Much better infrastructure leading to more tourist arrivals in the Sundarbans

With the infrastructure being ramped up rapidly by the Trinamool Congress Government, the number tourists visiting Sundarbans has gone up too. The region now sees many more tourists round the year, while earlier tourist arrivals peaked during certain periods only.

With better and more roads, culverts (for channelling water under roads), watchtowers, better protected areas, beach development and other work being done, the mangrove haven has become more attractive. With the hike in tourists, naturally the local economy has also improved. Better means of livelihood are making lives easier for the locals. Things like better roads and rest sheds are a boon for the local people too.

Not just betterment infrastructure, there has been improvement in the system of inclement weather alerts too, which is beneficial to tourists and locals alike.

At the same time, infrastructure for water transport has also been improved. The conditions of the river jetties have been improved. Another step taken for improvement of connectivity is the construction of bridges, linking different islands in the delta.

To draw more tourists, every year, in August and September, the State Government organises the Hilsa Festival there.

The above facts are borne out by both Government officials and tour operators. The latter expressed a lot of hope for tourism during a recent tourism fair organised by the State Government in Kolkata. Among the popular places in the Sundarbans are Gosaba Hamilton Bunglow, Pirkhali, Dobaki Watchtower, Sajnekhali Watchtower, Sudhanyakhali Watchtower among others.

Source: Millennium Post

Rural electrification to be completed in Bengal soon

A massive rural electrification scheme has been taken up by the Bengal Government. The Rs 192 crore scheme will connect 2.53 lakh homes to the grid.

The work for supplying electricity would begin in a few days; the work order has been issued. The government is expecting the work to be completed by December 31.

Most of the homes to be connected belong to people living below the poverty line in rural areas.

According to State Government data, the work for electrification in 19 districts is over. Some areas in Cooch Behar, some islands in the Sundarbans in South 24 Parganas, and a few remote areas in Darjeeling and Kalimpong districts are left to be electrified.

In remote areas in the Sundarbans, solar energy facilities are also being set up to overcome the difficulty of connecting them through electrical cables.


গ্রামীণ বিদ্যুতে ১৯২ কোটি বরাদ্দের পরিকল্পনা রাজ্যের

গরীব মানুষদের বাড়িতে নিখরচায় বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে কোমর বেঁধে নামছে রাজ্য সরকার৷ এই কাজে ১৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে৷ এতে মোট ২ লক্ষ ৫৩ হাজার বাড়িতে নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে৷ সেই লক্ষ্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজে নেমে পড়েছে বিদ্যুৎ দপ্তর৷ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করতে চাইছে রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তর৷

মূলত গ্রামাঞ্চলে দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষের বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতেই এই এই প্রকল্প চালু হয়েছে৷ সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে রাজ্যের মোট ১৯ জেলায় গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছনোর কাজ সম্পূর্ণ৷ এর মধ্যে রয়েছে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা৷

বিদ্যুৎমন্ত্রীর দাবি, চলতি বছরের মধ্যেই কোচবিহার, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনের কিছু দ্বীপ এবং দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কিছু দুর্গম এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে৷ সুন্দরবনের মতো প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য সৌর বিদ্যুতের মতো বিকল্প শক্তির সন্ধান করা হচ্ছে ৷

Bengal Govt to launch book about birds in the Sundarbans

The State Forest Department is coming up with a comprehensive guide containing information on, and pictures of, birds in the Sundarbans. This is the first time that such a book is being brought out by the Government.

The Sundarbans is famous for its wildlife, especially tigers and crocodiles. But it also has a huge treasure of avian life. The book would help to bring that into focus.

Through this venture, the Government hopes to increase awareness about the various types of birds that inhabit the forests of the delta, which is a UNESCO World Heritage Site referred to by the name Sundarbans Biosphere Reserve (SBR). This guide would in turn help attract more tourists to the region, especially bird-watchers.

Dominant In the region are osprey, brahminy kite and white-bellied sea eagle, while the rose-ringed parakeet, flycatcher and warbler are found in the middle and the lower tiers of the forested areas. The water-loving kingfisher abounds too.

Officials and experts working in the SBR believe that the bird variety in the mangroves consists of over 500 species, at least 55 of which are migratory ones.


