Mamata Banerjee hits out against hate and malicious political campaign on social media

Bengal Chief Minister and Chairperson of All India Trinamool Congress Mamata Banerjee today hit out against the hate and malicious political campaign on social media. She accused “one section of religious group, belonging to a political party ruling at the Centre and also in the name of their sister organizations and others (either in their real names or fictitious names – আসল নামে ও বেনামে – असली नाम या बेनाम) are distorting my views, opinions, sayings and thus misleading people with my photos through some fake accounts.”

“I strongly condemn such scandalous activities by the so-called Hindu zealots. This type of communal forces, with their political vendetta, is maligning people. They cannot fight the battle politically and also on developmental front with me. So they are launching personal attack and using hate-campaign through social media. Those are sponsored by various persons and organizations,” she added.

“Our fight will continue and let us join hands together against these hate and malicious political campaign,” the Bengal CM said.

Here is the full post by Mamata Banerjee:

 

 

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার বক্তব্য বিকৃত করে কুৎসা করছে বিজেপি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ওড়িশায় গিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বিজেপি–‌র বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন। বুধবার পুরীর মন্দিরে তিনি পুজো দেন। মিডিয়াকে মমতা বলেন, বিজেপি পুবের দিকে তাকালে আমি দিল্লির দিকে তাকাব। ওড়িশার মাটিতে দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, অ–‌বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির ওপর বিজেপি বেশি অত্যাচার করছে। আঞ্চলিক দলগুলির জোট বাঁধার প্রয়োজন। বিজেপি মনে করে, বাংলা, ওড়িশা, বিহার–‌সহ অ–‌বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি খারাপ। তাই তাদের ওপর যত পারো অত্যাচার করো। মমতা বলেন, কীসের ভাল বিজেপি?‌ ওরা তো দাঙ্গা লাগাতে চাইছে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে চাইছে। শান্ত বাংলাকে অশান্ত করতে চাইছে বিজেপি।

মমতা মিডিয়াকে বলেন, নারদ কাণ্ড বিজেপি–‌র চাল। নিজেদের স্বার্থে ওরা এ কাজ করছে। মমতা নিজেকে প্রকৃত হিন্দু বলে দাবি করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, বিজেপি হিন্দুত্বের কলঙ্ক। ওরা আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করছে। এর জবাব মানুষ দেবে।

ফেসবুকে মমতা

এদিন তাঁর নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট তৈরি করে তাঁর মতামত ‌ও বক্তব্যকে বিকৃত করার অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। নিজের ফেসবুক পোস্টে মমতা জানালেন, কিছুদিন ধরে কেন্দ্রের শাসক দলের ছত্রছায়ায় ‌থাকা বিশেষ একটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর লোকজন এভাবে তাঁকে জনসমক্ষে হেয় করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তথাকথিত হিন্দুত্ববাদী তকমা তাদের গায়ে। আসলে তারা মৌলবাদী। রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি নিয়ে তারা এ–‌সব কাজ করে চলেছে। রাজনৈতিকভাবে না পেরে, উন্নয়নের কর্মযজ্ঞের সামনে দাঁড়াতে না পেরে, এখন তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত আক্রমণের রাস্তা নিয়েছে। এদের পিছনে রয়েছে কিছু ব্যক্তি আর সংগঠন। তাদের কাছ থেকে হিন্দুত্ব শেখার কিছু নেই। হিন্দুত্ব ধর্মীয় সহিষ্ণুতা শেখায়। হিন্দু ধর্ম তথাকথিত এই হিন্দুত্ববাদীদের একচেটিয়া নয়। ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতন্ত্রই আমাদের ঐতিহ্য। আম্বেদকরের তৈরি সংবিধান সেই রক্ষাকবচ দিয়েছে। দেশ ও দেশের মানুষের জন্য আমাদের জীবন উৎসর্গিত। ওদের ও–‌সব জঘন্য প্রচার আমাদের আঘাত করতে পারবে না। ঐক্যই আমাদের শক্তি। ওই সব গুজব বা মিথ্যা প্রচারে কান না দেওয়ার জন্যও সকলের কাছে আবেদন রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Eco Park a major success, footfall crosses 75 lakh

The footfall at Eco Park has crossed the 75 lakh mark according to a statistics issued by the Housing Infrastructure Development Corporation (HIDCO). Exactly 75,01,629 have visited the Eco Park.

