Implementing ICDS – Bengal shows the way

Integrated Child Development Scheme (ICDS) plays a pivotal role in providing health and nutrition service to pregnant mothers, lactating mothers and children. During the last few years, the State Government has consistently increased the financial support to these workers and helpers.

Hon’ble Chief Minister has recently brought all the Anganwadi workers and helpers under the comprehensive health insurance ‘Swasthya Sathi’. Their monthly honourium has also been increased by Rs 500.

A total of 1377360 pregnant and lactating women have been provided supplementary nutrition (January, 2015). The state has introduced enhanced financial provision for ICDS SNP in all the districts from Nov’14 at the rate of Rs. 9, Rs. 7 and Rs. 6 for severely malnourished children, pregnant & lactating mothers and others respectively.

 

মা ও শিশুদের পুষ্টির জোগানে মমতার স্পর্শ বাংলায়

গর্ভবতী মা, প্রসূতি ও শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ক্ষেত্রে ইন্টিগ্রেটেড চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট স্কিম বা আইসিডিএসের ভুমিকা অপরিসীম।

এ রাজ্যে, জানুয়ারি ২০১৫ পর্যন্ত ১৩৭৭৩৬০ জন গর্ভবতী ও প্রসূতিদের পুষ্টিকর খাদ্য প্রদান করা হয়েছে। ২০১৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে রাজ্য সরকার সব জেলায় বর্ধিত হারে অর্থনৈতিক সহায়তা করছে আইসিডিএস এসএনপি-তে।

গত ছ’বছরে রাজ্যসরকার এই প্রকল্পে নিযুক্ত কর্মী ও সহযোগীদের জন্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়িয়ে চলেছে যাতে প্রকল্প বাস্তবায়নে ত্রুটি না থাকে।

কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহযোগীদের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় এনেছেন। তাঁদের মাসিক ভাতা বাড়ানো হয়েছে।

Welfare of mothers – Always a priority for Maa, Mati, Manush Govt

A mother is the first, foremost and best friend of everyone’s life as no one can be true and real like her.

Trinamool’s slogan in 2011 was Maa, Mati, Manush. Mothers have always been a pillar of support, and a source of strength for us.

Inspired by Mamata Banerjee, the Bengal Government has taken several steps in the last six years for the welfare of mothers.

Due to sustained effort of the State Government in improving the health infrastructure through its various programmes, noticeable improvements have been observed in health parameters of the State.

Here are some of the welfare measures for mothers by Trinamool Government:

  • The State Government has initiated a process of setting up of 13 Mother and Child Hubs (MCH).
  • Three new Waiting Huts have been set up for pregnant mothers in remote areas of Sunderbans.
  • 35 Nutritional Rehabilitation Centres (NRCs) have been operationalized for management of severely malnourished children with counselling of their mothers.
  • Eastern India’s first Human Milk Bank – ‘Madhur Sneha’ – and Cord Blood Bank have been set up at SSKM Hospital.
  • During the last five years, Infant Mortality Rate (IMR) has been reduced from 32 to 26 and Institutional Delivery in health centres and hospitals has increased from 65% to 90%.

 

মাতৃকল্যাণে নানা উদ্যোগ মা, মাটি, মানুষের সরকারের

সবার জীবনেই মায়ের গুরুত্ব অপরিসীম। মা হল আমাদের সবথেকে প্রিয় বন্ধু, কেউ তার জায়গা নিতে পারে না। ২০১১ সালের নির্বাচনে তৃণমূলের স্লোগান ছিল ‘মা মাটি মানুষ’ – মা, মাদার, আম্মা আমাদের প্রেরণা।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় গত ৬ বছরে রাজ্য সরকার মাতৃকল্যাণের জন্য নিয়েছে অনেক পদক্ষেপ। তারই ফলস্বরূপ অভূতপূর্ব পরিবর্তন এসেছে রাজ্যে।

রাজ্য সরকারের নেওয়া কিছু উদ্যোগ:

  • ১৩ টি মাদার এন্ড চাইল্ড হাব তৈরী করছে রাজ্য
  • সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গর্ভবতী মায়েদের জন্যও তৈরি হয়েছে তিনটি ওয়েটিং হাব
  • অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের জন্য ৩৫টি নিউট্রিশ্যানাল রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার তৈরী করছে রাজ্য
  • এসএসকেএম হাসপাতালে নির্মিত হয়েছে পূর্ব ভারতের প্রথম মাতৃদুগ্ধ ব্যাঙ্ক “মধুর স্নেহ” ও কর্ড ব্লাড ব্যাঙ্ক
  • গত পাঁচ বছরে রাজ্যে শিশু মৃত্যুর ৩২ থেকে হার কমে হয়েছে ২৬, হেলথ সেন্টার ও হসপিটালে ইন্সটিট্যুশানাল ডেলিভারি ৬৫% বেড়ে হয়েছে থেকে ৯০%

Be alert and take immediate action to prevent riots: CM tells police

Chief Minister Mamata Banerjee on Friday instructed the police force to take immediate steps to maintain law and order, and prevent riots.

