Latest News

August 25, 2016

Biswa Bangla scripts the revival of Bengal’s doll art

Biswa Bangla scripts the revival of Bengal’s doll art

At a time when the ancient art forms of the world are on the brink of extinction, the West Bengal government has launched an effort to revive the craft of ‘doll’ making.

This exquisite craft, prevalent in rural Bengal, has been passed on for generations. For example, artists make dolls made of palm leaves in Burdwan; in East Midnapore, shellac dolls are still made.

Recently a workshop – organised jointly by the State MSME and I&CA departments – was conducted in Kolkata where around 40 craftsmen from 20 districts participated with more than 50 types of dolls.

Doll Revival Project

A unique collection of 27 types of dolls are being made for the seven Biswa Bangla stores across the country, where these will be showcased.

Biswa Bangla will go for association and tie-ups to promote these dolls. A pilot project has been taken up to understand the demand for these products in the market. The doll revival project has included 50 artisans from various parts of Bengal including places like Nadia, Midnapore, Burdwan, Murshidabad, Bankura among others.

Every doll would come with a written note, narrating its history and place in Bengal’s folklore, the place it comes from and the name of the artist who crafted it.

Some dolls are as cheap as Rs 10; some on the higher side are about Rs 3,000 per piece. Some dolls are made of clay, some in wood, or sponge, palm leaf or jute. The most expensive ones available at the stores will be the dancing ‘beni’ – the local word for braided long hair – dolls of Midnapore.


Image source:

বাংলার হারানো পুতুল শিল্প পুনরুদ্ধারে নামল রাজ্য সরকার

ক্রমশ বাংলার পুতুল শিল্প তার নিজস্ব ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলছে। এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে রাজ্য সরকারের উদ্যোগ বাংলার পুতুল কর্মশালা।

এই নিপুণ হস্তশিল্প গ্রাম বাংলায় পর পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে। উদাহরণস্বরূপ, বর্ধমানের শিল্পীরা তালপাতা দিয়ে বিভিন্নরকম পুতুল নির্মাণ করেন, পশ্চিম মেদিনীপুরে এখনোও লাক্ষা পুতুল তৈরি হয়।

MSME এবং  I&CA দপ্তরের উদ্যোগে যৌথভাবে কলকাতায় একটি ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়েছে। ২০টি জেলা থেকে প্রায় ৪০জন হস্তশিল্পী এখানে অংশগ্রহণ করবে,  প্রায় ৫০ রকমের হাতের তৈরি পুতুল এখানে প্রদর্শিত হবে।

পুতুল পুনর্নবীকরণ শিল্প

২৭ রকমের পুতুল তৈরি করা হচ্ছে যা সমগ্র রাজ্যে ৭টি বিশ্ব বাংলা স্টোরের প্রদর্শিত হবে।

বাজারে এসব পণ্যের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এই পাইলট প্রকল্পের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। বাংলার বিভিন্ন জায়গা যেমন- নদিয়া, মেদিনীপুর, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বাঁকুড়া সহ বাংলার বিভিন্ন অংশ থেকে ৫০ জন কারিগরদের নিযুক্ত করা হয়েছে।

প্রত্যেকটি পুতুলের গায়ে তার ইতিহাস, জায়গা, বাংলার লোকসাহিত্য, কোন জায়গা থেকে এটি এসেছে, শিল্পীর নাম সহ বিস্তারিত পরিচয় থাকবে।

কিছু পুতুল খুব কম দামে ১০ টাকায় পাওয়া যাওয়ার পাশাপাশি কিছু কিছু পুতুলের দাম রয়েছে ৩০০০ টাকা। এগুলি তৈরি হয়েছে মূলত মাটি, কাঠ, স্পঞ্জ, তাল পাতা ও পাট থেকে। সবচেয়ে জনপ্রিয় পুতুল হল পশ্চিম মেদিনিপুরের ‘বেণী’।