সুন্দরবনের পাখিদের নিয়ে বই প্রকাশ করবে বন দপ্তর

সুন্দরবন অঞ্চলের সমস্ত পাখিদের সচিত্র বিবরণ সংকলিত একটি বই প্রকাশ করতে চলেছে রাজ্য বন দপ্তর। রাজ্য সরকারের তরফে এই রকম উদ্যোগ এই প্রথম।

রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের জন্য বিশ্ব বিখ্যাত সুন্দরবন। কিন্তু এই ম্যানগ্রোভ বনে যে লুকিয়ে আছে নানা প্রজাতির পাখির সম্ভার, তা দেশী ও বিদেশী পর্যটকের কাছে তুলে ধরতেই এই বই প্রকাশিত করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের ফলে সুন্দরবন সম্বন্ধে পর্যটকদের অনেকটাই ধারণা বদলাবে।

বন দপ্তরের আধিকারিকরা এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাথে যৌথ উদ্যোগে এই কাজ করছে। কোন অঞ্চলে কোন পাখিরা আসে তা চিনিয়ে দিতে সাহায্য করছেন স্থানীয় মানুষরা। সুমিত সেন, দেশের অন্যতম সেরা পক্ষিবিদ, পাখিদের ছবি তুলেছেন বইটির জন্য।

খুব শীঘ্রই এই বইটি প্রকাশিত হতে চলেছে। সুন্দরবনে অনুষ্ঠিত হতে চলা বনবান্ধব মেলায় বনমন্ত্রীর হাতে এই বইটির প্রকাশ হবে।

Source: Millennium Post


Bengal Govt committed to conservation of forests

The Department of Forests, Bengal manages 11,879 sq km of forests in the state, i.e. 13.38% of the total geographical area.

The forest cover of the State has been on the increase. Between 2011 & 2014, it has gone up by 3810, 4.29%, the highest in the country.

Some of the notable achievements, between 2011-2017, are:

  • Between 2011-17, The Department has afforested 72,697 hectares of forest area, besides extensive soil & moisture conservation works. It has also created production capacity of 2 crore planting stock through ‘Modern Nurseries’, thereby replacing almost entire capacity of conventional nurseries.
  • Inspired by the Hon’ble Chief Minister, the ‘Sabuj Shree’ program was launched with effect from 27 May, 2011 to provide a sapling to every new born child in the state to inculcate emotional bonding between the child and nature and also to provide an incentive of economic benefit in the future. Being implemented at the block level throughout the state, nearly 15 lakh seedlings were distributed to mothers of newborns.
  • The Wild Life Wing of Forest Directorate manages 4692 sq km of protected area network, i.e. 5.28% of geographical area of state, up from 4.56% prior to 2013. Emphasising the importance of conservation, two new wildlife sanctuaries have been created:
    1) the ‘West Sunderbans WLS’ in 2013 over 556 sq km in Dakshin 24 Parganas for keystone species of Sunderbans; and,
    2) ‘Pakhibitan Wildlife Sanctuary’ over 14.09 sq. km of water body for aquatic and migratory birds at Gajoldoba, Jalpaiguri in North Bengal.
  • W.B. State Forest Development Agency was institutionalised in 2014. It is implementing plantation programme of WB Pollution Control Board and MPLAD funding programme in forestry sector.
  • Online reservation & payment gateway for 20 eco-tourism centres in the state was started in May, 2015.


বন সংরক্ষণে প্রতিবদ্ধ মা-মাটি-মানুষের সরকার

পশ্চিমবঙ্গের বনদপ্তর রাজ্যের ১১,৮৭৯ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে অরণ্য অর্থাৎ মোট ভৌগলিক এলাকার ১৩.৩৮% দেখাশোনা করে।

২০১১-২০১৪ সালের মধ্যে এই রাজ্যের বনাঞ্চল বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধির পরিমাণ ৩৮১০ বর্গকিলোমিটার অর্থাৎ ৪.২৯% যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।

