Theme park dedicated to Satyajit Ray’s ‘Sonar Kella’ comes up in Newtown

Sonar Kella Udyan, a theme park dedicated to one of Satyajit Ray’s masterpieces, Sonar Kella has been recently inaugurated in Newtown in Kolkata.

Scenes from the film have been recreated at the park. The famous desert scene where Feluda, his nephew, Topshe and writer-friend Jatayu are crossing the desert on camel-back has been recreated with the help of models.

Then, there are models of cacti, associated with Jayatu’s famous question to Feluda on whether camels eat cacti after segregating thorns. There are date palm trees, wall paintings depicting some scenes from the film and many more things.

The desert of Rajasthan has been created impeccably.

 

সত্যজিৎ রায়ের ‘সোনার কেল্লার’ আদলে থিম পার্ক নিউটাউনে

জোয় শহরের বিভিন্ন মণ্ডপে নানা থিম দেখে অভ্যস্ত মানুষ। তবে সে তো মাত্র চার দিনের দৃষ্টিসুখ। বছরভরই তেমন থিমের আনন্দ মিলবে নিউ টাউনে। সৌজন্যে, নিউ টাউন কলকাতা ডেভলপমেন্ট অথরিটি (এনকেডিএ)।

সংস্থাটি ওই অঞ্চলের সব ক’টি উদ্যানে সৌন্দর্যায়নের প্রকল্প হাতে নিয়েছে। বাগানগুলোকে মানুষের চোখে আকর্ষণীয় করে তুলতেই এই থিমের ভাবনা। শিশু অথবা বয়স্কদের পার্কগুলিকে এক এক রকম থিমে সাজিয়ে তোলার কাজ শুরুও হয়েছে।

শনিবার বিকেলে তেমনই একটি থিম-পার্কের সূচনা করলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। নিউটাউনের বিএ ব্লকের পার্কের থিম হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে বিখ্যাত ছবি ‘সোনার কেল্লা’। সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ওই ছবির কিছু দৃশ্য হাজির হয়েছে উদ্যানে।

পাঁচিলের গায়ে ফুটে উঠেছে সিনেমার নানা কিংবদন্তি হয়ে যাওয়া দৃশ্য। ছবিতে, ভাস্কর্যে পার্ক জুড়ে বিখ্যাত ফেলু-তোপসে-জটায়ু ত্রয়ীর দেখা মিলছে। ‘সোনার কেল্লা’র সেই রাজস্থানি মরুভূমির আবহ জীবন্ত করে তুলতে সওয়ারি-সহ উটের মূর্তিও বসেছে। শুধু চলচ্চিত্রের অনুকরণেই ভাস্কর্য বা ছবি নয়, পার্কে বসার জন্য মানানসই প্যাগোডাও থাকছে।

আশা করাই যায়, নিউ টাউনের পাশাপাশি শহরের অন্যান্য এলাকার মানুষের কাছেও পার্কগুলির আকর্ষণ বাড়াবে থিমের ব্যবহার।

5 May 2017

বিভেদের রাজনীতি রুখে দিন

বিজেপি হিন্দুধর্মের কলঙ্ক, তোপ মমতার

“মাকে ঠাকুরের আশ্রমে রাখাটা হিন্দুধর্ম। তরোয়াল নিয়ে মিছিল করা নয়। রাম যখন জন্মেছিল, বেদ-উপনিষদ যখন লেখা হয়েছিল তখন কোথায় ছিলেন এঁরা। কয়েকটা লোক উড়ে এসে জুড়ে বসেছে। বাংলার সংস্কৃতি জানে না। এত সাহস, বলছে আমি আবার কবে হিন্দু হলাম! আমার বাবা-মার পরিচয় ওদের দিতে হবে নাকি? বিজেপি হিন্দু ধর্মের কলঙ্ক।”

“বিজেপি বলছে, দেশে আবার নাকি মহাপুরুষ এসে গিয়েছে। আরে ভগবানের কি আকাল হয়েছে নাকি! কোন জায়গায় দেশটাকে নিয়ে যাচ্ছে ভাবুন। মানুষের জন্য কোনও কাজ নেই। এখন বলছে গরুর আধার কার্ড চাই। কোন দিন বলবে, কিডনির আধার কার্ড চাই, লিভারের চাই। কানের দুলের জন্যও আলাদা করে আধার কার্ড চাই।”

 

BJP is a party of rioters: Mamata Banerjee in Malda

In a sharp attack on the BJP, Bengal Chief Minister called them a party of rioters. She said they do not do any work and only make tall speeches and create divisions within people.

