Panchayats dept to focus on development of rural roads

The Panchayats and Rural Development department has given special emphasis on the construction of rural roads in 2018-19. It may be mentioned that after Chief Minister Mamata Banerjee came to power in 2011, her government laid the main stress on the construction of rural roads.

A scheme has been undertaken for the construction of 35,000 km of rural roads. An instruction given to all the district magistrates by the department clearly states that the thrust area will be boulder-made roads, concrete roads, or roads built with gravels and paver blocks etc.

In case of the rural roads that are situated in different localities, canals need to be dug up to carry water. This step has been taken as rain water often damages the roads. Also, to construct metalled roads, stress will be on those with bigger lengths. It may be mentioned that due to construction of rural roads, the economy of the villages has gone up. The road connectivity has improved and the villages have become well connected now.

Because of better road connectivity, tourism has come up as a major source of earning money. Home stays are now playing a major role in the development of tourism in several districts, both in South and North Bengal, following the initiative taken up by the Chief Minister.

In several districts, new tourist lodges have come up and because of better rural road connectivity, most of the tourist lodges remain full on weekends and on special holidays. Apart from the construction of new roads, the Panchayats and Rural Development department has also given importance to the maintenance of roads. A road maintenance policy has been chalked out. The use of jute has been introduced in the construction of rural roads.


গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে জোর দিচ্ছে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ

২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই ২৭,০০০ কিলোমিটার রাস্তা তৈরী হয়েছে রাজ্যে।

ইতিমধ্যেই ৩৫,০০০ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। অনুন্নত এলাকায় বোল্ডারে তৈরী রাস্তা, কংক্রিট রাস্তা ও পভার ব্লক কিংবা পাথরকুচি দিয়ে তৈরী রাস্তা নির্মাণের ওপর জোর দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সব জেলাশাসকদের।

যে সব এলাকায় বৃষ্টির সময় রাস্তার অবস্থা খারাপ হয় সেই এলাকাগুলির রাস্তার সংস্কার, খাল সংস্কার সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি, পর্যটন সহ যোগাযোগ ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হবে। বিভিন্ন জেলায় অনেক ট্যুরিস্ট লজ তৈরি হয়েছে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হলে সেখানে পর্যটকদের সংখ্যাও বাড়বে।

নতুন সড়ক নির্মাণ ছাড়াও, রাস্তাগুলির রক্ষণাবেক্ষণেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণ নীতি তৈরি করা হয়েছে। গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে পাটের ব্যবহার চালু করা হয়েছে।


Centre should learn from Bengal: Mamata Banerjee

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today inaugurated and laid the foundation stones for several schemes and projects at Nadia district.

The CM also launched the construction work of 12,000 km of roads across the State from the stage. By 2019, 35,000 rural roads would be constructed in the State.

Some of the projects inaugurated by the CM today include blood component separation units, blood banks, power sub-stations, bridges, youth hostels, schools etc. She laid the foundation stones for power sub-stations, water supply projects, biogas plant, fisheries project, jetties among others.

The Chief Minister also distributed benefits under schemes like Kanyashree, Sabuj Sathi, Anandadhara, Gatidhara, and gave away land pattas, Kisan Credit Cards and other benefits.


Highlights of her speech:

  • Nadia district was neglected during the 34 years of Left Front rule. Now there is a tide of development.
  • Khajna tax on agricultural land has been abolished in Bengal. We have given compensation worth Rs 1200 crore for crops destroyed in floods
  • We have created a fund of Rs 100 crore so that farmers do not have to resort to distress selling.
  • Old age pension of farmers has been hiked to Rs 1000. Additional 34,000 farmers will receive the pension.
  • We have set up a Muslin Tirtha in Nadia district.
  • Tourism push in Nadia – Nabadwip heritage city and Mayapur World Heritage Centre.
  • 90% people of the State receive direct benefits from the State.
  • Construction of 12,000 km of roads have been flagged off today.
  • Our government never takes any decision which is against the interests of the people.
  • Our students are our pride.
  • We have increased the amount of Kanyashree scholarship to Rs 1000. University students have also been brought under the scheme.
  • We have started a merit scholarship for students to pursue higher education.
  • We have distributed 70,000 cycles to students of classes IX-XII.
  • We have started a new scheme ‘Ruposhree’ to help families, with annual income less than 1.5 lakh, in marrying their daughters off.
  • The Centre loves to beat their own drums. They have a scheme ‘Beti Bachao Beti Padhao’. Budget for the entire country is Rs 100 crore. In Bengal, we have spent Rs 5000 crore for Kanyashree.
  • The government is planning to bring FRDI Bill. Your savings will no longer be safe in banks. This will give rise to chit funds. Where will the poor people go? What will farmers, labourers, workers do?
  • In the name of demonetisation they have destroyed the economy. Small traders are suffering because of GST.
  • 12,000 farmers have committed suicide all over the country; mostly in BJP-ruled States.
    They are talking about doubling farmers’ income. How will they do it?
  • They announced a health insurance scheme without allocating money. Now they are saying States have to pay 40% cost. How can they force the States?
  • Bengal is a model in healthcare. Treatment is free at hospitals. Our Swasthya Sathi scheme covers 50 lakh people.
  • We have social security schemes for the unorganised sector.
  • We give rice and wheat at Rs 2/kg.
  • The Left Front Govt left behind a huge debt burden and the Centre takes away most of our revenue to pay off the instalments.
  • From birth to death, we have schemes for all phases of life.
  • We have reduced the interest rate on loans for self-help groups. We provide 30% subsidy on the loans.
  • স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি যাতে ঋণ নিতে পারেন তাই আমরা সুদের হার কমিয়ে দিয়েছি
  • The Centre has stopped funds for ICDS and ASHA workers. But now we are running these projects with our own funds.
  • We have provided scholarships to more than 1.7 crore minority students. 57 lakh SC/ST students have received scholarships.
  • We will hand over land pattas to refugees very soon.
  • Some parties incite Hindu-Muslim tension, stoke communal fire to put hurdles in the path of development.
  • Do not pay heed to the BJP. We have to maintain communal harmony. I appeal to everyone to ensure peace.
  • Hinduism brings everyone together. The religion is centuries old. BJP, which was formed in the 1980s, stands an aberration in the name of Hinduism.
  • Our youths and students must strive to make Bengal the best in the world.



বাংলাকে দেখে শেখা উচিত কেন্দ্রের: মুখ্যমন্ত্রী

আজ নদীয়া জেলার পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাসও করেন।

আজ নদীয়া জেলা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ১২০০০ কিঃমিঃ নতুন গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের কাজ উদ্বোধন করেন। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৯ সালের মধ্যে ৩৫০০০ গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ সম্পূর্ণ হবে।

মুখ্যমন্ত্রী যে সকল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন, তার কয়েকটি হল, ব্লাড কম্পোনেন্ট সেপারেশন ইউনিট, ব্লাড ব্যাঙ্ক, ডিজিটাল এক্সরে মেশিন, চক্ষু অপারেশনের জন্য বায়মেট্রিক মেশিন, ৩৩/১১ কে ভি সাব স্টেশন, চুর্নি নদীর ওপর সেতু, যুব আবাস, বিদ্যালয় ভবন, উচ্চ বাতিস্তম্ভ স্থাপন ইত্যাদি।

তিনি যে সকল প্রকল্পের শিলান্যাস করেন, তার কয়েকটি হল, ১৩২/৩৩ কে ভি সাব স্টেশন, ১০টি কর্মতীর্থ, ভাগীরথী নদীর জল পরিশ্রুতকরণ কেন্দ্র, ভাগীরথী নদীর তীরে পাড় বাঁধানো, মৎস্য প্রকল্প, ১৭টি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট, ২১০২ টি তাঁতঘর, বন্যাত্রান শিবির, স্থায়ী জেটি ইত্যাদি।

