Handloom and handicrafts sectors flourish in Bangla

The handloom and handicrafts sectors of Bangla have seen a massive revival, under the guidance of Chief Minister Mamata Banerjee, in the last seven years.

From the issuance of identity cards, to the distribution of better equipment or the training of artisans – the State Government has extended all help to the people engages with this industry.

Thanks to the various fairs and exhibitions, and the Biswa Bangla Brand, handicrafts and handloom products of Bangla have now gone global.

Handloom industry flourishes

  • 5,31,075 Weavers’ Identity Cards (WIC) distributed in 2017, against nil as in 2011
  • 66,500 credit cards issued to weavers
  • 95,000 weavers imparted skill development training
  • 75,889 looms provided to loom-less weavers
  • 44 lakh cheaper variety cotton sarees produced
  • 16 times increase in creation of additional person-days – 533 lakh between financial years (FY) 2011-12 to 2017-18 as compared to 33.18 lakh till 2010-11
  •  1 lakh weavers being provided marketing support through Tanter Haats
  • 24.15 km link road constructed for better road network for handloom clusters Mega Carpet Clusters launched covering 3,500 weavers
  • Project Baluchari being implemented, involving 2,500 weavers
    Tantuja turned to a profit-making organisation from 2014-15, after making loss for decades – Rs 204.9 crore business turnover achieved by Tantuja in FY 2017-18


Revival of Bangla handicrafts

  • 5,31,772 Artisan Identity Cards issued between FYs 2011-12 and 2017-18 as compared to 37,213 between FYs 2006-07 and 2017-18
    12,000 credit cards issued to artisans
  • 10 Rural Craft Hubs established (in collaboration with UNESCO), benefitting 25,000 artisans. The project has attracted about 80,000 tourists in the last 3 years.
  • 27 marketing outlets set up for artisans in the last 3 years
  • Rs 924 crore business generated from fairs and exhibitions
  • Manjusha started making profit from FY 2015-16 after making loss for three decades; over Rs 91 crore turnover achieved in FY 2017-18
  • 8 Biswa Bangla showrooms functioning in and outside Bengal, from which more than Rs 50 crore in sales generated till 2017

After the success of baluchari showroom, now exclusive jamdani showroom

Baluchari and jamdani are two of the most beautiful examples of sarees from Bengal. The State Government has been making a lot of efforts to make them more popular. As a result, the lot of the handloom weavers who make these is also improving.

Depending on the quality and types of saree, the earning of weavers has increased from 200 to 250 per day to Rs 350 to 500 per day.

Last April, Tantuja had opened an exclusive showroom for baluchari products on Park Street, Kolkata – not just sarees, but readymade garments, kurtas, belts, ladies’ bags and home décor items too.

The huge success of that has now encouraged Tantuja to open another exclusive outlet – this time for jamdani products, on Lenin Sarani.

It is going to be opened to the public in early 2018. To make the jamdani sarees more affordable, products covering a wide range of prices would be available – from Rs 2,000 to Rs 1 lakh.

Tantuja’s exclusive baluchari showroom has seen unprecedented success. From sales worth Rs 10 to 12 lakh per year, covering all the outlets, this one outlet, during the first six months from April 2017, has sold goods worth Rs 52.17 lakh.


তাঁতশিল্পের প্রসারে এবার জামদানির নয়া বিপণন

বাংলার তাঁতশিল্পের বাজারকে আরও ছড়িয়ে দিতে এবার জামদানি শাড়িতে নজর দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। নবাবি আমলের মুঘল দরবারি চিত্রকলার সঙ্গে বাংলার নকশি কাঁথায় মন্দির টেরাকোটার বুননে তৈরী বালুচরির চাহিদা বরাবরই ছিল। বালুচরির বিক্রী বাড়াতে আট মাস আগে ‘এক্সক্লুসিভ’ বিপণন কেন্দ্র গড়েছে রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন ‘তন্তুজ’। একই ধাঁচে বাংলার বস্ত্রশিল্পের ওপর এক অতুলনীয় সৃষ্টি জামদানির বাজারকে চাঙ্গা করে তুলতে শহরের বুকে আরও একটি নতুন এক্সক্লুসিভ বিপণন কেন্দ্র গড়ে তুলছে তারা।

লেনিন সরণীতে এই শোরুমটি তৈরী হচ্ছে। টেন্ডার ডেকে কাজ শুরু হয়ে গেছে। এখানে থাকবে নানা ধরনের জামদানি শাড়ি। দুই আড়াই হাজার থেকে শুরু করে একলাখি জামদানিও পাওয়া যাবে এখানে।

