Bengal Govt takes initiative to make urban population aware of organic farming 

A unique initiative has been taken to set up a model rooftop organic farming facility at Bidhan Sishu Udyan in Ultadanga, where the state Agriculture department recently organised a three-day Jaibo Krishi Mela.

If everything goes as planned, then students from different schools and colleges will be brought to have a look at rooftop farming at Bidhan Sishu Udayan where organic farming will be carried out with technical support of the state Agriculture department.

It is learnt that organic farming will be carried out on a terrace of around 4,000 square feet of one of the buildings of the organisation at Ultadanga. The preliminary work to initiate the project has started and the final round of the task would be started soon. Around 10 to 12 farmers, who have sound knowledge about organic farming, will cultivate organic vegetables on the rooftop. Since the place is located in the middle of the city, it will be easier to attract people to have a look and learn the “easy techniques” of organic farming.

At present, some farmers cultivate organic vegetables on around three bighas of land at the same place and on every Sunday they sell their produce. Besides selling the vegetables cultivated there, some more farmers from villages in the adjoining districts, too, visit the Sunday marker and sell their organic vegetables.

The state Fisheries department has also taken steps to initiate pisciculture using organic methods in a 22-bigha pond at the same location. Thus, people visiting the place can not only learn the ways of organic farming but also get to know how pisciculture can be done in an organic method.

This comes at the time when the state government has decided to set up a bio-laboratory at Abash in West Midnapore to promote organic farming. All sorts of tests that are necessary for organic farming can be undertaken in the proposed bio-laboratory. The step has been taken considering that the western region of the state has immense potential in growing organic crops. Moreover, the state government is taking steps to introduce policies for organic farming too.

 

নাগরিকদের শেখানো হবে জৈব চাষ

শহরবাসীকে শেখানো হবে জৈব চাষের বিভিন্ন পদ্ধতি এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। কিছুদিন আগে কৃষি দপ্তর উল্টোডাঙ্গার বিধান শিশু উদ্যানে তিন দিন ব্যাপী জৈব কৃষি মেলার আয়োজন করেন। এখানে একটি কৃত্রিম ছাদ তৈরি করে চাষের বিভিন্ন পদ্ধতি দেখানো হবে।

স্কুল ও কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের এখানে আনা হবে জৈব চাষের পদ্ধতি শেখাতে। আর এসব কর্মসূচিতে সহায়তা করবে কৃষি দপ্তর।

জানা গেছে উল্টোডাঙ্গার একটি বাড়িতে ৪০০০ বর্গফুটের একটি ছাদে এই জৈব চাষ করা হবে। এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয় প্রাথমিক কাজ শুরু হয়ে গেছে। ১০/১২ জন অভিজ্ঞ জৈব চাষি এই ছাদে চাষ করবেন। যেহেতু এই জায়গাটি শহরের মাঝখানে, এখানে প্রচুর মানুষ আসতে পারবেন ও জৈব চাষের সহজ পদ্ধতি শিখতে পারবেন।

এই মুহূর্তে ওর কাছাকাছি একটি জায়গায় কিছু চাষি তিন বিঘা জমিতে জৈব চাষ করেন ও তাদের ফসল রবিবার বিক্রয় করেন। পাশাপাশি কিছু গ্রামীণ চাষিরাও জৈব পদ্ধতিতে চাষ করেন ও রবিবার শহরে আসেন তাঁদের আনাজ বিক্রয় করতে।ওখানে ২২ বিঘা একটি পুকুরে রাজ্য মৎস্য দপ্তর জৈব পদ্ধতিতে মাছ চাষ শুরু করেছে। জৈব পদ্ধতিতে শুধু আনাজ চাষ নয়, মৎস্য চাষও শিখতে পারবেন।

পাশাপাশি রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের আবাস-এ একটি জৈব ল্যাবোরাটরি তৈরি করার। জৈব চাষে প্রয়োজনীয় সমস্ত পরীক্ষা করা যাবে ওখানে। রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে জৈব চাষের বিশাল সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকার জৈব চাষের জন্য নতুন নীতি বানানোর উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

 

 

Bengal Govt to induct Mid-Day Meal volunteers to ensure proper food supply in schools

Bengal government has taken an initiative to induct midday meal volunteers, who would ensure that food items sent by the state government to schools for midday meals, reaches the intended beneficiaries.

