Homestay tourism boom in Dooars during festive season

The homestay facilities in Dooars region are all booked to full for the festive season. This is a huge shot in the arm for the Bangla Government, led by Mamata Banerjee, who has been working tirelessly for the last seven years to project the state as an ideal tourist destination.

All the homestay cottages in Lataguri and Dhupjhora region in Jalpaiguri district, and the hamlets in Kalimpong district, have full booking for the festive period. The homestay owners and tour operators have expressed their happiness over this development.

Lataguri and Dhupjhora are extremely popular tourist destinations. Every year during Durga Puja, tourists throng these places. Additionally, several new homestay facilities have opened near Jaldhaka and Gorubathan. The natural beauty of these places is too alluring for tourists to ignore.

In the last two-three years, there has been a considerable rise in the number of homestay facilities in the State. The government has also come up with a new homestay tourism policy. This has led to a tourism boom for north Bengal.

Bengal Tourism’s big social media push

To increase its reach, especially among the younger generation, the State Tourism Department has decided to go all out to promote itself on social media. It has a fairly good presence on Facebook, Twitter and Instagram, and now it is aiming to strengthen its position with regard to content.

For this, it has divided the state into six regions, and has appointed professional photographers, videographers and agencies to visit each of these and create a database of images and videos for putting up on the social media vehicles.

The six regions are Hills, Dooars, Central Bengal, Rarh Bengal, Gangetic Bengal and Western Bengal. Five to ten-second video clips are also being planned for showing on television.


Source: Bartaman

State Govt to come up with more adventure sports facilities

To encourage more young tourists, the Bengal Government has decided to come up with more facilities for adventure tourism across the state, and enable private ventures too.

For this, is will soon come up with a comprehensive policy. The draft policy has already been made. A primary aspect of the policy would be safety features, which would be strictly enforced.

Facilities would be developed in Digha, Tajpur, Mandarmani, Darjeeling, Kalimpong and other popular spots. New spots would also be developed based on adventure tourism. Beach biking, river rafting, kayaking, paragliding, etc. would be developed.


তরুণ প্রজন্মকে টানতে অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমে জোর

তরুণ প্রজন্ম ও বিদেশীদের বাংলায় টেনে আনতে ‘অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম’-এ জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। এজন্য বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরিকল্পনা তৈরী করা হচ্ছে।

শীঘ্রই নতুন ভাবে পর্যটন নীতি কার্যকর হতে চলেছে, যার খসড়াও ইতিমধ্যে তৈরী করে ফেলেছেন দপ্তরের আধিকারিকরা। রাজ্যের দিঘা, তাজপুর, মন্দারমণি, দার্জিলিং, কালিম্পঙের মতো পাহাড়, নদী কিংবা সমুদ্রে ঘেরা বিভিন্ন পর্যটনক্ষেত্রে অ্যাডভেঞ্চার রাইডিংকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে দপ্তর। এক্ষেত্রে বিচ বাইকিং, রিভার র্যাবফটিং, প্যারাগ্লাইডিং কিংবা ক্লিফ ডাইভিংয়ের মতো রোমহর্ষক রাইডিং দ্রুত চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পুরোদমে অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম চালুর আগে পর্যটকদের নিরাপত্তার দিকটি সুরক্ষিত করা হবে। শুধুমাত্র নানা ধরনের রাইডিংই নয়, পর্যটনক্ষেত্রে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে একগুচ্ছ নতুন পরিকল্পনার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার।

ডুয়ার্সের ঘন জঙ্গলের মাঝে বনবাংলোয় কিংবা তাজপুর, মন্দারমণির সমুদ্রের তীরে প্রতি শনি ও রবিবার নানা ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করার কথা ভাবা হচ্ছে। স্থানীয় লোকশিল্পীরাই এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এতে পর্যটকদের বিনোদনের পাশাপাশি শিল্পীদের আয়েরও ব্যবস্থা হবে।


Thanks to 7 years of Trinamool rule, the Hills are smiling again

Ever since assuming office, the development of the Hills has been a top priority for Mamata Banerjee. Unlike her predecessors, she visits the Darjeeling Hills very often, and has taken several initiatives for the welfare of the people of the region.

The Gorkha Territorial Administration (GTA) Act was notified in 2012. Thirty-five departments of the State Government have notified the setting up of their offices under GTA. More than Rs 3,925 crore has been allocated from the Hill Affairs Department for the Hills since then.

The situation in the region has remained peaceful due to the sustained efforts on the part of this government. Developmental measures aimed at benefiting the people in the Hill areas and Dooars have culminated in significant socio-economic improvement of the people residing in these areas.


