Annual ‘Sabala Mela’ attracts large crowds

The annual handicrafts fair, Rajya Sabala Mela – a platform for self-help groups and small-scale entrepreneurs to exhibit and sell their goods – has begun. The venue is Central Park in Salt Lake.

The fair, organised by the State Consumer Affairs and Self-Help Group & Self-Employment Department, would continue till November 25.

The fair will be open everyday from 2 PM to 9 PM, and entry is free. Handicraft items from across Bengal are being sold at the fair. Visitors can also enjoy performances by well-known folk artistes every day.

The products being sold include baluchari, jamdani, zardozi and boutique sarees, terracotta items of Bankura, dokra crafts, burnt-clay home décor items, leather bags, artificial flowers, zari work items, flowers and plants for homes, orchids, bamboo and cane items, waxworks, shola items, masks, muslin items, tulaipanji rice, and various other handicraft and food items.

Handloom and handicrafts sectors flourish in Bangla

The handloom and handicrafts sectors of Bangla have seen a massive revival, under the guidance of Chief Minister Mamata Banerjee, in the last seven years.

From the issuance of identity cards, to the distribution of better equipment or the training of artisans – the State Government has extended all help to the people engages with this industry.

Thanks to the various fairs and exhibitions, and the Biswa Bangla Brand, handicrafts and handloom products of Bangla have now gone global.

Handloom industry flourishes

  • 5,31,075 Weavers’ Identity Cards (WIC) distributed in 2017, against nil as in 2011
  • 66,500 credit cards issued to weavers
  • 95,000 weavers imparted skill development training
  • 75,889 looms provided to loom-less weavers
  • 44 lakh cheaper variety cotton sarees produced
  • 16 times increase in creation of additional person-days – 533 lakh between financial years (FY) 2011-12 to 2017-18 as compared to 33.18 lakh till 2010-11
  •  1 lakh weavers being provided marketing support through Tanter Haats
  • 24.15 km link road constructed for better road network for handloom clusters Mega Carpet Clusters launched covering 3,500 weavers
  • Project Baluchari being implemented, involving 2,500 weavers
    Tantuja turned to a profit-making organisation from 2014-15, after making loss for decades – Rs 204.9 crore business turnover achieved by Tantuja in FY 2017-18


Revival of Bangla handicrafts

  • 5,31,772 Artisan Identity Cards issued between FYs 2011-12 and 2017-18 as compared to 37,213 between FYs 2006-07 and 2017-18
    12,000 credit cards issued to artisans
  • 10 Rural Craft Hubs established (in collaboration with UNESCO), benefitting 25,000 artisans. The project has attracted about 80,000 tourists in the last 3 years.
  • 27 marketing outlets set up for artisans in the last 3 years
  • Rs 924 crore business generated from fairs and exhibitions
  • Manjusha started making profit from FY 2015-16 after making loss for three decades; over Rs 91 crore turnover achieved in FY 2017-18
  • 8 Biswa Bangla showrooms functioning in and outside Bengal, from which more than Rs 50 crore in sales generated till 2017

After the success of baluchari showroom, now exclusive jamdani showroom

Baluchari and jamdani are two of the most beautiful examples of sarees from Bengal. The State Government has been making a lot of efforts to make them more popular. As a result, the lot of the handloom weavers who make these is also improving.

Depending on the quality and types of saree, the earning of weavers has increased from 200 to 250 per day to Rs 350 to 500 per day.

Last April, Tantuja had opened an exclusive showroom for baluchari products on Park Street, Kolkata – not just sarees, but readymade garments, kurtas, belts, ladies’ bags and home décor items too.

The huge success of that has now encouraged Tantuja to open another exclusive outlet – this time for jamdani products, on Lenin Sarani.

It is going to be opened to the public in early 2018. To make the jamdani sarees more affordable, products covering a wide range of prices would be available – from Rs 2,000 to Rs 1 lakh.