Partha Chatterjee, the state Education minister, said: “Following the direction of Chief Minister Mamata Banerjee, a new initiative has been launched to engage midday meal volunteers.” The main task of the volunteers would be to keep a watch and ensure that the food items allocated by the state government reaches the beneficiaries.

Each of the volunteers would be responsible for keeping track of the situation in a certain number of schools in an area. They will also be filing reports to the concerned authority. With volunteers keeping tabs on schools on a daily basis, the children will get the proper food that the government had allocated for them and stringent steps will be taken if the volunteers find that the task has not been properly executed.

The Minister said he has received complaints that rice and eggs sent for midday meals are not reaching the students. The volunteers will be visiting the schools and will make sure that midday meals are served to the students in proper quantity and quality. There have been allegations that the rice sent to schools by the government for midday meals is not being given to the students. Some food items allocated to schools under the scheme also get sold in the market or are replaced with inferior quality products.

The state government had also asked the District Magistrates to visit schools to check whether midday meals are served to students in proper quantity and quality.

 

মিড ডে মিল: কাজকর্ম দেখভালে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করবে রাজ্য

গ্রিন পুলিশ বা সিভিক ভলান্টিয়ারদের মতো মিড ডে মিলের কাজকর্ম পরিদর্শন করার জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করবে রাজ্য। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে একথাই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, মিড ডে মিল নিয়ে বহু অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জমা পড়েছে। বরাদ্দ চাল বা ডিম না দিয়ে অন্য কাজে ব্যবহার করা সহ অভিযোগের ধরন বিভিন্ন রকম বলে পার্থবাবু জানান। ডিআই, এসআইদের মিড ডে মিলের পরিস্থিতি পরিদর্শনের দায়িত্ব দেওয়া রয়েছে।

পাশাপাশি, এই স্বেচ্ছাসেবকরাও এবার থেকে পরিদর্শনের কাজে সাহায্য করবেন। তবে, কীভাবে এঁদের নিয়োগ করা হবে, এ বিষয়ে এখনই কিছু বলেননি শিক্ষামন্ত্রী। প্রসঙ্গত, মিড ডে মিলের কাজকর্ম পরিদর্শন করার জন্য টাস্ক ফোর্স ইতিমধ্যেই রয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও রাজ্যজুড়ে মিড ডে মিল নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই।

কিছুদিন আগে রাজ্য সরকার নির্দেশ দিয়েছিল, দিনের দিন মিড ডে মিলের যাবতীয় হিসাব এসএমএসের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। প্রধান শিক্ষকরাই শিক্ষাদপ্তরের একটি নির্দিষ্ট নম্বরে তা পাঠাবেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও কারচুপি বন্ধ হয়নি। বেশি ছাত্রছাত্রী দেখিয়ে মিড ডে মিলের বরাদ্দ অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠছে বহু জায়গা থেকেই।

 

Bengal Fire department mulls using drones to detect source 

As a part of its modernisation process, the state Fire and Emergency department is planning to use drones to detect the sources of fire. Apart from identifying the source of a fire, the drones will also be used to determine if humans are stranded in a building that has caught fire.

Firefighters can expand their ability to assess a fire or rescue operations with the help of drones which will be able to provide a clearer picture of what is happening inside the building. Equipped with cameras, the unmanned devices would not be restricted by the city traffic and will also be able to fly over high rise buildings. Fire fighters often fail to determine the source of a fire in buildings situated in congested areas.

In cases of major fires, drones will help officials to get a glimpse of the scene inside the affected buildings, which will enable them to determine the number of fire tenders needed to douse the flames. In case of a fire in a high-rise building, a drone can easily be used to determine the origin of the flames.

Senior officials of the state Fire and Emergency department will decide what types of drones and camera technology can be used for this purpose. The department is planning to take the help of drones as the process of identifying and extinguishing a fire often gets delayed due to the inability of firefighters to properly assess the situation without the required technology. The fire engines also face difficulties in reaching some spots situated in congested areas. It was learnt that senior officials of the department will soon hold a meeting for the implementation of the new scheme.