২০১১-২০১৭ সালের মধ্যে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হলঃ-

  • ২০১১-২০১৭ সালের মধ্যে এই দপ্তর অরণ্য এলাকার মধ্যে ৭২,৬৯৭ হেক্টর বনাঞ্চল বৃদ্ধি করেছে। পাশাপাশি ব্যবহারে মৃত্তিকা ও আর্দ্রতা সংরক্ষণের কাজও হয়েছে। চিরাচরিত নার্সারিগুলির প্রায় সম্পূর্ণ মজুত খমতার পরিবর্তে এই বিভাগ ২ কোটি রোপণযোগ্য চারা উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন ‘আধুনিক নার্সারি’ নির্মাণ করেছে।
  • মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায়, ২০১১ সালের ২৭ মে থেকে ‘সবুজশ্রী’ প্রকল্প চালু হয়েছে। এই প্রকল্পে রাজ্যের প্রত্যেক নবজাতককে গাছের চারা উপহার দেওয়া হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হল, শিশুর সাথে পরিবেশ-প্রকৃতির একটা আবেগের বন্ধন তৈরী করা এবং ভবিষ্যতে এই গাছটি থেকেই আর্থিক সাহায্য পাওয়ার পথ সুগম করা। রাজ্যের প্রতিটি ব্লক স্তরে চালু হওয়া এ প্রকল্পে, ২০১৭-র মার্চ পর্যন্ত, ২ লাখেরও বেশী চারা বিলি হয়েছে।
  • বন-অধিকার এর অধীনে বন্যপ্রাণ বিভাগ রাজ্যের ৪৬৯২ বর্গকিলোমিটার সংরক্ষিত এলাকা দেখাশোনা করে, যা রাজ্যের মোট ভৌগলিক এলাকার ৫.২৮%। ২০১৩ সালে এই সংরক্ষিত এলাকার পরিমাণ ছিল ৪.৫৬%। সংরক্ষণের গুরুত্বের কথা চিন্তাভাবনা করে দুটি নতুন বন্যপ্রাণ অভয়ারন্য তৈরী করা হয়েছে।


১. ‘ওয়েস্ট সুন্দরবন ডবলু এল এস’ সুন্দরবনের মূল প্রজাতির বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের জন্য দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৫৫৬ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে ২০১৩ সালে তৈরী হয়।

২. ‘পাখিবিতান বন্যপ্রাণ অভয়ারন্য’ উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ির গাজলডোবায় জলচর ও পরিযায়ী পাখিদের জন্য ১৪.০৯ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে তৈরী হয়েছে।

  • ২০১৪ সালে রাজ্য বন উন্নয়ন এজেন্সি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অন্য সমস্ত কাজের সঙ্গে এটি রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ এবং সাংসদ তহবিলের অর্থে বনাঞ্চলে চারা লাগানোর কাজ করছে।
  • ২০১৫র মে থেকে রাজ্যের ২০টি ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রের অনলাইন সংরক্ষণ এবং অর্থপ্রদানের পথ চালু হয়েছে। তাকদা, পোখরিয়াতার এবং চিম্নিতে ইকো ট্যুরিজম ইউনিট চালু হয়েছে।


Silver lining for tiger widows of Sundarbans

In a silver lining for tiger widows, that is, the women whose husbands have been killed in tiger attacks, the Bengal Government’s Panchayats and Rural Development Department has decided to adopt the villages in the Sundarbans where these widows live.

Many villages in the region are dominated by women whose have lost their husbands in this way, mostly while venturing out to remote islands to fish or while collecting honey from forests.

Bengal Panchayats Ministers, announced this decision recently. He said that the government would soon come up with a policy. He said that after a study, the department has found that most of the people in the villages can be accommodated in some State Government policy or the other, like Jal Dharo Jal Bharo, etc.

The department has identified 11 such villages, of which three would be adopted initially.



সুন্দরবনের ‘বিধবা গ্রাম’ এবার দত্তক নেবে রাজ্য


মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বা মীন ও কাঁকড়া ধরতে গিয়ে সুন্দরবনে বহু মানুষকে বাঘের পেটে যেতে হয়। বাঘের আক্রমণে অনেকের মৃত্যুও ঘটেছে। এমন ঘটনায় অনেক মহিলাই বিধবা হয়েছেন। বিধবার সংখ্যা বেশি রয়েছে এমন গ্রাম রয়েছে ১১টি। সেই সব গ্রামকে স্থানীয় ভাষায় ‘বিধবা গ্রাম’ বলে। সেই বিধবা গ্রামকে মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদনের পরই এবার দত্তক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। পঞ্চায়েত দপ্তরে যে ১৫-১৬টি ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি চলছে, তা সেখানেও করে চালু করে গ্রামগুলিকে সাজিয়ে তোলা হবে। ওই সব পরিবারের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি ও আর্থিকভাবে সাহায্য করা হবে।

