Making women self-sufficient through the rearing of coloured fish

In order to make women living in the far-flung regions of West Bengal self-sufficient, the State Fisheries Department has thought up an innovative programme – rearing of coloured fishes. The women would set up the culturing of such fish through self-help groups that they would form. According to the Fisheries Minister, there is a huge demand for such fishes for aquariums in both national and international markets.

The well-thought out plan by the Department includes the setting up of two well-equipped marketplaces for the selling of such fishes by the women – in Amtala in South 24 Parganas district and in Dasnagar in Howrah district, with financial help from the National Fisheries Development Board (NFDB) and the National Co-operative Development Corporation (NCDC), respectively.

It is sincerely hoped by the State Government that this project would be another step towards empowering the women of the State.

 

Image is representative (source: agrifarming.in)

 

রঙ্গিন মাছ প্রতিপালনের মাধ্যমে মহিলাদের স্বনির্ভর করার প্রচেষ্টা রাজ্যের

পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত মহিলাদের স্বনির্ভর করার জন্য রাজ্য মৎস্য দপ্তর একটি উদ্ভাবনী পদক্ষেপ নিয়েছে তা হল রঙ্গিন মাছ প্রতিপালন। মহিলারা একটি স্বনির্ভর গ্রুপ গঠন করে এই ধরনের মাছ চাষ করবে। মৎস্য মন্ত্রীর মতে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে অ্যাকোরিয়ামের রঙিন মাছের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

রঙিন মাছ বিক্রির জন্য হাওড়া জেলার দাসনগর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার আমতলায় দুটি সুসজ্জিত বিপণন কেন্দ্র গঠন করা হবে যেখানে মহিলারা এই সব মাছ বিক্রি করতে পারবেন। ন্যাশনাল ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (NFDB) এবং ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (NCDC) এদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে।

এটা আশা করা যায় যে রাজ্য সরকারের এই প্রকল্প নিঃসন্দেহে রাজ্যের নারীর ক্ষমতায়নে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

 

 

WB CM announces formation of development boards for three more Hill communities

Jubilation erupted among the Kami, Damai and Sarki communities when Chief Minister today announced their respective development boards at Chowrasta in Darjeeling. She made this announcement at a programme organised to celebrate the 202nd birth anniversary of poet, Bhanubhakta Acharya.

Attending the 202nd birth anniversary of poet at Chowrasta in Darjeeling, West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee said that Government will hold a cabinet meeting in Darjeeling.

In keeping with the occasion, school children presented a Saraswati Bandana and read the Ramayana paath.

During the occasion, four Sahitya Academy recipients were felicitated by the state government. They included Gupta Pradhan from Darjeeling, Shankhar Pradhan from Bagrakote, Sanjeev Chettri from Kurseong and Shankhar Deo Dhakal from Gangtok.

 

আরও তিন সম্প্রদায়ের উন্নয়ন পর্ষদ বোর্ড গঠনের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

দার্জিলিঙের চৌরাস্তায় এদিন আরও তিনটি উন্নয়ন পর্ষদ বোর্ড গঠনের কথা ঘোষণা করেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কামি, দমই এবং সরকি উপজাতিদের জন্য তিনটি উন্নয়ন পর্ষদ বোর্ড গঠনের কথা ঘোষণা করার সঙ্গেই সঙ্গেই জয়ধ্বনি পরে যায়। গতকাল কবি ভানু ভক্তের ২০২ তম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই তিনি ঘোষণা করেন যে দার্জিলিংয়ে একটি মন্ত্রিসভার বৈঠক করবেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সঙ্গে তাল মিলিয়ে, স্কুলের বাচ্চারা একটি সরস্বতী বন্দনা উপস্থাপন করে।

অনুষ্ঠানে সময় চার সাহিত্য একাডেমী প্রাপকদের রাজ্য সরকার সংবর্ধিত করে। এরা হলেন দার্জিলিঙের গুপ্ত প্রধান, বাগরাকোটের শঙ্কর প্রধান, কার্শিয়াঙের সঞ্জীব ছেত্রী এবং গ্যাংটক থেকে শঙ্কর দেও ছেত্রি।

 

WB Govt to introduce patients’ satisfaction survey

To make the grievance redressal mechanism stronger in all the state -run hospitals and medical colleges, the West Bengal health department is going to introduce “patients’ satisfaction survey” thereby fixing the accountability of the doctors, nurses and other staff members of the hospitals.