 

এবার ড্রোন ব্যবহার করবে রাজ্য দমকল দপ্তর

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে বাংলা পথ দেখাবে সারা দেশ কে। রাজ্য দমকল দপ্তর পরিকল্পনা করছে আগুনের উৎস খোঁজার জন্য ড্রোন ব্যাবহার করবে। কোথাও আগুন লাগলে সেখানে কেউ আটকে পড়লে তাদের হদিসও দেবে এই ড্রোন।

ড্রোনের সাহায্যে অগ্নিনির্বাপনের কাজ অনেক সহজ হবে দমকল বাহিনীর। ক্যামেরা যুক্ত স্বয়ংক্রিয় এই যন্ত্র ট্র্যাফিক জ্যামে আটকাবে না, বহুতল বাড়ির ওপর সহজেই পৌঁছে যাবে। খুব ঘিঞ্জি অঞ্চলে অনেক সময় আগুন লাগলে আগুনের উৎস খুঁজতে সাধারণত খুব সমস্যা হয়। এর ফলে তাঁরা বুঝতে পারবেন কটি দমকলের প্রয়োজন। বহুতল বাড়ির ক্ষেত্রেও সুবিধে হবে।

দমকল বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা বিচার করবেন কোন ধরনের ড্রোন ও ক্যামেরা প্রযুক্তি ব্যাবহার করলে তাদের কাজে সুবিধা হবে। খুব শীঘ্রই এই নতুন প্রকল্প প্রনয়নের জন্য একটি বৈঠক করা হবে।

 

Digha-Shankarpur Development Authority plan to revive Digha forests

The Digha-Shankarpur Development Authority has decided to plant a large number of casuarina trees along the coastline where such forests have depleted because of subsequent cyclones and felling of trees.

The lush forests of casuarina or jhow trees had attracted the Bengal government’s attention in the late 1950s, when it decided to develop Digha into a tourist destination. Such an attraction were the forests that they even inspired a song by Pintu Bhattacharya: “Cholona dighar soikot chere/ jhow boner chhaye chhaye (lets go from the Digha beach to the shadows of the jhow forest)”.

But over the years, the forests gradually depleted in many areas because of storm and theft of the trees for firewood. Following instruction from Chief Minister Mamata Banerjee, the Digha-Shankarpur Development Authority taken up the initiative to plant about one lakh jhow saplings every year to restore the beach to its glory. The Government wants to develop the lush forests again along the 20 km coastline from Digha to Mandarmani. Eventually, they will resemble the thick growth of coconut trees in Goa.

 

দিঘার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিকশিত করতে অভিনব উদ্যোগ রাজ্য সরকারের

দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ উপকূল বরাবর বেশ কয়েকটি ঝাউ গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে অনেক গাছ পড়ে গেছে।

১৯৫০ সালের শেষের দিকে যখন দিঘাকে পর্যটন কেন্দ্র করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার তখনই এই ঘন ঝাউ বন সরকারের নজরে আসে। পিন্টু ভট্টাচার্যের একটি গান তাদের অনুপ্রাণিত করেছিল: “চল না দিঘার সৈকত ছেড়ে / ঝাউ বনের ছায়ে ছায়ে”।

কিন্তু কয়েক বছর ধরে, ঝড় ও চুরির কারণে অনেকগুলি এলাকায় এই ঝাউ বন ক্রমশ হ্রাস পেয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সমুদ্র তটের গৌরব পুনরুদ্ধারের জন্য প্রতিবছর এক লাখ ঝাউ গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দীঘা থেকে মন্দারমণি পর্যন্ত ২০ কিমি উপকূল এলাকার উন্নয়ন করতে চায় রাজ্য সরকার।

 

Kanyashree Scheme on the threshold of ‘elite target’ of 40 lakh

The Bengal Government’s landmark Kanyashree Scheme is soon going to achieve the ‘elite target’ of 40 lakh enrollments. According to the State Government, there are currently 39,22,655 girls enrolled in the scheme.

In concurrence with the ‘elite target’ of 40 lakh, the number of applicants to the scheme would also reach 90 lakh.

