Fair price medicine shops: What Bengal thinks today India thinks tomorrow

West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee and her Government’s pro-people policies have, from the very first, been the model for the entire country, be it other States or the Central Government. Many have been appreciated internationally too. Fair-price medicine shop (FPMS) is one such much-appreciated concept.

This was proved once again when the Union Budget 2016 laid out the plan for making quality medicines available at affordable prices, under Prime Minister’s Jan Aushadhi Yojana.

However, this concept was started by the Trinamool Congress-led government in West Bengal way back in 2011, when the party came to power.

Currently, across the State, more than 100 fair-price medicine shops are operating on the public-private partnership (PPP) model. Through these shops, medicines are available at discounts ranging from 48% to 77%.

Around 200 lakh people have been benefited through this. Medicines amounting to Rs 585 crore have been sold. Besides, 77 fair-price diagnostic centres have also been opened in PPP mode.

This concept has proved not only to be a path-breaker within the country but has drawn praise at international for a too. For example, a research study on this concept was selected for discussion at the 11th World Congress of International Health Economics Association in Milan in July 2015.

To mention another instance of the Central Government being inspired by the West Bengal Government’s innovative schemes, last year, the Beti Bachao, Beti Padhao Yojana was started. However it was just a copy of the State’s Kanyashree Scheme for the upliftment of the girl child. And while West Bengal allocated Rs 1000 crore for Kanyashree, the Centre allocated a measly Rs 100 crore for its scheme.

As Chief Minister Mamata Banerjee reiterates time and again, “What Bengal thinks today, India thinks tomorrow.” This has just been proved once more.


স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বাংলার দেখানো পথ অনুসরণ কেন্দ্রের

পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনহিতকর নীতি প্রথম থেকেই সারা দেশে মডেল হয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই এই পদক্ষেপ অনেক জায়গায় প্রশংসিত হয়েছে। স্বল্প মূল্যের ওষুধের দোকান এর মধ্যে খুব জনপ্রিয়। পশ্চিমবঙ্গের লাখ লাখ গরীব মানুষ আজ অত্যন্ত স্বল্প মূল্যে জীবনদায়ি ওষুধ কিনতে পারছে।

এই কথাটি আবার একবার প্রমাণিত হল, যখন ২০১৬ বাজেট পেশ করার সময় যখন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী জন ঔষধি যোজনা’ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করলেন।

যাইহোক, ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার এই পদ্ধতি শুরু করেছিল।

বর্তমানে সারা রাজ্য জুড়ে প্রায় পিপিপি মডেলে পরিচালিত ১০০ টির বেশি স্বল্প মূল্যের ওষুধের দোকান চালু হয়েছে। এই দোকানগুলির মাধ্যমে ওষুধের দামে ৪৮% থেকে ৭৭% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়। প্রায় ২০০ লক্ষ মানুষ এর মাধ্যমে উপকৃত হবেন। ৫৮৫ কোটি টাকার ওষুধ বিক্রি হয়েছে।পাশাপাশি ৭৭টি স্বল্প মূল্যের ওষুধের দোকান চালু হয়েছে পিপিপি মডেলে।

আরও একটি দৃষ্টান্ত দেওয়া যাক, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আরও একটি উদ্ভাবনী প্রকল্প দ্বারা অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত বছর কেন্দ্রীয় সরকারের ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ যোজনা শুরু হয়েছিল। মেয়েদের উন্নয়নের জন্য রাজ্যের ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্পের প্রতিচ্ছবি এই প্রকল্প। যেখানে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই প্রকল্পের জন্য ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার তাদের প্রকল্পের জন্য মাত্র ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।

‘আজ বাংলা যা ভাবে, দেশ তা ভাবে আগামীদিনে’, মুখ্যমন্ত্রীর এই কথা আরও একবার প্রমাণিত হল।