Bengal Govt to provide year-round training to farmers

The State Agriculture Department has initiated steps to ensure round-the-year training programmes for farmers at Mati Tirtha, located in the district of Purba Bardhaman.

The requirement for year-round training was felt to ensure that farmers keep getting regular updates on agricultural activities, including on the latest techniques, and are able to implement the same.

A team of senior officials from the Agriculture Department had visited Mati Tirtha on June 13 and prepared a detailed report on the sort of infrastructure required for round-the-year training of farmers.

Mati Tirtha is the permanent venue of Mati Utsav that takes place in January every year where, among other activities, Chief Minister Mamata Banerjee felicitates successful farmers from different parts of the State.

Source: Millennium Post

Bengal Govt to train SHGs for paddy procurement

The State Self-Help and Self-Employment Department has decided to involve rural women through self-help groups (SHG) in the procurement of paddy from farmers. To make it fast and error-free, the Government would provide them with tabs. The training would begin from June and July, in stages.

Already, almost 4,500 SHGs are involved in procuring paddy. For this work, the SHGs will be getting Rs 31 per quintal. Rice mill owners will be responsible for collecting the paddy and transporting them on lorries to their mills for the rice to be extracted, as they do now. The Food and Supplies Department is paying the cost of transportation.

Besides empowering, involving village women has another advantage. Since SHG members from a village would go to farmers from the same village to buy their paddy, prior acquaintance will help them to convince the farmers to sell to the State Government. Thus the Government’s stocks will be kept up to the mark.


ধান সংগ্রহে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের প্রশিক্ষণ দেবে রাজ্য

চাষিদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের জন্য রাজ্য সরকার এখন অনেকটাই নির্ভর করছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির উপর। এই কাজ করার জন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে খাদ্য দপ্তর। আগামী জুন-জুলাই মাস থেকে এই প্রশিক্ষণ পর্ব শুরু হবে। মহিলাদের যাতে বেশি দূর না যেতে হয়, তার জন্য স্থানীয় বিডিও অফিসে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে খাদ্যমন্ত্রী বলেন।

ধান সংগ্রহের কাজ করার জন্য গোষ্ঠগুলিকে ‘ট্যাব’ দিয়েছে দপ্তর। ট্যাব কীভাবে চালাতে হয় তা শেখানো ছাড়াও ধান সংগ্রহ করার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে চার হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠী ধান সংগ্রহ শুরু করেছে।
স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের আরও বেশি করে ধান সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে চাইছে দপ্তর। এতে প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও ভালো পরিমাণ সংগ্রহ হবে বলে আশা করছেন অধিকর্তারা। গ্রামের মধ্যে থেকে চাষির দোরগোড়ায় গিয়ে ধান কিনছে গোষ্ঠীগুলি। গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির মহিলারা ভালো করে জানেন কোন চাষির ঘরে ধান আছে। ওই চাষিদের কাছে গিয়ে তাঁরা সরকারের কাছে ধান বিক্রি করার অনুরোধও করছেন।

ধান কেনার জন্য গোষ্ঠীগুলি কুইন্টাল পিছু প্রায় ৩১ টাকা কমিশন পাচ্ছে। তারা শুধু ধান কিনে ট্যাবের মাধ্যমে তার হিসেব পেশ করে একজায়গায় কেনা ধান জড়ো করে রাখছে। ওই ধান লরিতে বোঝাই করে নিয়ে চলে যাওয়া হচ্ছে রাইস মিলে ভাঙানোর জন্য। রাইস মিল কর্তৃপক্ষই এই কাজ করছে। ধান নিয়ে যাওয়ার পরিবহণ খরচ তাদের দিচ্ছে খাদ্য দপ্তর।

Successful ‘Sukanyas’ to be felicitated today

After the successful completion of the first two batches of the project, Sukanya that was taken up to provide self-defence training to schoolgirls, the Bidhannagar, Barrackpore and Howrah Police

Commissionerates have now taken steps to start the third batch.
Participants of all the three commissionerates will be felicitated at a programme to be held at Howrah Sarat Sadan on March 28. They will be given certificates.

It may be mentioned that the Sukanya project for all these three commissionerates was launched in July 2017. The project was introduced in the three commissionerates after it became immensely successful in Kolkata.

It is one of the dream projects of Chief Minister Mamata Banerjee and the initiative has provided an international platform to the girls who underwent self-defence training. Six girls had participated in the Kickboxing World Cup in 2016 held in Russia and won five gold medals, two silvers and two bronzes.

In the first phase, girl students of 26 schools in the jurisdiction of the three police commissionerates underwent training and they will be performing at the March 28.



কৃতী সুকন্যাদের সংবর্ধিত করা হবে আজ


মেয়েদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ দিতে শহরের কিছু স্কুলগুলিকে নিয়ে কলকাতা পুলিশ চালু করেছিল ‘সুকন্যা’ প্রকল্প। সেই প্রকল্পের সাফল্যের পর ২০১৭ সালে বিধাননগর, ব্যারাকপুর এবং হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত ২৬টি স্কুলে শুরু করা হয় এই প্রকল্প।

এই প্রকল্পের প্রথম দুই ব্যাচের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। তৃতীয় ব্যাচের প্রশিক্ষণ শুরু হবে শীঘ্রই। আজ হাওড়ার শরৎ সদনে এই কৃতী সুকন্যাদের সংবর্ধিত করা হবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ৬ জন সুকন্যা রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত কিক-বক্সিং বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে। এই প্রতিযোগিতায় তারা পাঁচটি সোনার পদক, দুটি রুপোর পদক, দুটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিল।

Source: Millennium Post

Jhargram youths being trained in hospitality management

The Self-Help Group and Self- Employment Department has prepared a programme as part of the Muktidhara Scheme to provide training to unemployed youth in hospitality management.

The implementation of the programme has been started by the district administration of Jhargram. Different organisations will be providing the training. The first batch of 28 youths is being trained in Gopiballavpur-II block. More unemployed youths will be given training in the future.

A senior State Government official said the trainees will be given both practical and theoretical training for a period of one month, and the entire cost will be borne by the government.

The youths are being given training on the preparation of various dishes, table decoration and how to behave with the clients. According to the State Government official, the trainees are showing great interest in the preparation of dishes.

With respect to Jhargram district, once infamous for Maoist activities, it is now a model of development. Chief Minister Mamata Banerjee carved Jhargram into a new district to fast-track development, and the results are for all to see now.

The district has also become a major tourist hub of Bengal. Hence, the hospitality management training by the State Government would be of great help.


হোটেল ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণ পাচ্ছে ঝাড়গ্রামের যুবারা

স্থানীয় বেকার যুবাদের হোটেল ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসন। মুক্তিধারা প্রকল্পের অধীনে স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি দপ্তর এই কর্মসূচীর ব্যবস্থা করেছে।

প্রথম ব্যাচে ২৮ জন যুবাকে গোপীবল্লভপুর ব্লক-২ তে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ট্রেনিদের থিওরি এবং প্র্যাক্টিকাল উভয় ক্ষেত্রেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই প্রশিক্ষণের সময়সীমা ১ মাস এবং এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। শেখানো হবে নানা ধরনের রান্না। পাশাপাশি টেবিল সাজানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে সুব্যবহারের খুঁটিনাটিও শেখানো হবে।

ঝাড়গ্রাম খুব দ্রুততার সাথে একটি পর্যটন হাবে পরিণত হচ্ছে। ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ি পেয়েছে নতুন রূপ। জেলা প্রশাসন জোর দিচ্ছে হোম-স্টেতে। এখানে পর্যটনে বিপুল সম্ভাবনা আছে। তাই, প্রশিক্ষিত যুবাদের জেলার বিভিন্ন হোটেলেই কর্মসংস্থান হবে।

Source: Millennium Post

Kanyashree: A revolutionary welfare scheme for girl children

Since coming to power in 2011, Chief Minister Mamata Banerjee has been striving to bring about real change in the lives of women, among other things. For this, the Trinamool Congress Government has brought about numerous schemes and strengthened the policing system.

The foremost among the schemes is undoubtedly Kanyashree, a highly innovative approach to secure the life of the girl child, something for which the government has received numerous international accolades including the United Nations Public Service Award last June.

Kanyashree Scheme:

  • It was started on October 1, 2013 with the inspiration of the Chief Minister to put an end to child marriages in the state.
  • More than 40 lakh girls from about 15,500 institutions – schools, madrasahs, colleges, universities including open universities, vocational training schools, and even sports training centres – have benefitted till now.
  • More than 5,000 girls have been provided training in self-defence.
  • In North 24 Parganas district, a special educational and self-awareness programme called Kanyashree Dishari (meaning ‘Kanyashree path-finders’) has been started, involving Kanyashree Scheme beneficiaries.
  • Many Kanyashree beneficiaries are being given training for getting scholarships and for skill development.

