Nirmal Bangla Dibas: Celebrating a cleanlier environment and a healthier life

On April 30, 2015, Bengal Chief Minister Mamata Banerjee declared, at a function in Krishnanagar, Nadia as India’s first open defecation-free (ODF) district. Henceforth, April 30 has been celebrated as Nirmal Bangla Dibas in Bengal.

This was the first milestone of Mission Nirmal Bangla, meant to make Bengal open defecation-free in order to make for a cleanlier environment and consequently, a healthier life.

For Nadia to achieve ODF status, the district administration, under the aegis of the State Government, had adopted a programme called ‘Sabar Souchagar’ (Toilets for All). This initiative of the State Government achieved international recognition when it was selected as the first place winner for the 2015 United Nations Public Service Award in the category of ‘Improving the Delivery of Public Services’.

Since then, a total of five districts of Bengal have achieved the ODF status – Nadia, Hooghly, North 24 Parganas, Purba Medinipur and Cooch Behar.

Two more are going to be declared as ODF districts soon – South 24 Parganas and Bardhaman.

Mission Nirmal Bangla has truly been leading the way for India. Among the first four districts in India to be declared as ODF districts, three were from Bengal. With Chief Minister Mamata Banerjee at the helm of affairs, Bengal is achieving distinctions galore.

 

 

Bengal leads among States in construction of toilets

The Bengal Government under Chief Minister Mamata Banerjee has been placing a lot of effort on achieving an open defecation-free (ODF) status for Bengal.

Till financial year 2016-17, Bengal has achieved almost 90 per cent (89.63%) of its ODF target, which is the second highest in the country, constructing 1,35,94,762 toilets. Not just that, of the number of toilets constructed, almost 12 per cent (11.8%) have been constructed in Bengal alone, which is also the second highest in the country.

Data from the Union Ministry of Drinking Water and Sanitation shows that 52,03,490 toilets for family dwellings, which is almost 40 per cent (38.28%) of the number of toilets constructed since 1999, were built during the four financial years from 2013-14 to 2016-17 – that is, from the time Mission Nirmal Bangla was adopted on November 19, 2013 (celebrated as World Toilet Day) by the Chief Minister Mamata Banerjee-led Trinamool Congress Government.

Not just that, this 52.03 lakh achieved during these four financial years has made Bengal the number one in the number of toilet units constructed for family dwellings (considering separately, number one during 2013-14 and 2014-15 and number two during 2015-16 and for 2016-17).

Nadia district has been the flag-bearer of the open defecation-free (ODF) movement, becoming, on April 30, 2015, the first district in the country to get the ODF status. Among the first four districts of the country be declared ODF, three were from Bengal.

Till date, five districts of Bengal have achieved the ODF status – Nadia, Hooghly, North 24 Parganas, Purba Medinipur and Cooch Behar. Two more are going to be declared as ODF districts soon – South 24 Parganas and Bardhaman.

 

 

Japanese restaurant to be launched at Eco Park

A Japanese restaurant will be launched at the Japanese Forest that has come up at Eco Park today. The Japanese garden is the only-of-its-kind in eastern India. The restaurant is the first-of-its kind in New Town and adds to the few Japanese restaurants in the city. Mouth-watering sushi will be served to the guests.

Eco Park, renamed as Prakriti Tirtha by Chief Minister Mamata Banerjee which has already become a major tourist attraction with the footfall crossing 75 lakh since its opening in January 2013, is also gaining popularity among the foodies in the city who love the cuisine served at Café Ekante and the house boat restaurant.

The Japanese Garden, which is one of the 500 such gardens outside Japan, has a wish pond and a pagoda along with an area where people meditate. Japanese experts had visited the garden before its inauguration and appreciated the venture.

The Japanese Garden had been constructed keeping in mind the ambience so that the people could have a taste of Japan. Now, replicas of seven wonders of the world are being constructed at Eco Park.

