Latest News

April 17, 2018

Self-employment: Towards rural empowerment of Bengal

Self-employment: Towards rural empowerment of Bengal

0The West Bengal State Rural Livelihoods Mission (WBSRLM), administered by the Panchayat and Rural Development (P&RD) Department, organises the rural poor for gainful self-employment and envisages enabling communities to come out of poverty through the formation and strengthening of women’s self-help groups (SHG). It started its journey through the launching of the Anandadhara scheme by Chief Minister Mamata Banerjee on May 17, 2012. There is another programme in the State called ‘Promotion of SHG Movement’.


The major strategic interventions in the programme are universal social mobilisation, formation and strengthening of SHGs, capacity building, financial inclusion and access to credit, skills development and taking up different livelihood options with provisions for technological as well as marketing support.

To reach every poor family of Bengal through social mobilisation, WBSRLM ensures that at least one eligible female member from each eligible household is made part of an SHG.

During the first financial year (FY) of the Trinamool Congress Government, that is 2012-13, intensive implementation of the SHG programme was taken up in 32 blocks in nine districts. The programme was expanded to cover 158 blocks spread across all the 23 districts during FY 2017-18. In 2018-19, it has been planned to add more areas in the fold of SHG.


SHGs are administered through a four-level structure – Self-Help Groups (at the village level), Upasangha (SHG federations at the ward level), Sangha (SHG federations at the gram panchayat level) and Mahasangha (SHG federations at the block level). Currently, there are 5,29,309 SHGs, 35,960 Upasanghas, 3,219 Sanghas and 12 Mahasanghas.

The sanghas are being registered under the West Bengal Cooperative Act as Primary Multipurpose Cooperative Societies. So far, 2,200 such societies have been registered. The rest are going to be registered in due course.


Financial inclusion of the vast rural population is one of the primary purposes of WBSRLM. SHGs are capitalised by the Government through a revolving fund at the rate of Rs 15,000 per group. But after that, the programme ensures that the SHGs regularly receive credit from banks. This has led to the groups receiving an aggregate of Rs 3,416.48 crore as loans during FY 2016-17 and, up to January 2018 (FY 2017-18), Rs 2,137.32 crore.

Land issues are critical to the poor, and their ignorance can make them extremely vulnerable. To address this gap, a special project called Legal Land Literacy for poor SHG members is being implemented by the P&RD Department in collaboration with the Land and Land Reforms Department and Landesa Rural Development Institute, an international non-profit organisation. The project began with eight intensive blocks (in which all components are implemented), and has been extended to 24 more intensive blocks.

A special inclusion project was taken up, in collaboration with the NGO HelpAge, in three gram panchayats of Dinhata I block of Cooch Behar district to enable them to access age-appropriate livelihood and entitlement services. Its success has led it to be implemented in another six gram panchayats during FY 2017-18.

Another inclusion-related project has been implemented by the State Government – all SHG households are being covered under the Swasthya Sathi group medical insurance scheme. Till January 2018, 34 lakh SHG families were covered.

SHGs as vehicles for implementation of other Government programmes

SHGs supply school uniforms to children. During FY 2017-18, they have conducted business to the tune Rs 166 crore. Sangha cooperatives successfully manage dietary supplies to Government hospitals. These cooperatives are also engaged in the paddy procurement process, through which it ensures that poor SHG members do not have to engage in distress sale of paddy. Plans exist to increase the geographical coverage and target for paddy procurement in the future.


স্ব-নির্ভরতাঃ গ্রামীণ কর্মসংস্থানে বাংলা

২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার গ্রামীণ অঞ্চলে দারিদ্র দূরীকরণে উদ্যোগী হয়েছে।

এর মূল উদ্দেশ্য স্বনির্ভর গোষ্ঠী গঠনের মাধ্যমে সবাইকে স্বনির্ভর করে তোলা। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সশক্তিকরণ, ক্ষমতা বৃদ্ধি, আর্থিক উন্নতি, সহজে ঋণ লাভ, দক্ষতা বিকাশ ও প্রযুক্তি এবং বিপণনের সহযোগীতার মাধ্যমে রোজগারের বিভিন্ন উপায় বেছে নেওয়া।

এই উদ্দেশ্যে ২০১২ সালের ১৭ই মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সূচনা করেন ‘আনন্দধারা’ প্রকল্পের – কেন্দ্র ও রাজ্য ৬০:৪০ অনুপাতে বহন করে। এছাড়াও সম্পূর্ণ রাজ্যের নিজস্ব খরচে চলে আরেকটি প্রকল্প ‘প্রোমশান অফ এসএইচজি মুভমেন্ট’।

এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য অন্তত প্রতি পরিবারের একজন মহিলা যেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীতে থাকে। এই প্রকল্প প্রথমে রাজ্যের ৯ জেলার ৩২টি ব্লকে শুরু করা হয় ২০১২-১৩ সালে। ২০১৭-১৮ তে ২৩ জেলার ১৫৮টি ব্লকে শুরু করা হয়। ২০১৮-১৯ সালে আরও ২২টি ব্লকে এই প্রকল্প শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এই মুহূর্তে রাজ্যে ৫২৯৩০৯টি মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠী আছে, যারা ৩৫৯৬০টি উপসংঘের ও ৩২১৯ সংঘের সদস্য।ওয়েস্ট বেঙ্গল কোঅপারেটিভ অ্যাক্ট-এর অধীনে সংঘ গুলি নথিভুক্ত হয়েছে প্রাইমারি মাল্টিপারপাস কোঅপারেটিভ সোসাইটি হিসেবে। এখনও পর্যন্ত ২২০০ এরম সমবায় নথিভুক্ত হয়েছে।

প্রতি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ১৫০০০ টাকা করে রিভল্ভিং ফান্ড দেওয়া হয়।কমিউনিটি ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড সংঘকে অনুদান দেয়। গত বছর তম্লুক ব্লক মহিলা বিকাশ ক্রেডিট কো-অপারেটিভ সোসাইটি ও এ বছর ঝাড়গ্রাম ব্লক অরণ্য সুন্দরী মহাসংঘ সেরা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সম্মান পায়।

ব্যাঙ্কের থেকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীরা গত বছর ঋণ পেয়েছিল ৩৪১৬.৪৮ কোটি টাকা ও এই অর্থবর্ষে জাউয়ারি মাস পর্যন্ত পেয়েছে ২১৩৭.৩২ কোটি টাকা।

ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের সহযোগিতায় গরীব স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের জন্য লিগাল ল্যান্ড লিটারেসি চালু করেছে মালদা ও বীরভূমের আটটি ব্লকে।

বয়স্কদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে ২০১৭-১৮ সালে ৬টি গ্রাম পঞ্চায়েতে একটি প্রকল্প শুরু হয়েছে। সমস্ত স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের স্বাস্থ্য সাথী বীমার আওতায় আনা হয়েছে। জানুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত ৩৪ লক্ষ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যের পরিবার এই আওতায় এসেছে।

এই মুহূর্তে সংঘরা সরকারি হাসপাতাল গুলিতে খাদ্য এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীরা সরকারি স্কুলে পড়ুয়াদের জামার যোগান দিয়ে থাকে। এ বছর তারা এই বাবদ আয় করেছে ১৬৬ কোটি টাকা। যেসকল স্বনির্ভর গোষ্ঠী চাষের সঙ্গে যুক্ত, তারা যাতে তাদের উৎপাদনের সঠিক মূল্য পান, তাও নিশ্চিত করেছে রাজ্য সরকারের খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর।