Latest News

March 31, 2018

Developmental policies creating more and more employment opportunities in Bengal

Developmental policies creating more and more employment opportunities in Bengal

The Trinamool Congress Government has always tried to give the people of the state a safe and secure life. One of the ingredients for this is sustainable income.

With development in various fields, most people in the state have some sort of sustainable income. The government is trying its best to bring the fruits of development to every corner of the state.

During financial year (FY) 2017-18, despite the cruel effects of demonetisation and GST, Bengal has been able to create employment opportunities for 8.92 lakh people; and most of the job creation has been the result of the positive policies of the State Government rather than due to any help from the Centre.

Also, according to State Government data, during the first six-and-a-half years of Trinamool Congress, 81 lakh jobs were created. The jobs include not only direct government jobs but also those created through the setting up of micro, small and medium enterprises (MSME). In fact, as acknowledged by the Central Government itself, Bengal is the leading state in terms of generating income and employment through MSMEs.

According to official records, more than 27,700 MSMEs have been able to provide employment to 1.7 lakh people. Keeping on the subject of small scale industries, the state has provided training in handloom to 16,940 people, which included both weavers and their assistants. A result of these activities has been the creation of 60 lakh person-days.
Due to the Gatidhara Scheme, which provides loans to youths to buy vehicles for commercial use, be it taxis or mini trucks or anything else, another approximately 10,000 people have got employment.

Another important fact to remember is that, if there was no debt that the state had to repay the Centre (a result of the 34-year-rule of the Left Front) and the Central Government contributed more funds for the jointly-implementable schemes instead of reducing its shares, the State Government would have been able to spare more money for more number of jobs and for creating employment opportunities.

Another laudable move in this respect was the creation, on July 26, 2012, of an Employment Bank, and where job-seekers can notify their names online too. The exchange serves as a bridge between employment seekers and employment providers. More than 10 lakh people across the state have found employment in this way.
It is from this list that people have been selected, on need basis, for the Yuvashree Scheme, wherein sustenance stipend is paid to those not yet employed.

Now, the government has decided to recruit 13,000 people in the police force and related jobs, and it is actively pursuing its implementation. This decision was approved by the State Cabinet on March 23.


উন্নয়নেই কর্মসংস্থান বাড়ছে রাজ্যে

সারা বছর ধরেই বেকারদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু রেখে চলেছে রাজ্য সরকার। এই কারণে বছরের বিভিন্ন সময় সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি জারি করা হচ্ছে। এই সমস্ত কর্মকাণ্ডের কাণ্ডারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার নেতৃত্বে বছরভর উন্নয়নজজ্ঞের ফলেই এতো কর্মসংস্থান।

২০১৭-১৮ আর্থিক বছরে জিএসটি এবং নোটবাতিলের ধাক্কা সত্ত্বেও রাজ্যে ৮ লক্ষ ৯২ হাজার কর্মসংস্থান হয়েছিল। এবছর এই কর্মসংস্থান কয়েকগুন বাড়বে বলে আশা করা যায়। গত সাড়ে ছয় বছরে রাজ্য সরকার প্রায় ৮১ লক্ষ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। শিক্ষাক্ষেত্রে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষকদের চাকরি ছাড়াও বড় অংশ আছে চতুর্থ শ্রেণী। পুলিশ, বিচারবিভাগ, স্বরাষ্ট্র, ই-গভর্ন্যান্স, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নে ১৩ হাজার চাকরি নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বেসরকারি ক্ষেত্রেও লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থানের নজির গড়েছে রাজ্যে। পাশাপাশি চাকরি থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসা, সব ক্ষেত্রেই কাজ পেয়েছেন মানুষ। কেন্দ্রের ঋণের বোঝা না থাকলে, কেন্দ্র বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা বন্ধ না করলে, আরও বহুগুন কর্মসংস্থান করতে সক্ষম হত সরকার।

২০১২ সালের ২৬ জুলাই ‘এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক’-এর সৃষ্টি হয়েছে, যা চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগকর্তার মধ্যে অনলাইন ব্যবস্থায় সেতুর কাজ করছে। ১০ লক্ষেরও বেশী চাকরি প্রার্থী এই ব্যবস্থার মাধ্যমে কাজ পেয়েছে। এই এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক থেকেই বাছাই করা হয়েছে ‘যুবশ্রী’। এছাড়া ২৭৭০০টিরও বেশী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ইউনিট ১৭০০০০ লোক নিয়োগ করে উদ্যোগ আধার মেমোরেন্ডাম দাখিল করেছে।

অন্যদিকে, ১৬৯৪০জন তাঁত শিল্পী ও সহকারীকে দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৬০ লক্ষ কর্মদিবস তৈরী হয়েছে। ১০০০০ জন যুবক যুবতী ‘গতিধারা’ প্রকল্পের আওতায় এসেছে।

Source: Sangbad Pratidin