 

ইকো পার্কে উদ্বোধন হবে জাপানী রেস্তরাঁর

 

আজ নিউটাউনে ইকো পার্কার জাপানী গার্ডেনে উদ্বোধন হতে চলেছে জাপানী রেস্তরাঁর । এই ধরনের বাগান পূর্ব ভারতে এই প্রথম তৈরী হয়েছে। এই শহরে গুটিকয় জাপানী রেস্তরাঁর সঙ্গে নিউটাউনের এই রেস্তরাঁটিও যুক্ত হল। জিভে জল আনা সুসি পাওয়া যাবে এখানে।

২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে উদ্বোধন হয় ইকো পার্কের। এখন পর্যন্ত ৭৫ লক্ষেরও বেশী মানুষ এসেছেন এখানে; ইকো পার্ক এখন কলকাতার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। মুখ্যমন্ত্রী এর নামকরণ করেছেন প্রকৃতি তীর্থ।

এখানকার ক্যাফে একান্তে ও হাউস বোট রেস্তোরাঁ ইতিমধ্যেই ভোজনরসিক বাঙালির মন জয় করেছে।

 

 

Bengal Govt to set up Rice Museum

Bengal is soon to get a Rice Museum. The State Government is building the museum at Phulia in Nadia district.

The museum, which is under construction, would store 450 varieties of rice, including the aromatic varieties (like randhuni pagal, radha tilak, kanakchur, badshah bhog and others), those on the verge of extinction as well as those newly created in the State Government’s agricultural laboratories, for example, rice with more iron content, rice beneficial for anaemic women and children, etc.

The specialised rice varieties of the Sunderbans region, which are resistant to saline soil, would also find a place in the museum.

Each variety would have detailed information about it, like data on nutritional, production, the right environment to grow it, etc.

 

 

রাজ্যে তৈরী হচ্ছে ধানের অভিনব সংগ্রহশালা

এই প্রথম বাংলায় তৈরী হচ্ছে ধানের সংগ্রহশালা (মিউজিয়াম)। নদিয়া জেলার ফুলিয়াতে তৈরী হবে রাইস মিউজিয়াম। এর জন্য ৭১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে কৃষি দপ্তর।

বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্রায় ৪৫০ প্রজাতির ধান রাখা হবে এই সংগ্রহশালাটিতে। পুরনো ও স্থানীয় ধানগুলিকে ফিরিয়ে আনতে এই পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। এছাড়া পরিবেশ ও জলবায়ুর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাজ্য কৃষি গবেষণাগারগুলিতে যে নতুন প্রজাতির ধান উৎপাদন করা হচ্ছে সেগুলোও পাওয়া যাবে এই সংগ্রহশালায়।

রাঁধুনি পাগল, রাধা তিলক, কনকচূড়, বাদশাভোগের মত সুগন্ধি ধান যেমন থাকবে তেমনই থাকবে সদ্য তৈরী গোসাবা – ১ নতুন প্রজাতির ধান। সুন্দরবন অঞ্চলের উৎকৃষ্ট মানের এই ধানের সংগ্রহও জায়গা পাবে এই সংগ্রহশালায়।

কৃষি দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, সংগ্রহশালায় প্রত্যেক প্রজাতির ধানের খাদ্যগুণ, উৎপত্তি, কোন জলবায়ুতে উৎপাদন বেশি হতে পারে, কিভাবে এইসব প্রসিদ্ধ চালের গুনমান ভালো করা যায়, কিভাবে ধানের বীজ সংরক্ষণ করা হয়, কিভাবে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যায় এই সংক্রান্ত গবেষণালব্ধ বর্ণনাও থাকবে এই সংগ্রহশালায়।

কিছু প্রজাতির চাল আছে যাতে লোহার উপাদান বেশি। মহিলা ও শিশুদের মধ্যে যারা রক্তাল্পতায় ভুগছে তাদের জন্য এই চাল খুব উপকারী। এইসব চালও থাকবে সংগ্রহশালায়।

 

KMC planning to install solar lights in 16 parks

The Trinamool Congress-run Kolkata Municipal Corporation (KMC) is soon going to light up 16 parks with environment-friendly solar energy.

