West Bengal to come up with Citizen Services App

The West Bengal Government plans to come out with a Citizen Services App that will help bring together academia, investors and budding entrepreneurs as part of the start-up action plan.

The Government is trying to introduce start-up action plan in partnership with the private sector and has requested NASSCOM to offer its expertise and assistance.

The Government already has the e-district facility and 27 services are already available online.

IT minister Bratya Basu said seven IT parks are near completion and are expected to be completed by this fiscal creating job opportunity for 20,000 IT professionals.

NASSCOM Products Conclave is slated to be held in city on July 15 and many IT leaders are expected to participate in the event.

 

জনপরিষেবার জন্য নতুন অ্যাপ আনছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

নাগরিক পরিষেবার স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গ সরকার একটি নতুন অ্যাপ চালু করছে। যা শিক্ষাজগতের লোকজন,  বিনিয়োগকারী এবং উদীয়মান উদ্যোক্তাদের একসঙ্গে স্টার্ট আপ কর্ম পরিকল্পনায় অংশ নিতে সাহায্য করবে।

বেসরকার সংস্থাগুলির সঙ্গে পার্টনারশিপে স্টার্ট আপ কর্ম পরিকল্পনা শুরু করার চেষ্টা করছে সরকার এবং ন্যাসকমকেও অনুরোধ করা হয়েছে সবরকম সহযোগিতা করার জন্য।

সরকার ই-ডিসট্রিক্ট পরিষেবা চালু করেছে এবং ইতিমধ্যেই ২৭টি পরিষেবা অনলাইনে পাওয়া যায়।

তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, ৭টি আইটি পার্ক সম্পূর্ণ হওয়ার পথে এবং এগুলি সম্পূর্ণ হয়ে গেলে এখানে প্রায় ২০০০০ লোকের কর্মসংস্থান হবে।

কলকাতায় আগামী ১৫ই জুলাই ন্যাসকমের একটি আলোচনা সভা হওয়ার কথা আছে এবং অনেক আইটি ইঞ্জিনিয়ারদের সেখানে উপস্থিত থাকার কথা।

Bengal Govt stresses on agri-research to ensure better yield

The West Bengal Government is giving stress on agricultural research to find new techniques that will ensure a good yield of crops even in case of natural disasters.

A two-day conference attended by the representatives of all the seven agriculture research stations of the State ended on Tuesday.

The major thrust area of the conference was the development of techniques and new types of seeds using which cultivation would be possible even if there was excess rainfall up to a certain limit or even if there was comparatively lesser rainfall during the monsoon season.

The researchers also discussed how to develop newer methods of cultivation so that the farmers can make more profit.

It had always been the target of the present Government to help farmers get some more money after toiling a lot to ensure an increase in cultivation.

Besides discussing on the development of new methods of cultivation, the researchers have also pointed out the need for proper soil testing so that the farmers do not suffer losses. Stress has also been given on development of new types of seeds that can be used to increase yields or to grow better quality crops.

 

The news was first published on Millennium Post dated June 8, 2016

 

কৃষি উত্পাদন বাড়াতে গবেষণায় জোর রাজ্যের

কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য নতুন নতুন পদ্ধতি খুঁজে পাওয়ার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার গবেষণার ওপর জোর দিচ্ছে যা এমনকি প্রাকৃতিক দুর্যোগেও ফসলের ভাল ফলন নিশ্চিত করবে।

দুই দিনব্যাপী এই কৃষি সম্মেলন মঙ্গলবার শেষ হয়েছে, রাজ্যের সাত কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশগ্রহন করেছিলেন।

বর্ষায় অতিবৃষ্টি বা তুলনামূলকভাবে কম বৃষ্টিপাত হলেও যাতে উন্নতমানের বীজ ব্যবহার করে নতুন পদ্ধতিতে ফসলের ফলন বৃদ্ধি করা যায় এই ছিল সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয়।