পঞ্চায়েত মন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনে অনেককে বাঘে তুলে নিয়ে যায়। তাঁদের স্ত্রী-সন্তান রয়েছেন। মধু আনতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটে। আমরা ওই গ্রামগুলিকে উন্নত করব বলে ঠিক করেছি। সেখানকার বিধবা ও সন্তানদের সরকারি সাহায্য করা হবে। বিধবাদের ১০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হবে। মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাজ দেওয়া হবে। বাংলার আবাস যোজনায় তাঁদের বাড়ি তৈরি করে দেব। নারেগা প্রকল্পের অধীনে ১০০ দিনের কাজ দেব। প্রাথমিকভাবে দু-তিনটি গ্রামকে দত্তক নেব। আস্তে আস্তে সবক’টি গ্রামকেই সাজিয়ে দেব। সেই সঙ্গে বিধবা মহিলা ও তাঁর সন্তানকে কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বাঘের আক্রমণে বিধবা গ্রামের ১০ জন নিহতের স্ত্রীকে ১০ হাজার টাকা করে তুলে দেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী।

Source: The Statesman

45 cyclone shelters in the Sunderbans

The Bengal Government is constructing 45 cyclone shelters in the Sunderbans region of North 24 Parganas. These ‘multipurpose cyclone shelters’, as they are called, will protect people not only from cyclones but from all types of natural calamities like earthquakes, floods, etc.

After the competition of these, the district would be getting a total of 65 such shelters. Of the 20 being constructed in the first phase, the work for 19 is over.

These shelters are actually large houses but constructed on elevated platforms to protect from rising water levels.

The 45 would be constructed in the blocks of Hasnabad (five shelters), Hingalganj (nine shelters), Sandeshkhali-1 (12 shelters), Sandeshkhali-2 (15 shelters) and Minakha (four shelters). These five, and Haroa, comprise the Sundarbans region in North 24 Parganas.

Of these six, besides Haroa, the others lie in coastal areas, with the rivers Raimangal, Vidyadhari, Ichhamati, Dansa, Kulti and a few others flowing through them.


রাজ্য সুন্দরবন অঞ্চলে আরও ৪৫টি মাল্টিপারপাস সাইক্লোন সেন্টার করছে


সাইক্লোন, ভূমিকম্প, বন্যা সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময়ে দুর্গত মানুষদের আশ্রয় দিতে উত্তর ২৪ পরগনার সুন্দরবন অঞ্চলে আরও ৪৫টি নতুন ‘মাল্টিপারপাস সাইক্লোন সেন্টার’ তৈরি করছে রাজ্য সরকার।

এর আগে এই জেলাতেই এই ধরনের ২০টি সেন্টার তৈরি হয়েছে। ফলে, নতুন ৪৫টির কাজ শেষ হলে মোট ৬৫টি মাল্টিপারপাস সাইক্লোন সেন্টার হবে এই জেলায়। এর ফলে কয়েক হাজার মানুষ উপকৃত হবেন। ইতিমধ্যে প্রতিটি জায়গাতেই কাজ শুরু হয়েছে। এই সেন্টারগুলি জি-প্লাস-টু অর্থাৎ তিনতলা হবে।

চলতি আর্থিক বছরে যে ৪৫টি নতুন মাল্টিপারপাস সাইক্লোন সেন্টার তৈরি হচ্ছে, তার মধ্যে সন্দেশখালি-২নং ব্লকে ১৫টি, সন্দেশখালি-১নং ব্লকে ১২টি, হিঙ্গলগঞ্জে ন’টি, হাসনাবাদে পাঁচটি এবং মিনাখাঁয় চারটি তৈরি হচ্ছে। রাজ্য সরকারের বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা দপ্তর এই সেন্টার তৈরি করছে।

অপেক্ষাকৃত উঁচু জায়গায় এইসব সেন্টার তৈরি হচ্ছে। যাতে প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলেও সেখানে জল না জমে। প্রথম পর্যায়ের ২০টি সেন্টারের মধ্যে ১৯টির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। একটির কাজ আংশিক বাকি। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪৫টির কাজ যাতে দ্রুত হয়, সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের তরফে তদারকি করা হচ্ছে।

Source: Bartaman

Forest Dept count paints a bright picture of the state of tigers in Bengal

The Forest Department of the Bengal Government has painted a bright picture of the state of tigers: camera traps have photographed 84 adult tigers over the past several months across the 2,800 square kilometre (sq km) of the mangrove forests of the Sunderbans.
According to a senior official of the department, the camera trap technique is more reliable than the traditional methods of counting like scanning pug marks or looking for scats.

This number is eight more than that pegged by the 2014 Central Government-mandated study jointly conducted by National Tiger Conservation Authority (NTCA) and Wildlife Institute of India (WII).

The number is encouraging. If sub-adults and cubs are included, according to tiger experts, the number could be as high as 103. At least 50 of the tigers caught on the camera traps are likely to be males.

The all-weather camera traps with night vision, of which there are 120 pairs, had been set up across the Sunderbans. Several hundred photographs taken by the cameras were studied and the tigers identified by their stripes to arrive at the current number.


রাজ্যে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে, বলছে বন দপ্তরের সমীক্ষা

রাজ্যে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে। এমনটাই বলছে বনদপ্তরের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়। ২৮০০ বর্গ কিঃ মিঃ বিস্তৃত সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরন্যে ক্যামেরা ট্র্যাপ প্রযুক্তির মাধ্যমে গত কয়েক মাস ধরে সমীক্ষা চালিয়ে ধরা পড়েছে ৮৪টি বাঘ। কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৪ সালে সুন্দরবনে যে গণনা চালিয়েছিল, তার থেকে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে আটটি।

এক আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, চিরাচরিত মল পরীক্ষা বা পায়ের ছাপের মাধ্যমে সমীক্ষার তুলনায় এই ক্যামেরা ট্র্যাপ পদ্ধতি অনেকটাই আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত।

এই সংখ্যা খুবই আশাপ্রদ। অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুবাঘকেও গণনায় ধরা হলে মোট বাঘের সংখ্যা ১০৩ ছাড়িয়ে যাবে। ক্যামেরায় যতগুলো বাঘ ধরা পড়েছে তাদের মধ্যে অন্তত ৫০টি বাঘই পুরুষ।

সুন্দরবন জুড়ে ১২০ জোড়া নাইট-ভিশন, অল অয়েদার ক্যামেরা সেট করা হয়েছিল। ক্যামেরাগুলিতে যে কয়েক হাজার ছবি ধরা পড়েছে সেখানে বাঘের গায়ের ছোপ দেখেই এই সংখ্যা পাওয়া গেছে।

Source: The Telegraph

Bengal Govt to take help from marine scientists of Norway for growing hilsa

To improve the production of the ever-popular hilsa (ilish) in the state, the Bengal Government has decided to take help from marine scientists of Norway and experts specifically on hilsa.

For this, the government has signed a memorandum of understanding (MoU) with the Norwegian government. A delegation from the country has already visited the state.

Already, with the help of marine scientists of Jadavpur University, the government has started cultivation of the fish in five regions, comprising estuarine regions and regions in the Ganga basin.

As a result of these initiatives, not only would hilsa become more affordable, hilsa cultivators would also be able to earn a viable livelihood.


রাজ্যে ইলিশ মাছের ফলন বাড়াতে সাহায্য করবে নরওয়ে

বাংলায় ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে নরওয়ের বিজ্ঞানী ও ইলিশ বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিচ্ছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞানীদের সাহায্যে প্রাথমিক ভাবে সাগর মোহনায় এবং গঙ্গা নদীর অববাহিকায় ৫টি এলাকা চিহ্নিত করে, বিশেষ প্রকল্পে হাত দিয়েছে রাজ্য।

এ ব্যাপারে নরওয়ের সঙ্গে রাজ্যের মৌ স্বাক্ষরিত হয়েছে। তাদের একটি প্রতিনিধিদল ইতিমধ্যেই রাজ্যে ঘুরে গেছে, আবার আসবে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞানের গবেষকরাও রাজ্য সরকারের কথায় আগেই একটি রিপোর্ট দিয়েছিলেন।

সেপ্টেম্বরের পূর্ণিমার ৫দিন আগে থেকে অক্টোবরের পূর্ণিমার ৫দিন পর পর্যন্ত নদীতে ইলিশ মাছ ধরা একেবারেই নিষিদ্ধ করা হবে। এজন্য ইলিশ ধরার ওপর নির্ভরশীল মৎস্যজীবী পরিবারকে বিকল্প আয়ের ব্যপারে মৎস্য দপ্তর সহযোগিতা করবে।

মূলত যে পাঁচটি জায়গায় ইলিশ ধরা ওই সময়ে নিষিদ্ধ করা হবে, সেগুলি হল:

১. সুন্দরবনে ঠাকুরানী, মাতলা ও রায়মঙ্গল নদীর অববাহিকায় পাঁচ বর্গ কিলোমিটার
২. ফারাক্কা বাঁধ এলাকা
৩. ফারাক্কা থেকে লালবাগ পর্যন্ত এলাকা
৪. ডায়মন্ড হারবার থেকে নিসচিন্দপুর, গোদাখালি
৫. বলাগড়, হুগলী ঘাট থেকে কাটোয়া।

এই উদ্যোগের ফলে ইলিশ মাছ শুধু যে সুলভ হবে তা নয়, পাশাপাশি বাংলার মৎস্যজীবীদের সুদিনও আসবে।


Sunderbans farmers create seed bank – Bengal Govt pitches in with all possible help

The efforts of farmers in the Sundarbans region to bring back into reckoning varieties of rice of superior quality is bearing fruit, and the State Government’s Agriculture Department, realising the potential, is extending all manner of help.

The Agriculture Department, with the active encouragement of Chief Minister Mamata Banerjee, has been making a lot of efforts for reviving varieties of rice known for their taste or aroma or medicinal properties, which had almost become extinct due to pressure for commercially viable varieties. Proper marketing is enabling their fame to spread far and wide – both in India and around the world, be it in Europe, USA or the Gulf countries.

Now the farmers in the Sundarbans are taking personal initiatives to create a seed bank of these superior but almost-extinct varieties. Across the delta region, farmers are contributing to create the bank, and in the process, reviving the cultivation of these species. Most of these are hundreds of years old, and many are adapted for growing in soil types normally considered unsuitable for paddy.

The rule of building the seed bank is simple. Farmers need not pay to get the seeds. They get it for free. But what they have to do is, after cultivation is over, contribute one kilogram of rice grains back to the bank. Thus stocks keep getting replenished at little cost. Whatever the cost is, it is to do with the storage; the seeds are stored in clay containers – hnaris and kolshis.

The farmers have started selling the rice varieties online too, and as a result earnings are becoming viable to continue the cultivation of these species.

Among the varieties of rice being cultivated and stored in the seed bank are kalomota, sadamota, kumargarh, gopalbhog, nico, hogla, dheus, hamai, patnai, dudheswar, raniakanda, chamarmani, khara, kalabhat (black rice), talmugur, orashal, nonakshitish, uri, swarshal, lilabati, begunbichi, mohanbhog, badshahbhog, kabirajshal, bohurupi, kanakchur, and hundreds of others. A few are a slightly known, most are unknown, but one thing is common to them – their value, be it in terms of taste or aroma or quality or ease of cooking or medicinal value.

A few examples are being given here. Kalabhat or black rice is known for its taste and ease of cooking, kabirajshal is prescribed by ayurvedic doctors (or kabiraj) for getting back health after a long illness, bohurupi is rich in the mineral, iron, kanakshur is famous for being the main ingredient of Joynagarer moa (which recently got a geographical indication (GI) tag) while hamai and dheus are well-known for being able to be made into tasty muri (puffed rice, a staple of Bengalis).