এছাড়াও তিনি কন্যাশ্রী, সবুজসাথী, গতিধারা, পাট্টা, কিষাণ ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদি পরিষেবা প্রদান করেন।


মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কিছু অংশ:

  • সিপিএমের আমলে নদিয়া জেলা অনেক অবহেলিত হয়েছে। এখন সেখানে উন্নয়নের জোয়ার।
  • বাংলায় কৃষকদের সব ঋণ মুকুব করে দেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ১২০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে সরকার।
  • কৃষকদের যাতে অভাবী ফসল বিক্রি করতে না হয় তার সহায়ক মূল্য হিসেবে একটি তহবিল তৈরি করা হয়েছে। এর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা।
  • কৃষকদের পেনশন ৭৫০ টাকা বারিয়ে ১০০০ টাকা করা হয়েছে। আরও প্রায় ৩৪ হাজার কৃষক এই সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা হবে।
  • নদিয়া জেলায় মসলিন তীর্থ তৈরী করা হয়েছে।
  • আগামী দিন নবদ্বীপ হেরিটেজ সহ মায়াপুর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এর ফলে নদিয়া জেলার পর্যটন অনেক উন্নত হবে।
  • রাজ্যের সব জেলায় প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষের কাছে সরকারী পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
  • ১২,০০০ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হবে। আজ শুভ সূচনা হল।
  • আমাদের সরকার মা মাটি মানুষের সরকার। এই সরকার জনগণের বিরুদ্ধে কোন কাজ করে না। মা মাটি মানুষের সরকারের কথার দাম খুব বেশি।
  • আমাদের ছাত্র সমাজ আমাদের গর্ব।
  • কন্যাশ্রী স্কলারশিপের টাকা ৭৫০ টাকা থেকে বারিয়ে ১০০০ টাকা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদেরও এই স্কলারশিপের আওতায় আনা হয়েছে।
  • ছাত্রছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষার জন্য আমরা মেরিট স্কলারশিপ চালু করা হয়েছে।
  • নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে প্রায় ৭০ লক্ষ সবুজ সাথী সাইকেল দেওয়া হয়েছে।
  • নতুন প্রকল্প ‘রূপশ্রী’ চালু করা হয়েছে। বার্ষিক ইনকাম ১.৫ লক্ষ টাকা হলে সেই পরিবারের মেয়েদের ১৮ বছর বয়সের পর বিবাহের জন্য ২৫০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেবে সরকার।
  • দিল্লির সরকার মুখে বড় বড় কথা বলে। ওদের একটি প্রোগ্রাম আছে ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’, তার বাজেট মাত্র ১০০ কোটি টাকা আর বাংলার কন্যাশ্রী প্রকল্পে আমরা ৫০০০ কোটি টাকা খরচ করেছি।
