‘Banglar Tant-er Haat – 2017’ has become the go-to venue for Puja shopping

It is a fight for customers’ hearts and minds – silks from Basoa in Birbhum and baluchari from Bishnupur, muslin from Murshidabad and kantha stitch of Abadanga from Birbhum. This is the welcome scene at ‘Banglar Tant-er Haat – 2017’.

It started on August 12 at Milan Mela, and will continue for 24 days, till September 4. The fair is already drawing appreciative crowds from across the city and its suburbs.

The fair is being held at four pavilions. Three of the pavilions are selling articles of silk, cotton, tangail, kantha stitch, etc. while the fourth is dedicates to handicrafts. Not just sarees but shirts and kurtas are also being held.

Also being sold are other traditional handicrafts like dokra work from Ausgram in Bardhaman district, traditional jewellery from Shantiniketan and pata work from Pingla.

Besides individual artisans from different districts, this year the fair has also given space to NGOs involved with handloom and different handloom organisations.

For the visitors, this has become a popular shopping venue for Durga Puja. From clothes to jewellery to home décor to articles for gifting – everything is available. Some of the handicraft sellers are even making jewellery like necklaces and earrings then and there according to customers’ demands.

Source: Millennium Post


পুজোর বাজারে মিলনমেলার তাঁতের হাটও বাঙালির গন্তব্য

বীরভূমের বসোয়ার সিল্কের সঙ্গে বিষ্ণুপুরের বালুচরির লড়াই, আবার মুর্শিদাবাদের মসলিনের সঙ্গে বীরভূমের আবাডাঙার কাঁথাস্টিচ। এই নিয়ে ধীরে ধীরে জমে উঠছে তাঁত মেলা। মিলনমেলা প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে বাংলার তাঁতের হাট। নামে তাঁতের হাট হলেও, তাতে সিল্ক থেকে খাদি— সবই রয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা হস্তশিল্পীদের নানান কাজের সম্ভার চাক্ষুষ করার সুযোগ হাতছাড়া করতে রাজি হচ্ছেন না কেউই। আর তাই আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই মেলা চলবে।

মিলনমেলা প্রাঙ্গণে চারটি প্যাভেলিয়ানে এই তাঁতের হাট চলছে। তার মধ্যে চার নম্বর প্যাভেলিয়ানটি শুধুমাত্র হস্তশিল্পের উপরই তৈরি হয়েছে। অন্যান্য প্যাভেলিয়ানেও সিল্ক, তাঁত, কাঁথাস্টিচ, বালুচরি, টাঙাইল প্রভৃতি শাড়ির সম্ভার রয়েছে।

শুধু শাড়ি নয়, খাদি, সিল্ক না কাঁথাস্টিচের শার্ট, পাঞ্জাবি সবই রয়েছে এখানে। রয়েছে বর্ধমানের আউশগ্রামের ডোকরা, শান্তিনিকেতনের হাতের কাজের নানা গয়না, পিংলার পটের কাজও। অর্থাৎ পুজোর বাজার করতে এসে ঘর সাজানোর সামগ্রী থেকে সাজের জিনিস— সবই মিলবে এখানে বসেই । ক্রেতাদের চাহিদামতোই হার, কানের দুল আমরা তৈরি করে দিচ্ছে শিল্পীরাই।


West Bengal’s Rural Craft Hub project reaches out to the world

The Rural Craft Hub, a highly successful project to enable rural crafts to find bigger markets – both national and international – for their crafts, and thus provide sustainable income to a large swathe of the population of the State, started jointly by the Trinamool Congress-led West Bengal Government and UNESCO in September 2013, is now becoming a model for other countries.

Chief Minister Mamata Banerjee has a special interest in the project as it has been her dream to put Bengal on the world map.

Today, 14 handicraft experts from seven countries – the UK, South Korea, Norway, Canada, Thailand, Malaysia, Bahrain, Egypt – and UNESCO are meeting at a convention at Taj Bengal in Kolkata, from 10 am to 5 pm, where the West Bengal Government would share the success story of the concept of Rural Craft Hub. The hubs are being run in nine districts.

The experts would visit the hubs to take a first-hand look at the way the project has transformed the lives of artisans all over West Bengal. Artisans would be able to display their skills in crafts like sitalpati, wooden masks, clay dolls, wooden dolls, chhau masks, dokra, terracotta, kantha stitch, patachitra and madurkathi to the international experts. This kind of direct contact would encourage them further.

Earlier, Rural Craft Hub had received the rare honour of being selected by UNESCO to showcase their artistes at its headquarters in Paris July 28, 2015.

At its initiation itself, Rural Craft Hubs had benefitted 3,000 artisans. Those who have come under the project have seen their annual incomes grow three to four times. This year, 15,000 artisans would benefit from Rural Craft Hubs. In the next five years, all indigenous crafts of the State would be included in the project.

The handicrafts sector represents the economic lifeline of the vulnerable sections of society, with women accounting for around 50% of the craftspeople, and a significant number belonging to the scheduled castes, scheduled tribes and religious minorities.


পশ্চিমবঙ্গ রুরাল ক্রাফট হাব প্রজেক্ট এখন বিশ্বের দরবারে

পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়এর অনুপ্রেরণায় ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ এবং বস্ত্র বিভাগ ও ইউনেস্কোর যৌথ প্রচেষ্টায় রুরাল ক্রাফট হাব প্রজেক্ট অভূতপূর্ব সাফল্য লাভ করেছে।

আজ বিশ্বের চোখে বাংলার হস্তশিল্পীদের কাজ প্রদর্শিত হবে। ইউনেস্কোর সাথে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা পর্যালোচনা করবেন। ইউকে, দক্ষিণ কোরিয়া, নরওয়ে, কানাডা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, বাহরিন, মিশর ও ইউনেস্কোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

রুরাল ক্রাফট হাব প্রজেক্ট পশ্চিমবঙ্গের ৯টি জেলায় চলবে। এর মাধ্যমে প্রায় ৩০০০ হস্তশিল্পী উপকৃত হয়েছেন। তাদের বারশিক আয় তিন থেকে চার গুন বৃদ্ধি পেয়েছে।

এর আগে ২০১৫ সালের ২৮শে জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রুরাল ক্রাফট হাব প্রজেক্ট হস্তশিল্পী কারিগরদের কারুকার্যের জন্য বিশেষ সম্মান পেয়েছে।

এবছর প্রায় ১৫০০০ হস্তশিল্পী এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন। আগামী ৫ বছরে বাংলার সমস্ত হস্তশিল্পী রুরাল ক্রাফট হাব এর সাহায্যে সমৃদ্ধ হবেন।

শীতলপাটি, মাটির পুতুল, ছৌ নাচের মুখোশ, ডোকরা, টেরাকোটা ইত্যাদি কারিগরির মাধ্যমে বাংলার হস্তশিল্পীরা তাদের দক্ষতা তুলে ধরার সুযোগ পাবেন।

বিশেষজ্ঞরা উন্নতির পরিমাপ করবেন এবং তাদের স্বীকৃতি যেমন একদিকে বিশ্ববাজারে বাংলার হস্তশিল্পকে আরও প্রসারিত করবে তেমনী শিল্পীদের নতুন আশা ও উতসাহ দেবে।