Tantuja’s exclusive baluchari showroom has seen unprecedented success. From sales worth Rs 10 to 12 lakh per year, covering all the outlets, this one outlet, during the first six months from April 2017, has sold goods worth Rs 52.17 lakh.


তাঁতশিল্পের প্রসারে এবার জামদানির নয়া বিপণন

বাংলার তাঁতশিল্পের বাজারকে আরও ছড়িয়ে দিতে এবার জামদানি শাড়িতে নজর দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। নবাবি আমলের মুঘল দরবারি চিত্রকলার সঙ্গে বাংলার নকশি কাঁথায় মন্দির টেরাকোটার বুননে তৈরী বালুচরির চাহিদা বরাবরই ছিল। বালুচরির বিক্রী বাড়াতে আট মাস আগে ‘এক্সক্লুসিভ’ বিপণন কেন্দ্র গড়েছে রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন ‘তন্তুজ’। একই ধাঁচে বাংলার বস্ত্রশিল্পের ওপর এক অতুলনীয় সৃষ্টি জামদানির বাজারকে চাঙ্গা করে তুলতে শহরের বুকে আরও একটি নতুন এক্সক্লুসিভ বিপণন কেন্দ্র গড়ে তুলছে তারা।

লেনিন সরণীতে এই শোরুমটি তৈরী হচ্ছে। টেন্ডার ডেকে কাজ শুরু হয়ে গেছে। এখানে থাকবে নানা ধরনের জামদানি শাড়ি। দুই আড়াই হাজার থেকে শুরু করে একলাখি জামদানিও পাওয়া যাবে এখানে।

পার্ক স্ট্রীটে তন্তুজের বালুচরি শাড়ির ‘এক্সক্লুসিভ’ বিপণন কেন্দ্রটি চালু হয়েছে গত এপ্রিল মাসে। সংস্থার সূত্র থেকে জানা গেছে, আগে সংস্থার বিভিন্ন শোরুম থেকে বালুচরি বিক্রী করে বার্ষিক আয় হত বড়জোর ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা। নতুন বিপণন কেন্দ্রটির দৌলতে তা বেড়েছে পাঁচগুণেরও বেশী। এপ্রিল থেকে অক্টোবর মাত্র ছয় মাসে সেখান থেকে বালুচরি বিক্রী হয়েছে ৫২ লক্ষ ১৭ হাজার টাকার।

বালুচরি, স্বর্ণচরি ও জামদানি বাংলার হস্তশিল্পের অন্যতম নিদর্শন। তাই এদের জনপ্রিয়তা বাড়াতেই এরম উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বালুচরির এক্সক্লুসিভ শোরুমটি থেকে বিপুল লাভের পরেই এই নতুন বিপণনটি খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের শুরুতেই এই কেন্দ্রটি উদ্বোধন করা হবে।

তন্তুজের এই উদ্যোগে প্রধানত উপকৃত হচ্ছেন বাংলার তাঁতশিল্পীরা। তাদের দৈনিক মজুরীও অনেক বেড়েছে। শাড়ির ধরন অনুযায়ী তাঁতিরা প্রতিদিন ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকার মতো মজুরি পাচ্ছেন। আগে এই মজুরি ছিল ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে।

এখন আরও একটি এক্সক্লুসিভ বিপণী খোলার পর বাংলার তাঁতশিল্প যেমন অন্য মাত্রা পাবে, তেমনই তাঁতিদের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত হবে।


‘Banglar Tant-er Haat – 2017’ has become the go-to venue for Puja shopping

It is a fight for customers’ hearts and minds – silks from Basoa in Birbhum and baluchari from Bishnupur, muslin from Murshidabad and kantha stitch of Abadanga from Birbhum. This is the welcome scene at ‘Banglar Tant-er Haat – 2017’.

It started on August 12 at Milan Mela, and will continue for 24 days, till September 4. The fair is already drawing appreciative crowds from across the city and its suburbs.

