Bengal’s business environment satisfactory, says CII-PwC report

A majority of businesses including small, medium and large scale operating in Bengal feel that the business environment in the state is satisfactory.

This is according to ‘Doing Business in West Bengal Made Easy March 2018’, a CII-PwC report launched at the Conference on “Rebuild East, Invest in Development” organised by CII coinciding with its Eastern Region Meeting in Kolkata on Saturday.

According to the report, a number of businesses based out of Bengal, which are looking to expand their branches/manufacturing units across multiple regions, have reposed their faith in the state stating that Bengal is economically growing. CII-PwC report further states that while quality infrastructure is available in major cities and towns, focus should also be given on “connecting the industrial belt and having industrial corridors in place”.

“At a time when there is a competition between States to go up the EODB ladder, it is great to note that West Bengal emerged as a forerunner and is racing much ahead of many others in the ranking,” Smita Pandit Chakraborty, Immediate Past Chairperson, CII West Bengal State Council, said.

“The state has already been able to ensure a significant shift in the Ease of Doing Business (EODB) ranking. Dissemination of web-based information has been the key to the success of attracting investors and rejuvenating the small scale sector in the state,” said Avijit Mukerji, Chairman, CII West Bengal State Council.

 

দেশের সেরা বিনিয়োগ গন্তব্য বাংলা, রিপোর্ট সিআইআই-পিডব্লিউসির

বর্তমান রাজ্য সরকারের আমলে বাংলাতে যেভাবে বাইরের বিনিয়োগকারী ও সমস্ত শিল্পপতিদের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তার ফলে বাংলা সমস্ত শিল্পোন্নত রাজ্যগুলির সাথে সমানভাবে পাল্লা দিচ্ছে। বণিকসভা সিআইআই ও পিডব্লিউসি গোটা দেশের বিনিয়োগ মানচিত্র ও বিনিয়োগের পরিবেশ নিয়ে সাম্প্রতিকতম যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, তাতে এমনই দাবী করা হয়েছে।

শনিবারই ‘কনফারেন্স অন রিবিল্ড ইস্ট-ইনভেস্ট ইন ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক যে কনফারেন্সের আয়োজন করেছে সিআইআই, সেখানেই এই রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এই রিপোর্টেই বলা হয়েছে যে বাংলা থেকে আগে যে সমস্ত শিল্পগোষ্ঠী বাইরে চলে গিয়েছিল তারা রাজ্যের বর্তমান শিল্প পরিস্থিতি দেখে ফিরে আসতে শুরু করেছে। এমনকি ভিন রাজ্যের যে সমস্ত শিল্পগোষ্ঠী এর আগে গুজরাত মহারাষ্ট্র বা অন্যান্য রাজ্যে বিনিয়োগে উৎসাহী হত, তারাও এখন অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলাকেই তাঁদের নতুন বিনিয়োগের গন্তব্য বলে বেছে নিচ্ছে।

এই রিপোর্টে দেশের প্রথম সারির শিল্পপতিরা যে বিষয়গুলির বাংলাকেই শিল্প স্থাপনের জন্য আদর্শ বলে মনে করছেন, তার মধ্যে একদম প্রথমেই রয়েছে শিল্পের জন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যে ভাবে ‘রেডি টু গিভ’ ল্যান্ড ব্যাঙ্ক বানিয়েছে। এই ল্যান্ড ব্যাঙ্ক থেকে শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমির মানচিত্র দেখেই ইচ্ছুক শিল্পপতিরা নিজেদের প্রকল্পের জন্য জমির আবেদন করতে পারেন। এমনকী জমির জন্য আবেদন করার এবং জমি পাওয়ার কোনও লাল ফিতের বাঁধন না থাকায় বন্ধ হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দুর্নীতির বিষয়টিও।

এ ছাড়াও রাজ্যে যেভাবে সম্প্রতি গোটা দেশের মধ্যে ‘ইজ অফ ডুইং বিজনেস’ বা শিল্পবান্ধব ভাবমূর্তিতে এক নম্বর জায়গা দখল করেছে গোটা দেশের মধ্যে, সেই বিষয়ে সিআইআই ওয়েস্ট বেঙ্গল কাউন্সিলের বিদায়ী চেয়ারপার্সন বলেন, “অন্যান্য সমস্ত রাজ্যকে পেছনে ফেলে বাংলা যেভাবে নিজেকে শিল্পবান্ধব হিসেবে গোটা দেশের সামনে রোল মডেল হয়ে উঠেছে, তাতে স্বাভাবিকভাবে বিনিয়োগকারীরা বেছে নিচ্ছে বাংলাকেই।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলা যেভাবে গত কয়েক বছরের মধ্যেই রাজনৈতিক স্থিতাবস্থায় ফিরে এসেছে তার জন্যেও বাংলাকে শিল্পের গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন একাধিক শিল্পপতি।

‘Synergy’ meet organised to boost MSMEs in Hills

On the heels of the two-day long Hill Business Summit, a “Synergy” meet was organised in Darjeeling by the Micro Small and Medium Enterprises (MSME) department in collaboration with the Confederation of Indian Industries (CII).

Proposals amounting to a sum of around Rs 9 crore have been submitted by different enterprisers in the micro and small sector.

“Synergy”, a one stop destination provides logistical support to MSMEs by providing single point contact; scheme procedures; schemes for startups; upgradation of existing old industries; know how on formation of industrial cooperatives and market access.

Stalls were put up by different departments under the State Government and the Gorkhaland Territorial Administration including MSME, Land, Labour, Power, Fire and Emergency Services, Finance, Tourism, Horticulture. Around 200 entrepreneurs visited.