  • কেন্দ্রীয় সরকার FRDI বিল আনার পরিকল্পনা করছে। এর ফলে জনগণের টাকা ব্যাঙ্কের দরকার মতো ব্যাঙ্ক নিয়ে নেবে জনগণকে জিজ্ঞেস না করেই। মানে সাধারণ মানুষ ব্যাঙ্কে টাকা রেখে নিশ্চিন্ত হতে পারবে না। গরীব মানুষ, কৃষক, শ্রমিক কোথায় রাখবে? এটা কালা কানুন। আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি। দরকার হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।
  • নোটবন্দীর নামে মানুষের লক্ষ্মীর ভাঁড়গুলো কেড়ে নিয়েছ, জিএসটির জন্য একটা দোকান চলছে না ভালো করে।
  • ১২০০০ কৃষক সারা দেশে আত্মহত্যা করেছে, তাঁর মধ্যে সবচেয়ে বেশী যেখানে বিজেপির শাসন আছে। এখন বলছে কৃষকদের আয় বাড়াবো, কোথা থেকে বাড়াবে?
  • কেন্দ্র মিথ্যে কথা বলে দিল, আমরা হেলথ স্কিম করব, কোথা থেকে করবে? টাকা কোথায়? এখন বলছে রাজ্যকে ৪০ ভাগ দিতে হবে, কেন রাজ্য দেবে? রাজ্যের ক্ষমতা থাকলে, নিজে করবে।
  • বিনা পয়াসায় চিকিৎসা দিই আমরা। বিনা পয়সায় হাসপাতালে চিকিৎসা দিই আমরা। স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে আমাদের ৫০ লক্ষ লোক আছে।
  • অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য আমাদের প্রকল্প আছে।
  • ২ টাকা কিলো চাল, গম আমরাই একমাত্র দিই।
  • সিপিএমের দেনা করে গেছে আর বিজেপির সরকার আমাদের থেকে কেটে ৪৮০০০ কোটি টাকা নিয়ে যায়।
  • জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত, শিশুসাথী থেকে সমব্যাথী, প্রকল্প আছে আমাদের।
  • স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি যাতে ঋণ নিতে পারেন তাই আমরা সুদের হার কমিয়ে ২% করে দিয়েছি, ৩০% সাবসিডি দিই আমরা।
  • কেন্দ্রীয় সরকার আইসিডিএস, আশা প্রোজেক্ট বন্ধ করে দিয়েছে, এখন আমরা নিজেরা টাকা দিয়ে এই প্রোজেক্ট চালু রেখেছি।
  • ১.৭১ কোটি সংখ্যালঘু, তফসিলি ও আদিবাসীদের ৫৭ লক্ষ ছেলেমেয়েরা স্কলারশিপ পেয়েছে।
  • যারা এন্টাইটেল্ড রিফিউজি তাদের পাট্টা দেওয়া হচ্ছে, ১৩ হাজার রেডি আছে পাট্টা।
  • যারা কাজ করে না, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে, শুধু হিন্দু মুসলমান লাগিয়ে দেয়, গাড়ি জ্বালিয়ে দেয়, তাদের সমর্থন করি না।
  • সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় কেউ যাবেন না, বিজেপির কথা শুনে কেউ ঘর ভাঙবেন না, ওদের মতো সর্বনাশা দল কম আছে।
  • আমরা হিন্দুধর্মের লোক, আমরা হিন্দুকেও ভালবাসি, মুসলমানকেও ভালবাসি। বিজেপি একটা রাজনৈতিক দল, ১৯৮৪ সালে জন্ম, ওরা আমায় জ্ঞান দেবেন, আজ নতুন করে ওরা আমাদের হিন্দুধর্ম শেখাবে? ওরা হিন্দুধর্মকে অপমান করে।
  • ছাত্র যৌবন স্বপ্ন দেখুন এই বাংলাকে বিশ্বসেরা করে তোলার।


