‘Eco fish tourism’ to enable tourists to catch fish and have it cooked too

The Fisheries Department of the Bengal Government is all ready introduce a new concept – eco fish tourism. As the name implies, it would be combine relishing the fish as well as the environment – a mouth-watering mélange to look forward to.

State Fisheries Development Corporation Department of the Fisheries Department is going to look after the projects.

A pilot project on eco fish tourism was completed at Nalban in Salt Lake, Kolkata about a month back. It proved to be a hit, which prompted the department to make the grand plans.

Bengalis are famous as fish-lovers and the concept is meant to latch on to this culinary fact.

Some of the details are as under. A two-day-one-night package for a family of four would cost Rs 4,000 to Rs 4,500, depending on the facilities availed of and the tourist spot. Individuals can also avail of eco fish tourism packages, in which case the cost would obviously be less. Coaches run by the Fisheries Department would transport the tourists from their homes to the spots they have booked. The bus journey would include breakfast and lunch, which would of course include fish. On reaching the place, battery-run vehicles of the department would provide a short tour of the area.

On the second day would come the ‘fish’ part of ‘eco fish tourism’. The tourists would be taken to the water bodies managed by the Fisheries Department. They can draw the nets along with the fishermen to pull in the fish, and can then indulge in the quiet joy of angling. The water bodies would be kept stocked with adequate fish.

The fishes caught by the tourists would be cooked and served to them. They would not be allowed to take any fish home, though. However, if they do want to carry any home, there is provision for that too – fishes can be bought, which would then be packed in ice to keep them fresh along the journey back. At the end of the tour, luxury bases of the Fisheries Department would drop the tourists back to their homes.

The projects are going to come up at five places to begin with – at Henry Island in the Fraserganj region and at Chandanpiri, located between Bakkhali and Fraserganj, both in the Sunderbans, at Guskara and Memari in Purba Bardhaman distirct, and in Digha (in a few of the place’s numerous fish farms).

The middle of May has been decided as the time for launching this new concept of eco fish tourism.

 

মৎস্যপ্রেমীদের জন্য চালু হচ্ছে ‘ইকো ফিশ ট্যুরিজম’

মৎস্যপ্রেমীদের জন্য এক নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য মৎস্য দপ্তর। বেড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মাছ ধরার প্রক্রিয়াও চালু করছে রাজ্য সরকার। প্রকল্পটির নাম – ইকো ফিশ ট্যুরিজম।

প্রকল্পটির পরিচালনায় রয়েছে মৎস্য দপ্তরের স্টেট ফিশারিজ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড।

মাসখানেক আগে সল্টলেকের নলবনে এই প্রকল্প চালু হয়েছে। সাফল্য পাওয়ার পর এই প্রকল্পের বিস্তারের সিদ্ধান্ত নিয়ে মৎস্য দপ্তর। মানুষের ভ্রমণকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তোলার জন্যই এই উদ্যোগ।

অনলাইন বুকিং করতে হবে। ২ দিন এবং এক রাতের জন্য চারজনের একটি পরিবার – পিছু খরচ ৪০০০ বা ৪৫০০ টাকা। বুকিং করার সময় জানাতে হবে তিনি কোথা থেকে বাসে উঠবেন এবং দপ্তরের বাস তাঁকে সেখান থেকে তুলে নেবে। বাসে থাকবে জলখাবার ও দুপুরের খাওয়াদাওয়ার বন্দোবস্ত। গন্তব্যে পৌঁছানোর পর দপ্তরের ব্যাটারিচালিত গাড়িতে ভ্রমনার্থীদের প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখানো হবে।

দ্বিতীয় দিনে ভ্রমনার্থীদের নৌকায় করে নিয়ে যাওয়া হবে জলাশয়ে। সেখানে তারা মাছকে খাবার দিতে পারবেন, জেলেদের সঙ্গে মাছ ধরার সময় জালও টানতে পারবেন। বেলায় জলাশয়গুলি থেকে মাছও ধরতে পারবে। ধরার পর সেই মাছ রান্না করে তাদেরকে তা পরিবেশনও করা হবে।  মাছ ধরার পাশাপাশি এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকরা।

চন্দনপিড়িতে একটি ওয়াচ টাওয়ার বানাচ্ছে মৎস্য দপ্তর। সেখানে উঠে সুন্দরবনের মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যও দেখা যাবে। যদি কেউ মাছ কিনে বাড়ি ফিরতে আগ্রহী হন তাদের জন্য বরফ দিয়ে মোড়া মাছের প্যাকেটেরও বন্দোবস্ত রাখছে মৎস্য দপ্তর।