Awards won

  • Women’s Empowerment Award from the Bengal Government, 2014,
  • Manthan Award for Digital Inclusion for Development (South Asia and Asia Pacific), 2014-15,
  • SKOCH Winner Award for Smart Governance and Award of Merit, 2015,
  • CSI Nihilent Award for E-Governance, 2014-15,
  • United Nations WSIS Award 2016 in the category of ‘E-Government’ (WSIS Action Line C-7),
  • Finalist in the 2016 GEM-TECH Awards, instituted by ITU and UN Women,
  • United National Public Service Award, 2017


কন্যাশ্রী – নারী ক্ষমতায়নে এক যুগান্তকারী প্রকল্প

২০১১ সালে ক্ষমতায় আসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধীনে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার রাজ্যের শাসনভার গ্রহণ করে। তারপর থেকে প্রতি ক্ষেত্রে বাংলা এগিয়ে চলেছে উল্লেখযোগ্য ভাবে।
নারী ও শিশুদের ওপর অবহেলা, অপরাধ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে যেখানে বেড়েই চলেছে, সেখানে এ রাজ্যে সরকার নারী ও শিশুদের উন্নয়নে নিয়ে অসাধারন প্রকল্প সমুহ। এই প্রকল্পগুলির অসাধারন সাফল্যও মাত্র এই ছ’বছরেই দেখা গেছে।

কন্যাশ্রী প্রকল্প:

  • মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় ২০১৩ সালের ১লা অক্টোবর এই প্রকল্প চালু হয়। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য বাল্যবিবাহ রোধ করা
  • রাজ্যের প্রতি অঞ্চলের প্রায় ১৫,৫০০ প্রতিষ্ঠান – প্রথা বহির্ভূত বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, কলেজ, মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ব বিদ্যালয় বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, শিল্প প্রশিক্ষণ, এমনকি ক্রীড়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রায় ৪০লক্ষ কিশোরীকে এই প্রকল্পের অধীনে আনা হয়েছে।
  • ৫০০০-এরও বেশী মেয়েকে আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
  • ‘কন্যাশ্রী দিশারি’ নামে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় কন্যাশ্রী প্রকল্পভুক্ত মেয়েদের একটি বিশেষ শিক্ষামূলক এবং সচেতনতামূলক প্রচার কর্মসূচী চালু করা হয়েছে।
  • বহু সংখ্যক কন্যাশ্রী প্রকল্পভুক্ত মেয়েকে বৃত্তিমূলক এবং অন্যান্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

আজ পর্যন্ত কন্যাশ্রী প্রকল্পটি যে যে পুরস্কার অর্জন করেছে:

  • নারী ক্ষমতায়নের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর কর্তৃক প্রদত্ত পুরস্কার, ২০১৪
  • ই-উইমেন অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্টের বিভাগে মন্থন অ্যাওয়ার্ড ফর ডিজিটাল ইনক্লুসন ফর ডেভেলপমেন্ট (সাউথ এশিয়া অ্যান্ড এশিয়া প্যাসিফিক) ২০১৪
  • ভারত সরকারের প্রশাসনিক সংস্কার এবং জন-অভিযোগ দপ্তর কর্তৃক প্রদত্ত জাতীয় ই-গভর্ন্যান্স পুরস্কার ২০১৪-১৫
  • স্মার্ট গভর্ন্যান্সের জন্য স্কচ উইনার অ্যাওয়ার্ড এবং অ্যাওয়ার্ড অফ মেরিট ২০১৫
  • ই-গভর্ন্যান্সের জন্য সিএসআই নিহিলেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০১৪-১৫
  • ই-গভর্মেন্ট ক্যাটেগরিতে ইউনাইটেড নেশনস ডব্লিউএসআইএস পুরস্কার ২০১৬ চ্যাম্পিয়ন (ডব্লিউএসআইএস অ্যাকশন লাইন সি-৭)
  • ইউএনডব্লিউএমইএন অ্যান্ড আইটি ইউ প্রদত্ত ফাইনালিস্ট ইন জেমটেক (GEM Tech) পুরস্কার ২০১৬

Consumer Clubs in schools spreading awareness

Creating awareness about consumers’ rights is the most effective way to reduce cases of people getting cheated; to make people aware at an early age is the best possible way to go about it.

With this is mind, this year, the State Consumer Affairs Department has opened Consumer Clubs in schools across Bengal. These clubs comprise students and are headed by the headmaster or assistant headmaster of the school.

During the financial year 2017-18, the department is providing assistance to 840 schools across the state, up from 400 during the last fiscal. This fiscal, the amount of financial assistance to each Consumer Club has also been doubled.

These clubs in schools provide another advantage too. The students are encouraged to discuss their activities in their homes, and thus, their parents also become aware about these rights.

The Consumer Affairs Department, during the rule of the Chief Minister Mamata Banerjee-led Trinamool Congress Government, has been very active in spreading awareness, running regular campaigns on television and radio as well as outdoors on various aspects of consumer rights. It ran campaigns on huge screens and posters at the popular Durga Puja pandals too.


রাজ্যের স্কুলগুলিতে সচেতনতা বাড়াচ্ছে ক্রেতা সুরক্ষা ক্লাব

গ্রাহক প্রতারণা আটকাতে সচেতনতা বৃদ্ধিই প্রধান অস্ত্র। আর একদম অল্প বয়সেই যদি সচেতন হওয়া যায় তাহলে তো কথাই নেই।

এই চিন্তাকে মাথায় রেখে এই বছর রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর রাজ্যজুড়ে স্কুলে স্কুলে ক্রেতা সুরক্ষা ক্লাব খুলছে। স্কুলের পড়ুয়াদের নিয়ে তৈরী এই ক্লাবগুলির নেতৃত্ব দেবেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক অথবা উপপ্রধান।

২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে এই দপ্তর সারা রাজ্যে ৮৪০ টি স্কুলকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে; গত আর্থিক বছরে এই সংখ্যাটি ছিল ৪০০। রাজ্যের তরফে এবছর ক্লাবগুলিকে প্রদত্ত অর্থনৈতিক সহায়তাও দ্বিগুন করা হয়েছে।

এই ক্লাবগুলিতে কচিকাচারা যে সচেতনতা লাভ করবে তা বাড়িতে মা-বাবা এবং আত্মীয়দের সাথেও ভাগ করে নিতে পারবে তারা।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার গ্রাহক সচেতনতা বৃদ্ধির ব্যপারে প্রথম থেকেই খুব তৎপর। প্রতিনিয়ত সচেতনতা অভিযান চালানো হয় রাজ্যের তরফে। টিভি ও রেডিওতে প্রচার, রাস্তায় বড় বড় হোর্ডিং – সবই এই অভিযানের অঙ্গ। দুর্গাপুজো প্যান্ডেলগুলিতেও সচেতনতামূলক প্রচার করা হয়।

Source: Millennium Post


Correctional home inmates in Bengal getting trained to become self-reliant

The inmates of three correctional homes in Bengal are being trained in the making of jute bags.

Twenty-five inmates – 15 from Dum Dum Central Correctional Home and five each from Berhampore and Jalpaiguri Central Correctional Homes – are being trained by the correctional home authorities in collaboration with the National Jute Board and a non-governmental organisation (NGO).

The inmates are trained from 11 am to 4 pm. The products they make have found a good response from buyers at the jail depots and at various fairs they are sold in.

The correctional homes of Bengal, under the guidance of the Mamata Banerjee-led Trinamool Congress Government، are running long-term programmes to train their inmates in various activities – making puffed rice (muri) and phenyl, stitching (for female inmates), wood carving, making uniforms, etc. A hundred and fifty inmates, covering all the correctional homes in the State, are getting the benefits of training.

The number of training programmes and activities, and the number of inmates being involved are being gradually increased.

These activities encourage the inmates to keep their minds away from negative thoughts and also form the basis for a crime-free life after coming out of jails.


সংশোধনাগারের বন্দিদের  স্বাবলম্বী করতে উদ্যোগী হল কারা দপ্তর

দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের আবাসিকদের স্বাবলম্বী করতে উদ্যোগী হল ন্যাশনাল জুট বোর্ড ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

এই দুই সংস্থার যৌথ উদ্যোগে দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের বন্দিদের পাটের ব্যাগ তৈরীর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তাদের তৈরী জিনিসপত্রের বাজারে ভালো চাহিদা রয়েছে ।

৪ মাস ধরে রাজ্যের তিনটি সংশোধনাগারের ২৫ জন আবাসিককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে ১৫ জন দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের আবাসিক, ৫ জন বহরমপুর ও ৫ জন জলপাইগুড়ির সংশোধনাগারে আবাসিক রয়েছে।

সকাল ১১ টা থেকে ৪ টে অবধি আবাসিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তাদের তৈরী সামগ্ৰী জেল ডিপোতে বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন মেলায় তাদের তৈরী জিনিসের স্টল দেওয়া হয়েছে ফলে ভালো সাড়া মিলেছে।

সংশোধনাগারের আবাসিকদের ক্রিকেট ও ফুটবল দল  রয়েছে।  তারা থিয়েটারে অভিনয়ও করছে। আবাসিকদের মুড়ি ও ফিনাইল তৈরীর প্রশিক্ষণ দেওয়াহচ্ছে। মহিলা বন্দিদের সেলাইয়ের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বন্দিদশা কাটিয়ে তারা যাতে সমাজে সুস্থ ভাবে ফিরে যেতে পারে , সেই জন্যই এই প্রয়াস।

মেদিনীপুর  সংশোধনাগারের কিছু পুরুষ বন্দিকে কাঠের কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অনেক আবার ইউনিফর্ম  তৈরী করছে। এইরকম প্রায় ১৫০ জন সংশোধনাগারের আবাসিককে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হছে ।

এই ধরনের কাজ তাদের আরও উৎসাহ দিচ্ছে এবং তাদের মন থেকে অপরাধপ্রবণতা মুছে দেওয়ার সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে।