Bengal Govt taking initiatives to tap export potential of orchids

The State Horticulture Department is gearing up to tap the immense demand for orchids in the international market.

According to a senior official of the department, the State Government has recognised the huge potential in the export of orchids and is taking various steps, including talking to all the stakeholders in the trade, to ensure the potential is properly tapped.

Orchids are mostly grown in colder regions. Darjeeling grows Cymbidium orchids in abundance, which is of high demand in countries like USA, UK, Australia and Japan. Cultivation of orchids is a low-cost activity and the flowers can be grown without a greenhouse. However, after harvesting, the flowers need to be shipped out quite fast. Hence, the department is talking with the Airports Authority of India to upgrade Bagdogra Airport so that it can handle more international flights. With the upgrading, the market for South-east Asia can also be tapped for export.

Another issue being looked into is packaging. Exports require packaging of international standards that ensures good shelf life. Hence, the department will hold talks with Indian Institute of Packaging for having a packaging protocol for flower exports.

Another issue coming in the way of higher exports is the fact that the Cymbidium orchid has a long gestation period of four to six years. To resolve this, the department is working out on how to use advanced technology for the cultivation of these flowers and extend all required help to the cultivators.

Another major challenge is to source good orchid varieties to keep pace with emerging trends, since demand in the orchid industry is determined by changing tastes. Hence, plans are being made to cultivate more species of orchids as per demand.

Chief Minister Mamata Banerjee, while attending the Hills Business Summit in Darjeeling last March, had asked the CII to prepare a detailed project report on the cultivation of cinchona, orchids and medicinal plants, all of which have huge markets, both internationally and in the country. The initiatives taken by the Horticulture Department in realising the huge export potential of orchids are in pursuance of that.

Source: Millennium Post

‘Synergy’ meet organised to boost MSMEs in Hills

On the heels of the two-day long Hill Business Summit, a “Synergy” meet was organised in Darjeeling by the Micro Small and Medium Enterprises (MSME) department in collaboration with the Confederation of Indian Industries (CII).

Proposals amounting to a sum of around Rs 9 crore have been submitted by different enterprisers in the micro and small sector.

“Synergy”, a one stop destination provides logistical support to MSMEs by providing single point contact; scheme procedures; schemes for startups; upgradation of existing old industries; know how on formation of industrial cooperatives and market access.

Stalls were put up by different departments under the State Government and the Gorkhaland Territorial Administration including MSME, Land, Labour, Power, Fire and Emergency Services, Finance, Tourism, Horticulture. Around 200 entrepreneurs visited.


পাহাড়ে অনুষ্ঠিত হল ‘সিনার্জি’ বৈঠক

দার্জিলিং পাহাড়ে উত্পাদিত চকোলেট, নুডলস, ঝাড়ু সহ অন্যান্য সামগ্রী বিশ্ব বাংলা স্টলের পাশাপাশি বিভিন্ন শপিংমলের বিপণনকেন্দ্রে রেখে বিক্রিতে রাজ্য সরকার ব্যবস্থা নেবে। এরই সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ পেতে যে সমস্ত সমস্যা তৈরি হচ্ছে সেগুলিরও দ্রুত সমাধান করা হবে বলে জানিয়েছেন ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প বিভাগের ডিরেক্টর।

দার্জিলিঙে স্থানীয় উদ্যোগপতিদের নিয়ে ‘সিনার্জি’ নামে আলোচনা সভায় তিনি জানান, পাহাড়ের ছোটো উদ্যোগপতিদের তৈরি জিনিসপত্র বিক্রিতে ‘এক জানালা’ ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা চলছে। এই বৈঠকে ৯ কোটি টাকার লগ্নি প্রস্তাব এসেছে।

ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের জন্য ‘এক জানালা’ ব্যবস্থার মাধ্যমে সব পরিষেবা প্রদানই হল সিনার্জি বৈঠকের লক্ষ্য। বিভিন্ন প্রকল্পের প্রক্রিয়া সম্বন্ধে তথ্য থেকে শুরু করে, স্টার্টআপগুলির জন্য কি কি প্রকল্প আছে সেই সম্বন্ধে তথ্য দেওয়া হয় সিনার্জিতে। তাছাড়া, পুরোনো শিল্পের আপগ্রেড, শিল্প সমবায় তথা মার্কেট এক্সেস সম্বন্ধেও জানা যায় এখানে।

পাহাড়ের ‘সিনার্জি’’ বৈঠকে রাজ্য সরকার ও জিটিয়ের বিভিন্ন দপ্তর স্টল দিয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন প্রায় ২০০ জন উদ্যোগপতি।

You give us peace, we will give you prosperity: Mamata Banerjee at Hill Business Summit

Chief Minister Mamata Banerjee today inaugurated a two-day industrial meet in Darjeeling. In her speech, she highlighted the potential of the region in the eco-friendly sectors of IT, tourism, horticulture, agro industries, medicinal plants, food processing and education.

There will be sessions from 11 AM to 3 PM tomorrow. The Chief Minister will be present during the sessions on the second day also. Finance Minister Dr Amit Mitra is also present at the meet.

This is for the first time that such a meeting is taking place in the Hills.

Highlights of the Chief Minister’s speech:

It is our proud privilege that we are organising this kind of summit in the Hills for the first time

Darjeeling Hills have a huge potential. Tea, trade, tourism, transport are its mainstay. Horticulture, food processing, skill development and software industry sectors can also be explored.

This kind of initiative (business summit) will go a long way in job creation.

Arrangements were made for this summit within a month. We thank GTA for all the cooperation.

Bengal is going ahead. Bengal means business.

We are No. 1 in India in ease of doing business, e-reforms, e-governance, skill development, agriculture and other sectors.

You give us peace, we will give you prosperity.

Darjeeling lost more than Rs 1000 crore in the strike last year. People of Darjeeling were the biggest sufferers.

Let us make a new beginning. Let us prepare a plan of action. Government will provide all support and cooperation.

The young generation has immense potential. The youth of Darjeeling are very skilled, and can be used in any industry.

Two IT Parks are coming up in Kalimpong and Darjeeling.

We are coming up with proper plan regarding harnessing the horticulture sector – orchids, herbs, even cinchona medicine plant.

An education hub is coming at Kurseong. A new medical college will be set up.

A lot can be done for the development of Darjeeling. We are developing some cottages at Tiger Hill. There are plans for the development of Sandakphu, Kurseong, Mirik and Kalimpong also.

We want to set up industry and folk centre at Mirik. Steel hub, horticulture hub, health hub – a lot can be done in the Hills.

We must ensure Darjeeling is green and clean.

We must shun violence. Political leaders might gain from violence, not the common people.

There is enough scope in tourism sector. In Bengal, we have hill, forest and even sea.

Earlier, Darjeeling was neglected and not taken care of. Now, I come to the Hills every two or three months.

Our government will give you Rs 100 crore for promotional development and job-oriented industries.

Let us compete on the agenda of development.

We want the people of Darjeeling to prosper. I would request the Centre not to play divisive politics in the Hills for the sake of one Lok Sabha seat.

I thank my industry friends for taking interest and coming to the Hills. After the rains yesterday, Kanchenjunga is smiling today.


শান্তি থাকলেই সমৃদ্ধি, পাহাড়ে বাণিজ্য সম্মেলনে বললেন মুখ্যমন্ত্রী

আজ দার্জিলিঙে দুদিন ব্যাপী বাণিজ্য সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।কাল এই সম্মেলন চলবে সকাল ১১টা থেকে ৩টে পর্যন্ত, উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই প্রথম পাহাড়ে এরকম একটি সম্মেলন হচ্ছে।

তাঁর বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন ক্ষেত্রে – তথ্যপ্রযুক্তি, পর্যটন, উদ্যানপালন, কৃষি শিল্প, ঔষধি গাছ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও শিক্ষা – পাহাড়ের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশঃ-

এই প্রথমবার পাহাড়ে এই ধরনের বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। দার্জিলিংবাসীকে অভিনন্দন জানাই।

দার্জিলিংএ বিনিয়োগের অনেক সম্ভাবনা আছে। চা, বাণিজ্য, পর্যটন, পরিবহণ এগুলোতে তো সুযোগ আছেই। এছাড়া, উদ্যানপালন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, কৃষি, দক্ষতা উন্নয়ন, সফটওয়্যার এগুলোতেও সম্ভাবনা আছে।

এখানকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য এরকম উদ্যোগ খুব প্রয়োজন।

জিটিএ এই সম্মেলন করার আবেদন করেছিল, আমরা তার এক মাসের মধ্যে এই সম্মেলন করেছি। জিটিএ কে ধন্যবাদ সবরকম সহযোগিতা করার জন্য।

বাংলা নিজেকে প্রমাণ করেছে, বাংলা এগিয়ে চলেছে। বাংলা মানেই বাণিজ্য।

শিল্প করার সুবিধা, দক্ষতা বিকাশ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে, কৃষিতে, ই-টেন্ডার, ই-রিফর্ম, ই-গভর্নেন্স – সবেতেই আমরা দেশে শীর্ষে।

পাহাড়ে শান্তি থাকলেই সমৃদ্ধি আসবে।

গত বছর ৬ মাসের বন্ধে দার্জিলিঙের ১০০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। জনগণের সব থেকে বেশী ভোগান্তি হয়।

আসুন নতুন করে শুরু করি, শান্তিতে শুরু করি। আমাদের সরকার সবরকম ভাবে সাহায্য করবে।

দার্জিলিঙের যুব সম্প্রদায়ের দক্ষতা আছে। তাদের মধ্যে প্রচুর সম্ভাবনা আছে। বিভিন্ন শিল্পে তাদের কাজে লাগানো যেতে পারে।

আমরা দার্জিলিং ও কালিম্পঙে দুটি আইটিপার্ক তৈরী করছি।

আমরা কৃষি ও উদ্যানপালনের জন্য পরিকল্পনা করছি। অর্কিড, ফুল, সিঙ্কোনা মেডিসিন প্ল্যান্ট কীভাবে কাজে লাগানো যায়, দেখা হচ্ছে।

কার্শিয়ঙে এডুকেশন হাব তৈরী করা হচ্ছে। নতুন মেডিক্যাল কলেজও তৈরী হচ্ছে।

দার্জিলিঙের অনেক জায়গার আরও উন্নয়ন করা যায়, টাইগার হিলেও কয়েকটা কটেজ তৈরীর পরিকল্পনা আছে। সান্দাকফু, কার্শিয়ং, মিরিক, কালিম্পঙের উন্নয়ন করা যায়।

আমরা মিরিকে শিল্প ও লোককেন্দ্র গড়তে চাইছি। স্টীল হাব, উদ্যানপালন হাব, হেলথ হাব, এখনও অনেক কিছু করা বাকি আছে।

দার্জিলিঙকে স্বচ্ছ এবং সবুজ রাখতে হবে।

এখানে যেন আর কোনও অশান্তি না হয়। এই অশান্তিতে কিছু রাজনৈতিক নেতার ফায়দা হয়, সাধারন মানুষের না।

পর্যটনে আমাদের অনেক সুযোগ আছে। আমাদের পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র সব আছে।

আগে দার্জিলিঙকে অনেক উপেক্ষা ও অবহেলা করা হত। এখন তো আমি দু-তিন মাসে একবার পাহাড়ে আসি।

দার্জিলিঙে কর্মসংস্থান-মুখী শিল্প গড়ে তোলার জন্য আমাদের সরকার ১০০ কোটি টাকা দেবে।

উন্নয়নের কাজে প্রতিযোগিতা করুন।

দিল্লীর কাছে একটাই অনুরোধ, দার্জিলিংকে সুস্থ থাকতে দিন, দার্জিলিংকে টুকরো করতে কাউকে সাহায্য করবেন না। রাজনীতির জন্য দার্জিলিংকে ভাগ হতে দেব না।

সকল শিল্পপতিকে ধন্যবাদ এখানে আসার জন্য, গতকাল শিলাবৃষ্টির পরও আজ কাঞ্চনজঙ্ঘা হাসছে।



Second edition of Ahare Bangla to promote Bengal heritage food items in a grand scale

Buoyed by the success of the previous year, the ‘Ahare Bangla – A Unique Food Festival celebrating Bengal’ showcasing the popular and gourmet cuisine of the state shall be inaugurated on 21st October, 2016 at 6 P.M. at Milan Mela Ground (Opposite Science City) Kolkata. Going by the response of the last year’s festival, this year it shall be held in a larger area having a one time sitting capacity of about 2500 people. The entry of the festival is free and it will remain open from 12 Noon to 9 P.M. for further four days starting from 22nd October, 2016 to 25th October, 2016.