The decision was taken after Chief Minister Mamata Banerjee who is also in charge of the health department, in a recent meeting had directed the senior health officials to make the grievance redressal mechanism of patients more effective to ensure better health services to patients visiting the district, sub-divisional hospitals and the health centres. In the meeting, Banerjee had laid great stress on the improving the quality and range of the healthcare services. All the senior health officials and medical superintendents were asked to extend healthcare services to the patients with the more humane approach.

The primary object of the state health department behind introducing the new system was to minimise the incidents of patients’ transfer to the city’s medical colleges and hospitals from the districts. Senior health department officials believe that the proposed system will decrease the incidents of patients’ referral and also fix the responsibility of doctors and medical staff in the hospitals.

A quality management team will be set up in the district level which will monitor the feedback of the patients. To do this, there will be a quality manager in all the state-run hospitals starting from the sub-divisional hospitals in the districts up to the medical college level. Patients visiting the outpatient departments (OPD) or indoor departments or their patients will be given a form where they will give a detailed account of their experience in the hospital. They will have to furnish the details on how long the patients had to wait at the OPD or in indoor departments to consult a doctor. The patients will also be given an option to mention whether they were satisfied with the overall performance of the doctors and the hospital staff members. The district quality management committee will file a report to the health department officials on the basis of its observations.

After coming to power in 2011, Chief Minister Mamata Banerjee had taken a host of projects to revamp the health infrastructure in the state run hospitals. A great deal of work has been done to ensure health care facilities for the new born and children. Now, the state government is also trying to fix the responsibilities of the doctors and nurses.

 

হাসপাতালের পরিষেবায় রোগীরা সন্তুষ্ট কিনা তার ওপর সমীক্ষা করবে রাজ্য সরকার

হাসপাতালে রোগী পরিষেবা উন্নত করার জন্য সুষ্ঠু ‘গ্রিভ্যান্স রিড্রেসাল’ পরিকাঠামোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য দপতর পেসেন্টস স্যাটিসফ্যাকশন সার্ভে অর্থাৎ হাসপাতালের পরিষেবায় রোগীরা সন্তুষ্ট কিনা তার ওপর সমীক্ষা শুরু করবে সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজগুলিতে। এর মাধ্যমে দেখা যাবে ডাক্তার, নার্স ও সরকারি কর্মীরা ঠিকঠাক কাজ করছেন কিনা।

রোগীদের ভাল স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী মহকুমা হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। বৈঠকে স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নত করার উপর জোর দিয়েছিলেন। সকল সিনিয়র স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও সুপারিন্টেন্ডটদের রোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

এই নতুন সিস্টেম প্রবর্তনের পিছনে রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রাথমিক জেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালগুলিতে রোগীদের স্থানান্তর করার ঘটনা কমানো। সিনিয়র স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা মনে করেন যে  সিস্টেমের ফলে রোগীদের স্থানাতরের ঘটনা কমবে এবং হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও কর্মীরা তাদের সঠিক দায়িত্ব সম্বন্ধে আরও সচেতন হবে।

জেলা পর্যায়ে একটি ম্যানেজমেন্ট দল থাকবে যারা রোগীদের প্রতিক্রিয়া নিরীক্ষণ করবে। এই কাজের জন্য, সেখানে সব রাজ্য পরিচালিত সব মেডিকেল কলেজ, মহকুমা হাসপাতাল থেকে শুরু করে সব সরকারি হাসপাতালে একজন পরিচালক থাকবেন। রোগীরা ডাক্তার এবং হাসপাতালের কর্মী সদস্যদের পারফরমেন্সে সন্তুষ্ট কিনা তাও জানা হবে। জেলার ম্যানেজমেন্ট কমিটির পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে একটি রিপোর্ট দায়ের করবে।

২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী রাজ্যের সরকারী হাসপাতালগুলোর স্বাস্থ্য পরিকাঠামো পুনর্গঠনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।  নবজাতকদের সঠিক স্বাস্থ্যপরিষেবা সেবা সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য একটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এখন রাজ্য সরকার ডাক্তার ও নার্সদের সঠিক দায়িত্ব নির্ধারণ করার চেষ্টা করছে।

 

Bengal Panchayat Dept steps up to utilise schemes for rural populace

Series of schemes taken up by the West Bengal Panchayat and Rural Development department in the past five years to make rural populace economically self reliant have created wonders and have changed the quality of life of thousands of people throughout the state.

People coming from economically challenged background who never dreamt of becoming economically independent are earning money by doing fish cultivation or by manufacturing bricks from fly ash. Even the residents of leper colony in Bankura who got cured but used to earn livelihood by begging because of social stigma are on the way to achieve self reliance through mango and vegetable cultivation in Bankura.

The good work of the department has been accepted by the ministry of Rural Development and in recognition the Centre has given an award early this year. It may be mentioned Nadia has become country’s first Open Defecation Free (ODF) district.

The district is going ahead of other districts in generating quality horticulture produce like gerbera flowers, capsicum under shed-net house and poly house by using NREGA fund. Two gram panchayats, Dharmada and Bilwagram Gram under Nakashipara block have become specialists in this field.

Large numbers of poly house, shed-net houses have been constructed. Since 2015-16 financial year, construction of poly houses in 7 organic villages has been made possible by rightly using the schemes.

 

গ্রামের মানুষের জন্য পঞ্চায়েত দপ্তরের বেশ কিছু নয়া উদ্যোগ

গত পাঁচ বছরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর দ্বারা গৃহীত প্রকল্প গুলি গ্রামীণ জনসাধারণকে অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর করেছে এবং এর ফলে রাজ্য জুড়ে হাজার হাজার মানুষ জীবনযাত্রার মান বদলে গেছে।

আর্থিকভাবে পিছিয়ে পরা মানুষ যারা কখনো অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন হওয়ার স্বপ্ন দেখত না তারা এখন মাছ চাষ করছেন, ইট উত্পাদন করে টাকা উপার্জন করছেন।

দপ্তরের ভাল কাজ কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক দ্বারা গৃহীত হয়েছে এবং স্বীকৃতিস্বরূপ  এই বছরের গোড়ার দিকে এই বিভাগ একটি পুরস্কারও পেয়েছে। এটা উল্লেখযোগ্য,  যে নদীয়া দেশের প্রথম ODF জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

এনআরইজিএ তহবিল ব্যবহার করে নদিয়া জেলায় শেড-নেট হাউস এবং পলি হাউসে উন্নত মানের গ্যারবেরা ফুল ও ক্যাপসিকামের উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।  নাকাশিপাড়া  ব্লকের দুটি গ্রাম পঞ্চায়েত ধর্মদা এবং বিল্বগ্রাম এই কাজের জন্য উল্লেখযোগ্য।

অনেকগুলি পলি হাউস নির্মাণ করা হয়েছে। ২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে ৭টি  অরগ্যানিক ভিলেজে অনেকগুলি পলি হাউস নির্মাণ সম্ভব হয়েছে।

 

West Bengal Govt celebrates Bhanu Bhakta Acharya’s Birth Anniversary at Darjeeling

The State Government celebration of the 202nd Birth Anniversary of poet Bhanu Bhakta Acharya was held today at Chowrasta in Darjeeling in presence of the Hon’ble President of India, who was the Hon’ble Guest on the occasion.

Hon’ble West Bengal Governor K N Tripathi was present on the occasion.

The celebration of the Birth Anniversary of poet Bhanu Bhakta Acharya is being organised in a grand scale on the initiative of the Chief Minister Mamata Banerjee.

Bhanubhakta Acharya is among the eminent literary personalities in Nepal and also the first Nepali poet who translated the great Indian epic `Ramayana` from Sanskrit to Nepali. Adi Kavi as he is popularly called Bhanubhakta Acharya, was born in 1814 A.D in Chundi Ramgha, Tanahu district and was educated at home by his grandfather, Shri Krishna Acharya. His father Dhananjaya Acharya was a government official who worked for General Amar Singh Thapa Governor of Palpa in western Nepal. He was one of the greatest poet in history of Nepal.

দার্জিলিঙে কবি ভানু ভক্তের জন্মবার্ষিকী পালন করল রাজ্য সরকার

আজ কবি ভানু ভক্তের ২০২ তম জন্মবার্ষিকী পালন করল রাজ্য সরকার। অনুষ্ঠানটি হয়েছে দার্জিলিঙের চৌরাস্তায়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়।

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠিও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকবি ভানু ভক্তের জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে মহাসমারোহে।

ভানু ভক্ত নেপালের কবি ও লেখকদের মধ্যে খুব জনপ্রিয় ব্যক্তি। তিনি প্রথম নেপালি কবি যিনি রামায়ণ কে সংস্কৃত থেকে নেপালি ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন। ভানু ভক্ত আদি কবি হিসেবে বেশি পরিচিত। তিনি ১৮১৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন তানাহু জেলায়। তার বাবা ধনঞ্জয় আচার্য ছিলেন একজন সরকারী কর্মী। তিনি পশ্চিম নেপালের রাজ্যপাল অমর সিং থাপার সঙ্গে কাজ করেছিলেন।

 

Bengal to examine quality, content of waterbodies using satellite images

To augment fish cultivation in various waterbodies across West Bengal, the state fisheries department has decided to examine the quality and contents in water by using satellite images.

For this, the State Fisheries Department will procure most advanced satellite images through which senior officials of the department will be able to assess the condition of various water bodies across the state. After going through the satellite images, the senior officials of the department sitting at their offices will get to know about quality of water in each water body across the state.

West Bengal is the first state to come up with this unique idea so that the people involved in pisciculture can have technical assistance from the government. It will also give them a detailed idea on how to improve the quality of water and this will increase the production in fishes. If the project is a success, it can be model projects for the other states as well.

Experts also feel that examining water quality is an important contributing factor in the production of fishes. The quality of water always determines the increase in the production of fishes. Various parameters such as dissolved oxygen content in water, chlorophyll, water turbidity, water depth plays an important role in the development of pisciculture in the state.

The technique will immensely benefit the people involved in pisciculture. Many of these people often incur losses after they cultivate fingerlings in the ponds without the examining the water quality. Many people in the villages depend on bank loans and later, they miserably fail to repay the loans if the fish cultivation was not good.

Considering the various aspects, the state fisheries department will examine the quality of water of the ponds or any other water bodies so that the farmers will get some guidelines from the department before investing money into the fish cultivation business. After conducting a thorough research, the department has decided to use satellite images which will give a proper picture of the water bodies even at the farthest corners of the state. After going through the satellite images one will be able to know the condition of a particular water body, if it is suitable for pisciculture.

The farmers will also have prior information from the department on the nature of a pond before getting bank loans. Some of these parameters relating to the quality of water can be estimated from multispectral satellite images.

The Fisheries department is carrying out a study on an experimental basis at Chakda Block in Nadia and some other districts to estimate these water parameters using WV-II multispectral satellite image. The data are being verified through analysing water samples.But the real condition of water does not emerge as the WV-II data taken for sample verification is relatively old.

 

All rural homes in Bengal to have toilets by March 2018

The West Bengal Panchayat and Rural Development department has set March 2018 as the deadline when all rural houses in the state will have toilets.

A high level meeting in this regard was held in the office of the Panchayat and Rural development office on Tuesday. The District Magistrates of Hooghly, East Midnapore and North 24 Parganas were present at the meeting. Senior officials of Public Health Engineering department and UNICEF attended the meeting. The State Commissioner of Panchayat and Rural development department was present at the meeting.

It has been decided that Hooghly will be an open defecation free (ODF) district by August and East Midnapore will be an ODF district by September end. It may be mentioned here that Nadia has become the first to achieve ODF status in the country. Two districts, Burdwan and South 24 Parganas will be open defecation free by March 31, 2017.

The department has taken up massive awareness campaign.

Also, the baseline survey was not flawless and some households got omitted. Attempts have been made to incorporate them in the list.

২০১৮-র মার্চ মাসের মধ্যে বাংলার সব ঘরে শৌচাগার তৈরি হয়ে যাবে

আগামী ২০১৮ সালের মার্চ মাসের মধ্যে বাংলার সব ঘরে শৌচাগার তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ।

এই নিয়ে গত মঙ্গলবার পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করে। হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর এবং উত্তর ২৪ পরগনার জেলা শাসকরা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগ ও ইউনিসেফের সিনিয়র অফিসাররাও উপস্থিত ছিলেন এই বৈঠকে। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগের রাজ্য কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন এই বৈঠকে।

আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে হুগলি জেলাকে এবং আগামী সেপ্টেম্বরের শেষে পূর্ব মেদিনীপুর জেলাকে জীবাণুমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নদিয়া দেশের মধ্যে প্রথম ODF status অর্জন করেছে। বর্ধমান এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণা এই দুই জেলাকে ২০১৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে জীবাণুমুক্ত করা হবে।

তাছাড়া এই বিভাগ একটি গণসচেতনতা মূলক প্রচারও শুরু করেছে।

 

 

Bengal Govt to distribute 15 lakh bicycles before Puja

The distribution of 15 lakh bicycles under Sabuj Sathi project among students studying in class IX in state run, sponsored and aided schools will start before the Pujas. The project was conceptualised by Chief Minister Mamata Banerjee who also named it and Rs 800 crore was kept for the project in 2015-16 budget. She also sketched the logo of the project. So far the state Backward Classes Welfare department has distributed 25 lakh bicycles among the students of classes X, XI and XII studying in state run, aided and sponsored schools.

The distribution had to be stopped for the time being once the dates of Assembly election were announced. The move once again began after the new government was formed on May 27. The Backward Class Welfare Department has already floated tender and the firms will be selected in July. The department would issue work order in early August.

The spare parts of the bicycles will start arriving from August end. They will be assembled and then distributed among the students from October. The department plans to distribute all the bicycles by December.

The BCW has names of all the 25 lakh students who have received bicycles so far and the names of their fathers, the classes in which they are studying along with the makers of the bicycle and the date of delivery.

The vehicles along with the fitters were sent to the districts. There is absolute transparency in the whole process, from floating of the tender to distribution of bicycles. The project has become immensely popular among the students.

The BCW will carry out a study on the impact of the project. Students of the rural areas and economically challenged background never thought even in their dreams that they would go to school on a bicycle.

 

পুজোর আগে ১৫ লক্ষ বাইসাইকেল বিতরণ করবে রাজ্য সরকার

পুজোর আগে সবুজ সাথী প্রকল্পের আওতায় নবম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ১৫ লক্ষ সাইকেল প্রদান করবে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পটি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর পরিকল্পিত এবং তার নামাঙ্কিত। ২০১৫-১৬ বাজেটে এই প্রকল্পের জন্য ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। প্রকল্পের লোগোও মুখ্যমন্ত্রীর আঁকা। এ পর্যন্ত রাজ্য অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ বিভাগ দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ২৫ লাখ সাইকেল বিতরণ করেছে।

নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকে এই বাই সাইকেল বিতরণ বন্ধ হয়ে গেছিল। ২৭মে নতুন সরকার গঠনের পর আবার এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অনগ্রসর উন্নয়ন দপ্তর ইতিমধ্যেই টেন্ডার জমা করেছে এবং জুলাই মাসে সংস্থাগুলির নাম নির্দিষ্ট হবে। আগস্ট মাসে দপ্তর অর্ডার দেবে।

যে ২৫ লক্ষ ছাত্রছাত্রী সাইকেল পেয়েছে তাদের সকলের নাম, বাবার নাম এবং ক্লাস নথিভুক্ত করা আছে অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ বিভাগের কাছে।

টেন্ডার জমা থেকে শুরু করে, বাইসাইকেল বিতরণ এই পুরো প্রক্রিয়াটি খুবই স্বচ্ছ। ‘সবুজ সাথী’ প্রকল্পটি নিঃসন্দেহে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।

ইতিমধ্যেই অনগ্রসর কল্যাণ বিভাগ এই প্রজেক্টকে আরও উন্নত করার ওপর জোর দিচ্ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চল ও অনগ্রসর শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা এর আগে স্বপ্নেও কখনো ভাবতে পারেনি সাইকেলে করে স্কুলে যাওয়ার কথা।

 

 

Centre of excellence for sal products to come up in Jangalmahal

West Bengal Chief Mamata Banerjee wants to make use of traditional handicrafts to conserve the forests of Jangalmahal. In an effort towards that, the West Bengal Khadi and Village Industries Board (WBKVIB), under the Department of Micro, Small and Medium Enterprises (MSME), is setting up a centre of excellence for manufacturing, providing training for making, and researching on, products from sal leaves, including cups and plates.
 The Jangalmahal region has huge forests of sal trees, and this centre would help in the protecting of these forests by making the earning of a sustainable livelihood from them a viable option. The centre is to be located in Jhargram. The decision was taken by the Chief Minister at the first administrative review meeting, held in Jhargram, post her massive victory in the Assembly election.
 A lot of individuals and self-help groups in Jhargram, Nayagram, Gopiballavpur, Sankrail, Binpur, Lalgarh and other places are already engaged in making things out of sal leaves for a living. Just in Jhargram, 8,000 self-help groups (SHG) and 39 units under WBKVIB, all manned by Adivasi and other disadvantaged groups, produce sal produts.
 The idea behind this centre is to encourage more people to engage in this eco-friendly activity, through training and through finding out more innovative uses through research for the leaves. The products being made from sal leaves now include plates, cups and bowls, and a type of raincoat, called ‘pekho’ locally. Earlier such products were made by attaching the leaves with small sticks. Now the leaves are stitched (in the case of plates) and moulded (in the cases of bowls and glasses) in machines.
Image: news.xinhuanet.com

জঙ্গলমহলে শালপাতার উ९কর্ষ কেন্দ্র তৈরি করতে উদ্যোগী রাজ্য

জঙ্গলমহলে বনানী রক্ষায় ঐতিহ্যপূর্ণ কারুশিল্পকে হাতিয়ার করতে চান মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লক্ষ্যে ঝাড়গ্রামে শালপাতার উ९কর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলার অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ খাদি উন্নয়ন পর্ষদ এই উ९কর্ষ কেন্দ্রটি গড়ে তুলবে।  থালা-বাটি তৈরি ছাড়াও শালের বহুমুখী ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ ও গবেষণার কাজ হবে এই উ९কর্ষ কেন্দ্রে।

জঙ্গলমহলে নিত্যদিনই শাল গাছের সংখ্যা কমছে। শাল গাছ নিধন থামাতে ঝাড়গ্রাম শহরে প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকেই এই উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ঝাড়গ্রাম, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, সাঁকরাইল, বিনপুর, লালগড়ের বহু মানুষ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর লোকেরা জীবনধারণের জন্য শালপাতা নিয়ে কাজ করছে।এই মুহূর্তে ঝাড়গ্রাম জুড়ে ৮০০০ স্বনির্ভর গোষ্ঠী শাল্পাতা নিয়ে কাজ করছে। খাদি গ্রামোদ্যোগের সাহাজ্যেও আদিবাসী পরিচালিত ৩৯টি গোষ্ঠী এখানে শালপাতা নিয়ে কাজ করছে।

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব এই শিল্পকে এক নতুন মাত্রা দেওয়া এবং এই ব্যাপারে মানুষকে আরও উ९সাহ দেওয়া এই কেন্দ্রের লক্ষ্য। থালাবাটি তৈরি ছাড়াও শালের বহুমুখী ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ, গবেষণার কাজ হবে এই উ९কর্ষ কেন্দ্রে। বাটি-গ্লাস তৈরির জন্য মোল্ডিং মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্ষায় পরিবেশ বান্ধব রেইনকোট, গ্রাম্য ভাষায় ‘পেখো’-ও তৈরি হচ্ছে।  আগে কাঠি দিয়ে পাতা জুড়ে থালা তৈরি হত। এখন পাতা সেলাই করে ও মেশিনে মোল্ড করে তৈরি হয়।

Motel relief in north Bengal travel

People travelling to north Bengal from the city along the NH-34 will now have the option to stop over and take rest at government motels. The public works department (PWD) has developed four highway motels along NH-34 under the ‘Pather Sathi’ project.

These motels will provide food, internet facilities and clean toilet to travellers. The motels have been set up at Krishnagar, Shantipur, Ghatigachha in Ranaghat and De bagram in Kaliganj .

The motels will have stalls that will showcase Nadia handicrafts like idols of Ghurni, ‘tant’ saree of Fulia and sweets of Krishnagar.

The PWD authorities will hand over the motels to Nadia administration soon.

 

যাত্রী সুবিধার্থে তৈরি হল নতুন মোটেল

এখন ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে শহর থেকে উত্তরবঙ্গ যাওয়ার পথে যাত্রীরা এখন বিশ্রাম নিতে পারবেন সরকারী মোটেলে। ‘পথের সাথী’ প্রকল্পের আওতায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে ৪টি হাইওয়ে মোটেল তৈরি করা হয়েছে।

এই মোটেল গুলির মাধ্যমে খাবার, ইন্টারনেট পরিষেবা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন টয়লেট ইত্যাদি পরিষেবা দেওয়া হবে। কৃষ্ণনগর, শান্তিপুর, ঘাটিগাছা, রানাঘাট,দেবগ্রাম ও কালীগঞ্জে মোটেল স্থাপন করা হয়েছে।

মোটেলে কতগুলিতে জেলার বিভিন্ন হস্তশিল্প যেমন ঘূর্ণি, ফুলিয়ার তাঁতের শাড়ি, কৃষ্ণনগরের মিষ্টি ইত্যাদির স্টল থাকবে।

পূর্ত বিভাগের কর্তৃপক্ষ খুব শীঘ্রই নদীয়া প্রশাসনের হাতে মোটেল হস্তান্তর করবে।