In the first phase, 10 parks are going to be lit up with solar lights: Deshbandhu Park, Maddox Square, Jatin Das Park, Sukumar Ray Udyan, Mohammed Ali Park, Santosh Mitra Square, College Square, Mohini Kunja Park in Behala and at a park each in Patuli and Sarsuna.

The use of solar energy for lighting up the parks would result in a saving on electricity from 80 to 85 per cent. Energy-saving 130 watt LED lamps are going to be set up in the parks.

The Bengal Government has sanctioned Rs 52 crore for the first 10 solar parks, the work for which is going to be completed within three months.

 

 

শহরের ১৬টি পার্কে বিদ্যুতের গ্রিড বসাবে পৌরসভা

 

সৌরবিদ্যুৎ ব্যাবহার করে বিদ্যুৎের বিল কমানোর নজির গড়ল পুরসভা। সৌরবিদ্যুৎ ব্যাবহার করে দেশপ্রিয় পার্কে বিদ্যুৎের বিল প্রায় ছয়গুন কমালো পুরসভা। সাশ্রয়ের পথ দেখায় সৌরবিদ্যুৎ চালিত আলোকসজ্জা।

দেশপ্রিয় পার্কের সাশ্রয় দেখে আরও ১৬টি পার্ক চিহ্নিত করেন পুর আধিকারিকরা, যেখানে সৌরবিদ্যুৎ চালিত গ্রিড লাগানো হবে। শুধু সাশ্রয়ই নয়, পার্কে পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বহু ওয়ার্ডের কাউন্সিলাররা।

পুরসভার একটি কমিটি দেশবন্ধু পার্ক, ম্যাডক্স স্কোয়ার, যতীন দাস পার্ক, সুকুমার রায় উদ্যান, পাটুলি, সরশুনার একটি পার্ক, বেহালার মোহিনী কুঞ্জ পার্ক, মহম্মদ আলি পার্ক, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার এবং কলেজ স্কোয়ারকে চিহ্নিত করে গ্রিড বসানোর জন্য।

যে সমস্ত পার্ক সম্পূর্ণ ভাবে সৌরবিদ্যুৎ চালিত হবে, সেগুলির প্রতিটি থেকে পুরসভার গড়ে প্রায় ৮০-৮৫% বিদ্যুৎ খরচে সাশ্রয় হবে। রাজ্য সরকার প্রায় ৫২ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে প্রথম ধাপে এই ১০টি পার্কে কাজ সম্পূর্ণ করতে।

Bengal Govt’s Pulse Seeds Hub comes up at Bidhan Chandra Krishi Viswavidyalaya

A Pulse Seeds Hub has been set up at Bidhan Chandra Krishi Viswavidyalaya in Nadia district by the Bengal Government, aimed at ensuring steady supply of higher grade pulse varieties for the farmers of the State.

The hub has been set up at the farms of the university.

Six varieties of pulses – moong, kalai, masoor, chana, matar and arhar – for growing in the pre-kharif, kharif and rabi seasons would be available at the hub.

Sowing seeds of the superior varieties from the hub would lead to significant improvement in the amount and the varieties of pulses produced, and consequently, in income for farmers. Additionally, whenever required, the farmers would also get technical guidance from the scientists of the university.

 

 

রাজ্যে তৈরী হল ডালশস্য বীজ হাব

বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে উঠেছে ডালশস্য বীজ হাব। বিশ্ববিদ্যালয়ের খামারগুলিতেই গড়ে তোলা হয়েছে এই হাব।

এর মূল উদ্দেশ্য হল  চাষিদের হাতে ন্যায্য মূল্যে উন্নতমানের ডালশস্য বীজ তুলে দেওয়া। রাজ্যে বিপুল পরিমাণ ডালের ঘাটতি পূরণ করার জন্যই এই সিদ্ধান্ত।

প্রাক খরিফ, খরিফ ও রবিতে এই বীজ উৎপাদনের কাজ চলছে। যেসব ডালের বীজগুলি এখান থেকে পাওয়া যাবে সেগুলি হল – মুগ, কলাই, মুসুরি, ছোলা, মটর ও অড়হর।

এই বীজ নিয়ে চাষ করলে চাষিরা যেমন আর্থিক দিক থেকে লাভবান হবে তেমনই অধিক ফলনশীল জাতের ডালচাষের ফলে উৎপাদনও বাড়বে। প্রয়োজনে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষিবিজ্ঞানীদের পরামর্শও পাবেন তারা।

 

Work on Swasthya Sathi likely to be completed soon

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee’s dream project of introducing Group Health Insurance Scheme to cover around 3 crore population and issuing Swasthya Sathi cards to the beneficiaries for availing the services is expected to be completed within this month.

Around 93 percent of the work has already been completed as 40 lakh families across the state have already been given the Swasthya Sathi Card as a result of which, more than 2 crore people are already getting the benefits of the health insurance scheme.

The Health department officials believe that the remaining 5 lakh families will soon be covered under the scheme. A total of 3 crore population or 45 lakh families would be included in the scheme as the Chief Minister had announced in February 2016. She announced that people working in self help groups, ICDS workers, ASHA workers, civic volunteers, civil defence volunteers and various other workers would be covered under the health insurance scheme.

Under the Swasthya Sathi scheme, the state government provides basic health coverage for secondary and tertiary care up to Rs 1.5 lakh per annum to each worker. In case of critical illnesses and surgeries like cancer, neurosurgeries, cardiothoracic surgeries, liver diseases and blood disorders, the patients are entitled to get up to Rs 5 lakh for each patient or their family members. All pre-existing diseases are covered under this scheme. The state government will bear the entire premium and the beneficiaries need not contribute to avail the benefit.

The Swasthya Sathi cards will have detail information about the beneficiaries and their names. Distribution of smart cards was started in December last year when the Chief Minister handed over Swasthy Sathi Crards to 20 beneficiaries. It was learnt, that there will be no cap on the family size and parents of both the spouses will be covered. All newborns will be covered whereas all pre-existing diseases will be covered from day one.

The state government has decided to give health insurances to people. The state government has already tied up with 700 hospitals both public and private which are brought under the coverage of health scheme. After seeing the success of the Bengal’s Group Health Insurance Scheme, the Centre is trying to introduce the National Health Protection Scheme (NHPS) to provide better healthcare facilities to people.

 

চলতি মাসেই শেষ হবে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের ‘স্বাস্থ্য সাথী’ প্রকল্পের কাজ

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প ‘স্বাস্থ্য সাথী’। প্রায় ৩ কোটি মানুষ এই প্রকল্পের অধীনে উপকৃত হবেন। এই প্রকল্পের আওতার সকল উপভোক্তাদের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড প্রদান করা হবে যার মাধ্যমে তাঁরা সকল পরিষেবা গ্রহণ করতে পারবেন, সেই প্রক্রিয়াও এমাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।

ইতিমধ্যেই ৯৩% কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেছে, রাজ্যের প্রায় ৪০ লক্ষ পরিবারকে ইতিমধ্যেই স্বাস্থ সাথী কার্ড দেওয়া হয়েছে। ২ কোটিরও বেশি মানুষ এই স্বাস্থ্য বীমা প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন।

স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা মনে করছেন বাকি ৫ লক্ষ মানুষকেও এই প্রকল্পের আওতায় খুব শীঘ্রই আনতে পারা যাবে। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুসারে ৪৫ লক্ষ পরিবার বা তিন কোটি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন। তিনি ঘোষণা করেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কর্মী, ICDS কর্মী, আশা কর্মী, সিভিক ভলেন্টিয়ার, ও অন্যান্য কর্মীরা সকলেই এই স্বাস্থ্য বীমা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প

