WB CM urges Centre to take immediate steps for the sick tea gardens

West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee urged the Centre to take immediate steps to pay wages to the workers of seven tea gardens owned by the Duncans group that it had decided to take over in January. She also announced that the State Government would take over six other closed tea gardens and put them up for auction. She said the State Government would soon formulate a policy for this.

Blaming the Centre for the worsening condition in the Duncans’ tea gardens, she said the workers there were now in a “peculiar condition” because in spite of the Centre asking the Tea Board to take them over, the workers there continue to be deprived of everything. “The state government is providing them rice and electricity and looking after their health,” Mamata Banerjee said.

The CM held an administrative meeting at Subasani tea garden in Alipurduar district during the day. “The Centre’s decision to take over seven of the Duncans’ 14 tea gardens in the Dooars in Alipurduar district has only increased the workers’ suffering,” she said.

 

চা বাগান নিয়ে কেন্দ্রকে পদক্ষেপ নিতে বললেন মুখ্যমন্ত্রী

কেন্দ্রীয় সরকারকে বন্ধ চা বাগানগুলি খোলার অনুরোধ জানাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  ডানকানের বন্ধ হওয়া সাতটি চা বাগান খুলে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল ভোটের আগে৷ সেগুলি খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। তিনি আরও জানান ৬টি বন্ধ চা বাগান অধিগ্রহণ করে নিলামের পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। চা বাগানের সমস্যা দেখার জন্য মুখ্যমন্ত্রী এদিন ডিরেক্টরেট গঠন করে দেন৷

ডানকানের বন্ধ হওয়া চা বাগানগুলির খারাপ অবস্থার জন্য কেন্দ্রকে দায়ী করে তিনি বলেন যে ‘চা শ্রমিকরা এখন এক অদ্ভুত পরিস্থিতিতে রয়েছেন’। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাজ্য সরকার এইসব চা শ্রমিকদের চাল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে এবং তাদের দেখাশোনা করছে’।

গতকাল আলিপুরদুয়ার জেলায় একটি প্রশাসনিক বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন কেন্দ্র শুধু ডানকানের বন্ধ হওয়া সাতটি চা বাগান অধিগ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে কিন্তু আলিপুরদুয়ার জেলার ডুয়ার্সের ১৪টি চা বাগানের শ্রমিকরা এখনও ভুক্তভোগী।

Bengal best in child care and education, says UNICEF report

The UNICEF annual flagship publication, ‘The State of the World’s Children Report,’ has lauded West Bengal yet again, this time for its effort to spread education among children.

The report has found the early child care and education in Bengal the best in the country. The state has also received applause for ensuring children’s access to school, through the different schemes and implementation of Right to Education Act. This is reflected in the near-universal enrolment in primary education and the steady decrease in numbers of out-of-school children in the state.

The UNICEF report has found the Kanyashree scheme of the state government (ensuring financial benefit to the poor families if the girl child is allowed to study till 18 years of age) particularly beneficial.

“Globally, cash transfers, for example, have been shown to help children stay in school longer and advance to higher levels of education. In West Bengal, Kanyashree has not only ensured that many more girls stay in school and complete their education but also have save many children from early marriages,” the report said.

Speaking at the launch of the report, Dr Shashi Panja, minister of state for women and child welfare and social welfare, said, “We talk about children, we say they are our future but when it comes to budget allocation we do not do much. Thankfully in Bengal, the government has political will. We are glad that 90% of children in Bengal are enrolled in schools what we needed to ensure is retention and education till they are adults. Thankfully, Kanyashree scheme has done that.”

“Be it right to education or right to food the laws are in place we now need to ensure that everyone gets access to them,” Dr Panja said.