Chief Minister Mamata Banerjee inaugurated the park on December 29, 2012 and it was thrown open to public from January 1, 2013. The park was set up on a 480-acre land and is surrounded by 112 acres of waterbody.

The park has become the most attractive destination for both domestic and foreign tourists because of its uniqueness. There are flower gardens and mystic gardens and the new addition will be a hibiscus garden. There is an arena where people can enjoy cycling and also a joggers’ ally. There is a zone for other indoor games as well and people can go for boating inside the park.

Two restaurants, Café Ekanta renamed by Chief Minister and a houseboat restaurant offer mouthwatering dishes. The USP of Eco Park is cleanliness. A person littering or throwing soiled papers and plastic outside waste bins are fined.

 

নিউটাউন ইকোপার্কে পর্যটকের সংখ্যা ছাড়াল ৭৫ লক্ষ

নিউটাউনের এক পার্ক এখন এক জমজমাট পর্যটন কেন্দ্র। ২০১২ সালে এই পার্কের উদ্বোধনের পর থেকে এখানে এখন অবধি ৭৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ এসেছেন, এমনটাই দাবি হিডকোর।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১২ সালের ২৯শে ডিসেম্বর এই পার্কটির উদ্বোধন করেন ও ২০১৩ সালের ১লা জানুয়ারি সাধারন মানুষের জন্য পার্কটি খুলে দেওয়া হয়। ১১২ একরের একটি জলাশয়কে ঘিরে ৪৮০ একর জমিতে তৈরী হয়েছে এই পার্কটি।

ইতিমধ্যেই এক পার্ক দেশী ও বিদেশী পর্যটকদের মন জয় করে নিয়েছে। এখানে আছে বিভিন্ন ধরনের ফুলের বাগান, জগিং ও সাইক্লিং করার জায়গা, বিভিন্ন ইনডোর গেমস। পাশাপাশি মানুষ এখানে বোটিংও করতে পারেন। ভোজনরসিকদের জন্য এখানে আছে নানা খাবারের সম্ভার; রয়েছে ক্যাফে একান্তে।

পার্কের পরিচ্ছন্নতা একে করে তুলেছে দর্শকদের কাছে আরও মনোগ্রাহী। কেউ নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া নোংরা ফেললে বা কোনও ভাবে পার্কটিকে অপরিচ্ছন্ন করলে তাকে ফাইন দিতে হয়।

 

Bengal to export 1,000 MW power to Nepal, Bhutan

The Bengal Government will soon export 1,000 Mega Watt (MW) electricity to various neighbouring countries including Nepal and Bhutan. Meanwhile, the capacity of the export of electricity to Bangladesh will also be increased.

The power plants in Bengal have been generating nearly around 7,000 MW of electricity every day on an average and private power plants around 11,000 MW.  During peak hours, the state needs nearly 9,000 MW a day. Bengal ranks second after Maharashtra in terms of production of electricity without the assistance of the Centre.

Bengal is among the few Indian states to have surplus power which is a major achievement as it has been viewed by many. Production of power in the State has gone up in the last few years.

 

নেপাল, ভুটানে ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে বাংলা

শীঘ্রই নেপাল ও ভুটান সহ বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশগুলোকে ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে রাজ্য সরকার। এর পাশাপাশি বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিমাণও বৃদ্ধি করা হবে।

বাংলার সরকারী পাওয়ার প্ল্যান্ট গুলি প্রতিদিনে প্রায় ৭০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে এবং বেসরকারী পাওয়ার প্ল্যান্ট গুলি প্রতিদিনে প্রায় ১১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। একটি কর্মব্যস্ত দিনে প্রায় ৯০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন রাজ্যের।  কেন্দ্রের সহযোগিতা ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাংলার স্থান (দ্বিতীয়) মহারাষ্ট্রের পরেই।