হারানো ধান ফিরিয়ে সুন্দরবনের দ্বীপে সবুজ বিপ্লব

সুন্দরবনের মাটিতে কার্যত অসাধ্য সাধন করলেন স্থানীয় চাষীরা। নিঃশব্দে ঘটিয়ে ফেললেন আরও একটি ‘সবুজ বিপ্লব। কালের নিয়মে এ বাংলা থেকে হারিয়ে গিয়েছে বহু প্রজাতির ধান। বহু বছর আগে হারিয়ে যাওয়া ধানের বীজ সংগ্রহ করে ফের ফসল ফলিয়েছেন সুন্দরবনের চাষীরা। শুধু তাই নয়, কালোমোটা, সাদামোটা, কুমারগড়, গোপালভোগ, নিকো, হোগলার মতো বাংলার চিরাচরিত ধানের বীজ সংরক্ষণে ‘বীজ ব্যাঙ্ক-ও গড়ে তুলেছেন তাঁরা। চাষীদের এই উদ্যোগের তারিফ করেছে রাজ্য কৃষি দপ্তর।

বাঙালির প্রধান খাদ্য ভাত। তাই এ বঙ্গে যে হরেক প্রজাতির ধান চাষ হবে, তাতে আর আশ্চর্যের কি আছে! কিন্তু, ঘটনা হল, কনকচূড়া, কালাভাত, চামড়মণির মতো অনেক প্রকারের ধান হারিয়েও গিয়েছে। দীর্ঘদিনের চেষ্টায় বীজ সংগ্রহ করে সুন্দরবনে এমনই হারিয়ে যাওয়া ধানের চাষ শুরু করেছেন চাষীরা। সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন ‘বীজ ব্যাঙ্ক’। এই বীজ ব্যাঙ্কে মিলবে হোগলা, ঢেউস, হামাই, পাটনাই, দুধেশ্বর, রানিআকন্দ, চামড়মনি, খাড়ার মতো নাম না জানা হরেক প্রকারের দেশি ধানের বীজ। মাটির হাঁড়ি, কলসিতে বিশেষ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হচ্ছে বীজ।

সুন্দরবনের গোসাবা, দুলদুলি, হিঙ্গলগঞ্জ এলাকার কৃষকরা জানিয়েছেন, একসময় দুর্বলতা কাটাতে রোগীদের বিশেষ এক ধরনের চালের ভাত খাওয়ার পরামর্শ দিতেন কবিরাজরা। ওই ধানের প্রচুর পরিমাণ আয়রন ও ফাইবার থাকার কারণে, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতেন রোগীরা। এই চালটি কবিরাজশাল নামে পরিচিত ছিল। আবার জয়নগরের মোয়া তৈরির উপকরণ হিসেবে বিখ্যাত ছিল কনকচূড় ধান। কালাভাত ধান ক্যানসার প্রতিরোধক। বিদেশে এই প্রকারের চালের যথেষ্ট চাহিদা আছে। কিন্ত, এ রাজ্যে এখন আর সেভাবে চাষ হয় না। এরকমই নানা প্রকারের ধানের চাষ হচ্ছে সুন্দরবনে।

একসময়ে সুন্দরবনে বিভিন্ন প্রকারের দেশি ধানের চাষ হত। সাগরের নোনাজলেও সেইসব ধানের কোনও ক্ষতি হত না। উঁচু-নিচু যেকোনও জমিতে চাষও করা যেত। কিন্তু, পরবর্তীকালে বেশি লাভের আশায় উচ্চফলনশীল হাইব্রিডের ধান চাষের রেওয়াজ চালু হয়। কিন্তু, চাষের মাত্রারিক্ত খরচ ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ধাক্কা সামনে সেভাবে লাভের মুখে দেখতে পাচ্ছেন না চাষীরা। তাই বাংলার চিরাচরিত ধান চাষের দিকে ঝুঁকেছেন তাঁরা।

বস্তুত, চাষের খরচ কমাতে নিজেরাই ‘বীজ ব্যাঙ্ক’ তৈরি করেছে ফেলেছেন। চুক্তি মোতাবেক, এক বিঘা জমি চাষের জন্য কোনও কৃষক যদি বীজ ব্যাঙ্ক থেকে তিন কেজি বীজ নেন, তা হলে ফসল ওঠার পর তাঁকে ওই বীজ ব্যাঙ্কে এক কেজি বেশি অর্থাৎ চার কেজি বীজ ফেরত দিতে হবে। এভাবেই সংগৃহীত বীজের পরিমাণ বাড়ছে।

Source: Sangbad Pratidin

World-class tourism facilities in the Sundarbans

The Bengal Government is planning to convert the Sundarbans into a tourism centre of international standards. The UNESCO World Heritage Site is one of the most popular tourist spots in India, and draws many international tourists too.