The chief minister presided over the administrative review meeting in Howrah on Friday afternoon. She asked the police to be on alert and take immediate action if anybody tries to foment communal trouble.

“The police should always remain alert and keep an eye on each and every incident. Don’t ignore any information and cross check its veracity. Use civic police, green police and local clubs to gather ground-level information. Some people from outside are trying to foment communal discord,” she said.

She asked the police to be on the road and play an effective role to maintain law and order. “Lot of false propaganda is being carried out that nothing has been done in Dhulagarh. It is absolutely false. Why don’t they tell the facts about how many people were arrested? How many people were given compensation by the government?” she said.

“A TV channel had shown a one-sided report about Dhulagarh. It did not say any word on action taken by the government, she said. The fact is that the state government is reconstructing the houses and shops affected in Dhulagarh violence in addition to payment of compensation of Rs 2.5 crore,” the CM said.

 

দাঙ্গা রুখতে পুলিসকে আরও তৎপর হওয়ার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

হাওড়ায় প্রশাসনিক বৈঠকে সাঁকরাইলের ধূলাগড়ের অশান্তির কথা উত্থাপন করে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়ে গেলেন, বাংলায় তিনি কোনও দাঙ্গা, অশান্তি আর উচ্ছৃঙ্খলতা বরদাস্ত করবেন না।

তিনি বলেন, “দিল্লির একটা চ্যানেল ধুলাগড়ের ঘটনা নিয়ে যা ইচ্ছে তাই করে গেছে। সরকারের কাজগুলোর কথা তো লেখেনি। ধুলাগড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি/দোকান গুলি পুনর্নির্মাণ করে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। ২.৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।”

তিনি পুলিশকে নির্দেশ দেন, অশান্তিতে যারা উসকানি দেবে, তাদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ব্যাপারে হাওড়া সিটি পুলিশ কমিশনারের কাছ থেকে গ্রামীণ জেলার পুলিশ সুপার সুমিত কুমারকে সাহায্য ও পরামর্শ নিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি তাঁদের বলেন, মানুষের সঙ্গে যোগসূত্র বাড়ান, ক্লাব, ভালো মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। এলাকায় বড় কোনও অনুষ্ঠান থাকলে আগাম ব্যবস্থা নিন। পুলিশ দেখলে গুন্ডারা যাতে ভয় পায়, সেটা করুন। কেউ দাঙ্গা বাধাতে চাইলে সে যে দলেরই হোক, তার বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিন।তিনি পুলিশকে বলেন, ঝুঁকি নিতে হবে।

Chief Minister Mamata Banerjee to honour successful Kanyashrees

In August, when the Kanyashree Dibas (Kanyashree Day) celebrations for this year would be taking place (Kanyashree Dibas falls on August 14), Bengal Chief Minister is going to hand over awards to successful Kanyashrees, that is, Kanyashree beneficiaries – to those who have achieved success in their studies as well as below-18 beneficiaries who have stood on their feet by learning some skill.

The Kanyashree Scheme of the Bengal Government has been an unqualified success. Begun in October 2014 on the personal initiative of Chief Minister Mamata Banerjee, it has achieved to a large extent its main aims – encourage and enable education of girl children, prevent child marriage and trafficking of women through the awareness generated by education, and through the financial support for their education, enable girl children, especially those from poor families, to achieve self-sufficiency, self-awareness and self-confidence.

Kanyashree has encouraged girl children to stand up against their being married off against their will, to the extent of even having their parents arrested in some extreme cases. These social and educational successes have brought Kanyashree Scheme international fame too: the United Nations has earmarked the scheme as an international role model.

As per the scheme, girl children from the ages of 13 to 18 get Rs 750 per month to enable them to continue with their studies. Moreover, after crossing 18 and before reaching 19, Rs 25,000 is deposited into the accounts of girl children, to be used for further studies or as expenses towards their marriage. However, there is a rider: if the girl is married off before 18 years of age, the Rs 25,000 is not given. Thus this encourages the beneficiaries to continue their studies and marry at the right time.

The scheme is on course to achieve a new high-water mark soon – 40 lakh beneficiaries. With 39,22,650 enrolments, that’s now a given. This target, to be achieved within three years, was set at the outset of the scheme by Chief Minister Mamata Banerjee. Along with almost 40 lakh beneficiaries, there are 90 lakh applicants too.

 

 

সফল ‘কনাশ্রী’ দের পুরস্কৃত করবে রাজ্য সরকার

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প কন্যাশ্রী’র সেরা কন্যাদের সংবর্ধনা দেবে রাজ্য সরকার। আগামী ১১ আগস্ট শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর জন্মদিনে নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে ভালো কাজের ভিত্তিতে ওই সংবর্ধনা দেওয়া হবে।ভালো কাজের জন্য সেরা কন্যাদের সম্মানিত করে উৎসাহিত করতে চান মুখ্যমন্ত্রী। এ পর্যন্ত ৩৯ লক্ষ ২২ হাজার ৬৫০ জনের নাম কন্যাশ্রী প্রকল্পে নথিভুক্ত হয়েছে।

২০১৩-১৪ সালে কন্যাশ্রী প্রকল্প চালু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লক্ষ্য ছিল, বাল্যবিবাহ বন্ধ করে মেয়েদের পড়াশুনো চালিয়ে যাওয়ায় উৎসাহ দেওয়া – তাই মেয়েদের জন্য স্কলারশিপ চালু করেন। কন্যাশ্রী প্রকল্প চালু হওয়ার পর বাল্যবিবাহ রোধে রাজ্যে অনেকটাই সাফল্য মিলেছে। তবে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, কিশোরী বা যুবতীদের শুধুমাত্র আর্থিক স্কলারশিপই নয়, প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে কারিগরি দপ্তরের সঙ্গেও কথাবার্তা চলছে।

কন্যাশ্রী প্রকল্প ইতিমধ্যেই শুধু কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেই নয়, বিদেশ থেকেও সমাদৃত হয়েছে। ইউনেস্কো’র তরফে পুরস্কৃত করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারও পশ্চিমবঙ্গের এই প্রকল্পকে অনুসরণ করে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্প চালু করেছে।

কন্যাশ্রী প্রকল্পের অম্তর্গত পড়ুয়াদের মধ্যে যারা অষ্টম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ছেন তাদের বার্ষিক ৭৫০ টাকা করে দেওয়া হয় আর বয়স ১৮ বছর বয়সের পর এককালীন ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

 

Six years of Poriborton: Bengal now the model in development and governance

May 13 is one of the most important dates in the electoral history of Trinamool Congress. For on this date in 2011, Mamata Banerjee led the party in breaking down the 34-year-old Left citadel and coming to power; again in 2016, on this date, the party returned to power for a second consecutive term, again with a thumping majority.

The mandate of Ma, Mati, Manush has prevailed.

Six years of running a cash-strapped Government is an inhuman job. However, Bengal Chief Minister Mamata Banerjee has proved more than equal to the task.

Despite a lion’s share of the State’s revenues being taken away by the Centre to service the debt incurred by the Left Front, Mamata Banerjee has carried out development in every sector in the State. Unthinkable, yet true.

What has the Government achieved in these six years? Democracy, peace and progress. Mamata Banerjee has given confidence to the people. There is hope in the air that Bengal can be the best; and it slowly but surely inching its way to the top. From fair price medicine shops to the Kanyashree Scheme, from setting records in the 100 Days’ Work Scheme to massive developments in the Jangalmahal region, Bengal is a national model now.

Six years ago, Bengal had little to boast about. Now it can boast of Brand Bengal, or Biswa Bangla. Trinamool Congress raised the slogan ‘bodla noy, bodol chai‘ (we want change, not revenge) and has lived up to the principle during the last six years.

পরিবর্তনের ৬ বছর – বাংলা হবে বিশ্ব সেরা

১৩ই মে বাংলার মানুষের কাছে এক ঐতিহাসিক দিন। ২০১১ সালে এই দিনেই বাংলার রায়ে ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটে। ২০১৬ সালে আবারও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ছ’বছর ধরে বিপুল দেনার বোঝা বহন করেও যে উন্নয়ন সম্ভব সেটা করে দেখিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রত্যেক বছর এক বিপুল পরিমান অর্থ রাজ্যের কোষাগার থেকে কেটে নিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্র, বামেদের ঋণ শোধ করতে। তার ওপর আবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফলে রাজ্যের বরাদ্দ অর্থ ঠিকমত পাঠায় না কেন্দ্র। তবুও একনিষ্ঠ ভাবে মা, মাটি, মানুষের সরকার কাজ করে চলেছে।

বাংলায় গণতন্ত্র স্থাপন হয়েছে। শান্তি ফিরেছে জঙ্গলমহলে। পাহাড়েও উন্নয়নের হাওয়া। একশো দিনের কাজ থেকে শুরু করে কন্যাশ্রী, ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান থেকে শুরু করে নির্মল বাংলা অভিযান – সবেতেই এগিয়ে বাংলা।

বাংলা এখন সারা বিশ্বের কাছে মডেল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বপ্ন দেখেছেন বিশ্ব বাংলা গড়ার। ‘বদলা নয় বদল চাই’ এর স্লোগান দিয়ে যে যাত্রা শুরু এখন তা বাংলাকে বিশ্ব সেরা করার অঙ্গীকার।

 

Health for all: Bengal shows the way

Healthcare is one of the major factors that determine the progress of a State and its people. From the time Trinamool Congress came to power, the state of healthcare in Bengal has progressed by leaps and bounds. The best matrix to judge this would be to look at some of the targets set by the National Health Policy 2017 for the country and comparing it to West Bengal.

The Central Government target for Life Expectancy at Birth is to achieve 70 by the year 2025. The Life Expectancy at Birth in Bengal in 2014 was 70.2.

The total Fertility Rate the Central Government hopes to attain by 2025 is 2.1, whereas in Bengal it was 1.6 as early as 2013. The lower the Total Fertility Rate, the better it is.

It is the same if we look at Infant Mortality Rate, where the Centre hopes to reduce the rate to 28 by 2019. In Bengal we had already lowered it to 26 in 2016.

In the last six years, Institutional Delivery in health centres and hospitals has increased from 65% to 90%.

The State Government has also taken the path-breaking decision of withdrawing all user charges from all Government hospitals, including medical college hospitals. These user charges include those of drugs, surgical implants and usage of costly devices.

Under Mamata Banerjee, the Health Department has been one of the best-performing departments over the last five years in West Bengal. People all over the State are very happy with the overall developments in Healthcare.

 

স্বাস্থ্যে মমতার ছোঁয়া মা-মাটি-মানুষ সরকারের

মমতা বন্দোপাধ্যায়-এর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দপ্তর বিগত পাঁচ বছরে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। নায্যমূল্যের ওষুধের দোকান, নায্যমূল্যের ডায়াগনস্টিক কেন্দ্র এবং মাল্টি -সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে অসাধারণ পরিবর্তন এনেছে। আর তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হল জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি, ২০১৭-র রিপোর্ট।

জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি, ২০১৭ অনুযায়ী,

Life expectancy at birth:

২০২৫ সালের মধ্যে ভারতবর্ষের টার্গেট – ৭০
২০১৪ পশ্চিমবঙ্গ – ৭০.২

Total Fertility rate:

২০২৫ সালের মধ্যে ভারতবর্ষের টার্গেট ২.১ শতাংশ। ২০১৩ সালে রিপোর্ট অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে এই হার ১.৬ শতাংশ।

শিশু মৃত্যুর হারঃ

২০২৫ সালের মধ্যে ভারতবর্ষের টার্গেট ২৮। ২০১৬ সালে রিপোর্ট অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা কমে হয়েছে ২৬।

ইন্সটিটিউশন ডেলিভারিঃ

বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও হাসপাতালে ইন্সটিটিউশন ডেলিভারির হার ৬৫ শতাংশ(২০১১) থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৯০ হয়েছে।

 

বর্তমানে রাজ্যের সব সরকারী হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি, রাজ্যে সরকারী হাসপাতালগুলিতে ভর্তি সকল রোগীদের বিনমূল্যে ওষুধপত্র ও অনান্য সুযোগ সুবিধেও দেওয়া হচ্ছে। সরকারী হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৭,০০০। সব মিলিয়ে সার্বিক উন্নয়নে রাজ্যের সমস্ত মানুষ খুব খুশি।

 

 

Students of RBU attend CM’s administrative meeting at Howrah

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee chaired an administrative review meeting in Howrah today. She reveiewed the work done by the district administration so far and inaugurated several projects including Uluberia Stadium and two Krishak Bazars.

For the first time, a delegation of students from Rabindra Bharati University attended this meeting. At the end of the meeting, the CM interacted with the students. They were elated to have been made a part of such a historic meeting and thanked the CM for inviting them.

During the meeting the CM reiterated that healthcare is not a commercial service. She urged upon private hospitals to serve people with humane touch. “Service cannot be sold. There is no alternative to service,” she said.

She also asked the police to be alert. “Few goondas from outside are trying to spread communal discord. The police must maintain law and order.”

Regarding the Dhulagarh incident, she said: “State Government is reconstructing the houses/shops affected in Dhulagarh. Compensation of Rs 2.5 crore has been paid. Few channels from Delhi showed one-sided report about Dhulagarh. They did not say any word on action taken by the Government.”

The Mamata Banerjee-led State Government was the first one to start district-wise administrative review meetings, in order to get a first-hand account of the latest developmental work.