সুন্দরবনের বেশ কিছু এলাকা সহ রাজ্যের আরও কয়েকটি জায়গায় চালু হবে এই উদ্যোগ। তালিকায় আছে সুন্দরবন এলাকার ফ্রেজারগঞ্জের হেনরি আইল্যান্ড, বকখালি ও ফ্রেজারগঞ্জের মাঝখানে চন্দনপিড়ি, ঘুসকরা, মেমারি ও দিঘার লেক।

মে মাসের মাঝামাঝি এই নতুন প্রকল্প চালু করার কথা রয়েছে।

 

Bengal Govt sets up Rajbongshi Development Board

The Bengal Government has decided to set up the Rajbongshi Development Board. This was announced by Chief Minister Mamata Banerjee in Cooch Behar.

The board is going to work for the well-being of the Rajbongshi people; this is the latest board to be set up by the State Government for the ethnic communities of north Bengal.

On Tuesday, she was felicitated by Kamtapur People’s Party at a function in Raas Mela Math, Cooch Behar. Speaking on the occasion, she said, “We respect all languages and cultures. We must preserve our own language and culture.”

The CM added: “We respect and love all religions. We will not tolerate divisive politics. We will not tolerate politics of riots by BJP.”

 

রাজবংশী উন্নয়ন পর্ষদ গঠন করবে রাজ্য সরকার

রাজবংশী উন্নয়ন পর্ষদ গঠন করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। সোমবার কোচবিহারে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই উন্নয়ন পর্ষদে রাজ পরিবারের সদস্যদের নেওয়া হবে।

উত্তরবঙ্গের রাজবংশী জনগোষ্ঠীর মানুষদের উন্নয়নের জন্য কাজ করবে এই পর্ষদ। ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য অনেকগুলি উন্নয়ন পর্ষদ গঠন করেছে রাজ্য সরকার।

মঙ্গলবার কামতাপুর পিপলস পার্টির একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সব ভাষাই আমার ভালো লাগে, নিজের ভাষা, সংস্কৃতিকে মর্যাদা দেওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, “আমি সব ধর্মকে ভালোবাসি, সম্মান করি, বিভেদের রাজনীতি বরদাস্ত করব না। বিজেপির দাঙ্গার রাজনীতি আমরা মেনে নেব না।”

Bengal Govt to launch app on blood donors

To ensure information about availability of blood is available at one’s fingertips, the Bengal Health Department (under the ministership of Chief Minister Mamata Banerjee) and the State AIDS Prevention and Control Society (SACS) have come together to create an innovative app.

According to senior officials of the Health Department and Bengal unit of SACS, the app will have several useful features to help patients and their relatives trace donors, find out availability of blood at the State Government-run blood banks and enrol oneself for donating blood, among other things.

The following are the main features of the app:

  • List of donors in Bengal, along with their names, mobile numbers, addresses, blood groups they belong to and other useful information.
  • List of donors available at the State Government-run blood banks.
  • Detailed list of blood donation camps organised by the blood banks along with the types and the units of blood collected.
  • List of units available for each of the blood groups at all the blood banks run by the State Government.
  • Importantly, the app will have a section for people to register themselves as donors.

 

The app will also have links to the National Health Portal and the e-blood bank project. This app is in the final stages of its creation, and would be launched soon.

The Bengal Government is on a mission to encourage the people, especially the youth of the State, to become active donors and this app is a positive step in that direction.

 

সব  গ্রুপের  রক্তের খোঁজ পাওয়া যাবে অ্যাপের মাধ্যমে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাস্থ্য দপ্তর তথা রাজ্য এইডস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সমিতি (SACS) শীঘ্রই চালু করতে চলেছে অভিনব এক ধরনের মোবাইল অ্যাপ। এর মাধ্যমে খোঁজ পাওয়া যাবে ইচ্ছুক ডোনারের। কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল থেকে সুন্দরবন— যে প্রান্তের বাসিন্দাই হন না, দরকার পড়লে ওই অ্যাপেই খোঁজ পেয়ে যাবেন হাতের কাছে থাকা কোনও ইচ্ছুক ডোনারের।