ভারতবর্ষের কয়েকটি মাত্র রাজ্যের মধ্যে বাংলা একটি যেখানে পাওয়ার সারপ্লাস আছে যা নিঃসন্দেহে একটি বড় অ্যাচিভমেন্ট। গত কয়েক বছরে রাজ্যের বিদ্যুৎ উৎপাদনও বেড়েছে।

 

Bengal Govt initiates steps to ensure water supply till ‘tail end’

The state Irrigation and Waterways department has initiated taking all necessary steps to ensure supply of water till the “tail end” of Purulia district for cultivation of crops. The state Irrigation department has decided to bring in 35,000 acre of agricultural land in Purulia, which is a drought-prone district, under the irrigation project.

In a bid to make this huge challenge of providing water to this drought-prone district a reality, the state Irrigation and Waterways department has decided to carry out different projects worth Rs 30 crore this year. It includes the crucial task of restoration of canals. At the same time, the embankments of different canals will also be repaired.

It may be mentioned that once Purulia used to suffer immensely as agriculture was almost impossible due to lack of water. The scenario has changed a lot with several steps being taken in the past five-and-a-half years after the change of guard took place in the state. Now, the present government is aiming supply of water to each and every part of the district.

The Irrigation and Waterways department has already created 89 check dams only in Bankura and the work to construct another eight is going on in full swing.  It may be mentioned that the state government has brought in more 3 lakh acre of agricultural land under the irrigation programme in the current fiscal and as a result there was no shortage of water either for Rabi or Boro crops. Moreover, one lakh out of the three lakh acre comes under Jangalmahal area.

 

রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও জল সরবরাহ করার উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার

পুরুলিয়া জেলার মত প্রত্যন্ত অঞ্চলেও যাতে পর্যাপ্ত জলের জোগান দিয়ে চাষবাস করা যায়, তার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্যের সেচ ও জলপথ দপ্তর। পুরুলিয়া জেলার ৩৫,০০০ একর চাষের জমিকে এই সেচ প্রকল্পের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওই দপ্তর।

পুরুলিয়ার মত খরা প্রবণ অঞ্চলে জল পৌঁছে দেওয়া খুব কঠিন কাজ। তাই, সেচ ও জলপথ দপ্তর ৩০ কোটি টাকা ব্যায়ে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে, খাল সংস্কার, খালগুলির বাঁধ মেরামত করা, ইত্যাদি।

উল্লেক্ষ্য, সাড়ে পাঁচ বছর আগে জলের অভাবের জন্য পুরুলিয়ায় চাষবাস ছিল প্রায় অসম্ভব। কিন্তু ২০১১ সালে পরিবর্তনের পর রাজ্য সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। সেচ ও জলপথ দপ্তর শুধু বাঁকুড়া জেলাতেই ৮৯ টি চেক ড্যাম তৈরি করেছে; আরও ৮ টি তৈরীর কাজ জোর কদমে চলছে।

রাজ্য সরকার চলতি আর্থিক বর্ষে ৩ লক্ষ একর জমিকে সেচ প্রকল্পের আওতায় নিয়ে এসেছে। এর ফলে রবি ও বোরো চাষের জন্য জলের অভাব হবে না। এই তিন লক্ষ একর জমির মধ্যে এক লক্ষ একর জমি জঙ্গলমহলে।

 

Tea gardens on the banks of the Subarnarekha

Surprising as it may sound, tea gardens are coming up in the newly-created Jhargram district, on the banks of the Subarnarekha. The project has been taken up by the Gopiballavpur-2 panchayat samity as part of the 100 Days’ Work scheme.

Sloping grounds have been built and the tea saplings planted. The tea saplings have been brought from Siliguri. Water has been arranged through special irrigation facilities. The plantations are being looked after by 100 Days’ Work job card-holders.

The advantages would be two-fold: employment and tourism. There are also plans to expand the tea cultivation in the district.

 

সুবর্ণরেখা নদীর বাঁধে ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে তৈরী হচ্ছে চা বাগান

সুবর্ণরেখা নদীর বাঁধে মাটির ঢাল তৈরী করে সেখানে চা বাগান তৈরী করছে ঝাড়গ্রাম জেলা।

গোপীবল্লভপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতি এই প্রকল্পের কাজ চালু করেছে। ১০০ দিনের কাজে নিযুক্ত শ্রমিকদের নিযুক্ত করা হচ্ছে এই কাজে। দক্ষিণবঙ্গে তো বটেই, পশ্চিম মেদিনীপুর বা ঝাড়গ্রাম জেলায় এইভাবে চা বাগান তৈরীর উদাহরণ প্রায় নেই বললেই চলে।

গত ডিসেম্বর মাসেই শিলিগুড়ি থেকে আড়াই ফুট উচ্চতার চা গাছ এনে দেড় বিঘা জমিতে লাগানো হয়েছে। কুঠিঘাটে চা বাগান তৈরী করে কার্যত নজির তৈরি করেছে এই ব্লক।

১০০ দিনের কাজে নিযুক্ত শ্রমিকরা ঢালু জমি তৈরী করে এই চা গাছ লাগিয়েছেন। জবকার্ড হোল্ডারদের গাছ পরিচর্যার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য, পর্যটকদের কাছে জায়গাটি আকর্ষণীয় করে তোলা এবং কর্মসংস্থান। চা চাষে সাফল্য মিললে ভবিষ্যতে আরও বেশি ঢালু জমি তৈরী করে চাষের এলাকা বাড়ানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হবে।

 

 

 

Bengal’s Sericulture Museum to get a new look

The office of the Directorate of Textiles (Sericulture) of the Bengal Government on Ganesh Chandra Avenue in Kolkata contains a unique collection of sericulture-related artefacts, many of them priceless, comprising the Sericulture Museum. Now plans are afoot to completely renovate the museum and make it a tourist attraction.

Among the priceless artefacts are about 150-year-old silk dresses, rare bamboo articles, beautiful showpieces made of shells, beautiful hand-woven sarees, some of which even have workings in gold.

The museum contains the first Durga idol based on a theme. It also contains various archaeological objects and other stuff.

The State Agriculture Department is doing the renovation. Besides tourists, this treasure trove is also expected to benefit students of history.

 

 

নতুন করে সাজছে সেরিকালচার মিউজিয়াম

কলকাতার গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউয়ের রেশম চাষের দপ্তরে রয়েছে এক আশ্চর্য সংগ্রহশালা। এই মিউজিয়ামকে নতুন করে জনগণের জন্য সাজিয়ে তুলবে রাজ্য সরকার।

এই সংগ্রহশালায় রয়েছে কমপক্ষে ১৫০ বছর আগের বাংলার রেশম বস্ত্র, যার খ্যাতি রয়েছে বিশ্বজোড়া। এছাড়াও রয়েছে বিরল বাঁশের শৌখিন দ্রব্য, সুদৃশ্য শাঁখের তৈরী শোপিস, নিপুণ হস্তশিল্পের ছোঁয়ায় নানা রকমের শাড়ি (যার কোনটার মধ্যে রয়েছে সোনার কাজ করা)।

কলকাতার প্রথম থিমের দুর্গা মূরতিটিও রয়েছে এই সংগ্রহশালায়। চোখ ধাঁধানো সম্ভার সংরক্ষিত রয়েছে কাঁচের বাক্সয় এছাড়া রয়েছে দুর্লভ প্রত্নতত্ত্ব দ্রব্য।

রাজ্য কৃষি দপ্তর এই সংগ্রহশালাটি প্রকাশ্যে আনার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করেছে। এই সংগ্রহশালা জনগণের জন্য খুলে দেওয়া হলে সুবিধা হবে অনেক ইতিহাসের ছাত্রছাত্রীদের।

 

 

Bengal Forest Dept sets up toll-free number for helping wild animals

Often it happens that wild animals enter localities, and then they have to be sent back into forests. It is the Forest Department which is tasked with this work. Then, poaching forms a major threat to the existence of many wild fauna.

The State Forest Department, naturally, is seized of the issues, and so is constantly on the lookout for ways and means to counter these in a firm manner.

As a step towards that, the Department has started a 24-hour toll-free helpline to enable people to contact its personnel regarding any concern related to the wild denizens of Bengal. After being intimated of any issue, the Forest Department would take adequate steps.

The helpline consists of three numbers – one landline number and two mobile numbers: 23340234, 9073237918, 9073237918.

 

 

বন্যপ্রাণীদের নিরাপত্তায় টোল ফ্রি নম্বর চালু করল রাজ্য বন দপ্তর

প্রায়ই লোকালয়ে ঢুকে পড়ে বন্যপ্রাণীরা, তখন তাদের আবার বনে ফেরত পাঠাতে হয়। চোরাশিকারের ফলে সারা পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে বহু প্রাণী, এই অপরাধ আটকানো খুব প্রয়োজন।

এই ব্যাপারে সবসময়ই তৎপর রাজ্য বন দপ্তর। এবার তারা নিলেন আরও এক দৃঢ় পদক্ষেপ। তারা নিয়ে এলেন বন দপ্তরের ২৪ ঘণ্টার টোল ফ্রি নম্বর।

এই টোল ফ্রি নম্বরের মাধ্যমে রাজ্যের সকল প্রান্তের মানুষ ২৪ ঘণ্টা বন্যপ্রাণী সংক্রান্ত যেকোনো প্রয়োজনে বন দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। বন দপ্তরও মুহূর্তের মধ্যে উপযুক্ত ব্যাবস্থা নিতে পারবেন।

এই নম্বরগুলি হল ২৩৩৪-০২৩৪, ৯০৭৩২৩৭৯১৮, ৯০৭৩২৩৭৯১৮।

 

 

Water taxi service to connect Haldia to Farakka along the Hooghly River soon

State-of-the-art water taxis are soon going to run from Haldia to Farakka along the Hooghly River.

The Bengal Government has taken up this project with financial assistance from the World Bank. Other water craft projects and waterway-related infrastructure projects with assistance from the World Bank include include the acquisition of modern crafts and of RORO (roll-on roll-off) vessels for transport of loaded cars, trucks and buses, for multiple waterways in the State, construction and renovation of jetties, and cruise carriers like those in many foreign countries.

A total of four cruise vessels and 50 water taxis would be introduced.

The water taxi project has been divided into two portions – part one from Haldia to Triveni, costing Rs 1,021 crore and part two from Triveni to Farakka.

The first part of the project would include construction of 56 jetties and renovation of 24, and seven jetties for RORO vessels; the locations of the latter would be decided after taking into consideration the locations of bridges. The ROROs would be able to carry both passenger-laden and goods-laden vehicles. This would save both time and money. Approach roads would also be built to connect the jetties for RORO vessels.

These river projects would also help in attracting more tourists, both domestic and foreign.

 

ফারাক্কা থেকে হলদিয়া সাজছে গঙ্গা, প্রমোদ ভ্রমণে ওয়াটার ট্যাক্সি, ক্রুজ

গঙ্গাবক্ষে হলদিয়া থেকে ফারাক্কা পর্যন্ত জলপথ উন্নয়ন ও সামগ্রিক অত্যাধুনিক পরিকাঠামো তৈরীতে চালু হবে ওয়াটার ট্যাক্সি।

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় রাজ্য সরকার এই প্রকল্পের অধীনে গঙ্গার দু’ধারে নতুন জেটি, পুরানো জেটির সংস্কার, নয়া আধুনিক জলযান, একাধিক জায়গায় গাড়ি, বাস, ট্রাক পারাপারের জন্য রোরো (যানবাহন পারাপারের বড় ভেসেল) তৈরীর পরিকল্পনা রয়েছে।বিদেশের মতো গঙ্গাবক্ষে প্রমোদ ভ্রমণে একাধিক ক্রুজ ও ওয়াটার ট্যাক্সি নামানোর কথা রয়েছে।

এই প্রকল্পের কাজ দু’টি পর্বে ভাগ করা রয়েছে। প্রথম পর্বে হলদিয়া থেকে ত্রিবেণী পর্যন্ত গঙ্গাপথের কাজ করা হবে। এই কাজের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২১ কোটি টাকা। ত্রিবেণী থেকে ফারাক্কা পর্যন্ত কাজ দ্বিতীয় পর্বে করা হবে।

