Bengal CM warns against attempts to distort history, science

Chief Minister Mamata Banerjee called upon the intellectuals to be alert against any effort to distort history and science at the inaugural programme of the 42nd International Kolkata Book Fair at Salt Lake’s Central Park on Tuesday.

“I urge the authors and writers of the country to remain alert so that the distorted version of history is not published in books,” she said. Without mentioning BJP, she trained her guns at the Centre against which she had been quite vocal on previous occasions.

She had earlier alleged that the BJP was trying to present a distorted version of Indian history. At the inauguration of the Kolkata International Book Fair, she once again reminded the scholars to thwart any such attempt.

বইয়ের পাহারাদার হতে হবে সাহিত্যিকদেরই: মুখ্যমন্ত্রী

ইতিহাস বিকৃতি রুখতে এগিয়ে আসতে হবে সাহিত্যিকদের। বইয়ের পাহারাদার হিসাবে সজাগ থাকতে হবে তাঁদের। মঙ্গলবার ৪২তম আন্তর্জাতিক বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসে লেখক শিল্পীদের প্রতি এই আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি অত্যন্ত ক্ষুদ্র ব্যক্তি। তারপরেও শ্রদ্ধেয় সাহিত্যিক ও লেখকদের আছে আমার আবেদন দেখবেন বইয়ের বিকৃতি যেন কেউ করতে না পারে। ইতিহাস যেন বিকৃত না হয়। আপনারা নজর রাখুন।বইয়ের পাহারাদার আপনারা।বই হল মানুষের মনের জানালা, হৃদয়ের জানালা, সৃষ্টির আলো। বইয়ের মধ্যে দিয়েই একটা সমাজ গড়ে ওঠে। বই পড়েই আমরা সমস্ত ইতিহাস জানতে পারি। বই ছাড়া সমাজ চলতে পারে না”।

প্রাচীন, আধুনিক ও সামাজিক ইতিহাস বইতেই লিপিবদ্ধ থাকে। শিক্ষা-সংস্কৃতি-সভ্যতা-মানবিকতার আলো দেখায় বই। বই ছাড়া পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। এই বইয়ের বিকৃতি আটকাতেই সচেষ্ট হতে সাহিত্যিকদের এগিয়ে আসতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, “ বাংলা বরাবরই ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী। বাংলা ভারতের কালচারাল ক্যাপিটাল”।
একই সঙ্গে আগামী বছর আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার উদ্বোধনের নির্ঘণ্টও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী বছর ১৯ জানুয়ারি বইমেলার উদ্বোধন হবে।

Manish Gupta speaks on The National Institutes of Technology, Science, Education and Research (Amendment) Bill, 2017


Sir, I rise to support this Bill. I will just make a few points here. As mentioned earlier, the budgetary allocations in respect of these institutes has to be increased to have the proper effect. And the total number of seats allocated in all the seven institutes is inadequate considering the hopes and aspirations of the youth. We need to take a positive view on this because more than 55% of the youth in this country are unable to get seats and employment in educational institutions and in other sectors of the economy. Due importance should be given to the youth.

Unfortunately we have noticed that the HRD Ministry is habitually increasing fees. Recently there was a fee hike of 127% in these institutes and by 79% in NITs. This hike in fees makes it quite impossible for certain sections of our society to gain admission. This is quite a problem in other institutions also. Even for management institutes, the fees that are charged are quite high. In fact, recently people had come and met me. They are saying that they cannot afford higher education or technical education because of the cost of the education.

Sir, the other issue is that a lot of research is being done in these institutes and we have observed over the years that the fruits of research never devolve to the sectors for which this research is done. Research produces doctorates and PhDs but there is a gap between devolution of this research to the different sectors of the economy. The internal administration of these institutions needs to be looked into.

We really need to know the state of higher technical education, of research. So, I would suggest that the Minister should consider putting out an Annual Report or a White Paper on the status of such institutes and of the overall status in the country.

Thank you.


Bengal Govt to promote science among the young generation

The state government has decided to set up planetariums in all the districts in a bid to generate curiosity about science among the young generation.

State Minister for science and technology said, “Our department has taken some major decisions to attract youngsters in science and technology. We have decided to set up planetariums in the districts of our state. We will also set up science cities.”

Under this initiative, his ministry has started a survey in all districts to find out the appropriate place to set up planetariums, where students and non-students could easily reach.

State government has decided to set up a science city in Burdwan where a planetarium exists, as per official sources. Gradually, planetarium or science cities will be set up in all the districts of the state.

The minister added, “We want to provide more and more facilities to encourage development of science.”


নতুন প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞান চেতনা প্রসারে উদ্যোগী রাজ্য

নতুন প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞান চেতনা প্রসারে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। রাজ্যের জেলায় জেলায় তারামণ্ডল তৈরী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
রাজ্যের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের মন্ত্রী জানিয়েছেন যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন দিকে নতুন প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। বিভিন্ন জেলায় তারামণ্ডলের সঙ্গে তৈরী করা হবে বিজ্ঞান নগরীও।
বিজ্ঞানের প্রসারে আরও নানারকম পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সকার, জানান রাজ্যের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী।

The image is representative

Bengal to set up three biotechnology hubs

The West Bengal Government has taken up a project to set up three biotechnology hubs across the State, which is aimed to bring in more biotechnology innovations to the State, thereby improving the socio-economic life of the people.

The Biotechnology Department of the State has already taken up an elaborate scheme to not only tie up with other departments like Agriculture, Fisheries and Food Processing to increase the productivity and quality of various products, but to also provide germ-free food to the common people.

The three proposed biotechnology hubs will come in Bardhaman, Kalimpong and Medinipur districts; they will help in the co-ordination of various departments with the Biotechnology Department in a better way.

West Bengal has a rich biodiversity of crops, vegetables, fruits, flowers and other plant resources.


বাংলায় তিনটি বায়োটেকনোলজি হাব স্থাপনের পরিকল্পনা রাজ্যের

রাজ্য সরকার তিনটি বায়োটেকনোলজি হাব স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য হল রাজ্যের জৈবপ্রযুক্তি জনগণের আর্থ-সামাজিক জীবন উন্নত করা।

রাজ্যের বায়োটেকনোলজি বিভাগ ইতিমধ্যে একটি বিশদ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। শুধুমাত্র কৃষি, মৎস্যচাষ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ বিভাগকে একসাথে করার জন্যও নয় খাদ্যের গুনগত মান ও পরিমান বৃদ্ধি করতে এবং মানুষকে জীবাণু মুক্ত খাদ্য প্রদান করার জন্য এইসব প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনটি প্রস্তাবিত বায়োটেকনোলজি হাব তৈরি হওয়ার প্রস্তাব এসেছে। এগুলি তৈরি হবে বর্ধমান, কালিম্পং এবং মেদিনীপুরে। এর ফলে বায়োটেকনোলজির সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের সমন্বয় তৈরি হবে।

পশ্চিমবঙ্গ ফসল, সবজি, ফল, ফুল এবং অন্যান্য উদ্ভিদ সহ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ।