Mamata Banerjee invites UK investors to Bengal

Chief Minister Mamata Banerjee on Monday urged investors to come to Bengal where the government is business-friendly and talent is unlimited. She said this while addressing the FICCI-UKIBC round table in London.

The Chief Minister said there was not only surplus power but the government also has land banks and so, to acquire land is not a problem in Bengal anymore. She also added that the workers in Bengal are excellent and extremely committed and hardworking. She also mentioned the fact that, unlike during the earlier Left Front Government, the Trinamool Congress Government has brought down the number of man-days lost due to strikes to zero.

Mamata Banerjee also said that the State Government is sending government officials to Oxford and Cambridge Universities and to Singapore to train them.

She pointed out to the gathering that the government cares for the poor and downtrodden, and that nearly 90 per cent of the population of the State have been benefitted by one scheme or the other implemented by the State Government.

Projecting her recent feat with Kanyashree Prakalpa bagging the United Nations Public Service Award for Asia Pacific, she said it was an extremely helpful scheme for the girl child and has won worldwide accolades.

Present at the summit were 18 representatives from different British companies, Oxford University and banks as well as prominent industrialists from Bengal.


লন্ডনে বাণিজ্য বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

সোমবার এ বারের ব্রিটেন সফরে প্রথম বাণিজ্য সম্মেলন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইউকে-ইন্ডিয়া বিজনেস কাউন্সিলের (ইউকেআইবিসি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী, মুখ্যসচিব-সহ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আসা বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। ব্রিটেনের পক্ষে ছিল দিয়াজিও, গ্রিন ব্যাঙ্ক গ্রুপ, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাঙ্ক-সহ নানা সংস্থার ১৮ জন প্রতিনিধি। ইউ কে আই বি সি-র চেয়ারম্যান ব্রিটেনের প্রাক্তন বাণিজ্যমন্ত্রী।

এই বৈঠক সেরেই মুখ্যমন্ত্রী যান লক্ষ্মী মিত্তলের বাড়িতে রাজ্যে লগ্নির সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলতে। ভারতীয় সময় মধ্যরাত পেরিয়ে চলে বৈঠক।
২০১৫ সালে মমতা যখন এখানে এসেছিলেন, তখন ইউকেআইবিসি-র সঙ্গে ২২টি চুক্তি হয়েছিল। এর মধ্যে ১৭ টিই বাস্তবায়নের দিকে এগিয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে আরও একটি উৎকর্ষ কেন্দ্র তৈরির জন্য এই বৈঠকে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির সঙ্গে কথা হয়েছে। নিউটাউনকে গ্রিন সিটি তৈরি করতে গত বার আলোচনা হয়েছিল। ব্রিটিশ সংস্থার সঙ্গে হিডকোর সে ব্যাপারে মউ হয়েছে বলে খবর। শিল্পমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে কতটা এগোনো গিয়েছে, এই সাফল্যের তালিকাই তার প্রমাণ। আগামী দিনে আরও এগোনো যাবে।’’

ব্রিটিশ শিল্পপতিদের রাজ্যে আহ্বান জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গে শিল্প গড়ার সুবিধার দিকগুলি তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই এ রাজ্যে রয়েছে দক্ষ শ্রমিক অথচ যার মজুরি কম। শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি সরকারের ল্যান্ড ব্যাঙ্কেই রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। জানিয়ে দেন, তাঁর আমলে শ্রমদিবস নষ্টের সংখ্যা শূন্যে এসে দাঁড়িয়েছে।ব্রিটেনের একটি শিল্প প্রতিনিধি দলকে আগামী জানুয়ারিতে রাজ্যের শিল্প সম্মেলনে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান মুখ্যমন্ত্রী।

Source: Millennium Post

Kolkata and London are twin cities, says Mamata Banerjee

It’s not only the inspiring thoughts of the English legacy that dominate the cultural bond between the two countries — India and England — but a representation of those ideas of similarity that is visible in the innumerable architectural structures that are present in Kolkata, set up during the British Raj and later.

Highlighting this similarity and describing London and Kolkata, Chief Minister Mamata Banerjee said: “London and Kolkata are essentially twin cities. We have cultural closeness and the same types of structures that we see in London are also to be found in Kolkata. Not only this, we also share a strong bonding in the field of education too.”

Addressing a gathering at the library conference hall here on Sunday afternoon, she recalled Sister Nivedita’s contribution to India and added: “She was dedicated to the cause of India.” She also spoke about Nivedita’s role in serving the poor and needy during the plague that broke out as an epidemic in Bagbazar where she used to live in 1899. “We have a college named after her. We have acquired the houses where she died in Darjeeling and where she started her school in 1898,” she said adding: “In daily life, we always remember Sri Ramakrishna, Maa Sharda, Swami Vivekananda and Sister Nivedita before starting any work.”