 

ইউনিসেফের রিপোর্ট অনুযায়ী শিশু সুরক্ষা ও শিশু শিক্ষায় সেরা বাংলা

আন্তর্জাতিক সংগঠন ইউনিসেফের রিপোর্টে শিশুশিক্ষায় প্রথম স্থান দেওয়া হল পশ্চিমবঙ্গকে। ‘দি স্টেট অব দি ওয়ার্ল্ড চিলড্রেন ২০১৬—এ ফেয়ার চান্স ফর এভরি চাইল্ড’ রিপোর্ট অনুযায়ী শিশুদের মধ্যে শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়ার এই প্রচেষ্টায় সফল পশ্চিমবঙ্গ।

রিপোর্টে অনুযায়ী, সর্বশিক্ষা অভিযান প্রকল্পের সঠিক রূপায়ণ এবং শিক্ষার অধিকার আইনের মাধ্যমে সব স্তরের শিশুদের মধ্যে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে এ রাজ্য।

ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প কন্যাশ্রীও। বলা হয়েছে, আর্থিক অনুদানের ফলে শিশুকন্যাদের স্কুলশিক্ষা আরও বেশিদিন স্থায়ী হচ্ছে। তারা উচ্চশিক্ষার দিকে বেশি করে এগিয়ে যাচ্ছে। আরও বেশি বেশি করে মেয়েরা স্কুলে যাচ্ছে এবং বাল্যবিবাহের সংখ্যাও উল্লেখজনকভাবে কমে গিয়েছে। সবমিলিয়ে স্কুলে অন্তর্ভুক্তির হার প্রায় ১০০ শতাংশ ছুঁয়েছে। ড্রপ আউটের সংখ্যাও কমে গিয়েছে।

ডঃ শশী পাঁজা এদিন বলেন, আমরা শিশুদের সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে আমরা বলি তারা আমাদের ভবিষ্যৎ কিন্তু তাদের জন্য কোন বাজেট বরাদ্দ করা হয়। সৌভাগ্যক্রমে বাংলা  সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা রয়েছে এ ব্যাপারে।

আমরা আনন্দিত যে, বাংলায় ৯০% শিশু স্কুলে ভর্তি হয়েছে এবং তারা তাদের শিক্ষা সম্পূর্ণ করছে। কন্যাশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে এটি সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যাতে সকলে শিক্ষার অধিকার ও খাদ্য সুরক্ষা পায়।

primary education

Swings, see-saws to be installed in state-run primary schools in Bengal

The West Bengal Government has decided to provide swings to all primary schools that have a playground of their own. Schools without playgrounds, on the other hand, will be given sports equipments.

State Education Minister Partha Chatterjee made the announcement in the Assembly on Monday. The initiative has been taken to give opportunity to the students to have healthy physical activity, besides studying at the primary level.

It has been found that many students at the primary level tend to become obsessed about studies, as a result of which they do not participate actively in sports. The step taken by the state education department could help in promoting physical fitness among the students.

Facilities like swing sets and see-saws, which are usually available in private schools, will now be present in state-run primary schools as well. The move will encourage students to indulge more in physical activity during recess and also to be present in schools on all the working days.

Those schools which have their own playground may apply to get swings and see-saws and the education department will take necessary steps on an immediate basis. The education department has already started the process of procuring swings.

On the instructions of the Chief Minister Mamata Banerjee, the education department had given shoes to the students of state-run primary schools. On the way to Mati Utsav in Burdwan, the Chief Minister had seen from her car that some students were returning from school without shoes. After seeing this, she talked to the state Education Minister Partha Chatterjee over phone from the spot and enquired about the project under which students of all state-run primary schools were supposed to get shoes.

In the past five years, the state government has taken several steps to improve the basic infrastructure of the school buildings, besides giving stress on improving the quality of education in state-run schools. Around 35,940 toilets were constructed in schools in the past four years, of which around 9,246 are boys’ toilet and 26,294 are for girls.

Moreover, steps have also been taken to ensure cleanliness in schools, proper distribution of mid-day meals and cleanliness of students’ school uniform. A team will be formed which will visit the schools in the state for inspection to ensure the same.

