Economy of Bangla has improved despite huge debt burden

Placing hard facts before the Assembly, the State Finance and Industry Minister, Dr Amit Mitra highlighted the improvement in the last seven years in Bangla with regards to the economic and financial parameters. He was answering a question put to the government by an opposition MLA.

With Chief Minister Mamata Banerjee as the driving force, the Trinamool Congress Government has increased the revenue through fiscal discipline and e-governance.

And this increase has occurred, as the minister rightly pointed out, despite the huge burden left behind by the Left Front regime because of the huge loan taken. For the repayment of the Rs 1,91,835 crore loan, the State had to borrow Rs 1,53,741 crore, taking the total loan to Rs 3,45, 577 crore. The State Government has a debt repayment burden of Rs 47,000 crore in the current fiscal.

The debt to GSDP (gross state domestic product) ratio has gone down by almost 5 per cent in seven years from 2010-11 to 2017-18, from 40.65 per cent to 35.63 per cent. The revenue deficit to GSDP ratio has also dropped during the same period, from 3.75 per cent to 0.96 per cent while the fiscal deficit has halved, from 4.24 per cent to 2.83 per cent.

Putting out other crucial statistics, Dr Mitra asserted that the planned expenditure has grown over five-fold, from Rs 11,837 crore in 2011-12 to 56,604 crore in 2017-18, and the capital expenditure has grown over eight-fold, from Rs 2,225 crore to 19,368 crore.

Source: Millennium Post

Rs 25,000 crore export dues still pending: Amit Mitra

GST refunds to the tune of Rs 25,000 crore are still pending for exporters, the West Bengal Finance Minister, Dr Amit Mitra, has said.

Nearly 3,00,000 refund applications have been received since the roll-out of the GST regime on July 1. Around 35-40 per cent of these applications have to be physically verified since the GST Network (or GSTN) is not in place, Dr Mitra alleged.

Auto verification would have ensured faster clearance of documents and quicker refunds.

“GSTN is still not in place and delay in auto verification of documents has delayed refunds for exporters,” the Finance Minister said during a press conference organised by WBIDC in Kolkata on Monday.

Dr Mitra pointed out that physical verification of documents are now being done by officials and this can give rise to a set of “inspector-raaj”.

“We will take up the matter with the GST council. Moreover, I have been saying this for quite some time that GSTN is not at all ready. And the result is this Rs 25,000 crore export dues,” he said.


Distribution of forms for Ruposhree scheme begins

The distribution of forms for Bengal Government’s Ruposhree Scheme started on March 28, 2018. Under the scheme, families whose annual income is Rs 1.5 lakh or less would receive financial assistance of Rs 25,000 from the State Government for the wedding of their daughters. Close to six lakh poor families will benefit from the scheme.

This is an idea conceived by Chief Minister Mamata Banerjee and was announced by the Finance Minister, Dr Amit Mitra, during the presentation of the State Budget.

The Trinamool Congress Government had started the Kanyashree Scheme in Bengal, another brainchild of Mamata Banerjee, in 2011 to enable girls to complete their education. This was later extended to the university level. The scheme has been a huge success and has been awarded by as high an international organisation as the United Nations.

Now, the Government has decided to help facilitate the marriage of poor girls too. Rs 1,500 crore has been allocated for the project.

Given below are the important details for availing the scheme:


  • Residents of Bengal
  • Annual income of bride’s family has to be Rs 1.5 lakh or less
  • The minimum age of the bride has to be 18 years, and of the groom, 21 years
  • Beneficiaries of Kanyashree can apply for Rupashree too


Availability of form

The form for the Ruposhree Scheme would be available at the offices of block development officers (BDO), sub-divisional magistrates (SDM) and commissioners of municipal corporations.According to government sources, later on, forms would be available online too.

  • Documents to be submitted along with the form
  • Photocopy of birth certificate
  • Details of the groom
  • Wedding card or any other proof of the wedding to be held
  • A signed undertaking saying that the bride is marrying of her own will
  • Electoral Photo Identity Card (EPIC), that is, Voter’s Card
  • Details of the bride’s bank account


How to obtain the grant

After all the documents along with the form are submitted, State Government officials will scrutinise them. If everything is found in order, Rs 25,000 would be deposited in the account of the bride.



রুপশ্রী প্রকল্পের জন্য এবার আবেদন করা যাবে

শুরু হল রূপশ্রী প্রকল্পের ফর্ম বিতরণ। যে সব পরিবারের বার্ষিক আয় ১.৫ লক্ষ টাকা বা তার কম, এমন পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক তরুণীরা বিয়ে করলে এই প্রকল্পের অধীনে এককালীন ২৫ হাজার টাকা করে পাবেন। আর পাত্রের ন্যুনতম বয়স হতে হবে ২১ বছর।

২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের রাজ্য বাজেট পেশ করার সময় মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের এই প্রকল্প ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে রাজ্যে নারীকল্যানের জন্য তৎপর হয় রাজ্য সরকার। ২০১৩ সালে কন্যাশ্রী প্রকল্প চালু করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাল্যবিবাহ রুখতে ও কন্যা সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে বিশেষ সহায়ক হয়েছে এই প্রকল্প। সাফল্যের নিরিখে বিশ্বের দরবারে স্বীকৃতিও পেয়েছে কন্যাশ্রী। এবার দুঃস্থ পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে প্রত্যক্ষ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের জন্য ১৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার।