The Kanyashree Scheme is the brainchild of Chief Minister Mamata Banerjee. She inaugurated it on October 1, 2013. From 2014 onwards, August 14 has been celebrated as Kanyashree Dibas.

This year, though, it’s going to be celebrated on August 11. On that day, beneficiaries of the scheme are going to be felicitated.

Kanyashree Scheme is a novel idea from Mamata Banerjee to encourage girls to go to school and also to stop them from marrying early. Girl children from the ages of 13 to 18 get Rs 750 per month to enable them to continue with their studies. Moreover, after crossing 18 and before reaching 19, Rs 25,000 is deposited into the accounts of girl children, to be used for further studies or as expenses towards their marriage.

কন্যাশ্রীর কন্যা সংখ্যা ৪০ লাখে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প কন্যাশ্রী এখন চল্লিশ লক্ষের ঘরে –  স্বপ্নপূরণের পথে কন্যাশ্রী।

মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই কন্যাশ্র্রী – তে উপকৃত কন্যাদের সংখ্যা ৩৯ লক্ষ ছাড়িয়েছে।আগামী কন্যাশ্রী দিবসের আগেই তা চল্লিশ লক্ষের ” এলিট টার্গেট ‘ – এর ঘরে পোঁছে যাবে।প্রকল্পের জন্য অবেদনকারীর সংখ্যা ও  রেকর্ড ৯০ লক্ষের ঘরে চলে আসবে।

যদিও প্রশাসন সূত্রে খবর ,এখন ও ৮০লক্ষ আবেদন অনুমোদিত হয়েছে।  ৫ মে পর্যন্ত এই সংখ্যা ৮০ লক্ষ ৮৮ হাজার ৮৭০। আবেদনকারী  প্রায় ৮৯ লক্ষ।২০১৩ সালের ১ অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে প্রথম এই প্রকল্পের ও সংবর্ধণা জানানো হবে।   ব্লকে ব্লকে কন্যারত্নদের সন্মান ও পুরস্কৃত করা হবে। উৎসাহিত করা হবে।

১১ তারিখ অবশ্য মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন  মুখ্যমন্ত্রী। ২০১৫ সালের প্রথমদিকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন ,আগামী দু বছরের মধ্যে ৩৯ লক্ষের বেশি কন্যা এই প্রকল্পের উপকৃত হয়েছেন।  বাল্যবিবাহ রোধে প্রকল্পের ভূমিকা ও গুরুত্বপূর্ণ। কন্যাশ্রীর মাধ্যমে বেড়েছে নারী শিক্ষা ও নারী ক্ষমতায়ন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৩৯ লক্ষ ২২ হাজার ৬৫৫ জন কে অর্থ দেওয়া হয়েছে।

দুটি ধাপে এই প্রলল্পের সুবিধা দেওয়া হয়। ১৩ থেকে ১৮ বছরের মেয়েরা পড়াশোনা চালিয়ে গেলে বার্ষিক ৭৫০ টাকা করে পায়। সেক্ষেত্রে অবশ্য বাবা -মায়ের বার্ষিক আয় এক লক্ষ ২০হাজার টাকার নিচে হতে হবে। প্রথমে বার্ষিক অনুদানের পরিমান ছিল ৫০০ টাকা। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে আঠারো বছর পেরিয়ে গেলেও উনিশের কম বয়স হলে পড়াশোনা চালানোর জন্য বা বিবাহের খরচ বাবদ একসাথে ২৫ হাজার টাকা তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে।

Rabindranath Tagore will continue to live in our hearts: Mamata Banerjee

The Birth Anniversary of Kobiguru Rabindranath Tagore was celebrated with due respect in every part of Bengal on the auspicious Pochishe Boisakh.

Like every year the State Information & Cultural Affairs department held a function at Cathedral Road to mark Kobiguru’s birth anniversary. The function was graced by the Chief Minister along with artistes, singers, intellectuals, dignitaries from various embassies.

The CM said: “People of Bengal consider Rabindra Jayanti as a special day in the year. Our life is incomplete without it. Tagore is evergreen, timeless. He is bishwa kobi. He is bishwa sera.”

The Chief Minister also said, “Our day starts with Rabindranath. His lines stay with us through our daily work. Our day ends with his words. As long as we exist, Rabindranath will continue to live in our hearts. This life is meaningless without him.”

The celebration of Rabindranath’s birth anniversary will continue for 15 days (Kobi Pokkho) from May 10-24, 2017. Cultural programmes will be held at Rabindra Sadan auditorium and complex, Sishir Mancha and Bangla Academy. An exhibition on ‘Tagore and his thoughts on nationalism’ will be held at Gaganendra Pradarshanshahla.

The Wildlife Division of the Forest Department has initiated ‘Forest Bathing’ on the occasion of Rabindra Jayanti. Forest bathing describes the practice of paying a short, leisurely visit to a forest for health benefits. Rabindra Sangeet will be played in the forest during the Forest Bathing programme.

 

“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি, আমাদের প্রাণের কবি”: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ ২৫ শে বৈশাখ। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। এই উপলক্ষে সারা বাংলা জুড়ে আজ পালিত হচ্ছে রবীন্দ্রজয়ন্তী।

প্রতি বছরের মত এবছরও রবীন্দ্র সদন সংলগ্ন ক্যাথিড্রাল রোড মঞ্চে বিকেল ৫টায় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি উৎসব। মুখ্যমন্ত্রী সহ বিভিন্ন শিল্পীরা, গায়ক-গায়িকা, বুদ্ধিজীবী সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সাধারণ নাগরিক রবীন্দ্র জয়ন্তী দিনটিকে একটি বিশেষ দিন হিসেবে চিহ্নিত করেন। এটা ছাড়া আমাদের জীবন পূর্ণ হয় না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চিরকালের, চিরদিনের। তিনি বিশ্ব কবি, তিনি বিশ্বসেরা”।

তিনি আরও বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি, আমাদের প্রাণের কবি, আমরা যতদিন বাঁচব এই নাম আমাদের হৃদয়ে লেখা থাকবে”।

আগামী ১০-২৪ মে ১৫ দিন ধরে কবিপক্ষের অনুষ্ঠান হবে রবীন্দ্রসদন প্রেক্ষাগৃহ, রবীন্দ্রসদন মুক্তমঞ্চ, শিশির মঞ্চ ও বাংলা অ্যাকাডেমির সভাঘরে।

রবীন্দ্রনাথের স্বদেশভাবনার ওপর একটি প্রদর্শনীও হবে। আগামী ৯-১৫ মে গগনেন্দ্র প্রদর্শশালায় হবে এই অনুষ্ঠান।

We will lodge a strong protest: Partha Chatterjee on the discrepancy in the standards of NEET questions

Today afternoon, Patha Chatterjee, the State Education Minister addressed a press conference at Nabanna.

In it, he criticised the Centre over the difference in the standard of questions set for Bengali-medium students, vis-à-vis the English questions.

“The manner in which the Centre is attacking Bengal and its talents, and acting against the interests of the students of the State, is condemnable”.

He said, “They (the Centre) said there will be one exam but the Bengali question paper is much more difficult than the English paper”.

So, “students of ICSE and CBSE boards are at a position of advantage over Bengali boards” since the “exam is conducted in English”.

He further said, “The Centre tried to do the same thing for the engineering entrance exam but we opposed the move. In the name of one exam, how could they have two different question papers for different languages?”

“This is the Centre’s tactic to deprive Bengal and neglect the talent of the State. Bengal cannot be deprived like this”.

He stated, “We will not bow down to this. We are writing to the CBSE on this issue. We will lodge a strong protest”.

 

NEET ইস্যুতে কেন্দ্রের কড়া সমালোচনা রাজ্য সরকারের

NEET ইস্যুতে কেন্দ্রের কড়া সমালোচনা রাজ্য সরকারের। আজ দুপুরে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় নবান্নে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন বাংলার মেধাকে আটকে দিতেই কেন্দ্র এই কৌশল নিয়েছে।

তিনি বলেন, “কেন্দ্র যেভাবে বাংলার মেধা ও বাংলার ছাত্রছাত্রীদের ওপর আক্রমণ করছে এককথায় তা নিয়ে নিন্দার কোন ভাষা নেই। বলা হল অভিন্ন পরীক্ষা হবে কিন্তু দুরকম প্রশ্নপত্র হল” তিনি আরও বলেন, “ইংলিশের চেয়ে বাংলার প্রশ্নপত্র অনেক বেশি কঠিন”।