প্রাইমারি স্কুল পড়ুয়াদের দোলনা, স্লিপ উপহার দিচ্ছে রাজ্য সরকার

প্রাইমারি স্কুল পড়ুয়াদের আরও বেশি উৎসাহ দেওয়ার জন্য  কন্যাশ্রী, জুতো, সাইলেকের পর এবার স্কুলেই বিনোদন পার্কের ব্যবস্থা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার৷ যে সমস্ত স্কুলে ফাঁকা জমি কিংবা খেলার মাঠ আছে সেখানে এই খেলাধুলার সরঞ্জামগুলি রাখতে পারবে কর্তৃপক্ষ৷

সোমবার বিধানসভায় একথা জানান শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুদের মানসিক বিকাশ ও শরীর চর্চার জন্য রাজ্য সরকারের এই অভিনব পদক্ষেপ।

আর এই সমস্ত খেলার সরঞ্জাম শিশুদের কাছে খুবই আকর্ষণীয়৷ এগুলি স্কুলে আসার প্রতি শিশুদের আকর্ষণ ও পড়াশোনা করার উৎসাহ আরও বাড়াবে৷ কমবে স্কুলছুট৷

বেসরকারি স্কুলগুলির মত রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলের মাঠ কিংবা ফাঁকা জমিতে এবার থেকে রাখা হবে দোলনা, স্লিপ কিংবা সি-স-র মতো একাধিক খেলাধুলার সরঞ্জাম৷ ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেছে স্কুলশিক্ষা দফতর৷ জারি হচ্ছে নির্দেশিকা৷ দ্রুত ওই নির্দেশিকা প্রাথমিক স্কুলগুলির কাছে পাঠানো হবে৷

গত পাঁচ বছরে স্কুলের পরিকাঠামো এবং শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য রাজ্য সরকার অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে। গত পাঁচ বছরে স্কুলগুলিতে প্রায় ৩৫,৯৪০টি টয়লেট তৈরি হয়েছে এর মধ্যে ৯,২৪৬টি ছেলেদের এবং ২৬,২৯৪টি মেয়েদের।

তাছাড়া, ছাত্রছাত্রীদেরদের স্কুল ইউনিফর্ম, স্কুলগুলির মধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মিড ডে মিল ইত্যাদি বিবিধ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। রাজ্যের বিদ্যালয়গুলি পরিদর্শনের জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।

I wish to will remain a guard for the common people: Mamata Banerjee at Alipurduar

West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee said that she wished to remain a guard for the common people of Bengal.  On the first day of her visit to north Bengal, the West Bengal Chief Minister was addressing a public rally at Parade Ground, Alipurduar, from where she also inaugurated and laid the foundation stones for a bouquet of projects.

The Chief Minister inaugurated several development projects like Krishak Bazaars, an ITI, a Karma Tirtha,  road projects, drinking water supply projects, anganwadi centres,  embankment projects  for Alipurduar, and two multi super-specialty hospitals in Malbazar and Jalpaiguri and several other health projects, both in north and south Bengal.

The West Bengal Chief Minister also laid the foundation stones for the second Bhutan Gateway in Jaigaon, a Government polytechnic college, water supply projects, power stations, schools, hostels and several other projects for the area.

She also distributed benefits including for Kanyashree, Sabuj Sathi, pattas and agri-equipments.

Addressing people from the stage, the Chief Minister said that the state will soon get five more districts. Of these, Asansol, Kalimpong and Jhargram are on the anvil and the official notification will be made shortly.

She said that she wants to be a guard for the people. If the people of the State are beniftted, everybody else will be benefitted too, she said.

She urged the people to shower their blessings onto her and said that it will provide her with inspiration to do more work. She pointed out that she kept he word and her focus was to bring development for the youth of north Bengal.

The Chief Minister also pointed out that a lot of work had to be stalled because of the election but all of those has resumed. She said that she had kept her promise to attend the 2nd anniversary of the formation of Alipurduar district.

The West Bengal Chief Minister pointed out that almost 90% of the people living in Bengal has received benefit of some or the other Government projects. She said that tis was made possible due to the regular administrative review meetings in the districts.

The Chief Minister pointed out that the new districts that will be formed will have administrative buildings housing all the 36 departments.

The Chief Minister also instructed the DM to announce school holiday on Wednesday to celebrate the 2nd anniversary of the formation of Alipurduar.