This five days long food carnival is going to be organized by the Animal Resources Development Department of Government of West Bengal in association with other concerned departments of the Government, namely, Micro, Small & Medium Enterprises & Textiles, Information and Cultural Affairs, Food Processing Industries & Horticulture, Fisheries and Agricultural Marketing.

Sufal Bangla, West Bengal State Export Promotion Society, West Bengal Livestock Development Corporation Limited, West Bengal State Fisheries Development Corporation Ltd, Benfish, West Bengal State Food Processing & Horticulture Development Corporation Limited and Mother Dairy Calcutta have partnered to showcase their conventional as well as innovative products in the festival.

The principal objective of this unique Food Carnival is to promote the Food and Food Processing Industries in the State. This Fair shall provide a platform where the producers and the consumers can interact under one roof and which in turn shall directly benefit the larger farming community of the State.

West Bengal has many unique varieties of rice namely, black aromatic rice popularly known as Kalabhat, short grained aromatic rice Kalonunia, Gobindabhog, Tulaipanji, Kataribhog etc. similarly, pulses such as Sonamug, Bhajakalai dal etc. and some exotic vegetables are found only in this part of the country which will be displayed in the fair.

The Animal Recourses Development Department shall promote various non-conventional meat and meat products of Quail, Turkey, Rabbit, Emu, Pork (including special Ghunghroo variety), Black Bengal goat, Bonopala lamb, Garole lamb. The Fisheries Department will exhibit new varieties of fish with high productivity and taste such as Vennami, Pungus, Vietnam Koi etc. All the items mentioned here, be it a aromatic rice varieties or precious pulses or various conventional or non-conventional meat and meat products or the latest products or Mother Diary Calcutta or the delicacies of rare and exotic fish, shall be available for both exhibition and retail sale at the fair.

Further, renowned restaurants and caterers of the city will partner with the Government to bring their diversified cuisine in a unique interactive setting where anyone can see, eat and buy.

A special zone in the form of “Theme Food” will feature innovative and separate themes each day and a kid zone will be set up which would be an added attraction of this year’s carnival.


আয়োজিত হতে চলেছে ‘আহারে বাংলা’-র দ্বিতীয় বর্ষ

গত বছরের অভূতপূর্ব সাফল্যের পর এই বছরেও আগামী ২১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় মিলন মেলা প্রাঙ্গনে সারা বাংলার সমস্ত সমৃদ্ধ খাবারের সম্ভার নিয়ে উদ্বোধন করা হবে ‘আহারে বাংলা ২০১৬’। এই বছর এই মেলাটি আরো বড় আকারে করা হবে, যাতে ২৫০০মানুষ একত্রে বসতে পারেন। এই মেলাটিতে জনসাধারণ বিনামূল্যে প্রবেশ করতে পারবেন। মেলাটি চলবে ২২ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা অবধি। এই মেলাটির আয়োজক রাজ্য প্রাণী সম্পদ দফতর, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দফতর, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতর, উদ্যানপালন দফতর, মত্স দফতর।

সুফল বাংলা, রাজ্য প্রাণিসম্পদ বিকাশ দফতর, বেনফিশ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতর, মাদার ডেয়ারী সহ আরো অনেক দফতর নিজেদের তৈরী বিভিন্ন খাদ্য ভান্ডার নিয়ে ওখানে উপস্থিত থাকবে। এই মেলাটির মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে খাদ্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতরের উন্নয়ন।

এখানে ক্রেতা ও চাষীরা সরাসরি কথা বলতে পারবেন যার ফলে চাষীরা উপকৃত হবেন। বিভিন্ন ধরণের চাল ও ডাল ও কিছু সবজি যা দেশের মধ্যে একমাত্র বাংলাতেই পাওয়া যায়, সেই সব ধরণের সামগ্রী এই মেলাতে মজুত থাকবে।