প্রথম পর্বের মধ্যে রয়েছে মোট ৫৬টি নতুন জেটি তৈরি ও ২৪টি জেটি সংস্কারের বিষয়টি। এছাড়া তৈরী হবে সাতটি রোরো। বর্তমানে গঙ্গার উপর যে সব ব্রিজ রয়েছে, তার অবস্থান বিচার করে রোরোগুলি তৈরীর জায়গা ঠিক করা হবে। এই রোরোর মাধ্যমে পণ্যবাহী এবং যাত্রীবাহী গাড়ি পারাপার করানো যাবে। তাতে একইসঙ্গে সময় এবং খরচ দুটোই বাঁচবে। যে সব জায়গায় রোরোগুলি তৈরি করা হবে, সেখানে গঙ্গার দু’পাড়েই অ্যাপ্রোচ রোড তৈরী করা হবে।

এই প্রকল্পের অধীনে ১৬০টি স্টিল ভেসেল ও ১৬০টি কাঠের ভেসেল তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।এর মাধ্যমে জলপথে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো থাকলে পর্যটনকেও উন্নত করার সুযোগ তৈরী হবে। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে এ রাজ্যকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে চারটি ক্রুজ ভেসেল এবং ৫০টি ওয়াটার ট্যাক্সি নামানোর বিষয়টিও রয়েছে প্রকল্পের মধ্যে।

 

Kanyashree calendar celebrates the girl child

The Bengal Government’s Purba Bardhaman District Literacy Mission has launched a beautiful calendar celebrating the Kanyashree Scheme for the girl child. The calendar portrays the new Bengali year, 1424.

This internationally-feted scheme, the brainchild of Chief Minister Mamata Banerjee, has been one of the landmark achievements of the six-year old Trinamool Congress Government in Bengal.

The calendar has six pages, each depicting a girl child.

 

  • The page for the months of Baisakh and Jaishtha depicts a girl child wearing an engineer’s helmet, expressing her wish to become an engineer and building cities, houses, bridges and factories.
  • The page for Ashadh and Sravan depicts a girl child aiming to become a police officer and protecting the law of the land and ensuring a law-abiding society.
  • The page for Bhadra and Ashvin depicts a girl child dreaming of becoming a pilot and exploring the world.
  • The page for Kartik and Agrahayan depicts a would-be doctor.
  • The page for Poush and Magh depicts a girl holding a badminton racket and a trophy, saying that Kanyashree has given her the courage to become a champion sportsperson.
  • The page for Falgun and Chaitra depicts a girl expressing her wish to become a teacher and through the profession, creating ideal citizens.

 

Click here to view the calendar

Click here for the guide book

 

 

Bengal to set up check posts to ensure no animals are killed by vehicles

The Bengal Forest department is planning to set up check posts in Gorumara and Lataguri to check the speed limit of vehicles which often lead to accidents killing wild animals.

The Forest department has taken up an elaborate scheme to set up two check posts along the two forest ranges beside National Highway-31. The Forest department has also fixed the upward limit of speed at 40 kmph along the stretches that go through the forest areas. CCTVs will also be installed at the check posts.

The Forest department officials believe that the move will be able to check the deaths of animals by accidents.

 

বন্যপ্রাণীর মৃত্যু এড়াতে গরুমারায় বসছে চেকপোস্ট

যানবাহনের গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে গরুমারা ও লাটাগুড়িতে চেক পোস্ট তৈরি করছে রাজ্য বন দপ্তর।

দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানোর ফলে অনেক সময়ই এখানে পশুমৃত্যু ঘটে। এই উদ্যোগের ফলে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে যেমন দুর্ঘটনা কমবে, তেমনই বন্যপ্রাণীদের মৃত্যুও এড়ানো যাবে।

গরুমারা-লাটাগুড়ি অঞ্চলে গতিবেগের সীমা ঘন্টায় ৪০ কিমি বেঁধে দিচ্ছে বনদপ্তর। চেকপোস্টগুলিতে বসানো হবে সিসিটিভি।

বন্যপ্রাণী মৃত্যু এড়ানো ছাড়াও এর ফলে তাদের বিরক্ত প্রবণতাও কমানো যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।