 

জনগণের পাহারাদার হয়ে কাজ করতে চাই: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

‘আমি মানুষের পাহারাদার হয়ে মানুষের পাশে থাকব’। বিপুল জয়ের পর উত্তরবঙ্গ সফরের প্রথম দিনে আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডে এই জনসভায় একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে এক গুচ্ছ প্রকল্পের কাজের সূচনা ও উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

কৃষক বাজার, আই টি আই, কর্ম তীর্থ, রাস্তা নির্মাণ সহ আরও বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। আলিপুরদুয়ারে ১২ কোটির রবীন্দ্রভবন, ৩ কোটি ব্যয়ে আলিপুরদুয়ার শহরের সৌন্দর্যায়ন, আলিপুরদুয়ার হাসপাতালের পানীয় জল, জলপাইগুড়ি ও মালবাজারে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের উদ্বোধন, জয়গাঁয় ৭০ কোটির পানীয় জল, আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রজাপতি পার্ক-সহ নানা প্রকল্প৷ চা বলয়ে অত্যাধুনিক অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবারও উদ্বোধন করেন তিনি।

জয়গাঁতে দ্বিতীয় ভুটানের প্রবেশদ্বার, দমনপুরে সরকারী পলিটেকনিক কলেজ ভবন, জল সরবরাহ প্রকল্প, বিদ্যুৎ সাব স্টেশন, স্কুল, হস্টেলসহ আরও বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী।

এছাড়া কন্যাশ্রী, সবুজ সাথী, পাট্টা ও কৃষি যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন পরিষেবা প্রদান করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, ”যত আশীর্বাদ দেবেন, তত আমরা কাজ করব৷ কথা দিলে কথা রাখি৷ উত্তরবঙ্গের ছেলেরা যাতে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে সেই কাজই করছি৷”

তাঁর সরকারের অভিমুখ মানুষই৷ নির্বাচন ছিল বলে কাজ থমকে ছিল৷ আবার তা শুরু হয়ে গিয়েছে৷ ভোটের আগে যে কথা দিয়েছিলেন সেই প্রতিশ্রুতি আজ রক্ষা করলেন  এবং তার দেওয়া কথামতো তিনি আজ আলিপুরদুয়ারের দ্বিতীয় বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানে এসেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান, গত পাঁচ বছর ৯০ শতাংশ মানুষের কাছে কিছু কিছু না পরিষেবা তাঁর সরকার পৌঁছে দিতে পেরেছে৷ তা সম্ভব হয়েছে নিয়মিত জেলাভিত্তিক প্রশাসনিক বৈঠকগুলির মধ্য দিয়েই৷

মুখ্যমন্ত্রী জানান, নতুন যে জেলাগুলি হবে তার প্রতিটিতে একটি করে প্রশাসনিক ভবন তৈরি হবে৷ সেখানে ৩৬টি করে দফতর থাকবে৷ প্রতিটি দফতর থাকবে একই ছাতার তলায়৷

আজ হাসিমারাতে আলিপুরদুয়ার জেলার প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী৷ আগামীদিন উত্তরকন্যায় দার্জিলিং-জলপাইগুড়ি-কোচবিহার জেলার প্রশাসনিক বৈঠক হবে৷

 

WB Govt sets up waiting hut for pregnant women in the Sunderbans

In a unique move to provide the better health care facilities in the remote villages of Sunderbans, the State Government has set up a waiting hut for pregnant women at Pathar Pratima block hospital.

In the ten bedded waiting hut, there will infrastructure available so that the expectant mothers from far off villages can come here for health checkups where they will be fed nutritious food.

The State health department in assistance with National rural health mission has played a major role in the construction of the new waiting hub in which the poor patients from the remote areas of Sunderbans will be benefitted.

After coming to power Chief Minister Mamata Banerjee had laid enormous emphasis on the infrastructure enhancement. Among which, quite a few schemes were taken up for the expectant mother and the new born. It was the Chief Minister’s relentless effort that has increased the number of institutional deliveries in the state.

