minister.

Highlights of the CM’s speech:

It is impossible to discuss patriotism, education, culture, environment, love, separation or any other subject with a reference to Rabindranath. He was ‘Bishwa Kobi’ (world poet).

Rabindranath is omnipresent. He belongs to everyone. Poetry, plays, music, painting – he has left his mark in every sphere.

Rabindranath’s writings are our driving force, our inspiration.

Rabindranath showed the way to the rest of the world. It is our pride that he was born in Bengal.

Rabindranath epitomised humamnism, modernism, culture, senstivity, patriotism. Gandhiji gave him the title ‘Gurudev’.

Rabindranath loved people of all communities and classes equally. He stood for unity and harmony, which are burning issues in this day and age. Even, Netaji, Gandhiji and Ambedkar believed in these ideals.

This day is like Bengali new year. Some people call this day World Culture Day, while others celebrate this day as Rabi Dibas.

Rabindranath Tagore is timeless. He will live in our hearts as long as culture and civilization exists on earth.

Rabindranath’s “Where are the mind is without fear” is an inspiration for the youth.

Being oblivious about Rabindranath is like forgetting one’s culture. We will live with our heads held high, following the ideals espoused by Rabindranath. We will not be led astray by intimidation.


Mamata Banerjee invites UK investors to Bengal

Chief Minister Mamata Banerjee on Monday urged investors to come to Bengal where the government is business-friendly and talent is unlimited. She said this while addressing the FICCI-UKIBC round table in London.

The Chief Minister said there was not only surplus power but the government also has land banks and so, to acquire land is not a problem in Bengal anymore. She also added that the workers in Bengal are excellent and extremely committed and hardworking. She also mentioned the fact that, unlike during the earlier Left Front Government, the Trinamool Congress Government has brought down the number of man-days lost due to strikes to zero.

Mamata Banerjee also said that the State Government is sending government officials to Oxford and Cambridge Universities and to Singapore to train them.

She pointed out to the gathering that the government cares for the poor and downtrodden, and that nearly 90 per cent of the population of the State have been benefitted by one scheme or the other implemented by the State Government.

Projecting her recent feat with Kanyashree Prakalpa bagging the United Nations Public Service Award for Asia Pacific, she said it was an extremely helpful scheme for the girl child and has won worldwide accolades.

Present at the summit were 18 representatives from different British companies, Oxford University and banks as well as prominent industrialists from Bengal.


লন্ডনে বাণিজ্য বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

সোমবার এ বারের ব্রিটেন সফরে প্রথম বাণিজ্য সম্মেলন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইউকে-ইন্ডিয়া বিজনেস কাউন্সিলের (ইউকেআইবিসি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী, মুখ্যসচিব-সহ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আসা বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। ব্রিটেনের পক্ষে ছিল দিয়াজিও, গ্রিন ব্যাঙ্ক গ্রুপ, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাঙ্ক-সহ নানা সংস্থার ১৮ জন প্রতিনিধি। ইউ কে আই বি সি-র চেয়ারম্যান ব্রিটেনের প্রাক্তন বাণিজ্যমন্ত্রী।

এই বৈঠক সেরেই মুখ্যমন্ত্রী যান লক্ষ্মী মিত্তলের বাড়িতে রাজ্যে লগ্নির সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলতে। ভারতীয় সময় মধ্যরাত পেরিয়ে চলে বৈঠক।
২০১৫ সালে মমতা যখন এখানে এসেছিলেন, তখন ইউকেআইবিসি-র সঙ্গে ২২টি চুক্তি হয়েছিল। এর মধ্যে ১৭ টিই বাস্তবায়নের দিকে এগিয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে আরও একটি উৎকর্ষ কেন্দ্র তৈরির জন্য এই বৈঠকে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির সঙ্গে কথা হয়েছে। নিউটাউনকে গ্রিন সিটি তৈরি করতে গত বার আলোচনা হয়েছিল। ব্রিটিশ সংস্থার সঙ্গে হিডকোর সে ব্যাপারে মউ হয়েছে বলে খবর। শিল্পমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে কতটা এগোনো গিয়েছে, এই সাফল্যের তালিকাই তার প্রমাণ। আগামী দিনে আরও এগোনো যাবে।’’

