Bengal eyeing two-fold hike in export growth rate by 2021: Amit Mitra

Bengal government has set a target of doubling the export growth rate of the state within 2021, said Industry, Commerce and Enterprise minister Amit Mitra on Monday. He was addressing a workshop with the exporters, industries and various other stakeholders at a city hotel to accelerate the process of export promotion from the state.

Despite some issues relating to the non-payment of refunds to the exporters, particularly to the small-scale ones, the state government has been able to achieve export growth rate of 11.17 percent last year.

Dr Mitra said that there was an export of 8.23 billion US dollars from Bengal in the financial year 2016-17, which has gone up to 9.15 billion US dollars in 2017-18. Products worth around Rs 62,000 crore have been exported from the state in 2017-18.

The Bengal government is taking all possible steps to double the figure in the next three years. “We have achieved 11.17 percent growth rate in exports, which is pretty high among all other states. It was around 10 percent last year.

The export growth rate of the country according to CAGR remained at 6.01 percent for a period from 2007-08 up to 2016-17. The overall export that stands at Rs 62,000 will be doubled in the next three years,” Dr Mitra said.

According to the minister, an information centre will be set up jointly by the West Bengal Industrial Development Corporation (WBIDC) and the MSME department, to disseminate information relating to the exports and various schemes.

An export cell will be set up at the district industrial centres, so that people interested in exports can gather information relating to it. Altogether 80 officers from industry and MSME sectors will be given training at the Institute of Foreign Trade in Kolkata, for a period of one month from July 5.

Among the total number of officers, around 60 would be from the MSME department, while the rest would be from industries. After returning to the district industrial centres, these officers will give answer to the quarries of the potential exports. They will be made aware on how the documentation is done.

Dr Mitra also said that a dyeing centre has come up at Nabadwip, which will meet global standards so that the exporters from the state would no longer face any problems during the certification. Around 50,000 weavers would also be benefitted from the project. There was an overall export of 825 million US dollar of iron and steel from Bengal in 2016-17 and the target is to reach up to 1,500 million US dollar within the next three years.

While gold and other precious material export remained at 711 million US dollar, with a target of 1,200 million US dollar. The Bengal government has developed a major infrastructure by setting up a Gems and Jewellery Park at Ankurhati in Domjur in this regard. In the leather sector, export stands at 687 million dollar and the target is to reach 1,500 million dollar.

Asia’s biggest leather park has come up at Bantala. The state government has allotted a Rs 400 crore investment in Bantala. Marine products and petroleum products have seen a rise in the export. The minister also reminded that apart from airport and sea port, a land port should also be set up for accelerating the exports. In case of fresh vegetables, the exporters were facing problems as they have to export the products through Vizag port. The issue would be taken up with the Union commerce minister.

Investment Bengal

Ease of doing business: Bengal now leader among peers

The third edition of the Central Government’s annual Ease of Doing Business ranking for states, modelled on the international one conducted by the World Bank, has seen West Bengal jumping 15 places to top of the list. West Bengal was in the 16th position last year.

Data collected till March 28 on an online dashboard maintained by the Department of Industrial Policy and Promotion, which conducts the ranking, suggests so. Last year, DIPP had finalised a total list of 372 reforms in regulatory processes, policies, practices or procedures as part of the Business Reforms Action Plan 2017. This is spread across 12 key reform areas. Reforms successfully undertaken by each state are updated on the dashboard, with the result that states with the highest implementation of reforms securing the highest ranks.

The rankings only reflect the changing face of Bengal over the last seven years, under Chief Minister Mamata Banerjee. Through a series of administrative reforms, e-governance measures, and three successful editions of Bengal Global Business Summit, she has turned the state into ‘Best Bengal’.



শিল্পের পথ সহজ করার মার্কশিটে বাংলাকে ১০০-তে ১০০ দিল কেন্দ্র

শিল্পের গা থেকে লালফিতের ফাঁস আলগা করার বিশ্বব্যাঙ্কের দেওয়া ৩৬৯টি নির্দেশিকার সবকটি সঠিকভাবে লাগু করে কেন্দ্রীয় সরকারের মার্কশিটে ১০০-তে ১০০ পেল পশ্চিমবঙ্গ। তাই সঙ্গত কারণেই বাংলার স্থান প্রথমে। হিসেব মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতেই ওই নম্বর পেয়েছে রাজ্য সরকার।

শিল্প গড়তে কোন রাজ্য কতটা আগ্রহী, তা জানতে প্রতিবারই সমীক্ষা করে কেন্দ্রীয় সরকার। ব্যবসা করার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জট কাটাতে রাজ্যগুলি কী কী পদক্ষেপ করল, তার জন্য র্যা ঙ্কিং হয় প্রতি বছর। এবার রাজ্যগুলির মূল্যায়ন চলাকালীন বাংলা ছিল একেবারে প্রথম সারিতে।

এদিকে, বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে মুকেশ আম্বানি ঘোষণা করেছিলেন, ব্যবসা বা শিল্পের পথ সহজ করার কাজে দেশের মধ্যে এক নম্বরে পশ্চিমবঙ্গ। অর্থ ও শিল্পমন্ত্রী অমিত মিত্র থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, দেশের সেরা স্থানে রয়েছে রাজ্য। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে এ রাজ্যে বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট হয়েছিল। সেই সময় রাজ্য ছিল এক নম্বরে। বাংলা এক নম্বর স্থান ধরে রাখায়, দিন কয়েক আগে ফের তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পশ্চিবঙ্গকে যে প্রথম স্থান থেকে সরানো কার্যত সম্ভব নয়, তা মনে করছেন শিল্প দপ্তরের কর্তারা।

Distribution of forms for Ruposhree scheme begins

The distribution of forms for Bengal Government’s Ruposhree Scheme started on March 28, 2018. Under the scheme, families whose annual income is Rs 1.5 lakh or less would receive financial assistance of Rs 25,000 from the State Government for the wedding of their daughters. Close to six lakh poor families will benefit from the scheme.

This is an idea conceived by Chief Minister Mamata Banerjee and was announced by the Finance Minister, Dr Amit Mitra, during the presentation of the State Budget.

The Trinamool Congress Government had started the Kanyashree Scheme in Bengal, another brainchild of Mamata Banerjee, in 2011 to enable girls to complete their education. This was later extended to the university level. The scheme has been a huge success and has been awarded by as high an international organisation as the United Nations.

Now, the Government has decided to help facilitate the marriage of poor girls too. Rs 1,500 crore has been allocated for the project.

Given below are the important details for availing the scheme:


  • Residents of Bengal
  • Annual income of bride’s family has to be Rs 1.5 lakh or less
  • The minimum age of the bride has to be 18 years, and of the groom, 21 years
  • Beneficiaries of Kanyashree can apply for Rupashree too


Availability of form

The form for the Ruposhree Scheme would be available at the offices of block development officers (BDO), sub-divisional magistrates (SDM) and commissioners of municipal corporations.According to government sources, later on, forms would be available online too.

  • Documents to be submitted along with the form
  • Photocopy of birth certificate
  • Details of the groom
  • Wedding card or any other proof of the wedding to be held
  • A signed undertaking saying that the bride is marrying of her own will
  • Electoral Photo Identity Card (EPIC), that is, Voter’s Card
  • Details of the bride’s bank account


How to obtain the grant

After all the documents along with the form are submitted, State Government officials will scrutinise them. If everything is found in order, Rs 25,000 would be deposited in the account of the bride.