 

 

হাওড়ায় প্রশাসনিক বৈঠকে আমন্ত্রিত হয়ে উৎফুল্ল রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা

 

আজ হাওড়ার শরৎ সদনে প্রশাসনিক বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি সহ জেলা প্রশাশনের অধিকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এই বৈঠকে। প্রশাসনিক কাজকর্ম নিয়ে পর্যালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

বৈঠক চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনার সময় বলেন, “সেবা কখনো বিক্রি হয় না। সেবার কোন বিকল্প হয় না”।

তিনি আরও বলেন, “বাইরে থেকে কিছু গুন্ডা এসে সাম্প্রদায়িকতার নামে গণ্ডগোল করছে”। তাই এই বিষয়ে পুলিশকে নজর রাখতে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

ধুলাগড় প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ধুলাগড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি/দোকান-গুলি পুনর্নির্মাণ করে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। ২.৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। দিল্লির একটা চ্যানেল ধুলাগড়ের ঘটনা নিয়ে যা ইচ্ছে তাই করে গেছে। সরকারের এই কাজগুলোর কথা তো তারা লেখেনি”।

ক্ষমতায় আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত সরকারই প্রথম জেলায় জেলায় ব্লক স্তরে এই প্রশাসনিক বৈঠক চালু করেন। হাওড়ায় প্রশাসনিক বৈঠকে আমন্ত্রিত হয়ে উৎফুল্ল রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।

 

 

Bengal Govt to now meet potential investors in foreign countries on a monthly schedule

West Bengal Industrial Development Corporation (WBIDC) is now going to visit other countries to meet potential investors. The schedule till next November has already been decided.

In this endeavour, industry associations like Federation of Indian Chambers of Commerce and Industry (FICCI) and Associated Chambers of Commerce of India (ASSOCHAM) are lending their expertise to WBIDS too.

The WBIDC is going to write monthly reports on the progress made and present it to Chief Minister Mamata Banerjee. The reports would contain the progress made in drawing in investments to Bengal, including the amount of investments made.

Every month, State Government representatives would hold meetings with industry bodies and potential investors of three countries to impress on them the industry-friendly climate of Bengal and the presence of all manner of infrastructural facilities.

The schedule from May to November is as follows:

MAY: Australia (Melbourne), Portugal (Lisbon), Germany (Munich)
JUNE: Japan, Switzerland, South Africa
JULY: Bangladesh, Italy
AUGUST: Russia (Moscow), USA (Florida)
SEPTEMBER: Singapore, the Philippines, Thailand
OCTOBER: Taiwan, Ethiopia, Dubai
NOVEMBER: China (Hong Kong), Mozambique, Indonesia

It must be mentioned in this regard that trade representatives from 29 countries participated at the 2017 Bengal Global Business Summit (BGBS). They have promised investments in transnational waterways, coastal zonal infrastructure, civil defence, transport, sports, heavy industry, electricity generation, non-renewable energy, food processing, health, education, information technology, urban infrastructure, hospitality, tourism and some other sectors. A total investment of Rs 2.35 lakh crore was committed.

At BGBS 2017, Chief Minister Mamata Banerjee, whose brainchild the annual trade summit is, told business representatives from around the world, “If you invest in Bengal, you would get access to north-eastern India too. Not just that, you would be able to link up to markets in neighbouring countries like Bangladesh, Nepal, Bhutan, China, Thailand, Singapore, Malaysia, and other Asian countries. We have 6 lakh acres of land in industrial parks. You would also be able to tap a skilled and trained labour force; you would be able to access the best brains of Bengal”.

The industrial development that the State is seeing in recent times is the result of untiring efforts led by Mamata Banerjee over the last six years. Last year, she and her team visited Germany and met leading industrialists. Prior to that, she had visited London and Singapore. More such business visits are being lined up. Bengal is on its way to becoming one of the leading industrial states of the country.

বিনিয়োগ আনতে এবার বিদেশে প্রচার করবে বাংলা

পশ্চিমবঙ্গ শিল্প উন্নয়ন নিগম এবার বিদেশি বিনিয়োগ আনতে দেশের বাইরে প্রচারে নামতে চলেছে। বিশ্বের বাজার থেকে লগ্নি টানতে চলতি মাস থেকেই প্রচার কর্মসূচিতে নামছে। আপাতত আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত কর্মসূচি ঠিক করা হয়ে গেছে শিল্পোন্নয়ন নিগমের। তবে এই কাজে শিল্পোন্নয়ন নিগম পাশে পেয়েছে একাধিক বণিক সংগঠনগুলোকে। বিদেশি লগ্নি আনতে যৌথভাবেই তারা বিশ্বের বাজারে দরবার করবে বলে দপ্তর সূত্রে খবর। এই প্রচারে ফিকি ও অ্যাসোচেমের মতো বণিক সংগঠনগুলোও রাজ্য সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। এই মর্মে শিল্পোন্নয়ন নিগম প্রতি মাসেই একটি রিপোর্ট তৈরি করবে। সেই রিপোর্ট জমা করবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। প্রত্যেক মাসের সাফল্য ও প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ মূল্যায়ন করা হবে এই রিপোর্ট থেকে। এ প্রসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, টেক্সটাইল ও বৃহৎ শিল্প দপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান সচিব রাজীভা সিনহা বলেন, ‘প্রত্যেক মাসে আমরা অন্তত তিনটি করে দেশের বণিক সংগঠন ও শিল্প উদ্যোগীদের সঙ্গে বৈঠক করব। সেই দেশের শিল্পপতিদের বোঝানোর চেষ্টা করব, বাংলার শিল্পবান্ধব পরিবেশ ও বিনিয়োগের সবধরনের পরিকাঠামোর বিষয়গুলো।’ শিল্পোন্নয়ন দপ্তর সূত্রে খবর, চলতি মাসেই তিনটি দেশে বিনিয়োগের বার্তা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সফরসুচি:-

মে: মেলবোর্ন (অস্ট্রেলিয়া), লিসবন (পর্তুগাল)ও মিউনিখ (জার্মানি)
জুন: জাপান, সুইজারল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা
জুলাই: বাংলাদেশ ও ইতালি
আগস্ট: মস্কো (রাশিয়া) ও ফ্লোরিডা
সেপ্টেম্বর: সিঙ্গাপুর, ফিলিপিন্স ও থাইল্যান্ড
অক্টোবর: তাইওয়ান, ইথিওপিয়া ও দুবাই
নভেম্বর: হংকং, মোজাম্বিক ও ইন্দোনেশিয়া

প্রসঙ্গত, ২০১৭ বিশ্ববঙ্গ শিল্প সম্মেলনে যোগ দিয়েছিল বিশ্বের ২৯টি দেশের প্রতিনিধি ও শিল্পপতিরা। অন্তর্দেশীয় জলপথ, উপকূলবর্তী এলাকায় বিনিয়োগ, অসামরিক প্রতিরক্ষা, পরিবহণ পরিকাঠামো, ক্রীড়া, ভারী শিল্প, বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন, অপ্রচলিত শক্তি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, নগরোন্নয়ন পরিকাঠামো, আতিথেয়তা পরিকাঠামো, পর্যটন সহ একাধিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয় বাংলার শিল্প সম্মেলনে। ভারী শিল্প থেকে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পে বাংলার নতুন শিল্পবান্ধব পরিবেশে ইতিমধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করে বিনিয়োগে এগিয়ে এসেছে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সংস্থা। সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূত রিচার্ড ভার্মা নবান্নে এসে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। শিক্ষা, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, অচিরাচরিত শক্তি সহ একাধিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আমেরিকা।

সর্বোপরি গত বছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জার্মানি সফরের ফলে বাংলায় বিনিয়োগের পথ আরও প্রশস্ত হয়েছে। বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, ‘যদি আপনারা বাংলায় বিনিয়োগ করেন তা হলে উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির সঙ্গে আপনাদের যোগাযোগ আরও বেড়ে যাবে। বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, চিন, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর সহ এশিয়ার একাধিক দেশের সঙ্গে আপনাদের যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে আমাদের ৬ হাজার একর জমি আছে। অল্প খরচে ভালো প্রশিক্ষিত শ্রমিক পাবেন। বাংলার শিক্ষিত মস্তিষ্ক পাবেন।’ মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে চলতি বছরের বাণিজ্য সম্মেলনেই প্রস্তাবিত বিনিয়োগ এসেছে ২ লক্ষ ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এবার আরও বেশি বিনিয়োগ আনতে বিশ্ব বাজারে লগ্নি প্রচারে নামছে পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগম।

 

Only Bengal can stop the intolerance playing out in the name of religion in the country: Mamata Banerjee

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee graced the Buddha Jayanti celebration on Rani Rashmani Avenue, Kolkata as chief guest today.

A good news for all State Government employees is that this year onwards, the occasion has become a gazetted holiday.

Bengal is known for its secular society, where people of every religion celebrate their festivals with equal fervour. The Chief Minister expressed as much through her speech at the function.

 

Salient points of the Chief Minister’s speech:

  • The Buddha had spoken of right vision, right work, right memory and the right way to die
  • It is evident from the Eight-fold Path of the Buddha that he is not only a religious preacher but a philosopher as well
  • Everyone has to be involved for establishing peace
  • Today, it is crucial that we understand the essence behind the path of the Buddha
  • Following a religion does not confer the right to do bad deeds through politics or to butcher people
  • Religion implies love, belief, humanity and keeping away from jealousy and violence
  • What is important is what the people want
  • Religion is not determined by who eats what, wears what, sees what or participates in what events, or by skin colour
  • Those who follow these rules follow fake religion
  • Those who disrespect religion by preaching in the name of fake religions are the fake faces of religion
  • The basic tenets of every religion are the same
  • Like I worship Durga, I participate in Ramzan and Eid
  • Who better than me to maintain religious unity? I have been taught to do that from my childhood
  • Only Bengal can stop the intolerance playing out in the name of religion in the country
  • Religion implies keeping God in one’s heart and not throwing him to the ground
  • Following one’s religion does not imply carrying swords to scare people
  • Following a religion does not imply disrespecting another religion
  • People are questioning my personal details, my gender, my religion from the anonymity of fake accounts
  • I want justice from the people
  • I may be a very bad person, but I still have the right to lead a respectable life
    Who has given them the right to be so arrogant?
  • Those who are indulging in politics of intolerance and of violence, are not of our religion
  • God resides within every one of us, so there is no better philosopher than human beings
  • The essence of India is of tolerance and rebirth
  • In the future, it is Bengal which will show the way
  • The other States may keep quiet, but Bengal simply cannot
  • We only care for Maa-Mati-Manush
  • Our government is ‘by the people, for the people, of the people’
  • We do not believe in ‘government by the dangabaaj, for the dangabaaj, of the dangabaaj’
  • The people’s judgement is the best judgement
  • Keeping my word is the philosophy of my life

 

 

সারা দেশে যে ধর্মের নামে যে অসহিষ্ণুতা চলছে তা একমাত্র নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বাংলা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ কলকাতার রাসমণি রোডে বুদ্ধ পূর্ণিমার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এবছর থেকে রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের বুদ্ধ পূর্ণিমায় ছুটি থাকবে।

বাংলা সব ধর্মের সমন্বয়ের স্থান। এখানে সব ধর্মের উৎসব সমান সমারোহে পালন করা হয়। এদিনও এই বার্তাই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
তাঁর বক্তব্যের কিছু বিষয়ঃ

  • সম্যক দৃষ্টি, সঠিক কর্ম, সঠিক স্মৃতি ও সঠিক সমাধির কথা বলেছিলেন বুদ্ধদেব
  • বুদ্ধদেবের অষ্টাঙ্গিক মার্গ থেকে বোঝা যায় তিনি শুধু ধর্ম প্রচারক নয় তিনি ছিলেন দার্শনিক
  • সব মানুষকে নিয়ে একত্রে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে
  • বৌদ্ধ সত্ত্বার যে পরম জ্ঞান তা আজকের দিনে খুব প্রয়োজন
  • ধর্ম মানে রাজনীতির নামে কুকর্ম করা নয়, মানুষ মারার কসাইখানা নয়
  • ধর্ম মানে ভালবাসা, বিশ্বাস, মানবতা, ধর্ম মানে হিংসা-দ্বেষ দূর করা
  • মানুষ যেটা গ্রহণ করবে সেটাই বড় কথা
  • কোন মানুষ কি খাবে, কি পরবে, কি দেখবে, কে কোথায় জন্মগ্রহণ করবে, কার কি গায়ের রঙ এটা দেখে ধর্ম দেখে হয় না
  • ওগুলো নকল ধর্ম
  • ছদ্মবেশী ধর্মের নামে যারা ধর্মকে অশ্রদ্ধা করেন তারা ধর্মের কলঙ্কিত রূপ
  • আমার ধর্মের সাথে অন্য ধর্মের কোন পার্থক্য নেই
  • আমি যেমন দুর্গা পুজোয় যাই, রমজানেও যাই, ঈদেও যাই
  • সবার সাথে সমন্বয় রক্ষা করা আমার থেকে বেশি আর কে করে?ছোটবেলা থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছি
  • সারা দেশে যে ধর্মের নামে যে অসহিষ্ণুতা চলছে তা একমাত্র নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বাংলা
  • ধর্ম মানে হৃদয়ের উপলব্ধি, দেবতাকে হৃদয়ের রাখা, তাঁকে মাটিতে ফেলে দেওয়া নয়
  • ধর্ম মানে রাস্তায় তরোয়াল নাচিয়ে লোককে ভয় দেখানো নয়
  • ধর্ম মানে অন্য ধর্মকে অশ্রদ্ধা করা নয়
  • Fake account এর নাম কতগুলো গ্রুপ তৈরী করে বলা হচ্ছে জন্ম বৃত্তান্ত কি, বাবা-মা কে, আমি হিন্দু না মহিলা না পুরুষ
  • এমনকি আমাকে হিজরা পর্যন্ত বলেছে। আমি মানুষের কাছে বিচার চাই
  • হয়তো আমি সবচেয়ে খারাপ মানুষ কিন্তু একজন সাধারণ মানুষ হয়ে বাঁচার জন্য প্রয়োজনীয় সম্মান আমি নিশ্চয়ই পেতে পারি
  • এত ঔদ্ধত্য, এত অহংকার ওদের কে দিল?
  • ধর্মকে নিয়ে যারা কলঙ্কের রাজনীতি করছে গুন্ডাগিরি করছে তারা আমাদের ধর্মের কেউ নয়
  • মানুষের মধ্যেই দেবতা আছেন, তার চেয়ে বড় দার্শনিক আর কেউ নেই
  • ভারতবর্ষের মাটি সহনশীলতার, বাংলার মাটি নবজাগরণের মাটি
  • আগামী দিনে বাংলাই ভারতবর্ষকে পথ দেখাবে
  • অন্যান্য রাজ্যগুলি ভয়ে চুপ থাকতে পারে কিন্তু বাংলা কখনো চুপ থাকবে না
  • যত কঠিন পরিস্থিতিই আপনারা তৈরী করুন, We do not care
  • মানুষের বিচার সবচেয়ে বড় বিচার
  • কথা দিয়ে কথা রাখা আমার জীবনের ধর্ম