The fair is being held at four pavilions. Three of the pavilions are selling articles of silk, cotton, tangail, kantha stitch, etc. while the fourth is dedicates to handicrafts. Not just sarees but shirts and kurtas are also being held.

Also being sold are other traditional handicrafts like dokra work from Ausgram in Bardhaman district, traditional jewellery from Shantiniketan and pata work from Pingla.

Besides individual artisans from different districts, this year the fair has also given space to NGOs involved with handloom and different handloom organisations.

For the visitors, this has become a popular shopping venue for Durga Puja. From clothes to jewellery to home décor to articles for gifting – everything is available. Some of the handicraft sellers are even making jewellery like necklaces and earrings then and there according to customers’ demands.

Source: Millennium Post


পুজোর বাজারে মিলনমেলার তাঁতের হাটও বাঙালির গন্তব্য

বীরভূমের বসোয়ার সিল্কের সঙ্গে বিষ্ণুপুরের বালুচরির লড়াই, আবার মুর্শিদাবাদের মসলিনের সঙ্গে বীরভূমের আবাডাঙার কাঁথাস্টিচ। এই নিয়ে ধীরে ধীরে জমে উঠছে তাঁত মেলা। মিলনমেলা প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে বাংলার তাঁতের হাট। নামে তাঁতের হাট হলেও, তাতে সিল্ক থেকে খাদি— সবই রয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা হস্তশিল্পীদের নানান কাজের সম্ভার চাক্ষুষ করার সুযোগ হাতছাড়া করতে রাজি হচ্ছেন না কেউই। আর তাই আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই মেলা চলবে।

মিলনমেলা প্রাঙ্গণে চারটি প্যাভেলিয়ানে এই তাঁতের হাট চলছে। তার মধ্যে চার নম্বর প্যাভেলিয়ানটি শুধুমাত্র হস্তশিল্পের উপরই তৈরি হয়েছে। অন্যান্য প্যাভেলিয়ানেও সিল্ক, তাঁত, কাঁথাস্টিচ, বালুচরি, টাঙাইল প্রভৃতি শাড়ির সম্ভার রয়েছে।

শুধু শাড়ি নয়, খাদি, সিল্ক না কাঁথাস্টিচের শার্ট, পাঞ্জাবি সবই রয়েছে এখানে। রয়েছে বর্ধমানের আউশগ্রামের ডোকরা, শান্তিনিকেতনের হাতের কাজের নানা গয়না, পিংলার পটের কাজও। অর্থাৎ পুজোর বাজার করতে এসে ঘর সাজানোর সামগ্রী থেকে সাজের জিনিস— সবই মিলবে এখানে বসেই । ক্রেতাদের চাহিদামতোই হার, কানের দুল আমরা তৈরি করে দিচ্ছে শিল্পীরাই।


Baluchari, Kantha and Silk Mela at Salt Lake

A 20-day ‘Baluchari, Kantha and Silk Mela’ started on July 18 at Salt Lake Sector-III. It would continue till August 6. The fair is open every day from 2 PM to 8.30 PM. The fair is being organised by the State Department of Commerce and Industries.

Craftspeople and handloom workers from all over Bengal are taking part in this fair. Among the various products being sold at the fair are Baluchari and tussar sarees, hand-painted silk sarees, embroidered kanthas, sarees made of silk and cotton, batik print kurtis, t-shirts for children with popular characters from Bengali comics like Gopal Bhand and Handa-Bhonda painted on them, bed sheets, bags, meenakari-on-bronze jewellery and wall hangings.

There is a lot of enthusiasm around the fair.