রুপশ্রী প্রকল্পের জন্য এবার আবেদন করা যাবে

শুরু হল রূপশ্রী প্রকল্পের ফর্ম বিতরণ। যে সব পরিবারের বার্ষিক আয় ১.৫ লক্ষ টাকা বা তার কম, এমন পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক তরুণীরা বিয়ে করলে এই প্রকল্পের অধীনে এককালীন ২৫ হাজার টাকা করে পাবেন। আর পাত্রের ন্যুনতম বয়স হতে হবে ২১ বছর।

২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের রাজ্য বাজেট পেশ করার সময় মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের এই প্রকল্প ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে রাজ্যে নারীকল্যানের জন্য তৎপর হয় রাজ্য সরকার। ২০১৩ সালে কন্যাশ্রী প্রকল্প চালু করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাল্যবিবাহ রুখতে ও কন্যা সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে বিশেষ সহায়ক হয়েছে এই প্রকল্প। সাফল্যের নিরিখে বিশ্বের দরবারে স্বীকৃতিও পেয়েছে কন্যাশ্রী। এবার দুঃস্থ পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে প্রত্যক্ষ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের জন্য ১৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার।

রূপশ্রী প্রকল্পের অধীনে বিয়ের দিন ঠিক হওয়ার পর ফর্ম পূরণ করতে হবে পাত্রীকে। সেই ফর্ম যাচাই করে বিয়ের ৫ দিন আগে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে প্রাপ্য টাকা।এই প্রকল্পের জন্য আবেদনের ফর্ম মিলবে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে। যেমন,

১. বিডিও অফিস
২. মহকুমা শাসকের দফতর
৩. পুর নিগমের কমিশনারের দফতর রূপশ্রী প্রকল্পের ফর্মের সঙ্গে জমা দিতে হবে বেশ কিছু নথি।
১. জন্ম প্রমাণপত্র বা বার্থ সার্টিফিকেটের প্রত্যয়িত প্রতিলিপি।
২. জমা দিতে হবে পাত্রের বিস্তারিত তথ্য
৩. বিয়ের কার্ড বা অন্য কোনও প্রমাণ
৪. আবেদনকারী স্বেচ্ছায় বিয়ে করছেন বলে স্বীকারোক্তি দিতে হবে
৫. ভোটার আইডি কার্ড ও আধার কার্ড
৬. ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত

আবেদনপত্র ভর্তি করে ও সঙ্গে সমস্ত নথিসহ আবেদনপত্র জমা দিলে তা খতিয়ে দেখবেন সরকারি আধিকারিক। সব তথ্য নির্ভুল হলে বিয়ের ঠিক ৫ দিন আগে পাত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে টাকা।আপাতত শুধুমাত্র সরকারি অফিসে ফর্ম মিললেও কিছুদিনের মধ্যে অনলাইনেও মিলবে রূপশ্রী প্রকল্পের ফর্ম।

Source: Zee News

Trinamool Govt has done a lot for small and medium businesses, and farmers: Dr Amit Mitra

Finance Minister Dr Amit Mitra, while replying to a debate in the State Assembly, said that the Trinamool Congress Government has done a lot to help small and medium businesses, and farmers, among others, and elaborated on the statement.

He said that the government has done away with the requirement for businesses with an annual turnover of less than Rs 20 lakh to pay the goods and services tax (GST). This would benefit 1 lakh 27 thousand 45 small and medium-scale businesses.

And for those with an annual turnover of less than Rs 1.5 lakh, there is the single control system (SCS), which would benefit 1.87 lakh businesses. Additionally, there is the Composition Scheme for such businesses, through which businesses are being able to improve their bottomline by paying much less tax. This is benefitting 1.87 lakh businesses.

Dr Mitra then spelt out the measures taken for farmers by the Maa-Mati-Manush Government led by Chief Minister Mamata Banerjee.

The State Government has created a fund of Rs 100 crore for buying farmers’ products at the minimum support price (MSP) so that even when there is excess production, farmers do not suffer because of the fall in prices. He said that no other state has been able to create such a fund and that this would immensely help the farmers of Bengal.

Then, the government has also done away with the mutation fee paid by farmers to give them relief. This would benefit seven to eight lakh farmers.