It was often difficult to bring the expectant mothers from the rural parts of South 24-Parganas and parts of South 24-Parganas as the areas are surrounded by various rivers. It is nearly impossible to transport the patients from the farthest areas to the city.

Hence, the State government has taken various schemes, especially in the villages so that the health care facilities could be delivered to all the patients. Earlier, it was seen that many expectant mothers would die along with their babies while being transported to a hospital from their native place due to the lack of transportation infrastructure.

People had to depend on the mechanised boats to take a patient to the block primary health centers. But in case there was a need to transport a patient during night it would become a hard task.

Keeping all this in mind the health department has set up the waiting hub where the expectant mothers would be brought 10 days before their delivery.

There are 10 beds to accommodate the patients at a time. The patients would be kept under constant monitoring and they would be provided with good quality food at free of cost.

The nurses who will be posted at the center will check the health conditions of the patients on a regular basis.

There will be various other facilities like television, indoor games to make the expectant mothers happy. After being kept under constant monitoring at the waiting hut for few days, the expectants mothers would finally be taken to the delivery room of the hospital.

Two other such waiting huts will be constructed at Sandeshkhali and Gosaba under Private Public Partnership model. It may be mentioned that the state government had earlier introduced Nischoy Yaan for transporting the patients especially the pregnant women throughout the districts.

The patients would be able to avail the facility at free of cost. Even after their deliveries, the patients would be brought back to their houses in the Nischoy Yaan.

 

সুন্দরবনের গর্ভবতী মহিলাদের জন্য রাজ্য সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘মাদার ওয়েটিং হাট’

রাজ্য স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ দপ্তর ও জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের যৌথ উদ্যোগে রাজ্যে প্রথম প্রসূতি মায়েদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের সুবিধার জন্য এবার অভিনব ‘মাদার ওয়েটিং হাট’ প্রকল্পের সূচনা হল । শনিবার পাথরপ্রতিমা ব্লক হাসপাতাল চত্বরে এই পরিষেবার সূচনা হল।

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা পরিকাঠামোর অভাবে সুন্দরবন অঞ্চলের অধিকাংশ মহিলা হাসপাতালে গিয়ে প্রসবের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। পর্যাপ্ত জলযানের অভাবে নদীমাতৃক সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে গর্ভবতী মায়েদের হাসপাতালে নিয়ে আসতে প্রচুর সমস্যা হয়। ফলে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসূতির ক্ষেত্রে নদীমাতৃক সুন্দরবন কিছুটা পিছিয়ে ছিল।

ভৌগোলিক অবস্থানের কথা মাথায় রেখে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনে এই প্রকল্পের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে এই প্রকল্পের সূচনা হল রবিবার। পরবর্তী সময়ে সন্দেশখালি ও গোসাবাতেও এই প্রকল্প চালু হবে।

গত কয়েক মাস আগেও এই ব্লকে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের হার ছিল ৬৬ শতাংশ। এখন সেটি গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫ শতাংশের কাছে। এই প্রকল্পে গ্রামের আশাকর্মীরা গর্ভবতী মহিলাদের প্রসবের সম্ভাব্য ১০ দিন আগে এই মাদার ওয়েটিং হাটে নিয়ে চলে আসবেন।

হাসপাতাল চত্বরের পাশে একটি ভবনে ১০টি বেড রাখা হয়েছে এই হাটে। গর্ভবতী মহিলাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য থাকবেন প্রশিক্ষিত নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। বিনামূল্যে প্রোটিনযুক্ত খাবার দেওয়া হবে । সমস্ত খরচ বহন করবে রাজ্য সরকার।

এ ছাড়া বিনোদনের জন্য থাকছে টিভি ও ইনডোর গেমের ব্যবস্থা। নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখার পর প্রসবযন্ত্রণা শুরু হলে ভর্তি করা হবে ব্লক হাসপাতালে।

উল্লেখ্য, যে রাজ্য সরকার আগেই জেলার সর্বত্র রোগীদের বিশেষত গর্ভবতী মহিলাদের পরিবহনের জন্য ‘নিশ্চয় যান’ চালু করেছিল। প্রসবের পর এই নিশ্চয় যান তাদের বাড়িও পৌঁছে দেবে।

WB CM begins four-day visit to North Bengal

West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee has started her first visit to north Bengal after coming to power for a second term. Mamata Banerjee has visited north Bengal more than one hundred times, between 2011 and May 2016, much more than any other Chief Minister, concentrating on the development of the area.