পার্ক স্ট্রীটে তন্তুজের বালুচরি শাড়ির ‘এক্সক্লুসিভ’ বিপণন কেন্দ্রটি চালু হয়েছে গত এপ্রিল মাসে। সংস্থার সূত্র থেকে জানা গেছে, আগে সংস্থার বিভিন্ন শোরুম থেকে বালুচরি বিক্রী করে বার্ষিক আয় হত বড়জোর ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা। নতুন বিপণন কেন্দ্রটির দৌলতে তা বেড়েছে পাঁচগুণেরও বেশী। এপ্রিল থেকে অক্টোবর মাত্র ছয় মাসে সেখান থেকে বালুচরি বিক্রী হয়েছে ৫২ লক্ষ ১৭ হাজার টাকার।

বালুচরি, স্বর্ণচরি ও জামদানি বাংলার হস্তশিল্পের অন্যতম নিদর্শন। তাই এদের জনপ্রিয়তা বাড়াতেই এরম উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বালুচরির এক্সক্লুসিভ শোরুমটি থেকে বিপুল লাভের পরেই এই নতুন বিপণনটি খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের শুরুতেই এই কেন্দ্রটি উদ্বোধন করা হবে।

তন্তুজের এই উদ্যোগে প্রধানত উপকৃত হচ্ছেন বাংলার তাঁতশিল্পীরা। তাদের দৈনিক মজুরীও অনেক বেড়েছে। শাড়ির ধরন অনুযায়ী তাঁতিরা প্রতিদিন ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকার মতো মজুরি পাচ্ছেন। আগে এই মজুরি ছিল ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে।

এখন আরও একটি এক্সক্লুসিভ বিপণী খোলার পর বাংলার তাঁতশিল্প যেমন অন্য মাত্রা পাবে, তেমনই তাঁতিদের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত হবে।


After tremendous success in retail stores, Tantuja looks to capture e-commerce platform

The huge profits are enough to tell the story of Tantuja, which recently launched a successful partnership with Flipkart and Amazon. Tantuja’s products, especially sarees, are now available on these most popular of e-commerce platforms.

Once ailing due to financial crisis, the organisation under West Bengal State Handloom Weavers Cooperative Society made a record operational profit of Rs 3.5 crore against a turnover of Rs 123.19 crore in the financial year 2015-16.

The profit margin was Rs 2.05 crore in 2014-15 against a turnover of Rs 106.67 crore.

In the current year, that is, 2016-17, the turnover has already crossed crossed Rs 125 crore.

“We have tied up with Amazon. We were selling Tantuja sarees through Flipkart and have clocked sales of Rs 50 lakh”, said state MSME Minister Swapan Debnath. Tantuja, a State Government undertaking, has 48 stores as of now and plans to open at least two more stores in Digha and Mumbai soon.

“We are expanding our stores and also harnessing the multiple e-commerce marketplace portals to expand our reach”, the Minister added.

Biswa Bangla stores at airports and at a few major locations, including the national capital, sell Tantuja products as well. However, Tantuja products will not offer any special discounts in the online marketplace and will maintain the same price strategy for both online and offline stores.

Meanwhile, Tantuja is planning an exclusive line of Banarasi wedding sarees by roping in weavers from Varanasi. These exclusive sarees will cater to niche clientele across the world. This measure will help in raking in higher revenues in the years to come, MSME Department officials believe.

The State Government would consider capex support for expansion of Tantuja, but the Government will not subsidise operational expenses.

Tantuja has been churning out profits over the last three years. The profits have made it one of the best turnaround stories of Bengal. Chief Minister Mamata Banerjee has undertaken a personal endeavour to revitalise the organisation; her Tant Sathi Scheme has played a vital role. An amount of Rs 120 crore has now been allotted to Tant Sathi for paying as compensation to ‘tant’ (handloom) weavers.

Speaking about the use of multiple marketing channels by Tantuja, a senior official at the State secretariat, Nabanna said that the adoption of ‘omni-channel marketing route’ to expand Tantuja’s reach is also the Chief Minister’s brainchild. It will help in reaching out to more customers, besides introducing new products.

Tantuja, set up in 1945, has been awarded the esteemed Images Retail Award by a private organisation in Mumbai.

It has also been acknowledged as the ‘Best Turnaround Story’ by Indian Retail Forum, the biggest retail platform in India. This award was given for Tantuja’s innovative branding, marketing and retailing strategies and for concept building, after having been a loss-making company for the last 25 years.

The erstwhile State Government established Tantuja to give healthy promotion to the weaving and craftsmanship which are a part of Bengal’s unique culture.

However, militant trade unionism and poor work culture turned it into a loss-making entity and eventually became a burden to the Government. Now, it is once again on the path of growth.



খুচরো ব্যাবসায়ে সাফল্যের পর ইকমার্সেও ঢুকতে চলেছে তন্তুজ


ইকমার্সে অন্যতম জনপ্রিয় সংস্থা ফ্লিপকার্ট ও অ্যামাজনের সঙ্গে অংশীদারিতে ব্যাবসার এক নতুন দিক খুলে খুব সাফল্যের সঙ্গে ব্যাবসা করছে তন্তুজ। এই সকল ওয়েবসাইটে তন্তুজর শাড়ি এখন খুবই জনপ্রিয়।

একসময় সরকারের এই সংস্থা ধুঁকতে থাকলেও এই ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে সাড়ে তিন কোটি টাকা লাভ করেছে তন্তুজ। আগের বছর লাভ করে দুকোটি টাকারও বেশি।

এই বছরের ব্যাবসা ইতিমধ্যেই ১২৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

ওই দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, আমরা অ্যামাজনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি, ফ্লিপকার্টের মাধ্যমে আমরা ৫০ লাখ টাকার ব্যাবসা করতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের ৪৮তি বিপনন কেন্দ্র আছে, তবে খুব শীঘ্রই আমরা দিঘা ও মুম্বাইতে দুটি কেন্দ্র খুলতে পরিকল্পনা করছি। আমরা আমাদের বিপনন কেন্দ্রের পাশাপাশি আরও ইকমার্সের সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি আমাদের ব্যাপ্তি বাড়াতে।

বিশ্ববাংলার বিপনন কেন্দ্রগুলি যা দিল্লি, বিমানবন্দর ও বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য জায়গায় আছে, তারাও তন্তুজর সামগ্রি বিক্রয় করে থাকে। তন্তুজ ইকমার্সে আলাদা কোন ছাড় দেবে না দামের ক্ষেত্রে।

ইতিমধ্যে, কাশীর বেনারসি শাড়ি প্রস্তুতকারক তাঁতিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বেনারসি শাড়িও তৈরি করা শুরু করতে চলেছে। এইধরনের শাড়িগুলি বিশ্বব্যাপী উচ্চবিত্ত মানুষদের উদ্দেশ্য করে তৈরি করা হবে। ওই সংস্থার আধিকারিকরা আশা করেন, এর ফলে সংস্থার বেশ ভাল আয় হবে।

রাজ্য সরকার এই প্রকল্পে কোন ভর্তুকি দেবে না কিন্তু সর্বপ্রকার সাহায্য করবে।

তন্তুজ সবেমাত্র গত তিনবছর ধরে লাভের মুখ দেখছে। মুখ্যমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তাঁত সাথী প্রকল্প এতে একটি গুরুত্তপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। ওই প্রকল্পের মাধ্যমে এখনও পর্যন্ত ১২০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে তাঁতিদের সাহায্যার্থে।

নবান্নের এক উচ্চপদস্থ সচিব জানান, বিপননের জন্য শুধু বিপনন কেন্দ্রর ওপর ভরসা না করে আরও নানা ভাবে বিক্রয় করার উদ্যোগটিও মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনা থেকেই এসেছে। নতুন দ্রব্য তৈরির পাশাপাশি নতুন নতুন ভাবে পণ্য বিক্রয় করলে নতুন অনেক ক্রেতা পাওয়া যাবে।

১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই সংস্থাটি, মুম্বাইয়ের এক বেসরকারি সংস্থার দ্বারা “খুচরো ব্যাবসায়ে সম্মানিত প্রতিচ্ছবির” জন্য পুরস্কৃত।

ভারতীয় খুচরো ব্যাবসায়ী ফোরাম এই সংস্থাকে ভূষিত করেছে “সেরা ঘুরে দাঁড়ানোর রুপকথা” আক্ষায়। টানা ২৫ বছর লোকসানে থাকা সংস্থাটি নিজের প্রচেষ্টায় ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য।

বাংলার সংস্কৃতির ধারা অব্যাহত রেখে রাজ্য সরকার প্রধানত তাঁতি ও শিল্পীদের উন্নয়নের জন্যই এই সংস্থাটি গড়ে তোলে।

জঙ্গি শ্রমিক ইউনিয়ন ও কর্মসংস্কৃতি খারাপ থাকার কারনে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সংস্থাটি লোকসানের মুখ দেখতে শুরু করে ও আসতে আসতে সরকারের বোঝা হয়ে দাড়ায়। এখন আবার এই সংস্থাটি রাজ্যের কাছে গর্বের বিষয়।