ব্রিটিশ শিল্পপতিদের রাজ্যে আহ্বান জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গে শিল্প গড়ার সুবিধার দিকগুলি তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই এ রাজ্যে রয়েছে দক্ষ শ্রমিক অথচ যার মজুরি কম। শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি সরকারের ল্যান্ড ব্যাঙ্কেই রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। জানিয়ে দেন, তাঁর আমলে শ্রমদিবস নষ্টের সংখ্যা শূন্যে এসে দাঁড়িয়েছে।ব্রিটেনের একটি শিল্প প্রতিনিধি দলকে আগামী জানুয়ারিতে রাজ্যের শিল্প সম্মেলনে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান মুখ্যমন্ত্রী।

Source: Millennium Post

Kolkata and London are twin cities, says Mamata Banerjee

It’s not only the inspiring thoughts of the English legacy that dominate the cultural bond between the two countries — India and England — but a representation of those ideas of similarity that is visible in the innumerable architectural structures that are present in Kolkata, set up during the British Raj and later.

Highlighting this similarity and describing London and Kolkata, Chief Minister Mamata Banerjee said: “London and Kolkata are essentially twin cities. We have cultural closeness and the same types of structures that we see in London are also to be found in Kolkata. Not only this, we also share a strong bonding in the field of education too.”

Addressing a gathering at the library conference hall here on Sunday afternoon, she recalled Sister Nivedita’s contribution to India and added: “She was dedicated to the cause of India.” She also spoke about Nivedita’s role in serving the poor and needy during the plague that broke out as an epidemic in Bagbazar where she used to live in 1899. “We have a college named after her. We have acquired the houses where she died in Darjeeling and where she started her school in 1898,” she said adding: “In daily life, we always remember Sri Ramakrishna, Maa Sharda, Swami Vivekananda and Sister Nivedita before starting any work.”

She handed over two motifs of Swami Vivekananda and Sister Nivedita to the Mayor. Earlier, the much-awaited Blue Plaque was unveiled at Sister Nivedita’s house at 21 High Street in Wimbledon where she used to live before she came to India.

The Chief Minister also garlanded a portrait of Sister Nivedita who used to live in this house before leaving for India in 1897. Swami Suhitanandaji, one of the vice-presidents of Ramakrishna Math and Mission, Dinesh Patnaik, acting Indian High Commissioner to UK, Amit Mitra, state Finance minister, Malay De, state Chief Secretary and Lord Swraj Paul along with a host of industrialists were present at the event.

The Blue Plaque read “Sister Nivedita (Margaret Noble) Educationist and Campaigner for Indian Independence lived here.”

Mamata Banerjee walked down to the auditorium on Crompton Street. The portraits of Sri Ramakrishna, Maa Sharda Devi, Swami Vivekananda and Sister Nivedita were kept beside the dais. The function started with an invocation paying homage to Sri Ramakrishna.


লন্ডনে নিবেদিতার বাড়িতে স্মৃতিফলক উন্মোচন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

লন্ডনে ভগিনী নিবেদিতার বাড়ির ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠান যেন এক অন্য ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রইল। যার অন্যতম কান্ডারি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর হবে নাই বা কেন, ভগিনী নিবেদিতা যত না আয়ারল্যান্ডের, যত না ব্রিটেনের, তার থেকে অনেক বেশি তো এই বাংলার। তাই অনুষ্ঠান যতই অনাড়ম্বর হোক না কেন, এর আভিজাত্য ছিল অনেক বেশি। একদিকে নিবেদিতার সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে ‘স্মারক’ পত্রিকার উদ্বোধন করলেন মমতা, অন্যদিকে মঞ্চে দাঁড়িয়ে ডাক দিলেন ব্রিটেনের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার।

ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রথমবারের জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরেই সরকারিভাবে স্বীকৃতি পেল ভগিনী নিবেদিতার বাড়ি। তাঁর হাই স্ট্রিটের বাড়িতে যে ঐতিহ্যবাহী নীল ফলক স্থাপন করছে ইংলিশ হেরিটেজ, তা উন্মোচিত হল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। ভারতীয় সময় রাত ১০টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে।

যেখানে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, সেখান থেকে অনুষ্ঠানস্থলের দূরত্ব সাড়ে ৮ মাইলের মতো। প্রায় ৫০ মিনিটের সফর। দুপুরেই মুখ্যমন্ত্রী উইম্বলডনে নিবেদিতার ২১, হাই স্ট্রিটের বাড়ি পৌঁছে যান। স্বামী দয়াত্মানন্দজির মন্ত্রোচ্চারণের পর স্বীকৃতির  প্রতীক ঐতিহ্যবাহী নীল ফলক উন্মোচিত হয় মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরেই। নিবেদিতার বাগবাজার এবং দার্জিলিংয়ের বাড়ি উদ্ধার এবং সুরক্ষায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে সব মহলেই।

বাকি অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয় পার্শ্ববর্তী কম্পটন রোডের মার্টন আর্টস স্পেসে। যা উইম্বলডন লাইব্রেরি নামেই পরিচিত। মিনিট দশেকের এই দূরত্ব হেঁটেই যান মমতা। সেখানে মিউজিয়ামের মেয়র মার্সি স্কেটি, ইংলিশ হেরিটেজের অ্যানা এভিস, ব্রিটেনে নিযুক্ত ভারতের কার্যনির্বাহী হাইকমিশনার অ্যাম্বাসাডর, রামকৃষ্ণ মিশনের সহ-সভাপতির পর বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতা শুরুর আগে ফের একবার ব্রিটেনের মঞ্চে প্রশংসিত হয় তাঁর সরকার। বিশ্বের দরবারে মুখ্যমন্ত্রীর কন্যাশ্রীর সম্মানিত হওয়ার প্রসঙ্গে ফের একবার উন্নত হয় বাংলার শির।

১০ মিনিটের বক্তৃতার শুরুতেই মমতা ধন্যবাদ জানান এমন একটা অনুষ্ঠানে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য। তাঁর কথায় উঠে আসে নিবেদিতার ভারতপ্রেম, মানবপ্রেমের প্রসঙ্গ। পরমহংস রামকৃষ্ণদেব, মা সারদা এবং স্বামী বিবেকানন্দকে ছাড়া যে বাংলা তথা ভারত অচল, সে কথা স্মরণ করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি উল্লেখ করেন ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের মতো কলকাতার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা হেরিটেজ বিল্ডিংয়ের কথা। তাঁর আহ্বান, ‘বাংলায় আসুন। নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তুলি।’

বক্তৃতা শেষে উইম্বলডন হিস্ট্রি মিউজিয়ামেই মেয়রের হাতে স্বামী বিবেকানন্দ এবং ভগিনী নিবেদিতার প্রতিকৃতি তুলে দেন।

Bengal CM unveiled Blue Plaque at Sister Nivedita’s UK house today

Chief Minister Mamata Banerjee was the special guest at the installation ceremony of a Blue Plaque at the house of Sister Nivedita today.

The function on Sunday was organised by English Heritage. Swami Suhitananda, one of the vice-presidents of Ramakrishna Math and Mission, was also be present at the function.

In an extraordinary gesture, Queen Elizabeth II sent her warm wishes to those who were present at the function and described it as a most memorable event.

Margaret Elizabeth Noble, who later came to be known as Sister Nivedita, used to stay in the house in 1898 before she came to Kolkata. Swami Vivekananda had visited the house in 1895. Jagadish Chandra Bose and his wife Abala had stayed in the house for some time in 1900. After the event of the Blue plaque, a cultural function will be held in an auditorium situated very close to the site of installation of the plaque.

Mamata Banerjee reached United Kingdom on Saturday morning. She will meet businessmen in London and then in Scotland and discuss with them the advantages of investing in Bengal. She is also likely to meet NRIs from Bengal. State Finance minister Amit Mitra and Chief Secretary Malay De, too, will be present at the meetings with business professionals.



আজ লন্ডনে নিবেদিতার বাড়িতে স্মৃতিফলক উন্মোচনে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী

আজ লন্ডনে নিবেদিতার বাড়িতে স্মৃতিফলক উন্মোচনে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জন্মের সার্ধশতবর্ষ উদ্‌যাপন করা হচ্ছে। স্মৃতিফলকে লেখা থাকছে ‘‌ভগিনী নিবেদিতা, শিক্ষাব্রতী এবং ভারতের স্বাধীনতার প্রবক্তা’‌।

ইংলিশ হেরিটেজ সংস্থার উদ্যোগে এই ফলক বসানো হচ্ছে। এই অনুষ্ঠানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাই তিনি লন্ডনে গিয়েছেন। এই অনুষ্ঠানে থাকবেন ভগিনী নিবেদিতার পরিবারের সদস্যরাও।

গতকাল সকালে লন্ডনে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র, বেশ কিছু শিল্পপতি সহ আরও কয়েকজন। মুখ্যমন্ত্রী এর আগে বাংলার স্বার্থে বেশ কয়েকবার বিদেশে গেছেন। তিনি যেখানেই গেছেন, সেখানেই বাংলায় বিনিয়োগের জন্য শিল্পপতিদের আহ্বান জানিয়েছেন।

Bengal CM inaugurates Sister Nivedita’s house

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today inaugurated the restored house of Sister Nivedita on October 23 to commemorate her sesquicentennial birth anniversary.

Sister Nivedita, then Margaret Elizabeth Noble, was born on October 28, 1867, at Dungannon in Ireland. It was at 16 A Bosepara Lane in Bagbazar that she opened her school for girls coming from middle-class families in November 1898 in the presence of Sri Sarada Devi and Swami Vivekananda.

The century-old two-storeyed building was in a shambles when the State Government acquired it and handed it over to the Sarada Math. The Kolkata Municipal Corporation (KMC) declared it as a Grade I heritage building. Sri Sarada Math proposes to set up a museum where many articles used by the Sister will be exhibited.

The building is a historical place. It was here that Sister Nivedita set up her school and took the trouble of visiting every household requesting parents to send their daughters there. Sister Nivedita stayed in the house and carried out massive social work when the Plague broke out in Bagbazar and its neighbourhood.

Swami Vivekananda and his followers often visited the house that became a centre of intellectual exercise and people like Rabindranath Tagore, Jagadish Chandra Bose and his wife Abala, Abanindranath Tagore, Nandalal Bose, SK Ratcliffe, the then editor of The Statesman and his wife, Gopal Krishna Gokhale and Dinesh Chandra Sen were frequent visitors. The house played an important role in the socio-cultural movement in Bengal.


Highlights of the Chief Minister’s speech during the inauguration function:

  • I pay my respects to Sarada Math. I am grateful to them for the upkeep and maintenance of this place.
  • I had requested Kolkata Municipal Corporation (KMC) to help in the renovation of this place. They took over this house, and after completing the renovation, handed it over to Sarada Math.
  • Roy Villa in Darjeeling was also handed over to Ramakrishna Mission and declared a heritage site. Sister Nivedita had breathed her last there.
  • Sister Nivedita’s name is associated with Maa Sarada, Swami Vivekananda and Ramakrishna Paramhansa.
  • Sister Nivedita was a foreigner who inherited our culture. She was impressed by the ancient Indian and Hindu culture.
  • Her untimely death was a huge tragedy and brought a wave of gloom.
  • Sister Nivedita rushed to service during any emergency – from plague to any disease to any cause.
  • She dedicated her life to service. She embraced India as her mother.
  • We have set up Nivedita Girls’ College. She had laid stress on educating the girl child and we want to follow her vision.
  • A committee has been formed to commemorate Sister Nivedita’s 150th birth anniversary.
  • Icons like Sister Nivedita are immortal. They will forever live in our memories, through the work that they have done.



সংস্কারের পর আজ ভগিনী নিবেদিতার বাড়ির উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী


বাগবাজারে ভগিনী নিবেদিতার বাড়ির সংস্কারের কাজ শেষ; আজ সেই বাড়িটি উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ২৮শে অক্টোবর ওনার জন্মসার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে এই উদ্যোগ।

ভগিনী নিবেদিতার আসল নাম মার্গারেট এলিজাবেথ নোবেল। তাঁর জন্ম হয় ১৮৬৭ সালে ২৮শে অক্টোবর আয়ারল্যান্ডে।

স্বামী বিবেকানন্দ ও শ্রী সারদা মার উপস্থিতিতে তিনি বাগবাজার অঞ্চলে একটি স্কুল খোলেন ১৮৯৮ সালের নভেম্বর মাসে। ১৬ এ বোসপাড়া লেনে মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়েদের জন্য এই স্কুলটি খোলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার এই বাড়িটি অধিগ্রহণ করে ও সারদা মঠের হাতে তুলে দেয়।

কলকাতা পুরসভা এই বাড়িকে গ্রেড ১ হেরিটেজ তকমা দেয়। এই বাড়িতে ভগিনী নিবেদিতার ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে একটি সংগ্রহশালা গড়া হবে।

এই বাড়িটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপিরিসীম। এখানে থেকে ভগিনী নিবেদিতা নানা সমাজসেবামূলক কাজ করেছিলেন। এখানে যাতায়াত ছিল সেই সময়ের নানা মনীষীদের। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জগদীশ চন্দ্র বসু, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নন্দলাল বসু, গোপাল কৃষ্ণ গোখলে, দীনেশ চন্দ্র সেন মাঝেমাঝেই এখানে আসতেন।


তাঁর বক্তব্যের বিশেষ কিছু অংশঃ

  • আমি সারদা মঠের কাছে আমার শ্রদ্ধা ও প্রণাম নিবেদন করছি। কারণ তারা নিবেদিতার এই হেরিটেজ বাড়িটিকে রক্ষা করেছেন ও জনগণের কাছে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য সচেষ্ট হয়েছেন।
  • আমি কলকাতার মেয়রকে নিয়ে এই বাড়িটিতে এসেছিলাম ও অনুরোধ করেছিলাম যাতে এই বাড়িটি হেরিটেজ হিসেবে রক্ষা করা যায়। এই বাড়িটি অধিগ্রহণ করে সারদা মঠের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল।
  • রয় ভিলা – দার্জিলিঙের যে বাড়িতে ভগিনী নিবেদিতা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন – সেই বাড়িটিকেও হেরিটেজ হিসেবে আমরা রক্ষা করেছি।
  • সিস্টার নিবেদিতার নামের সঙ্গে সারদা মা, স্বামী বিবেকানন্দ, রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের নাম ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছে।
  • তিনি আয়ারল্যান্ড থেকে ছুটে এসে ভারতবর্ষকে নিজের জননী হিসেবে স্বীকার করেছিলেন।
  • যে কটা দিন ছিলেন, প্লেগ মহামারিতে থেকে শুরু করে আর্ত লোকেদের কাছে ছুটে গিয়েছেন।
  • সেবার মধ্যে দিয়ে তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন। তিনি ভারতবর্ষকে ভালোবেসেছিলেন।
  • আমরা নিবেদিতা গার্লস কলেজ তৈরি করেছি হেস্টিংসে। নারীশিক্ষা, স্বদেশ চেতনা ও ভারতবর্ষকে ভালোবাসার তাঁর আদর্শ আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব।
  • সিস্টার নিবেদিতার এটা সার্ধশতবর্ষ পালিত হচ্ছে। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর নেতৃত্বে কমিটিও তৈরি হয়েছে।
  • সিস্টার নিবেদিতা চিরকালীন, সার্বজনীন, বিশ্বজনীন। এঁদের মৃত্যু হয় না, এঁরা ছিলেন, আছেন, থাকবেন। কর্মের মধ্যে দিয়ে বাঁচবেন।



The tenability of the works of Kabiguru Rabindranath Tagore

Kabiguru Rabindranath Tagore’s vision of a nation was educated by his dream of a fearless mind, a boundless idea of identity and community, united by knowledge, multiculturalism and internationalism. With processes of Globalisation and looking-inward policies surging and tugging at each other increasingly, the tenability of Tagore’s ideas are felt most pressingly now, more than ever before.

Tagore was a poet, a playwright, an artist and a keen social scientist in his understanding of human behaviour, of political machines and cultural patterns. In the next few days, India shall celebrate yet another Independence Day, remember its martyrs, take pride, and rightfully so, in its republic, in its strife of self-determination and in the triumph of its democracy. And among those remembered will be Tagore, whose contribution to shaping both the discourse around nationhood and the narrative of the freedom struggle is undeniable.

On his death anniversary it becomes pertinent, then, to understand Tagore’s vision for India, a nation he then viewed as different from the definitions of Western Nationalism. India, to his mind, is an aspiration whose salvation lay in inclusion, acceptance, tolerance, coexistence and social freedoms accorded to all citizens, viewed with equity. For him, the true freedom of India lay in the acknowledgement of its diversity and in it the uniqueness of its Nationalism: the rejection of homogeneity or assimilation and a celebration, instead, difference in choices, practice and tradition.