Here are some of the development initiatives:

A. New District

  • Notable among the steps taken is creation of a separate district of Kalimpong and a separate sub-division of Mirik.


B. Development Boards

  • Sixteen development boards have been formed for the indigenous communities of the Hills and nearly Rs 320 crore has been disbursed to them for various developmental activities including the preservation and promotion of their ancient culture and traditions.


C. Infrastructure:

  • Renovation of NH-55 between Tindharia and Paglajhora and NH-10 between Sevoke and the Sikkim border, which were badly damaged due to landslides. has been taken up.
  • The construction of AH-2 and AH-48 is underway, which will improve the connectivity of Bengal with Sikkim, Nepal, Bangladesh and Bhutan.
  • Construction of Bailey bridge at Bijanbari, Darjeeling has been completed.
  • Construction of two-storey building of Garidhura Police Outpost in Kurseong completed.
  • Special repair and renovation of Richmond Hill ( official residence of Chief Minister) in Darjeeling has been completed.



  • In Kalimpong, eight cottages have been constructed within the premises of Morgan House Tourist Lodge.
  • NBDD, in collaboration with the Tourism and Forest Departments has established a tourism hub at Lamahata, Darjeeling district.
  • Two Cultural Tourism Centres are being developed in Kalimpong-I and Sukhiapokhri blocks for focusing of Lepcha culture and heritage.
  • One hundred-bedded youth hostel is under construction in Kalimpong.
  • Four executive class buses for foreign tourists as well as four small vehicles for local sightseeing have been introduced at a cost of Rs 2 crore.
  • In Darjeeling, an eco-friendly tourist lodge is being developed at Tiger Hill. The Siliguri Royal Tiger Safari has been introduced, which will be the first tiger safari in Bengal.


E. Education

  • Model schools in Sukna, Mongarjung and RKSP in Darjeeling district have been established. The model Schools have been commissioned.
  • Two degree colleges have been established in Pedong and Gorubathan.
  • An ITI and a polytechnic college are being built up in Kalimpong. Another ITI is being set up at Gorubathan.
  • In Kurseong, Dow Hill is being developed as an education hub. The Himalayan Centre of Presidency University is also being established at the same place.


F. Health

  • In Kalimpong, one high-dependency unit (HDU) has been set up. Eight SNSUs have been set up in the district of Darjeeling. Two CCUs have been established in Siliguri and Darjeeling.
  • Four fair price medicine shops have been set up in Darjeeling, Siliguri, Kurseong and Naxalbari.
  • In Kurseong, a medical college is being set up. Moreover, four sub-centres are ready to be commissioned.


G. Other initiatives

  • The government has decided to lay emphasis on eco and village tourism, setting up of new health centres, agriculture and horticulture as well as skill development schemes in the areas of hospitality, security services (unarmed), handloom, handicrafts etc.
  • The Himal-Terai-Dooars sports festivals are being held to encourage the youth of the region to participate in sports and games.
  • Rs 182.06 lakh allotted to Ram Krishna Sewa Ashram for the renovation of Roy Villa in Darjeeling. Memoirs of Sister Nivedita, during her stay at Darjeeling, and other valuable records have been kept there.
  • Residents of the Hills, including both workers and non-workers and their families of the tea gardens, have been included in the Khadya Sathi Scheme through which they get foodgrains at highly subsidised rates.


সাত বছরে পাহাড়ের সার্বিক উন্নয়নঃ এক নজরে

বিগত ৩৪ বছরের বাম আমলে কার্যত পাহাড় ছিল অবহেলিত। না ছিল কোনও উন্নয়নের প্রকল্প, না ছিল উন্নয়ন করার কোনও সদিচ্ছা বা পরিকল্পনা। ২০১১ সালে ক্ষমতা বদল হয়ে তৃণমূল কংগ্রেস শাসনভার গ্রহণ করার পর থেকে পাহাড় হাসছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় পাহাড়ের উন্নয়নকে পাখির চোখ করে একের পর এক প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোকে এগিয়ে আসার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।

২০১২ সালে জিটিএ অ্যাক্টের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ৩৫টি দপ্তর জিটিএ অ্যাক্টের অধীনে নিজেদের অফিস তৈরীর কথা ঘোষণা করেছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পার্বত্য বিষয়ক বিভাগ গত ছয় বছরে পার্বত্য এলাকার উন্নয়নের জন্য ৩৯২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করে।

সরকারের দীর্ঘকালীন প্রচেষ্টার ফলে দার্জিলিং জেলা ও ডুয়ার্স অঞ্চলের পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক। উন্নয়নমুখী নানা প্রকল্পের ফলে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভালো হয়ে উঠেছে। ফলে সমগ্র অঞ্চলে বর্তমানে শান্তির পরিবেশ বজায় রয়েছে।


একনজরে দেখে নেওয়া যাক গত ছয় বছরে পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য নেওয়া সরকারের কিছু পদক্ষেপঃ-

নতুন জেলা

  • একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে কালিম্পং-কে একটি পৃথক জেলা ও মিরিক-কে পৃথক মহকুমা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।


বোর্ড গঠন

  • স্থানীয় জনগোষ্ঠীগুলির উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে ১৬টি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। প্রাচীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষন-সহ অন্যান্য উন্নয়নমুখী প্রকল্পে ইতিমধ্যেই ৩২০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে।


পরিকাঠামো উন্নয়ন

  • পার্বত্য এলাকায় সড়ক পরিকাঠামো উন্নয়নে সরকার বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে।
  • ধসে ক্ষতিগ্রস্ত তিনধরিয়া এবং পাগলাঝোরার মধ্যবর্তী ৫৫নম্বর জাতীয় সড়ক, সেবক ও সিকিমের মধ্যবর্তী ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের সংস্কার চলছে।
  • এএইচ ২ এবং এএইচ ৪৮ এর নির্মাণের কাজ চলছে। এই দুটি সড়ক চালু হলে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে সিকিম, নেপাল, বাংলাদেশ এবং ভুটানের যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হবে।
  • দার্জিলিঙের বিজনবাড়িতে বেইলি সেতুর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।



  • পার্বত্য অঞ্চলে পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার চেষ্টা করে চলেছে।
  • কালিম্পং-এ মর্গ্যান টুরিস্ট সংলগ্ন এলাকায় ৮টি কটেজ গড়ে তোলা হয়েছে।
  • লেপচা সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে কালিম্পং-১ এবং সুখিয়াপোখরি ব্লকে ২টি সাংস্কৃতিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।
  • কালিম্পং-এ ১০০টি আসনসম্পন্ন একটি ইয়ুথ হোস্টেল তৈরী করা হচ্ছে। নতুন পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার কাজে ইতিমধ্যেই ২৯.৪ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
  • ২কোটি টাকা খরচ করে বিদেশী পর্যটকদের সুবিধার্থে ৪টি একজিকিউটিভ শ্রেণীর বাস এবং স্থানীয় জায়গাগুলি ঘুরে দেখার জন্য ৪টি ছোট গাড়ি কেনা হয়েছে।
  • দার্জিলিঙের টাইগার হিলে একটি পরিবেশবান্ধব টুরিস্ট লজ গড়ে তোলা হচ্ছে।
  • পশ্চিমবঙ্গের প্রথম টাইগার সাফারি হিসাবে শিলিগুড়ি রয়্যাল টাইগার সাফারি গড়ে উঠেছে।
  • দার্জিলিং-এর লামাহাটায় উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন বিভাগ, পর্যটন ও বোন দপ্তরের সহায়তায় একটি পর্যটন হাব স্থাপন করেছে এবং সেটি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ২৭শে জানুয়ারি ২০১৩-এ উদ্বোধন করেছেন।
  • কালিম্পং-এ মর্গ্যান হাউস, হিলটপ এবং তাসিডাঙা টুরিস্ট লজের মেরামতি ও সংস্কার কাজ এবং জলদাপাড়া ও মূর্তিতে তাঁবু তৈরীর কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।



  • সুকনা ও মোঙ্গরজঙেম, ডেলস্কুল, দার্জিলিং-এ আরকেএএসপি গড়ে তোলা হয়েছে।
  • ২০১৭-১৮’র শিক্ষাবর্ষে মডেল স্কুলগুলিতে পঠন-পাঠন চালু হবে।
  • পেডং এবং গরুবাথানে দুটি ডিগ্রী কলেজ গড়ে তোলা হয়েছে।
  • কালিম্পং-এ একটি নতুন আইটিআই এবং একটি পলিটেকনিক কলেজ গড়ে তোলা হয়েছে। গরুবাথানে আরও একটি আইটিআই তৈরীর কাজ চলছে।
  • কার্শিয়াং-এর ডাওহিলকে একটি শিক্ষাকেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলার কাজ চলছে। এই অঞ্চলে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিমালয়ান সেন্টার গড়ে তোলার কাজ চলছে।