প্রাণী সম্পদ দফতর বিভিন্ন ধরণের মাংস ও মত্স দফতর বিভিন্ন ধরণের মত্স ভান্ডারিয়ে উপস্থিত হবে এই মেলায়।এই সমস্ত ধরণের খাদ্য সামগ্রী ওখানে দেখাও যাবে ও খুচরো পরিমানে কেনাও যাবে। বিভিন্ন নামকরা রেস্টুরেন্ট ও ক্যাটারাররাও তাদের বিখ্যাত খাবার নিয়ে ওখানে উপস্থিত থাকবে।প্রতিদিন আলাদা আলাদা করে কিছু নতুন খাবারকে ‘থিম ফুড’ হিসেবে রাখা হবে। শিশুদের জন্য থাকবে ‘কিড জোন’।


Farmers make profit via horticulture in Nadia

Under the Mahatma Gandhi National Rural Employment Guarantee Scheme in Nadia, stress is being given on quality production of gerbera flowers and capsicum in shed-net houses and poly-houses through horticulture.

From the last financial year, Mahatma Gandhi NREGA scheme helped construction of poly-houses in seven organic villages.

These structures are used for better quality products, higher productivity, off-season cultivation, better insect and disease control and reduced use of pesticides, nursery raising, hardening of crops, efficient use of resources, high-value crop production and more profits etc.


উদ্যানপালনের মাধ্যমে লাভবান হচ্ছেন নদিয়ার কৃষকরা

নদীয়ায় মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি প্রকল্পের অধীনে, শেড-নেট হাউস এবং পলি হাউসে উন্নত মানের গ্যারবেরা ফুল ও ক্যাপসিকামের উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

গত আর্থিক বছর থেকে, মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি প্রকল্প  সাতটি জৈব গ্রামে পলি-ঘর নির্মাণ করতে সাহায্য করেছে।

উন্নত মানের পণ্য, উচ্চ উত্পাদনশীলতা, অফ সিজনে চাষবাস, পোকা ও রোগ নিয়ন্ত্রণ, কীটনাশকের ব্যবহার কমানো, উচ্চ মান ফসল উৎপাদন ও আরো লাভ ইত্যাদির জন্য এই কাঠামো ব্যবহৃত হয়।


Bengal surging ahead in Horticulture

Actions speak louder than rhetoric.  Date regarding horticulture clearly show that this sector has registered immense growth under Trinamool. Here is a comparison of parameters during the last 3 years of the CPM rule ( 2008-09, 2009-10, 2010-11) and the first 3 years of Trinamool’s governance ( 2011-12, 2012-13, 2013-14):


Poly House and Shed Net House: 

Poly Houses and Shed Net Houses are built for climate controlled ventilated areas which are essential for horticulture.  Poly house concept emerged to undertake adverse environmental conditions such as excess rainfall, temperature, cold conditions, airflow etc. India and Holland both have more or less the same area under flower cultivation, but Holland amounts to 70% of flower export and India about 1% in the global market. The difference is due to use of Poly houses and Shed net houses and use of advanced technology.

Graph 1_horticulture

In terms of new area covered under Poly house technology and Shed net house, the performance of Trinamool Congress is much higher than the Left rule. 58,200 meters of Poly house are constructed in the last 3 years as against 5520 meters of Left regime. The success of construction of Shed net house is even more. In comparison to just 448 sq meters in the Left rule, 3,21,180 sq mts have been constructed in the last 3 years.

Graph 2_horticulture

The average numbers of Poly houses build per year in the last 3 years are 19,400 as compared to just 1840 in the last 3 years of Left rule. The annual average numbers of Shed net houses build is 7,060 under Trinamool’s governance.


Area added:

In the last 3 years, 15,611 hectares of land are added for fruit cultivation and 3631 hectares for flower cultivation.