বছরে মোট সাড়ে ছয় লাখ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিমার সুবিধা থাকছে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে। আর এই বিমার আওতায় আসছে রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতাল ও তার বড় বড় সরকারি ক্লিনিক। রাজ্য সরকারের যে সমস্ত চুক্তি ভিত্তিক কর্মীরা আছে তাদেরও এই স্বাস্থ্য বিমার আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে এই স্বাস্থ্য বিমার সুবিধা সুবিধা পাবেন স্বাস্থ্য দপ্তরের আশা কর্মী, অঙ্গনওয়ারি কর্মী, সিভিক পুলিশ, ভিলেজ পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগ, হোমগার্ড, অর্থদপ্তরের চুক্তিবদ্ধ কর্মী, গ্রিন পুলিশ, সিভিল ডিফেন্স, NVF, ICDS,পৌরসভার অন্তর্গত স্বনির্ভর গোষ্ঠী, অসংগঠিত শ্রমিক সহ আরও অনেক বিভাগের কর্মীরা।প্রতি বছর দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা মিলবে। অন্যদিকে ক্যান্সার, নিউরো সার্জারি, হৃদরোগজনিত অস্ত্রোপচার, লিভার সংক্রান্ত অসুখ এবং রক্তের সমস্যার চিকিৎসার জন্য এই প্রকল্পে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সাহায্য পাওয়া যাবে। রাজ্য সরকার সমস্ত প্রিমিয়াম দেবে।

স্বাস্থ্যসাথী কার্ড

স্বাস্থ্যসাথী বিমার অন্তর্গতদের দেওয়া হবে ‘স্বাস্থ্যসাথী কার্ড’। এই কার্ডে ব্যক্তির নাম সহ সমস্ত বিস্তারিত তথ্য থাকবে। গত বছর ডিসেম্বর মাসে মুখ্যমন্ত্রী ২০ জনের হাতে তুলে দিয়েছেন এই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড, তারপর থেকেই এই কার্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু হয়ে গেছে। এই কার্ডের মাধ্যমে ব্যক্তির পরিবারের সমস্ত সদস্যরাই এই পরিষেবা পাবেন।  সদ্যোজাত শিশুরাও এই বীমার সুবিধা পাবেন, আগের কোনও রোগ থাকলে সেটির চিকিৎসাও এই বীমার মাধ্যমে হবে।

রাজ্য সরকার সাধারন মানুষকেও স্বাস্থ্য বীমার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইতিমধ্যেই ৭০০ সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতালকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। রাজ্যে জন স্বাস্থ্য বীমা প্রকল্পের অভূতপূর্ব সাফল্য দেখার পর কেন্দ্র সরকারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে জনগণের জন্য জাতীয় স্বাস্থ্য বীমা প্রকল্প শুরু করার।

 

A counter to BJP’s claims about Bengal

Finance minister Amit Mitra provides a point-by-point reply to Amit Shah’s “blatant and motivated attempt to distort the truth and misguide the people of Bengal.”

Excerpts:

Claim: We thought after end of Left rule, development will begin in Bengal. But we have been disappointed in the last 6 years

Fact: They are comparing a government of 6 years with 34 years of Left rule. They are like the seasonal birds who come and go and thus cannot see the development in Bengal. During the first five years of this government, the planed expenditure has increased from Rs 14,615 cr to Rs 54,069 crore. Capital expenditure too has increased 7 times and the state’s Own Revenues have doubled.

 

Claim: Share of Bengal in GDP growth was 25% during independence. Now it is 4%

Fact: GDP of Bengal has more than doubled from nearly Rs 4.61 lakh crore in 2010-11 to Rs 9.20 lakh crore in 2015-16

 

Claim: Bengal had a debt of Rs 1.9 lakh crore when Left was voted out. It has become Rs 3 lakh crore now

Fact: Of the Rs.113,000 crore increase in the state’s debt stock during the past five years, around Rs.94,000 crore went into debt servicing. Bengal’s debt-GSDP ratio has improved from 41% to 35%

 

Claim: Power production in Bengal is not at par with national average

Fact: Bengal one of the few power surplus States in the country. By June, 2017, 100% rural electrification will be achieved, the first State in India to do so.