রূপশ্রী প্রকল্পের অধীনে বিয়ের দিন ঠিক হওয়ার পর ফর্ম পূরণ করতে হবে পাত্রীকে। সেই ফর্ম যাচাই করে বিয়ের ৫ দিন আগে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে প্রাপ্য টাকা।এই প্রকল্পের জন্য আবেদনের ফর্ম মিলবে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে। যেমন,

১. বিডিও অফিস
২. মহকুমা শাসকের দফতর
৩. পুর নিগমের কমিশনারের দফতর রূপশ্রী প্রকল্পের ফর্মের সঙ্গে জমা দিতে হবে বেশ কিছু নথি।
১. জন্ম প্রমাণপত্র বা বার্থ সার্টিফিকেটের প্রত্যয়িত প্রতিলিপি।
২. জমা দিতে হবে পাত্রের বিস্তারিত তথ্য
৩. বিয়ের কার্ড বা অন্য কোনও প্রমাণ
৪. আবেদনকারী স্বেচ্ছায় বিয়ে করছেন বলে স্বীকারোক্তি দিতে হবে
৫. ভোটার আইডি কার্ড ও আধার কার্ড
৬. ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত

আবেদনপত্র ভর্তি করে ও সঙ্গে সমস্ত নথিসহ আবেদনপত্র জমা দিলে তা খতিয়ে দেখবেন সরকারি আধিকারিক। সব তথ্য নির্ভুল হলে বিয়ের ঠিক ৫ দিন আগে পাত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে টাকা।আপাতত শুধুমাত্র সরকারি অফিসে ফর্ম মিললেও কিছুদিনের মধ্যে অনলাইনেও মিলবে রূপশ্রী প্রকল্পের ফর্ম।

Source: Zee News

‘Synergy’ meet organised to boost MSMEs in Hills

On the heels of the two-day long Hill Business Summit, a “Synergy” meet was organised in Darjeeling by the Micro Small and Medium Enterprises (MSME) department in collaboration with the Confederation of Indian Industries (CII).

Proposals amounting to a sum of around Rs 9 crore have been submitted by different enterprisers in the micro and small sector.

“Synergy”, a one stop destination provides logistical support to MSMEs by providing single point contact; scheme procedures; schemes for startups; upgradation of existing old industries; know how on formation of industrial cooperatives and market access.

Stalls were put up by different departments under the State Government and the Gorkhaland Territorial Administration including MSME, Land, Labour, Power, Fire and Emergency Services, Finance, Tourism, Horticulture. Around 200 entrepreneurs visited.


পাহাড়ে অনুষ্ঠিত হল ‘সিনার্জি’ বৈঠক

দার্জিলিং পাহাড়ে উত্পাদিত চকোলেট, নুডলস, ঝাড়ু সহ অন্যান্য সামগ্রী বিশ্ব বাংলা স্টলের পাশাপাশি বিভিন্ন শপিংমলের বিপণনকেন্দ্রে রেখে বিক্রিতে রাজ্য সরকার ব্যবস্থা নেবে। এরই সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ পেতে যে সমস্ত সমস্যা তৈরি হচ্ছে সেগুলিরও দ্রুত সমাধান করা হবে বলে জানিয়েছেন ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প বিভাগের ডিরেক্টর।

দার্জিলিঙে স্থানীয় উদ্যোগপতিদের নিয়ে ‘সিনার্জি’ নামে আলোচনা সভায় তিনি জানান, পাহাড়ের ছোটো উদ্যোগপতিদের তৈরি জিনিসপত্র বিক্রিতে ‘এক জানালা’ ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা চলছে। এই বৈঠকে ৯ কোটি টাকার লগ্নি প্রস্তাব এসেছে।

ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের জন্য ‘এক জানালা’ ব্যবস্থার মাধ্যমে সব পরিষেবা প্রদানই হল সিনার্জি বৈঠকের লক্ষ্য। বিভিন্ন প্রকল্পের প্রক্রিয়া সম্বন্ধে তথ্য থেকে শুরু করে, স্টার্টআপগুলির জন্য কি কি প্রকল্প আছে সেই সম্বন্ধে তথ্য দেওয়া হয় সিনার্জিতে। তাছাড়া, পুরোনো শিল্পের আপগ্রেড, শিল্প সমবায় তথা মার্কেট এক্সেস সম্বন্ধেও জানা যায় এখানে।

পাহাড়ের ‘সিনার্জি’’ বৈঠকে রাজ্য সরকার ও জিটিয়ের বিভিন্ন দপ্তর স্টল দিয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন প্রায় ২০০ জন উদ্যোগপতি।

You give us peace, we will give you prosperity: Mamata Banerjee at Hill Business Summit

Chief Minister Mamata Banerjee today inaugurated a two-day industrial meet in Darjeeling. In her speech, she highlighted the potential of the region in the eco-friendly sectors of IT, tourism, horticulture, agro industries, medicinal plants, food processing and education.

There will be sessions from 11 AM to 3 PM tomorrow. The Chief Minister will be present during the sessions on the second day also. Finance Minister Dr Amit Mitra is also present at the meet.

This is for the first time that such a meeting is taking place in the Hills.

Highlights of the Chief Minister’s speech:

It is our proud privilege that we are organising this kind of summit in the Hills for the first time

Darjeeling Hills have a huge potential. Tea, trade, tourism, transport are its mainstay. Horticulture, food processing, skill development and software industry sectors can also be explored.

This kind of initiative (business summit) will go a long way in job creation.

