Bengal Govt to go online with promote Bengal’s Muslin and Baluchari

The West Bengal Handicrafts Development Corporation will inaugurate the country’s first genre-specific online store www.balucharisaree.inand soon an app, exclusively for Baluchari sarees.

Buyers can not only buy Baluchari sarees directly, they can give their design to the weavers and thus customise the product. Besides Baluchari sarees, bags, jackets and ties will also be available.

The demand of Baluchari sarees was going up fast, both in the country and abroad. Apart from the sarees, buyers are interested in various other Baluchari products such as Baluchari jackets and bags which are hand woven with Baluchari designs.

The State Government will encourage budding designers to direct the traditional weavers to make their products contemporary.

West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee had emphasised on reviving Bengal’s traditional culture, which includes Baluchari and muslin. The weavers have been trained and cooperatives have been formed to look after them.

The Baluchari and muslin weavers, who were on the brink of extinction, have got a new lease of life. She has also stressed on the need to sell these products and has proposed to set up Biswa Bangal stalls abroad.

 

বাংলার বালুচরি শাড়ি এবার  পাওয়া যাবে অনলাইনে

পশ্চিমবঙ্গ হস্তশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন বালুচরি শাড়ির জন্য দেশের মধ্যে অনলাইন ষ্টোরের www.balucharisaree.in জন্য প্রথম একটি অ্যাপও চালু করবে।

ক্রেতারা শুধুমাত্র সরাসরি বালুচরি শাড়ি কিনতে পারবেন তা নয় তারা তাঁতিদের নানারকম নকশাও দিতে পারেন। বালুচরি শাড়ির পাশাপাশি এখানে ব্যাগ, জ্যাকেট, টাইও পাওয়া যাবে।

দেশ-বিদেশে বালুচরি শাড়ির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। শাড়ি ছাড়াও বালুচরির অন্যান্য প্রোডাক্ট যেমন বালুচরি জ্যাকেট, বালুচরি ব্যাগ ইত্যাদির চাহিদা বেশি ক্রেতাদের মধ্যে।

আধুনিক মানের প্রোডাক্ট তৈরি করার জন্য রাজ্য সরকার উদীয়মান তাঁত শিল্পীদের উৎসাহিত করবে।

বাংলার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি বালুচরি এবং মসলিন শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার উপর জোর দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের দেখাশোনা করার জন্য সমবায় গঠন করা হয়েছে।

বাংলার বালুচরি ও মসলিন তাঁতিরা যারা কিন্তু বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছিলেন তারা জীবনের এক নতুন ইজারা পেয়েছেন।

তিনি এই পণ্য বিক্রির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে এবং বিদেশে বিশ্ববাংলা স্টলে এইসব পণ্য বিক্রি করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

Jhargram will become a new district soon: WB CM after the first administrative review meeting

After returning to power for the second term, the first block-level administrative review meeting of the West Bengal Government led by Mamata Banerjee took place today. The status of ongoing projects and future action plans were discussed at the meeting.

The West Bengal Chief Minister had announced on June 3, after holding the first State-level administrative review meeting at Town Hall in Kolkata, that she would start her district tours to hold the block-level administrative review meetings from Jangalmahal.

This meeting was held at Jhargram in Paschim Medinipur district. Senior district officials had prepared all documents and reports.

Senior officials of the State Government including the Chief Secretary and the Home Secretary were present during the meeting. Starting from construction of bridges, that had been a long-standing demand of the local people, to setting up of super-speciality hospitals, development on all fronts had brought about a sea change in the lives of the people during the past five years.

People had to travel a long distances to access better treatment facilities, but with the setting up of the super-speciality hospital, it is no longer a problem. Krishak bazaars, ITI colleges and model schools have also come up. Moreover, projects like Khadya Sathi, Kanyashree and Sabuj Sathi have also being implemented.

After the meeting today, the Chief Minister addressed a press conference. She said, “Good work has happened in Paschim Medinipur district. The process of development must continue.”

She promised that all ongoing projects would be completed. The work towards the creation of the district of Jhargram is progressing at a rapid pace.