২০ লক্ষ টাকার নীচে জিএসটি নয়ঃ অমিত মিত্র

২০ লক্ষ টাকার নীচে যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক টার্নওভার, তাদের জন্য কোনও জিএসটি নয়। এর ফলে রাজ্যের ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৫টি ক্ষুদ্র ও ছোট ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠান লাভ করেছে এবং তারা ব্যাবসা করছে। বিধানসভায় একথাই জানান অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। তিনি বলেন, ‘ক্ষুদ্র ও ছোট ব্যবসায়ীদের স্বার্থকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে রাজ্য সরকার।’ এছাড়াও অর্থমন্ত্রী জানান, কম্পোজিশন স্কিম চালু করা হয়েছে। অল্প ট্যাক্স দিয়ে ব্যাবসার শ্রীবৃদ্ধি ঘটাচ্ছেন ব্যাবসায়ীরা। এই স্কিমে উপকৃত হয়েছেন ৮০ হাজার।

এছাড়াও দেড় লক্ষ টাকার নীচে যাদের ব্যাবসায়িক টার্নওভার তাদের জন্য রয়েছে সিঙ্গল কন্ট্রোল সিস্টেম। এতে উপকৃত ১.৮৭ লক্ষ ব্যাবসায়ী।

মাঝারি ব্যাবসায়ীদের এন্ট্রি ট্যাক্স সুদ ও জরিমানা মুকুব, কৃষকদের মিউটেশনে ছাড় সহ রাজ্য সরকার সাধারন মানুষের জন্য যে সকল পদক্ষেপ নিয়েছে তা তিনি বিধানসভায় জানান।

কৃষকদের সহায়তায় বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়েছে। অধিক ফলনে দাম পড়বে, এই অবস্থা থেকে কৃষকদের পাশে দাড়াতেই এই পদক্ষেপ। ১০০ কোটি টাকা আছে এই তহবিলে। অধিক ফলন হলেও যাতে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পান, তাই এই বিশেষ তহবিল গঠন। যা এই রাজ্যে একমাত্র আছে দেশের মধ্যে। মিউটেশন ফি মুকুব করায় লাভবান হয়েছে ৭-৮ লক্ষ কৃষক।


Bengal has one of the lowest losses due to GST: Dr Amit Mitra

It is an accepted fact now that the hurried implementation of Goods and Services Tax (GST) by the Central Government across the country has led to massive inconveniences for the business community as well as huge losses for the government due to confusion regarding the tax rates.

Chief Minister Mamata Banerjee was the first leader of national stature to speak out against GST, as she was with demonetisation earlier.

On February 7, while reacting to the Budget discussions in the Assembly, Finance Minister Dr Amit Mitra said that despite the rushed implementation, losses due to GST in Bengal were lower than in many other states because the digitial infrastructure was already in place. And the digital infrastructure is the result of the e-governance initiative of the Trinamool Congress Government, for which Bengal has bagged several awards, including from the Central Government.

To prove his statement about low loss, he gave out the numbers: Rs 589 crore for Bengal during the September-October 2017 period, compared to Rs 2,000 crore for Karnataka, Rs 1,132 crore for Gujarat and Rs 1,054 crore for Bihar.

Earlier, Dr Mitra had said that the Union Government has not fulfilled its commitment for reimbursing the loss on account of the introduction of GST. Bengal has lost Rs 1,850 crore on this count, of which Rs 850 crore was yet to be compensated.

Source: The Statesman


জিএসটি তে সব থেকে কম ক্ষতি হবে বাংলারঃ অমিত মিত্র

এটি এখন সকলের কাছে পরিষ্কার কেন্দ্রীয় সরকারের অপরিকল্পিত ভাবে জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্সের ফলে সারা দেশের ব্যাবসায়ীরা বিপর্যস্ত। কারন, তারা এখনও পরিষ্কার ভাবে জানেন না কোন জিনিসে কত শতাংশ কর ধার্য করেছে কেন্দ্র। এর ফলে ব্যাবসায়ীদের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সরকার-ও।

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নোটবাতিলের বিরুদ্ধে দেশের মধ্যে যেমন প্রথম প্রতিবাদে নেমেছিলেন, এক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয় নি।