নতুন পদ্ধতিতে চাষ করে কৃষকরা যাতে অধিক মুনাফা অর্জন করতে পারে সে বিষয়েও গবেষকরা আলোচনা করেছেন।

বরাবরই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য ছিল কিভাবে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করে কৃষকরা যাতে আরও বেশি টাকা রোজগার করতে পারে তা নিশ্চিত করা।

চাষের নতুন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনার সঙ্গে সঙ্গে গবেষকরা সঠিক মাটি পরীক্ষার প্রয়োজনও  উল্লেখ করেছেন এই আলোচনায় যাতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।ভালো মানের ফসলের ফলন যাতে বাড়ানো যায় তাই নতুন ধরনের বীজ ব্যবহারের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

 

 

Bengal Govt to formulate action plan for fostering start-ups

The newly-elected Mamata Banerjee Government is planning to formulate an action plan for fostering start-ups in the State.

“By 2020, we aim to make West Bengal one of the top three States in IT and IT-enabled services,” the state’s newly-appointed IT Minister Bratya Basu said during an interactive session with the National Association of Software and Services Companies (NASSCOM) on Wednesday. NASSCOM is the representative body of IT industries in India.

He called upon industry to join the Government to help dispel the negative perceptions that the State suffers from. “It cannot be the Government’s job alone…you have to join us too,” he said echoing a point made by Chief Minister Mamata Banerjee on Tuesday at her meeting with nine chambers of commerce.

The Government is determined to make the State a front runner in the IT space, Mr. Basu said.

The discussions ranged from possible Government-supported product-development centric incubation centres to the creation of a database of start-ups for larger companies as well as the Government.

 

স্টার্ট-আপ প্রসারে উদ্যোগী পশ্চিমবঙ্গ সরকার

নবনির্বাচিত মমতা ব্যানার্জী পরিচালিত সরকার রাজ্যে স্টার্ট আপগুলির বিকাশের জন্য একটি সক্রিয় প্ল্যান প্রণয়ন করার পরিকল্পনা করেছে।

“২০২০ সালের মধ্যে তথ্য–‌প্রযুক্তিতে দেশের প্রথম ৩ রাজ্যের তালিকায় মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের নাম যুক্ত করা আমাদের লক্ষ্য”, বুধবার এক আলোচনাচক্রে এ কথা জানান রাজ্যের তথ্য–‌প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তথ্য–‌প্রযুক্তি সংস্থাগুলির সংগঠন ‘‌ন্যাসকম’‌ এই আলোচনার আয়োজন করেছিল।

আলচনার পর মন্ত্রী জানান, “ তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে একজানালা পরিষেবা চালু করা হবে, এর জন্য একটি অ্যাপও তৈরি করা হচ্ছে, যে কোনও লাইসেন্স, সব রকম আবেদন এর মাধ্যমেই করা যাবে”।

মন্ত্রী আরও জানান, “অনেকেই তথ্য–‌প্রযুক্তিতে নতুন বিনিয়োগ করেছেন বা ছোট সংস্থা খুলেছেন।রাজ্য সরকার তাদের পাশে থাকবে।তথ্য প্রযুক্তিতে রাজ্যকে সামনে আনার জন্য সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ”।

ইনকিউবেশন সেন্টার থেকে শুরু করে সরকারি সাহায্য ও স্টার্ট আপ এর ডাটাবেস তৈরির ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে এই বৈঠকে।

Bengal to increase fish production

The State Government has taken some major steps to revive fisheries in Bengal. Its Fisheries Department has planned to increase the production of local fish species and cultivate endangered ones.

Fisheries Minister Chandranath Sinha said, “Our department has taken many steps to boost fish production. The Chief Minister has asked us to come up with a comprehensive plan for the next five years. We are also making plans for the next 10 years.”

“In our state, the demand for fish is huge. Our Chief Minister has ordered fish cultivation to be increased in our State. So we have decided to increase fish production,” the minister added.