 

Claim: Agriculture growth has slowed in Bengal

Fact: Bengal has won Krishi Karman award 5 years in a row from Govt of India for excellence in agriculture, since 2011

 

Claim: TMC promoted appeasement politics. Huge akrosh because of it

Fact: Kanyashree, Yuvashree, Sabuj Shree, Sabuj Sathi, Gatidhara, Geetanjali, Khadya Sathi, Baitarani, Samabyathi, Samarthan – these schemes are for all. Govt of Bengal works for all. Our reforms in e-governance, financial matters and in other areas of public service delivery have benefited all sections of society.

 

Claim: Bengal Govt failed to curb FICN, made it a laughing stock by opposing demonetisation

Fact: After demonetisation, the BJP claimed note-bandi has eliminated fake notes in the country. Everyone knows the truth.

 

Claim: Industries shutting down, bomb making factories booming

Fact: Industry growth – India 7% Bengal 10%. Furthermore, 40% investment proposals received at Bengal Global Business Summit are in process of fructification. (Figure for same in Gujarat is 2-3%).

 

BJP is jealous of development in Bengal: Mamata Banerjee

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today lashed out at the Centre for withholding funds for the State; she said BJP is jealous of the development in Bengal and hence non-BJP ruled States were deprived of funds.

“I am stating with figures what Bengal can do, others cannot do; more so with the huge debt burden that was incurred by the Left. We do not make false promises to win elections,” the CM said.

“Agriculture growth in India is 1.1% while that of Bengal is 6%. Growth in service sector in India is 9% and that of Bengal is 13.99%. Industrial growth  in India is 7% and that of Bengal is 10 per cent,” she added.

“Institutional delivery has increased from 65% to 90%. Infant mortality has reduced from 32 to 26 per 1000 live births. We do not need lectures from them. Let them show one State where healthcare is free. I challenge them to compare the figures of infant mortality in Bengal and Gujarat,” she said.

The Chief Minister wondered if the claims of Bengal lagging in agriculture are true, how has the State received Krishi Karman award 5 years in a row from Government of India since 2011. She wanted to know from the Centre what happened to the promise of taking over 7 sick tea gardens in north Bengal. She accused the Centre of depriving Bengal by planning to shift the headquarters of Tea Board to Assam.

“Instead of working for the people, BJP is running malicious propaganda campaign on social media,” the Chief Minister added.

 

বাংলার উন্নয়নে বিজেপির খুব হিংসা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আলিপুরদুয়ারে প্রশাসনিক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, “আমার তথ্যই কথা বলবে। আমি বাজে কথা কম বলি, মিথ্যে ভাষণ কম দিই, ভোটে জেতার জন্য কুতসার রাজনীতি কম করি, যেটুকু কথা বলার সেটুকুই বলি। গুজরাটে অপুষ্টিতে মৃত্যুর হার কত? বাংলায় কত? আমি চ্যালেঞ্জ করছি, গুজরাটে অপুষ্টিতে শিশু কত আক্রান্ত? বাংলায় কত? এত দেনা শোধ করেও?”

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দেনা আমরা করি নি, সিপিএম করেছে। কেন সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট তাদের পারমিট করেছিল দেনা করবার জন্য? আর দেনা যতক্ষণ সম্পূর্ণ শোধ না হয়, সেটা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ে। আমরা এফারবিএম চালু করেছি, সেটাতে যে টাকা নেওয়া হয়, সবটাই দেনা দিতে চলে যায়, একটা টাকাও আমাদের কাজে লাগে না। এই দেনার যে টাকা, সেই টাকার টোটাল টাই কেন্দ্রীয় সরকারকে দিতে চলে যাচ্ছে। ৪০,০০০ কোটি টাকা কেন কাটে আমাদের থেকে? আবার বড় বড় কথা, বড় বড় ভাষণ। রেশন দেওয়ার ক্ষমতা নেই শুধু ভাষণ।”

পরিসংখ্যান দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন বাংলা এগিয়ে চলেছে। “এগ্রিকালচারাল গ্রোথ ইন্ডিয়া ১.১% আর বেঙ্গল অ্যাবাউট ৬%; সার্ভিস সেক্টর, ইন্ডিয়া–৯.২% বেঙ্গল–১৩.৯৯%; ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ ইন্ডিয়া-৭.৩% বেঙ্গল-১.০.৫৯%; আর জিডিপি, ২০১০-১১য় ছিল ৪.৬ লক্ষ কোটি, ১৫-১৬য় এটা ৯.৩৯ লক্ষ কোটি হয়েছে। যদি এগ্রিকালচারাল গ্রোথ আমাদের খারাপ হয়, পরপর পাঁচ বছর পশ্চিমবঙ্গ সরকার ভারত সরকারের কৃষি কর্মন অ্যাওয়ার্ড পেল কি করে?”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বাংলাকে জ্ঞ্যান দিয়ে লাভ নেই। বাংলা যা পারে, অন্যরা কেউ তা পারে না। আমরা ৩৬৫ দিন কাজ করি, ৩৬৫ দিন মানুষের কাছে থাকি।”

তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সাতটা চাবাগান অধিগ্রহন করবে, আজ পর্যন্ত একটা কেউ টেকঅভার করেছে? উপরন্তু বাংলায় চা বাগান বেশী বলে, আমাদের কলকাতায় যে টি বোর্ডের অফিস আছে, সেই টি বোর্ডের অফিসটা হস্তান্তর করে আসামে নিয়ে যাচ্ছে। আমার আপত্তি নেই আসামে যদি আরেকটা করে, কিন্তু বাংলাকে বঞ্চনা কেন?”

Pathadisha app to have realtime location of state-run buses plying to tourist spots

Real-time location of the state-run buses plying from the city to tourist spots, including some religious places in adjoining districts, will be soon made available in Pathadisha App. If everything goes as planned, then in another four months the information will be available in the app.

The state Transport department has introduced the app in the mid of March to help commuters get information on the real time location of state-run buses. With inclusion of all the buses run by WBTC, the realtime location of those plying in adjacent districts including Howrah, Hooghly, Nadia, North and South 24 Parganas will be available in the app.

Buses connecting tourist spots in South Bengal districts including Digha in East Midnapore and Gadiara in Howrah will be included in the app. Moreover, real time location of the buses plying between the city and religious places including Mayapur, Aathpur, Jayrambati, Kamarpukur, Furfura Sharif and Belur Math will also be made available in the app. At present information about some of the buses connecting Dakshineswar Kali Temple with the city and other places have already been made available in the app.

All steps are being taken to complete the task within the next four months.

 

পথদিশা অ্যাপে এবার মিলবে পর্যটন কেন্দ্রের বাসের হদিস

 

রাজ্য সরকারের যে সব বাস শহর থেকে বিভিন্ন জেলার দর্শনীয় ও ধার্মিক স্থানে যাত্রীদের নিয়ে যায়, সেগুলির অবস্থান খুব শীঘ্রই জানা যাবে পথদিশা অ্যাপের মাধ্যমে।

এ বছরের মার্চ মাসে রাজ্য পরিবহণ দপ্তর এই অ্যাপটি চালু করে। এর মাধ্যমে সরকারি বাসগুলির জিপিএস লোকেশন সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়।

খুব শীঘ্রই যে সব বাস কলকাতা থেকে হাওড়া, হুগলী, নদীয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা যায় সেগুলোর সঠিক অবস্থানও জানা যাবে।পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা, হাওড়া জেলার গাদিয়াড়ায় যে সব সরকারি বাস যায় সেগুলোও অন্তরভুক্ত হবে এই অ্যাপে।

এ ছাড়া মায়াপুর, আঠপুর, জয়রামবাটি, কামারপুকুর, বেলুড় মঠ, ফুরফুরা শরীফ-এই সকল ধার্মিক স্থানে যে সকল বাস যায় তাদের অবস্থানও জানা যাবে। এই মুহূর্তে দক্ষিনেশ্বর কালিবাড়িতে কলকাতা ও অন্যান্য জেলা থেকে যে সকল বাস আসে তাদের অবস্থান এই অ্যাপে জানা যায়।

আগামী চার মাসের মধ্যেই এই পরিষেবা চালু করার জন্য সবরকম পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।