 

পাহাড়ে অনুষ্ঠিত হল ‘সিনার্জি’ বৈঠক

দার্জিলিং পাহাড়ে উত্পাদিত চকোলেট, নুডলস, ঝাড়ু সহ অন্যান্য সামগ্রী বিশ্ব বাংলা স্টলের পাশাপাশি বিভিন্ন শপিংমলের বিপণনকেন্দ্রে রেখে বিক্রিতে রাজ্য সরকার ব্যবস্থা নেবে। এরই সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ পেতে যে সমস্ত সমস্যা তৈরি হচ্ছে সেগুলিরও দ্রুত সমাধান করা হবে বলে জানিয়েছেন ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প বিভাগের ডিরেক্টর।

দার্জিলিঙে স্থানীয় উদ্যোগপতিদের নিয়ে ‘সিনার্জি’ নামে আলোচনা সভায় তিনি জানান, পাহাড়ের ছোটো উদ্যোগপতিদের তৈরি জিনিসপত্র বিক্রিতে ‘এক জানালা’ ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা চলছে। এই বৈঠকে ৯ কোটি টাকার লগ্নি প্রস্তাব এসেছে।

ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের জন্য ‘এক জানালা’ ব্যবস্থার মাধ্যমে সব পরিষেবা প্রদানই হল সিনার্জি বৈঠকের লক্ষ্য। বিভিন্ন প্রকল্পের প্রক্রিয়া সম্বন্ধে তথ্য থেকে শুরু করে, স্টার্টআপগুলির জন্য কি কি প্রকল্প আছে সেই সম্বন্ধে তথ্য দেওয়া হয় সিনার্জিতে। তাছাড়া, পুরোনো শিল্পের আপগ্রেড, শিল্প সমবায় তথা মার্কেট এক্সেস সম্বন্ধেও জানা যায় এখানে।

পাহাড়ের ‘সিনার্জি’’ বৈঠকে রাজ্য সরকার ও জিটিয়ের বিভিন্ন দপ্তর স্টল দিয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন প্রায় ২০০ জন উদ্যোগপতি।

Bengal, Sikkim will work together for development

Chief Minister of Sikkim, Shri Pawan Chamling today called on Bengal Chief Minister Mamata Banerjee at Uttarkanya. They had a meeting regarding the issues involving the Darjeeling Hills and Sikkim.

After the meeting, the Chief Ministers addressed the press. Here’s what they said.

Chief Minister of Sikkim:

  • We will work together for the development of Sikkim and Bengal, specially Darjeeling Hills.
    Our discussion was on developmental issues. The misunderstandings are a thing of the past. We will work together for a better future.

 

Chief Minister of Bengal:

  • Bengal and Sikkim are neighbouring States. Bengalis love to visit Sikkim. We must work together for development.
  • We will sort out the differences and we will work together. Past is past. Now, we will work together for development. Bengal will give support to Sikkim, and they will give support to us.
  • We will invite Mr Chamling to the next business summit in the Hills. We will also request the GTA to work in close cooperation with Sikkim.
  • We welcome the court verdict (on Bimal Gurung). We will continue to work for the people.
  • We want both Sikkim and Bengal to prosper.
  • Chamling ji has invited me to Sikkim and I will definitely visit the State. I have also invited him to visit Kolkata.

 

 

উন্নয়নের স্বার্থে একযোগে কাজ করবে বাংলা ও সিকিম

 

আজ উত্তরকন্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে বৈঠক করেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী পবন চামলিং। দার্জিলিং ও সিকিম সহ পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে।

বৈঠক শেষে দুই মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।

পবন চামলিংয়ের বক্তব্য:

  • বাংলা, বিশেষ করে দার্জিলিং অঞ্চল, এবং সিকিমের উন্নয়নের জন্য আমরা একসাথে কাজ করব।
  • আজকে উন্নয়ন নিয়েই আলোচনা হয়েছে। ভুল বোঝাবোঝি সব এখন অতীতের কথা। উন্নততর ভবিষ্যতের জন্য আমরা একসাথে কাজ করব।

 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য:

  • আমাদের দুটি রাজ্য একেবারে পাশাপাশি। আমাদের রাজ্যের মানুষরা সিকিম যেতে ভালবাসেন। আমরা চাই দুটি রাজ্যের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া হোক।
  • দুটি রাজ্য একসঙ্গে যদি কাজ করে, উন্নয়ন আরও বেশী হতে পারে, আরও তাড়াতাড়ি হতে পারে। আমাদের মধ্যে যেসব ছোটখাটো সমস্যা ছিল, তা আমরা মিটিয়ে নেব। আমরা সকলে একসঙ্গে কাজ করব। এটা একটা ভালো যোগসূত্র তৈরী হয়েছে। এতে দুটি রাজ্য আরও কাছে এসছে। বাংলা সিকিমকে ও সিকিম বাংলাকে সাহায্য করবে।
  • পরের বাণিজ্য সম্মেলনে আমরা সিকিমকে আমন্ত্রণ জানাব। জিটিএ কে বলব, কথা বলে সিকিমের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক ভালো করার।
  • আমরা বিমল গুরুঙ্গের ব্যাপারে কোর্টের রায়কে স্বাগত জানাই। আমরা পাহাড়ের জন্য কাজ করে যাব।
  • আমরা একসঙ্গে কাজ করছি। আমরা চাই দুই রাজ্যেরই উন্নতি হোক।
  • সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী আমায় সিকিমে যাওয়ার জন্যও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, আমিও তাঁকে কলকাতা আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছি।

 

TDP pulls out of NDA, Mamata Banerjee welcomes move

The Telugu Desam Party (TDP) has decided to pull out of National Democratic Alliance (NDA). The party has also brought a No-Confidence Motion against the Centre in Lok Sabha.

Mamata Banerjee tweeted in support of TDP’s decision this morning. She wrote:

“I welcome the TDP’s decision to leave the NDA. The current situation warrants such action to save the country from disaster. I appeal to all political parties in the Opposition to work closely together against atrocities, economic calamity and political instability.”

At a press conference held at Uttarkanya, the Chief Minster further said, “Every state has their own problems and issues. TDP also has its own issues, initially they were with the NDA & now they have left the NDA for a better cause. So whatever TDP has decided is correct.”

এনডিএ ছাড়ল টিডিপি, সিদ্ধান্তকে স্বাগত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আজ এনডিএ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় তেলেগু দেশম পার্টি। তারা সংসদে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তেলেগু দেশম পার্টির এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে টুইটারে লেখেনঃ-

বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে তেলেগু দেশম পার্টির এনডিএ থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে, বিপর্যয় আটকাতে, এই সিদ্ধান্ত দরকার ছিল। আমি প্রতিটি বিরোধী রাজনৈতিক দলকে নির্যাতন, আর্থিক বিপর্যয় এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার বিরুদ্ধে একসাথে কাজ করার আবেদন জানাচ্ছি।

আজ বিকেলে উত্তরকন্যায় সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতি রাজ্যের নিজস্ব সমস্যা এবং ইস্যু আছে। টিডিপিরও নিজস্ব কিছু ইস্যু আছে। আগে তারা এনডিএ তে ছিলেন, এখন বৃহত্তর স্বার্থে এনডিএ থেকে বেরিয়ে এলেন। টিডিপির সিদ্ধান্তের সাথে সম্পূর্ণ সহমত আমি।

 

Updated at 4 PM 

 

Bengal Govt to comprehensively redevelop Tarapith Temple

Tarapith Temple in Birbhum district is going in for a major redevelopment. The State Government, on the express instructions of Chief Minister Mamata Banerjee, has created a comprehensive plan for this. In the initial phase, Rs 8 crore will be spent by the Rampurhat Development Board, which is implementing the master plan.

According to District Rural Development Authority (DRDA) sources, a large number of shops had sprung up around the sanctum sanctorum of the temple, blocking the way as well as the view for pilgrims. The shops are being rebuilt over a smaller area.

The inner sanctum comprises a 350 square feet (sq ft) area, while the total area of the temple premises is 3,260 sq ft.

The plans include the creation of a large flower garden for devotees around the 2,500 sq ft courtyard on the eastern side of the temple, a two-storey office building, a 70 x 25 ft bhog-ghar, community dining room capable of serving 1,000 devotees, new gates at the western and southern entrances to the temple, redesigning all the four gates with terracotta work, building shops to rehabilitate 30 business owners, redesigning, solar cookers for cooking prasad, among other improvements.

 

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে নবরূপে সাজছে তারাপীঠ

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে প্রায় আট কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন করে সাজছে তারাপীঠ মন্দির। তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ মায়ের মূল মন্দির অক্ষত রেখে এই কাজ শুরু করেছে।কর্তৃপক্ষের দাবি, আগামী এক বছরের মাথায় নবরূপ পাবে বামাখ্যাপার সাধনক্ষেত্র তারাপীঠ মন্দির।

টিআরডিএ’র সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩২৬০স্কোয়ার ফুট জায়গা নিয়ে তারাপীঠ মন্দির চত্বর। যার মধ্যে ৩৫০স্কোয়ার ফুট জায়গার মধ্যে মায়ের গর্ভগৃহ। সেই গর্ভগৃহের চারপাশে দোকান গজিয়ে ওঠায় বাইরে থেকে গর্ভগৃহ দেখা যেত না। নতুন পরিকল্পনায় সেই দোকানগুলি ছোট করে তৈরী করার কাজ চলছে। দোকানগুলির ছাদটিকে গর্ভগৃহের চাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হবে। একইভাবে পূর্বদিকে ২৫০০স্কোয়ার ফুট চাতাল থাকছে। চাতালের চারদিকে নির্দিষ্ট জায়গাজুড়ে বিভিন্ন ফুলের গাছ লাগিয়ে সৌন্দর্যায়ন করা হবে। ঘিরে দেওয়া হবে রেলিং দিয়ে। খোলামেলা পরিবেশে এই চাতালে বসে ভক্তরা প্রার্থনা করতে পারবেন। এরই একপাশে থাকবে দ্বিতল অফিস ঘর।

পশ্চিমদিকে মাটির নীচে ইতিমধ্যে ৭০ফুট বাই ২৫ফুটের ভোগঘর নির্মাণের কাজ শেষের দিকে। ভোগঘরের পাশেই গড়ে উঠছে ডাইনিং রুম। যেখানে প্রায় এক হাজার ভক্ত একসঙ্গে বসে ভোগ খেতে পারবেন। ডাইনিং রুমের গা ঘেঁসে ৩০জন ব্যবসায়ীকে পুনর্বাসন দেওয়ার জন্য দোকানঘর নির্মাণের কাজ চলছে। গর্ভগৃহের সামনে মায়ের নাট মন্দির, বিশ্রামাগার, শিব মন্দির বাদে সব বিল্ডিং ভেঙে একইভাবে খোলামেলা করা হবে।

এতদিন ভক্তরা জীবিতকুণ্ডর পাশ দিয়ে এসে ফুট ওভারব্রিজ হয়ে গর্ভগৃহে প্রবেশ করতেন। সেই ব্রিজও ভেঙে ফেলা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, জীবিতকুণ্ড হয়ে ভক্তরা মাটির তলা দিয়ে সারিবদ্ধভাবে এসে গর্ভগৃহের সামনে চাতালে উঠবেন। চাতালে ওঠার দু’টি অভিমুখ করা হবে। এজন্য মাটির নীচে বাতানুকূল ব্যবস্থা থাকবে।

এখন মন্দিরে ঢোকার পূর্ব ও উত্তরদিকে দু’টি গেট রয়েছে। নতুন করে পশ্চিম ও দক্ষিণদিকে আরও দু’টি গেট করা হবে। সবকটি গেটেই টেরাকোটার কাজ করে সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা হবে। ভক্তরা যে কোনও গেট দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারবেন।

এতদিন কাঠের জ্বালানি দিয়ে ভোগ রান্না হতো। এবার থেকে সোলার পদ্ধতিতে হবে। রান্নার কাজে ব্যবহৃত জল পাইপ লাইনের মাধ্যমে মাটির নীচ দিয়ে নিয়ে এসে ট্রিটমেন্ট করে দ্বারকা নদে ফেলা হবে।

Source: Bartaman

 

Kolkata best among 4 metros in quality of governance: Survey

Kolkata has ranked second among 23 major Indian cities in an annual survey that evaluates the quality of governance in cities, comfortably beating more fancied rivals like Delhi, Mumbai, Chennai, Bengaluru and Hyderabad.

Kolkata has scored over most of the other major metros in the four parameters, finishing second on empowered and legitimate political representation, third in urban planning & development, sixth in urban capacity and resources and 10th in transparency, accountability & participation.

This is the fifth year that the Janaagraha Centre for Citizenship and Democracy, a Bengaluru-based non-profit organisation, has released its report on Annual Survey of India’s City-Systems (ASICS).

The study has found that Kolkata’s per capita capital expenditure has increased steadily over the last three years and is currently around Rs 1,546. It is among the nine cities, out of the total 23, which has adhered to budget timelines as mandated by law. It is also among the 12 cities where audited financial statements are available online.

The city also performed well on parameters like credit rating, publishing e-newsletters and implementation of the double-entry accounting system. It has introduced a live e-procurement system and details on schemes and services and audited annual financial statements are available on the web.

Kolkata is also the only city that has not witnessed any municipal commissioner churn in the last five years.

 

দেশের সেরা মেট্রো শহর কলকাতা: রিপোর্ট

বেঙ্গালুরুর একটি সংস্থা জনাগ্রহ সেন্টার ফর সিটিজেনশিপ এন্ড ডেমোক্রেসি দ্বারা পরিচালিত একটি সমীক্ষায় আর্বান গভর্ন্যান্সের নিরিখে দেশের দ্বিতীয় সেরা শহর হিসেবে উঠে এল কলকাতার নাম। দেশের বাকি মেট্রো শহরগুলিকে – দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদ – পেছনে ফেলে দিয়েছে কল্লোলিনী কলকাতা।

বেশিরভাগ মাপকাঠিতেই অন্যান্য শহরের তুলনায় এগিয়ে কলকাতা। “ক্ষমতায়ন এবং বৈধ রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব” মাপকাঠিতে দ্বিতীয় স্থানে আমাদের গর্বের শহর। নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন এর নিরিখে তৃতীয়, এবং আর্বান ক্যাপাসিটির নিরিখে ষষ্ঠ হয়েছে তিলোত্তমা।

সমীক্ষায় প্রকাশিত যে গত তিন বছরে কলকাতার মাথাপিছু মূলধন ব্যয় (per capita capital expenditure) অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। এই মুহূর্তে এই সংখ্যাটি হল ১৫৪৬ টাকা। আইন অনুযায়ী বাজেট নির্ধারিত সময়সীমা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মানা হয়েছে কলকাতা পুরসভার তরফে। আর্থিক ও অডিটের বিভিন্ন নথিও অনলাইন পাওয়ার ব্যবস্থা আছে কলকাতাতে।

ক্রেডিট রেটিং, ই-নিউজলেটার, ডাবল-এন্ট্রি একাউন্টিং ব্যবস্থার মাপকাঠিগুলোতেও ভালো ফল করেছে কলকাতা। পুরসভার তরফে চালু হয়েছে ই-প্রকিউরমেন্ট ব্যবস্থা।

সম্মিক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে কলকাতা একমাত্র শহর যেখানে গত পাঁচ বছরে পৌর কমিশনার পদ নিয়ে কোনও জটিলতা হয়নি।

 

 

Investment proposals worth Rs 2,000 crore received at Hill Business Summit

Investment proposals worth Rs 2,000 crore were received at Hill Business Summit, Chief Minister Mamata Banerjee announced. Today was the second and last day of the first-ever business summit in the Hills.

Investment proposals have been received in the sectors of food processing, hotel, dairy and aquarium, orchids, tea tourism, agro-industries and steel, the CM said.
Bengal wants to see Darjeeling smiling. Darjeeling has a brand value worldwide, she maintained.

Highlights of the CM’s speech:

  • This is the first business summit in the Hills. We all want to work for the betterment of the people of Darjeeling.
  • There are many opportunities of investment in agriculture, tourism, tea, trade, transport, skill development, horticulture, medicinal plants. There are several areas and sectors where we can work together in a better manner.
  • I am happy that my industry friends have decided to invest more than Rs 2,000 crore in Darjeeling Hills.
  • Investment proposals have been received in the sectors of food processing, hotel, dairy and aquarium, orchids, tea tourism, agro-industries and steel.
  • Many more investment proposals will be coming in the coming days. This is a positive step. Hill economy will be pushed forward.
  • MSME Synergy meeting will be held tomorrow. All proposals will be cleared by single window system.
  • As per a report that has come out today, Bengal is No. 1 in ease of doing business. Bengal means business. Darjeeling also means business.
  • There is a lot of talent in the Hills. It can yield results if nurtured well.
  • If there is peace, there will be prosperity. We have to work unitedly to make the Hills prosper.
  • Today is just the beginning. Let us explore our vision for a particular mission – growth of Darjeeling.
  • Whenever Darjeeling moves forward on the path of development, certain sections try to destabilise the Hills. If we can work together, no power can stop us.
  • I want the young generation of the Hills to get employment. 300 home guards will be recruited in the Hills soon.
  • Bengal wants to see Darjeeling smiling. Darjeeling has a brand value worldwide.

 

দার্জিলিঙের বাণিজ্য সম্মেলনে ২,০০০ কোটি টাকার লগ্নি প্রস্তাব

দার্জিলিঙের বাণিজ্য সম্মেলনে ২,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে। সম্মেলনের দ্বিতীয় তথা শেষ দিনে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, হোটেল, দুগ্ধজাত, অ্যাকোরিয়াম, অর্কিড, টি-পর্যটন, কৃষিজ ইন্ডাস্ট্রির ক্ষেত্রে এই লগ্নির প্রস্তাব আসে।

তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষ চায় পাহাড় হাসুক। সারা বিশ্বে দার্জিলিং সমাদৃত।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কিছু অংশঃ

  • এই প্রথম পাহাড়ে বাণিজ্য সম্মেলন হল। আমরা সবাই দার্জিলিঙের উন্নতির জন্য কাজ করতে চাই।
  • কৃষি, পর্যটন, চা, বাণিজ্য, পরিবহন, দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্যান পালন, ঔষধি গাছের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সম্ভাবনা আছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে আমরা যৌথভাবে আরও অনেক উন্নয়নের কাজ করতে পারি।
  • আমি খুব খুশি যে শিল্পপতিরা এখানে ২,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে আগ্রহী হয়েছে।
  • খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, হোটেল, ডেয়ারি, অ্যাকোরিয়াম, অর্কিড, চা-পর্যটন, কৃষি ভিত্তিক শিল্পর ক্ষেত্রে এই বিনিয়োগের প্রস্তাব আসে।
  • আগামী দিনে আরও অনেক বিনিয়োগের প্রস্তাব আসবে। আজ একটি শুভ সূচনা হল। এতে পাহাড়ের অর্থনীতির আরও উন্নয়ন হবে।
  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সিনার্জি বৈঠক হবে আগামীকাল। এক জানালা পদ্ধতিতে আমরা সব প্রস্তাবিত বিনিয়োগের ছাড়পত্র দেব।
  • আজকে প্রকাশিত ভারত সরকারের এক রিপোর্ট অনুযায়ী, শিল্প গড়ার সুবিধার দিক থেকে বাংলা দেশের সেরা। বাংলা মানেই বাণিজ্য। দার্জিলিং মানেই বাণিজ্য।
  • পাহাড়ের ছেলেমেয়েদের দক্ষতার অভাব নেই, এই দক্ষদের উপযুক্ত সুযোগ করে দিলে তারা ভালো ফল করবেই।
  • শান্তি থাকলেই, উন্নয়ন হবে। পাহাড়ের উন্নতির কথা ভেবে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
  • এই তো সবে শুরু হল। আমাদের যা লক্ষ্য – পাহাড়ের উন্নয়ন, সেই লক্ষ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
  • যখনই দার্জিলিং সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যায়, এক শ্রেণীর মানুষ বিশৃঙ্খলা তৈরী করার চেষ্টা করে। আমরা একসাথে কাজ করলে কেউ আমাদের রুখতে পারবে না।
  • পাহাড়ের ছেলেমেয়েরা চাকরি চায়। আমরা খুব তাড়াতাড়ি পাহাড়ে ৩০০ হোম গার্ড নিযুক্ত করব।
  • বাংলার মানুষ চায় পাহাড় হাসুক। সারা বিশ্বে দার্জিলিং সমাদৃত।

 

Updated at 11 PM on 14.03.2018

 

Mamata Banerjee remembers Nandigram martyrs

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today paid tributes to the martyrs of Nandigram on Twitter and Facebook.

She wrote, “On this day, 11 years ago, innocent villagers were killed in firing at Nandigram. Heartfelt tribute to all those who lost their lives. We observe 14 March as ‘Krishak Dibas’ and give away ‘Krishak Ratna’ awards on this day.”

In 2007, the earstwhile Left Front Government had wanted to acquire land in Nandigram for a Chemical Hub. The villagers had refused to part with their land. On March 14, 2007, 14 villagers were killed (officially) in Nandigram, several injured.

After coming to power, Mamata Banerjee has been observing this day as Krishak Dibas. The CM also gives away ‘Krishak Ratna’ awards.

 

কৃষক দিবসে শহীদ তর্পণ মুখ্যমন্ত্রীর

আজ ১৪ই মার্চ। ১১ বছর আগে তৎকালীন বাম সরকার কেমিক্যাল হাব তৈরীর জন্য জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় নন্দীগ্রামের ১ নম্বর ব্লকে। জমি দিতে নারাজ গ্রামবাসীদের ওপর ২০০৭ সালের ১৪ই মার্চ চলে গুলি। সরকারি হিসেব মারা যান ১৪ জন, নিখোঁজ হন বহু মানুষ।

ক্ষমতায় আসার পর প্রতি বছর এই দিনটিকে ‘কৃষক দিবস’ হিসেবে পালন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কৃষক রতন সম্মানও প্রদান করেন।

আজও তিনি ফেসবুক ও টুইটারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। তিনি লিখেছেন, “১১ বছর আগে আজ নন্দীগ্রামে গুলি চলেছিল। বাম আমলে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে নিহত সকল শহীদদের জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম ও সালাম। আমাদের সরকার ১৪ই মার্চ দিনটিকে কৃষক দিবস হিসেবে পালন করে। দেওয়া হয় কৃষক রত্ন পুরস্কারও।”

 

 

A to Z of massacres in Bengal during Left rule

For almost 34 years, from the late 1970s to 2011, when the Left Front was in power, there was a cloud of terror hanging over the day-to-day lives of the people of Bengal.

During this period, about 55,000 opposition supporters were killed by the regime.

Sainbari Massacre, 1970

The Sainbari incident occurred on March 17, 1970 in Bardhaman. The attackers threw flaming arrows from all directions into the house. They then rushed into the burning house and speared Moloy Sain and Pranab Sain and set them on fire. Their mother Mriganayani was then forced to eat rice which was mixed with her sons’ blood by the attackers. The elder brother, Nabakumar had acid poured into his eyes while his daughter’s private tutor too was killed. Nabakumar was beheaded a year later.

Marichjhapi Massacre, 1978

In 1978, refugees started to arrive in Bengal in huge numbers. A group of approximately 40,000 refugees settled in Marichjhapi Island in the Sundarbans. On January 24, 1979, the government clamped prohibitory orders under Section 144 of the CrPC around the island. On January 31, the police opened fire on the settlers.

21 July, 1993

On July 21, 1993, Kolkata Police, upon the orders of the Left Front Government, fired on a protest march of Youth Congress workers led by Mamata Banerjee. The main demand of the protest march was that photo voter identity cards be made mandatory to ensure fair elections. The firing resulted in the killing of 13 people and the injuring of many others in the resultant stampede. The Trinamool Congress, on assuming power in 2011, constituted a one-man judicial enquiry commission to investigate the incident.

Nanoor Massacre, 2000

CPI(M) cadres and local leaders killed 11 landless Muslim labourers in Nanoor just because they were supporters of the opposition party and were resisting encroachment and land grabbing on July 27, 2000. The prime witness was also attacked and injured by CPI(M) goons.

Chhoto Angaria Massacre, 2001

Chhoto Angaria Massacre was the case of burning alive of 11 Trinamool Congress supporters on January 4, 2001 by CPI(M) workers in the village of the same name. Their bodies were dumped outside the village. No bodies have been found yet.

Singur, 2006

The Left Front Government had forcibly acquired land in Singur for the building of a private car factory. Hundreds of farmers protested. One of the protesters, Tapasi Malik, was raped and burnt to death by CPI(M) leaders on the night of December 18, 2006. Another person, Raj Kumar Bhul was killed in Singur when he jumped into a pond after being chased by policemen on September 25, 2006, while participating in the anti-land acquisition movement.

Nandigram Massacre, 2007

March 14 in 2007 was a red-letter day in the history of Bengal – literally a red-letter day as 14 unarmed protestors (protesting against the forcible acquiring of land for a chemical hub by the Left Front Government) were gunned down by hired goons of the then government dressed as police. Several of the injured were women and young children.

Netai Massacre, 2011

On January 7, 2011, just two months before the State Assembly elections, nine people, including four women, were killed by CPI(M) cadres in Netai village in Paschim Medinipur district. In the indiscriminate firing, 22 people were injured too.

After May, 2011, the incidents of political violence have come down starkly in the State. Mamata Banerjee’s slogan in 2011 was ‘Bodla noy bodol chai’ (change not revenge), and she has been successful as Chief Minister in maintaining law and order in the State.

 

বাম আমলে গণহত্যার রক্তাক্ত ইতিহাস

গত শতকের ৭০ দশক থেকে ২০১১ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে চলেছিল সন্ত্রাসের বাতাবরন। শাসনকালের ৩৪ বছর ও তার আগে সিপিআইএম তাদের বিরোধীদের নৃশংস ভাবে খুন করেছিল। প্রায় ৫৫০০০ বিরোধী খুন হয়েছে তাদের হাতে।

আসুন ফিরে দেখি সেই রক্তাক্ত ইতিহাসের কিছু অংশ:

সাঁইবাড়ি গণহত্যা, ১৯৭০

বর্ধমানে কংগ্রেসের দূর্গ টিকিয়ে রেখেছিলেন যাঁরা তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সাঁই পরিবার। ১৭ই মার্চ পরিকল্পিত ভাবে দেড় হাজার সিপিএম সমর্থক চারদিক থেকে ছুটে এসে তীর ধনুক, টাঙ্গি,বল্লম ইত্যাদি নিয়ে সাঁই বাড়ি ঘিরে ফেলে। নারকীয় ভাবে খুন করা হয় প্রণব সাঁই ও মলয় সাঁইকে তার ওপর উপুর করে ফেলা হয়। ছেলেদের রক্তমাখা ভাত মৃগনয়না দেবীর মুখে গুঁজে দেয় সিপিএমের বীরপুঙ্গবরা। তদন্ত কমিশনের সামনে সাক্ষ্য দিয়ে ফেরার পথে সাঁইবাড়ি হত্যাকান্ডের প্রত্যক্ষদর্শী গুলমনী রায়কে প্রকাশ্য দিবালোকে খুন করা হয়। ঠিক গুলমনী রায়ের মতই সাঁইবাড়ির এক ছেলে নবকুমার সাঁইকে রায়নার আহ্লাদিপুরে টাঙ্গি দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়।

মরিচঝাঁপি গণহত্যা

সুন্দরবনের মরিচঝাঁপিতে পূর্ববঙ্গের বহু রিফিউজি আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু বামফ্রন্ট সরকার তাদের উৎখাত করার জন্য উঠেপড়ে লাগে। ১৯৭৯ সালের ২৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় অর্থনৈতিক অবরোধ। ৩০টি লঞ্চ অধিগ্রহণ করে মরিচঝাঁপিকে ঘিরে ফেলে পুলিশ। ৩১ জানুয়ারি ৩৬ জন মরিয়া যুবক পাশের দ্বীপ কুমীরমারি থেকে খাবার গিয়ে পুলিশের গুলিতে মারা যায়। ১৩ মে মরিচঝাঁপিতে নরক ভেঙ্গে পড়ে। গভীর রাত থেকে সেখানে শুরু হয় বর্বর এক নৃশংসতা। টানা তিনদিন চলে আক্রমণ।

২১শে জুলাই গণহত্যা

১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডাক দিয়েছিলেন মহাকরণ অভিযানের। দাবি ছিল ভোটার কার্ড ছাড়া নির্বাচন নয়। যুব কংগ্রেস কর্মীরা কলকাতার পাঁচটি অঞ্চলে জমায়েত হন। তাঁরা সকলে ব্রেবোর্ণ রোড ধরে এগোতে শুরু করেন মহাকরণের উদ্দেশ্যে। এক বিশাল পুলিশ বাহিনী তাঁদের পথরোধ করে টি বোর্ডের অফিসের কাছে। এই শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর পুলিশের তরফে শুরু হয় লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়া। এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও রেয়াৎ করেনি পুলিশ। কার্জন পার্কের কাছে দৌঁড়াতে শুরু করেন যুব কর্মীরা। এবার পুলিশ গুলি চালানো শুরু করে; মুহূর্তের মধ্যেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন কর্মীরা। প্রাণ হারান ১৩ জন সমর্থক ও আহত হন শতাধিক কর্মী।

নানুর গণহত্যা

২০০০ সালের ২৭ জুলাই নানুর ব্লকের সুচপুর গ্রামে ১১ জন তৃণমুল সমর্থক কৃষককে কুপিয়ে খুন করে হার্মাদরা। এমনকি প্রত্যক্ষদর্শীদেরও রেয়াত করা হয়নি।

ছোট আঙ্গারিয়া গণহত্যা

২০০১ সালের ৪ জানুয়ারি মেদিনীপুর জেলার ছোট আঙ্গারিয়া গ্রামে একটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে ১১ জন তৃণমূলকর্মীকে নৃশংসভাবে খুন করে সিপিএম।

রক্তাক্ত সিঙ্গুর

২০০৬ সালের মে মাসে তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার টাটা গোষ্ঠীর ১ লাখি গাড়ির কারখানা ও আনুসাঙ্গিক শিল্প গড়ার জন্য সিঙ্গুরের মোট ১০০০ একর জমি গায়ের জোরে অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে শুরু হয় কৃষক বিক্ষোভ। প্রায় ৩০০০ কৃষক সিঙ্গুরের বিডিও অফিসের সামনে ধর্না দেয় সরকারের এই জমি অধিগ্রহণের বিরোধিতায়।

২৫শে সেপ্টেম্বর বলপূর্বক তৎকালীন সরকার জমি অধিগ্রহণ করে। ৪০০রও বেশী মহিলা, পুরুষ, শিশু নির্মম ভাবে অত্যাচারিত হন। ৭৮ জন প্রতিবাদী – যার মধ্যে ২৭ জন মহিলা ছিলেন – গ্রেফতার হন। তাদের মধ্যে ছিলেন সাংসদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাত ১:৪০ নাগাদ শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদরত মানুষের ওপর নেমে আসে RAF ও পুলিশের নির্মম অত্যাচার। পুলিশের অত্যাচারে আহত রাজকুমার ভুল  ২৮ তারিখ মারা যান।

৩০শে নভেম্বর সিঙ্গুর যাওয়ার পথে আটকে দেওয়া হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ৪ঠা  ডিসেম্বর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মতলায় অনশন শুরু করেন। ২৬ দিন চলে এই অনশন। ১৮ই ডিসেম্বর ‘সিঙ্গুর কৃষিজমি রক্ষা সমিতির’ অন্যতম প্রতিবাদী তাপসী মালিককে ধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারা হয়।

নন্দীগ্রাম গণহত্যা

সিঙ্গুরের মতই নন্দীগ্রামে জমি আন্দোলন শুরু হয় একটি কেমিক্যাল হাব গড়ার প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে।

২০০৭ সালের ১৪ই মার্চ পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামের ১ নম্বর ব্লকে নিরপরাধ গ্রামবাসীদের প্রাণ ছিনিয়ে নিয়েছিল সশস্ত্র পুলিশ ও একদল বন্দুকবাহিনী। এছাড়াও আহত হয়েছিল হাজারের উপর নিস্পাপ গ্রামবাসী যাদের মধ্যে অনেকই মহিলা এবং শিশুও ছিল। মিডিয়া ও বাইরে থেকে যাতে কেউ ঢুকতে না পারে, তাই তারা নন্দীগ্রামের ঢোকার সব রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছিল।

দোল উৎসবে শ্রী গৌরাঙ্গের নামকীর্তন করতে করতে একদিকে যেমন হিন্দুরা গ্রামের তিন দিকে জড়ো হচ্ছিলো, অন্য দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মানুষরাও পবিত্র কোরান পাঠের জন্য জমায়েত হচ্ছিলো। এইভাবেই গ্রামের সমস্ত মানুষজন এক অহিংস শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে এই ঘটনার প্রতিবাদ করছিল।বিভিন্ন সূত্রের খবর এই হাজারো গ্রামবাসীর জমায়েত কে লক্ষ করেই হঠাৎই শুরু হয়েছিল কাঁদানে গ্যাস ও গুলির বৃষ্টি।

নেতাই গণহত্যা

২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক দু’মাস আগেই  ৭ই জানুয়ারী অবিভক্ত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার লালগড়ের নেতাই গ্রামে রথীন দণ্ডপাটের বাড়িতে থাকা সিপিএমের সশস্ত্র ক্যাম্প থেকে গ্রামবাসীদের উপর এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয়। ঘটনায় ৪ মহিলা সহ মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন প্রায় ২২ জন।

২০১১-য় পরিবর্তনের পর সেই রক্তাক্ত যুগের অবসান হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যের ফিরেছে শান্তি। ‘বদলা নয় বদল চাই’ স্লোগানটিকে বাস্তবায়িত করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।

 

Thanks to 7 years of Trinamool rule, the Hills are smiling again

Ever since assuming office, the development of the Hills has been a top priority for Mamata Banerjee. Unlike her predecessors, she visits the Darjeeling Hills very often, and has taken several initiatives for the welfare of the people of the region.

The Gorkha Territorial Administration (GTA) Act was notified in 2012. Thirty-five departments of the State Government have notified the setting up of their offices under GTA. More than Rs 3,925 crore has been allocated from the Hill Affairs Department for the Hills since then.

The situation in the region has remained peaceful due to the sustained efforts on the part of this government. Developmental measures aimed at benefiting the people in the Hill areas and Dooars have culminated in significant socio-economic improvement of the people residing in these areas.

 

Here are some of the development initiatives:

A. New District

  • Notable among the steps taken is creation of a separate district of Kalimpong and a separate sub-division of Mirik.

 

B. Development Boards

  • Sixteen development boards have been formed for the indigenous communities of the Hills and nearly Rs 320 crore has been disbursed to them for various developmental activities including the preservation and promotion of their ancient culture and traditions.

 

C. Infrastructure:

  • Renovation of NH-55 between Tindharia and Paglajhora and NH-10 between Sevoke and the Sikkim border, which were badly damaged due to landslides. has been taken up.
  • The construction of AH-2 and AH-48 is underway, which will improve the connectivity of Bengal with Sikkim, Nepal, Bangladesh and Bhutan.
  • Construction of Bailey bridge at Bijanbari, Darjeeling has been completed.
  • Construction of two-storey building of Garidhura Police Outpost in Kurseong completed.
  • Special repair and renovation of Richmond Hill ( official residence of Chief Minister) in Darjeeling has been completed.

 

D.Tourism

  • In Kalimpong, eight cottages have been constructed within the premises of Morgan House Tourist Lodge.
  • NBDD, in collaboration with the Tourism and Forest Departments has established a tourism hub at Lamahata, Darjeeling district.
  • Two Cultural Tourism Centres are being developed in Kalimpong-I and Sukhiapokhri blocks for focusing of Lepcha culture and heritage.
  • One hundred-bedded youth hostel is under construction in Kalimpong.
  • Four executive class buses for foreign tourists as well as four small vehicles for local sightseeing have been introduced at a cost of Rs 2 crore.
  • In Darjeeling, an eco-friendly tourist lodge is being developed at Tiger Hill. The Siliguri Royal Tiger Safari has been introduced, which will be the first tiger safari in Bengal.

 

E. Education

  • Model schools in Sukna, Mongarjung and RKSP in Darjeeling district have been established. The model Schools have been commissioned.
  • Two degree colleges have been established in Pedong and Gorubathan.
  • An ITI and a polytechnic college are being built up in Kalimpong. Another ITI is being set up at Gorubathan.
  • In Kurseong, Dow Hill is being developed as an education hub. The Himalayan Centre of Presidency University is also being established at the same place.

 

F. Health

  • In Kalimpong, one high-dependency unit (HDU) has been set up. Eight SNSUs have been set up in the district of Darjeeling. Two CCUs have been established in Siliguri and Darjeeling.
  • Four fair price medicine shops have been set up in Darjeeling, Siliguri, Kurseong and Naxalbari.
  • In Kurseong, a medical college is being set up. Moreover, four sub-centres are ready to be commissioned.

 

G. Other initiatives

  • The government has decided to lay emphasis on eco and village tourism, setting up of new health centres, agriculture and horticulture as well as skill development schemes in the areas of hospitality, security services (unarmed), handloom, handicrafts etc.
  • The Himal-Terai-Dooars sports festivals are being held to encourage the youth of the region to participate in sports and games.
  • Rs 182.06 lakh allotted to Ram Krishna Sewa Ashram for the renovation of Roy Villa in Darjeeling. Memoirs of Sister Nivedita, during her stay at Darjeeling, and other valuable records have been kept there.
  • Residents of the Hills, including both workers and non-workers and their families of the tea gardens, have been included in the Khadya Sathi Scheme through which they get foodgrains at highly subsidised rates.

 

সাত বছরে পাহাড়ের সার্বিক উন্নয়নঃ এক নজরে

বিগত ৩৪ বছরের বাম আমলে কার্যত পাহাড় ছিল অবহেলিত। না ছিল কোনও উন্নয়নের প্রকল্প, না ছিল উন্নয়ন করার কোনও সদিচ্ছা বা পরিকল্পনা। ২০১১ সালে ক্ষমতা বদল হয়ে তৃণমূল কংগ্রেস শাসনভার গ্রহণ করার পর থেকে পাহাড় হাসছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় পাহাড়ের উন্নয়নকে পাখির চোখ করে একের পর এক প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোকে এগিয়ে আসার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।

২০১২ সালে জিটিএ অ্যাক্টের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ৩৫টি দপ্তর জিটিএ অ্যাক্টের অধীনে নিজেদের অফিস তৈরীর কথা ঘোষণা করেছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পার্বত্য বিষয়ক বিভাগ গত ছয় বছরে পার্বত্য এলাকার উন্নয়নের জন্য ৩৯২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করে।

সরকারের দীর্ঘকালীন প্রচেষ্টার ফলে দার্জিলিং জেলা ও ডুয়ার্স অঞ্চলের পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক। উন্নয়নমুখী নানা প্রকল্পের ফলে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভালো হয়ে উঠেছে। ফলে সমগ্র অঞ্চলে বর্তমানে শান্তির পরিবেশ বজায় রয়েছে।

 

একনজরে দেখে নেওয়া যাক গত ছয় বছরে পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য নেওয়া সরকারের কিছু পদক্ষেপঃ-

নতুন জেলা

  • একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে কালিম্পং-কে একটি পৃথক জেলা ও মিরিক-কে পৃথক মহকুমা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

 

বোর্ড গঠন

  • স্থানীয় জনগোষ্ঠীগুলির উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে ১৬টি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। প্রাচীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষন-সহ অন্যান্য উন্নয়নমুখী প্রকল্পে ইতিমধ্যেই ৩২০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে।

 

পরিকাঠামো উন্নয়ন

  • পার্বত্য এলাকায় সড়ক পরিকাঠামো উন্নয়নে সরকার বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে।
  • ধসে ক্ষতিগ্রস্ত তিনধরিয়া এবং পাগলাঝোরার মধ্যবর্তী ৫৫নম্বর জাতীয় সড়ক, সেবক ও সিকিমের মধ্যবর্তী ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের সংস্কার চলছে।
  • এএইচ ২ এবং এএইচ ৪৮ এর নির্মাণের কাজ চলছে। এই দুটি সড়ক চালু হলে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে সিকিম, নেপাল, বাংলাদেশ এবং ভুটানের যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হবে।
  • দার্জিলিঙের বিজনবাড়িতে বেইলি সেতুর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।

 

পর্যটন

  • পার্বত্য অঞ্চলে পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার চেষ্টা করে চলেছে।
  • কালিম্পং-এ মর্গ্যান টুরিস্ট সংলগ্ন এলাকায় ৮টি কটেজ গড়ে তোলা হয়েছে।
  • লেপচা সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে কালিম্পং-১ এবং সুখিয়াপোখরি ব্লকে ২টি সাংস্কৃতিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।
  • কালিম্পং-এ ১০০টি আসনসম্পন্ন একটি ইয়ুথ হোস্টেল তৈরী করা হচ্ছে। নতুন পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার কাজে ইতিমধ্যেই ২৯.৪ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
  • ২কোটি টাকা খরচ করে বিদেশী পর্যটকদের সুবিধার্থে ৪টি একজিকিউটিভ শ্রেণীর বাস এবং স্থানীয় জায়গাগুলি ঘুরে দেখার জন্য ৪টি ছোট গাড়ি কেনা হয়েছে।
  • দার্জিলিঙের টাইগার হিলে একটি পরিবেশবান্ধব টুরিস্ট লজ গড়ে তোলা হচ্ছে।
  • পশ্চিমবঙ্গের প্রথম টাইগার সাফারি হিসাবে শিলিগুড়ি রয়্যাল টাইগার সাফারি গড়ে উঠেছে।
  • দার্জিলিং-এর লামাহাটায় উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন বিভাগ, পর্যটন ও বোন দপ্তরের সহায়তায় একটি পর্যটন হাব স্থাপন করেছে এবং সেটি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ২৭শে জানুয়ারি ২০১৩-এ উদ্বোধন করেছেন।
  • কালিম্পং-এ মর্গ্যান হাউস, হিলটপ এবং তাসিডাঙা টুরিস্ট লজের মেরামতি ও সংস্কার কাজ এবং জলদাপাড়া ও মূর্তিতে তাঁবু তৈরীর কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।

 

শিক্ষা

  • সুকনা ও মোঙ্গরজঙেম, ডেলস্কুল, দার্জিলিং-এ আরকেএএসপি গড়ে তোলা হয়েছে।
  • ২০১৭-১৮’র শিক্ষাবর্ষে মডেল স্কুলগুলিতে পঠন-পাঠন চালু হবে।
  • পেডং এবং গরুবাথানে দুটি ডিগ্রী কলেজ গড়ে তোলা হয়েছে।
  • কালিম্পং-এ একটি নতুন আইটিআই এবং একটি পলিটেকনিক কলেজ গড়ে তোলা হয়েছে। গরুবাথানে আরও একটি আইটিআই তৈরীর কাজ চলছে।
  • কার্শিয়াং-এর ডাওহিলকে একটি শিক্ষাকেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলার কাজ চলছে। এই অঞ্চলে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিমালয়ান সেন্টার গড়ে তোলার কাজ চলছে।

 

স্বাস্থ্য

  • কালিম্পং-এ একটি হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট (HDU) গড়ে তোলা হয়েছে।
  • দার্জিলিং জেলায় ৮টি এসএনএসইউ গড়ে তোলা হয়েছে।
  • শিলিগুড়ি এবং দার্জিলিং-এ ২টি সিসিইউ গড়ে তোলা হয়েছে।
  • দার্জিলিং, শিলিগুড়ি, কার্শিয়াং এবং নকশালবাড়িতে ৪টি ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান তৈরী করা হয়েছে।
  • কার্শিয়াং-এ একটি নতুন মেডিক্যাল কলেজ গড়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি ১০০ বেডের ইএসআই হাসপাতাল গড়ে তোলা হচ্ছে শিলিগুড়িতে। এছাড়াও ৪টি উপকেন্দ্র কাজ শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে।

 

অন্যান্য কর্মসূচি

  • স্থানীয় ছেলেমেয়েদের খেলাধূলায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য হিমল-তরাই-ডুয়ার্স ক্রীড়া উৎসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
  • দার্জিলিং-এর রায়ভিলার সংস্কার কাজের জন্য রামকৃষ্ণ সেবা আশ্রমকে ১৮২.০৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দার্জিলিং-এ থাকাকালীন ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতি এবং অন্যান্য মূল্যবান রেকর্ডসমূহ সেখানে রাখা হয়েছে। এটি দার্জিলিং-এর ভ্রমণ ম্যাপের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
  • দার্জিলিং-এর কার্শিয়াং-এ টয়লেট ব্লকসহ গাড়িধুরা পুলিশ ফাঁড়ির দোতলা ভবনের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।