Latest News

December 30, 2016

The service and the attitude of Government hospitals are still the best: Mamata Banerjee

The service and the attitude of Government hospitals are still the best: Mamata Banerjee

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee inaugurated the Swasthya Sathi Scheme at the Netaji Indoor Stadium today. This is a novel effort by the State Government to benefit 45 lakh families of State Government employees across the State.

The Chief Minister also felicitated health officials including doctors and nurses with Swasthya Samman.

Hospital superintendents and block medical officers (BMOs) of 20 hospitals across the State were felicitated for their contributions. Twenty doctors and 50 nurses from across the State were also awarded.

The awardees were chosen by a special committee under the Health Department that had been tracking the performances all through the year.


Salient points of Mamata Banerjee’s address to doctors, nurses and other health professionals during the inauguration ceremony at Netaji Indoor Stadium:

  • Your world is a big world. Healthcare implies care for humanity, it is not about commerce.
  • People compare doctors to god, they are the last resort during times of need.
  • Behaviour towards people is more important than just prescribing medicine; it is more important to stand beside the people.
  • All doctors, nurses, health workers, ICDS workers and ASHA workers have been rewarded today.
  • We are all connected to one another, so we need to help each other.
  • 45 lakh families have been brought under the Swasthya Sathi Scheme.
  • 14,000 doctors and nurses have been recruited, 7,000 more are going to be recruited.
  • Besides Government hospitals, about 500 private hospitals have been notified under the Swasthya Sathi Scheme.
  • Government employees would get medical benefits to the tune of Rs 1.5 to 5 lakh in Government and private hospitals.
  • We have started the Mabhoi Scheme for media professionals.
  • Of the 42 super-speciality hospitals, 32 are already up and running.
  • Medical seats have increased by 1345, to a total of 3100, in just 6 years of Trinamool Congress Government.
  • We have set up SNCUs, SNSUs, Mother and Child Hubs and a Medical Recruitment Board.
  • We have set up 57 ICCU units in district hospitals, including in Digha and Bakkhali, because these are tourist hotspots.
  • Remote regions like the Sundarbans have been brought under the ambit of the State’s healthcare services.
  • Special attention is being paid towards childbirth-related services in hospitals.
  • People need to reach out to other people; only by helping others around us can we lead a good life.
  • Infant deaths have reduced from 32% to 28%.
  • All doctors, nurses, and ICDS and ASHA workers of the State have played a big role in these progresses.
  • Five more nursing colleges are going to be started soon.
  • We have made a plan for retired doctors, to enable them to give two hours of their time daily to serve at Government hospitals.
  • The service and the attitude of Government hospitals are still the best.
  • Of course, we all have to be careful to guard against negligence.
  • The media also needs to be careful to not indulge in negative reporting; the positives also have to be reported by the media.
  • The media should do field surveys before reporting, to see for themselves what the matter is.
  • Certain incidents are being reported for the last 15 days all over the social media, when nothing significant has happened.
  • We are the only State which provides all manner of humanitarian help to the people.
  • But we do less of self-preaching and more of real work.
  • Whether for an accident or for a shop or house damaged or for anything else, we reach out to help without anyone reminding us to do so.
  • We are not a Government that makes decisions solely for political reasons.
  • We are forced to give away Rs 40,000 crore from our revenue to the Central Government for servicing debt.
  • If we had not had to pay this amount, then we could have shown what our Government could really do for Bengal.
  • Yet we have still done a lot – 20 Mother and Child Hubs, eight medical colleges, 42 super-speciality hospitals, fair price medicine shops and fair price diagnostic centres.
  • We have also set up 300 sick newborn stabilisation units (SNSUs), 60 sick newborn care units (SNCUs), intensive cardiac care units (ICCUs), intensive therapy units (ITUs), etc.
  • We provide free treatment to the people, even for costly procedures like kidney transplants.
  • People are getting concessions of 47% to 70% at fair price medicine shops and fair price diagnostic centres.
  • These services are being provided despite the Centre having increased by a big amount the prices of life-saving drugs for diabetes, cancer, etc.
  • We reimburse even those who have had themselves treated at private hospitals.
    Swasthya Sathi Scheme: Treatments worth up to Rs 1.75 lakh per year to be covered
    Swasthya Sathi Scheme: For a few specific diseases, treatments worth up to Rs 5 lakh per year to be covered.
    Swasthya Sathi Scheme: More than 1,900 diseases have been covered under the scheme, to be paid for in full if treated at any of the notified Government or private hospitals.
  • Swasthya Sathi Scheme: All aspects of treatment like medicines, diagnostic tests, food, etc. would be free of cost at the notified hospitals.
  • Swasthya Sathi Scheme: While being released from hospitals, a patient would get Rs 200 to cover travel costs.
  • Swasthya Sathi Scheme: Medicines required for the day before being admitted to hospital and for five days after release would be given free of cost.
  • This medical insurance would be renewed by the State Government every year; we will see to that.
  • People are suffering so much after demonetisation, people can’t pay for their basic needs.
  • Despite the limit of Rs 24,000 for withdrawals in cash from banks, banks are not being able to give it because of a shortage of supply.
  • People are not getting paid under the 100 Days’ Scheme, Gitanjali Housing Scheme, etc. in cash despite the sanction of the State Government because banks are not being able to provide the cash.
  • Rice and pulses at Rs 2 per kg under Khadya Sathi Scheme and free treatment – these schemes of the State Government have been of big help to the people during these trying times.
  • Scholarships are given under Kanyashree and Shikshashree Schemes, and are also being given to minority-community students.
  • We are also giving shoes for primary school students, as well as nutritious food for them.
  • Food, health, education – the State Government is looking after all these, and hence providing relief from mental tension.
  • Roti, kapda, makan – these are the basic needs of the people, and we have looked well after these needs.
  • The Government has to look beyond commercial needs, it has to look towards fulfilling social needs.
  • The responsibility of a democratic Government like ours is towards the people, while that of a dictatorial Government is only towards itself.
  • We can all make mistakes to some extent; even Netaji had said about the right to make mistakes.
  • May the New Year bring the best of everything to all of you.

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্য সরকারের সমস্ত দপ্তরে চুক্তিভিত্তিক, অস্থায়ী, দৈনিক মজুরি আয়ের কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্প চালু করল রাজ্য সরকার। প্রকল্পের নাম ‘‌স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প’। আজ নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ‘‌স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প’–‌এর আওতায় আসবেন স্বনির্ভর গোষ্ঠী, আশা ও  অঙ্গনওয়াড়ির কর্মীদের মতো অস্থায়ী কর্মীরা। শুক্রবার এই প্রকল্পের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পে ৪৫ লক্ষের বেশি পরিবারের ৩ কোটি মানুষ উপকৃত হবেন। এই প্রকল্পের আওতায় যাঁরা আসবেন, তাঁদের প্রত্যেককেই দেওয়া হবে সচিত্র স্মার্ট কার্ড।


স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প

  • ‌ প্রথমত এই প্রকল্পের আওতায় কর্মীরা ও তাঁদের পরিবারের সমস্ত সদস্য অন্তর্ভুক্ত হবেন।
  • এই প্রকল্পের সমস্ত চিকিৎসা খরচ রাজ্য সরকার বহন করবে।
  • প্রতি বছর চিকিৎসার জন্য ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়া হবে।
  • কিছু বিশেষ অসুখের ক্ষেত্রে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
  • জেলায় এবং রাজ্যের যে কোনও নথিভুক্ত হাসপাতালে যাঁরা ভর্তি হবেন, তাঁরা ১৯০০–র বেশি ধরনের রোগের চিকিৎসা পাবেন।
  • ‌ এই ঘোষণার আগে থেকে কেউ অসুস্থ থাকলে তিনিও ওই স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় আসবেন।
  • হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময় হওয়া পরীক্ষা, চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, ওষুধ এবং খাবারের খরচ দেবে সরকার।
  • হাসপাতালে ভর্তির একদিন আগে এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরের পাঁচদিনের ওষুধও তাঁরা পাবেন।
  • ‌ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর বাড়ি ফেরার জন্য গাড়ি ভাড়া বাবদ তাঁদের ২০০ টাকা দেওয়া হবে।
  • ‌ নবজাতকেরাও এই প্রকল্পের আওতায় আসবে।
  • এই বিমার সুযোগ–‌সুবিধা পাবেন স্বামী–স্ত্রী, বাবা–‌মা, এবং কর্মীদের ১৮ বছর পর্যন্ত বয়সি সন্তানেরা।
  • বিমার মেয়াদ কাল ১ বছর। প্রতিবছর নবীকরণ করতে হবে।
  • প্রয়োজনে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে এই প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী চিকিৎসা করানো যাবে।
  • ‌ এই নম্বরে ফোন করলে বিশদ জানা যাবে–‌১৮০০৩৪৫৫৩৮৪
  • জেলা অফিস, বিভিন্ন মিউনিসিপ্যালিটির অফিস, ব্লক অফিস ও জেলার নির্দিষ্ট কিয়স্কে গিয়েও যোগাযোগ করে জানা যাবে। এছাড়া–‌এ বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।


চিকিৎসা শাস্ত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এদিন বিশিষ্ট চিকিৎসকদের স্বাস্থ্য সম্মান দেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া স্মারক তুলে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন জেলার চিকিৎসক, নার্স , স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের হাতে। ৫০,০০০ টাকা করে নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয় চিকিৎসকদের, আর নার্সদের ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী এসএসকেএম হাসপাতালের পাশে বিবেকানন্দ উদ্যানের উদ্বোধন করেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “‌আজ রাজ্য সরকারের পরিবারের বিশেষ দিন। এই চিকিৎসক নার্স–‌সহ সকলেই এঁরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসাধারণ কাজ করে চলেছেন। চিকিৎসকদের কাছে মানুষ যান‌ সেবা পেতে। তাই চিকিৎসকদের উচিত রোগী ও তার পরিবারের সঙ্গে ভালো আচরণ করা”।

তিনি আরও জানান,  মিডিয়ার জন্য মাভৈ স্বাস্থ্য প্রকল্প চালু হয়েছে। চার বছরে ৩১০০ চিকিৎসকের পদ তৈরি হয়েছে। ১৪ হাজার নার্স নেওয়া হয়েছে। ৫৭টা ইন্সেনটিভ কেয়ার ইউনিট কাজ করছে বিভিন্ন ব্লকে। ৩২টি মাল্টিসুপার হাসপাতাল ও ৮টা মেডিক্যাল কলেজ তৈরি হয়েছে।  করেছি । প্রসূতি হাসপাতাল ৯২ শতাংশ হয়ে গেছে। ১০০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার টার্গেট রয়েছে। সুন্দরবনের  আর্থ–সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে নানান ধরনের পরিকল্পনা‌ হাতে নিয়েছে রাজ্য সরকার। তিনি বলেন, যখন ক্ষমতায় এসেছিলাম তখন শিশুমৃত্যুর হার ৩২ শতাংশ, এখন  তা ২৮ শতাংশ হয়েছে। ‌‌‌‌‌‌‌‌‌