স্বাস্থ্য দপ্তরের সিনিয়র আধিকারিকদের মতে এই অ্যাপে বেশ কিছু ফিচার আছে যা রোগী ও তাঁর বাড়ির লোকেদের সাহায্য করবে। এর মাধ্যমে ‘এ’, ‘বি’, ‘এবি’ বা ‘ও’- যে কোনও রক্তেরই গ্রুপের (পজিটিভ বা নেগেটিভ) ডোনারের খোঁজ পাওয়া যাবে। তাঁর ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ও জরুরি তথ্য থাকবে এই অ্যাপে।

এই অ্যাপের প্রধান ফিচার গুলি হলঃ

  • এই মোবাইল অ্যাপে রক্তদানে ইচ্ছুকদের জন্যও আলাদা শাখা থাকবে। সেখানে গিয়ে যে কেউ নিজের নাম, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি নথিভুক্ত করিয়ে রাখতে পারবেন।
  • বিভিন্ন সরকারি ব্লাড ব্যাংকের কাছে ডোনারদের তালিকা রয়েছে। সেই তালিকাও আপলোড করে রাখা হবে অ্যাপে।
  • কোন ব্লাড ব্যাংক কবে, কোথায়, ক’টা শিবির করল, কত ইউনিট রক্ত সংগৃহীত হল ইত্যাদি সমস্ত তথ্য আপডেট করে দেওয়া হবে অ্যাপে।
  • এই মুহূর্তে রাজ্যের কোন সরকারি ব্লাড ব্যাংকে বিভিন্ন গ্রুপের কত ইউনিট করে রক্ত আছে, তাও জানা যাবে অ্যাপ থেকে।

 

কেন্দ্রীয় সরকারের ন্যাশনাল হেলথ পোর্টাল আর ই-রক্তকোষ প্রকল্পের লিংক দেওয়া থাকবে অ্যাপে। অ্যাপে থাকা তথ্যগুলি নিয়মিত আপডেট করা হবে। কাজ চলছে জোরকদমে, খুব শীঘ্রই এই অ্যাপ চালু হবে।

রাজ্যজুড়ে যুবসমাজকে রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করতে বড়সড় কর্মসূচি নিতে চলেছে রাজ্য সরকার।

 

 

Black rice of Bengal to enter the export market

The aromatic and nutritious black rice of Bengal is soon going to win over palates across the world. Plans are afoot to export this variety of rice to Japan, the Gulf countries, Europe and USA.

The plans come on the back of the huge curiosity that the variety of rice evoked at SIAL, an international food festival, touted to be the world’s largest, held last February in the epicureans’ capital, Paris.

There were a lot of eager questions to the representatives of Bengal exhibiting the rice regarding when it would be available in Europe.

The black rice taken to SIAL Paris was grown in Ausgram in Purba Bardhaman district.

The variety, though, was discovered in Phulia in Nadia district in 2008. After that, realising its potential, it was grown experimentally at a research centre of the State’s Agriculture Department. Currently, it is grown across nine districts of Bengal.

The State Government has plans to set up special processing machines for this variety of rice in all the districts it is grown in. The special processors are required because of the thin skin of this rice variety, which contains the nutritious chemicals and which, hence, cannot be removed. It is this skin too whose colour gives it its name.

It must also be mentioned in this respect that under Chief  Minister Mamata Banerjee’s special initiative, aromatic rice varieties of Bengal like gobindobhog and tulaipanji are being marketed across the country as well as internationally, and they have already garnered a lot of interest. Now black rice is going to be added to this list.

 

বিশ্বজয়ের পথে বাংলার সুগন্ধি কালো চাল

খুব শীঘ্রই বাংলার সুগন্ধি কালো চাল পৌঁছে যাবে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থানে। আরব, জাপান, ইউরোপ, আমেরিকাতেও রফতানি বাণিজ্যের ভাল সম্ভাবনা তৈরী করেছে এই কালো চাল।

এই চাল সুগন্ধি,তার সঙ্গে এর পুষ্টিগুণ প্রচুর। অ্যান্থোসায়ানিনে সমৃদ্ধ বলে তা ক্যানসার প্রতিরোধ করে, অভিমত বিশেষজ্ঞদের। সেই সঙ্গে বার্ধক্য, স্নায়ুরোগ, ডায়াবেটিস, ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ ঠেকাতেও কার্যকর ওই চাল।

গত বছর প্যারিসে  ‘সিয়াল’ বা হরেক কিসিমের খাদ্যবস্তুর মেলায় গিয়েছিল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের এই কালো চাল। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিদের কাছে বিদেশিরা প্রশ্ন কবে থেকে ওইসব দেশে এটা নিয়মিত পাওয়া যাবে।

২০০৮ সালে কালো চাল পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বার পাওয়া গিয়েছিল ফুলিয়ায়। ধান-গবেষকদের তত্ত্বাবধানে সেই ধান ফলানো হয়েছিল রাজ্যের কৃষি দফতরের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। ন’বছরের মধ্যে বাংলার সেই কালো চালের চাহিদা এখন সাগরপারেও!

বর্ধমানের আউশগ্রাম ছাড়া অন্য কোথাও এই বিশেষ ধান ভাঙানোর উপযুক্ত কল নেই। কালো চালের আসল উপাদান হল এর উপরে থাকা কালো রঙের পাতলা খোসা। ধান ভাঙানোর সাধারণ মেশিনে ওই খোসা উঠে যায়। প্রতিটি জেলায় একটি করে ধান ভাঙানোর বিশেষ উপযুক্ত কল বসানো হবে। এর ফলে উৎপাদন বাড়বে।

এটা অবশ্যই উল্লেখযোগ্য যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় বাংলার বিভিন্ন সুগন্ধি চাল যেমন – গোবিন্দভোগ, তুলাইপঞ্জি ইত্যাদি চালের ব্যবসা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তা আন্তর্জাতিক বাজারেও যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করেছে। এখন সেই লিস্টে যোগ হচ্ছে এই কালো চাল।

Bengal Govt to set up homestays in north Bengal

Homestays are gradually becoming an integral part of the tourism policy of the Bengal Government. A chain of homestays in Alipurduar district, branded Blue Home Stay, is going to be the latest addition. It would be inaugurated by Chief Minister Mamata Banerjee.

This State Government-assisted project is unique in the sense that all these homestays would involve Adivasi families of the district. Tourists would get to experience life as lived by Adivasi families. All the homestays would come up in forested areas, ideal for providing respite to the mind and the body. They would be blue in colour, hence the name.

Twelve homestays are going to be set up in the first phase of the project, in Chilapata, Totopara, Shalkumar Haat and Hatipota. In the second phase, 13 more are to come up in Chilapata, basti 28 and 29, and Madarihat.

The State Government is soon going to come up with a Homestay Policy. The policy would bring in transparency as well as fully exploit the potential of homestays.

Further developments are also in the offing: a tourist information centre in Alipurduar town, the district capital, introduction of more tourist taxis, tourism centres in Nararthali and Bhutanghat, and a tourist hub in Jayanti.

Mamata Banerjee has fulfilled a longstanding demand of the people of the region by creating the district of Alipurduar. Since Tourism has a lot of potential in this district of lush forested hills, wildlife, tea gardens and the unique Adivasis way of life, these steps would boost the fulfilment of that potential.

 

উত্তরবঙ্গে হোম স্টে তৈরী করছে রাজ্য সরকার

মুখ্যমন্ত্রীর সফরের আগে পর্যটনের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোনের কাছাকাছি আলিপুরদুয়ার জেলা । আলিপুরদুয়ারে দীর্ঘ দুই দশকের দাবি পূরণ হতে চলেছে।যার  মধ্যে অন্যতম ‘এক জানলা ‘ ব্যবস্থায় কেবলমাত্র পর্যটকদের স্বার্থে জেলা সদরে নিৰ্দিষ্ট ‘ট্যুরিজম ইনফরমেশন সেন্টার ‘ তৈরীর জন্য জমি দেখার কাজ শুরু হয়েছে।

পর্যটনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি কনসালটেটিভ কমিটি গড়তে প্রস্তাব গেছে রাজ্য সরকারের কাছে। রাজ্য সরকার নিৰ্দিষ্ট  “হোম স্টে ‘নীতি আনতে  চলেছে – যার ফলস্বরূপ জেলার ভিতরে থাকা প্রায় ২০০ হোম  স্টে- র জন্য নির্দিষ্ট নীতি আসতে চলেছে।  যাতে জেলার পর্যটন ব্যবস্থার যেমন স্বচ্ছতা আনতে চলেছে।  তেমনই জেলা পর্যটনের স্বার্থ ও পর্যটনের সন্মান দুই বৃদ্ধি পেতে চলেছে।