She handed over two motifs of Swami Vivekananda and Sister Nivedita to the Mayor. Earlier, the much-awaited Blue Plaque was unveiled at Sister Nivedita’s house at 21 High Street in Wimbledon where she used to live before she came to India.

The Chief Minister also garlanded a portrait of Sister Nivedita who used to live in this house before leaving for India in 1897. Swami Suhitanandaji, one of the vice-presidents of Ramakrishna Math and Mission, Dinesh Patnaik, acting Indian High Commissioner to UK, Amit Mitra, state Finance minister, Malay De, state Chief Secretary and Lord Swraj Paul along with a host of industrialists were present at the event.

The Blue Plaque read “Sister Nivedita (Margaret Noble) Educationist and Campaigner for Indian Independence lived here.”

Mamata Banerjee walked down to the auditorium on Crompton Street. The portraits of Sri Ramakrishna, Maa Sharda Devi, Swami Vivekananda and Sister Nivedita were kept beside the dais. The function started with an invocation paying homage to Sri Ramakrishna.


লন্ডনে নিবেদিতার বাড়িতে স্মৃতিফলক উন্মোচন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

লন্ডনে ভগিনী নিবেদিতার বাড়ির ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠান যেন এক অন্য ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রইল। যার অন্যতম কান্ডারি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর হবে নাই বা কেন, ভগিনী নিবেদিতা যত না আয়ারল্যান্ডের, যত না ব্রিটেনের, তার থেকে অনেক বেশি তো এই বাংলার। তাই অনুষ্ঠান যতই অনাড়ম্বর হোক না কেন, এর আভিজাত্য ছিল অনেক বেশি। একদিকে নিবেদিতার সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে ‘স্মারক’ পত্রিকার উদ্বোধন করলেন মমতা, অন্যদিকে মঞ্চে দাঁড়িয়ে ডাক দিলেন ব্রিটেনের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার।

ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রথমবারের জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরেই সরকারিভাবে স্বীকৃতি পেল ভগিনী নিবেদিতার বাড়ি। তাঁর হাই স্ট্রিটের বাড়িতে যে ঐতিহ্যবাহী নীল ফলক স্থাপন করছে ইংলিশ হেরিটেজ, তা উন্মোচিত হল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। ভারতীয় সময় রাত ১০টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে।

যেখানে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, সেখান থেকে অনুষ্ঠানস্থলের দূরত্ব সাড়ে ৮ মাইলের মতো। প্রায় ৫০ মিনিটের সফর। দুপুরেই মুখ্যমন্ত্রী উইম্বলডনে নিবেদিতার ২১, হাই স্ট্রিটের বাড়ি পৌঁছে যান। স্বামী দয়াত্মানন্দজির মন্ত্রোচ্চারণের পর স্বীকৃতির  প্রতীক ঐতিহ্যবাহী নীল ফলক উন্মোচিত হয় মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরেই। নিবেদিতার বাগবাজার এবং দার্জিলিংয়ের বাড়ি উদ্ধার এবং সুরক্ষায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে সব মহলেই।

বাকি অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয় পার্শ্ববর্তী কম্পটন রোডের মার্টন আর্টস স্পেসে। যা উইম্বলডন লাইব্রেরি নামেই পরিচিত। মিনিট দশেকের এই দূরত্ব হেঁটেই যান মমতা। সেখানে মিউজিয়ামের মেয়র মার্সি স্কেটি, ইংলিশ হেরিটেজের অ্যানা এভিস, ব্রিটেনে নিযুক্ত ভারতের কার্যনির্বাহী হাইকমিশনার অ্যাম্বাসাডর, রামকৃষ্ণ মিশনের সহ-সভাপতির পর বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতা শুরুর আগে ফের একবার ব্রিটেনের মঞ্চে প্রশংসিত হয় তাঁর সরকার। বিশ্বের দরবারে মুখ্যমন্ত্রীর কন্যাশ্রীর সম্মানিত হওয়ার প্রসঙ্গে ফের একবার উন্নত হয় বাংলার শির।

১০ মিনিটের বক্তৃতার শুরুতেই মমতা ধন্যবাদ জানান এমন একটা অনুষ্ঠানে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য। তাঁর কথায় উঠে আসে নিবেদিতার ভারতপ্রেম, মানবপ্রেমের প্রসঙ্গ। পরমহংস রামকৃষ্ণদেব, মা সারদা এবং স্বামী বিবেকানন্দকে ছাড়া যে বাংলা তথা ভারত অচল, সে কথা স্মরণ করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি উল্লেখ করেন ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের মতো কলকাতার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা হেরিটেজ বিল্ডিংয়ের কথা। তাঁর আহ্বান, ‘বাংলায় আসুন। নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তুলি।’

বক্তৃতা শেষে উইম্বলডন হিস্ট্রি মিউজিয়ামেই মেয়রের হাতে স্বামী বিবেকানন্দ এবং ভগিনী নিবেদিতার প্রতিকৃতি তুলে দেন।