Forest dept to give special training to employees to curb poaching

To check the incidents of poaching in the forests of north Bengal, the state forest department is planning to provide special training to its employees conducting vigil.

The department will not only provide incentives to the people who will gather information on the poachers, but they will be also be given various prizes for their job.

The department has a plan to give special training to the forest protection committee members as well. The forest dwellers will be involved in the plan. Training would be given to the local villagers. The people who will be a part of the plan will be brought under a security cover apart from the monetary benefits.


উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে চোরাশিকার রুখতে নয়া উদ্যোগ রাজ্যের

উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে চোরা শিকার রুখতে এক নতুন উদ্যোগ নিতে চলেছে রাজ্য বন দপ্তর। চোরা শিকার দমনে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেবে বন দপ্তর। স্থানীয় মানুষদের মধ্যে সচেতনতার প্রসারও করা হবে ।
যে সকল মানুষ চোরা-শিকারিদের ব্যাপারে তথ্যপ্রদান করতে পারবেন তাদের পুরস্কৃত করা হবে। আর্থিক পুরস্কার দেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বনরক্ষা কমিটির সদস্যদেরও। যারা চোরা-শিকারিদের ব্যাপারে তথ্যপ্রদান করতে পারবেন তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থাও করবে বন দপ্তর।

Forest Department to grow and conserve medicinal plants

The forest department is planning to grow and conserve several species of medicinal plants in the three districts of West Midnapore, Bankura and Purulia.

These plants would be grown on 300 hectares of land and 200 forest protection committees (FPC) will work on the project.

If ordinary residents show an interest in growing these plants, the department will help them to do so and then sell them.

The department has chosen two places, Susunia Hills in Bankura and Kankrajhore in West Midnapore’s Belpahari for the project, under the Medicinal Plant Conservation Area (MPCA), this year.

These areas have been chosen because hilly regions are rich in bio-diversity and earlier several trees of medicinal value grew here.

According to the forest department, plants and trees such as amlaki, hartaki, kalmegh, ghritakumari, ritha, sarpagandha, pial have medicinal values and are economical. So people can make a good profit by planting such trees. Many medicines and even cosmetics are made using the extracts of these trees.


The image is representative (source)


জঙ্গলমহলে ঔষধি গাছ লাগানোর উদ্যোগ বন দপ্তরের

বন বিভাগ পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া তিনটি জেলায় ভেষজ উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রজাতি সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা করছে।

৩০০ হেক্টর জমির ওপর এই গাছপালাগুলি হবে এবং 200 বন সুরক্ষা কমিটি এই প্রকল্পের কাজ করবে।

যদি সাধারণ বাসিন্দাদের এই গাছপালা চাষে আগ্রহী হয় তাহলে বন দপ্তর তাদের সাহায্য করবে এবং তারপর তাদের বিক্রি করবে।

এই বছর ভেষজ গাছ সংরক্ষণ এলাকার অধীনে এই প্রকল্পের জন্য বন দপ্তর দুটি জায়গা বেছে নিয়েছেন। একটি হল বাঁকুড়ার শুশুনিয়া পাহাড় ও কাঁকড়াঝোর এবং অপরটি পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলপাহাড়ি।

এইসব এলাকা বাছাই করা হয়েছে কারণ পাহাড়ি এলাকা জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ এবং আগেও এখানে অনেক ওষধি গাছ হয়েছে।

বন বিভাগের মতে, আমলকী, হরিতকী, কালমেঘ, ঘৃতকুমারী, রিঠা, সর্পগন্ধা, পিয়াল এই সব গাছ লাগানো বেশ লাভজনক এবং এগুলির ঔষধি মান আছে। অতএব এসব বৃক্ষরোপণের দ্বারা মানুষ লাভবান হবেন। অনেক ওষুধ এবং এমনকি প্রসাধন দ্রব্য এই সব গাছের নির্যাস ব্যবহার করে তৈরি করা হয়।

100 new motels to give tourism in Bengal a boost

The West Bengal Tourism Department has decided to associate with the Public Works and Forest departments in order to modernize and expand infrastructural facilities and give a boost to tourism in the State.

While the PWD will construct more than 100 ‘Pather Sathis’ (attractive motels) alongside almost all the national and state highways across the state at a cost of more than Rs 20 crore, all forest ‘rest houses’ will be upgraded with essential gadgets like air-conditioners, LED television sets, geysers and refrigerators.

Motels facilitating pleasant connectivity to tourist spots would be handed over to the Tourism department by the PWD on completion for maintenance and formation of joint ventures wherever possible for quick recovery of costs.

Revenues earned by the Forest department would be shared by all stakeholders, including private partners, who would promote sales and guarantee upkeep of the facilities for weekend travelers.

Yet another novel method of attracting travelers– both domestic and foreign, would be the arrangement of short ‘home-stays’ deep inside forests with picturesque surroundings.

Promoted through enterprising ‘Forest Protection Committee’ members, these cosy nooks mostly in North Bengal, Dooars and Darjeeling (in places like Tagda, Chimney and Pokriata) would give private entrepreneurs, especially tea garden owners, a run for their money.

However, the most frequented facilities like Mirik, Jaldapara, Gorumara, Holong, Digha and Gangasagar will not be given lesser importance.