Source: Aajkal

বালুচরি, কাঁথা ও সিল্ক মেলা হচ্ছে বিধাননগরে

রাজ্য শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের উদ্যোগে ১৮ই জুলাই থেকে বিধাননগরের সেক্টর ৩-তে শুরু হয়েছে বালুচরি, কাঁথা ও সিল্ক মেলা। এই মেলা চলবে ৬ই আগস্ট পর্যন্ত। প্রতিদিন মেলা খোলা থাকবে দুপুর ২টো থেকে সন্ধ্যে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত।

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হস্তশিল্পী ও তন্তুশিল্পীরা এই মেলায় অংশগ্রহণ করছেন। অন্যান্য জিনিসের সঙ্গে বালুচরি, তসর, হাতে রঙ করা সিল্কের শাড়ি, নক্সা করা কাঁথা শাড়িও পাওয়া যাবে। মিলবে বাটিক প্রিন্টের কুর্তি, ছোটদের জন্য জনপ্রিয় বাংলা কমিক চরিত্রের ছবি দেওয়া টি-শার্ট। বেড-শিট, ব্যাগও পাওয়া যাবে এই মেলায়। মিনাকারী কারুকার্য করা তামার গয়নাও মিলবে এই মেলায়। ঘরের দেওয়াল সাজানোর জিনিসপত্রও পাওয়া যাবে এখানে।

মেলাটিকে ঘিরে মানুষের উৎসাহ বেশ চোখে পড়ার মত।



Tantuja partners weavers’ society to revive Baluchari

Trailing the lost glory, some enthusiastic Kolkatans took the project to revive Baluchari – the pure mulberry silk yarn without the use of zari. Baluchari ‘Buti’ saaris are acclaimed for the soft lustrous texture, glowing colours and distinctive motifs.

The Government of West Bengal has joined hand with the endeavour. Tantuja, under West Bengal State Handloom Weavers Cooperative Society has joined hand with a city based textile company to undertake slew of activities to restore the Baluchari’s magnificent history.

The Government of West Bengal got Geographical Indication (GI) of Baluchari sari in 2012. The geographical indication registration number 173 and the registered proprietor is director of handloom, West Bengal. There will be a showcasing of sari and inception of the programme, ‘Baluchari: Bengal and Beyond’ will start on November 18 and continue till December 4. A seminar will also take place on Baluchari in November 19.


বালুচরি শাড়ির পুনরুজ্জীবনে নতুন উদ্যোগ তন্তুজর

বাংলার হৃতপ্রায় ঐতিহ্য বালুচরি শাড়ির পুনরুজ্জীবনের লক্ষে এগিয়ে এসছেন কিছু কলকাতাবাসী। এই প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার।রাজ্য সরকারি সংস্থা তন্তুজ হাত মিলিয়েছে এই শহরের বেসরকারি এক বস্ত্র প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে।

আগামী নভেম্বর মাসের ১৮ তারিখে “বালুচরী – বেঙ্গল এন্ড বিয়ন্ড” শীর্ষক একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রদর্শনীটি চলবে ডিসেম্বর মাসের ৪ তারিখ পর্যন্ত। আশা করা যায় এই উদ্যোগে বালুচরি শাড়ি পুনরুজ্জীবিত হবে।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে জিআই ট্যাগ পায় এই শাড়ি।

Bengal Govt to go online with promote Bengal’s Muslin and Baluchari

The West Bengal Handicrafts Development Corporation will inaugurate the country’s first genre-specific online store www.balucharisaree.inand soon an app, exclusively for Baluchari sarees.

Buyers can not only buy Baluchari sarees directly, they can give their design to the weavers and thus customise the product. Besides Baluchari sarees, bags, jackets and ties will also be available.

The demand of Baluchari sarees was going up fast, both in the country and abroad. Apart from the sarees, buyers are interested in various other Baluchari products such as Baluchari jackets and bags which are hand woven with Baluchari designs.

The State Government will encourage budding designers to direct the traditional weavers to make their products contemporary.

West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee had emphasised on reviving Bengal’s traditional culture, which includes Baluchari and muslin. The weavers have been trained and cooperatives have been formed to look after them.