বিধানসভায় জবাবী ভাষণে অর্থমন্ত্রী বলেন, এই হঠকারী জিএসটি প্রণয়ন স্বত্বেও যেহেতু বাংলায় ইতিমধ্যেই ডিজিটাল পরিকাঠামো বর্তমান, বাংলার ক্ষয়ক্ষতি অন্যান্য অনেক রাজ্যের তুলনায় কম হয়েছে। আর এই পরিকাঠামো সম্ভব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের ই-গভর্ন্যান্স উদ্যোগের ফলে। এই উদ্যোগের ফলে রাজ্য সরকার প্রচুর পুরস্কার পেয়েছে কেন্দ্রের থেকে।

তাঁর কথার প্রমাণ স্বরূপ তিনি তথ্য দিয়ে বুঝিয়ে দেন, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ২০১৭ তে রাজ্য সরকারের ক্ষতি হয়েছে ৫৮৯ কোটি টাকা, যখন কর্ণাটক রাজ্যের ক্ষতি হয়েছে ২০০০ কোটি টাকা ও গুজরাটের ১১৩২ কোটি টাকা ও বিহারে ১০৫৪ কোটি টাকা।

এর আগে আমিত মিত্র বলেছেন কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারগুলির ক্ষতিপূরণের কোনও ব্যবস্থা করেনি. বাংলার এই বাবদ ১৮৫০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে, যার মধ্যে ৮৫০ টাকা ক্ষতিপূরণ এখনও পাওয়া বাকি।


Key MoUs signed in education sector at BGBS 2018

The Bengal Global Business Summit (BGBS) 2018 witnessed some major MoUs in the Education sector on Wednesday, with Jadavpur University alone signing three MoUs with three leading foreign universities for collaborative research and education.

Three MoUs have been signed with Edinburgh University, University of Exeter in UK and Eötvös Loránd University of Hungary. It may be mentioned that JU has been doing joint research projects with Edinburgh University (EU) and the university’s School of Oceanography has been working in collaboration with EU.

Chief Minister Mamata Banerjee announced at the summit that her government is providing 5 acres of land each to both JU and Calcutta University at New Town. Presidency University also signed an MoU with Edinburgh University at the summit for collaboration in higher education and life sciences.

শিক্ষা ক্ষেত্রে একগুচ্ছ মৌ বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সঙ্গে

বিনিয়োগের মঞ্চে শিল্প-বাণিজ্যের সঙ্গে সমান গুরুত্ব পেল শিক্ষাও৷ দুদিনের বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটের দ্বিতীয় দিনে রাজ্যের তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কলকাতা, যাদবপুর ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একগুচ্ছ সুখবর শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

প্লেনারি সেশনের শেষে ছিল মৌ স্বাক্ষর পর্ব৷ সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, যাদবপুর ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে উৎকর্ষকেন্দ্র গড়ার জন্য আরও পাঁচ একর করে জমি দেওয়া হবে৷ রাজারহাটে সেই জমিতে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস গড়ে উঠবে৷ এ দিনই বিভিন্ন বিষয়ে একাধিক মৌ স্বাক্ষর করে যাদবপুর ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ও৷

এই মৌয়ের ফলে পড়ুয়া ও গবেষকদের মানোন্নয়নের জন্য বিদেশের নামজাদা কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে পারবে এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলি৷ কিছুদিন আগেই কলকাতা ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণা খাতে একশো কোটি টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷

বাণিজ্য সম্মেলনের শেষ পর্বে রাজ্যের অর্থ তথা শিল্পমন্ত্রী অমিত মিত্র বলেন, যাদবপুর ও প্রেসিডেন্সি, এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেই মৌ স্বাক্ষরিত হয়েছে স্কটল্যান্ডের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের৷ জীবনবিজ্ঞানের গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্বজোড়া খ্যাতি রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের৷ এর পাশাপাশি হাঙ্গেরির লোরান্দ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটেনের এক্সিটার বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও মৌ স্বাক্ষর হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের৷ ডিজিট্যাল হিউম্যানিটি বিষয়ে এক্সিটার ও যাদবপুর একসঙ্গে কাজ করবে৷ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং প্রফেসর হিসাবে আগেই যুক্ত রয়েছেন যাদবপুরের উপাচার্য৷