Bengal makes great strides in constructing rural roads

State Panchayat and Rural Development minister Subrata Mukherjee on Friday said that the state government had constructed 12,000 km rural roads in the past five years and steps have been taken to ensure that the remaining rural roads are completed in the next five years.

He said, the detailed project report for another 2,000 km rural road had been submitted to the Centre and the Centre is likely to give clearance shortly.

It may be mentioned that the erstwhile Left Front government had constructed only 10,000 km roads in 10 years and in those days, the entire money was given by the Centre under PMGSY. Earlier the Centre used to fund the entire construction cost of rural roads. But now, it is providing funds on a 60-40 basis and it is the responsibility of the states to maintain them.

It may be recalled that after coming to power in 2011, Chief Minister Mamata Banerjee had given priority to setting up rural roads and ensuring that drinking water problem in the rural areas is resolved.


গ্রামীণ রাস্তা তৈরীতে অসামান্য সাফল্য বাংলার

কেন্দ্র বরাদ্দ কমিয়েছে। সরাসরি টাকা দেবে পঞ্চায়েতে। তবুও গ্রামীণ পাকা রাস্তা সংস্কার তো বটেই নির্মাণেও ঢিলেমি দিতে চায় না রাজ্য।

প্রথম পাঁচ বছরে ১২ হাজার কিলোমিটার সড়ক তৈরি করে রেকর্ড করেছে তৃণমূল সরকার। পরবর্তী ধাপে ৮০০ ও ১২০০ কিলোমিটার রাস্তা গড়ার কাজ চলছে। তার ডিপিআর শেষ। যে সব সড়ক ভেঙ্গেচুরে গিয়েছে সেগুলির দিকেও নজর দিচ্ছে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর।

উল্লেখযোগ্য, বাম আমলে ১০ বছরে মাত্র ১০০০০ কিমি রাস্তা তৈরী হয়েছিল। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার পুরো টাকাটাই দিত কেন্দ্র। কিন্তু এখন কেন্দ্র নিজের বরাদ্দ কমিয়ে দিয়েছে। রাজ্যকে দিতে হয় ৪০% টাকা।

২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম ফোকাস ছিল গ্রামীণ রাস্তা উন্নয়ন ও জলের সমস্যা মেটানো।

Bengal aims to build additional 1,200 km of rural roads

Road connectivity in the rural areas is one of the biggest priorities of the state government. The Panchayat and Rural Development department submitting a Detailed Project report (DPR) for the construction of 1,200 km of rural roads to the Centre for clearance.

Bengal shows the way

Incidentally, West Bengal had bagged the award for best construction of rural roads under Pradhan Matri Gram Sadak Yojana (PMGSY) in the year 2013-14. The target was to build 2,010 km of rural roads and by March 2014 the department had constructed 2,714 km.

The Panchayat and Rural Development department had constructed 10,575 km road in the year 2011-16 March, against 10,690 km road constructed by the erstwhile Left Front government between the years 2001-11.

Economic hardship

The Centre has drastically reduced the fund under PMGSY. Earlier it used to bear cent per cent cost and the state government had to maintain the roads. Now, the Centre’s share has come down to 60 per cent and the state government has to dish out 40 per cent of the cost along with maintenance of the roads. But despite the economic hardship, the state government is going ahead and improving road connectivity.

Because of improvement in rural connectivity, rural economy has improved and earning of every household has gone up.


The image is representative


বাংলার লক্ষ্য আরও ১২০০ কিমি গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ

গ্রামাঞ্চলে সড়ক সংযোগ রাজ্য সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। ১২০০ কিমি গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের অনুমোদনের জন্য পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ একটি বিস্তারিত প্রকল্পের রিপোর্ট (ডিপিআর) জমা করেছে।

বাংলাই পথপ্রদর্শক

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ ২০১৩-১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার (PMGSY) অধীনে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের জন্য শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেয়েছে। লক্ষ্য ছিল ২,০১০ কিমি গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ এবং ২০১৪ সালের মার্চ মাসের মধ্যে এই দপ্তর ২,৭১৪ কিমি সড়ক নির্মাণ করেছে।

পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ ২০১১-১৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে ১০,৫৭৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করেছে। ২০০১-১১ সালের মধ্যে পূর্বতন বামফ্রন্ট সরকার ১০,৬৯০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করেছিল।

অর্থনৈতিক দুরবস্থা

কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার তহবিল অনেক কমিয়ে দিয়েছে। অতীতে কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রকল্পের পুরো খরচ বহন করত এবং রাজ্যের কাজ ছিল শুধু সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ করা। কিন্তু এখন সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ সহ ব্যয়ের শতকরা হার কেন্দ্রকে ৬০ শতাংশ এবং রাজ্যকে ৪০ শতাংশ হিসেবে বণ্টন করা হয়েছে। কিন্তু আর্থিক দুরবস্থা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে।

গ্রামীণ সড়ক সংযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নতি হয়েছে এবং প্রত্যেক পরিবারের আয় বেড়েছে।