Bengal Govt setting up cooperatives to help farmers process spices, herbs

The State Micro, Small and Medium Enterprises (MSME) Department has started a major project in the Hills region of setting up cooperatives, comprising local farmers, for processing and packaging locally-grown herbs and spices.

The Department has been working for the past six months to rope in local farmers for the cooperatives. They mainly grow cardamom, basil (tulsi), turmeric and ginger.

The farmers will be provided with necessary machines and gadgets for processing and packaging herbs and spices. The products will be sold by the cooperatives themselves, so that the profits go back to them.

This venture will be one of the highlights of the Hill Business Summit to be held on March 13 and 14, which will be inaugurated by Chief Minister Mamata Banerjee. Top entrepreneurs are going to attend the summit.

The summit is expected to give a major boost to the economy of the region. It is for the first time that the people of the Hills will be exposed to such a big platform that is intended to showcase the potential of the region. Highlighting the forming of industrial cooperatives for the farmers in the Hills will help them get business.

According to a senior official of the MSME Department, there are a lot of forest and agro-based resources in the Hills. The project was taken after a market study revealed that there is a great demand for products like large cardamom, ginger, turmeric and basil.

Citing an example, the official said there is a huge demand for basil extract (‘tulsi arak’ in Bengali and ‘tulsi ark’ in Hindi), as it has high medicinal value. Suppose there are 100 families involved in growing basil plants in the Hills. They will be brought under the cooperatives and will be provided with machinery for processing and packaging the same, he said.

At the same time, dairy products of Kalimpong, the famous orchids grown in the region, local dresses and handicraft goods will also be highlighted at the business summit.

 

পাহাড়ের ঔষুধি গাছড়া ও মশলার বিপণনের উদ্যোগ রাজ্যের

রাজ্যের পাহাড়াঞ্চলে উৎপন্ন মশলা ও ঔষুধি গাছড়ার প্রক্রিয়াকরণ ও প্যাকেজিং করার জন্য স্থানীয় কৃষকদের নিয়ে সমবায় তৈরী করার সিদ্ধান্ত নিল ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প এবং বস্ত্র দপ্তর।

এই সমবায় গঠনের জন্য সমস্ত কৃষককে একত্রিত করার কাজ গত ছয় মাস ধরে করছে দপ্তর। এরা মূলত তুলসী, হলুদ, আদা, ছোট এলাচ চাষ করে। কৃষকদের প্রক্রিয়াকরণ ও প্যাকেজিং-এর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি দেওয়া হবে। এই সমবায় প্যাকেজিং করা দ্রব্য নিজেরাই বিক্রী করবে।

আজ থেকে অনুষ্ঠিত হতে চলা দুদিন ব্যাপী হিল বিজনেস সামিটের এক অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে এই নয়া উদ্যোগ। এই সামিটের উদ্বোধন করবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নামী উদ্যোগপতিরা এখানে অংশ নেবেন।

এই সামিটের মাধ্যমে প্রথমবার পাহাড়ে বাণিজ্যতে জোর দেওয়া হবে। তাই, এই অঞ্চলের উৎপাদিত দ্রব্য বিপণনের জন্য তৈরী করা বাণিজ্যিক সমবায় গঠন নিশ্চয় এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

দপ্তরের এক আধিকারিকের মতে, পাহাড়ে অনেক কৃষিজ ও বনজ সম্পদের ভাণ্ডার আছে। সমীক্ষা করে দেখা গেছে বড় এলাচ, আদা, হলুদ ও তুলসীর ব্যাপক সম্পদ রয়েছে। সেগুলির বিচক্ষণ ব্যবহারের জন্যই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

পাশাপাশি কালিম্পং-এর দুগ্ধজাত দ্রব্য, এই অঞ্চলের জনপ্রিয় ললিপপ, অর্কিড, স্থানীয় পোশাক, হস্তশিল্পকেও এই সামিটে তুলে ধরা হবে।

Source: Millennium Post

You give us peace, we will give you prosperity: Mamata Banerjee at Hill Business Summit

Chief Minister Mamata Banerjee today inaugurated a two-day industrial meet in Darjeeling. In her speech, she highlighted the potential of the region in the eco-friendly sectors of IT, tourism, horticulture, agro industries, medicinal plants, food processing and education.

There will be sessions from 11 AM to 3 PM tomorrow. The Chief Minister will be present during the sessions on the second day also. Finance Minister Dr Amit Mitra is also present at the meet.

This is for the first time that such a meeting is taking place in the Hills.

Highlights of the Chief Minister’s speech:

It is our proud privilege that we are organising this kind of summit in the Hills for the first time

Darjeeling Hills have a huge potential. Tea, trade, tourism, transport are its mainstay. Horticulture, food processing, skill development and software industry sectors can also be explored.

This kind of initiative (business summit) will go a long way in job creation.

Arrangements were made for this summit within a month. We thank GTA for all the cooperation.

Bengal is going ahead. Bengal means business.

We are No. 1 in India in ease of doing business, e-reforms, e-governance, skill development, agriculture and other sectors.

You give us peace, we will give you prosperity.

Darjeeling lost more than Rs 1000 crore in the strike last year. People of Darjeeling were the biggest sufferers.

Let us make a new beginning. Let us prepare a plan of action. Government will provide all support and cooperation.

The young generation has immense potential. The youth of Darjeeling are very skilled, and can be used in any industry.

Two IT Parks are coming up in Kalimpong and Darjeeling.

We are coming up with proper plan regarding harnessing the horticulture sector – orchids, herbs, even cinchona medicine plant.

An education hub is coming at Kurseong. A new medical college will be set up.

A lot can be done for the development of Darjeeling. We are developing some cottages at Tiger Hill. There are plans for the development of Sandakphu, Kurseong, Mirik and Kalimpong also.

We want to set up industry and folk centre at Mirik. Steel hub, horticulture hub, health hub – a lot can be done in the Hills.

We must ensure Darjeeling is green and clean.

We must shun violence. Political leaders might gain from violence, not the common people.

There is enough scope in tourism sector. In Bengal, we have hill, forest and even sea.

Earlier, Darjeeling was neglected and not taken care of. Now, I come to the Hills every two or three months.

Our government will give you Rs 100 crore for promotional development and job-oriented industries.

Let us compete on the agenda of development.

We want the people of Darjeeling to prosper. I would request the Centre not to play divisive politics in the Hills for the sake of one Lok Sabha seat.

I thank my industry friends for taking interest and coming to the Hills. After the rains yesterday, Kanchenjunga is smiling today.

 

শান্তি থাকলেই সমৃদ্ধি, পাহাড়ে বাণিজ্য সম্মেলনে বললেন মুখ্যমন্ত্রী

আজ দার্জিলিঙে দুদিন ব্যাপী বাণিজ্য সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।কাল এই সম্মেলন চলবে সকাল ১১টা থেকে ৩টে পর্যন্ত, উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই প্রথম পাহাড়ে এরকম একটি সম্মেলন হচ্ছে।

তাঁর বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন ক্ষেত্রে – তথ্যপ্রযুক্তি, পর্যটন, উদ্যানপালন, কৃষি শিল্প, ঔষধি গাছ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও শিক্ষা – পাহাড়ের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশঃ-

এই প্রথমবার পাহাড়ে এই ধরনের বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। দার্জিলিংবাসীকে অভিনন্দন জানাই।

দার্জিলিংএ বিনিয়োগের অনেক সম্ভাবনা আছে। চা, বাণিজ্য, পর্যটন, পরিবহণ এগুলোতে তো সুযোগ আছেই। এছাড়া, উদ্যানপালন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, কৃষি, দক্ষতা উন্নয়ন, সফটওয়্যার এগুলোতেও সম্ভাবনা আছে।

এখানকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য এরকম উদ্যোগ খুব প্রয়োজন।

জিটিএ এই সম্মেলন করার আবেদন করেছিল, আমরা তার এক মাসের মধ্যে এই সম্মেলন করেছি। জিটিএ কে ধন্যবাদ সবরকম সহযোগিতা করার জন্য।

বাংলা নিজেকে প্রমাণ করেছে, বাংলা এগিয়ে চলেছে। বাংলা মানেই বাণিজ্য।

শিল্প করার সুবিধা, দক্ষতা বিকাশ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে, কৃষিতে, ই-টেন্ডার, ই-রিফর্ম, ই-গভর্নেন্স – সবেতেই আমরা দেশে শীর্ষে।

পাহাড়ে শান্তি থাকলেই সমৃদ্ধি আসবে।

গত বছর ৬ মাসের বন্ধে দার্জিলিঙের ১০০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। জনগণের সব থেকে বেশী ভোগান্তি হয়।

আসুন নতুন করে শুরু করি, শান্তিতে শুরু করি। আমাদের সরকার সবরকম ভাবে সাহায্য করবে।

দার্জিলিঙের যুব সম্প্রদায়ের দক্ষতা আছে। তাদের মধ্যে প্রচুর সম্ভাবনা আছে। বিভিন্ন শিল্পে তাদের কাজে লাগানো যেতে পারে।

আমরা দার্জিলিং ও কালিম্পঙে দুটি আইটিপার্ক তৈরী করছি।

আমরা কৃষি ও উদ্যানপালনের জন্য পরিকল্পনা করছি। অর্কিড, ফুল, সিঙ্কোনা মেডিসিন প্ল্যান্ট কীভাবে কাজে লাগানো যায়, দেখা হচ্ছে।

কার্শিয়ঙে এডুকেশন হাব তৈরী করা হচ্ছে। নতুন মেডিক্যাল কলেজও তৈরী হচ্ছে।

দার্জিলিঙের অনেক জায়গার আরও উন্নয়ন করা যায়, টাইগার হিলেও কয়েকটা কটেজ তৈরীর পরিকল্পনা আছে। সান্দাকফু, কার্শিয়ং, মিরিক, কালিম্পঙের উন্নয়ন করা যায়।

আমরা মিরিকে শিল্প ও লোককেন্দ্র গড়তে চাইছি। স্টীল হাব, উদ্যানপালন হাব, হেলথ হাব, এখনও অনেক কিছু করা বাকি আছে।

দার্জিলিঙকে স্বচ্ছ এবং সবুজ রাখতে হবে।

এখানে যেন আর কোনও অশান্তি না হয়। এই অশান্তিতে কিছু রাজনৈতিক নেতার ফায়দা হয়, সাধারন মানুষের না।

পর্যটনে আমাদের অনেক সুযোগ আছে। আমাদের পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র সব আছে।

আগে দার্জিলিঙকে অনেক উপেক্ষা ও অবহেলা করা হত। এখন তো আমি দু-তিন মাসে একবার পাহাড়ে আসি।

দার্জিলিঙে কর্মসংস্থান-মুখী শিল্প গড়ে তোলার জন্য আমাদের সরকার ১০০ কোটি টাকা দেবে।

উন্নয়নের কাজে প্রতিযোগিতা করুন।

দিল্লীর কাছে একটাই অনুরোধ, দার্জিলিংকে সুস্থ থাকতে দিন, দার্জিলিংকে টুকরো করতে কাউকে সাহায্য করবেন না। রাজনীতির জন্য দার্জিলিংকে ভাগ হতে দেব না।

সকল শিল্পপতিকে ধন্যবাদ এখানে আসার জন্য, গতকাল শিলাবৃষ্টির পরও আজ কাঞ্চনজঙ্ঘা হাসছে।

 

 

Transport Dept budget stresses on both new and existing services

The Transport Minister recently presented his department’s budget for financial year 2018-19 in the Assembly. Stress has been given both on developing new services across land, water as well as air, and on improving the existing services.

The budget of the department for 2018-19 stands at Rs 1,588.81 crore, which is the highest budget for the Transport Department so far.

Three hundred new buses have already been introduced and steps have been taken to introduce more. He further said that 40 electric buses will be introduced in Kolkata soon. Another 10 electric buses in the Rajarhat-New Town area and 20 in Asansol and Durgapur will be introduced too.

In another major development, the State Transport department has also decided not to allow any more civic bodies to operate buses. Buses will be operated only by the transport corporations.

From March, there will be two helicopter services. Following the direction of Chief Minister Mamata Banerjee, steps have been taken to develop the airport at Chharra in Purulia district. Air connectivity from Cooch Behar and Malda will also be initiated soon.

Equal stress has been given to improve the water connectivity in the state. Twenty-seven vessels have already been introduced and 86 more will be engaged soon. Moreover, steps have been taken to replace the semi-mechanised vessels with robust ones, to ensure the safety of passengers.

Steps have been taken to ensure the standard operating procedure (SOP) is maintained at all the jetties. Life jackets similar to the ones used by the Coast Guard will also be introduced.

 

পরিষেবায় জোর পরিবহণ দপ্তরের বাজেটে

বিধানসভায় কয়েকদিন আগেই ২০১৮-১৯ সালের বাজেট পেশ করেন পরিবহণ মন্ত্রী। স্থল, জল ও আকাশপথে নতুন ও পুরনো পরিষেবায় জোর দেন মন্ত্রী।

এবছরে পরিবহণ বাজেট মোট ১৫৮৮.৮১ কোটি টাকা, যা দপ্তরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যেই পরিবহণ দপ্তর ৩০০টি নতুন বাস নামিয়েছে, আরও নতুন বাস আনার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ৪০টি ইলেকট্রিক বাস শীঘ্রই কলকাতার রাস্তায় নামবে। রাজারহাট-নিউ টাউন অঞ্চলে ১০টি ও আসানসোল-দুর্গাপুরে ২০টি ইলেকট্রিক বাস শীঘ্রই চালু হবে।

এছাড়াও পরিবহণ দপ্তর সমস্ত সরকারি বাস নিগমকে একত্রিত করে এক ছাতার তলায় নিয়ে এসেছে।

মন্ত্রী জানান মার্চ মাসে চালু হবে দুটি হেলিকপ্টার পরিষেবা। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুরুলিয়ায় বিমানবন্দর তৈরী হচ্ছে। কোচবিহার ও মালদা থেকে বিমান পরিষেবাও শুরু হবে শীঘ্রই।

বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জলপথ পরিবহণের ওপরেও। ২৭টি জলযান ইতিমধ্যেই চালু করা হয়েছে এবং আরও ৮৬টি খুব শীঘ্রই পরিষেবা শুরু করবে। যাত্রী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে সমস্ত পুরনো সেমি-মেকানাইজড জলযান বদল করে নামানো হয়েছে অত্যাধুনিক ভেসেল।

সমস্ত জেটির জন্য তৈরী করা হয়েছে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোসিডিওর। উপকূলরক্ষীবাহিনী যে লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করে, আগামীদিনে সেরকম জ্যাকেট দেওয়া হবে ভেসেল যাত্রীদেরও, বলেন মন্ত্রী।

 

Source: Millennium Post

Swami Vivekananda Mamata Banerjee

Bengal Govt to celebrate 125th anniversary of Swami Ji’s Chicago Speech as ‘Sampriti Dibas’

The state government will celebrate September 11, the day when Swami Vivekananda had addressed the World’s Parliament of Religions in Chicago in 1893, as Sampriti Divas. It will celebrate the 125th anniversary of Swamiji’s Chicago address in a befitting manner.

Sampriti Week will be observed from September 12 to 19. The decision was taken at the first meeting of the committee set up for the celebration, which was held on Thursday, said state Education minister Partha Chatterjee.

Chief Minister Mamata Banerjee will attend the function which will be organised at Belur Math on September 11. The concluding programme will be held at Netaji Indoor Stadium on September 19.

The state government will provide another Rs 10 crore for the proposed Centre of Excellence, which is coming up near Eco Park in New Town. The state government had earlier provided Rs 10 crore as well.

Swamiji had spoken about harmony and peace at the World’s Parliament of Religions which was a part of Columbian Exposition, a programme organised to celebrate 400 years of Columbus’ discovery of America in 1893. He had spoken about “Universal Religion” and was confident that such a religion will be the religion of the future, when all people irrespective of class, creed, sex and religion will be respected.

 

এবার থেকে স্কুলে পড়ানো হবে স্বামীজির শিকাগো বক্তৃতা

স্কুলে পড়ানো হবে স্বামীজির শিকাগো বক্তৃতা। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রস্তাব মেনে পাঠ্যসূচিতে বদল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। স্বামীজির শিকাগো বক্তৃতার ১২৫ বছর উদযাপন করা হবে। বেলুড়, নেতাজি ইনডোরের পাশাপাশি শিকাগোতেও অনুষ্ঠান হবে। উপস্থিত থাকতে মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে।

১৮৮৩ সালে বিশ্ব ধর্ম সম্মেলনে এই ভাবেই বক্তৃতা শুরু করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। দু’মিনিট ধরে হাততালি চলে। একদিন রামকৃষ্ণ মিশনের স্কুলগুলিতেই পড়ানো হত স্বামীজির শিকাগো বক্তৃতা। এবার থেকে স্কুলের পাঠ্যসূচিতেও স্বামীজির শিকাগো বক্তৃতা পড়ানো হবে। শিকাগো বক্তৃতার ১২৫ বছর উদযাপনে কমিটি তৈরি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেই কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ও রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ। সিদ্ধান্ত হয়েছে,

– স্বামীজির শিকাগো বক্তৃতা পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তি করা হবে

– রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রস্তাব মেনে সিদ্ধান্ত রাজ্যের

– আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে পাঠ্যসূচিতে স্বামীজির শিকাগো বক্তৃতা

রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রস্তাব মেনেই এই সিদ্ধান্ত। স্বামীজির শিকাগো বক্তৃতার ১২৫ বছর উদযাপনে ১১ থেকে ১৯শে সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে সম্প্রীতি সপ্তাহ পালিত হবে। বেলুড় ও নেতাজি ইনডোরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী। শিকাগো বক্তৃতার ১২৫ বছর উদযাপন কমিটি শিকাগোতেও অনুষ্ঠান করবে। সেখানে উপস্থিত থাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে।

 

Kolkata Gate to be thrown open before Poila Boisakh

Housing Infrastructure Development Corporation (HIDCO) is going to open the Kolkata Gate at New Town before the Poila Boishakh (Bengali New Year’s Day in April). The date of the inauguration of the gate, the only one of its kind in eastern India, will be finalised shortly.

Hectic work is on to give finishing touches to the huge construction. Special attention has been given to look after the safety and security of the people who will be climbing the viewers’ gallery.

The construction for the structure began on March 6, 2017. The height of the Kolkata Gate is 55 m. Seventy tonnes of steel have been used. The visitors will be taken to the viewers’ gallery by a lift. The viewers’ gallery is around 25 meters above ground level and is covered by glass. A portion of it has been earmarked for a restaurant, where visitors can get tea, coffee and light refreshments.

The tunnel will have photographs on Kolkata’s heritage and culture. The outer part of the tunnel will be illuminated. The Gate, complete with the Biswa Bangla logo, has been constructed to greet those coming to the city from the airport.

The structure will add another feather in Kolkata’s cap. A splendid view awaits those who would visit the viewers’ gallery, giving a clear sight of New Town and its neighbourhood.

 

পয়লা বৈশাখের আগেই উদ্বোধন হবে কলকাতা গেট

পয়লা বৈশাখের আগেই নিউ টাউনে উদ্বোধন হবে কলকাতা গেট। এই গেট নির্মাণের দায়িত্বে আছে হাউসিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (হিডকো)। উদ্বোধনের দিনক্ষণ খুব শীঘ্রই ঠিক করা হবে। এখন শেষমুহুর্তের কাজ জোরকদমে চলছে।

৬ই মার্চ, ২০১৭, কলকাতা গেট নির্মাণের কাজ শুরু হয়। যেসকল দর্শক ওপরের গ্যালারিতে উঠবেন, তাদের নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রেখেই কাজ হচ্ছে।

কলকাতা গেটের উচ্চতা ৫৫ মিটার। সত্তর টন ইস্পাত ব্যবহার করা হয়েছে। লিফটে করে দর্শকরা ভিউয়ার্স গ্যালারিতে উঠতে পারবেন। এই গ্যালারির উচ্চতা মাটি থেকে ২৫ মিটার। এই পুরো গ্যালারিটি কাঁচ দিয়ে ঢাকা। এখানে একটি রেস্তোরাঁ হবে যেখানে আগত ভ্রমণার্থীরা চা, কফি ও জলখাবার কিনে খেতে পারবেন।

এই টানেলে কলকাতার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক নানা ছবি থাকবে। টানেলের বাইরের দিকটি আলো দিয়ে সাজানো হবে। এখানে বিশ্ব বাংলার লোগো থাকবে। বিমানবন্দর থেকে কলকাতাগামী যাত্রীদের স্বাগত জানাতেই এই গেটটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এই গেট তৈরীতে খরচ পড়েছে আনুমানিক ২৫ কোটি টাকা।

এই গেট নির্মাণের পর কলকাতার মুকুটে আরও একটি পালক যোগ হবে।

 

Image source: The Beacon Kolkata

Bengal Govt hikes budget for Panchayats Dept

The State Panchayats and Rural Development Department has been steadily increasing its budget. For 2018-19, the amount allotted is Rs 19,174 crore, up from Rs 16,974 crore for 2017-18, which was, in turn, a hike from the Rs 14,275 crore allotted for 2016-17.

This was stated by the concerned minister during the presentation of the department’s budget in the Assembly. He said that the increase in budget will enable the Department to carry out more developmental work in the rural parts of the state.

The minister maintained that several steps have been taken during the past seven years to ensure overall growth of the rural areas of the state. He said that till January of the 2017-18 financial year, a total of 3.67 lakh houses were being built under different schemes. It has been proposed to construct 3.75 lakh more houses during the 2018-19 fiscal.

 

বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ কমিয়েছে কেন্দ্র: পঞ্চায়েত মন্ত্রী

২০১৮-১৯ সালের বাজেটে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের বরাদ্দ বাড়িয়ে ১৯১৭৪ কোটি টাকা করা হয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন প্রকল্পে তাদের অনুদানের হার লক্ষ্যনীয় হারে কমিয়ে দিয়েছে। এইসব প্রকল্প রাজ্য সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর প্রণয়ন করে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬-১৭ সালে এই দপ্তরের বাজেট ছিল ১৪২৭৫ কোটি টাকা, যা ২০১৭-১৮ সালে বেড়ে হয় ১৬৯৭৪ কোটি টাকা।

পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী বলেন, এই বাজেট বৃদ্ধি করার ফলে গ্রামাঞ্চলে আরও অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব হবে।

বিভিন্ন উন্নয়নমূলক খাতে অনুদান কমিয়ে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের নিন্দা করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ১ কিঃমিঃ রাস্তা নির্মাণে আনুমানিক খরচ হয় ৬০ লক্ষ টাকা। আগে কেন্দ্রীয় সরকার পুরো খরচ বহন করত, এখন রাজ্যের থেকে ৫০ শতাংশ আদায় করে।

তিনি পূর্বতন বাম সরকারকেও কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, বাম আমলে পঞ্চায়েত দপ্তরগুলো পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছিল। গত ছয় বছরে গ্রামাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রচুর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০১৭-১৮ বর্ষের জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৩.৬৭ লক্ষ বাড়ি তৈরী করা হয়েছে বিভিন্ন প্রকল্পের অধীনে। ২০১৮-১৯ সালে আরও ৩.৭৫ লক্ষ বাড়ি তৈরীর প্রস্তাব আছে।

Source: Millennium Post

 

Names of Trinamool RS candidates from Bengal announced

Chairperson Mamata Banerjee today announced the names of four Rajya Sabha candidates from Bengal at the extended core committee meeting of the party.

The candidates are: Nadimul Haque, Subhashish Chakraborty, Abir Ranjan Biswas and Dr Santanu Sen.

The party will support Congress candidate Abhishek Manu Singhvi for the fifth seat, Mamata Banerjee said, adding that the decision was taken keeping larger interests in mind.

 

তৃণমূলের রাজ্যসভা প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের বর্ধিত কোর কমিটির বৈঠকে বাংলা থেকে রাজ্যসভার চারটি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দল যাদের মনোনয়ন দেবে তারা হলেন: নাদিমুল হক, শুভাশীষ চক্রবর্তী, আবির বিশ্বাস ও ডঃ শান্তনু সেন।

পঞ্চম আসনে কংগ্রেস প্রার্থী অভিষেক মনু সিংভিকেই সমর্থন করবে দল, ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহত্তর স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত, বলেন তিনি।

Focus on Panchayat polls, Didi tells party workers at core committee meet

Trinamool Chairperson Mamata Banerjee today addressed the party workers at an extended core committee meeting of the party at Nazrul Mancha. At the meeting, she gave directions to the party to fight the BJP at the Centre, and also prepare for the upcoming Panchayat Polls.

Here’s what the Chairperson said:

  • Some parties claim they are the true representatives of Hinduism. Hindu religion is ancient, much before BJP was formed.
  • We believe in Swami Vivekananda, Ramakrishna Paramhansa. Not the ideology of BJP.
  • Do not use loudspeakers during board exams. We must ensure peace for the sake of students.
  • Ram Navami rallies should be held in peaceful manner, without arms. Board exams will be going on at that time.
  • A core group of Subrata Bakshi, Partha Chatterjee, Abhishek Banerjee and Aroop Biswas must ensure old workers of Trinamool are not neglected.
  • Workers are our assets. Party is above all. There is no place for individualism.
  • Digital platforms are of significance today. We must motivate our younger generation to use social media seriously. BJP spends crores on digital propaganda. We must counter them effectively.
  • There was a time when tribals in Jangalmahal used to survive on insect eggs. Now 8 crore people receive rice at Rs 2/kg. This is a matter of pride.
  • 45 lakh Kanyashree scholarships, 57 lakh SC/ST scholarships, and 1.71 crore minority scholarships have been distributed.
  • 30 lakh ‘Banglar Bari’ have been constructed, 3 lakh land pattas have been distributed. 70 lakh cycles have been given to students.
  • We had promised to construct 50 lakh water bodies under Jal Dharo Jal Bharo scheme. We have constructed 15 lakh water bodies.
  • We have increased the honorarium for ICDS scheme. Retirement age of contractual and casual workers has been set at 60 years.
  • Car drivers, auto drivers, construction workers, kendu leaf collectors, bidi workers have been brought under social security scheme.
  • We have to pay instalments worth Rs 48,000 crore for the debt incurred by the Left. We have not imposed any burden on people. Instead, we have waived off khajna tax on agricultural land.
  • We have increased pension of farmers. We give monthly stipend to nearly 2 lakh folk artistes. We have started a new pension scheme for the handicapped.
  • We have started a new scheme called ‘Ruposhree’. Poor families with income upto Rs 1.5 lakh receive Rs 25,000 for the wedding of their daughters (18 years and older).
  • They are talking of ‘Achhe Din’. But in reality, people are in great pain. Their savings are not safe in banks.
  • They won in Tripura by merely 0.3% and they are behaving as if they won the world. Had some people not betrayed us, we would have won in Tripura. They used money and muscle power to win. I feel there was an understanding between CPI(M) and Congress.
  • CPI(M), Congress and BJP will unite during Panchayat polls to defeat us.
  • We will never ally with BJP. There was a semblance of liberal thinking during Atal Ji’s time. The discourse has reached its lowest ebb now. Look at the kind of language they use. They only appear on TV to grab eyeballs.
  • TDP, an alliance partner of BJP, has resigned from Union Govt. TRS has decided to go its own way. Shiv Sena has also left the BJP. Even their allies do not trust them anymore.
  • This fight is not trivial. UP will fight its own way. Bihar will fight its own way. Odisha will fight its own way. Rajasthan will fight its own way. Bengal will fights its own way.
  • They have spent crores on their party office. Don’t they have any shame?
  • Majority of the bank frauds happened during demonetisation. Agencies are being used to intimidate opponents. We are not afraid of the fear tactics.
  • Chit funds were formed during CPI(M) rule. But our people were harassed.
  • After a history of riots they captured power in Delhi. And now they are clearing their names. Today they are in office. Tomorrow they may not have power. We believe in politics of culture and courtesy. Our courtesy is not our weakness.
  • We will give our lives, but we will never bow our heads.
  • You have to be strong. You have to be cool. You have to be straight-forward.
  • Du hajar unish (2019), BJP finish. Aage Dilli samla, tarpor dekhbi Bangla (First manage Delhi, then focus on Bengal).
  • We came to power after 34 years of struggle. But our fight is not over. Centre does not cooperate with us. We have a huge debt burden. They treat different States differently.
  • Centre wants to send two officials to oversee our finances. How can they do so in federal structure? We are also democratically elected like them.
  • There is super-emergency in the country. People are not safe. Someone has to bell the cat. We want all Opposition parties to work together to defeat BJP.
  • The party has to focus on Panchayat elections. I will focus on Lok Sabha elections.
  • New frontal organisation will be formed ‘Adivasi Trinamool Congress’. James Kujur will be the President. Bachchu Hansda, Sandhya Tudu, Shrikanta Mahato and others will be members.

লক্ষ্য পঞ্চায়েত ভোট, কোর কমিটি বৈঠকে বললেন তৃণমূলনেত্রী

আজ দলের বর্ধিত কোর কমিটির বৈঠকে কর্মীদের পঞ্চায়েত ভোটের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেন জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নজরুল মঞ্চে এই বৈঠকে তিনি দলের কর্মীদের বার্তা দেন বিজেপির অপশাসনের বিরুদ্ধে সরব হতে।

ওনার বক্তব্যের কিছু অংশ:

  • কেউ কেউ মনে করে তারাই হিন্দু ধর্মের দায়িত্ব নিয়ে বসে আছে। তাদের কে দায়িত্ব দিয়েছে কেউ জানে না। বিজেপি দল তৈরির অনেক আগেই হিন্দু ধর্মের জন্ম হয়েছিল।
  • আমরা স্বামী বিবেকানন্দ, রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবকে মানি। অন্য কাউকে মানি না।
  • পরীক্ষা চলবে তাই রাম নবমীর মিছিল শান্তিপূর্ণভাবে করবেন। পরীক্ষার সময় ছাত্রছাত্রীদের যাতে কোনরকম অসুবিধা না হয় সেদিকে আমাদের নজর রাখতে হবে। মাইক, অস্ত্র ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করবেন।কারণ সেই সময় বোর্ডের পরীক্ষা চলবে।
  • সুব্রত বক্সি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরূপ বিশ্বাসকে নিয়ে একটি কোর গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। তারা লক্ষ্য রাখবেন যাতে আমাদের পুরনো কর্মীরা (যারা দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল করছেন) কোনভাবেই বঞ্চিত না হয়।
  • কর্মীরাই আমাদের সম্পদ। কোন একজনের কথামতো নয়, দলের কথামতো দল চলবে। তৃণমূল মা মাটি মানুষের দল।
  • আজ সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের যুব সমাজকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আরও সক্রিয় হতে হবে। বিজেপি এর পিছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। আমাদের সেই টাকা নেই, তাই আমাদের পরিশ্রম করে সেই কাজটা করতে হবে যাতে একতরফা মিথ্যে কথা, কুৎসা, অপপ্রচার না হয়।
  • একটা সময় ছিল যখন এই বাংলায় জঙ্গলমহলের মানুষরা পিঁপড়ের ডিম খেয়ে বেঁচে থাকত। আজ এই রাজ্যের ৮ কোটি লোক ২ টাকা কেজি চাল পায়। এটা গর্বের বিষয়।
  • ৪৫ লক্ষ মেয়েকে কন্যাশ্রী স্কলারশিপ, ৫৭ লক্ষ SC/ST ছেলেমেয়েদের এবং ১.৭১ কোটি সংখ্যালঘু ছেলেমেয়েদের স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে।
  • ৩০ লক্ষ ‘বাংলার বাড়ি’ নির্মাণ করা হয়েছে। ৩ লক্ষ লোককে জমির পাট্টা দেওয়া হয়েছে। ৭০ লক্ষ ‘সবুজ সাথী’ সাইকেল দেওয়া হয়েছে।
  • ‘জল ধরো, জল ভরো’ প্রকল্পে আমরা ৫০ লক্ষ পুকুর কাটার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। ইতিমধ্যেই ১৫ লক্ষ পুকুর কাটার কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।
  • আমরা আইসিডিএস কর্মীদের মাইনে বাড়িয়েছি। চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের চাকরির বয়স ৬০ বছর পর্যন্ত করে দেওয়া হয়েছে।
  • কেন্দুপাতা সংগ্রহকারী, গাড়ির ড্রাইভার, অটোর ড্রাইভার, কন্সট্রাকশন কর্মী, বিড়ি কর্মীদের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে আনা হয়েছে।
  • সিপিএম-এর করা দেনার ফলে আমাদের বছরে ৪৮০০০ কোটি টাকা শোধ করতে হচ্ছে। জনগণের ওপর কোনও বোঝা বাড়ানো হয়নি। বরং, কৃষিজমির খাজনাও মুকুব করে দেওয়া হয়েছে।
  • আমরা কৃষকদের বার্ধক্য ভাতা বাড়িয়েছি, ১ লক্ষ ৯২ হাজার লোকপ্রসার শিল্পীকে ১০০০ টাকা করে পেনশন দিই। কন্যাশ্রী স্কলারশিপের টাকা বাড়ানো হয়েছে। ২ লক্ষ প্রতিবন্ধীকে ১০০০ টাকা করে দেব বলে ঠিক করা হয়েছে।
  • রুপশ্রী পরিকল্পনা চালু হচ্ছে ১লা এপ্রিল থেকে, যে মেয়েদের ১৮ বছর বা তার বেশী বয়স, কিন্তু, বাবা মা’রা বিয়ে দিতে পারবে না, ১.৫ লক্ষ টাকার কম বছরে আয় যাদের, তারা আবেদন করলে সরকার ২৫০০০ টাকা করে তাদের মেয়ের বিয়েতে দেবে।
  • দিল্লীর স্লোগান আচ্ছে দিন, এমন আচ্ছে দিন জনগণকে বাদ দিন। বিজেপি আনল আচ্ছে দিন, জনগণের টাকা লুটে নিন।
  • ত্রিপুরায় জিতেছে ০.৩% ভোটে। এমন করছে যেন পৃথিবী জয় করে ফেলেছে। কিছু লোক গদ্দারি করেছে, নয়তো ত্রিপুরাটা আমরাই জিততাম। তৈরী জায়গায় টাকা ঢেলেছে আর সেন্ট্রাল এজেন্সিকে দিয়ে টাকা ডিস্ট্রিবিউশন করিয়ে জিতেছে, সিপিএম আত্মসমর্পণ করেছে। এটা মনে হয়ে সিপিএম বিজেপির বোঝাপড়া।
  • সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি আমাদের বিরুদ্ধে এক হয়ে যায়, পঞ্চায়েতেও হবে।
  • একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস বলতে পারে, বিজেপির সঙ্গে আমাদের কোনও সম্পর্ক নেই। আমরা ওদের সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল মনে করি। অটল বিহারী বাজপেয়ীর সময় আমরা ওদের কিছুটা লিবারাল দেখেছিলাম। এখনকার বিজেপি দল সাম্প্রদায়িকতার নিম্নতম স্তরের দল। ভাষার কোনও সৌন্দর্য নেই, যা ইচ্ছে বলে যাচ্ছে। রোজ টিভিতে মুখ দেখাতে হয় আর ভাষণ দিতে হয়।
  • টিডিপি দল একসময় বিজেপিকে সাপোর্ট দিত, মিনিস্ট্রি থেকে রিজাইন করেছে। টিআরএস ও বলছে আমরা আলাদা হব। শিবসেনা বলছে আমরা দরকার হলে একা লড়ব। কোনও জোটসঙ্গী  ওদের সাথী নেই।
  • দেশের রাজনৈতিক মানচিত্র দ্রুত বদলাচ্ছে । ইউপি ইউপির মতো, বিহার বিহারের মতো, ওড়িশা ওড়িশার মতো লড়বে। বাংলা বাংলার মতো লড়বে।
  • পার্টি অফিস তৈরী করেছে ৬০০ কোটি টাকা দিয়ে। লজ্জা করে না?
  • আমি আজও বলছি, ব্যাঙ্কের যত কোরাপশান হয়েছে, তার বেশিরভাগটাই নোটবন্দির সময় হয়েছে। এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। মনে রাখবেন, আমরা ভয় পাই নি।
  • চিট ফান্ড তৈরি হয়েছে সিপিএম-র আমলে অথচ আমাদের লোকেদের অনেক হেনস্থা হতে হয়েছে।
  • দাঙ্গা করে, হত্যা করে, মানুষ মেরে আজকে ওরা বসে আছে দিল্লীর গদিতে। নিজেদের কেস গুলো ক্লীয়ার করছে আর অন্যদের পেছনে এজেন্সি লাগিয়ে দিয়ে অ্যারেস্ট করছে। আগামীদিন কী হবে? আমি মনে করি রাজনীতিতে একটা সৌজন্যতা থাকা উচিত, একটা সীমাবধ্যতা থাকা উচিত, একটা লক্ষ্মণের গন্ডী থাকা উচিত। আমার হাতেও অনেক কেস আছে, তা সত্ত্বেও ভদ্রতা রক্ষা করি, কিন্তু ভদ্রতাটা দুর্বলতা নয়।
  • আমরা মরে যাব তাও মনে রাখবেন আমাদের মাথা কোনদিন বিক্রী হবে না।
  • আপনাদের শক্ত হতে হবে, মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে এবং এগিয়ে যেতে হবে।
  • দু হাজার উনিশ, বিজেপি ফিনিশ। আগে দিল্লী সামলা, তারপর দেখবি বাংলা।
  • আমরা ক্ষমতায় এসেছি ৩৪ বছরের সংগ্রামের পর। আজও লড়াই চলছে আমাদের। দিল্লী পয়সা দেয় না। কেন্দ্র আমাদের সাহায্য করে না। আমাদের টাকা কেটে নিয়েছে বছরের পর বছর। একেক রাজ্যের জন্য একেক রকম নিয়ম।
  • কেন্দ্র হঠাৎ বলল আমার ফাইনান্সিয়াল লোকেরা এসে তোমার ফাইনান্স ডিপার্টমেন্ট দেখবে।যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় তা কি করে তা সম্ভব? তুমিও ইলেকটেড, আমরাও ইলেকটেড, যাও তুমি তোমার কাজ কর।
  • সম্পুর্ণভাবে একটা অরাজকতা চলছে দেশে। মানুষের নিড়াপত্তা নেই। কৃষক, শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা নেই। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে, কাউকে না কাউকে বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধতে হবে। আমরা চাই সবাই এক হয়ে কাজ করুক।
  • পঞ্চায়েতটা আপনারা করবেন আর দিল্লীটা আমি করব।
  • আমি ‘আদিবাসী তৃণমূল কংগ্রেস’ তৈরী করে দিচ্ছি। সভাপতি হবেন জেমস কুজুর; বাচ্চু হাঁসদা, সন্ধ্যা টুডু, শ্রীকান্ত মাহাতো এবং অন্যদের রাখা হবে।

Not taking steps to prevent mosquito breeding? Pay penalty

West Bengal Municipal Corporation (Amendment) Bill, 2018, has been passed in the Assembly that would allow the imposition of a penalty if steps are not taken to prevent mosquito breeding.

Besides the West Bengal Municipal Corporation (Amendment) Bill, 2018, the Howrah Municipal Corporation (Amendment) Bill 2018 and the West Bengal Municipal (Amendment) Bill 2018 were also passed in the Assembly on Wednesday.

While discussing the Bills, state Urban Development and Municipal Affairs minister Firhad Hakim said the main intention is not to impose a penalty on anyone but the move will make people aware to do the needful in order to check mosquito breeding.

It may be mentioned that “if the owner or occupier or any person…fails or refuses to take measures…the Commissioner himself or any officer duly authorised by him may take measures and recover the cost of doing the same from the owner or the occupier…and shall also be liable to a penalty which shall not be less than Rs 1,000 but which may extend to Rs 1 lakh only.”

 

মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না? হতে পারে জরিমানা

মশা দমনে কোনও পদক্ষেপ না নিলে, দিতে হবে জরিমানা। এই মর্মে বিধানসভায় পাস হল দি ওয়েস্ট বেঙ্গল মিউনিসিপাল কর্পোরেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৮।

এছাড়া, হাওড়া মিউনিসিপাল কর্পোরেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৮ এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল মিউনিসিপাল (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৮-ও একই দিনে বিধানসভায় পাস হয়। এই বিলগুলি নিয়ে আলোচনার সময় পৌর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী বলেন, এই আইনের উদ্দেশ্য মানুষের থেকে জরিমানা আদায় নয়। এই পদক্ষেপের ফলে মশা দমনে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত সেই ব্যাপারে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।

আইনে বলা হয়েছে, যদি কোনও বাড়ির মালিক নিজে মশা দমনে কোনও ব্যবস্থা না নেন, পুর কমিশনার নিজে বা তাঁর নিয়োগ করা কোনও পুর আধিকারিক ওই স্থানে মশা দমনের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। পাশাপাশি ওই জমির মালিককে জরিমানা দিতে হবে। এই জরিমানার অঙ্ক ১ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ টাকার মধ্যে হবে।

 

Bengal CM advises use of drone to spot strayed tiger

To spot the tiger that has strayed into the forests around Lalgarh in Paschim Medinipur district, Chief Minister Mamata Banerjee has advised the use of drones. The tiger has been eluding Forest Department officials for the past many days, and hence the measure suggested by the Chief Minister would be a very effective one.

Mamata Banerjee gave this advice to Forest Department officials during an administrative review meeting on March 7 in Bankura district.

The tiger has has also been spotted near Medinipur town; its pug marks have been seen in the outskirts, in Mukarta and Muchiberia villages, less than 10 km away.

The department has already placed a cage in the Chandra Range area, said the divisional forest officer (DFO) of Medinipur. Other measures include the placing of traps in Madhupur in Lalgarh, which was done on March 2.

Earlier, on February 27, the department had installed cameras after villagers complained of cattle vanishing in the area.

According to forest officials, the Royal Bengal tiger is an adult male, and that it might have strayed from Odisha’s Simlipal that is about 190 km away.

 

জঙ্গলে বাঘের খোঁজে ড্রোন ব্যবহারের পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর

গাছে লাগানো ক্যামেরা তো থাকছেই, এবার রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের সন্ধানে ড্রোন ওড়ানোর নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাঁকুড়া জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে পশ্চিম মেদিনীপুর সীমানা বরাবর এলাকার বিডিও এবং বনাধিকারিকদের নির্দেশ দেন, প্রয়োজনে জঙ্গলজুড়ে যেন ড্রোনের নজরদারি চালানো হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২রা মার্চ দক্ষিণবঙ্গের লালগড় জঙ্গলে প্রথম বাঘ থাকার প্রমাণ মেলে। এরপর তাকে লক্ষ্য করা গিয়েছিল ধেড়ুয়ার সিয়ারবনিতে। কিন্তু, প্রায় ৭ দিন নজরদারি করেও মেলেনি সেই বাঘের দেখা, অথচ, মিলেছে বাঘের অস্তিত্বের বহু প্রমাণ। এবার এই আতঙ্ক থেকে সাধারন মানুষকে মুক্তি দিতে উদ্যোগী হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এর আগেও বিভিন্ন সময়ে দুষ্কৃতীদের সন্ধানে, চোরাচালান আটকাতে ড্রোনের নজরদারিতে এসেছে সাফল্য।

Source: Hindustan Times