Regarding the menace of elephants destroying crops, the Chief Minister said, “We have asked the Forest Department to take measures to stop the attacks by elephants in the district.” About the issue of flood control and water conservation, she said, “We have started a project worth Rs 500 crore to construct check dams and other water harvesting measures.”

 

ঝাড়গ্রাম হবে নতুন জেলা: প্রশাসনিক বৈঠকের পর বললেন মুখ্যমন্ত্রী

দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত সরকারের জেলা স্তরের প্রথম প্রশাসনিক বৈঠক ছিল আজ। চলতি প্রকল্প এবং ভবিষ্যতে কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয় এই বৈঠকে।

গত ৩ জুন কলকাতার টাউন হলে প্রশাসনিক বৈঠকের পরই তিনি এই বৈঠকের কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানান যে জঙ্গলমহল থেকেই তিনি তার জেলা সফর শুরু করবেন।বৈঠকটি হয় পশ্চিম মেদিনীপুরের ঝাড়গ্রামে।

বিভিন্ন দপ্তরের প্রশাসনিক প্রধান, সাংসদ, বিধায়ক ও জেলার মন্ত্রীদের সঙ্গে ঝাড়গ্রাম পুলিস সুপারের  বৈঠকের উপস্থিত ছিলেন এই বৈঠকে। সাধারণ মানুষের চাহিদা অনুযায়ী দীর্ঘ সেতু এবং মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হসপিটাল তৈরির কাজ এখানে সম্পন্ন হয়ে গেছে, যা এখানকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে অনেক সহজ করে তুলেছে। এর ফলে মানুষকে চিকিৎসার জন্য আর অতদূর যেতে হবে না।

এখানে কিষাণ বাজার, আইটিআই কলেজ , মডেল স্কুল তৈরি হচ্ছে। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প যেমন খাদ্য সাথী, কন্যাশ্রী, সবুজসাথী ইত্যাদির সহায়তা পাচ্ছে এলাকার মানুষ।

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “পশ্চিম মেদিনীপুরে অনেক ভালো কাজ হয়েছে। উন্নয়নের কাজ অব্যাহত থাকবে। যে প্রকল্পগুলির কাজ চলছে সেগুলি দ্রুত শেষ করা হবে।খুব শীঘ্রই ঝাড়গ্রাম নতুন জেলা তৈরি হবে”।

তিনি আরও জানান, জেলায় হাতির হানা রুখতে বন দপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এছাড়া চেক ড্যাম তৈরি ও সেচ ব্যবস্থার জন্য ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে।

 

 

Surge of development will continue in Bengal: Mamata Banerjee at Narayangarh

Chief Minister Mamata Banerjee inaugurated and laid the foundation stones of several projects today in Narayangarh in Paschim Medinipur district, which will benefit a large section of people along with the residents of Narayangarh block.

The Chief Minister began her speech by dedicating “our victory in the Assembly polls to the Ma Mati Manush of Bengal.” She said the she “had promised that my first district visit after winning would be to Narayangarh,” and she has kept her promise. She went on to say, “We are thankful to you for all the blessings, cooperation and support.” Further, “all the smear campaigns and conspiracies have been defeated” the credit for which goes to “the Ma Mati Manush of the State.” The victory of Trinamool Congress is “a victory of development, a victory of good governance.”

Highlighting the surge of developmental work that the State has witnessed during the last five years, she said, “Despite the huge debt burden, the amount of work we have done during the five years is unprecedented.” This is proved by the fact that, as she said, “95% people in Paschim Medinipur district have received direct Government services during the last five years.”

The Chief Minister then highlighted the various projects and schemes through which the State Government has improved the district: six multi super-speciality hospitals, 11 krishak bazaars, and schemes like Kanyashree, Khadya Sathi and Sabuj Sathi.

However, “the surge of development will not stop.” For example, she said that “We will set up one multi super-speciality hospital in Narayangarh.” Continuing on health, she said, “Infrastructure at Government hospitals has improved during the last five years.” Her Government has “written to the Centre to maintain kerosene supply to Bengal,” adding in the same vein, “We have removed many fake ration cards.” Then, she said that the State Government has “submitted the Ghatal Master Plan for flood prevention to the Centre.”

For ease of administration, the new district of Jhargram is coming up.

Despite a lack of funds from the Centre, the State Government has spent from its own coffers to carry on the development of Jangalmahal. She stamped her determination by saying, “When you perform for the people, no conspiracies can defeat you.”

Mamata Banerjee ended her speech thus: “We have to keep working for the people. We have to make Bengal the best in the world.”

বাংলার উন্নয়নের ধারা বজায় থাকবে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

আজ নারায়ণগড় থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় ইনিংসের জেলা সফর শুরু হচ্ছে। আজ নারায়ণগড়ে প্রশাসনিক সভা করেন তিনি। বেশ কিছু প্রকল্পেরও শিলান্যাসও করেন।

সভা থেকে প্রায় ৬ হাজার মানুষের হাতে সরকারি প্রকল্পের সুবিধে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। ছাত্রীদের সাইকেল, গৃহহীনদের জন্য নতুন গৃহ, আদিবাসীদের বার্ধক্যভাতা, লোকশিল্পীদের ভাতা, বাদ্যযন্ত্র, কৃষকদের পাওয়ার টিলার–সহ কৃষি সহায়ক যন্ত্র প্রদান করা হয়। বহু সরকারি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করা হয়েছে।

উন্নয়নের জোয়ার 

গত পাঁচ বছরের মত এবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত সরকার তার দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম থেকেই উন্নয়নের গতি অব্যাহত রেখেছে। নারায়ণগড় ব্লকে নেকুড়সেনী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তফসিলি উপজাতিভুক্তদের জন্য একটি ২০টি শয্যাবিশিষ্ট নতুন আশ্রম হোস্টেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হল।

ঝাড়গ্রাম, নারায়ণগড়, পিংলা, সাঁকরাইল এবং বিনপুর ব্লকে ধান সংরক্ষণের জন্য গুদাম তৈরির কাজের শিলান্যাস করলেন। নারায়ণগড় ব্লকের ব্রাহ্মণভাড়া ও ডগরায় বাগুই খালের উপর তৈরি হওয়া সেতুর উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। শালবনি ও দাসপুর ব্লকে সমষ্টি প্রাণী উন্নয়ন আধিকারিকের কার্যালয় ও সমষ্টি প্রাণী স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দ্বি-তল নির্মিত ভবন, জেলা পরিষদ মার্কেট কমপ্লেক্সে একটি পানীয় জন সরবরাহ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এছাড়া ডাইনটিকরি, সাহরসাহী ও নেতাইয়ে কংসাবতী নদীর বাম পাড় মেরামত ও ক্ষয় প্রতিরোধ প্রকল্পেরও শিলান্যাস করেন।

সুবর্ণরেখা নদীর পাড় মেরামতির কাজ এবং ভুমিক্ষয় প্রতিরোধ প্রকল্পের কাজেরও শিলান্যাস হয়।  সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প যা ঝাড়গ্রামের মানুষদের অনেক সাহায্য করবে তা হল ঝাড়গ্রামে তৈরি হবে খাদ্য ভবন। একইসঙ্গে চন্দ্রকোনায় তৈরি হবে কর্মতীর্থ। আজ দুটি প্রকল্পেরই শিলান্যাস করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

তার বক্তব্যের কিছু অংশঃ 

  • মা-মাটি-মানুষের সরকারের দ্বিতীয় দফার সরকারের জয় মানুষকে উৎসর্গ করছি
  • আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম প্রথম এই জেলা পরিদর্শনে আসব। আমরা মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ
  • আপনারা আমাদের যে আশীর্বাদ ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়েছেন তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ
  • অনেক কুৎসা চক্রান্ত রুখে ৪৯ বছর পর তৃণমূল কংগ্রেস একক দল হিসেবে এই ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছে
  • এই জয় উন্নয়ন ও সুশাসনের জয়
  • আজকের এই পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা ১৬ হাজার মানুষের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দিচ্ছি
  • গত পাঁচ বছরে মেদিনীপুর জেলার ৯৫% লোকের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিয়েছি
  • পশ্চিম মেদিনীপুরে ৬ টি মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হসপিটাল ও ১১টি কৃষক বাজার তৈরি হয়েছে
  • কন্যাশ্রী, খাদ্য সাথী, সবুজ সাথী প্রকল্প চলবে, বাংলার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে
  • নারায়ণগড়ে ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট একটি মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হসপিটাল তৈরি হবে
  • বাংলায় পর্যাপ্ত পরিমানে কেরোসিন তেল সরবরাহ যাতে চালু থাকে সেজন্য আমরা কেন্দ্রকে চিঠি লিখেছি
  • অনেক জাল রেশন কার্ড আমরা বাতিল করেছি
  • নতুন জেলা ঝাড়গ্রাম তৈরি হচ্ছে
  • বন্যা প্রতিরোধের জন্য ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান পেশ করেছি কেন্দ্রের কাছে
  • কেন্দ্র টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিলেও জঙ্গলমহলের উন্নয়নের ধারা আমরা বজায় রেখেছি
  • মানুষের জন্য কাজ করলে কোন রকম ষড়যন্ত্র বা চক্রান্ত তাকে পরাজিত করতে পারে না
  • আমরা মানুষের জন্য কাজ করে যাব। বাংলাকে বিশ্বসেরা করাই আমাদের লক্ষ্য
  • কাজ করাটাই আমাদের নেশা এবং পেশা। কাজ করে যেতে হবে
  • গত পাঁচ বছরে রাজ্যের সরকারি হাস্পাতালগুলির পরিকাঠামো সম্পূর্ণ বদলে গেছে, আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছি

WB CM writes to Centre on drastic reduction of kerosene share

Chief Minister Mamata Banerjee on Friday wrote to the Centre seeking intervention as there had been a drastic reduction in the share of kerosene for West Bengal since April 2016.

In her letter to the Union Minister of State (Independent Charge) for Petroleum and Natural Gas, the Chief Minister stated that “since April 2016, there has been drastic reduction in allocation (of kerosene oil by the Central Government for the State of West Bengal) which will cause grave distress to consumers in remote and tribal areas and will adversely affect the poor, schedule caste, schedule tribe, minority community and the economically weaker sections of society.”

She further stated in the letter that the State Government has cancelled 1.41 crore fake ration cards and has thus ensured that only the “targeted population” gets the benefit. The Chief Minister requested the Union Minister to take the necessary and urgent steps so that the State gets its allocated 78,608 kL of kerosene as it “existed in March 2016.”

 

কেরোসিনের বরাদ্দ কমানোর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

রেশনে কেরোসিনের বরাদ্দ কমানোর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়ে এবং বিষয়টি পুনরবিবেচনার জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে চিঠি দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ২০১৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে রাজ্যের গরিব, তফসিলি জাতি উপজাতি সহ সমাজের দুর্বল অংশের জন্য যে কেরোসিন তেল বরাদ্দ হয়েছে তার সরবরাহ সঠিক ভাবে করছে না কেন্দ্র। ফলে এইসব মানুষগুলি কেরোসিন তেল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

তিনি চিঠিতে এও জানান যে পশ্চিমবঙ্গ প্রায় ১ কোটি ৪১ লক্ষ জাল রেশন কার্ড বাতিল করেছে। এ রাজ্যে কেরোসিন তেলের কম সরবরাহের বিষয়টি দেখার জন্য তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে অনুরোধ করে বলেন ৭৮,৬০৮ কেএল রাজ্যের জন্য বরাদ্দ কেরোসিন সঠিকভাবে এ রাজ্যকে সরবরাহ করা হোক।

Bakreswar Development Authority set up

The State Urban Development Department on Friday set up Bakreswar Development Authority (BKDA) for comprehensive development of the area. The jurisdiction of the authority covers 42 moujas, spread over 58 square kilometres across Dubrajpur block (and including Dubrajpur municipality) in Birbhum district. The authority has been formed to explore the tourism potential of the area and the economic development of people.

Accordingly, a master development plan would be prepared along with a land use development and control plan (LUDCP). This will help to develop the area systematically in accordance with the provision of the West Bengal Town and Country Planning Act, 1979.

A senior official of the Urban Development Department said it had been decided that no haphazard development would be allowed in any area. Bakreswar has tremendous potential as a tourist spot. There are many hot springs to which thousands of people go every year.

 

Image source: downtoearth.org.in

 

বক্রেশ্বর উন্নয়ন পর্ষদ গড়ল রাজ্য সরকার

বক্রেশ্বর উন্নয়ন পর্ষদ তৈরি করে ওই এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এর মাধ্যমে বক্রেশ্বর পর্যটন শিল্পের প্রসার ঘটবে।

দুবরাজপুর পুরসভা ও ব্লক এলাকা নিয়ে তৈরি হবে এই বক্রেশ্বর উন্নয়ন পর্ষদ। ৮২টি মৌজা এর অন্তর্ভুক্ত হবে। এই উন্নয়ন পর্ষদের মোট আয়তন ৫৮ বর্গ কিলোমিটার। বক্রেশ্বর এলাকার পর্যটনকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার জন্যই সরকারের এই উদ্যোগ।

পর্ষদের প্রধান কাজ হল বক্রেশ্বরের উষ্ণ জলপ্রপাত, মামা ভাগ্নে পাহাড়সহ ছড়িয়ে থাকা পর্যটনকেন্দ্রগুলিকে সাজিয়ে পর্যটকদের কাছে তা আরও আকর্ষণীয় করে তোলা। পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।

বক্রেশ্বর উন্নয়ন পর্ষদ গঠন করে এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব। সর্বোপরি একটি পর্ষদের আওতায় এনে এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন ঘটানো আরও সহজ।

Banglar Fasal: State initiative to sell veggies at a fair price

The State Co-operation Department has taken steps to introduce Banglar Fasal, an initiative to sell vegetables at a fair price after procuring them directly from farmers. It will be introduced in Barrackpore and then gradually extended across the state. The stall in Barrackpore will come up on June 22, said Arup Roy, the State Co-operation Minister.

It may be mentioned that earlier a project similar called Sufal Bangla was introduced. This new project will be helpful to both common people and farmers. The farmers will be benefitted as the State Government will directly procure their cultivated crops and on the other hand, common people will get vegetables at a fair price.

It will also help to curb the problem of unnecessary increase in the price of essential commodities as there will no more be the intervention of middlemen.

 

‘বাংলার ফসল’ – রাজ্যের উদ্যোগে ন্যায্য মূল্যে সবজি বিক্রি

কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ফসল কিনে সুলভ মূল্যে রাজ্যবাসীর কাছে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য কো-অপারেশন দপ্তর। প্রকল্পের নাম ‘বাংলার ফসল’। প্রথমে এটি শুরু হবে ব্যারাকপুরে তারপর আসতে আসতে সারা রাজ্যে ছড়িয়ে পরবে। আগামী ২২ শে জুন ব্যারাকপুরে এই স্টলের উদ্বোধন হবে, শুক্রবার নবান্নে একথা জানান রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়।

এখানে নানা ধরনের সবজি রাখা থাকবে। এর আগেও এই ধরনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যা খুব ভালোভাবে চলছে। এই নতুন পরিকল্পনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ এবং কৃষকরা সকলেই উপকৃত হবেন।

রাজ্য সরকার সরাসরি কৃষদের থেকে তাদের ফলানো ফসল সংগ্রহ করার ফল কৃষকরা উপকৃত হবেন এবং অন্যদিকে সাধারণ মানুষের ন্যায্য মূল্যে সবজি পাবেন।

এছাড়া নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির সমস্যা থেকে মধ্যবিত্তদের সাহায্য করবে এই প্রকল্প।

Thanks to Mamata Banerjee’s policies, Manjusha earns profit for the first time in 37 years

For the first time since its inception, Manjusha, the State’s handicrafts development corporation, has made an operational profit, amounting to Rs 3.87 crore, during the fiscal year 2015-16. The corporation also witnessed its highest-ever business turnover during this fiscal, amounting to Rs 46.75 crore.

After the change of guard in the State, Chief Minister Mamata Banerjee had taken up a series of programmes to give a facelift to micro, small and medium scale enterprises (MSME) in the State. Special emphasis was laid on Manjusha and Tantuja (the State’s handloom weavers’ co-operative). Steps were taken to ensure better management of the quality of products, creation of a wider product base, better management of the organisations and setting up of e-commerce facilities.

Manjusha was established in 1978. Over the past 37 years, this is the first time that the corporation has witnessed a profit, and it does not include any subsidy by the Government.

Tantuja has been churning out profits for the last three consecutive years. During 2015-16, it made a profit of Rs 3.3 crore, when the total business turnover stood at Rs 123 crore.

The introduction of the Biswa Bangla brand has set a mark and has helped immensely in the marketing of handicrafts and handloom products. It has resulted in a sharp increase in the demand for products made by artisans from different parts of the State.

 

৩৭ বছর পর লাভের মুখ দেখল মঞ্জুষা

এই প্রথমবার ৩৭ বছর বাদে ২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে মঞ্জুষা ৩ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা লাভ করে। এই বছরেই মঞ্জুষার মোট বিক্রির পরিমান ছিল ৪৬ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা।

২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী প্রথমবার ক্ষমতায় এসেই তাঁত শিল্পের অগ্রগতির বিষয়ে উদ্যোগী হন। গত পাঁচ বছরে মঞ্জুষা ও তন্তুজ আর্থিকভাবে বিশাল লাভবান হয়। জিনিসের গুনুগতমান ভাল করা, সংগঠনের ভাল ব্যবস্থাপনা এবং ই-কমার্স সুবিধা নিশ্চিত করার জন্যও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

মঞ্জুষা স্থাপিত হয় ১৯৭৮ সালে। গত ৩৭ বছরে সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভর করেই ছিল সংস্থাটি। ২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে মঞ্জুষার লাভের পরিমাণ ৩ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা।

২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে তন্তুজের লাভের পরিমান ছিল ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর আর্থিক বছরে তন্তুজের লাভের পরিমান ছিল ২৫ লক্ষ টাকা সেখান থেকে ৩কোটি ৩০ লক্ষ টাকা লাভের মুখ দেখতে সক্ষম হয়েছে তন্তুজ।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিশ্ব বাংলা ব্র্যান্ড হস্তশিল্প ও তাঁত পণ্য বিপণনে অত্যন্ত সাহায্য করেছে। এর ফলে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে এইসব পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

Bengal Tourism to get a sweet makeover

The West Bengal Government is giving its tourism pitch a makeover, with a new catchline and a new video. Bengal brand ambassador Shah Rukh Khan and actor-turned-Trinamool MP Dev feature in the video that will be shown at cinemas and multiplexes, on TV channels, and will be uploaded on YouTube.

The catchline has been changed to ‘Experience Bengal – The Sweetest Part of India.’ Preparations are on in full swing to launch the campaign soon.

After being elected for a second term with overwhelming majority, Chief Minister Mamata Banerjee said that tourism remains one of her top priorities.

The new film, that is ready to go on air, has been shot for an international audience.

Shooting took place in prominent tourist spots of the state – from Darjeeling and the Dooars in the north to Bolpur, Digha and the Sunderbans in the south.

 

বাংলার পর্যটন শিল্পের প্রসারণ 

একটি নতুন ক্যাচ লাইন ফিল্ম ভিডিওর সঙ্গে পর্যটনক শিল্পে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।

বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর শাহরুখ খান এবং অভিনেতা ও তৃণমূল সাংসদ দেব রয়েছেন এই ভিডিওতে। সিনেমাটি দেখানো হবে মাল্টিপ্লেক্স, টিভি চ্যানেলে, এছাড়া ইউটিউবেও আপলোড করা হবে।

ফিল্মটির ক্যাচ লাইন পালটে রাখা হয়েছে – ‘Experience Bengal – Sweetest Part of India’. খুব শীঘ্রই প্রচারপ্রস্তুতি শুরু হবে তাই পুরদমে কাজ চলছে।

নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর কাজের শীর্ষ অগ্রাধিকারের তালিকায় যেসব দপ্তর রয়েছে তার মধ্যে একটি হল পর্যটন।

নতুন যে ফিল্মটি প্রস্তুত করা হয়েছে সেটি শ্যুট করা হয়েছে আন্তর্জাতিক স্তরের দর্শকদের জন্য।

রাজ্যের বেশ কিছু নামী জায়গায় শ্যুটিং হয়েছে যেমন – উত্তরের দার্জিলিং, ডুয়ার্স এবং দক্ষিণের বোলপুর, দীঘা এবং সুন্দরবনে।

KMC to hold free medical camps in every ward

The Kolkata Municipal Corporation (KMC) has taken a move to bring more people under its healthcare banner and treat them free of cost.

The KMC’s health department has issued a circular stating that it will hold medical camps in its schools, clubs and parks in consultation with the councillors where people will be provided treatment free of cost.

The decision was taken as it was found that in many wards the turn-out of patients was poor. KMC will conduct massive awareness campaigns in the area urging people to attend the camps. As medicines are given free of cost, people often believe that they have not been treated properly.

Civic officials hope that the camps will help them to come out of this misconception. KMC has qualified doctors and specialists and this camp will bring more people under KMC’s medical service.

There are 144 ward health units under KMC along with 148 laboratories and 5 Dengue detection centres. The construction of health units in three newly added wards, namely, wards 142, 143 and 144 are on. The KMC labs have trained technicians and they are kept open 24×7 when malaria breakout takes place in the city.

The KMC doctors follow WHO guideline to prescribe drugs for malaria. This often varies from the dose given by private practitioners.

KMC has been praised nationally for its steps to combat malaria and dengue. KMC officials said once malaria was detected, medicine was given to the person afflicted with the disease, free of cost.

Kolkata Mayor Sovan Chatterjee said it was the policy of the state government to give medical facilities to more people free of cost.

 

সব ওয়ার্ডে বিনামূল্যে মেডিক্যাল ক্যাম্প করছে কলকাতা পুরসভা

সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার জন্য কলকাতা পুরসভা বেশ কিছু নতুন উদ্যোগ নিতে চলেছে।

KMC-র স্বাস্থ্য দপ্তর একটি সার্কুলার জারি করেছে যে কাউন্সিলরদের সঙ্গে আলোচনা করে স্কুল, ক্লাব ও পার্কগুলিতে মেডিক্যাল ক্যাম্প চালু করা হবে যার মাধ্যমে মানুষ বিনামূল্যে ওষুধ পাবে।

সিভিক কর্মকর্তাদের আশা যে এই ক্যাম্পগুলি মানুষকে ভুল ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে সাহায্য করবে। KMC- র অনেক যোগ্যতা সম্পন্ন এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আছেন এবং এই ক্যাম্পগুলির মাধ্যমে অনেক মানুষ বিনামূল্যে চিকিতসার সুযোগ পাবেন।

কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত ১৪৪ টি হেলথ ইউনিট, ১৪৮টি ল্যাবরেটরিজ, ৫টি ডেঙ্গু সনাক্তকরণ সেন্টার রয়েছে। ১৪২, ১৪৩ এবং ১৪৪ নং ওয়ার্ডে হেলথ ইউনিট তৈরির কাজ চলছে। কলকাতা পৌরসংস্থার ল্যাবগুলি টেকনিশিয়ান প্রশিক্ষণ দিয়েছি এবং শহরে যখন ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বেড়ে যায় তখন এগুলি ২৪ ঘণ্টা সবসময় খোলা রাখা হয়।

কলকাতা পুরসভার ডাক্তাররা WHO-র গাইডলাইন মেনে ম্যালেরিয়ার ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন যা প্রায়ই প্রাইভেট অনুশীলনকারীদের দেওয়া ওষুধের ডোজ থেকে আলাদা হয়।

ম্যালেরিয়া আর ডেঙ্গুর জন্য নেওয়া প্রতিরোধকমূলক ব্যবস্থার জন্য জাতীয় স্তরে যথেষ্ট প্রশংসা পেয়েছে কলকাতা পুরসভা। পুরসনভার কর্মকর্তারা জানান, একবার ম্যালেরিয়া সনাক্ত করা হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে দেওয়া হয় বিনামূল্যে ওষুধ দেওয়া হয়।

কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়াই রাজ্য সরকারের নীতি।

 

Bengal Irrigation Dept looks to finish 65 km long embankment in 15 days

The State Irrigation Department has taken up the task to complete the strengthening of 65 km long embankment in Sunderbans area within the next 15 days.

The State Irrigation minister Rajib Banerjee went to South 24-Parganas and the vulnerable areas to take a stock of the situation ahead of the monsoon season.

After the Trinamool Government took charge in 2011, the irrigation department has taken up steps to ensure minimum loss, in case there is any flood by constructing embankments and strengthening them wherever necessary ahead of the monsoon. It had brought a sea of change in the lives of the people in the areas who are vulnerable to flood. Five years ago, the people in those areas used to remain prepared to search for shelter leaving their houses, because no measures were taken to avoid those villages getting inundated by water during monsoon.

The Minister said that following the instruction of the Chief Minister Mamata Banerjee, the irrigation department has undertaken necessary work so that people do not have to pass through any difficulties.

After visiting various places in South 24-Parganas on Wednesday, he held meeting with all the MLAs and senior district officials including the District Magistrate.

He said that the dredging work of two to three canals are also going on and the work will be completed soon. At the same time the strengthening work of the embankments will also take place in war footing. The task will be completed much ahead of the next date of high tide, when water level in rivers goes up to a considerable level.

A team comprising officials of the irrigation department has also been posted for round-the-clock monitoring.

He said a few long term projects will also be taken up besides these short term projects. The major task among the long term projects is to construct concrete embankments in some areas in the district.

There are land issues in some places and he has urged the MLAs to take necessary steps to resolve those problems as early as possible, so that the work can be started soon after the monsoon.

Three heavy duty pumps have also been installed at Sonarpur pumping station so that water logging would not be a problem anymore in the urban parts of Sonarpur.

At the same time the work of cleaning 27 km of Tolly Nala has also been taken up and directions have been given to expedite the work.

 

১৫ দিনের মধ্যে ৬৫ কিলোমিটার বাঁধ সম্পন্ন করার কাজ নিয়েছে সেচ দপ্তর

রাজ্য সেচ বিভাগ আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সুন্দরবন এলাকায় ৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধ সম্পন্ন করার কাজ হাতে নিয়েছে।

বর্ষার আগে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যের সেচমন্ত্রী রাজীব ব্যানার্জি দক্ষিণ 24 পরগনা এবং বন্যাপ্রবন এলাকা পরিদর্শনে যান।

২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর সেচ বিভাগ বাঁধ নির্মাণ ও তাদের শক্তিশালী করে বন্যা প্রতিরোধের সবরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বন্যা প্রবন এলাকার মানুষের জীবনে এক বিপুল পরিবর্তন এনেছে সেচ দপ্তর।

পাঁচ বছর আগে, ওই গ্রামগুলোর  জন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বর্ষার সময় প্লাবিত হওয়ার কারণে এলাকার লোকেদের ঘর ছেড়ে নতুন আশ্রয়ের অনুসন্ধান করতে হত।

মন্ত্রী জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী সেচ বিভাগ বেশ কিছু প্রয়োজনীয় কাজ হাতে নিয়েছে, যাতে মানুষকে কোনরকম অসুবিধার মধ্যে পরতে না হয়।

বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করেছেন। বিধায়ক এবং সিনিয়র জেলা শাসকদের সঙ্গে বৈঠকও করেন।

 

মন্ত্রী জানান, সেচ বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত একটি দল সর্বক্ষণ পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি বলেন, ছোট ছোট প্রকল্পের পাশাপাশি বেশ কিছু দীর্ঘ মেয়াদী প্রকল্পও নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ মেয়াদী প্রকল্পগুলির মধ্যে প্রধান কাজ জেলার কিছু এলাকায় কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণ করা।

কিছু কিছু জায়গায় জমি নিয়ে সমস্যা আছে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেগুলি মিটিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিধায়কদের যাতে বর্ষা শেষ হওয়ার পর দ্রুত কাজ শুরু করা সম্ভব হয়।

সোনারপুরে যাতে বৃষ্টি হলে জল না জমে তাই সোনারপুর পাম্পিং স্টেশনে তিনটি ভারী পাম্প বসানো হয়েছে।

একইসঙ্গে টলি নালার ২৭ কিলোমিটার অংশ পরিশকার করার কাজ নেওয়া হয়েছে এবং কাজ তাড়াতাড়ি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।