She slammed a BJP leader who had made insulting personal remarks about her: “How dare they question who my parents are, what is my religion? How arrogant of them. One BJP leader asked a few days ago if I am a male, a female or a transgender. How do they get the audacity?”

She reminded the BJP that religion stands for peace and love and not for hatred. “We worship Maa Durga and Maa Kali. We celebrate Eid too. We go to churches as well during Christmas. I am a Hindu. I perform Chandi path. We have Kali Puja at home. But that does not stop me from attending Eid celebration. Ramakrishna Paramahamsa and Swami Vivekananda are true Hindus, not them.”

She also warned the BJP that “if anyone tries to defame Bengal I will stand up to them; this is my matribhoomi and my karmbhoomi”. Regarding repeated incidents across the country of mobs beating up people on suspicions of possessing beef, the Chief Minister said, “Who are they to decide whether a person will eat goat’s meat or buffalo’s meat or beef or vegetables? Why does an actor have to give a clarification for the meat he ate? They want to control what a person will eat, wear, read or write. Binash kaale buddhi naash (loss of wisdom during times of destruction).”

 

বিজেপি দাঙ্গাবাজের দলঃ মালদায় মুখ্যমন্ত্রী

এদিন মালদার জনসভা থেকে আরও একবার বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “বিজেপি দাঙ্গাবাজের দল। ওরা কোন কাজ করে না, শুধু ভাষণ দেয় আর মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে”।

তিনি বলেন, “আমার মা কে, বাবা কে, আমার ধর্ম কি এইসব প্রশ্ন করছে। একজন বিজেপি নেতা জিজ্ঞেস করছেন আমি মেয়ে, ছেলে না হিজরা। কত আস্পর্ধা ওদের?”

তার কথায়, “ধর্ম মানে শান্তি, ধর্ম মানে ভালোবাসা। ধর্ম মানে হিংসা নয়। আমি মা দুর্গা, মা কালীকে যেমন পুজো করি, ঈদ যেমন পালন করি, বড়দিনে চার্চেও যাই। আমি চণ্ডী পাঠ করি, আমার বাড়িতে কালী পুজো হয়। কই কোন মুসলিম বন্ধু তো আমায় বলেন না কেন আমি ঈদে যাই?”

তিনি হুঁশিয়ারি দেন, “বাংলাকে যদি কেউ বদনাম করে আমি তা মেনে নেব না। কারণ বাংলা আমার মাতৃভূমি, কর্মভূমি। মানুষ ছাগল, মোষ না গরুর মাংস খাবে না লাউ বা কুমড়ো খাবে সেটা ওরা ঠিক করার কে? একজন অভিনেত্রীকে কৈফিয়ত দিতে হচ্ছে সে কিসের মাংস খেয়েছে, কেন তাকে কৈফিয়ত দিতে হবে ? মানুষ কি খাবে, কি পড়বে, কি লিখবে, কি পরবে সেটা ওরা ঠিক করার কে? বিনাশকালে বুদ্ধিনাশ”।

 

 

Youth and students must counter the BJP’s false propaganda on social media: Mamata Banerjee

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee targeted the BJP for running false propaganda on social media. She said that BJP runs propaganda campaigns by spending crores of rupees using fake profiles and fake photographs.

She said: “A few weeks ago, a Union Minister spread the false news that ‘mangal aarti’ has been stopped in Dakshineswar. They spread pictures of Bangladesh saying violence is being spread in Bengal. Will they pay if I file a defamation suit? During Ganga Sagar Mela, they spread false news of stampede using fake images.”

When she asked the students present at the rally whether Saraswati Puja was banned in Bengal, they gave a resounding ‘no’ for an answer. She advised the students, youths and the intellectuals to counter the BJP’s false online propaganda.

 

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপির কুৎসা ও অপপ্রচাররের বিরুদ্ধে ছাত্র ও যুবদের সরব হতে হবেঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

 

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি যে কুৎসা ও অপপ্রচার চালাচ্ছে তার নিন্দা করে এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন বিজেপি সোশ্যাল মিডিয়ায় কোটি কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। তার মধ্যে বেশিরভাগই বেনামী অ্যাকাউন্ট।

তিনি বলেন, “কয়েক সপ্তাহ আগে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বললেন দক্ষিণেশ্বরের মঙ্গল আরতি নাকি বন্ধ হয়ে গেছে। বাংলাদেশের ছবি দেখিয়ে বাংলায় দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে। গঙ্গাসাগর মেলার সময় ওরা মানুষের পদপিষ্ট হওয়ার মিথ্যে খবর ছড়িয়েছিল”।

যখন তিনি ছাত্রছাত্রীদের প্রশ্ন করেন বাংলার সরস্বতী পুজো নিয়ে ওরা যে মিথ্যে প্রচার চালাচ্ছে তা সত্যি কিনা, ছাত্রছাত্রীরা উত্তর দেয় ‘না’। তিনি ছাত্র-যুব সকলের কাছে আবেদন করেন ডিজিটাল মিডিয়ায় বিজেপির কুৎসার বিরুদ্ধে সরব হতে।

 

KMC to launch app for its health services

Kolkata Municipal Corporation (KMC) has decided to introduce a mobile app which will provide information related to the KMC-run health centers and their various services.

The Android app is scheduled for launch on May 5. Trial runs are in process now.

The app will provide a detailed information on the civic body’s health services including where and how to get treatment for various diseases like malaria, dengue and tuberculosis, where blood tests can be done free of cost, etc. In case a person falls ill, the app can help in locating the required services.

Importantly, the app will also fix accountability of the employees of KMC’s Health Department as senior officials will now be able to monitor the functioning of the Health employees.

Once the app is introduced, it would be easier for KMC to provide better healthcare services to the people.

 

নতুন মোবাইল অ্যাপ চালু করছে কলকাতা কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য দপ্তর

নতুন মোবাইল অ্যাপ আনতে চলেছে কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ। এর মাধ্যমে জানা যাবে কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশন চালিত স্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলির খোঁজ খবর। পাশাপাশি এও জানা যাবে সেখানে কি কি ধরনের স্বাস্থ্য বিষয়ক পরিষেবা পাওয়া যাবে।

আগামী ৫ই মে উদ্বোধন হবে এই এপ্লিকেশনের। অ্যাপটি পাওয়া যাবে অ্যানড্রয়েড ফোনের প্লে-স্টোরে।

প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করার পর ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, টিউবারকিউলোসিস সহ বিভিন্ন চিকিৎসার তথ্য পাওয়া যাবে। কোথায় এই সব রোগের জন্য বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা করানো হয় সেই সম্পর্কিত তথ্যও থাকবে এখানে।কেউ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে কোথায় চিকিৎসার পরিষেবা পাওয়া যাবে তাও দেওয়া থাকবে এখানে।

এই অ্যাপ চালু হয়ে গেলে সাধারণ মানুষকে আরও ভালো পরিষেবা দেওয়া সম্ভবপর হবে।

 

 

With an eye on new policy, State Depts engaging in organic farming

With an eye to frame an organic farming policy in Bengal, the State Agriculture Department and the Food Processing Industries and Horticulture Department have started organic farming activities in across the State.

The increasing demand for organic vegetables, especially among urban residents, has convinced the State Government to formulate the organic farming policy.

The Food Processing Industries and Horticulture Department has asked the rural agricultural farms to begin organic farming and assured them of technical assistance in promotion and marketing as well. The department will supply greenhouses and pack houses along with organic fertilizers. It will also provide cars to ferry those farm products to the markets.

The department is also taking up organic farming at its own farms.

The Agriculture Department, on the other hand, has set a target to prepare 32 organic villages across Bengal — especially in the districts of North and South 24 Parganas, Howrah and Hooghly. It has set up 120 clusters, of 50 acres each, where organic farming is taking place. Around 194 farmhouses under the department are also farming organic vegetables separately.

On top of that, under Swanirbhar Krishi Prakalpa, the department is collaborating with private agencies on organic farming.

জৈব চাষের জন্য নতুন নীতি বানানোর উদ্যোগ রাজ্য সরকারের

জৈব চাষের জন্য নতুন নীতি বানানোর উদ্যোগ রাজ্য সরকারের। রাজ্য কৃষি দপ্তর, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দপ্তর ও উদ্যানপালন দপ্তর ইতিমধ্যেই গ্রামীণ এলাকায় জৈব চাষে জোর দিচ্ছে।

খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন মন্ত্রী বলেন, শহরাঞ্চলে জৈব শাক-সবজি সম্বন্ধে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে, সাথে বাড়ছে চাহিদা। তাই সরকারের এই উদ্যোগ।

ইতিমধ্যেই গ্রামীণ কৃষি কেন্দ্রগুলিকে নির্দেশ জৈব চাষ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; রাজ্য সরকার তাদের সবরকম সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন মন্ত্রী।

কৃষি দপ্তর উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া ও হুগলী জেলায় ৩২টি জৈব গ্রাম তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

কৃষি দপ্তর ৫০ একর আয়তনের ১২০ টি ক্লাস্টার তৈরি করেছে যেখানে জৈব চাষ করা হবে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় কৃষি দপ্তরের আনুমানিক ১৯৪টি খামারে এই চাষ করা হবে। এখানেই শেষ নয়, স্বনির্ভর কৃষি প্রকল্পের আওতায় বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগেও জৈব চাষ করা হচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, “আমরা নিজেরা ও পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় কাজ শুরু করেছি। এই কাজের পর্যবেক্ষণ করার পরেই জৈবিক চাষের নীতির খসড়া তৈরি করা হবে।”

High tide of development in Dakshin Dinajpur

Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today inaugurated and laid foundation stones for a bouquet of developmental projects for Dakshin Dinajpur during a public meeting at Narayanpur High School Maidan in Buniyadpur.

The projects inaugurated today by the Bengal Chief Minister includes the new outdoor unit of Tapan block hospital, the Hili polytechnic college, Karma Tirthas, government buildings, road projects, water supply projects, anganwadi centres, girls’ hostels, waste management projects among others.

The Bengal Chief Minister also laid the foundation stones for several projects including a waiting hub for pregnant women, administrative buildings, godowns and water supply projects.

The Bengal Chief Minister distributed benefits like Kanyashree, cycles under Sabuj Sathi, Kisan Credit Cards, Gatidhara, assistance to purchase agricultural equipments, Geetanjali, Swastha Sathi and other such projects.

Speaking on the occasion she said, “Development cannot be achieved only by speeches. Earlier people had to go to Kolkata for administrative work, now Nabanna comes to the districts.” She added that direct benefits of various government schemes were distributed to 1.2 lakh people today, which is a record in itself.

Highlights of her speech:

  • We give govt job to families of police personnel who are martyred in the line of duty
  • We have given jobs to 35000 youths in Maoist-infested areas of Jangalmahal. We have given jobs to Maoists who came back to mainstream
  • 2 new multi super speciality hospitals, 2 SNSUs, 6 SNCUs have been set up in Dakshin Dinajpur. We have set up CCUs and HDUs
  • We have set up 2 fair price medicine shops and fair price diagnostic centre in Dakshin Dinajpur
  • We are setting up waiting hubs for pregnant women in Dakshin Dinajpur
  • We are also monitoring private hospitals so that they provide quality healthcare to people. Healthcare is a service not business
  • We have set up two new colleges, 6 new ITIs, one new polytechnic in Dakshin Dinajpur
  • Dakshin Dinajpur is famous for its rice production. Tulaipanji rice is famous across the world
  • We have done away with khajna tax on agricultural land
  • We have given recognition to Hindi, Gurmukhi, Nepali, Ol Chiki, Urdu. We have formed committee for Rajbongshi and Kamtapuri
  • We have started Samabyathi scheme to help poor people cremate/bury their relatives with dignity
  • We will renovate all the crematoria in #Bengal. We have renovated burial grounds
  • We have started pension scheme for the workers in unorganised sector. Almost one crore people will be covered
  • 8 crore people in Bengal receive rice at Rs 2/kg under Khadya Sathi scheme
  • We are giving ‘Matsya Jaan’ to fishermen. We have started Gatidhara scheme. Now we have started Jaladhara scheme
  • We have also started insurance scheme for the self-help groups
  • Several tourism centres in Dakshin Dinajpur have been inaugurated today
  • 3 lakh houses have been built under Geetanjali scheme. We have given land pattas to 3 lakh people
  • We have started Samarthan scheme to give financial assistance to those who have lost jobs due to Demonetisation
  • Youths of today are the future of tomorrow. Never bow down. Go ahead in life with your head held high

 

দক্ষিণ দিনাজপুরে উন্নয়নের ঢেউ

আজ দক্ষিণ দিনাজপুরের জনসভা থেকে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুনিয়াদপুরের নারায়ণপুর হাই স্কুল ময়দানে জনসভা থেকে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের পরিষেবা প্রদান করেন তিনি।

তপন ব্লক হাসপাতালের নতুন আউটডোর ইউনিট, হিলি পলিটেকনিক কলেজ, কর্ম তীর্থ, সরকারি ভবন, সড়ক প্রকল্প, জল সরবরাহ প্রকল্প, অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্র,  ছাত্রীআবাস, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প সহ বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

গর্ভবতী মহিলাদের ওয়েটিং রুম, মডেল স্কুল, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্র,  সরকারি ভবন, গোডাউন, জল সরবরাহ প্রকল্প সহ বিভিন্ন প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগে মানুষকে সরকারী কাজের জন্য কলকাতা ছুটে যেতে হত, এখন নবান্ন আসে সব জেলায়। উন্নয়ন একদিনে হয় না, ভাষণ দিয়ে উন্নয়ন হয় না। দাঙ্গা আর হিংসা করে উন্নয়ন হয় না।”

তিনি আরও বলেন, এই জেলার ১০০% মানুষের কাছে সরকারী পরিষেবা পৌঁছে দিয়েছি আমরা। আজ দক্ষিণ দিনাজপুরের ১.২ লক্ষ মানুষের হাতে বিভিন্ন সরকারী পরিষেবা তুলে দেওয়া হল। এটা একটা রেকর্ড।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কিছু অংশ:

  • পুলিশে চাকরিরত কেউ মারা গেলে তাদের পরিবারকে আমরা সরকারী চাকরি দিই
  • জঙ্গলমহলে ৩৫০০০ জনকে আমরা চাকরি দিয়েছি
  • মাওবাদীরা যাতে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসে তাই তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে
  • আমরা সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি শুরু করেছি। দ্রুত গতিতে গাড়ি চালিয়ে এক্সিডেন্ট করলে তার লাইসেন্স বাতিল করা হবে
  • ২ টি মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, ২ টি SNSU, ৬ টি SNCU তৈরী হয়েছে এই জেলায়। CCU, HDU তৈরী হয়েছে
  • ২টি ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান ও ন্যায্য মূল্যের ডায়াগনস্টিক সেন্টার তৈরী হয়েছে এই জেলায়
  • দক্ষিণ দিনাজপুরে গর্ভবতী মহিলাদের জন্য আমরা একটি ওয়েটিং হাব তৈরী করছি
  • বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে মানবিকভাবে পরিষেবা দিতে হবে। আমরা নতুন আইন করেছি। চিকিৎসা কোনো ব্যবসা নয়
  • ২ টি নতুন কলেজ, ৬ টি নতুন আইটিআই, একটি পলিটেকনিক কলেজ তৈরী হয়েছে এই জেলায়
  • ধান উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা। তুলাইপঞ্জি চাল বিশ্ব বিখ্যাত
  • কৃষি জমির খাজনা মুকুব করে দিয়েছি আমরা
  • হিন্দি, গুরুমুখী, নেপালি, অল চিকি, উর্দু ভাষাকে আমরা স্বীকৃতি দিয়েছি। রাজবংশি ও কামতাপুরি ভাষার জন্য আমরা কমিটি গঠন করেছি
  • গরীব মানুষরা যাতে প্রিয়জনদের দাহ করতে পারে তাদের সাহায্যের জন্য আমরা সমব্যাথী প্রকল্প চালু করেছি
  • বাংলার সব শশ্মান ঘাটগুলি ও কবর স্থানগুলি আমরা সংস্কার করব
  • অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য আমরা পেনশন চালু করেছি। ১ কোটি মানুষকে জীবনের নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে
  • বাংলার ৮ কোটি মানুষ খাদ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় ২ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছেন
  • মৎস্যজীবীদের আমরা মৎস্যযান দিচ্ছি। গতিধারা প্রকল্প, জলধারা প্রকল্প চালু করেছি আমরা
  • স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির জন্য আমরা বীমা প্রকল্প চালু করেছি
  • আজ দক্ষিণ দিনাজপুরে অনেক পর্যটন কেন্দ্রের উদ্বোধন হয়েছে
  • গীতাঞ্জলী প্রকল্পের আওতায় ৩ লক্ষ বাড়ি নির্মাণ হয়েছে। ৩ লক্ষ মানুষকে আমরা পাট্টা দিয়েছি
  • নোট বাতিলের ফলে যারা কর্মহীন হয়েছেন তাদের আর্থিক সাহায্যের জন্য আমরা সমর্থন প্রকল্প চালু করেছি
  • ছাত্রছাত্রীরাই আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ। মাথা নত করবে না। বীরদর্পে এগিয়ে চল

 

Bengal Govt to produce certified potato seeds of higher grade

The State’s Agriculture Department, in collaboration with Central Potato Research Institute, is going to produce certified higher grade seeds for potato plants.

Production of potato from seeds produced in the State itself would help in reducing the price of the vegetable. Additionally, crops produced from these certified seeds would also be resistant to diseases, unlike the crops produced from the stored tubers.

The higher grade seeds would be certified as such in nationally accredited research laboratories. One laboratory is coming up at Anandapur in Purba Medinipur district, inside the premises of a State Agriculture Department potato research farm. Such laboratories would be gradually set up at the other Government-owned potato research farms of the State too.

The production of these higher grade seeds is a three-step process. The first step would be the production of breeder seeds, which would be the done during the next breeding season. An intermediate stage seed would be produced the season after that, and finally, during the third season, the certified seed.

The State Government has plans to produce one-third of the required amount of potato seeds during the first stage.

Bengal is the second highest producer of potatoes in the country.

 

রাজ্যেই উন্নত মানের আলু বীজ উৎপাদনের উদ্যোগ

রাজ্যেই উন্নতমানের সার্টিফায়েড আলুর বীজ উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে রাজ্য কৃষি দপ্তর।

রাজ্যে আলুর বীজ উৎপাদন হলে দামও কিছুটা কমবে। এছাড়া, সার্টিফায়েড বীজ ব্যবহার করলে আলু গাছের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যাবে।

পূর্ব মেদিনীপুরের আনন্দপুরে কৃষি দপ্তরের খামারে রয়েছে আলু গবেষণা কেন্দ্র। সেন্ট্রাল পটাটো রিসার্চ ইন্সটিটিউটের সঙ্গে চুক্তির পর ওই গবেষণা কেন্দ্রেই ব্রিডার সিড তৈরী করা হবে। আগামী মরশুমেই রাজ্য সরকারের গবেষণা কেন্দ্রে ব্রিডার সিড তৈরী হয়ে যাবে।

 

প্রথম দফায় রাজ্যের এক তৃতীয়াংশ আলু চাষে প্রয়োজনীয় সার্টিফায়েড বীজ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য সরকারের।

আলু উৎপাদনের নিরিখে দেশের মধ্যে বাংলার স্থান দ্বিতীয়।

তিন বছরের মধ্যে কৃষকদের কাছে রাজ্যে উৎপাদিত সার্টিফায়েড আলুর বীজ পৌঁছে যাবে। আগামী মরশুমেই রাজ্য সরকারের গবেষণা কেন্দ্রে ব্রিডার সিড তৈরী হয়ে যাবে। তারপর আরও দুটি পর্যায়ের শেষে তৈরী হবে চাষযোগ্য আলুর বীজ।

 

Eco Park joins list of World Urban Parks

Eco Park, or Prakriti Tirtha, in New Town, Kolkata has crossed another milestone by getting highlighted by World Urban Parks, a Wellington, New Zealand-based international organisation dedicated to sharing knowledge and providing a platform for people and organisations engaged in green cities, open spaces and related activities.

The ecological garden is the only urban park in the country that has been accommodated in the World Parks Week 2017 event, being held from April 29 to May 7 across the globe.

The organisation has mentioned that “Eco Park is a large urban park in India” on its official Facebook page.

World Urban Parks champions urban park outcomes for city liveability, conservation and access. It provides networking services by connecting and supporting diverse countries across urban parks, open space and recreation communities, and allied sectors.

At Eco Park, the World Parks Week celebrations were inaugurated on Saturday, April 29, with an angling completion that received overwhelming success.

All through the nine days of World Parks Week, various events have been lined up.

The events already held are a kayaking race on April 30 and a photography competition on May 1.

Today, that is, on May 2, a paddle boat competition is going to be held. From May 3 to May 7, the events to be held are sit-and-draw competition, slow cycling competition, segway tour, speed skating competition, and a speed cycling competition and a cultural programme, respectively.

There are prizes for the best competitors.

Eco Park stands on 480 acres of land and contains a large water body as well. It was inaugurated by Chief Minister Mamata Banerjee in January 2013, who renamed it Prakriti Tirtha. It was declared the first-of-its-kind ecological garden in eastern India.

Since then, it has recorded a footfall of over 75 lakh, and has become a favourite weekend destination for people from Kolkata and its suburbs.

 

একমাত্র ভারতীয় পার্ক হিসাবে কলকাতার ইকো পার্কের ‘ওয়ার্ল্ডক্লাস’ স্বীকৃতি

ইকো ট্যুরিজম পার্কের মুকুটে পালক। বিশ্বের তাবড় শহুরে পার্কের সঙ্গে এক সারিতে জায়গা করে নিল ইকো ট্যুরিজম পার্ক। ভারত থেকে একমাত্র ওয়ার্ল্ডক্লাস পার্ক হিসাবে স্বীকৃতি। সপ্তাহভর সেলিব্রেশন ইকো পার্কে। নানা প্রতিযোগিতায় বিশ্ব পার্ক সপ্তাহ পালন।

কংক্রিটের জঙ্গলে হারিয়ে যাচ্ছে সবুজ। মাথা তুলছে বড় বড় ইমারত। শহর কলকাতাকে ঘিরে ফেলছে ইট-কাঠ-পাথরের দঙ্গল। অক্সিজেনের খোঁজে হন্যে শহুরে জীবন। তার মাঝেই একফালি জল-জঙ্গলের আস্তানা। সুস্থ নিঃশ্বাসের দমকা হাওয়া। ইকো ট্যুরিজম পার্ক।

আন্তর্জাতিক আঙিনায় পা রাখল কল্লোলিনী তিলোত্তমার সাধের সবুজ। বিশ্ব পার্ক মানচিত্রে স্থান করে নিল ইকো ট্যুরিজম পার্ক। ভারত থেকে একমাত্র পার্ক। অনন্য স্বীকৃতি। জাপান, চিন, ব্রিটেনের অনন্যসুন্দরের মাঝে অনাসায়ে পা ফেলছে ইকো ট্যুরিজম পার্ক।
আল্পস আজুমিনো পার্ক, মুসাশি কুর্য পার্ক, কোনানের ফ্লাওয়ার পার্ক, সিলেসিয়া পার্ক, মিচিনকু পার্ক, টাকিনো সুজুরান হিলসাইড পার্ক- বিশ্বের সেরা এই শহুরে পার্কগুলির সঙ্গে একই সারিতে জায়গা করে নিল ইকো ট্যুরিজম পার্ক। ২৯ এপ্রিল থেকে ৭ মে। বিশ্ব পার্ক সপ্তাহ। বিশ্বের সেরা পার্কগুলির সঙ্গে সেলিব্রেশনে মেতেছে ইকো পার্কও। একঝাঁক প্রতিযোগিতা। ছুটির রবিবারে ঝড় উঠল ইকো পার্কের জলে। কায়াকিং প্রতিযোগিতায় মেতে উঠল কলকাতা। দুনিয়ার সেরা পার্কের তালিকায় জায়গা করে নেওয়াটা কি চাট্টিখানি কথা। খুশিতে তো ভাসবেই কলকাতা। মাতবেই সাত থেকে সত্তর।

 

 

Khadya Sathi going full steam ahead – adds 16 lakh more beneficiaries

The Bengal Government has decided to bring 16 lakh more beneficiaries under the Khadya Sathi Scheme, under which rice is made available rice at Rs 2 per kg per month.

Under the scheme, run by the Food and Supplies Department, these 16 lakh people would get 5 kg of rice each every month. So, for example, if a family has five members, it would get 25 kg of rice per month.

The 16 lakh new beneficiaries are from within the BPL category.

The State Government will now be spending Rs 4,500 crore for the entire scheme now.

Chief Minister Mamata Banerjee had initiated the Khadya Sathi food security scheme to provide rice and wheat at Rs 2 per kg to around seven crore people, which is almost 90 per cent of the State’s population. It had initially aimed to ensure that 70 lakh people in the State get food and cereals at half the market price while over seven crore people get 5 kg of food grain every month at Rs 2 per kg.

Now, the State is trying to extend the benefits of this scheme to more and more people.

 

খাদ্য সাথী প্রকল্পে উপকৃত হবেন আরও ১৬ লক্ষ মানুষ

রাজ্য সরকারের খাদ্য সাথী প্রকল্পে আরও ১৬ লক্ষ মানুষ পেতে চলেছেন ২ টাকা কিলো দরে চাল।

খাদ্য সরবরাহ দপ্তর পরিকল্পনা নিয়েছেন এই প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত প্রতি পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে মাসে ৫ কিলো করে চাল দেওয়ার। তারা অর্থ দপ্তরে নথিপত্র ইতিমধ্যেই পাঠিয়ে দিয়েছে খাদ্য সাথী প্রকল্পে এই নতুন অন্তর্ভুক্তি সংক্রান্ত।

অর্থ দপ্তরও তাদের সম্মতি জানিয়েছে এই কাজের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদানের। এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের খরচ হবে ৪,৫০০ কোটি টাকা। এই প্রকল্প শুরুর আগেই খাদ্য সরবরাহ দপ্তর সব জেলার জেলা শাসকদের এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত মানুষদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল।

ক্ষমতায় আসার পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরকে নির্দেশ দেন রাজ্যের ৭ কোটি মানুষকে ২ টাকা কিলো দরে চাল ও গম সরবরাহ করার।খাদ্য সাথী প্রকল্প পেয়েছে অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে জনবন্টন পদ্ধতি পেয়েছে এক নতুন মাত্রা। এই মুহূর্তে রাজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত। এবার রাজ্য পদক্ষেপ নিয়েছে আরও ১৬ লক্ষ মানুষকে এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার।

খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের এক উচ্চ আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, এই নতুন প্রকল্প এ বছরের মে মাস থেকেই শুরু হওয়ার কথা। ১৬ লক্ষ রেশন কার্ড প্রাপকরা এই প্রকল্পে উপকৃত হবেন। এই মুহূর্তে দপ্তরের কাছে নতুন প্রকল্পের জন্য পর্যাপ্ত চাল মজুদ আছে।