 

 

Soon, six more new Sufal Bangla stalls to come up

Besides setting up more stalls of Sufal Bangla in the districts, the state agriculture marketing department has taken measures to let more people in the city avail the facility with six more stalls coming up at Tollygunj, Shyambazar and Ultadanga respectively.

Tapan Dasgupta, the state Agriculture Marketing minister, said: “More Sufal Bangla stalls are coming up in the city. Some including the one in Alipore and Tollygunge has already started operations. Two more in Bankura and Bishnupur are ready to let the people in the area avail the facility.” In Kolkata, total four Sufal Bangla stalls will come up at Tollygunge and its adjoining areas. One each will be set up at Shyambazar and Ultadanga. It may be mentioned that already there is one stall at Salt Lake and another one at Alipore. The Alipore stall is the first one where the facility of home delivery has been initiated.

The state Agriculture Marketing department has also introduced the service in Sufal Bangla stall at Santiniketan. The work to make the facility available in other places soon has also started. At present, one needs to call at a phone number to place the order after going through rates of different vegetables provided in the website of Sufal Bangla. In a bid to make the process easier, the state Agriculture Marketing department has taken an initiative to launch a cell phone app using the one that can easily locate a Sufal Bangla shop and place orders for home delivery. The department is having plans to set up Sufal Bangla stalls in all districts and letters were also being written to District Magistrates seeking assistance to identify lands where such stalls can be set up.

At present there are total 33 Sufal Bangla stalls including 14 mobile ones which move around in different places to let people buy fresh vegetables at the right price. With setting up of more stalls in Kolkata, the urban populace can easily buy fresh vegetables at the right price. Moreover, the home delivery system would be immensely beneficial for the urban populace as they do not have to go to market places to buy the vegetables and at present fish, eggs and different varieties of rice are also made available in Sufal Bangla stalls.

 

আরও ৬ টি সুফল বাংলা স্টল চালু করছে রাজ্য কৃষি দপ্তর

জেলায় জেলায় সুফল বাংলা স্টল তৈরীর পাশাপাশি শহরেও আরও সুফল বাংলা স্টল চালু করবে রাজ্য কৃষি দপ্তর। এই জায়গাগুলি হল কলকাতার টালিগঞ্জ, শ্যামবাজার, উল্টোডাঙ্গা। বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুর জেলায় ২ টি স্টল তৈরী হয়ে গেছে, সেগুলিও শীঘ্রই চালু হবে।

এর আগে আলিপুর ও সল্টলেকে সুফল বাংলা স্টল চালু হয়ে গেছে। আলিপুর স্টলটিতে প্রথম হোম ডেলিভারির সুবিধা চালু করা হয়েছে।রাজ্য কৃষি বিপণন দপ্তর শান্তিনিকেতনেও সুফল বাংলা স্টল চালু করেছে।

সুফল বাংলার ওয়েবসাইটে দেওয়া বিভিন্ন শাক সবজির মুল্য দেখে মানুষ একটি নির্দিষ্ট ফোন নম্বরের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজনীয় জিনিস অর্ডার করতে পারবেন। প্রক্রিয়াটি সহজ করার জন্য রাজ্য কৃষি বিপণন বিভাগ একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে। এর মাধ্যমে কোথায় কোথায় স্টল আছে এবং সেখান থেকে কততা দুরত্ব পর্যন্ত হোম ডেলিভারি পাওয়া যাবে সেই সংক্রান্ত সব তথ্য পাওয়া যাবে। বর্তমানে রাজ্যের প্রায় ৩৩ টি সুফল বাংলা স্টল রয়েছে।

এই স্টল গুলিতে শাক সবজি ছাড়াও মাছ, ডিম ও বিভিন্ন রকমের চাল পাওয়া যায়। বাজারে না গিয়ে বাড়িতে বসে মানুষ যাতে সহজেই টাটকা মাছ, ডিম শাকসবজি কিনতে পারে সেইজন্যই এই উদ্যোগ।