Sufal Bangla to open with restaurants now

The State Government’s hugely popular ‘Sufal Bangla’ chain of grocery-and-fish stalls are now going to come up with restaurants now. Nutritious and delicious food – dal, rice and vegetables – will be served at affordable prices. Sufal Bangla is run by the Agricultural Marketing Department.

The first such food outlet would be started in Tarapith in Birbhum district, in a newly-created market.

Tarapith has been chosen to start with because it is a very popular pilgrimage site. Thousands, and during certain periods of the year, lakhs of devotees visit the temple there. They will be able to satisfy their hunger with cheap but wholesome and cleanly prepared food.

The rice, fruits and vegetables available at Sufan Bangla stalls are sourced directly from farmers. So with this system in place, more can be sourced from farmers, increasing their incomes.

According to an official of the Agricultural Marketing Department, even after selling, in many places, every day, there are some quantities always in excess. That would be put to use now. Ghee would be served along with rice, according to this official. Superior varieties of rice like gobindobhog, tulaipanji, kalonunia, randhunipagla and radhatilak would be available too.

Bengal Govt to use tech to standardise quality control of aromatic rice & pulses

To make determination of the quality of aromatic rice and pulse varieties the Bengal Government buys from farmers to be sold at the fair-price Bangla outlets across the state standardised and hence, foolproof, the Agricultural Marketing Department has decided to take the help of technology.

E-nose technology would be introduced at the government’s state-of-the-art quality control laboratory in Singur to ensure the quality of aromatic rice varieties. As an official of the department explained, different varieties of aromatic rice have different aromas – for example, Kalo Nunia has a mild smell while Gobindobhog is known for its strong smell. What was done till now by humans would, to ensure uniformity, soon be taken over by technology.

Another technology named Pulse View will be introduced at the Singur laboratory for assessing the quality of pulse. According to the Agriculture Department official, vegetables, rice and pulses will all be tested in the laboratory before being sent to the Sufal Bangla outlets in the city.

The aim is to ensure that only the best products are sold at these State Government outlets. In this connection, it needs to be mentioned that recently the number of Sufal Bangla outlets were increased – 22 mobile stalls were set up, adding to the existing 16 permanent and 29 mobile stalls.

The State Agriculture Department is encouraging farmers to cultivate forgotten varieties of aromatic rice like Radha Tilak, Kala Bhat, Dudheshwar, Hamai, Jhumpuri, Khara and Balam, to name a few, with technical support from the government’s agricultural training centre in Phulia in Nadia district, and is chalking out plans to create a market for them.

Natural methods are being encouraged to be used to grow these varieties as the use of chemicals to enhance production will, in the long run, badly affect the environment, including the quality of the soil.


সুগন্ধি চাল ও ডালের গুনমান বজায় রাখতে প্রযুক্তির ব্যবহার করবে রাজ্য সরকার


সুফল বাংলা স্টলগুলিতে যে সুগন্ধি চাল ও ডাল পাওয়া যায় তা রাজ্য সরকার সরাসরি চাষিদের থেকে কেনে। এবার সেই সুগন্ধি চাল ও ডালের গুনমান যাতে দীর্ঘদিন বজায় থাকে, তার জন্য আরও সচেষ্ট হল রাজ্য সরকার। এর জন্য প্রযুক্তির সাহায্য নেবে রাজ্য সরকার।

সুগন্ধি চালের গুনমানের জন্য অত্যাধুনিক ‘ই-নোস’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে সিঙ্গুরের কোয়ালিটি কন্ট্রোল গবেষণাগারে। দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, বিভিন্ন সুগন্ধি চালে বিভিন্ন ধরনের গন্ধ থাকে। যেমন, কালো নুনিয়ার গন্ধ হালকা, গোবিন্দভোগের গন্ধ প্রবল।
চালের গুনমানের জন্য সিঙ্গুরের গবেষণাগারে ‘পালস ভিউ’ প্রযুক্তিও ব্যবহৃত হবে। এবার থেকে এই পরীক্ষার পরই সুফল বাংলার স্টলগুলিতে চাল, ডাল বা অন্যান্য আনাজ আসবে, যাতে সেরা মানের চাল, ডাল ও আনাজ পান ক্রেতারা।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন বিরল প্রজাতির চালের চাষ বাড়াতে নানারকম উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। নদীয়া জেলার ফুলিয়ায় সরকারের কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কৃষকদের সবরকম প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। জৈবিক পদ্ধতিতে এই সব চালের উৎপাদন করতে বলা হচ্ছে তাদের।
Source: Millennium Post

West Bengal’s first fair price vegetable market coming up in Behala

The West Bengal Government is setting up the State’s first fair price vegetable market in Behala. This is yet another of Chief Minister Mamata Banerjee’s projects for easing the lives of the common people.

This comes after the huge success of her concepts of fair price medicine shops and diagnostic centres, and the temporary fair price stalls for selling potatoes and other vegetables.

The market is being set up by the State’s Agricultural Marketing Department, with the assistance of Kolkata Municipal Corporation. It would be located on a 7-8 cottahs parcel of land on Rajani Mukherjee Road in ward number 118 (which is in Behala).

Vegetables, fish, eggs and meat would be sold in the market. Rs 30 lakh has been spent on the construction. Forty-one shops, and 18 slabs for fish and small vegetable-sellers, have been built.


পশ্চিমবঙ্গের প্রথম ন্যায্য মূল্যের বাজার তৈরি হচ্ছে বেহালায়

বেহালায় প্রথম করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার পদ্ধতিকে আরও সহজ করার জন্যও এটি মুখ্যমন্ত্রীর আর একটি প্রয়াস।

ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানের বিপুল সাফল্যের পর কয়েকটি ন্যায্য মূল্যের অস্থায়ী সব্জির দোকান তৈরি করা হয়েছে।

খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, উদ্যানপালন, কৃষি বিপণন ও কলকাতা পুরসভার যৌথ সহায়তায় এই ন্যায্য মূল্যের সবজি বাজার তৈরি করা হচ্ছে। কলকাতার ১১৮ নং ওয়ার্ডের (বেহালায়) রজনী মুখার্জি রোডের ওপর ৭-৮ কাঠা জমির ওপর এই বাজার তৈরি সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

এখানে ন্যায্য মূল্যের সবজি, মাছ-মাংস-ডিম বিক্রি হবে। এই বাজারের পরিকাঠামো তৈরিতে খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। বাজারের মধ্যে ৪১টি দোকান ও ১৮টি স্ল্যাব তৈরি করা হয়েছে।