কলা বিভাগের পাশাপাশি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রেও গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতার জন্য লোরান্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে যাদবপুর৷ মূলত ইলেকট্রিক্যাল, মেটালার্জি ও মেকানিক্যাল শাখার পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখেই এই মৌ হয়েছে৷

এর ফলে এখানকার পড়ুয়ারা সুপারভাইজার হিসাবে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যেতে পারবে৷ পাশাপাশি দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলিত উদ্যোগে গবেষকদের জন্য যৌথ কর্মশালা, সেমিনারেরও আয়োজন হবে৷


Dr Amit Mitra to inaugurate 5th North Bengal Conclave

The fifth edition of North Bengal Conclave is taking place today in Siliguri. The State Finance and Industry & Commerce Minister, Dr Amit Mitra will inaugurate it.

The conclave will host a series of business-to-business (B2B) meetings between industry representatives from Bangladesh, Nepal, Bhutan and those from the districts of Darjeeling, Alipurduar, Cooch Behar, Jalpaiguri, Kalimpong, Malda, Dakshin Dinajpur and Uttar Dinajpur. These districts comprise north Bengal.

Through the bringing of all stakeholders under one roof, the conclave aims to turn the huge investment opportunities that North Bengal holds into a reality.

Every since the Trinamool Congress Government came to power six year ago, the region of north Bengal as a business destination has been promoted widely through various forums. The North Bengal Conclave is a result of that effort.

The north Bengal division of the premier business federation, Confederation of Indian Industry (CII) is organising it, in close cooperation with the Bengal Government.

The North Bengal Conclave is a focussed attempt to highlight the potential of the region and convince prospective investors of the long-term reward they can reap by investing their money in a range of sectors.


Source: Millennium Post



‘নর্থ বেঙ্গল কনক্লেভের’ উদ্বোধনে অমিত মিত্র

আজ পঞ্চম ‘নর্থ বেঙ্গল কনক্লেভের’ উদ্বোধন করবেন রাজ্যের অর্থ ও শিল্পমন্ত্রী অমিত মিত্র। সিআইআইয়ের উত্তরবঙ্গ ডিভিশন ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে কনক্লেভটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে শিলিগুড়িতে।

বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল থেকে প্রতিনিধিরা আসবেন এই কনক্লেভে। থাকবেন দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কুচবিহার, কালিম্পঙ, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার শিল্পপতিরা। কনক্লেভে হবে নানা বিটুবি বৈঠক। আশা করা যায় এই কনক্লেভের ফলে উত্তরবঙ্গে বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত খুলে যাবে।

ছ’বছর আগে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গে বিনিয়োগ টানার সচেষ্ট প্রয়াস করেছেন।


Source: Millennium Post

Bengal FM hits out at Centre for not releasing any funds for flood relief

State Finance and Industry Minister Amit Mitra on Tuesday alleged that the Centre has not released any fund for the flood-like situation in the state.

“The state had demanded Rs 6,068 crore but the Centre has not made any financial assistance for undertaking flood relief work. The state alone had spent Rs 772.6 crore from the State Disaster Relief Fund but the National Disaster Relief Fund has not allocated a penny,” Dr Mitra said.

The state Finance minister also hit out at the centre alleging that sending a team from Delhi to the districts having flood-like situation was a mere eyewash.

Dr Mitra reiterated that a total of 254 blocks, 51 municipalities, 1,691 gram panchayats and 15,702 villagers received the state’s aid. “This is testimony to the fact that there has been no discrimination was made on political grounds,” he added.

Two other ministers also raised their voices against the Centre for ignoring the state by not responding to the demands of their respective departments at the state Assembly’s question answer session.

State Law Minister was vocal against stoppage of matching grants for the Centre in the last few years that has posed a hindrance in the setting up of court buildings. State Consumer Affairs and Self Help Group Minister was vocal against the non co-operation of the banks in providing loans to the SHGs.