Her three-day itinerary began with a visit to Alipurduar, where she participated in the second anniversary celebrations of the formation of the district. Later in the evening, she held an administrative meeting with district officials.

On Tuesday, the Chief Minister will hold another administrative meeting in Alipurduar following which she is likely to announce a host of development projects for the seven districts of north Bengal.

 

আজ চার দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিপুল জনসমর্থন নিয়ে রাজ্যে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম উত্তরবঙ্গ সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে মমতা ব্যানার্জী শতাধিক বার উত্তরবঙ্গে সফরে এসেছেন।   অন্য কোন মুখ্যমন্ত্রী তুলনায় এলাকার উন্নয়নের উপর অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।

এদিন দুপুরে বাগডোগড়া বিমানবন্দরে নেমে সড়কপথে মুখ্যমন্ত্রী সোজা চলে যাবেন আলিপুরদুয়ারে। সন্ধ্যায় প্যারেড গ্রাউণ্ডে আলিপুরদুয়ার জেলা গঠনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির সমাপ্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা। পড়ে সন্ধ্যেবেলায়, জেলা শাসকদের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন।

মঙ্গলবার হাসিমারার সুহাসিনী চা বাগানের মাঠে আলিপুরদুয়ার জেলাকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী৷  সেখানে তিনি উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়ে পর্যালোচনা করবেন।শিল্প থেকে পর্যটন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য থেকে পরিকাঠামো – রাজ্যের বিভিন্ন দফতরের পক্ষ থেকে উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে হাতে নেওয়া হয়েছে নানা প্রকল্প৷ মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সব নিয়ে পর্যালোচনা হওয়ার কথা৷

২৯ জুন শিলিগুড়িতে রাজ্যের শাখা সচিবালয় ‘উত্তরকন্যায়’ দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলাকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক রয়েছে৷ ৩০ তারিখ কলকাতায় ফিরবেন মুখ্যমন্ত্রী৷

India’s first govt-owned stem cell preservation unveiled in Kolkata

The country’s first state government-owned stem cell preservation centre started its formal functioning at the School of Tropical Medicine in Kolkata from Friday.

The umbilical cord of newborns containing stem cells can be stored in the bank. The preserved stem cells can be used in the future for the treatment of an adult in case of congenital and genetic problems and will also help to check various complicated diseases which could not be cured by an ordinary treatment.

The cord blood bank functions as per the rules and guidelines of the Centre and the state government. With its addition to state’s health infrastructure, it will be beneficial for people and according to the doctors the umbilical cord is rich in life-saving and can only be collected during birth and can be preserved for a lifetime. These stem cells have the potential to treat over 80 medical conditions including blood disorders, immune diseases with research on going to bring about additional benefits of these cells.

It was the initiative of the Chief Minister Mamata Banerjee, who wanted to transform School of Tropical of Medicine into a stem cell preservation system, opening a new avenue of health care system in the state.

 

The image is representative (source)

Chambers of commerce laud ‘forward-looking’ Budget

The Bengal Chamber of Commerce and Industry on Friday congratulated state Finance Minister Dr Amit Mitra for presenting a forward looking Budget for 2016-17, with an almost five-fold increase in planned expenditure that focuses on education, employment, agriculture and the MSME sector.

The Chamber said it was encouraging that the state has also been able to achieve a robust growth of seven times in agriculture and four times in infrastructure development in the past five years, while at the same time pushing down fiscal and revenue deficits within manageable limits even against the backdrop of a huge inherited debt burden of over Rs. 2.5 lakh crore.

Rakesh Shah, president of Bharat Chamber of Commerce, Kolkata said: “Amit Mitra deserves rich accolades for the most remarkable accomplishments in terms of the reduction in fiscal deficit and revenue deficit. This is despite large scale implementation of several ambitious schemes and projects for growth in the social development sector, which are being emulated in other States of the country.”