Graph 3_horticulture


Some significant developments:

  • West Bengal Government has taken up initiatives of horticulture through NREGA. It is worth mentioning that Bankura has received the prestigious “District Award for Effective Initiatives under MGNREGA Administration.”
  • 384 skill development camps have been organised.
  • The government has passed the Agricultural Produce Marketing (Regulation) Bill 2014. This bill will promote formation of new markets where farmers can directly sell the product to the end users, curb the middlemen menace, thus the interest of both the farmers and the customers will be taken care of. Government will regulate these markets.
  • More than 2800 farmers related with horticulture have been assisted with power tillers, tractors, power pumps and other automated machines.
  • Government assisted Weather Based Crop Insurance Scheme has been implemented. More than 8000 farmers (Kharif season) and 4000 ( Rabi season) has benefited from this.
WB CM Bengal Global Summit

WB CM stresses on self-reliance in vegetable production

WB CM Ms Mamata Banerjee attended the ‘West Bengal Cold Storage Association’s Golden Jubilee Celebration’at Netaji Indoor Stadium today as Chief Guest. In her speech, while appreciating the initiatives taken by the Association towards helping in agricultural growth of the State, she stressed on the importance of being self reliant.

The Chief Minister highlighted that Bengal was among the frontrunners in horticulture and the State accounted for 16% of India’s vegetable production. She stressed upon self-reliance in terms of seed production, fisheries and egg production.

Highlights of her speech:

  • We have an old relationship. You stood by us during potato crisis. We have always assisted you.
  • We have to increase our capacity for seed production. We spend Rs 1500 crore for seed procurement.
  • We must utilise the opportunities we have. We have a huge market for eggs. There is a lot of scope in poultry and fisheries.
  • Like you keep potatoes in cold storage, you should build capacity for fishes also.
  • We are setting up cold storages in all blocks. We are setting up warehouses and Kisan Mandis under PPP.
  • Land for Kisan Mandis and cold storages have been identified.
  • We conduct meetings of the core committee for prices every fortnight.
  • It is easy to criticize. We believe in working for the benefit of grassroots.
  • The gap between demand and supply must be bridged.
  • 16% of the total vegetable production in India is from Bengal. We won Krishi Karman Award for 3 consecutive years.
  • We are against forcible acquisition of land. Agriculture is our pride. Industry is our future.
  • Why should West Bengal import vegetables from other States, even fish is imported. We have to be self-sufficient.
  • We started onion cultivation in dry areas of Bankura. We have got results. We are providing technical assistance to farmers.
  • We are among the frontrunners in horticulture in India.
  • Centre is not releasing funds for food procurement. They are not giving us funds for 100 Days’ Work.
  • Fertilizer prices are skyrocketing, Farmers are facing difficult times. We must stand beside them.
  • If we work together, there is big opportunity for big business. We have a PPP policy.

Bengal leads in Food Processing and Horticulture sector

Food Processing and Horticulture sectors in West Bengal saw a huge surge after the new Government took initiatives three years ago. Right from making new Laws to guiding farmers, creating new processing plants, the Government has taken steps in almost every level for better facilities and improvement of quality and quantity of products.

Food processing industry accounts for almost 32% of the total food market, and ranks 5th in terms of production, consumption, export and expected growth. Food processing industry contributes at around 9-10% of the GDP, nationally.

Horticulture also holds great scope for expansion in India and in Bengal. In terms of output, India is the number two in the world. West Bengal Government has given huge importance in these fields which not only has increased production but also created employment.

Initiatives undertaken by the West Bengal Government in these sectors in the last three years:

•    During the tenure of the present government, more than 15,000 hectares are brought under fruit cultivation. The area brought under vegetable cultivation and flower cultivation stands at 1609 and 3631 respectively.

•    Weather based crop insurance has been rolled out with 50% government grant. 15 products are been brought under this scheme.

•    Nearly 40 food processing plants have been set up in the last three years with a cost of more than 300 crore.

•    The production capacity of rice mills have been enhanced by almost 4 lakh MT and for grain mills by almost 2.5 lakh MT. As a result additional capacity 8 lakh man-days of work is made possible.

•    The government has passed West Bengal Agricultural Produce Marketing (Regulation) (Amendment) Bill 2014. Companies involved with food processing can now directly purchase the raw materials from the farmers thus ensuring no cost for middlemen, greater transparency, and greater ease of doing business, and a better price for farmers.

•    The state intends to set up Krishak Bazars , where farmers can sell the products directly this ensuring better prices.

•    A hi-tech food preservation institute is being set up at Malda.

•    The government has taken steps to curb down the menace of middleman and results are visible. Farmers are getting better prices in the whole sale market, while inflation in the retail market is checked through fair price shops, regular checks and etc.


Come to Bengal… Ride the growth: