Latest News

February 17, 2017

Three lakh acre more land roped in for State irrigation programme

Three lakh acre more land roped in for State irrigation programme

The Bengal government has brought in an additional three lakh acre of agricultural land under its irrigation programme, with the objective of helping farmers for better cultivation at a time when they are facing hardships due to demonetisation of high value notes.

The state Irrigation minister said: “Around 12.43 lakh acre of land has been brought under the irrigation project and there will be no shortage of water supply for cultivation of Rabi and Boro crops. In the current fiscal, three lakh acres more has been brought under the irrigation programme.”

Interestingly, a lakh of the newly-acquired three lakh acre is in the Jangalmahal area. This is the highest in the decade that 12.43 lakh acre land has been brought under the irrigation project.

The Minister said that farmers are facing troubles due to demonetisation. Keeping the situation in mind, the step has been taken so that they do not have to worry about the requisite quantity of water for cultivation. He further said that the World Bank has given its clearance for the project where the state government would carry out de-siltation of Lower Damodar river and its channels. Once completed, flood in parts of Howrah, Hooghly, Bankura and Burdwan districts will become a thing of the past.

He also criticised the Centre, saying that it is reducing its share of funds for different projects in the state. Earlier, the Centre-state expenditure ratio for a project used to be 75:25, respectively. But now, the state has to bear 50 percent of the project costs and in some cases the state provides 75 percent of the project cost, while the Centre gives only 25 per cent.



আরও তিন লক্ষ একর জমি সেচ প্রকল্পে যুক্ত করলো রাজ্য


নোটবাতিলের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের সাহায্য করতে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকার আরও তিন লক্ষ একর চাষের জমিকে সেচের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে। উল্লেখযোগ্য, এই তিন লক্ষ একর জমির মধ্যে এক লক্ষ একর জমিই জঙ্গলমহলে।

রাজ্যের সেচমন্ত্রী বলেন, “আনুমানিক ১২.৪৩ লক্ষ একর জমিকে সেচের আওতায় আনা হয়েছে। রবি ও বোরো শস্যের চাষের সময় কোনও ধরণের জলের ঘাটতি হবে না। চলতি অর্থবর্ষে তিন লক্ষ একর চাষের জমিকে সেচের আওতায় আনা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, কৃষকরা নোটবাতিলের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত। এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে যাতে কৃষকদের পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পাওয়ার জন্য দুশ্চিন্তা করতে না হয়।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ব ব্যাঙ্ক ইতিমধ্যেই দামোদর নদীর ডি-সিল্টেশন প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাঁকুড়া, বর্ধমান, হাওড়া ও হুগলী জেলায় বন্যার সমস্যা কমবে।

কেন্দ্রের কড়া সমালোচনাও করেন সেচমন্ত্রী। এতদিন কোনও প্রকল্পের ৭৫ শতাংশ খরচ বহন করত কেন্দ্র, বাকিটা দিত রাজ্য। কিন্তু বর্তমানে রাজ্য সরকারকে ৫০ শতাংশ খরচ, এমনকি কোনও কোনও প্রকল্পে ৭৫ শতাংশও, বহন করতে হচ্ছে।