The Baluchari and muslin weavers, who were on the brink of extinction, have got a new lease of life. She has also stressed on the need to sell these products and has proposed to set up Biswa Bangal stalls abroad.


বাংলার বালুচরি শাড়ি এবার  পাওয়া যাবে অনলাইনে

পশ্চিমবঙ্গ হস্তশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন বালুচরি শাড়ির জন্য দেশের মধ্যে অনলাইন ষ্টোরের জন্য প্রথম একটি অ্যাপও চালু করবে।

ক্রেতারা শুধুমাত্র সরাসরি বালুচরি শাড়ি কিনতে পারবেন তা নয় তারা তাঁতিদের নানারকম নকশাও দিতে পারেন। বালুচরি শাড়ির পাশাপাশি এখানে ব্যাগ, জ্যাকেট, টাইও পাওয়া যাবে।

দেশ-বিদেশে বালুচরি শাড়ির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। শাড়ি ছাড়াও বালুচরির অন্যান্য প্রোডাক্ট যেমন বালুচরি জ্যাকেট, বালুচরি ব্যাগ ইত্যাদির চাহিদা বেশি ক্রেতাদের মধ্যে।

আধুনিক মানের প্রোডাক্ট তৈরি করার জন্য রাজ্য সরকার উদীয়মান তাঁত শিল্পীদের উৎসাহিত করবে।

বাংলার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি বালুচরি এবং মসলিন শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার উপর জোর দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের দেখাশোনা করার জন্য সমবায় গঠন করা হয়েছে।

বাংলার বালুচরি ও মসলিন তাঁতিরা যারা কিন্তু বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছিলেন তারা জীবনের এক নতুন ইজারা পেয়েছেন।

তিনি এই পণ্য বিক্রির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে এবং বিদেশে বিশ্ববাংলা স্টলে এইসব পণ্য বিক্রি করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

GI tags for sitabhog, mihidana

Some of your favourite sweets are soon expected to be sold only in the genuine form, courtesy the State’s Department of Science and Technology. The department has applied for Geographical Indication (GI) registration for Bardhaman’s sitabhog and mihidana. All documents have been sent to the Geographical Indication Registry in Chennai, and a positive outcome is expected soon.

The registration, which is a kind of patenting, guaranteeing the fact that a particular product can only be made/grown in a particular way and only in a particular place/region for it to be considered genuine, would not only help the makers of the real sweets to increase their sales and widen their market (as they can then push their products, courtesy their certificates of genuineness) but also, as a result, encourage them to improve their qualities. For a start, the Biswa Bangla store at Netaji Subhash Chandra Bose International Airport, Kolkata, whose customer base includes international and national travellers, is stocking these two prides of Bardhaman district.

The Government has been encouraged in its effort through the successful registration of the famous mowa of Joynagar last year.

Since 2004, when Darjeeling Tea became the first Indian product to get the GI tag, as the registration is often referred to, 235 products (till March 2015) from India have been registered thus. However, the share of West Bengal is very small. Some of the State’s GI gems are are the saris Baluchari, Dhonekhali and Shantipuri, the mangoes langra, Laxman bhog and fazli, kantha stitch products, and leather goods of Santiniketan.

Now this scenario is going in for a major makeover. West Bengal has enough products of timeless heritage, whose brand value is well-known too, both in the national and, for some, in the international market. However, the lack of GI registration has enabled the proliferation of cheap fakes.

The State Government has big plans to register many such unique products. Two other sweets, langcha from Shaktigarh and sarpuria from Krishnanagar, are already in the pipeline.

It’s a common enough sight in many parts of the State, especially in the south: shops selling sitabhog and mihidana from Bardhaman. Yet often they are anything but. Replicas have flooded the State; and people often unknowingly buy them. Now, the sweet-makers are on the cusp of a sweet deal, and their lives would change for the better.