“ICSE/CBSE বোর্ডের ছাত্রছাত্রীরা অনেক বেশি সুবিধা পাবে বঞ্চিত হবে বাংলা বোর্ডের ছাত্রছাত্রীরা। একই কায়দায় ইঞ্জিনিয়ারিং করারও চেষ্টা করেছিল, আমরা চিঠি দিয়ে বলেছিলাম এই সিদ্ধান্ত ভুল, আমরা মানব না। অভিন্ন প্রশ্নপত্রের নামে দু ধরনের প্রশ্নপত্র করে তা যে কাজ করলেন তা নিঃসন্দেহে বাংলাকে বঞ্চিত করার কৌশল,” বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

“বাংলাকে বঞ্চিত করার কৌশল ঠিক করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এভাবে বাংলার মেধাকে আটকে রাখা যাবে না। বাংলাকে বঞ্চিত করা যাবে না। আমরা এই কৌশলের কাছে মাথা নত করব না। আমরা CBSE বোর্ডকে চিঠি দেব। এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

 

Rabindranath’s favourite dishes for a special ‘Pochishe Boishakh’ feast

This is news to rejoice for food lovers: ‘Pochishe Boishakh’ (Baisakh 25, or May 9) onwards – which is Rabindranath Tagore’s birth anniversary – for three days, West Bengal Fisheries Development Corporation, under the State Fisheries Department, has laid out a veritable feast for all and sundry.

On these three days, Rabindranath Tagore’s favourite foods would be available for savouring at Nalban Food Park in Kolkata, and considering the food connoisseur that he was, it’s going to be something to remember.

The festival has been named ‘Janmadiner Khaowadawa’ (Birthday Feast). The price of each dish ranges from Rs 60 to Rs 100. The plates and bowls to be served in would also be similar to those used during Tagore’s time, but they would be of clay.

Most of the delicacies have been selected from the book, Amish O Niramish Randhan (Non-vegetarian and Vegetarian Food) by Prajnasundari Devi, a niece of Rabindranath Tagore, published in 1900. Other sources for the foods include old recipes from Thakurbari.

Tagore had a particular habit which has made Thakurbari cuisine what it is: wherever he went for a feast, he would carry back the menu with him; then he would instruct his home chefs to rustle up the same dishes, with additions of his own, thus creating new dishes.

Since fish was a particular favourite of Rabindranath Tagore, the cuisine at Thakurbari had a larger proportion of fish dishes, and hence, so would the feast at Nalban. Different types of kebabs were another of his favourites. The Nobel laureate was also fond of cuisines from Spain, England and Turkey.

Some of the food items are as follows: jackfruit fish (catla fish with jackfruit), spicy boal fish, pulao sprinkled with fish cubes, soured mourola fish and pnuti fish, shoal fish with unripe mango, potoler dolma (stuffed potol) with ardh or boal fish, fried chapila fish, prawns in poppy seed-and-onion paste, prawns in methi leaves and home-made curd.

 

Image: nynjbengali.com

 

রবির প্রিয় পদ নিয়ে কবিপ্রণাম

খাদ্যপ্রেমীদের জন্য নতুন আকর্ষণ – রবি ঠাকুরের পছন্দের খাবারে এবার আম-বাঙালিও কবজি ডোবানোর সুযোগ পাবে। ২৫শে বৈশাখ থেকে পরপর তিনদিন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন উপলক্ষে রাজ্য মৎস্য দপ্তরের অধীন ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন এই উৎসবের আয়োজন করছে।

কলকাতার নলবন ফুড পার্কে আইয়োজিত হবে এই উৎসব। উৎসবের নাম দেওয়া হয়েছে ‘জন্মদিনের খাওয়াদাওয়া’। তিনদিন ব্যাপী এই উৎসবে গানবাজনা সহ থাকছে এলাহি আসর, ঠিক যেমন ঠাকুরবাড়িতে হত।

