Latest News

August 18, 2016

WB Govt forms GoS to speed up the deep sea port at Tajpur

WB Govt forms GoS to speed up the deep sea port at Tajpur

The state government has formed a Group of Secretaries (GoS) to recommend the suitable investment model that to be taken up to develop the first state-owned deep sea port in Tajpur, West Bengal.

The policy was formed in the meeting of Cabinet Standing Committee on Industry headed by Chief Minister Mamata Banerjee in Nabanna on Wednesday.

In a press conference in Nabanna on Wednesday, Dr Amit Mitra that that the firm, CRISIL has submitted the report and they have also recommended a set of investment models besides assessing the profit to be generated once the port becomes fully functional.

The GoS will be headed by the Chief Secretary with principal secretaries of the departments who are related to the project like transport and finance, as other members.

The GoS has been formed to talk to experts in construction of ports and submit a report after studying the transaction advisory report of CRISIL suggesting the model that the state should take up within the next 10 to 15 days. The report of GoS will be the report of the state government complementing the report of CRISIL that had prepared the detailed project report. He said there are two basic models.

The State has to make an initial investment to attract investors if equity model is taken up or there is open tendering model that would need private investment from the very beginning or else there is also provision for “hybrid model”. But whatever the model would be, bidding through e-tendering will be done. Within a month after the GoS submits its report to the Chief Minister, the Request for Proposal for bidding will be issued and it would take around three to three and half years to complete the Phase-I of the project that will come up at a cost of Rs 5,000 crore.

In Phase-I, six of the total 15 berths will be constructed and rest of the nine berths will come up in Phase-II.

All the terminals will be multipurpose ones. There will be facilities to handle petroleum, dry bulk cargo and container cargoes in all the terminals. Moreover, there would be dredging work of only 18.8 km channels.

The silt that would be dredged out will be used again to form a reclaim land of a dimension of 2 km in length and 2.5 km in breadth on which the major portion of the port will come up. Thus there is no need of any land acquisition.

Vessels with a parcel size of 60,000 tonnes will able to avail the port with 15 metre draft which is several times more than that of the Haldia Port.

Dr Mitra said as per the projection of CRISIL, there will be 15.9 per cent post tax internal rate of return (IRR) and 20.2 per cent would be the post tax equity internal rate of return. Moreover, the next present value project cost would be Rs 2,199 crore over the next 30 years which suggests that it is going to be a highly profitable port.

The port is situated just at a distance of 8 km from the state highway. The nearest railway point is just 12 km away. Thus, there no much expenditure needed for infrastructure like construction of bridges as it is required for the Sagar port.

At the same time two ports will come up in Kulpi including one with a ship breaking and building unit.


তাজপুরে গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরি করছে রাজ্য সরকার

কলকাতা, হলদিয়ার পর আরও চারটি বন্দর তৈরি হচ্ছে রাজ্যে৷ তাজপুর ও শঙ্করপুরের মাঝে তাজপুর গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি  করছে রাজ্য৷

পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতেও একটি বন্দর তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে৷ এ ক্ষেত্রে প্রথম পর্যায়ে ৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে রাজ্য সরকার। বন্দরকে ঘিরে শিল্পতালুক গড়ে উঠবে ও প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ মিলবে বলে মনে করছেন রাজ্যের আধিকারিকরাও৷

বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে শিল্প বিষয়ক ক্যাবিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে তাজপুরে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরির প্রক্রিয়া অনুমোদিত হয় ৷ রাজ্য সরকারের সচিবদের নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হচ্ছে৷ ১৫ দিনের মধ্যে ‘গ্রুপ অফ সেক্রেটারিজ’ রিপোর্ট দেবে মুখ্যমন্ত্রীকে৷

শিল্প ও অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র জানিয়েছেন, আগামী তিন থেকে সাড়ে তিন বছরের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হবে৷ প্রথম পর্যায়ে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে৷ যেহেতু ১১৬ বি জাতীয় সড়ক থেকে ওই এলাকার দূরত্ব মাত্র আট কিলোমিটার ও কাঁথি রেলস্টেশন থেকে বড়জোর ২৩ কিলোমিটার, তাই পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে খুব বেশি খরচ করতে হবে না রাজ্যকে৷

শিল্পমন্ত্রীর কথায়, “কোনও ব্রিজ করতে হবে না৷ কাছের রেল পয়েন্ট প্রায় ১২ কিলোমিটার৷ পরিকাঠামোয় খরচ করতে হবে ১৬০ কোটি টাকার মতো৷ সবমিলিয়ে প্রায় ১৫ মিটারের মতো গভীর হবে এই সমুদ্র বন্দর৷ সমুদ্র থেকে তৈরি করতে হবে প্রায় ১৮ কিলোমিটার চ্যানেল৷ এর ফলে বড় জাহাজ আসতে পারবে”।

তিনি আরও জানান, “প্রথম দফায় ছটি বার্থ তৈরি করা হবে৷ পরের দফায় হবে ৯টি বার্থ৷ তাজপুরের প্রত্যেকটি টার্মিনাল বহুমুখী কাজের হবে৷ ড্রাই কার্গোর সঙ্গে কন্টেনার কার্গো হিসাবেও কাজ করতে পারবে”।