  • কালিম্পং-এ একটি হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট (HDU) গড়ে তোলা হয়েছে।
  • দার্জিলিং জেলায় ৮টি এসএনএসইউ গড়ে তোলা হয়েছে।
  • শিলিগুড়ি এবং দার্জিলিং-এ ২টি সিসিইউ গড়ে তোলা হয়েছে।
  • দার্জিলিং, শিলিগুড়ি, কার্শিয়াং এবং নকশালবাড়িতে ৪টি ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান তৈরী করা হয়েছে।
  • কার্শিয়াং-এ একটি নতুন মেডিক্যাল কলেজ গড়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি ১০০ বেডের ইএসআই হাসপাতাল গড়ে তোলা হচ্ছে শিলিগুড়িতে। এছাড়াও ৪টি উপকেন্দ্র কাজ শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে।


অন্যান্য কর্মসূচি

  • স্থানীয় ছেলেমেয়েদের খেলাধূলায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য হিমল-তরাই-ডুয়ার্স ক্রীড়া উৎসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
  • দার্জিলিং-এর রায়ভিলার সংস্কার কাজের জন্য রামকৃষ্ণ সেবা আশ্রমকে ১৮২.০৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দার্জিলিং-এ থাকাকালীন ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতি এবং অন্যান্য মূল্যবান রেকর্ডসমূহ সেখানে রাখা হয়েছে। এটি দার্জিলিং-এর ভ্রমণ ম্যাপের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
  • দার্জিলিং-এর কার্শিয়াং-এ টয়লেট ব্লকসহ গাড়িধুরা পুলিশ ফাঁড়ির দোতলা ভবনের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।

Bengal Transport Dept to introduce 270 buses; Darjeeling, Dooars in main focus

To ensure better connectivity between different points in tourist spots, the Bengal  Transport department has decided to introduce a set of new buses in Darjeeling, Dooars and Murshidabad.

Suvendu Adhjikari, the state Transport minister, said in the Assembly: “Decision has been taken to buy a total number of 270 buses. Out of these buses, eight will be plying in Darjeeling and four each in Dooars and Murshidabad.”

The 270 buses will be operated by the West Bengal Transport Corporation (WBTC), South Bengal State Transport Corporation (SBSTC) and North Bengal State Transport Corporation (NBSTC). The 270 buses include air-conditioned mini-buses, air-conditioned deluxe buses, 10 CNG buses and four electric buses. Mainly mini-buses that can easily ply on the hilly terrain will be bought for Darjeeling.

Thousands of people visit the places round the year and with several steps taken by the state government in the past six years, these locations have become immensely popular among people from different states and even abroad. The footfall has increased in all the these places and at the same time, Chief Minister Mamata Banerjee has taken different measures to ensure an overall development of the Hills.

Thus, beside tourists, common people of the area will also be immensely benefitted with the decision to introduce the additional fleet of buses. It may be mentioned that most of the buses will be having all modern arrangements to avoid any untoward incident in the bus. There will be panic button using which a passenger can alert policemen or concerned authorities if he or she falls in any untoward situation while travelling or if there is any emergency situation in the bus. There will also be CCTV cameras inside the buses. Notably, the buses will be GPS-enabled. Thus tracking of the realtime location of the buses will be an added advantage.


পর্যটন কেন্দ্রগুলির জন্য চালু হবে আরও ২৭০ টি নতুন বাস

যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করার জন্য বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র যেমন দার্জিলিং, ডুয়ার্স ও মুর্শিদাবাদের জন্য বেশ কিছু নতুন বাস নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য পরিবহণ দপ্তর।

বুধবার বিধানসভায় পরিবহণ মন্ত্রী জানান, সব মিলিয়ে ২৭০ টি নতুন বাস চালু হবে। এর মধ্যে ৮ টি বাস চলবে দার্জিলিং-এ, ৪টি ডুয়ার্স ও ৪টি মুর্শিদাবাদে চালানো হবে।

২৭০ টি বাসের মধ্যে বেশ কয়েকটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত মিনি বাস, শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ডিলাক্স বাস ও ১০ টি CNG বাস এবং ৪ টি ইলেকট্রিক বাস রয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় মিনি বাস সহজেই চলাচল করতে পারে।

মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর পাহাড়ের অনেক উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়েছেন এর ফলে পর্যটকদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। শুরু থেকেই পাহাড়ের সার্বিক উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত সরকার। এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে পর্যটকদের পাশাপাশি এলাকার সাধারণ মানুষও অনেক উপকৃত হবেন।

উল্লেখ্য, দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য বাসগুলির আধুনিকিকরণও করা হয়েছে। যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য একটা করে প্যানিক বাটন থাকবে। সিসিটিভি ক্যামেরাও থাকবে বাসগুলিতে। বাসগুলিতে জিপিএস ও বসানো হবে।