শুধু ঠাকুরবাড়ির রান্নাই নয়, সেখানে যে পাত্রে এইসব খাবার পরিবেশন করা হত সেইসব পাত্রও থাকছে এখানে। তবে সেগুলি মাটির। প্রতিটি ডিশের মূল্য ৬০ টাকা থেকে ১০০ টাকা।

বেশিরভাগ রান্নাই নেওয়া হয়েছে কবির ভাইজি প্রজ্ঞাসুন্দরীদেবীর বই ‘আমিষ ও নিরামিষ রন্ধন’ থেকে। বাকি রান্নার পদগুলি ঠাকুরবাড়ির পুরনো রেসিপি থেকে নেওয়া।

রবি ঠাকুরের পছন্দের খাবার ছিল জ্যাকফ্রুট ফিশ, বোয়াল মাছের ঝোল, মাছের কিউব দেওয়া পোলাও, মৌরলা কিংবা পুঁটি মাছের টক, আম দিয়ে তৈরী শোল মাছের পদ, পটলের দোলমায় আড় বা বোয়াল মাছের পুর। আমপোড়া শরবতও তাঁর খুব প্রিয় ছিল। গরমের দুপুরে জমিদারির কাজ দেখভালের ফাঁকে ফাঁকে এই শরবত ছিল কবির এনার্জি বুস্টার।

কাবাব তো বটেই, টার্কি, লন্ডন বা স্পেনের বিভিন্ন খাবারও ভালবাসতেন রবীন্দ্রনাথ। তবে তাঁর সবচেয়ে পছন্দের পদ ছিল মাছ।

 

 

 

 

Bringing back peace in Jangalmahal is the biggest success story of the Maa Mati Manush Govt

Bringing back peace in Jangalmahal is the biggest success story of the Maa Mati Manush Government. Left Wing Extremism (LWE) in Jangalmahal is a thing of the past. The Bengal Government, under the able leadership of Chief Minister Mamata Banerjee, has been able to spread the light of development in the the vast area, once infamous for being a hub of extremist activities.

The Bengal Chief Minister, who has visited the area comprising the districts of Bankura, Purulia and Jhargam districts more than hundred times since 2011, has given the area a new ray of hope.

From providing rice at Rs 2/kg to the tribal people and the poor to setting up new schools, colleges, super-speciality hospitals and stadiums, the Bengal Government under Mamata Banerjee has taken all the necessary steps to enable the people of Jangalmahal to lead a peaceful and violence-free life, and hence provided the relief from which they were deprived.

The tribal people have received benefits like forest patta, kendu industry workers have received benefits, students have received bicycles under Sabuj Sathi and scholarships under Kanyashree. The youth of the area now take part in the annual Jangalmahal Cup, initiated by Mamata Banerjee.

Numerous water supply projects and rural road projects have given a boost to the villages in the interiors of Jangalmahal. Tourism has been given a special impetus. As a result of so many measures taken, the locals are thriving.

In fact, after years of hardship, Jangalmahal is smiling again. The Bengal Chief Minister has rightly claimed that bringing back peace in the Jangalmahal region is the biggest success story of the Maa Mati Manush Government.

 

 

জঙ্গলমহলে শান্তি ফিরিয়ে আনাই মা মাটি মানুষের সরকারের সব থেকে বড় সাফল্য

মা মাটি মানুষ সরকারের সাফল্যের মুকুটে সবচেয়ে বড় পালকটি হল জঙ্গলমহলে শান্তি ফিরিয়ে আনা। নক্সাল হিংসার ফলে জঙ্গলমহল জুড়ে ছিল অশান্তির বাতাবরণ। অশান্ত জঙ্গলমহল আজ হাসছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আজ জঙ্গলমহল আজ উন্নয়নে সামিল হয়েছে।

২০১১ তে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও পুরুলিয়া জেলায় শতাধিক বার গেছেন ও জঙ্গলমহলবাসীদের দিয়েছেন উন্নয়নের দিশা। ২টাকা কিলো দরে চাল প্রদান, নতুন স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে স্টেডিয়াম – শান্তির পরিবেশ তৈরী করতে সরকার নিয়েছেন সব পদক্ষেপ। এতদিন যে মানুষরা বঞ্চিত ছিল তারা পেয়েছেন উন্নয়নের আস্বাদ।

আদিবাসীরা পেয়েছেন জঙ্গলের পাট্টা, কেন্দু শিল্পের সঙ্গে জড়িতেরা পেয়েছেন সুবিধা, সবুজ সাথী প্রকল্পে পড়ুয়ারা পেয়েছে সাইকেল, কন্যাশ্রী প্রকল্পে মেয়েরা পেয়েছে স্কলারশিপ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বার্ষিক জঙ্গলমহল কাপে অংশ নেয় স্থানীয় যুবরা।

 

Trinamool will win in all the 16 seats in Pujali: Abhishek Banerjee

Trinamool Youth Congress President Abhishek Banerjee today took part in a padayatra in Pujali, South 24 Parganas, while campaigning for the municipal polls of the Pujali Municipality. The four km padayatra which started from Pujali Oriental More and continued till Chhoto Battala on the Sunday morning saw thousands of people walking along with the fiery youth icon.

Abhishek Banerjee said that Trinamool will win in all the 16 wards of the Pujali Municipality. He said that the opposition will be washed out. Trinamool has no fear, the more Trinamool will be threatened, it will be more strong, he said.

Abhishek Banerjee said that Pujali did not see and development during the Left rule. 80% of the water supply project has been completed in the area, he said. He stressed on the development of the area and said that the Hindutwa factor will not work here. He asked all party workers to work united against the combined opposition force.

বিরোধীরা দাঁত ফোটাতে পারবে না: অভিষেক ব্যানার্জি

বিরোধীরা দাঁত ফোটাতে পারবেন না পূজালি পুরসভায়। এবারও তৃণমূলই জিতবে। ২০ মে পূজালিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল বেরোবে। রবিবার পূজালির ওরিয়েন্টাল মোড় থেকে প্রায় ৪ কিমি পায়ে হেঁটে ছোট বটতলা পর্যন্ত মহামিছিল করেন সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। তার পর ছোট বটতলাতেই তিনি সভা করেন। সেই সভাতেই তিনি এই ঘোষণা করেন।

এদিন সভায় তিনি বিরোধীদের বিরুদ্ধে রীতিমতো তোপ দাগেন। বলেন, ‘‌পূজালির ১৬টি আসনেই জিতবে তৃণমূল। বিরোধীদের কোনও অস্তিত্বই থাকবে না। তারা দাঁত ফোটাতে পারবে না।’‌ তৃণমূল সাংসদ সাফ জানিয়ে দিলেন, এবারও বিরোধীশূন্য করেই পূজালিতে ঘাসফুল ফুটবে। তিনি সিবিআই দিয়ে তৃণমূলকে ভয় দেখানোর জবাবে বলেন, ‘‌যতই ভয় দেখান না কেন, তৃণমূল ভয় পায় না। এখানে ভয় দেখিয়ে তৃণমূলকে হারানো যাবে না। তূণমূলকে ধমকালে–‌চমকালে তৃণমূলের শক্তি আরও বাড়বে।’‌

তাঁর অভিযোগ, ‘‌বাম আমলে পূজালির কোনও উন্নয়নই হয়নি। তৃণমূল এসে এখানে জলপ্রকল্পের কাজ ৮০ শতাংশ শেষ করেছে। পূজালির মানুষ উন্নয়ন চান। আর এখানে সেই উন্নয়নই হয়েছে। প্রচুর টাকার উন্নয়নের কাজ হয়েছে এই পুরসভায়। তাই কোনও হিন্দুত্ব তত্ত্ব এখানে চলবে না। মানুষ তৃণমূলকেই ভোট দিয়ে জেতাবেন।’ তিনি এদিনও ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের ওপর জোর দেন। বলেন, ‘ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করে এই পুরসভার প্রতিটি আসনেই জিততে হবে।’ এদিন তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘এখানে বিরোধীদের গোপন আঁতাত তৈরি হয়েছে। সামনে যা–ই দেখাক না কেন, ভেতরে ভেতরে সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি আঁতাত করে লড়াইয়ে নেমেছে।’

এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন বজবজের বিধায়ক অশোক দেব, শওকত মোল্লা, গৌতম দাশগুপ্ত প্রমুখ।