Anil Vaswani, Chairman, CII West Bengal State Council said that the Budget is a developmental one “with a focus on small-scale industries, health, infrastructure and education. The Finance Minister has made proposals to expedite speedy dispute resolution of VAT appeal cases. This will certainly go a long a long way in improving business environment in the state.”

Schools, colleges and universities to get virtual classrooms

The state government has decided to introduce “virtual classrooms” in universities, colleges and schools. State Finance Minister Dr Amit Mitra said in the Assembly that the initiative has been taken to let students, even from the remotest part of the state, access information related to education and developments taking place in this sector across the globe.

They will be provided high speed internet connectivity capable of handling live streaming of videos. There will also be facility for projection and audio system for better viewing of the facts. The project will come up at a cost of Rs 100 crore. “This is one of the dream projects of the Chief Minister Mamata Banerjee,” said Dr Mitra.

Explaining the usefulness of the project, Dr Mitra said that a student in a village does not get the opportunity to interact with an expert in a particular subject from the city. However, with the introduction of the e-classrooms, he or she can even interact with educationists and experts from educational institutions abroad.

Partha Chatterjee, the state education minister, said that e-classrooms will be set up in 732 state-aided universities and government colleges and 2000 secondary schools in the first phase. There will be two e-classes in every institution.

 

The image is representative

Forest Department to grow and conserve medicinal plants

The forest department is planning to grow and conserve several species of medicinal plants in the three districts of West Midnapore, Bankura and Purulia.

These plants would be grown on 300 hectares of land and 200 forest protection committees (FPC) will work on the project.

If ordinary residents show an interest in growing these plants, the department will help them to do so and then sell them.

The department has chosen two places, Susunia Hills in Bankura and Kankrajhore in West Midnapore’s Belpahari for the project, under the Medicinal Plant Conservation Area (MPCA), this year.

These areas have been chosen because hilly regions are rich in bio-diversity and earlier several trees of medicinal value grew here.

According to the forest department, plants and trees such as amlaki, hartaki, kalmegh, ghritakumari, ritha, sarpagandha, pial have medicinal values and are economical. So people can make a good profit by planting such trees. Many medicines and even cosmetics are made using the extracts of these trees.

 

The image is representative (source)

 

জঙ্গলমহলে ঔষধি গাছ লাগানোর উদ্যোগ বন দপ্তরের

বন বিভাগ পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া তিনটি জেলায় ভেষজ উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রজাতি সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা করছে।

৩০০ হেক্টর জমির ওপর এই গাছপালাগুলি হবে এবং 200 বন সুরক্ষা কমিটি এই প্রকল্পের কাজ করবে।

যদি সাধারণ বাসিন্দাদের এই গাছপালা চাষে আগ্রহী হয় তাহলে বন দপ্তর তাদের সাহায্য করবে এবং তারপর তাদের বিক্রি করবে।

এই বছর ভেষজ গাছ সংরক্ষণ এলাকার অধীনে এই প্রকল্পের জন্য বন দপ্তর দুটি জায়গা বেছে নিয়েছেন। একটি হল বাঁকুড়ার শুশুনিয়া পাহাড় ও কাঁকড়াঝোর এবং অপরটি পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলপাহাড়ি।

এইসব এলাকা বাছাই করা হয়েছে কারণ পাহাড়ি এলাকা জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ এবং আগেও এখানে অনেক ওষধি গাছ হয়েছে।

বন বিভাগের মতে, আমলকী, হরিতকী, কালমেঘ, ঘৃতকুমারী, রিঠা, সর্পগন্ধা, পিয়াল এই সব গাছ লাগানো বেশ লাভজনক এবং এগুলির ঔষধি মান আছে। অতএব এসব বৃক্ষরোপণের দ্বারা মানুষ লাভবান হবেন। অনেক ওষুধ এবং এমনকি প্রসাধন দ্রব্য এই সব গাছের নির্যাস ব্যবহার করে তৈরি করা হয়।