Through his vast legacy of art, music, poetry and prose Tagore has left the world both an incisive understanding of the human mind and a strong-willed political message. In his time Tagore had hoped for an open world, a parley of cultures and minds, a “heaven of freedom” that is not threatened but elevated by knowledge, by questions and by an ambition of holistic growth. Tagore’s remains with us most through his vision of a free world in which his country breaks away from the fetters of selfishness, of a capsized, restricted version of a nation and the pomposity and superiority that traditional ideas of Nationalism are lined with.


আজও প্রাসঙ্গিক কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

‘আজি হতে শতবর্ষ পরে, কে তুমি পড়িছ বসি, আমার কবিতা খানি’

আজ ২২শে শ্রাবণ। আজকের দিনটি উৎসর্গিত কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি। ২০১৭তে দাঁড়িয়েও কতটা প্রাসঙ্গিক কবি, তা বোঝা যায় ওনারই লেখা এই লাইনের মাধ্যমে। দূরদর্শী ওই মানুষটি ঠিক বলে গেছিলেন, উনি না থাকলেও ওনার লেখা চির অমর হয়ে থাকবে। বিশেষ করে তাঁর দেশাত্ববোধক চিন্তাধারা আজকের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রবীন্দ্রনাথ চেয়েছিলেন এমন এক ভারতবর্ষ যেখানে চিত্ত ভয়শূন্য, জ্ঞান মুক্ত এবং শির উচ্চ। কিন্তু আজ এক শ্রেণীর মানুষ যেভাবে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়াচ্ছে সারা দেশে, তাতে রবীন্দ্রনাথের ভাবনা শুধু কবিতার পংক্তি মাত্র থেকে গেছে। রবীন্দ্রনাথ তাঁর গান, কবিতা ও প্রবন্ধে সমস্ত ক্ষুদ্র ধর্মভেদ জাতিভেদের উর্দ্ধে উঠে আন্তর্জাতিক ভাতৃত্ববোধের কথা বলে গেছেন। আজকের এই অশান্ত, অস্থির পরিস্থিতে তাই কবি প্রাসঙ্গিক।

১৯০৫ সালে ব্রিটিশদের বঙ্গভঙ্গ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি আয়োজন করেন রাখীবন্ধন উৎসবের। আজ যারা ধর্মীয় ভাবাবেগকে কাজে লাগিয়ে ক্ষুদ্র রাজনীতির খেলা খেলতে চাইছে, এই রাখীবন্ধন উৎসব হয়ে উঠেছে সম্প্রীতির প্রতীক, সংস্কৃতির প্রতীক।

আজকের দিনে দাঁড়িয়ে কবিগুরু হয়তো আবারও লিখতেন –

“নাগিনীরা চারিদিকে ফেলিতেছে বিষাক্ত নিঃশ্বাস
শান্তির ললিতবাণী শুনাইবে ব্যর্থ পরিহাস”।

আজকের ভারতে এই ভেদাভেদের রাজনীতি যখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইছে সেই সময় কবিগুরুর গান আবার সৃষ্টি করতে পারে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাতাবরণ। তিনি ছিলেন সব ধর্মের, সব সম্প্রদায়ের | তাঁর দূরদৃষ্টি ক্ষুদ্র গণ্ডীর বলয় থেকে সর্বদা অগ্রসর হয়েছে বিশ্বায়নের পথে | এ জন্যই রবীন্দ্রনাথ বিশ্বকবি | কোন দেশ বা বিশেষ কোন অঞ্চলের সীমারেখায় তাঁকে আটকে রাখা ন্যায়সঙ্গত হবে না | কারণ তিনি সর্বজনীন | তাঁর লেখা জাতীয় সঙ্গীত তাই সারা দেশকে এক হওয়ার শক্তি জোগায়। তাই, ১৫০ বছরের বেশী সময় পেরিয়ে গেলেও আজও ভারতবর্ষের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করতে তাঁর গান, প্রবন্ধ হয়ে উঠুক ভারতবাসীর পাথেয়।

Trinamool protest prompts Centre to assure that NCERT won’t remove Rabindranath from texts

After the Trinamool Congress protested over the last two days in the Rajya Sabha against the suggestions to the Union Ministry of Human Resource Development for removing works by Rabindranath Tagore from NCERT textbooks, the Union HRD Minister clarified in the House that the Central Government had no plan to do this from school textbooks.

The Minister said that nothing will be removed and that the Government will not do anything that will create any problem.

Earlier yesterday, Leader of the party in Rajya Sabha, Derek O’Brien had given a notice under Rule 267 demanding suspension of business in the House in order to discuss the issue.

He had said, “Rabindranath Tagore does not need any certificate from anybody”. For Tagore, humanity was supreme.

He had also demanded that “the Minister must dissociate the Government from this RSS-run institution” (that had reportedly recommended the removal).

After the Minister’s statement, Derek O’Brien walked up to the Minister to present to him three books on Tagore for his reading.



সংসদে তৃণমূলের প্রবল বিরোধিতার পর রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে পিছু হঠল কেন্দ্র

কয়েকদিন আগে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের এক ঘনিষ্ঠ সংস্থা ‘শিক্ষা সংস্কৃতি উত্থান ন্যাস’, মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তরকে প্রস্তাব দেয় NCERT পাঠ্যপুস্তক থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা বাদ দেওয়ার।

এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সরব হয় তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কি করে ওরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা বই থেকে বাদ দেয়? উনি ভারতের প্রথম নোবেল পুরস্কার প্রাপক। তিনি শুধু বাংলার নয়, বিশ্বের গর্ব। সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা করে। সকলে তাঁর কবিতার লাইন জানেন, ‘চিত্ত জেখা ভয়শুন্য উচ্চ যেথা শীর’।প্রত্যেক প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি তাঁকে উদ্ধৃত করেন। এটা পুরোপুরি rubbish। আমার মনে হয় কেউ এটাকে সমর্থন করছে না। এটা কি করে করতে পারে? আমরা এর বিরুদ্ধে লড়াই করব, যা যা করার করব।”

রাজ্যসভায় তৃণমূলের দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, “কবিগুরু দেশের সম্পদ। তিনি জাতীয় সংগীত রচনা করেছেন। কারোর কাছ থেকে কোনওরকম সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের। তাকে NCERTএর পাঠ্যবই থেকে বাদ দেওয়া হবে? এসব কি হচ্ছে?”

তিনি এবিষয়ে সরকারের তরফ থেকে বিবৃতিও দাবী করেন। এরপরই মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রাজ্যসভায় বিবৃতি দেন, পাঠ্যপুস্তক থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা বাদ দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা কেন্দ্রের নেই।



Trinamool demands discussion in Parliament on suggestions for removal of Tagore from NCERT

Leader of the House in the Rajya Sabha, Derek O’Brien today gave a notice under Rule 267 demanding suspension of business in the Rajya Sabha to discuss the issue of suggestions given to the Union Ministry of Human Resource Development for removal of works by one of India’s finest polymaths, Rabindranath Tagore from the NCERT syllabus.

Trinamool Congress views the suggestions, given by Shiksha Sanskriti Utthan Nyas, an association affiliated to the Rashtriya Swayamsevak Sangh (RSS), as preposterous.

Derek O’Brien said, “Rabindranath Tagore does not need any certificate from anybody”. For Tagore, humanity was supreme. It was a bigger virtue than nationalism.

The slew of suggestions given constitute a threat to the plurality of opinions that education aims to foster, and form a part of the larger strategy of the RSS to bring fundamental changes to education in India.

When what is required now are institutional reforms in education, the RSS along with the Government, continues to distort children’s education.

The MP demanded that “the Minister must dissociate the Government from this RSS-run institution”.

Tagore issue_Suspension of biz_Rule 267_Jul 25, 2017

NCERT পাঠ্যবই থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সংসদে সরব তৃণমূল কংগ্রেস

NCERT পাঠ্যবই থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বাদ দেওয়ার জন্য মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তরকে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তার বিরোধিতায় মুখর হয় তৃণমূল। রাজ্যসভায় ২৬৭ নম্বর নিয়মে নোটিশ দেন তৃণমূলের দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। তিনি এই বিষয়ে আলোচনার দাবী জানান।

‘শিক্ষা সংস্কৃতি উত্থান ন্যাস’ নামে যে সংস্থাটি এই প্রস্তাব দিয়েছে তাদের সাথে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের যোগ আছে বলে দাবি করেন ডেরেক। তিনি বলেন, “কারোর কাছ থেকে কোনওরকম সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের।”

ডেরেকের অভিযোগ এই রকমের প্রস্তাবের মধ্যে দিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বুনিয়াদি পরিকাঠামোয় আঘাত হানছে সংঘ। তিনি দাবী করেন, “মন্ত্রীর উচিত সরকারকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের থেকে বিযুক্ত করা।”


Trinamool’s Derek O’Brien makes an intervention about suggestions to remove Tagore from syllabus


Yesterday the HRD Minister was not here so we are gracious enough to check our facts and come back today. The HRD Ministry called for suggestions. They received hundreds of suggestions from hundreds of different people, which is their right. They are to choose some of suggestions.

Now one of those suggestions which came among others was from an association affiliated to the RSS. It is very well known and run by Mr Dinanath Batra. The proposed suggestion is that Rabindranath Tagore should be removed from the syllabus.

If someone is doing it to seek publicity, that is not my problem. But, Rabindranath Tagore does not need any certificate from anybody. I want a straightforward answer from this Government. This is a suggestion made by the Shiksha Sanskriti Utthan Nyas. The Minister must dissociate the Government from this RSS run institution. Let him make a statement.


Rabindranath Tagore will continue to live in our hearts: Mamata Banerjee

The Birth Anniversary of Kobiguru Rabindranath Tagore was celebrated with due respect in every part of Bengal on the auspicious Pochishe Boisakh.

Like every year the State Information & Cultural Affairs department held a function at Cathedral Road to mark Kobiguru’s birth anniversary. The function was graced by the Chief Minister along with artistes, singers, intellectuals, dignitaries from various embassies.

The CM said: “People of Bengal consider Rabindra Jayanti as a special day in the year. Our life is incomplete without it. Tagore is evergreen, timeless. He is bishwa kobi. He is bishwa sera.”

The Chief Minister also said, “Our day starts with Rabindranath. His lines stay with us through our daily work. Our day ends with his words. As long as we exist, Rabindranath will continue to live in our hearts. This life is meaningless without him.”

The celebration of Rabindranath’s birth anniversary will continue for 15 days (Kobi Pokkho) from May 10-24, 2017. Cultural programmes will be held at Rabindra Sadan auditorium and complex, Sishir Mancha and Bangla Academy. An exhibition on ‘Tagore and his thoughts on nationalism’ will be held at Gaganendra Pradarshanshahla.

The Wildlife Division of the Forest Department has initiated ‘Forest Bathing’ on the occasion of Rabindra Jayanti. Forest bathing describes the practice of paying a short, leisurely visit to a forest for health benefits. Rabindra Sangeet will be played in the forest during the Forest Bathing programme.


“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি, আমাদের প্রাণের কবি”: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ ২৫ শে বৈশাখ। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। এই উপলক্ষে সারা বাংলা জুড়ে আজ পালিত হচ্ছে রবীন্দ্রজয়ন্তী।

প্রতি বছরের মত এবছরও রবীন্দ্র সদন সংলগ্ন ক্যাথিড্রাল রোড মঞ্চে বিকেল ৫টায় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি উৎসব। মুখ্যমন্ত্রী সহ বিভিন্ন শিল্পীরা, গায়ক-গায়িকা, বুদ্ধিজীবী সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সাধারণ নাগরিক রবীন্দ্র জয়ন্তী দিনটিকে একটি বিশেষ দিন হিসেবে চিহ্নিত করেন। এটা ছাড়া আমাদের জীবন পূর্ণ হয় না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চিরকালের, চিরদিনের। তিনি বিশ্ব কবি, তিনি বিশ্বসেরা”।

তিনি আরও বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি, আমাদের প্রাণের কবি, আমরা যতদিন বাঁচব এই নাম আমাদের হৃদয়ে লেখা থাকবে”।

আগামী ১০-২৪ মে ১৫ দিন ধরে কবিপক্ষের অনুষ্ঠান হবে রবীন্দ্রসদন প্রেক্ষাগৃহ, রবীন্দ্রসদন মুক্তমঞ্চ, শিশির মঞ্চ ও বাংলা অ্যাকাডেমির সভাঘরে।

রবীন্দ্রনাথের স্বদেশভাবনার ওপর একটি প্রদর্শনীও হবে। আগামী ৯-১৫ মে গগনেন্দ্র প্রদর্শশালায় হবে এই অনুষ্ঠান।