বন্যাত্রাণে এক টাকাও দেয়নি কেন্দ্র, বিধানসভায় সরব অমিত মিত্র 

বন্যাত্রাণে ৬০৬৮ কোটি টাকা কেন্দ্রের কাছে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু ‘ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফান্ড’ থেকে এক টাকাও মেলেনি। কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল রাজ্যে এসেছে। চারদিন ধরে ঘুরে বেড়িয়েছে। ওই পর্যন্তই। পুরোটাই ভেল্কি! কোনও উত্তর কেন্দ্রের তরফে রাজ্যকে দেওয়া হয়েনি। মঙ্গলবার বিধানসভায় ফের কেন্দ্রের বঞ্চনা নিয়ে সরব হলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

তিনি জানিয়ে দিলেন, “কেন্দ্র না দিলেও, ওই খাতে রাজ্য ইতিমধ্যিই ৭৮২ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে।”

এদিন অমিতবাবু ব্লক, পুরসভা ও পঞ্চায়েত ধরে অর্থ খরচের ব্যাখ্যা দেন।বলেন “২৪৫ টি ব্লক, ৫১ টি পুরসভা, ১৬৯৮ টি গ্রাম পঞ্চায়েতকে এই ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১৬ হাজার গ্রামের ৮৪ লক্ষ মানুষ উপকৃত হয়েছেন। বন্যায় অনেক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। আমরা ৪ লক্ষ ৯৭ হাজার ৩৬২ টি বাড়ি সংস্কারের জন্য অর্থ দিয়েছি। ৭ লক্ষ ১৯ হাজার ৫২৪ টি ত্রাণশিবির করা হয়েছে।”

তৃণমূলের বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার প্রশ্নের উত্তরে অমিতবাবু এদিন এই তথ্য তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট বলেন, “রাজ্যের সঙ্গে প্রতারণা করেছে কেন্দ্র।”

Country is still searching for ‘Acche Din’: Dr Amit Mitra

Bengal’s Finance and Industry Minister Dr Amit Mitra, addressing the annual general meeting of Bengal Chamber of Commerce and Industry (BCCI) on September 12, said that the country is still searching for ‘Acche Din’ that was promised by the Prime Minister.

He buttressed his statement by presenting statistics about the fall in gross domestic product (GDP), gross value added (GVA), bank credit growth and other parameters at the national level during the financial year 2016-17.

Attributing demonetisation as one of the main causes for the decline in different growth parameters, Dr Mitra said that the GDP growth has declined from 8 per cent in the fourth quarter of 2015-16 to 7.1 per cent in 2016-17. The GVA has also fallen from 8.7 per cent in 2015-16 to 5.6 per cent in 2016-17.

The bank credit growth has been the lowest in the last 20 years, which is a clear indication that small traders have bore the brunt of demonetisation. From 10.3 per cent in the 2015-16 fiscal, the parameter has abruptly declined to 1.7 per cent in 2016-17.

The non-performing assets (NPAs) of public sector banks have also risen to a disturbing level during the 2016-17 fiscal. During 2015-16, NPA was 5.17 per cent, while during 2016-17 it rose to 11.97 per cent.

The figure for farmers’ suicide rose from 11,772 in 2013 to 12,602 in 2016.

The minister said that economists have predicted that the GDP in the next fiscal, that is, 2017-18, will fall further and will be in the range of 6.8 to 7.3 per cent.


দেশের মানুষ এখনও “আচ্ছে দিন”-এর খোঁজ করছে: অমিত মিত্র

মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী অমিত মিত্র বলেন, দেশের মানুষ এখনও প্রধানমন্ত্রীর বর্ণনা করা “আচ্ছে দিন”-এর খোঁজ করছে। তিনি ২০১৬-১৭ সালের দেশের জিডিপি, জিভিএ, ব্যাঙ্ক ক্রেডিট গ্রোথ ও অন্যান্য তথ্য দিয়ে বলেন দেশের অর্থনীতি নিম্নমুখী।

অর্থনীতির এই হালের জন্য তিনি নোটবাতিলের সিদ্ধান্তকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, ২০১৫-১৬ সালের চতুর্থ কোয়ার্টারের জিডিপি গ্রোথ ছিল ৮ শতাংশ যা ২০১৬-১৭তে কমে দাঁড়িয়েছে ৭.১ শতাংশে। ২০১৫-১৬ সালে জিভিএ গ্রোথ ছিল ৮.৭ শতাংশ যা ২০১৬-১৭ তে কমে দাঁড়িয়েছে ৫.৬ শতাংশে।

“ব্যাঙ্ক ক্রেডিট গ্রোথ ২০ বছরের সর্বনিম্ন স্থানে এসে পৌঁছেছে। ছোট ব্যবসায়ীরা চূড়ান্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ব্যাঙ্ক ক্রেডিট গ্রোথ ২০১৫-১৬ সালে ছিল ১০.৩ শতাংশ যা ২০১৬-১৭তে ১.৭ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে” মন্ত্রী বলেন।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির এনপিএ বেড়েছে অত্যাধিক হারে, যা ২০১৫-১৬সালে ছিল ৫.১৭ শতাংশ তা ১৬-১৭ তে বেড়ে হয়েছে ১১.৯৭ শতাংশ।

কৃষক আত্মহত্যার সংখ্যা ২০১৩ তে ছিল ১১৭৭২ টি যা ২০১৬ সালে বেড়ে হয়েছে ১২৬০২টি।

অমিত মিত্র বলেন, ২০১৭-১৮ সালে জিডিপি গ্রোথ কমে ৬.৮ থেকে ৭.৩ এর মধ্যে থাকবে। তিনি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পূর্ব গভর্নরকে উদ্ধৃত করে বলেন, এই সাময়িক ক্ষতিগুলো এত বিশাল আকার ধারন করেছে যে ভবিষ্যতের লাভ গুলো ঢাকা পরে যেতে পারে।

Source: Millennium Post

Bengal govt to give small traders free software for filing GST returns

Bengal government will provide free software to small traders for filing goods and services tax (GST) returns, state Finance Minister Dr Amit Mitra said on August 30.

“We are in touch with the NIC (National Informatics Centre) and work is on to develop the software,” Dr Mitra said while addressing a seminar on GST.

Bengal would be one of the few states to provide free GST software under the new tax regime in the country.

Addressing the seminar on phone, Chief Minister Mamata Banerjee said that the State was never against GST but opposed the hurried implementation of the new system.She assured that the State would continue to fight for the right of small enterprises.


জি এস টি-র জন্য ব্যবসায়ীদের বিনামূল্যে সফটওয়্যার পরিষেবা দেবে রাজ্য

জি এস টি নিতে সমস্যায় পড়েছেন রাজ্যের ব্যবসায়ীরা। সেই সমস্যা কাটাতে একটি সফটওয়্যার তৈরি করছে রাজ্য সরকার। তৈরি হয়ে গেলে ব্যবসায়ীদের বিনামূল্যে পরিষেবা দেওয়া হবে, একথা জানান, অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

এই অনুষ্ঠানে টেলিফোনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য জিএসটির বিরোধী নয়। কিন্তু যে ভাবে তাড়াহুড়োয় নতুন কর ব্যবস্থা ব্যবসায়ীদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হল, তা ঠিক হয়নি। ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য রাজ্য সব সময় লড়াই চালিয়ে যাবে।

এদিন শিল্পমন্ত্রী বলেন, পরিকাঠামো ছাড়াই গোটা প্রক্রিয়া চালু করে দিলে কি হয় তা এখন স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের সমস্যার কথা মাথায় রেখেই জিএসটি সংক্রান্ত হিসেব রাখতে এই সফটওয়্যার আনা হচ্ছে। ন্যাশনাল ইনফরমেতিক্স সেন্টার এই সফটওয়্যার তৈরির কাজ করছে।

Source: Bartaman