“We are working on some new breeds of fish. We have planned to use at least one large waterbody in every district to cultivate different kinds of fishes,” Sinha added.

Meanwhile, the department has set up laboratories in almost one-third of the blocks in West Bengal where people can get the soil and water in their local water bodies tested free of cost and get suggestions from agricultural scientists on how to improve the water bodies.

They will also get information about what kinds of fishes should be cultivated there. The minister said that within the next few years, every block in the State will have laboratories to assist farmers and fishermen.

 

মাছ উত্পাদন বাড়াতে উদ্যোগী রাজ্য

রাজ্য সরকার বাংলায় মৎস্যচাষ পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মৎস্য বিভাগ সাধারণ প্রজাতির মাছের উৎপাদন এবং বিপনণ বৃদ্ধির পরিকল্পনা করেছে।

মৎস্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন, “মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে আমাদের দপ্তর। মুখ্যমন্ত্রী আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরি করার। আমরা আগামী ১০ বছরের পরিকল্পনাও করছি”।

তিনি আরও বলেন, “আমাদের রাজ্যে মাছে বিপুল চাহিদা। তাই রাজ্যে মাছের উৎপাদন আরও বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই আমরা মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছি”।

মন্ত্রী জানান, “আমরা কিছু নতুন ব্রিড নিয়ে কাজ করছি। প্রতি জেলায় অন্তত একটি বড় জলাশয় ব্যবহার করে তাতে বিভিন্ন ধরণের মাছ চাষ করার পরিকল্পনা আছে আমাদের”।

এদিকে, বাংলায় সব ব্লকের প্রায় এক তৃতীয়াংশে ল্যাবরেটরিজ স্থাপন করেছে মৎস্যদপ্তর। এখানে চাষিরা মাটি, জল বিনামূল্যে পরীক্ষা করতে পারবেন এবং কিভাবে তাদের জলাশয়ের মান উন্নত করা যায় সে ব্যাপারেও কৃষিবিজ্ঞানীদের থেকে পরামর্শ পেতে পারবেন।

কি ধরনের মাছ চাষ করা উচিত এর মাধ্যমে তারা এব্যাপারে তথ্য পাবেন। মন্ত্রী জানান আগামী কিছু বছরের মধ্যেই রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে কৃষক ও জেলেদের সহায়তার জন্য ল্যাবরেটরি তৈরি হয়ে যাবে।

Transport reform: WB CM constitutes an integrated board for CSTC, CTC and WBSTC

An integrated board for Calcutta State Transport Corporation (CSTC), Calcutta Tramways Company (CTC) and West Bengal Surface Transport Corporation (WBSTC) has been constituted to ensure better transport facility to commuters by reducing the loss incurred by the corporations.

It may be recalled that the World Bank has funded a project to rationalise routes in different areas. It has been found that in many places there were more buses and less commuters, while in other areas the ratio between the users and the vehicles are disproportionate.

Route rationalisation will help the commuters and bring down losses incurred by the various transport corporations.

Chief Minister Mamata Banerjee said that the purpose of creating an integrated board is to bring down the expenditure. The State Government needs to pay Rs 40,000 crore to clear debts.

Thus, such a step has been taken to ensure that the common people continue to get better transport facilities and at the same time the expenditure comes down.

She said that there is no reason for the employees of any of the three corporations to worry, as in case of any excess in manpower, they can be transferred to other departments.

The Chairman of the integrated board for CSTC, CTC and WBSTC is MLA Rachpal Singh and the Vice-Chairman is Swarnakamal Saha, who is known for his wide experience in the transport sector. Nayana Bandyapadhyay and Sujit Basu, MLAs from Chowringhee and Bidhannagar Assembly constituencies, respectively, are the two directors on the integrated board.

The boards of North Bengal State Transport Corporation (NBSTC) and South Bengal State Transport Corporation (SBSTC) were also reconstituted on Wednesday. MLA Sourav Chakraborty would continue as the Chairman of the board for NBSTC, and Arghya Ray Pradhan has become the Vice-Chairman.

Tamanash Ghosh is the Chairman of the board for SBSTC and Asit Majumder is the Vice-Chairman.

There are five directors on the board for NBSTC and four for SBSTC.

 

পরিবহণ ব্যবস্থায় সংস্কার, মিলল তিন পরিবহণ নিগম

রাজ্য পরিবহণ নিগমের তিনটি সংস্থাকে এক ছাতার তলায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হল। তারই প্রথম পর্যায়ে সি এস টি সি, সি টি সি এবং  ডব্লু বি এস টি সি— এই তিন সংস্থার জন্য একটি মাত্র পরিচালন পর্ষদ গঠন করা হল।

পরিবহন দপ্তরের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের সরকারের মাথায় ৪০ হাজার কতি টাকার দেনা রয়েছে। তাই আমরা খরচ কমিয়ে আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নিয়েছি”।

এর ফলে সংস্থাগুলি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। খরচের পরিমাণও কমবে। যাত্রী–‌পরিষেবা  আরও উন্নত হবে।

তিন নিগমকে একসূত্রে বেঁধে ফেলা হলেও নিগমের কোন কর্মী কর্মহীন হবেন না বলে নিশ্চিত আশ্বাস দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তাঁর কথায়, “আমরা কাউকে কর্মহীন করার পক্ষপাতী নই। কর্মীদের বদলি করা হলেও সকলেরই চাকরি বজায় থাকবে”।

এই তিনটি নিগমকে এক করে চেয়ারম্যান পদে বসানো হয়েছে রচপাল সিংকে এবং ভাইস চেয়ারম্যান হলেন স্বর্ণকমল সাহা।

এই ইন্টিগ্রেটেড বোর্ডের দুইজন পরিচালক হলেন চৌরঙ্গী বিধানসভার বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিধাননগরের বিধায়ক।

নর্থ বেঙ্গল স্টেট ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান হলেন সৌরভ চক্রবর্তী এবং ভাইস চেয়ারম্যান হলেন অর্ঘ্যরায় প্রধান।

সাউথ বেঙ্গল স্টেট ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান হলেন তমোনাশ ঘোষ এবং অসিত মজুমদার হলেন ভাইস চেয়ারম্যান।

সাউথ বেঙ্গল স্টেট ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের জন্য মোট চারজন এবং নর্থ বেঙ্গল স্টেট ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের জন্য মোট পাঁচজন পরিচালক রয়েছেন।

পরিবহণ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, একটাই পরিচালন পর্ষদ থাকবে। তার ফলে তিনটি নিগমের কর্মীরাই একসঙ্গে কাজ করবেন।

Bengal schools to cater to the needs of specially-abled students

Keeping in line with Chief Minister Mamata Banerjee’s vision of making education ‘all-inclusive,’ the State Education Department has asked schools to make certain arrangements and provisions for the benefit of specially-abled students studying together with other students.

In schools meant exclusively for specially-abled students, these provisions and arrangements were already there but this is for the first time that all schools have been asked to make these provisions and grant certain relaxations to these students following the guidelines laid down by the Education Department.

Certain provisions were there earlier too, but now several new ones have been made a part of the guidelines, like language paper selection, seating arrangements, etc., that will encourage these children to attend schools with other students. Previously it was at the discretion of the schools to make arrangements for such students, but now proper guidelines have been drafted to make the provisions to look after their special needs uniform across the State.

 

রাজ্যের স্কুলগুলিকে প্রতিবন্ধী-বান্ধব করার পরিকল্পনা সরকারের

“সবার জন্য শিক্ষা” মমতা ব্যানার্জী এই পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে রাজ্য রাজ্যের স্কুলগুলিকে প্রতিবন্ধী-বান্ধব করা যাতে তারা অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে একসঙ্গে স্কুলে পড়াশোনা করতে পারে শিক্ষা দপ্তর তার নির্দেশ দিয়েছে সব স্কুলগুলিকে।

ইতিমধ্যেই স্কুলে প্রতিবন্ধী ছাত্রছাত্রীদের জন্য এইসব বিধি-ব্যবস্থা আগে থেকেই ছিল। কিন্তু এই প্রথম বার সব স্কুলগুলিকে এইধরনের বিধি ব্যবস্থা এবং এইসব বিশেষ ছাত্রছাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট ছাড় দেওয়ার নির্দেশিকা দেওয়া হল শিক্ষা দপ্তর থেকে।

ইতিপূর্বে বেশকিছু নির্দিষ্ট বিধিব্যবস্থা ছিল। কিন্তু বেশ কিছু নতুন পদ্ধতি যোগ করা হয়েছে নতুন নির্দেশিকায়। ভাষায় স্বাচ্ছন্দ্যবোধ, ঠিকমতো বসার ব্যবস্থা এবং আর অনেক নতুন গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে এর ফলে শিশুরা স্কুলে আসতে এবং বাকি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে থাকতে আরও বেশি আগ্রহী হবে। বিশেষ চাহিদার সঙ্গে এইসব ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিদ্যালয়গুলির আলাদা ব্যবস্থা করার বিবেচনা ইতিপূর্বে অনিশ্চিত ছিল।

Implementing the 100 Days Work scheme in Didi’s way bring smile into Nadia villagers

The residents of Raipara village under Nadia’s Chakdah police station are now earning much more by making fly ash bricks, thanks to an initiative of the innovative methods taken up by the Trinamool Government on implementation of the 100 Day Work scheme.

The district administration has started the country’s second eco-friendly brick manufacturing project in Nadia. Around 56 tribal families of Raipara in Silinda-1 gram panchayat under Chakdah block in Nadia have benefited owing to this project under NREGA. So, while their children couldn’t go to school for lack of money a year ago, now they can and are getting three meals a day. Interestingly, all the workers involved in this project are women.

The country’s first such project was set up in Bankura. West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee had asked the officials of the panchayat and rural development department to start schemes that will help economically challenged families.

The fly ash comes from Bandel Thermal Power Station. Along with it, sand, lime and gypsum are used to produce bricks and pavement tiles. Thirty lakh bricks will be produced annually and the production cost of each brick is Rs 2 and 6 paisa. These types of bricks are used to construct rural roads and the excess ones are sold for Rs 4 each, which is even cheaper than the bricks available in the market. The workers who are participating in this project are members of a self-help group (SHG). Another SHG has been formed in Ghoramara in Silinda-2 panchayat.

Fifty per cent of these fly ash bricks are bought by the Nadia administration at Rs 6 and 50 paisa. The remaining 50% bricks are kept for those families who are below poverty line. They can buy them for Rs 4 (for each brick). Sixty-five per cent of the profit goes to the members of the self-help group.

Reportedly, the self-help group in Raipara is making a profit every month. Besides this, every member is also getting a labour charge of Rs 174 as per the 100 days scheme.

The project was started in November 2015. About Rs 6.5 lakh is needed to buy a brick manufacturing machine. The Nadia administration has already bought two such machines for the project. To set up a brick kiln, one needs about Rs 24 lakh.

 

News Source: HT, Kolkata, Image representative

 

দিদির দেখানো পথে এগিয়ে ১০০ দিনের কাজে সাফল্য নদীয়ার এই গ্রামের

নদিয়ার চাকদহ পুলিশ স্টেশনের অন্তর্গত রায়পাড়া গ্রামের বাসিন্দারা বর্তমানে ইট তৈরি করে ভাল রোজগার করছে। তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকারের ১০০ দিনের প্রকল্পের অধীনে এটি একটি অভিনব প্রয়াস।

জেলা প্রশাসন নদীয়ায় দেশের দ্বিতীয় ইকো বান্ধব ইট উত্পাদন প্রকল্প শুরু করেছে। নারেগা প্রকল্পের অধীনে চাকদহ ব্লকের শিলিণ্ডা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়পাড়া গ্রামের ৫৬ টি আদিবাসী পরিবার উপকৃত হয়েছে। একবছর আগে টাকার অভাবে তাদের ছেলেমেয়েরা স্কুলে পড়াশোনা করতে যেতে পারত না, এখন তারা স্কুলে যেতে পারছে এবং দিনে তিন বেলা খেতে পাচ্ছে। মজার ব্যাপার হলো, এই প্রকল্পের সাথে জড়িত সব শ্রমিকই হলেন মহিলা।

দেশের মধ্যে প্রথম বাঁকুড়ায় এইধরনের প্রকল্প চালু হয়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগের কর্মকর্তাদের অর্থনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জ পরিবারকে সাহায্য করবে এই ধরনের প্রকল্প শুরু করার নির্দেশ দেন।

ফ্লাই অ্যাশ আসে ব্যান্ডেলের থার্মাল পাওয়ার স্টেশন থেকে। এর সঙ্গে বালি, লাইম, জিপসাম মিশিয়ে ইট এবং ফুটপাথের টাইলস তৈরি করা হয়। বার্ষিক ৩০ লক্ষ ইট উত্পাদিত হবে এবং প্রতিটি ইটের উৎপাদন খরচ ২ টাকা এবং ৬পয়সা। এই ধরনের ইট গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে ব্যবহার করা হয়। বাড়তি ইটগুলি প্রতিটি ৪ টাকায় বিক্রি করা হয়, যা বাজারে বিক্রি হওয়া ইটের তুলনায় অনেক সস্তা।

যারা এই প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেছে তারা সকলেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য। শিলিণ্ডা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘোরামারায় আরও একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে।

এই ধরনের ৫০ শতাংশ ইট প্রশাসন ৬ টাকা ৫০ পয়সায় কেনে। অবশিষ্ট ৫০% ইট দারিদ্রসীমার নীচে থাকা পরিবারের জন্য রাখা হয়। তারা ৪টাকায় (প্রতিটি ইট) ইটগুলি কিনতে পারে। লাভের ৬৫ শতাংশ যায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের কাছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী রায়পারার স্বনির্ভর গোষ্ঠী প্রত্যেক মাসে বেশ লাভ করছে। এর পাশাপাশি, ১০০ দিনের প্রকল্প অনুযায়ী প্রত্যেক সদস্য ১৪৭ টাকা করে লেবার চার্জ পাচ্ছেন।

২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে এই প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল। ইট তৈরির মেশিন কেনার জন্য প্রায় ৬.৫ লাখ টাকা প্রয়োজন। নদিয়া প্রশাসনিক কর্তারা এধরনের দুটি মেশিন কিনেছেন। এক একটি ইটভাটা তৈরি করতে প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা প্রয়োজন।

State Govt taking steps against potato hoarders

The Trinamool Congress Government has decided to act tough against middlemen and hoarders, who have been jacking up potato prices. Under the instruction of Chief Minister Mamata Banerjee, Agriculture Marketing Minister Tapan Dasgupta carried out a survey in various retail markets on Sunday. Apart from carrying out raids, the department officials may also sell potatoes at a controlled price.

On Sunday evening, the Minister met farmer leaders and asked them to keep a watch on the markets and identify people who are jacking up prices.”The Chief Minister has expressed her worries over the rise in price. She has also asked me to keep a close watch on the prices of other vegetables,” said Dasgupta.

He added, “After a few days, I will submit the final report to the Chief Minister, detailing the roadmap to check prices in retail markets. We cannot allow a certain section of traders to make the most out of this situation. We have already conveyed this to traders. If they do not desist from adopting unethical methods, we will take legal action against them.”

আলুর মূল্যবৃদ্ধি রুখতে লগ্নিকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে রাজ্য সরকার

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত তৃণমূল কংগ্রেস সরকার আলুর মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে লগ্নিকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছেন। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে কৃষি বিপণন মন্ত্রী তপন দাশগুপ্তা রবিবার খুচরো বাজারে একটি সমীক্ষা করেন। এইধরনের রেড কড়া ছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়ন্ত্রিত দামে আলু বিক্রির ব্যাপারেও নজর দেবেন।

আলুর মূল্যবৃদ্ধির ওপর কড়া নজর রাখতে রবিবার বিকেলে কৃষকদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন কৃষি বিপণন মন্ত্রী। মন্ত্রী এদিন জানান, “মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী আলুর মুল্যবৃদ্ধি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি অন্যান্য সবজির মূল্যবৃদ্ধির ওপরও কড়া নজর রাখছেন”।

তিনি আর বলেন, “কিছুদিন পর আমি খুচরো বাজারের দাম পরীক্ষা করে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ফাইনাল রিপোর্ট পেশ করব। আমরা একটি নির্দিষ্ট বিভাগের ব্যবসায়ীদের অনুমতি দেব না। আমরা ইতিমধ্যেই ব্যবসায়িদের সেকথা জানিয়ে দিয়েছি। যদি তারা আমাদের এই পদ্ধতি অনুসরণ না করে তাহলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেব”।

Trinamool has two treasures – Mamata Banerjee and the party workers: Abhishek Banerjee

That the huge success in South 24 Parganas district was the success of developmental work was evident yesterday when the Diamond Harbour MP and Trinamool Youth Congress President Abhishek Banerjee ceremonially published the second part of the book, Nisshobdo Biplob (English version – Silent Revolution), detailing the work done by him in the seven assembly segments that make up his parliamentary constituency during the past year. The programme was held at Buinta in Budge Budge.

The book has come out in two languages – Bengali and English, titled Nishhobdo Biplob and Silent Revolution, respectively.

The book contains all details of the initiatives and achievements of Abhishek Banerjee as an MP.

Present at the programme were the All India General Secretary of the party, Subrata Bakshi, Secretary General Partha Chatterjee, Zilla Sabhadhipati of South 24 Parganas, Samima Seikh and other dignitaries and leaders.

At the event, the TMYC President said that the party has two treasures, one being Mamata Banerjee and the other being all the party activists. He stressed on the need for working in a united manner, in every field. He also stressed on his taking action on every problem he is informed of, within an hour.

 

তৃণমূলের দুটি সম্পদ এক হলেন নেত্রী, অন্যটি হল কর্মীঃ অভিষেক

গতকাল ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ এবং তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বই “নিঃশব্দ বিপ্লব”-এর দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশ করেন। তাঁর সংসদীয় ক্ষেত্রে গত দু’বছরে তিনি কী কী কাজ করেছেন, তার সচিত্র আখ্যান এদিন জনসমক্ষে প্রকাশ করলেন। গত বছরেও একইভাবে তার কাজের তালিকা সম্বলিত পুস্তিকা প্রকাশিত হয়েছিল। অনুষ্ঠানটি হয় বজবজের ভুনিতায়।

বইটি বাংলা ও ইংরেজি দুটি ভাষাতেই প্রকাশিত হয়েছে। বাংলা সংস্করণটির নাম “নিঃশব্দ বিপ্লব” এবং ইংরেজি সংস্করণটির নাম “Silent Revolution”।

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বক্সি, দলের মহাসচিব পার্থ চ্যাটার্জি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সভাধিপতি শেখ শামিমা সহ আর অন্যান্য নেতারা এদিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এদিন এই অনুষ্ঠানে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি জানান, তৃণমূলের দুটি সম্পদ, এক হলেন নেত্রী, অন্যটি হল কর্মী। সকলকে একসঙ্গে লড়াই করে কাজ করতে হবে। জোটবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন এলাকার যে কোন সমস্যা তিনি এক ঘণ্টার মধ্যে সমাধান করে দেন, যে কোন সমস্যায় তিনি মানুষের পাশে থাকেন।

 

Google eyes Bengal digital space

Internet search and software giant Google has evinced interest in West Bengal for digitisation of the State Government’s projects. Google India MD Rajan Anandan has also expressed his desire to meet new state IT minister Bratya Basu next week.

A delegation comprising representatives from Bengal Chamber of Commerce and Industries (BCC&I), Oracle, Capgemini, IBM, Vodafone and Presidency University had also met the minister on Tuesday to discuss the development of IT-based businesses in the State.

A BCC&I official has informed the state IT minister about Google’s intention to carry out all the digitisation work related to the State Government’s projects. It may be noted that during the first Mamata Banerjee government, West Bengal had scored big on the e-governance front.

Google India, in collaboration with Tata Trusts, had recently announced the launch of the ‘Internet Saathi’ programme in West Bengal, Assam, Uttar Pradesh and Tripura to overcome the digital gender disparity in rural India and empower rural women and communities in the field of digital literacy.

Since the launch of this initiative, Google has directly trained over 1.5 million women on the basics of internet. In order to drive a broader access and continuity in usage after the training, internet-enabled devices like tablets and smartphones are placed the school premises, community centres, meeting places for self-help groups, agriculture centres, public health centres (PHCs), etc. for optimum exposure and learning amongst communities.

BCC&I has also invited Bratya Basu to its Annual Business IT Conclave.

 

রাজ্যে লগ্নীতে আগ্রহী গুগল

রাজ্য সরকারের যেসব প্রকল্প রয়েছে সেগুলি ডিজিটাইজেশন করতে আগ্রহী গুগল। রাজ্যকে প্রিমিয়ার আইটি ডেসটিনেশন হিসাবে গড়ে তুলতে চাইছে গুগলের কর্ণধাররা। গুগলের স্বতঃপ্রণোদিত এই উদ্যোগ রাজ্যের যে রাজ্যের মুকুটে এক নতুন পালক সংযোজন করেছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আগামী সপ্তাহে তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গেও দেখা করার জন্য উৎসাহী সংস্থার ম্যানেজিং ডাইরেক্টর তথা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্যিক বিভাগের মুখপত্র রাজন আনন্দন।

গত মঙ্গলবার বেঙ্গল চেয়ার অফ কমার্সের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন ব্রাত্য বসু। এছাড়া এই বৈঠকে ছিলেন ক্যাপজেমিনি, ওরাকেল, আইবিএম, ভোডাফোন, ন্যাসকমের প্রতিনিধিরা।

প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের প্রথম পাঁচ বছরে ই-গভর্ন্যান্স ক্ষেত্রে রাজ্যের অগ্রগতি যথেষ্ট তারিফযোগ্য। দপ্তরের এক আধিকারিকের কথায়, এই কাজে গুগল এগিয়ে এলে ই-গভর্ন্যান্স পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত ছড়িয়ে দেওয়া যাবে।

গুগল ইন্ডিয়া টাটা ট্রাস্টের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, উত্তর প্রদেশ ও ত্রিপুরায় ‘ইন্টারনেট সাথী’ নামে একটি প্রকল্প চালু করেছে যার উদ্দেশ্য হল বাংলার গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী মহিলাদের ডিজিটাল ক্ষেত্রে সাক্ষর করা।

এখনও পর্যন্ত গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় ১৫ লক্ষ মহিলাকে প্রাথমিক ইন্টারনেট শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীকালে এই প্রশিক্ষণ তাদের কর্মসংস্থানে অনেক সাহায্য করবে।

বিসিসিআই তাদের অ্যানুয়াল বিজনেস আইটি কনক্লেভে ব্রাত্য বসু আমন্ত্রণ জানিয়েছে।