Latest News

October 30, 2017

State Govt initiative for pomegranate cultivation in Paschimanchal

State Govt initiative for pomegranate cultivation in Paschimanchal

The Bengal Government has for the first time taken up an initiative for pomegranate cultivation in the Paschimanchal region. The Paschimanchal Unnayan Affairs Department has set up model pomegranate orchards in the districts of Purulia, Bankura and Jhargram.

The government is conducting the cultivation project in collaboration with the National Research Centre on Pomegranate. In the last two years, 20,000 pomegranate saplings have been planted in Purulia and Bankura districts. As many as 50,000 saplings will be planted in the coming year. The wages of the unskilled labourers are being paid through the Mahatma Gandhi National Rural Employment Guarantee Act (MGNREGA) scheme.

At least 2,100 metric tonnes of the fruits is expected to be cultivated per year, which would translate to Rs 21 crore per year – a substantial amount for the poor families involved in the cultivation.

Pomegranate needs low rainfall and so areas in the Paschimanchal region are ideal for the cultivation of the fruit. Pomegranate also has a long shelf-life; thus, the fruit can get time for marketing worldwide.

In this connection, it is worth mentioning that India is the largest producer of pomegranate, and it is expected that in the coming years, Bengal would become a major contributor to the export.

Source: Millennium Post

পশ্চিমাঞ্চলে বেদানা চাষের উদ্যোগ রাজ্য সরকারের

এই প্রথম পশ্চিমাঞ্চলে বেদানা চাষের উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ ইতিমধ্যেই পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামে কয়েকটি মডেল বেদানা বাগান তৈরি করেছে।

National Research Centre on Pomegranate-এর সহযোগিতায় রাজ্য সরকার এই চাষের উদ্যোগ নিয়েছে। গত দু’বছরে ২০,০০০ বেদানা গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলায়। এ’বছর আরও ৫০,০০০ চারা রোপণ করা হবে। এই বাগানগুলিতে যে সকল অপ্রশিক্ষিত কর্মী আছেন, তাঁদের সকলকে ১০০ দিনের কাজের মাধ্যমে মজুরি দেওয়া হচ্ছে।

প্রতি বছর ২১,০০০ মেট্রিক টন ফল উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে আয় হবে ২১ কোটি টাকা।
যেহেতু বেদানা চাষে বৃষ্টির জলের প্রয়োজন কম, তাই, পশ্চিমাঞ্চল এই চাষের জন্য উপযোগী। বেদানা অনেক দিন তাজা থাকে, তাই বিশ্বব্যাপী এর বিপণন করার সুযোগও বেশী।

প্রসঙ্গত বিশ্বে সব থেকে বেশী বেদানা উৎপাদন হয় ভারতে। আশা করা যায় এই উদ্যোগের ফলে বেদানা উৎপাদনে বাংলা অগ্রণী ভূমিকা নেবে।