Arrangements were made for this summit within a month. We thank GTA for all the cooperation.

Bengal is going ahead. Bengal means business.

We are No. 1 in India in ease of doing business, e-reforms, e-governance, skill development, agriculture and other sectors.

You give us peace, we will give you prosperity.

Darjeeling lost more than Rs 1000 crore in the strike last year. People of Darjeeling were the biggest sufferers.

Let us make a new beginning. Let us prepare a plan of action. Government will provide all support and cooperation.

The young generation has immense potential. The youth of Darjeeling are very skilled, and can be used in any industry.

Two IT Parks are coming up in Kalimpong and Darjeeling.

We are coming up with proper plan regarding harnessing the horticulture sector – orchids, herbs, even cinchona medicine plant.

An education hub is coming at Kurseong. A new medical college will be set up.

A lot can be done for the development of Darjeeling. We are developing some cottages at Tiger Hill. There are plans for the development of Sandakphu, Kurseong, Mirik and Kalimpong also.

We want to set up industry and folk centre at Mirik. Steel hub, horticulture hub, health hub – a lot can be done in the Hills.

We must ensure Darjeeling is green and clean.

We must shun violence. Political leaders might gain from violence, not the common people.

There is enough scope in tourism sector. In Bengal, we have hill, forest and even sea.

Earlier, Darjeeling was neglected and not taken care of. Now, I come to the Hills every two or three months.

Our government will give you Rs 100 crore for promotional development and job-oriented industries.

Let us compete on the agenda of development.

We want the people of Darjeeling to prosper. I would request the Centre not to play divisive politics in the Hills for the sake of one Lok Sabha seat.

I thank my industry friends for taking interest and coming to the Hills. After the rains yesterday, Kanchenjunga is smiling today.


শান্তি থাকলেই সমৃদ্ধি, পাহাড়ে বাণিজ্য সম্মেলনে বললেন মুখ্যমন্ত্রী

আজ দার্জিলিঙে দুদিন ব্যাপী বাণিজ্য সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।কাল এই সম্মেলন চলবে সকাল ১১টা থেকে ৩টে পর্যন্ত, উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই প্রথম পাহাড়ে এরকম একটি সম্মেলন হচ্ছে।

তাঁর বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন ক্ষেত্রে – তথ্যপ্রযুক্তি, পর্যটন, উদ্যানপালন, কৃষি শিল্প, ঔষধি গাছ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও শিক্ষা – পাহাড়ের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশঃ-

এই প্রথমবার পাহাড়ে এই ধরনের বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। দার্জিলিংবাসীকে অভিনন্দন জানাই।

দার্জিলিংএ বিনিয়োগের অনেক সম্ভাবনা আছে। চা, বাণিজ্য, পর্যটন, পরিবহণ এগুলোতে তো সুযোগ আছেই। এছাড়া, উদ্যানপালন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, কৃষি, দক্ষতা উন্নয়ন, সফটওয়্যার এগুলোতেও সম্ভাবনা আছে।

এখানকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য এরকম উদ্যোগ খুব প্রয়োজন।

জিটিএ এই সম্মেলন করার আবেদন করেছিল, আমরা তার এক মাসের মধ্যে এই সম্মেলন করেছি। জিটিএ কে ধন্যবাদ সবরকম সহযোগিতা করার জন্য।

বাংলা নিজেকে প্রমাণ করেছে, বাংলা এগিয়ে চলেছে। বাংলা মানেই বাণিজ্য।

শিল্প করার সুবিধা, দক্ষতা বিকাশ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে, কৃষিতে, ই-টেন্ডার, ই-রিফর্ম, ই-গভর্নেন্স – সবেতেই আমরা দেশে শীর্ষে।

পাহাড়ে শান্তি থাকলেই সমৃদ্ধি আসবে।

গত বছর ৬ মাসের বন্ধে দার্জিলিঙের ১০০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। জনগণের সব থেকে বেশী ভোগান্তি হয়।

আসুন নতুন করে শুরু করি, শান্তিতে শুরু করি। আমাদের সরকার সবরকম ভাবে সাহায্য করবে।

দার্জিলিঙের যুব সম্প্রদায়ের দক্ষতা আছে। তাদের মধ্যে প্রচুর সম্ভাবনা আছে। বিভিন্ন শিল্পে তাদের কাজে লাগানো যেতে পারে।

আমরা দার্জিলিং ও কালিম্পঙে দুটি আইটিপার্ক তৈরী করছি।

আমরা কৃষি ও উদ্যানপালনের জন্য পরিকল্পনা করছি। অর্কিড, ফুল, সিঙ্কোনা মেডিসিন প্ল্যান্ট কীভাবে কাজে লাগানো যায়, দেখা হচ্ছে।

কার্শিয়ঙে এডুকেশন হাব তৈরী করা হচ্ছে। নতুন মেডিক্যাল কলেজও তৈরী হচ্ছে।

দার্জিলিঙের অনেক জায়গার আরও উন্নয়ন করা যায়, টাইগার হিলেও কয়েকটা কটেজ তৈরীর পরিকল্পনা আছে। সান্দাকফু, কার্শিয়ং, মিরিক, কালিম্পঙের উন্নয়ন করা যায়।

আমরা মিরিকে শিল্প ও লোককেন্দ্র গড়তে চাইছি। স্টীল হাব, উদ্যানপালন হাব, হেলথ হাব, এখনও অনেক কিছু করা বাকি আছে।

দার্জিলিঙকে স্বচ্ছ এবং সবুজ রাখতে হবে।

এখানে যেন আর কোনও অশান্তি না হয়। এই অশান্তিতে কিছু রাজনৈতিক নেতার ফায়দা হয়, সাধারন মানুষের না।

পর্যটনে আমাদের অনেক সুযোগ আছে। আমাদের পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র সব আছে।

আগে দার্জিলিঙকে অনেক উপেক্ষা ও অবহেলা করা হত। এখন তো আমি দু-তিন মাসে একবার পাহাড়ে আসি।

দার্জিলিঙে কর্মসংস্থান-মুখী শিল্প গড়ে তোলার জন্য আমাদের সরকার ১০০ কোটি টাকা দেবে।

উন্নয়নের কাজে প্রতিযোগিতা করুন।

দিল্লীর কাছে একটাই অনুরোধ, দার্জিলিংকে সুস্থ থাকতে দিন, দার্জিলিংকে টুকরো করতে কাউকে সাহায্য করবেন না। রাজনীতির জন্য দার্জিলিংকে ভাগ হতে দেব না।

সকল শিল্পপতিকে ধন্যবাদ এখানে আসার জন্য, গতকাল শিলাবৃষ্টির পরও আজ কাঞ্চনজঙ্ঘা হাসছে।



Trinamool Govt has done a lot for small and medium businesses, and farmers: Dr Amit Mitra

Finance Minister Dr Amit Mitra, while replying to a debate in the State Assembly, said that the Trinamool Congress Government has done a lot to help small and medium businesses, and farmers, among others, and elaborated on the statement.

He said that the government has done away with the requirement for businesses with an annual turnover of less than Rs 20 lakh to pay the goods and services tax (GST). This would benefit 1 lakh 27 thousand 45 small and medium-scale businesses.

And for those with an annual turnover of less than Rs 1.5 lakh, there is the single control system (SCS), which would benefit 1.87 lakh businesses. Additionally, there is the Composition Scheme for such businesses, through which businesses are being able to improve their bottomline by paying much less tax. This is benefitting 1.87 lakh businesses.

Dr Mitra then spelt out the measures taken for farmers by the Maa-Mati-Manush Government led by Chief Minister Mamata Banerjee.

The State Government has created a fund of Rs 100 crore for buying farmers’ products at the minimum support price (MSP) so that even when there is excess production, farmers do not suffer because of the fall in prices. He said that no other state has been able to create such a fund and that this would immensely help the farmers of Bengal.

Then, the government has also done away with the mutation fee paid by farmers to give them relief. This would benefit seven to eight lakh farmers.


২০ লক্ষ টাকার নীচে জিএসটি নয়ঃ অমিত মিত্র

২০ লক্ষ টাকার নীচে যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক টার্নওভার, তাদের জন্য কোনও জিএসটি নয়। এর ফলে রাজ্যের ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৫টি ক্ষুদ্র ও ছোট ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠান লাভ করেছে এবং তারা ব্যাবসা করছে। বিধানসভায় একথাই জানান অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। তিনি বলেন, ‘ক্ষুদ্র ও ছোট ব্যবসায়ীদের স্বার্থকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে রাজ্য সরকার।’ এছাড়াও অর্থমন্ত্রী জানান, কম্পোজিশন স্কিম চালু করা হয়েছে। অল্প ট্যাক্স দিয়ে ব্যাবসার শ্রীবৃদ্ধি ঘটাচ্ছেন ব্যাবসায়ীরা। এই স্কিমে উপকৃত হয়েছেন ৮০ হাজার।

এছাড়াও দেড় লক্ষ টাকার নীচে যাদের ব্যাবসায়িক টার্নওভার তাদের জন্য রয়েছে সিঙ্গল কন্ট্রোল সিস্টেম। এতে উপকৃত ১.৮৭ লক্ষ ব্যাবসায়ী।

মাঝারি ব্যাবসায়ীদের এন্ট্রি ট্যাক্স সুদ ও জরিমানা মুকুব, কৃষকদের মিউটেশনে ছাড় সহ রাজ্য সরকার সাধারন মানুষের জন্য যে সকল পদক্ষেপ নিয়েছে তা তিনি বিধানসভায় জানান।

কৃষকদের সহায়তায় বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়েছে। অধিক ফলনে দাম পড়বে, এই অবস্থা থেকে কৃষকদের পাশে দাড়াতেই এই পদক্ষেপ। ১০০ কোটি টাকা আছে এই তহবিলে। অধিক ফলন হলেও যাতে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পান, তাই এই বিশেষ তহবিল গঠন। যা এই রাজ্যে একমাত্র আছে দেশের মধ্যে। মিউটেশন ফি মুকুব করায় লাভবান হয়েছে ৭-৮ লক্ষ কৃষক।


Bengal Government to procure 10 lakh bicycles for Sabuj Sathi

The Backward Classes Welfare (BCW) department will float the tender for 10 lakh bicycles which will be distributed among the students of Class IX of state-run, aided and sponsored schools under the Sabuj Sathi project.
The state government has so far distributed 60 lakh bicycles, the highest by any state government in the country.
The decision to distribute bicycles among students of Classes IX, X, XI and XII were announced by the state Finance minister Amit Mitra in his Budget speech in 2015. The Chief Minister distributed the first batch of bicycles among the students at a function at Gopiballavpur Block II in West Midnapore on October 29, 2015.
The BCW department has given training to over 3,000 unemployed SC and ST youths to repair bicycles in a bid to make them self-reliant. The cycles that are being given will be maintained by the state government for one whole year free of cost.


সবুজসাথীর জন্য আরও ১০ লক্ষ সাইকেল কিনবে রাজ্য সরকার

অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তর সবুজসাথী প্রকল্পের জন্য আরও ১০ লক্ষ সাইকেলের টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে। এই সাইকেল রাজ্য সরকার পরিচালিত, অনুদানপ্রাপ্ত ও স্পন্সর্ড স্কুলগুলির নবম শ্রেণীর পড়ুয়াদের বিলি করা হবে।
এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পের অধীনে ৬০ লক্ষ সাইকেল বিলি করা হয়েছে, যা দেশে সর্বাধিক। যে সাইকেল পড়ুয়াদের দেওয়া হয়, সেগুলির প্রথম এক বছরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সরকারের।
২০১৫ সালের বাজেট বক্তৃতায় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী সবুজসাথী প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন। ২০১৫ সালের ২৯শে অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং এই প্রকল্পের শুভ সূচনা করেন পশ্চিম মেদিনীপুরের গোপীবল্লভপুর ২ ব্লকে।
উল্লেখ্য, তফসিলি জাতি ও উপজাতির ৩০০০ বেকার মানুষকে সাইকেল সারানোর প্রশিক্ষণ দিয়েছে অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তর, তাদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে।

Gems & jewellery sector to get State Govt support, assures Dr Mitra

The Bengal Government will help make the gems and jewellery industry the best in India as well as the world. This was stated by the Bengal Finance Minister, Dr Amit Mitra during a discussion with a delegation of the All India Gems and Jewellery Trade Federation (GJF) on the sidelines of the 2018 Bengal Global Business Summit (BGBS).

During the round table conference, Dr Mitra assured a space of 20,000 square feet (sq ft) to the gems and jewellery industry to start a common facility centre (CFC). This space is in addition to the 25,000 sq ft space already allotted to GJF by the State Government for skilling and training artisans.

He also discussed leading a delegation of jewellers to Italy, a top fashion hub, to enable tie-ups between Italian jewellery clusters and Indian jewellers.

Later, during a press conference at the end of BGBS, he said one lakh jobs will be created in the sector.

The GJF expects that, with support of the Bengal Government, the industry would be able to produce products of a quality at par with international standards.


গয়না শিল্পকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর

শুধু দেশেই না বিদেশেও এরাজ্যের গয়না শিল্পকে প্রসারিত করতে সবরকম সাহায্য করবে রাজ্য সরকার। চতুর্থ বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে ‘অল ইন্ডিয়া জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি ট্রেড ফেডারেশনের’ এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনার পর একথা বলেন রাজ্যের শিল্প ও অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

গয়না শিল্পের জন্য কমন ফেসিলিটি সেন্টার গড়ে তুলতে ২০০০০ বঃফুঃ জমি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি। এর আগে এই ফেডারেশনকে ২৫০০০ বঃফুঃ জমি দেওয়া হয়েছে শিল্পীদের প্রশিক্ষন দেওয়ার জন্য।

জেমস ও জুয়েলারি হাবের এক প্রতিনিধি দলকে ইতালি নিয়ে যেতে আগ্রহী মন্ত্রী। এর ফলে ইতালীয় ও ভারতীয় গয়না শিল্পের এক মেলবন্ধন ঘটবে।
বাণিজ্য সম্মেলনের শেষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বলেন, গয়না শিল্পে এক লক্ষ কর্মসংস্থান হবে।

অল ইন্ডিয়া জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি ট্রেড ফেডারেশন আশাবাদী রাজ্য সরকারের এহেন সহযোগিতার ফলে তাদের উৎপাদনের মান আন্তর্জাতিক স্তরের হয়ে উঠবে।

Source: Millennium Post

Bengal Govt increases earnings due to adoption of IT

The Bengal Government has been successful in increasing its earnings due to the adoption of information technology (IT) across the board.

According to data available with the State Finance Department, the earnings from stamp duty and registration have risen by 17 per cent, from customs duty, by a massive 93 per cent, from transport tax, by 26 per cent and from electricity duty, by 39 per cent. And from entry tax, during the current financial year, till date, the earning has been more than Rs 1,500 crore, which is also a big increase.

The Finance Department, under the helm of Dr Amit Mitra, with due encouragement from Chief Minister Mamata Banerjee, has set an example for the rest of the country in financial management.

According to Dr Mitra, the following of sound economic policies has enabled the State Government to steadily repay its massive debt, a legacy of the erstwhile Left Front Government.

Unlike for the Centre and many other State Governments, the adoption of the Goods and Services Tax (GST) has not led to any major shortfall in the collection of taxes by the Bengal Government. The major reason for this is again the IT-friendly tax collection structure.

Another big amount of money is due to the State Government, which would further boost the revenue – payment by the Centre to cover the losses borne by the states due to the adoption of Inter-State GST (IGST) and GST.

This highly successful integration of IT with the financial structure of the State Government has been acknowledged and appreciated by the Central Government through various awards in categories like e-taxation, e-tendering, e-governance, etc.

Comparing a few relevant numbers, the capital expenditure of Bengal has increased from Rs 2,225 crroe in 2010-11 to Rs 11,336 in 2016-17, and the plan expenditure has increased from Rs 14,615 crore to Rs 49,090 crore, during the same respective periods.


তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে আয় বাড়ল রাজস্বে

রাজস্বে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে বিপ্লব ঘটিয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে আয় বাড়িয়েছে রাজ্য সরকার। অর্থ দপ্তরের তথ্য বলছে, গত অর্থবর্ষে এপ্রিল থেকে ডিসেম্বরের তুলনায় চলতি আর্থিক বছরে একই সময়ে স্ট্যাম্প ডিউটি এবং রেজিস্ট্রেশন ফি–তে ১৭ শতাংশ, আবগারি শুল্কে ৯৩, পরিবহণ কর ২৬ শতাংশ এবং বিদ্যুৎ শুল্কে ৩৯ শতাংশ আয় বেড়েছে।

অন্যদিকে, প্রবেশ কর হিসেবে চলতি অর্থবছরে এখনও পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বেশি। রাজস্বে খাতে এই বিপুল পরিমাণ আয় বৃদ্ধি হওয়ার ফলে রাজ্য এখনও পর্যন্ত কেন্দ্র সরকারের নির্ধারিত ঋণ গ্রহণের সীমা ছাড়ায়নি। চলতি অর্থবর্ষে নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্য সরকার ঋণ নিয়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা। যেখানে ঋণ নেওয়ার ক্ষমতা ২৯ হাজার কোটি টাকা। তথ্য বলছে, চলতি অর্থবর্ষের বাকি সময়ে রাজ্যের ঋণ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলার ফলে আর্থিক শৃঙ্খলার নজির তৈরি করতে পেরেছে রাজ্য।

এই শৃঙ্খলা তৈরি হওয়ায় রাজ্য সরকার ঋণের ওপর নিয়ন্ত্রণ তো রাখতে পেরেছেই, পাশপাশি আগের ঋণ শোধ করতে পারার ক্ষমতা তৈরি করেছে। অন্যদিকে, রাজ্য সরকার চলতি অর্থবর্ষে একবার ওয়েজ অ্যান্ড মিনস অ্যাডভান্স নিয়েছে। একবারও ওভারড্রাফট নেয়নি। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘রাজ্য সরকার যে ঋণ নিয়েছে তার ৩০ শতাংশ খরচ করেছে রাজ্যের উন্নয়নে।’

সুষম ঋণনীতির ফলে উচ্চ সুদের হারে নেওয়া আগের ঋণ শোধ করে দিতে পেরেছে। জিএসটি আদায়ের ক্ষেত্রে যখন কেন্দ্র, বিভিন্ন রাজ্য সরকারের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে তখন এ রাজ্যে তার প্রভাব বেশ কম। এর কারণ তথ্যপ্রযুক্তিবান্ধব কর পরিষেবা। রাজ্যের আয় বাড়ার আরও একটি পথ এখনও খোলা। সেটি হল আইজিএসটি এবং জিএসটি বাবদ কেন্দ্রের থেকে ক্ষতিপূরণের একটি বড় অঙ্কের অর্থ পাওনা রয়েছে। বড় ব্যবসায়ীরা চটজলদি নতুন কর ব্যবস্থায় (জিএসটি) নিজেদের খাপ খাইয়ে নিয়ে নাম নথিভুক্ত করাতে পেরেছেন। ছোট ব্যবসায়ীরা তা করতে গিয়ে ধাক্কা খাচ্ছেন। এই বিষয়টি অনেক আগেই বুঝতে পেরেছিল রাজ্য। আরও সময় নিয়ে জিএসটি চালুর পক্ষে সওয়াল করেছিল।

এদিকে, রাজ্য সরকার আর্থিক অপচয় যাতে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেছে। বিভিন্ন দপ্তরে পড়ে থাকা টাকা ফিরে এসেছে অর্থ দপ্তরে। তার পরিমাণ ২ হাজার কোটি ছাড়িয়েছে। আরও ২–৩ হাজার কোটি টাকা ফেরত আসার সম্ভাবনা। তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে রাজ্যের ভাল কাজের স্বীকৃতি দিয়েছে কেন্দ্র। অনেকগুলি ক্ষেত্রে পুরস্কৃতও করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ই–ট্যাক্সেশন, ই–টেন্ডারিং, সুসংহত আর্থিক ব্যবস্থাপনা–সহ আরও কয়েকটি ক্ষেত্র। ২০১০–১১ সালে রাজ্য সরকারের মূলধনী ব্যয় ছিল ২ হাজার ২২৫ কোটি টাকা। ২০১৬–১৭ সালে তা বেড়ে হয়েছে ১১ হাজার ৩৩৬ কোটি। অন্যদিকে, ২০১০–১১ সালে পরিকল্পনা খাতে ব্যয় ছিল ১৪ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা। বেড়ে হয়েছে ৪৯ হাজার ৯০ কোটি টাকা।

Source: Aajkaal

Trinamool hits the streets against FRDI Bill

Trinamool Youth Congress, under the leadership of TMYC National President and MP, Abhishek Banerjee, hit the streets today to protest against the FRDI (Financial Resolution and Deposit Insurance) Bill. A rally was held from Jadavpur to Hazra at 2 PM.

Trinamool has been vocal against this controversial Bill from the very beginning. Bengal Chief Minister Mamata Banerjee has written to the Union Finance Minister demanding that this Bill be withdrawn as it would take away the savings of common people entrusted to banks.

Trinamool MPs from both Houses held a dharna in Parliament premises on December 19, 2017, against the FRDI Bill. Leader of the party in Rajya Sabha, Derek O’Brien said that this Bill must be sent to cold storage.


Salient points of his speech:

BJP has been wiped out of Bengal. It is a matter of time before they are wiped out of India. Narendra Modi, who once dreamt of becoming PM by selling his Gujarat model, has suffered a drubbing in his home state. BJP has recorded its worst performance in 22 years. They even lost in Narendra Modi’s hometown. This only shows BJP will be voted out in 2019; their death knell has been rung.

On December 15, Mamata Banerjee instructed us to hit the streets against the draconian FRDI Bill. We have to reach out to the people and make them aware of its dangers. We have agitated in Parliament on this issue earlier this week. As long as Trinamool is in existence, we will not allow FRDI Bill to be passed. The Bill has already been referred to a Select Committee. We will fight till the end.

From demonetisation to Aadhaar to the hasty implementation of GST – the Centre has taken a slew of anti-people decisions. Trinamool has not maintained silence on these issues. We cannot be intimidated by threats of CBI or ED. Our protests will continue, and will become more intense in the future.

Those who cannot compete with us on the plank of development, only indulge in big talk. They are trying to create fissures in Bengal on religious lines. We will lay down our lives but never allow communal poison to spread in Bengal.

Mamata Banerjee has fulfilled the promises she made before coming to power. Narendra Modi has failed to keep his word. They raised questions about Mamata Banerjee’s governance. Her dream project Kanyashree won laurels from the United Nations.

If FRDI Bill is passed, the hard-earned deposits of people in banks are liable to be lost. There is no security. There is no difference between chit funds and BJP. Narendra Modi and Amit Shah are trying to usurp the money of people, just like chit funds. If Sudipto Sen has been arrested, why not BJP leaders?

Who are they to decide what a person will wear, what they will eat or where they will live? In the name of love jihad, they are killing people. A member of Modi’s Cabinet is a Muslim but he married a Hindu. If that is acceptable, why was Malda’s Afrazul brutally murdered? Narendra Modi must answer.

They only give speeches; they do not want Bengal to prosper. They do not want people to get the benefits of Sabuj Sathi, Sabuj Shree, Baitarani, Samabyathi, Geetanjali, Gatidhara. They budget for Beti Bachao, Beti Padhao for the entire country is Rs 100 crore. In Bengal, for Kanyashree, Mamata Banerjee has allocated Rs 1200 crore. We want people to move past the dark days of Left rule. The infamous 34 years should not come back.

During CPI(M) rule, many leaders had anti-socials among their followers, like ‘haat kata Dilip’. Now, BJP has ‘jibh kata Dilip’ who has no control over what he says. Let them attack us, as much as they want. We will continue to work for the people of Bengal.

I am a Hindu and I believe Swami Vivekananda is an icon of Hinduism. He had advocated freedom in every sphere if the society has to progress.

In other States, the entire administrative machinery is used to win elections. That is not the case in Bengal. Those who are rejected by our party are joining BJP, and they are celebrating their induction. BJP has become Bharatiya Janjaal Party. Garbage is their asset. People of Bengal are our assets.

The CPI(M) used all its might and force but could not set up Nano factory in Singur. BJP will also not be able to bulldoze the anti-people FRDI Bill.



এফআরডিআই বিলের বিরোধিতায় পথে তৃণমূল

জনবিরোধী ব্যাঙ্কিং বিল – FRDI (Financial Resolution and Deposit Insurance) Bill – এর বিরোধিতায় আজ পথে নামলো তৃণমূল। তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আজ একটি মিছিলের আয়োজন করেয়া হয়েছিল যাদবপুর থেকে  হাজরা পর্যন্ত।

শুরু থেকেই এই বিলের বিরোধিতা করছে তৃণমূল। এফআরডিআই বিলের বিরোধিতা করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে চিঠিও দিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলে যে এই বিল আইন হলে ব্যাঙ্কে গচ্ছিত সাধারণ মানুষের টাকা সুরক্ষিত থাকবে না। অবিলম্বে এই বিল প্রত্যাহারের দাবিও জানান তিনি।

গত ১৯শে ডিসেম্বর এফআরডিআই বিলের বিরোধিতায় সংসদ চত্বরে ধর্ণা দেন তৃণমূল সাংসদরা।


অভিষেকের বক্তব্যের কিছু অংশঃ 

বিজেপি এমনিতেই বাংলা থেকে মুছে গেছে, ভারত থেকে মুছে যাওয়া শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। যে গুজরাতকে সামনে রেখে নরেন্দ্র মোদী ভারত দখল করার স্বপ্ন দেখেছিল, সেখানে বিগত ২২ বছরে সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে ভারতীয় জনতা দল। নরেন্দ্র মোদীর জন্মস্থান বিব্জেপির নিজের হাতছাড়া হয়ে গেছে। এই ফলাফল এটাই প্রমাণ করে ২০১৯ এ বিজেপির বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে।

গত ১৫ তারিখে তৃণমূল ভবনে কোর কমিটির বৈঠকে আমাদের নেত্রী আদেশ নির্দেশ দিয়েছেন জনবিরোধি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নামতে হবে। ব্যাঙ্কিং বিলের বিরুদ্ধে আমাদের সর্বস্তরের মানুষকে আন্দোলনমুখী হতে হবে। গত সপ্তাহে আমাদের সাংসদরা লোকসভা ও রাজ্যসভার বাইরে ও ভিতরে আমরা আমাদের প্রতিবাদ জানিয়েছি। আমি কথা দিচ্ছি তৃণমূল কংগ্রেস এফ আর ডি আই বিল পাস হতে দেবে না। ইতিমধ্যেই এটি সিলেক্ট কমিটিতে গেছে এবং আমরা এর শেষ দেখে ছাড়বো।

নোট বাতিল, আধার, জি এস টি থেকে শুরু করে একের পর এক জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। তৃণমূল কংগ্রেস চুপ করে থাকেনি। সিবিআই, ইডি দেখিয়ে আমাদের দমিয়ে করিয়ে রাখা যাবে না। মানুষের পেতে যদি আঘাত পরে আমরা আন্দোলন করব, প্রতিবাদ করব। দরকার হলে জেলায় জেলায়, ব্লকে ব্লকে এই আন্দোলন চলবে। আগামী দিনে এই প্রতিবাদ বৃহত্তর আন্দোলনে পরিণত হবে।

যারা উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে না, তারা শুধু বড় বড় কথা বলে, আর বাংলায় হিন্দু মুসলমানের বিভাজন তৈরি করে দ্বিখণ্ডিত করার চেষ্টা করে। আমাদের জীবন গেলে যাবে কিন্তু আমরা বাংলাকে অশান্ত হতে দেব না।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারে আসার পর যা কথা দিয়েছে সব কথা রেখেছে। নরেন্দ্র মোদীর সরকার একটা কথাও রাখেনি। যারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়ে অনেকে প্রশ্ন করেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাশ্রী আজ বিশ্বের দরবারে প্রশংসিত।

এফ আর ডি আই বিল চালু হলে মানুষকে না জানিয়ে তার টাকা ব্যাঙ্ক জবরদখল করে নিতে পারে। সুদীপ্ত সেন আর বিজেপির নেতাদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। চিট ফান্ডের প্রতারকদের মতো ব্যাঙ্কে টাকা রাখলে আজ অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদীরা নিয়ে যাচ্ছে। সুদীপ্ত সেন যদি গ্রেফতার হয় তাহলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীসভার সদস্যদের বিরদ্ধে কেন কোন পদক্ষেপ নেওয়া হবে না?

কে কি খাবে? কে কি পরবে? কে কোথায় থাকবে? লাভ জিহাদের নাম করে মানুষকে হত্যা করে দেওয়া হচ্ছে, খুন করে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপির মন্ত্রীসভার এক মুসলমান সদস্য যাকে বিয়ে করেছেন, তিনি একজন হিন্দু। তিনি যদি একজন হিন্দুকে বিয়ে করতে পারেন, মালদার আফরাজুলকে তাহলে কেন নৃশংস ভাবে কুপিয়া হত্যা করা হল? এর জবাব নরেন্দ্র মোদীর সরকারকে দিতে হবে।

যারা বড় বড় কথা বলে, তারা কোনোদিন বাংলার উন্নতি চায় না। তারা চায় না সবুজসাথী, সবুজশ্রী, বৈতরণী, সমব্যাথী, গীতাঞ্জলী, গতিধারার মাধ্যমে বাংলা অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাক। বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও-এর বাজেট সারা দেশে ১০০ কোটি, আমাদের কন্যাশ্রীর বাজেট শুধু পশ্চিমবঙ্গে ১২০০ কোটি। আমরা চাই বাংলার মানুষ এগিয়ে যাক, আমরা চাই ৩৪ বছরের কলঙ্কিত দিনগুলো যেন বাংলার মানচিত্রে আর ফিরে না আসে।

আগে সিপিআইএম আমলে নেতাদের ছত্রছায়ায় থাকত দুষ্কৃতি, হাত কাটা দিলীপ, আজ দেখছি বিজেপির জিভ কাটা দিলীপ। আগের দিলীপের হাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ ছিল না, আজকের দিলীপের জিভের ওপর নেই। তারা আক্রমণ করলে করুক, আমরা এগিয়ে যাব। ওরা যত আক্রমণ করেছে, তৃণমূল তত উন্নয়ন করেছে।

আমি হিন্দু, আমি মনে করি এই ধর্মের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রচারকের নাম স্বামী বিবেকানন্দ। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন, সমাজকে শক্তিশালী করতে হলে সর্বক্ষেত্রে আমাদের স্বাধীনতার প্রয়োজন।

অন্য রাজ্যে সব কিছু জবরদখল করে, সব মেশিনারি কাজে লাগিয়ে ভোট করতে পারে, কিন্তু, বাংলায় তারা করতে পারবে না। আমরা যাদের উচ্ছিস্ট করে এদিক ওদিকে ফেলে দিচ্ছি, বিজেপি সেগুলোকে নিয়েই নাচানাচি করছে। বিজেপি এখন ভারতের জঞ্জাল পার্টিতে পরিণত হয়েছে। এই জঞ্জল নিয়ে এরা দল করুক, আমরা বাংলার মানুষকে নিয়ে দল করি।

আমাদের নেত্রী ২৬ দিন অনশন করে আমাদের গণআন্দোলনের পথ দেখিয়েছে। কোনভাবেই যাতে এই জনবিরোধী বিল পাস না হয়, সেই আন্দোলন আমাদের করতে হবে। সিঙ্গুরে যেমন সিপিআইএম গায়ের জোরে ন্যানো কারখানা করতে পারে নি, বিজেপিও গায়ের জোরে FRDI Bill পাস করতে পারবে না।