উল্লেখ্য , মুখ্যমন্ত্রী আলিপুরদুয়ারের থাকাকালীন জেলার মানচিত্র প্রথম ১২ টি সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত নতুন হোম স্টে উঁদ্বোধন হতে চলেছে। ‘হোম স্টে’ পরিকল্পনায় প্রথম দফায় চিলাপাতা, টোটোপাড়া ,শালকুমার হাট ,হাতিপোতার নিৰ্দিষ্ট ১২ টি আদিবাসী পরিবার হোম স্টে গুলি পরিচলনা করবে।দ্বিতীয় দফায় ফের তেমনই   আর ও ১৩টি  হোম স্টে তৈরী হবে চিলাপাতা , ২৮ ও ২৯ বস্তি ও মাদিরহাটের।

আলিপুরদুয়ারে পর্যটন নিয়ে বাইরে থেকে আসা পর্যটকরা বিভিন্ন সমস্যার  কথা তুলে ধরেন যার মধ্যে  অন্যতম ছিল হোম স্টে গুলির ভাড়া নিয়ে।অভিযোগ ছিল , একেক হোম,স্টে  থাকা -খাওয়া নিয়ে একেরকম অৰ্থ দাবি করছে।  কোনও নির্দিষ্ট সরকারি পারমিট যুক্ত টুরিস্ট ট্যাক্সি নেয়।যে যেমন পারছে ,তেমন টাকা নিচ্ছে গাড়ি ভাড়া।ছিল না কোনও পর্যটন ইনফরমেশন সেন্টার।পর্যটনের সঙ্গে জড়িতদের একটি অংশ স্পষ্ট বলেছে ,সব কিছু যেন অগোছালোভাবে চলছে।  নিয়মনীতি না থাকায় পুরপুরি ট্যাক্স থেকে বছরের পর  বছর বঞ্চিত হচ্ছে রাজ্য সাকার।  নিৰ্দিষ্ট রেট চ্যাটের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।ডুয়ার্স ট্যুরিজম ডেভলপমেন্ট অসোসিয়েশন ১৫ দফা দাবি  রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী কে পাঠান।নারারাথলি ,ভুটানঘাটে নতুন করে পর্যটন কেন্দ্র ,জয়ন্তীতে ট্যুরিস্ট হাবের জন্য পৃথকভাবে আলোচনা করা হবে বনদপ্তরের সঙ্গে।একইভাবে বক্সাতে হাতি সাফারি নিয়ে হবে আলোচনা।

সরকারের আর্থিক সাহায্যে হোম স্টে – গুলিকে সাজানো হচ্ছে। একটি আদিবাসী পরিবারে থাকার অনুভব কেমন তা সেখানে গেলেই বুঝতে পারবেন  পর্যটকরা। সরকারের হাতে নির্দিষ্টি রেট চার্ট থাকছে সেখানে। হোম স্টে নিয়ে কলকাতা থেকে আলিপুরদুয়ার ,অনলাইনে,সড়কের পাশে ডিসপ্লে করে প্রচার চলবে।নির্দিষ্ট ‘লোগো’ প্রায় তৈরি। যদি সরকারি সাহায্যে মডেল হোম স্টে হিসেবে জনপ্রিয় হয় , তবে জেলার বাকি  হোম স্টে গুলিও যেন একই নীতিতে নিময় মেনে পরিষেবা দেয়।সেইজন্য খুব দ্রুত বেসরকারি হোম  স্টে ট্যুর অপারেটরদের নিয়ে ও দ্রুত বৈঠক হবে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে।

New police commissionerate to be set up in Hooghly district

The Bengal Government is planning to set up a police commissionerate in Hooghly district. It is expected that the new police commissionerate will be named Chandannagar Police Commissionerate.  This will be the sixth police commissionerate in Bengal after the change-of-guard in the state after Howrah, Bidhannagar, Barrackpore, Asansol-Durgapur and Siliguri police commissionerates.

As many as nine police stations including Bhadreswar, Rishra, Serampore, Chinsura, Dankuni and two women police stations will be under the police commissionerate. The remaining 17, including a woman police station, will remain under the jurisdiction of the state police that will be headed by the Superintendent of Police.

The proposal was mooted to ensure better policing in the area and the bifurcation has been done in such a manner that all the police stations under the jurisdiction of the proposed police commissionerate are along the river Hooghly.

According to plans, the headquarters of the police commissionerate will be Chinsura while the headquarters of the Hooghly rural part will be Singur. After Trinamool Congress took charge of the Government, Chief Minister Mamata Banerjee had taken steps to set up separate police commissionerates in urban parts of the districts.  At the same time, the area that was under the jurisdiction of Kolkata Police was also doubled.

 

হুগলী জেলায় একটি নতুন পুলিশ কমিশনারেট গঠন করছে রাজ্য সরকার  

রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আরও একটি নতুন কমিশনারেট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। হুগলী জেলা থেকে আলাদা করে তৈরী হচ্ছে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট, এটি ষষ্ঠ পুলিশ কমিশনারেট। ইতিমধ্যেই ৫টি পুলিশ কমিশনারেট রয়েছে রাজ্যে। এগুলি হল – হাওড়া, বিধাননগর, ব্যারাকপুর, আসানসোল-দুর্গাপুর এবং শিলিগুড়ি কমিশনারেট।

এই নতুন পুলিশ কমিশনারেটের অধীনে রয়েছে চুঁচুড়া, ভদ্রেশ্বর, শ্রীরামপুর, রিষড়া সহ ৭ টি থানা ও ২ টি মহিলা থানা। পাশাপাশি হুগলী জেলা গ্রামীণে থাকবে অবশিষ্ট ১৭ টি থানা যার মধ্যে ১টি মহিলা থানা।

হুগলী জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালোভাবে রক্ষণাবেক্ষণের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার ।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই নতুন কমিশনারেটের হেড কোয়ার্টার হবে চুঁচুড়ায়। হুগলী জেলা পুলিশের সদর দপ্তর তৈরী হবে সিঙ্গুরে। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার লক্ষ্যে জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে আলাদা আলাদা পুলিশ কমিশনারেট তৈরীর উদ্যোগ নিয়েছেন। এর পাশাপাশি, কলকাতা পুলিশ আওতাধীন এলাকাও দ্বিগুণ করা হয়েছে।

 

 

Correctional home inmates in Bengal getting trained to become self-reliant

The inmates of three correctional homes in Bengal are being trained in the making of jute bags.

Twenty-five inmates – 15 from Dum Dum Central Correctional Home and five each from Berhampore and Jalpaiguri Central Correctional Homes – are being trained by the correctional home authorities in collaboration with the National Jute Board and a non-governmental organisation (NGO).

The inmates are trained from 11 am to 4 pm. The products they make have found a good response from buyers at the jail depots and at various fairs they are sold in.

The correctional homes of Bengal, under the guidance of the Mamata Banerjee-led Trinamool Congress Government، are running long-term programmes to train their inmates in various activities – making puffed rice (muri) and phenyl, stitching (for female inmates), wood carving, making uniforms, etc. A hundred and fifty inmates, covering all the correctional homes in the State, are getting the benefits of training.

The number of training programmes and activities, and the number of inmates being involved are being gradually increased.

These activities encourage the inmates to keep their minds away from negative thoughts and also form the basis for a crime-free life after coming out of jails.

 

সংশোধনাগারের বন্দিদের  স্বাবলম্বী করতে উদ্যোগী হল কারা দপ্তর

দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের আবাসিকদের স্বাবলম্বী করতে উদ্যোগী হল ন্যাশনাল জুট বোর্ড ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

এই দুই সংস্থার যৌথ উদ্যোগে দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের বন্দিদের পাটের ব্যাগ তৈরীর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তাদের তৈরী জিনিসপত্রের বাজারে ভালো চাহিদা রয়েছে ।

৪ মাস ধরে রাজ্যের তিনটি সংশোধনাগারের ২৫ জন আবাসিককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে ১৫ জন দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের আবাসিক, ৫ জন বহরমপুর ও ৫ জন জলপাইগুড়ির সংশোধনাগারে আবাসিক রয়েছে।

সকাল ১১ টা থেকে ৪ টে অবধি আবাসিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তাদের তৈরী সামগ্ৰী জেল ডিপোতে বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন মেলায় তাদের তৈরী জিনিসের স্টল দেওয়া হয়েছে ফলে ভালো সাড়া মিলেছে।

সংশোধনাগারের আবাসিকদের ক্রিকেট ও ফুটবল দল  রয়েছে।  তারা থিয়েটারে অভিনয়ও করছে। আবাসিকদের মুড়ি ও ফিনাইল তৈরীর প্রশিক্ষণ দেওয়াহচ্ছে। মহিলা বন্দিদের সেলাইয়ের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বন্দিদশা কাটিয়ে তারা যাতে সমাজে সুস্থ ভাবে ফিরে যেতে পারে , সেই জন্যই এই প্রয়াস।

মেদিনীপুর  সংশোধনাগারের কিছু পুরুষ বন্দিকে কাঠের কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অনেক আবার ইউনিফর্ম  তৈরী করছে। এইরকম প্রায় ১৫০ জন সংশোধনাগারের আবাসিককে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হছে ।

এই ধরনের কাজ তাদের আরও উৎসাহ দিচ্ছে এবং তাদের মন থেকে অপরাধপ্রবণতা মুছে দেওয়ার সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

 

Mamata Banerjee to visit north Bengal today

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee will visit Cooch Behar and Alipurduar during her north Bengal visit starting today and hold administrative review meetings in both the districts. She is also said to be attending public rallies from where she will be distributing benefits to people as well.

The Bengal government had taken up several projects to ensure overall development of the districts. Banerjee will be taking stock of the development projects, works of which are going on in full swing in the districts. Alipurduar is a new district that has been carved out of Jalpaiguri and this is the 20th district of the state that came into existence on June 25, 2014.

The state government had prepared a comprehensive plan to ensure proper development of the new district. During her visit, the Chief Minister will be giving emphasis on those projects that have been taken up for the overall development of the newly-formed district including better communication facilities and healthcare system. She will also be taking stock on the progress of the work done in those projects. Most of the enclaves that came under the Indian Territory in 2014 lie in Cooch Behar.  The state government had taken up several projects including supply of power, construction of roads and distribution of ration cards among the enclave dwellers.  The Chief Minister will also be taking stock of the progress of the development work taken up for the enclaves.  She will also be addressing meeting with officials who are in-charges of executing the work in the enclaves and would plan the future road map for the overall development of the region.

 

আজ উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

উন্নয়নের ডালি নিয়ে আজ ফের উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সফরে কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলায় প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া জনসভাও করবেন এবং সেখান থেকে সাধারণ মানুষের হাতে বিভিন্ন সরকারী পরিষেবা তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী।

২০১৪ সালের ২৫ জুন ২০ তম জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পায় আলিপুরদুয়ার। এই জেলার বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়নের কাজ খতিয়ে দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ সন্ধ্যায় নেতাজী সুভাষ ইনডোর স্টেডিয়ামে কোচবিহার জেলা নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর।

আগামীকাল কোচবিহার জেলার রাসমেলার মাঠে মুখ্যমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে এবং এরপর একটি জনসভা করবেন তিনি।

 

infrastructure bengal

Rural electrification project to be complete in Bengal by June 2017

Soon, Bengal will be among the first few states to complete the rural electrification project successfully.  Come June and the project will witness completion with state Power minister Sobhandeb Chattopadhyay laying emphasis that the rural electrification work is all set to be complete as soon as infrastructure in four villages of Sunderban area gets over.

This apart, the electrification work is more or less complete throughout the state. “Infrastructural works have been going on in four islands. The work is expected to be completed by the end of June this year. The Power department has been facing hurdles in some parts as many villagers were reluctant to get an electricity connection due to financial constraints. Despite the challenges, the state government will achieve 100 percent electricity coverage by June,” the Minister added.

Chief Minister Mamata Banerjee, after coming to the power, had asked the power department to provide electricity to the entire Sunderbans area through power grid. Banerjee had taken a pledge to electrify each and every village across the state. The state government is trying hard to resolve the issues with the involvement of local panchayat functionaries and the zilla parishads.

According to West Bengal State Electricity Distribution Company Limited (WBSEDCL), state’s nodal distribution agency, the total number of subscribers has gone up to 1.72 crore from around 88 lakh in 2011. A few years ago, the pace of electrification work in Bengal was quite slow in comparison to the other states in the country but Trinamool government has done a major revamp in infrastructure development.

 

রাজ্যে গ্রামীণ বৈদ্যুতিকরনের প্রকল্পের কাজ শেষ হবে জুন মাসে

খুব শীঘ্রই গ্রামীণ বৈদ্যুতিকরন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করবে বাংলা। আগামী জুন মাসেই শেষ হবে সেই কাজ। যত তাড়াতাড়ি এই কাজ সম্পন্ন করা যায় তার ওপর জোর দিচ্ছেন বিদ্যু९ মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সুন্দরবন অঞ্চলের চার’টি গ্রামে বিদ্যুতের পরিকাঠামো তৈরীর কাজ শেষ হলেই এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

এ ছাড়া রাজ্যের অন্যান্য জায়গাতেও এই প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ। মন্ত্রী জানান, “এই চার’টি জায়গায় পরিকাঠামো তৈরীর কাজ চলছে, আশা করা হচ্ছে এই বছরের জুন মাসের শেষের দিকে এই কাজ শেষ হয়ে যাবে। অর্থনৈতিক কারনে অনেক গ্রামবাসীই বিদ্যুতের ব্যাপারে আগ্রহী নন তাই বিদ্যু९ দপ্তরকে বেশ কিছু বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তবু এত বাধা সত্ত্বেও আগামী জুনের মধ্যেই রাজ্যের ১০০ শতাংশ অঞ্চলে পৌঁছে যাবে বিদ্যু९।”

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত তৃণমূল সরকার পাওয়ার গ্রিডের মাধ্যমে পুরো সুন্দরবন অঞ্চলে বিদ্যু९ পৌঁছে দিতে উদ্যোগী হয়। রাজ্য সরকার পঞ্চায়েত ও জেলা পারিষদদের সহযোগিতায় এই কাজ দ্রুতগতিতে শেষ করতে চাইছে।

রাজ্য বিদ্যুত পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী বিদ্যু९ গ্রাহকের সংখ্যা বেড়ে এই মুহূর্তে হয়েছে প্রায় ১.৭২ কোটি যা ২০১১পর্যন্ত ছিল মাত্র ৮৮ লক্ষ। কিছু বছর আগে পর্যন্ত রাজ্যে গ্রামীণ বৈদ্যুতিকরনের কাজ ছিল অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় খুবই মন্থর  গতির। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে এই পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজে এসেছে এক নতুন গতি।

 

Bengal Govt’s textile brand Tantuja to sell sarees in USA

The West Bengal State Handloom Weavers’ Co-operative Society Limited, selling its products under the brand name, Tantuja, has announced its partnership with Amazon to enter the US market. This is the first expansion of Tantuja into the global stage. Through the e-commerce portal, Tantuja would sell sarees in USA.

Amazon is a pioneer in global e-commerce space with over 20 years of experience.

Tantuja has been selling handloom products crafted by local artisans and weavers of Bengal on the portal since last year. The brand has seen excellent response from customers across the country. This association with Amazon will help the co-operative society satisfy the huge global demand for traditional Indian products.

The West Bengal State Handloom Weavers’ Co-operative Society, after being rejuvenated through the personal initiative of Chief Minister Mamata Banerjee, has enabled thousands of local weavers, artisans and craftsmen to get direct access to customers while ensuring that they get the right value for their offerings.

The Trinamool Congress Government has been giving special thrust to the textile sector of Bengal, which has a huge potential. Among other things, the Biswa Bangla brand has been created as an umbrella brand to sell the textile and handicrafts of the State, through the Biswa Bangla-branded showrooms.

 

এবার মার্কিন মুলুকেও পাওয়া যাবে বাংলার তন্তুজর শাড়ি

অ্যামাজনের সাথে চুক্তি করল দি ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট হ্যান্ডলুম উইভারস কোঅপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড যারা নিজেদের তৈরি সামগ্রী বিক্রি করে তন্তুজ’র নামে। এর ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও এবার পাওয়া যাবে বাংলার শাড়ি। এই প্রথম বিশ্ব বাজারে পাড়ি দেওয়ার উদ্যোগ নিল তন্তুজ।

বাংলার তাঁতিদের তৈরি শাড়ি ও অন্যান্য বস্ত্রসামগ্রী অনলাইনে ই-কমার্সের মাধ্যমে তন্তুজ বিক্রি করছে গত বছর থেকে। সারা দেশ থেকে মিলেছে ব্যাপক সাড়া। এবার অ্যামাজনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে তন্তুজ মেটাবে আন্তর্জাতিক চাহিদা।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তন্তুজ পুনর্জীবন লাভ করেছে। এর ফলে হাজার হাজার তাঁতি, কারিগররা সরাসরি গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছতে পারছে, তার ফলে তাঁরা নিজেদের পরিশ্রমের উপযুক্ত মুল্য পাচ্ছেন।

তৃণমূল সরকার বিশেষ জোর দিয়েছে বস্ত্রশিল্পের ওপর। অন্যান্য শিল্পের পাশাপাশি বস্ত্রশিল্পেরও আছে বেড়ে ওঠার প্রবল সম্ভাবনা। ‘বিশ্ব বাংলা’ ব্র্যান্ডের দৌলতে রাজ্যের সকল বস্ত্র ও হস্তশিল্পীরা নিজেদের সামগ্রী বিক্রী করতে পারছেন।