The North 24 Parganas district administration has already submitted a master plan to the State Tourism Department. Based on this, a detailed project report (DPR) is being prepared by the department.

According to the master plan, river cruises will be available to crisscross the mangrove forest, through the jungle-shrouded rivers and streams. The cruises will be organised on houseboats, where tourists can stay for a few days. There will be houseboat terminals at various points where the vessels can be hired. Seaplanes can be boarded to get beautiful bird’s-eye views of the delta region.

A Tiger Reserve Circuit will be set up. Hanging bridges, connected to trees, will be constructed in forested areas to view tigers and other animals from a safe distance. Migratory and other birds can be watched from birds watch towers.

Environment-friendly resorts and restaurants will be set up along the coasts. There will be no concrete constructions – only wood-and-thatch houses, one or two storey high. Mostly, solar energy would be used. Home stay facilities would also be set up at various locations.

All outdoor lights will be solar-powered. For leisure rides on the beaches, battery-run four-wheelers would be available. Other facilities being planned for tourists include aquamarine parks, swimming pools, floating markets and theatres.


বিদেশের ধাঁচে পর্যটন কেন্দ্র হচ্ছে সুন্দরবনে

ইউনেসকোর হেরিটেজ সাইট তকমা পাওয়া সুন্দরবনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশবান্ধব পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে প্রশাসন।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইচ্ছানুসারে এজন্য বন্যপ্রাণ, ঐতিহ্যপূর্ণ বাদাবনকে সুরক্ষাবলয়ের মধ্যে রেখে তার বাইরের দ্বীপাঞ্চল, সমুদ্র সৈকতকে সাজিয়ে পর্যটনের সেরা ঠিকানা করতে চাইছে সরকার, যাতে দেশ ও বিদেশের পর্যটকরা বেশি সংখ্যায় সুন্দরবনে আসতে পারেন। পর্যটকদের থাকা, খাওয়া ও আমোদ-প্রমোদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের পরিকাঠামো তৈরির বিষয়টি পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে।

পরিকল্পনার অঙ্গ হিসেবে জঙ্গলের মধ্যে নদীর বুক চিরে বেড়ানোর জন্য থাকবে অত্যাধুনিক হাউসবোট, রিভার ক্রুজ। যার কোনও শব্দ হবে না। ওই হাউসবোটে রাত্রিবাস করা যাবে। পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন জায়গায় পরিবেশবান্ধব হাউসবোট টার্মিনাল করার কথা ভাবা হয়েছে। আকাশপথে সমুদ্র সৈকত দেখার জন্য সিপ্লেন আনার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার দেখানোর জন্য টাইগার রিজার্ভ সাফারি সার্কিট তৈরি করা হবে।

পাশাপাশি হেঁটে জঙ্গলের অনেকটা গভীরে যাওয়ার জন্য গাছের মাথার উপর দিয়ে ঝুলন্ত সাঁকো তৈরি করা হবে। দেশী ও পরিযায়ী পাখি দেখার জন্য তৈরি হবে বার্ড ওয়াচ টাওয়ার। সমুদ্র সৈকতগুলিতে থাকা ও খাওয়ার জন্য পরিবেশবান্ধব অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধাসম্পন্ন রিসর্ট ও রেস্তরাঁ হবে।

তবে কোথাও কংক্রিটের কোনও নির্মাণ হবে না। সব জায়গায় কাঠ, খড় দিয়ে একতলা ও দোতলা ঘর তৈরি হবে। অধিকাংশ জায়গাতেই জ্বালানো হবে সৌরবাতি। সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের ঘোরার জন্য ব্যাটারিচালিত চার চাকার গাড়ি চালানো হবে। যাতে কোনও দূষণ না হয়।

পর্যটকদের বিনোদনের জন্য আলাদা করে অ্যাকোয়া মেরিন পার্ক, সুইমিং পুল, ভ্রাম্যমাণ বাজার, থিয়েটার থাকবে। বেশ কয়েকটি জায়গায় হোম স্টে তৈরি করা হবে।

Source: Bartaman