Latest News

March 6, 2018

In a democracy, fight politically, not through violence: Mamata Banerjee

In a democracy, fight politically, not through violence: Mamata Banerjee

Chief Minister Mamata Banerjee today inaugurated a bouquet of developmental schemes and programmes during a public function at Kankardanga in Patrasayar block in Bankura district. She also laid the foundation stones of several projects.

The projects inaugurated were a fair-price medicine shop, a grain warehouse, roads, a mini indoor games complex, renovation of canals, etc. Foundation stones were laid for an eco park, a Labour Department office, etc.

She also distributed benefits of schemes like Kanyashree, Sikshashree, Sabujshree, Sabooj Sathi, Anandadhara and Gatidhara, folk instruments like dhamsa and madol, farming implements, mini kits for vegetable farming, etc.

Highlights of her speech:

I had visited Bankura district in December, 2017. Earlier, the ‘vote-babus’ used to visit districts only during elections. I keep visiting the districts to monitor the progress of developmental schemes.

We have set up a new university in Bankura.

We have increased pipelined water supply from 15% to 65%. We have started a drinking water project which will benefit 18 lakh people.

Three new multi super speciality hospitals have been set up in Bankura.

Over 1.7 lakh minority students have received scholarships. 57 lakh SC/ST students have also got scholarships.

45 lakh girls have received financial assistance under Kanyashree scheme. We have distributed 70 lakh cycles to students.

Kanyashree girls are our pride. The scheme has played a role in bringing down the rate of child marriage.
The stipend of Kanyashree scheme has been increased. We have extended the scheme to university students also.

SC/ST students will get soft loans for pursuing higher education (10 lakh for domestic studies and 20 lakh for foreign studies).

We have allowed Santhali students to take WBCS exam in Ol Chiki script.

We distribute saplings under Sabuj Shree scheme to parents of newborn babies. By selling the tree, they can secure the future of their child financially.

We provide rice at Rs 2/kg. Healthcare is free in government hospitals in Bengal.
We have started fair price medicine shops and diagnostic centres.

We have started Swasthya Sathi scheme and included ICDS, ASHA, contractual workers, civic volunteers, homeguards, panchayat and municipal workers etc under the insurance scheme.

Retirement age of contractual and casual workers has been fixed at 60 years.

ASHA workers used to receive Rs 800 from Centre earlier. Centre stoppe the funds for the project. We kept the project alive with State funds.

Centre allocated Rs 100 crore for Beti Bachao, Beti Padhao scheme for the entire country. We spent Rs 5000 crore for Kanyashree scheme only for Bengal.

It is not the job of the party in power to attack political opponents or vandalise statues of icons. We believe in all-encompassing politics. They must fight politically, not through violence.

I have fought CPI(M). We struggled for 34 years. Our slogan was ‘bodla noy, bodol chai’. We did not unleash any violence against the Communists. This is not our culture.

Marx or Lenin are not our icons. But they are revered in Russia. I have ideological fight with CPI(M). We fought against them in Singur, Nandigram, Netai. I do not support the BJP either.

Democracy does not mean use of violence. Democracy is all about winning people’s trust. Let there be a competition on development. Catch me if you can.

Smear campaign against me is on 365 days a year. This is not the democracy we believe in. I am not afraid of fear-mongering tactics.

We have started a new scheme called ‘Ruposhree’. We will provide financial aid to families with income less than Rs 1.5 lakh to assist them in their daughter’s wedding.

We have waived khajna tax on agricultural land. We have also done away with mutations fees on agricultural land. Why has the Centre not waived loans of farmers? Instead, they are allowing rich people to flee with crores of rupees from banks.

Farmers are not getting loans, students are not getting loans. Some people are running away with hard-earned money of people. Banks have become cashless, Centre has become faceless.

Your savings are not safe in banks. People are in dire straits. They are cheating people. Whenever people are in trouble, Trinamool is there to speak out for them.

Unity is harmony. We believe in the ideals of Rabindranath, Nazrul.

Centre has been neglecting Bengal. We are not getting due funds. Bengal does not care about power. Bengal wants welfare of people.

If your target is Bengal, our target is Lal Quila.

Some people, with ulterior motives, are trying to foment trouble between Hindus and Muslims. People must be vigilant. Inform the authorities, you will be rewarded.

We are launching a project worth Rs 2,000 crore which will benefit lakhs of people in lower-Damodar valley region. It will solve the water woes in the region.

We have started pension scheme for auto-drivers, car drivers, construction workers, domestic helps and others.

We are paying Rs 48,000 crore as instalments for the debt incurred by the Left. Still, the amount of work done by us, despite the financial constraints, is unmatched.

March 8 is International Women’s Day. We respect our women. Without them, the society is incomplete.
The students and youths of Bengal will show the way to the world one day.


গনতন্ত্র মানে জবরদখল নয়, ভোটদখল নয়: মুখ্যমন্ত্রী

আজ বাঁকুড়া জেলার কাঁকড়ডাঙা, পাত্রসায়েরে পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাসও করেন।

মুখ্যমন্ত্রী যে সকল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন, তার কয়েকটি হল, ফেয়ার প্রাইস মেডিসিন শপ, ধানের গুদাম, নতুন রাস্তা, মিনি ইনডোর গেমস কমপ্লেক্স, খালের সংস্কার ইত্যাদি।

তিনি যে সকল প্রকল্পের শিলান্যাস করেন, তার কয়েকটি হল, ইকো পার্ক, শ্রম ভবন  ইত্যাদি।

এছাড়াও তিনি কন্যাশ্রী, সবুজশ্রী, শিক্ষাশ্রী, সবুজসাথী, আনন্দধারা, গতিধারা, ধামসা মাদল, কৃষি যন্ত্রপাতি, সবজি চাষের মিনিকিট ইত্যাদি পরিষেবা প্রদান করেন।

তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশঃ-

আমি গত ডিসেম্বর মাসে বাঁকুড়া এসেছিলাম। আগে জেলাগুলোতে ভোট করতে ভোট বাবুরা আসতেন, তারপরে আর আসতেন না। আমি ভোটের সময় কম আসি, সারা বছর কোনও না কোনও জেলায় যাই।

আমাদের মা মাটি মানুষের সরকার বাঁকুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরী করে দিয়েছে।

আগে বাঁকুড়ায় ১৫% পাইপড জল ছিল, ছয় বছরে আমরা সেটা বাড়িয়ে ৬৫% করেছি। আরও ১২০০ কোটি টাকার প্রকল্প দেওয়া হয়েছে, এটা সম্পূর্ণ  হলে আরও ১৮ লক্ষ মানুষ পানীয় জল  পাবে।

বাঁকুড়া জেলায় তিনটি নতুন সুপার স্পেশ্যালিটি হসপিটাল তৈরী করে দেওয়া হয়েছে।

১.৭১ কোটি সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীকে আমরা স্কলারশিপ দিয়েছি, ৫৭ লক্ষ তপসিলি ও আদিবাসী ছাত্রছাত্রীকে আমরা স্কলারশিপ দিয়েছি।

৪৫ লক্ষ কন্যাশ্রীর কাছে আমরা স্কলারশিপ পৌঁছে দিয়েছি। ৭০ লক্ষ ছাত্রছাত্রীকে সবুজ সাথীর সাইকেল দেওয়া হয়েছে।
কন্যাশ্রীর মেয়েরা আমাদের গর্ব। বাল্য বিবাহ রোধেও তারা একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

কন্যাশ্রীর স্কলারশিপের টাকা ৭৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০০০ টাকা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করলেও স্কলারশিপ পাবে।

এসসি এসটি ভাইবোনেরা হায়ার এডুকেশন দেশে করলে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ও বিদেশে পড়লে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সফট লোন পাবে।

সাঁওতালি ভাইবোনেরা ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষা অলচিকি হরফেও লিখতে পারবে। তাদের জন্য ২৪টা কোচিং সেন্টার করা হয়েছে।

বাচ্চা জন্মালেই তাকে ছোট্ট একটা গাছের চারা দেওয়া হচ্ছে, সবুজশ্রী প্রকল্প। গাছটি বড় হলে, গাছটি বিক্রী করলে বাচ্চাটির ভবিষ্যৎ হয়ে যাবে।

আট কোটি মানুষকে ২টাকা কিলো চাল, গম দিই। বিনা পয়াসায় চিকিৎসা দিই সরকারি হাসপাতালে।ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান ও ডায়াগোনিস্টিক সেন্টার তৈরী করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে আশা, আইসিডিএস মেয়েদের, সিভিক ভলেন্টিয়ারদের, হোমগার্ডদের, পঞ্চায়েত কর্মীদের, মিউনিসিপাল কর্মীদের, কন্ট্রাকচুয়াল কর্মীদের সবাইকে নিয়ে আসা হয়েছে।

কন্ট্রাকচুয়াল ও ক্যাসুয়াল ওয়ার্কারদের চাকরির মেয়াদ ৬০ বছর করে দেওয়া হয়েছে।

আগে আশার মেয়েরা ৮০০ টাকা পেত দিল্লী থেকে। দিল্লী এই প্রোজেক্ট বন্ধ করে দিল। রাজ্য সরকার থেকে ওদের টাকা দেওয়া হয়।

কেন্দ্রের বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও প্রোগ্রামে সারা দেশের মেয়েদের জন্য ১০০ কোটি টাকা। আমরা আমাদের কন্যাশ্রী প্রোজেক্টে ইতিমধ্যে ৫০০০ কোটি টাকা খরচ করেছি।

আপনারা (বিজেপি) যদি মনে করেন ক্ষমতায় এসেছেন বলে মণিষীদের মূর্তি ভাঙবেন, সেটা আমরা মেনে নেব না।

আমার সাথে সিপিআইএম-এর লড়াই হয়েছে। আমরাও ৩৪ বছর পরে ক্ষমতায় এসেছি। মনে রাখবেন আমাদের স্লোগান ছিল ‘বদলা নয়, বদল চাই’।তাই সিপিআইএম এত অত্যাচার করার পরও আমরা কিন্তু পিঁপড়ের ডিমের মত অত্যাচার ওদের ওপর করিনি। তার কারণ ওটা আমাদের সংস্কৃতি নয়।

আমি সিপিআইএম-এর পক্ষে নই, বিরুদ্ধে।আমরা ওদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সিঙ্গুর, নেতাই, নন্দীগ্রামে লড়াই করেছি।কার্ল মার্ক্স আমার নেতা নন, মহামতি লেনিনও আমার নেতা নন। কিন্তু রাশিয়ায় ওরা নেতা।মনে রাখবেন যে যেই পার্টির সমর্থকই হোক না কেন গনতন্ত্রে হিংসার কোন স্থান নেই।

গনতন্ত্র মানে জবরদখল নয়, ভোটদখল নয়। গণতন্ত্র মানে তুমি ক্ষমতায় আছো, উন্নয়নের কাজ করবে।আমরাও উন্নয়নের কাজ করছি। যদি লড়তে হয়, উন্নয়নের কাজে লড়। প্রতিযোগিতা করতে হলে উন্নয়নের প্রতিযোগিতায় নাম লেখাও।গড়তে পারলে গড়। আর না পারলে মানে মানে সরে পড়।

আমাদের বদনাম করার চেষ্টা করা হয় রোজ, বারবার, ৩৬৫ দিন। তাও বলি এইসব হুমকির কাছে আমরা ভয় পাই না।যতদিন বাঁচব, মাথে উঁচু করে বাঁচব।

আপনাদের জন্যে আর একটা প্রকল্প তৈরি করা হয়ছে, তার নাম হচ্ছে ‘রূপশ্রী’। দেড় লক্ষ টাকা ইনকাম যাদের বছরে, তাদের ১৮ বছরের বেশী বয়সি মেয়েদের জন্য, তাদের বিয়ের জন্য সরকারকে আবেদন করলে, সরকার আপনাদের মেয়ের বিয়ের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে দিয়ে দেবে।

কৃষকদের জন্যে পুরো খাজনা মকুব করে দিয়েছি আমরা। কৃষিজমির মিউটেশন করতে হলে এক পয়সাও লাগবে না। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার আজ পর্যন্ত কৃষি ঋনটা কি মকুব করেছে? অথচ কয়েকটা বড় বড় রুই কাতলা ব্যাঙ্কের সব টাকা লুঠ করে নিয়ে চলে যাচ্ছে আর কেন্দ্রীয় সরকার তাদের সাহায্য করছে।

গরীব মানুষদের ঋণ মকুব করে না, কৃষকদের ঋণ মকুব করে না, আর কয়েকটা রুই-কাতলা, আপনার টাকা মেরে দিয়ে চলে গেছে। আর আজকে ব্যাঙ্ক হয়ে গেছে ক্যাশলেস, আর বিজেপি সরকার হয়েছে ফেসলেস’।

এখন ওরা আপনার জমানো টাকা অন্য লোককে দিয়ে দেবে। মানুষ আজকে কঠিন সমস্যায় পড়েছে। এর বিরুদ্ধে যদি তৃণমূল না বলে তাহলে কে বলবে? মানুষ যদি বিপদে পরে, মনে রাখবেন, তৃনমূল কংগ্রেস ছিল, আছে, আর থাকবে।

একতাই সম্প্রীতি, এই কথা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুলরা শিখিয়ে গেছেন।

বাংলাকে বঞ্চনা করছে দিল্লী। কিছু দেয় না আমাদের। দিল্লী আমাদের সব কেড়ে নেয়। তা সত্ত্বেও বলি বাংলা বঞ্চনা সহ্য করে না, বাংলা প্রতারণা সহ্য করে না, বাংলা সারা দেশের মানুষের পাশে থেকে লড়াই করে, প্রতিশ্রুতি দেয়।

তোমাদের টার্গেট যদি হয় বাংলা, আমাদের টার্গেট, লাল কেল্লা।

কিছু লোক দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে। নজর রাখুন, পুলিশকে খবর দিন, পুলিশ আপনাকে পুরস্কৃত করবে।

আমরা প্রায় ২০০০ কোটি টাকার একটা প্রকল্প শুরু করছি, নিম্ন-দামোদর অববাহিকা নিয়ে। এতে কয়েক লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন।

অটো ড্রাইভার, ট্যাক্সি ড্রাইভার,ক্ষেত মজদুর ও কেন্দু পাতা সংগ্রহকারীরা ৬০ বছর বয়সে পেনসন পাবে, তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সিপিএমের করে যাওয়া দেনার জন্য আমাদের বছরে ৪৮,০০০ কোটি টাকা শোধ করতে হয়।

আগামি ৮ তারিখ আন্তর্জাতিক নারী দিবস।আমি চাই আমার মা বোনেরা সম্মানের সাথে বাঁচুক, তাদের ছাড়া সমাজ অসম্পুর্ণ।

আমার বাংলার ছেলে-মেয়েরা একদিন সারা বিশ্বকে পথ দেখাবে।